Tag: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • ‘বোমা ফেলো না, এখনই পাইলট ফিরিয়ে নাও’: ইসরায়েলকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

    ‘বোমা ফেলো না, এখনই পাইলট ফিরিয়ে নাও’: ইসরায়েলকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া ভাষায় ইসরায়েলকে সতর্ক করেছেন— “বোমা ফেলো না, পাইলটদের ফিরিয়ে আনো এখনই”। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঘন্টাখানেক পরই এই বার্তা দেন ট্রাম্প।

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস, এএফপি ও আল-জাজিরার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। সেখানেও তিনি একই বার্তা দেন— বোমা হামলা চালানো হবে ‘চুক্তিভঙ্গ’।

    ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ বলেন,

    “ইসরায়েল, দয়া করে বোমা ফেলো না। এটা হলে বড় ধরনের চুক্তিভঙ্গ হবে। তোমাদের পাইলটদের এখনই ফিরিয়ে আনো।”

    এই সময় ট্রাম্প জানান, ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। ইসরায়েল বলেছে তারা প্রস্তাবে রাজি, এবং ইরান জানিয়েছে, যদি ইসরায়েল হামলা বন্ধ করে, তারাও পাল্টা হামলা চালাবে না।

    কিন্তু, একই সময় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায় তারা ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। অপরদিকে, তেহরান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

    অ্যাক্সিওস বলেছে, ট্রাম্পের অনুরোধ সত্ত্বেও নেতানিয়াহু জানিয়েছেন তিনি হামলা বাতিল করতে পারবেন না। কারণ, ইরান যুদ্ধবিরতি ভেঙেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, এই হামলা হবে সীমিত পরিসরে এবং কেবল একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে।

    বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই জটিল সময়ে ট্রাম্পের এই বার্তা স্পষ্টভাবে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাবধানতা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্যের ইঙ্গিত বহন করছে।

  • ইরান সংকটে ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন কিয়ের স্টারমার, শান্তির পথেই সমাধান চাই

    ইরান সংকটে ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন কিয়ের স্টারমার, শান্তির পথেই সমাধান চাই

    এবিএনএ:  যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার ইরান ইস্যুতে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে পিছু হটতে অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলে সংঘাত বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিপজ্জনক হতে পারে।

    স্টারমার আরও জানান, কূটনৈতিক পথই ইরান সমস্যার সফল সমাধান। তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে মার্কিন সরকারের সঙ্গে বহুবার আলোচনা হয়েছে এবং তাঁর মতে, এই ধরনের সংলাপই উত্তেজনা কমানোর একমাত্র উপায়।

    এই সময়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তার লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কমানোর জন্য কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নেওয়া। ওয়াশিংটনে তিনি মার্কো রুবিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন, যিনি ট্রাম্পের শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ল্যামি ও রুবিও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন, যাতে উত্তেজনা প্রশমিত করা যায় এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজা যায়।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাজ্যের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ ইরান সংকট মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে পরিস্থিতি এখনও সংকটাপন্ন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

  • ইরান ইস্যুতে ফের ধোঁয়াশা, ট্রাম্প বললেন ‘আমি এখনও কিছু ঠিক করিনি’

    ইরান ইস্যুতে ফের ধোঁয়াশা, ট্রাম্প বললেন ‘আমি এখনও কিছু ঠিক করিনি’

    এবিএনএ:  আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তেজনার মধ্যেই আবারও আলোচনায় এলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ইস্যুতে রহস্যজনক এক মন্তব্য করে নতুন করে কৌতূহলের জন্ম দিলেন তিনি।

    সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে দাবি করে, ট্রাম্প নাকি ইরানে হামলার একটি পরিকল্পনায় মৌখিকভাবে সম্মতি দিয়েছেন। তবে তিনি এখনই সেটি কার্যকর না করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছেন। কারণ, তিনি মনে করছেন ইরান হয়তো তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম থেকে সরে আসবে।

    এই প্রতিবেদন ঘিরেই শুরু হয় জোর বিতর্ক। ট্রাম্প এরপর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ লিখেন, “ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আমার ইরান সংক্রান্ত ভাবনা সম্পর্কে কিছুই জানে না!”

    তিনি আরও বলেন, “আমি এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি। সবাই আমাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করছে, কিন্তু আমি এখনো কিছু ঠিক করিনি। দেখা যাক সামনে কী হয়।”

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হতে পারে। তবে ট্রাম্পের এই ‘রহস্যপূর্ণ কৌশল’ নতুন নয়— অতীতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এমন ধোঁয়াশাপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন।

  • “আমি করতেও পারি, নাও পারি”— ইরান নিয়ে ট্রাম্পের ধোঁয়াশাপূর্ণ মন্তব্যে বাড়ছে উত্তেজনা

    “আমি করতেও পারি, নাও পারি”— ইরান নিয়ে ট্রাম্পের ধোঁয়াশাপূর্ণ মন্তব্যে বাড়ছে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  ইরান ও ইসরায়েলের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চলেছে— এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। বিষয়টি ঘিরে একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে তিনি দিলেন ধোঁয়াশাপূর্ণ ও ইঙ্গিতপূর্ণ উত্তর।

    এক সাংবাদিক জানতে চান, “যুক্তরাষ্ট্র কি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার পরিকল্পনা করছে?”
    এর জবাবে ট্রাম্প বলেন,
    “আমি এ বিষয়ে কিছু বলছি না… আপনি কি সত্যিই ভাবছেন যে আমি এমন প্রশ্নের জবাব দেব?”

    তিনি আরও বলেন,
    “আপনি জানেন না আমি কী করব। আমি হামলা চালাতেও পারি, নাও চালাতে পারি। কেউ জানে না আমি আসলে কী করতে যাচ্ছি।”
    এই বক্তব্যে যেন উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢাললেন ট্রাম্প।

    ট্রাম্প আরও বলেন,
    “ইরান এখন অনেক সমস্যায় আছে। তারা আলোচনা করতে চায়। আমি আগেই বলেছিলাম— কেন তারা আগেই আমার সঙ্গে বসেনি? এত প্রাণহানি, এত ধ্বংসের আগেই তো আলোচনার সুযোগ ছিল। তারা যদি দুই সপ্তাহ আগে কথা বলত, তাহলে তাদের একটা দেশ থাকত।”

    বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের সম্ভাবনা এড়িয়ে না গিয়ে বরং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছেন। তাঁর কথায় রয়েছে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের ছায়া, যা পরমাণু উত্তেজনার সময় আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

    মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।

  • ইরান-ইসরায়েল শান্তি চুক্তি সময়ের ব্যাপার মাত্র—ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ময়কর দাবি

    ইরান-ইসরায়েল শান্তি চুক্তি সময়ের ব্যাপার মাত্র—ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ময়কর দাবি

    এবিএনএ:

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশাবাদী যে, দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনায় থাকা ইরান ও ইসরায়েল এখন শান্তির পথে হাঁটতে যাচ্ছে। তার মতে, এই দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা খুবই নিকটবর্তী।

    নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পোস্ট করে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খুব দ্রুতই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তির সূচনা দেখতে পাব। বহু ফোনকল এবং বৈঠক ইতোমধ্যে চলছে।” তবে এই আলোচনার ধরন বা অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।

    ❖ আগে যুদ্ধের প্রশংসা, এখন শান্তির বার্তা

    যখন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু করেছিল, ট্রাম্প সেই আক্রমণকে “দারুণ” এবং “সফল” বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। অথচ বর্তমানে তিনি শান্তি স্থাপনের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন—যা তার অবস্থানে এক ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

    ❖ বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে মার্কিন ভূমিকা ধোঁয়াশাপূর্ণ

    ওয়াশিংটন ভিত্তিক রিপোর্টার রোসিল্যান্ড জর্ডান জানিয়েছেন, ট্রাম্পের “অনেক কল ও বৈঠক” নিয়ে কথা বলা এই প্রথম—যেখানে বর্তমান বাইডেন প্রশাসন এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন কূটনৈতিক কার্যক্রমে এখন দ্বৈত বার্তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের কূটনৈতিক ও সামরিক উপস্থিতি আংশিকভাবে সীমিত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার পূর্বাভাস ওয়াশিংটন আগেই পেয়েছিল, এবং সেই অনুযায়ী কিছু প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    ❖ মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান

    বর্তমান মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ইরান-ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতকে কোনোভাবেই বাড়তে দিতে চায় না। পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওমানে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে স্থগিত হলেও, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ওয়াশিংটনের আগ্রহ অটুট রয়েছে।

    বিশ্ব কূটনীতিতে এই মুহূর্তে ইরান-ইসরায়েল ইস্যু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্পের দাবি বাস্তব হয়ে উঠলে, তা হবে মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।


    📌 মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বিশ্লেষণ পেতে চোখ রাখুন আমাদের পোর্টালে।

  • চুক্তিতে না এলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের: ইরানকে আবারও সতর্কবার্তা

    চুক্তিতে না এলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের: ইরানকে আবারও সতর্কবার্তা

    এবিএনএ:

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি তেহরান চুক্তিতে না আসে, তবে পরবর্তী হামলা আরও ভয়ঙ্কর হবে।

    ট্রাম্প শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, “আমি তাদের অনেকবার সতর্ক করেছি, বলেছি—এখনই সময় চুক্তিতে আসার। কিন্তু তারা তা করেনি। রক্তপাত আর ধ্বংস এরই মধ্যে অনেক হয়েছে, তবে সব কিছু শেষ হওয়ার আগে এখনও সময় আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “যা একসময় পারস্য সাম্রাজ্য ছিল, তা রক্ষা করো। আর কোনো প্রাণহানি নয়, আর কোনো ধ্বংস নয়। এখনই সিদ্ধান্ত নাও, নইলে অনেক দেরি হয়ে যাবে।”

    এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময় এলো যখন রবিবার ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি নিয়ে ষষ্ঠ দফার আলোচনা হবার কথা রয়েছে। আলোচনার আগেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই কঠোর বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পরিকল্পনা তিনি আগেই জানতেন। তবে তিনি সাফ জানিয়েছেন—এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভোরে ইরানের বিভিন্ন স্থানে নজিরবিহীন হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে অন্তত ৭০ জন নিহত হন এবং আহত হন আরও ৩২০ জনের বেশি।

    নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—

    • মোহাম্মদ বাঘেরি, ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান

    • হোসেইন সালামি, আইআরজিসি প্রধান

    • ঘোলামালি রশীদ, সামরিক কমান্ডার

    • ফেরেয়দুন আব্বাসি, পরমাণু বিজ্ঞানী ও এআইওআই-এর সাবেক প্রধান

    • মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচি, পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী

    এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আয়াতুল্লাহ খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টা আলি শামখানি।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি এবং ইসরায়েলের হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সামরিক সঙ্কটের সূচনা হতে পারে। এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতি কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, সেটাই দেখার বিষয়।

  • লস অ্যাঞ্জেলেসকে ‘মুক্ত করার’ ঘোষণা ট্রাম্পের, কারফিউ-সহ উত্তাল শহরজুড়ে সংঘর্ষ

    লস অ্যাঞ্জেলেসকে ‘মুক্ত করার’ ঘোষণা ট্রাম্পের, কারফিউ-সহ উত্তাল শহরজুড়ে সংঘর্ষ

    এবিএনএ:

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরজুড়ে আবারও উত্তাল পরিস্থিতি। অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন স্থানে গণবিক্ষোভ, গণগ্রেফতার ও কারফিউ জারি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিস্ময়কর মন্তব্যে জানিয়েছেন, তিনি ‘লস অ্যাঞ্জেলেসকে স্বাধীন’ করবেন।

    বিক্ষোভের পঞ্চম দিনেও উত্তপ্ত পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। শহরের মেয়র কারেন বাস ডাউনটাউনের একটি অংশে রাতভর কারফিউ ঘোষণা করেছেন। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”

    এদিকে, ন্যাশনাল গার্ড এবং মেরিন সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে ফেডারেল বাহিনী এখন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর সহায়তায় কাজ করছে। সীমান্ত নিরাপত্তায় মোতায়েন এসব সেনাদের হাতে গ্রেফতারের ক্ষমতা না থাকলেও, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র ফেডারেল স্থাপনা এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

    ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার বিরোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই পদক্ষেপকে গণতন্ত্রের ওপর হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, “ট্রাম্প আবারও উসকানিমূলক পথ বেছে নিয়েছেন, যা রাজ্যগুলোর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।”

    মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে কারফিউ কার্যকর হতেই শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে ভিড় ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এরপরও বহু বিক্ষোভকারী ডাউনটাউনে অবস্থান করে।

    ট্রাম্পের ভাষায়, “লস অ্যাঞ্জেলেস যেন বিদেশি শত্রুদের কবলে চলে গেছে। আমি এ শহরকে উদ্ধার করব।” তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তেজনা ছড়ানোর কৌশল।

  • লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি, ট্রাম্পের নির্দেশে ২ হাজার সেনা মোতায়েন

    লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি, ট্রাম্পের নির্দেশে ২ হাজার সেনা মোতায়েন

    এবিএনএ:

    লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসনবিরোধী উত্তেজনা রুখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ হাজার ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড়ের জেরে উদ্ভূত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে।

    এই ঘটনায় পুরো ক্যালিফোর্নিয়া জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দ্বিতীয় দিনের মতো শনিবার প্যারামাউন্ট জেলার একটি ল্যাটিনো অধ্যুষিত এলাকায় অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা (ICE)-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জের আশ্রয় নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানে লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ১১৮ জন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে একদিনেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৪ জনকে।

    বর্ডার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা টম হোম্যান ফক্স নিউজকে জানান, “লস অ্যাঞ্জেলেসকে নিরাপদ রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সব কিছু করব। অতিরিক্ত সেনা ও সরঞ্জাম আনা হচ্ছে এবং আজ রাতেই ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হবে।” তিনি বলেন, সহিংসতা বা সম্পত্তি ধ্বংসের ক্ষেত্রে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

    এদিকে, এফবিআইর ডেপুটি ডিরেক্টর ড্যান বঙ্গিনো এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক বার্তায় বলেন, “আপনারা বিশৃঙ্খলা আনলে, আমরা হাতকড়া আনব।” তিনি বিক্ষোভ দমনে আরও গ্রেপ্তারের ইঙ্গিত দেন।

    মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, তার দপ্তর লস অ্যাঞ্জেলেসে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জরুরি ভিত্তিতে ন্যাশনাল গার্ড পাঠিয়েছে। সহিংসতা চলতে থাকলে, ক্যাম্প পেন্ডলটনের সক্রিয় ডিউটির মেরিনদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজুম এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, ফেডারেল সরকারের এই সেনা মোতায়েন “উত্তেজনাপূর্ণ” এবং এটি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করবে। তিনি জানান, লস অ্যাঞ্জেলেসের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিজেরাই আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাস অভিযোগ করেছেন, ICE-এর আচরণ জনমনে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। এর জবাবে, ফেডারেল সংস্থাগুলি দাবি করেছে যে মেয়রের মন্তব্য তাদের কর্মীদের ঝুঁকিতে ফেলছে।

    বর্তমানে প্যারামাউন্ট এলাকায় তুলনামূলক শান্তি ফিরলেও, কিছু স্থানে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে এখনও উত্তেজনা রয়েছে। টিয়ার গ্যাস ও ফ্ল্যাশ ব্যাং ব্যবহারে এলাকাটি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, অনেক অভিবাসী তাদের বাড়িতে আটকা পড়ে আছেন এবং বাইরে আসতে ভয় পাচ্ছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই এলাকার ৮০ শতাংশেরও বেশি জনগণ হিস্পানিক বংশোদ্ভূত।

  • বিদায়েও আলোচনায় মাস্ক, ট্রাম্প দিলেন সোনার চাবি

    বিদায়েও আলোচনায় মাস্ক, ট্রাম্প দিলেন সোনার চাবি

    এবিএনএ

    যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি দক্ষতা বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রযুক্তি জগতের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি ইলন মাস্ক। বিদায় অনুষ্ঠানে ওভাল অফিসে তাকে সম্মান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশেষভাবে তৈরি একটি বড় সোনার চাবি তুলে দিয়ে ট্রাম্প বলেন,

    “এ ধরনের উপহার আমি শুধু বিশেষ মানুষদের দেই। মাস্ক আমাদের জন্য অসাধারণ কাজ করেছেন।”

    শুক্রবার আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে মাস্ক ছিলেন একেবারে ভিন্ন সাজে— কালো টি-শার্টে সাদা অক্ষরে লেখা ছিল “DOEG Father” এবং মাথায় ছিল কালো ক্যাপ। এই পোশাকেই তিনি সরকারের খরচ সাশ্রয়ে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

    ডিওজিই (Department of Government Efficiency) এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি হাজার হাজার সরকারি চাকরি কমানো, বেশ কিছু সংস্থা বিলুপ্ত করা এবং বৈদেশিক সহায়তায় বড় আকারে কাটছাঁট করেছেন। মাস্কের মতে, তার ঘোষিত ১ ট্রিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ের পরিকল্পনার বাস্তব প্রভাব পেতে সময় লাগবে।

    ট্রাম্পের প্রশংসা:
    ট্রাম্প বলেন,

    “মাস্কের সংস্কার কর্মসূচি কয়েক দশকে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। সে সত্যিকার অর্থে বিদায় নিচ্ছে না—আমার বন্ধু হিসেবে সে থাকছেই।”

    সংবাদ সম্মেলনে মাস্ককে জিজ্ঞাসা করা হয়, ভবিষ্যতে ডিওজিই-তে তিনি যুক্ত থাকবেন কিনা? উত্তরে মাস্ক বলেন,

    “যখনই প্রেসিডেন্ট চাইবেন, আমি পরামর্শ দিতে প্রস্তুত।”

    কালশিটে নিয়ে রহস্য:
    মাস্কের ডান চোখের নিচে দৃশ্যমান একটি কালশিটে অনুষ্ঠানজুড়ে উপস্থিতদের কৌতূহল বাড়িয়ে তোলে। বিষয়টি ঘিরে গুঞ্জন আরও বেড়ে যায় নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের পর, যেখানে দাবি করা হয়—২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে তিনি অতিরিক্ত কেটামিন ব্যবহার করেছিলেন, যার কারণে শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

    তবে মাস্ক এই দাবি নাকচ করে জানিয়েছেন, তার ছোট ছেলে খেলার সময় দুর্ঘটনাবশত চোখে আঘাত করেছে। সংবাদ সম্মেলনেও তিনি বিষয়টি নিয়ে হালকা রসিকতায় বলেন,

    “ঘরের ছোট বাচ্চার চেয়ে বড় বিপদ আর কিছু নেই!”

    মাস্কের বিদায় হলেও তাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি ও প্রশাসনে প্রভাব বহাল থাকবে বলে ধারণা অনেকের।


  • ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়লেন ইলন মাস্ক, ফিরছেন কর্পোরেট জগতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে

    ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়লেন ইলন মাস্ক, ফিরছেন কর্পোরেট জগতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে

    এবিএনএ :

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে গঠিত প্রশাসনের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করা প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক এখন সেই পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার বরাতে বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    বিশ্বখ্যাত টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক গত জানুয়ারিতে ট্রাম্পের পুনর্গঠিত প্রশাসনে ‘সরকারি দক্ষতা বিভাগে’ বিশেষ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে যুক্ত হন। প্রশাসনের সংস্কার ও বাজেট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতেই গঠিত হয় এই বিভাগ। তবে এটি সরকারের মূল কাঠামোর অংশ ছিল না।

    এই দায়িত্বে তার ম্যান্ডেট ছিল ১৩০ দিনের, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩০ মে। তবে কিছুদিন আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে জানান, তিনি প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।

    তার এই সিদ্ধান্ত আসে এমন এক সময়ে, যখন কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের বাজেট ও কর নীতির তীব্র সমালোচনা করেন মাস্ক। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক যেমন সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি কিছু বিনিয়োগকারীর মধ্যে অসন্তোষও দেখা গেছে। তারা চান মাস্ক যেন ট্রাম্প প্রশাসনের দায়িত্ব থেকে সরে এসে টেসলা ও স্পেসএক্সে আরও সরাসরি মনোযোগ দেন।

    রয়টার্সের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, মাস্ক ও ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘ডিওজিই’ (সরকারি দক্ষতা বিভাগ) ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বেসামরিক কর্মী বাহিনীর ১২ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে সক্ষম হয়েছে।

    এমন প্রেক্ষাপটে ইলন মাস্কের দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে তার ব্যক্তিগত ও কর্পোরেট অগ্রাধিকার পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, সরকারি ব্যয় হ্রাস ও পুনর্গঠনের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

    ইলন মাস্কের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে তার ব্যবসায়িক উদ্যোগগুলোতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।