Tag: জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • নির্বাচনের মাঠে বিএনপি: গুলশানে চালু হলো দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী অফিস

    নির্বাচনের মাঠে বিএনপি: গুলশানে চালু হলো দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী অফিস

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে নতুন ধাপ যোগ করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয় ও পরিচালনার জন্য রাজধানীতে আলাদা একটি কেন্দ্রীয় নির্বাচনী অফিস চালু করেছে দলটি।

    শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের ৯০ নম্বর সড়কে অবস্থিত ১০/সি নম্বর ভবনে ফিতা কেটে এই অফিসের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুহুল কবির রিজভী জানান, বিএনপির গঠিত নির্বাচনী স্টিয়ারিং কমিটির সব সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম এই অফিস থেকেই পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, আর সেই কাজকে আরও কার্যকর ও সংগঠিত করতেই এই পৃথক কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

    রিজভী আরও জানান, নির্বাচনী যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানের সুবিধার্থে অফিসে একটি কল সেন্টারও চালু করা হয়েছে, যা দলীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

  • নির্বাচন সামনে রেখে কড়া নজরদারি: মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসাতে তালিকা চাইল সরকার

    নির্বাচন সামনে রেখে কড়া নজরদারি: মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসাতে তালিকা চাইল সরকার

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে যেসব মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তালিকা দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এ জন্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত মাদ্রাসাগুলোর নাম, সংখ্যা ও পূর্ণ ঠিকানা প্রয়োজন। আগামী ১১ জানুয়ারির মধ্যে সব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ই-মেইলে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে।

    মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মজুমদারের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী নির্দেশনার আলোকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া তালিকা প্রেরণের ক্ষেত্রে সমন্বয় নিশ্চিত করতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদেরও নির্দেশনার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • জাতীয় নির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা: রাজধানীসহ ৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    জাতীয় নির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা: রাজধানীসহ ৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রায় সব উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়েছে, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি। তবে সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, দাকোপ, মনপুরা ও রাঙ্গাবালি—এই ছয়টি উপজেলা মোতায়েনের তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।

    এর আগে বিজিবি জানায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে ১ হাজার ১৫১টি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে। ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় বাহিনীটি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচন পরবর্তী সময় মিলিয়ে মোট সাত দিন সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় থাকবে। পরিপত্র অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজিবি মোতায়েন শুরু হয়ে চলবে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি), কোস্ট গার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    এই নির্বাচনে প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটার অংশ নেবেন। ৩০০টি সংসদীয় আসনের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পুরো নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন বাহিনীর ৮ লক্ষাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • যাচাই-বাছাই শেষ: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মাঠে থাকছেন ১,৮৪২ বৈধ প্রার্থী

    যাচাই-বাছাই শেষ: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মাঠে থাকছেন ১,৮৪২ বৈধ প্রার্থী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যাচাই শেষে মোট ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বাতিল হয়েছে ৭২৩টি মনোনয়নপত্র।

    রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে। ইসির তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হলেও জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি। যাচাই শেষে এর মধ্যে ১,৮৪২টি মনোনয়ন বৈধ হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।

    অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে ঢাকা অঞ্চলে ৩০৯ জন প্রার্থী বৈধতা পেয়েছেন, বাতিল হয়েছে ১৩৩ জনের মনোনয়ন। চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৈধ ১৩৮ এবং বাতিল ৫৬টি। রাজশাহী অঞ্চলে ১৮৫ জন বৈধ হলেও ৭৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

    খুলনা অঞ্চলে ১৯৬ জন প্রার্থী বৈধ হয়েছেন, অবৈধ হয়েছেন ৭৯ জন। বরিশাল অঞ্চলে বৈধ প্রার্থী ১৩১ জন এবং বাতিল ৩১ জন। সিলেট অঞ্চলে ১১০ জন বৈধ ও ৩৬ জন অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

    ময়মনসিংহ অঞ্চলে ১৯৯ জন প্রার্থী বৈধতা পেলেও ১১২ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়। কুমিল্লা অঞ্চলে বৈধ প্রার্থী ২৫৯ জন, বাতিল হয়েছে ৯৭ জনের। রংপুর অঞ্চলে বৈধ ২১৯ ও বাতিল ৫৯ জন। ফরিদপুর অঞ্চলে ৯৬ জন বৈধ এবং ৪৬ জন প্রার্থী বাদ পড়েছেন।

    এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসনের তিনটি মনোনয়নপত্র কোনো যাচাই ছাড়াই নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসি।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল শুনানি শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে।

  • মান্না, হামিদুর, টিএস আইয়ুবসহ ৮৪ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল

    মান্না, হামিদুর, টিএস আইয়ুবসহ ৮৪ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), যা আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এরপর আপিল দাখিল ও নিষ্পত্তি এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    গতকাল শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন যাচাইয়ের কাজ অব্যাহত ছিল। এদিন বিভিন্ন আসনে যাচাই-বাছাই শেষে মোট ৮৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনটি হলো—বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, যশোর-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী টি এস আইয়ুব এবং কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। এ ছাড়া দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির আরও আটজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    হলফনামায় ভুল ও অসংগতি, তথ্যে গরমিল, ভোটারের স্বাক্ষর না থাকা, মামলা সংক্রান্ত জটিলতা এবং ঋণখেলাপির অভিযোগসহ বিভিন্ন কারণে এসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

    চট্টগ্রাম: তিনটি আসনে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন– চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফ ছিদ্দিকী, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (জাকের) মোহাম্মদ এরশাদ উল্ল্যা। এর মধ্যে এরশাদ উল্যা নিজেই নিজের প্রস্তাবকারী হওয়ায় নির্বাচন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার, আহমদ কবির, খেলাফত মজলিসের আফরাফ বিন ইয়াকুব এবং গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসানের। চট্টগ্রাম- ৩ (সন্দ্বীপ) আসনে জাতীয় পার্টির এমএ ছালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াহেদুল মাওলা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

    বগুড়া: জেলার তিনটি আসনে যাচাই-বাছাই শেষে সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান। এর মধ্যে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে দুইজন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে চারজন এবং বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। হলফনামায় তথ্য গরমিল থাকায় বগুড়া-২ আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার।

    জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকতা জানান, হলফনামায় নোটারি পাবলিকের আইনজীবীর স্বাক্ষর ছিল ২৮ তারিখ কিন্তু প্রার্থী হিসেবে মান্নার স্বাক্ষর ছিল ২৯ তারিখে। তাতে প্রতীয়মান হয়েছে প্রার্থী নোটারি পাবলিকের সামনে স্বাক্ষর করেননি। স্বাক্ষর করার নিয়ম নোটারি পাবলিকের সামনে। তবে ‌আপিল করার সুযোগ আছে বলেও তিনি জানান।

    বগুড়া-২ আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া অন্য প্রার্থীরা হলেন– জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার ও স্বতন্ত্র রেজাউল করিম তালু।

    বগুড়া-১ আসনে মোট সাত প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে দুজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। তারা হলেন– স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা। বগুড়া-৩ আসনে মোট পাঁচ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শাহজাহান আলী তালুকদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    যশোর: জেলার আরও দুটি আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে যশোর-৩ (সদর) আসনে ছয় প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নিজাম উদ্দিন অমিতের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। যশোর-৪ আসনে (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ১০ জন। এর মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী টিএস আইয়ুব, দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারহান সাজিদ ও জাতীয় পার্টির জহুরুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

    বিএনপির মনোনীত প্রার্থী টিএস আইয়ুবের নামে ঢাকা ব্যাংকে খেলাপি ঋণ রয়েছে। তাই তাঁর প্রার্থিতা গ্রহণ না করতে সম্প্রতি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দেয় ব্যাংক।

    কক্সবাজার: কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী সাত প্রার্থীর মধ্যে দুজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল প্রার্থীরা হলেন– জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মওলা। এর মধ্যে একটি মামলার যথাযথ নথিপত্র উপস্থাপন করতে না পারায় হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ ছাড়া কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

    কুমিল্লা : জেলার ছয়টি আসনে ১৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন– কুমিল্লা-১ আসনে জাতীয় পার্টির সৈয়দ ইফতেকার আহসান, জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ফারুক, কাজী ওবায়েদ ও আবু জায়েদ আল মাহমুদ। কুমিল্লা-২ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের আব্দুস সালাম, কল্যাণ পার্টির মো. শাহাব উদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী রমিজ উদ্দিন ও মনোয়ার হোসেন। কুমিল্লা-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ইউসুফ সোহেল ও গণঅধিকার পরিষদের মো. মনিরুজ্জামানের। কুমিল্লা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল করিম এবং খেলাফত মজলিসের মোফাজ্জল হোসেন। কুমিল্লা-৫ আসনে সিপিবির আবদুল্লাহ আল কাফি। কুমিল্লা-৬ আসনে বাসদের কামরুন নাহার সাথী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুনুর রশিদ।

    গাইবান্ধা: পাঁচটির মধ্যে দুটি আসনের আট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল প্রার্থীরা হলেন– গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাজেদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা আক্তার, মোস্তফা মহসিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রমজান আলী ও জাতীয় পার্টির মাহফুজুল হক সরদার। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে সিপিবির প্রার্থী মিহির কুমার ঘোষ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল মাজেদ ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থী একেএম গোলাম আযম।

    মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থীসহ চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন– বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী দলের জেলা কমিটির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন, সিপিবির শ ম কামাল হোসেন, লেবার পার্টির আনিছ মোল্লা ও খেলাফত মজলিসের নুর হোসাইন নুরানী।

    বরিশাল: তিনটি আসনে দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন– বরিশাল-৫ (মহানগর-সদর) আসনে খেলাফত মজলিসের এ কে এম মাহবুব আলম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া বরিশাল-৫ আসনে বাসদের ডা. মনীষা চক্রবর্তী ও বরিশাল-৬ আসনে মুসলিগ লীগের আব্দুল কুদ্দুসের মনোনয়পত্র স্থগিত হয়েছে।

    খুলনা: জেলার দুটি আসনে জাতীয় পার্টির দুই প্রার্থীসহ আরও তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন– খুলনা-৫ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আরা পারভীন (ইয়াসিন), খুলনা-৬ আসনে একই দলের প্রার্থী মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আসাদুল বিশ্বাস।

    কুড়িগ্রাম:  জেলার চারটি আসনের দুটিতে গতকাল এক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ও একজনের স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে মনোনয়নপত্র স্থগিত হয়েছে জামায়াত প্রার্থী মাহবুবুল আলমের। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল খালেকের।

    পাবনা: পাবনা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির দুই বিদ্রোহী নেতার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন খায়রুন নাহার খানম মিরু ও হাজি ইউনুস আলী। এদিকে গতকাল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের প্রস্তাবক ও সাঁথিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রামাণিককে ডিবি আটক করেছে। অধ্যাপক আবু সাইয়িদ এই অভিযোগ করেন। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    রংপুর: জেলার দুটি আসনে ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রংপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রিটা রহমান, বাসদের আনোয়ারুল ইসলাম বাবলু ও খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মণ্ডলের। রংপুর-৪ আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন– স্বতন্ত্র শাহ্‌ আলম বাশার, জয়নুল আবেদিন ও জাতীয় পার্টির (আনিস-রুহুল) আব্দুস ছালাম।
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ছয়টির মধ্যে তিনটি আসনে ছয় স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন– ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে হাবিবুর রহমান ও নজরুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে আরিফুর রহমান, নূরে আলম সিদ্দিকী, উমর ইউসুফ খান ও মো. কাজী জাহাঙ্গীর।

    টাঙ্গাইল: আটটির মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৯ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তারা হলেন– টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুন অর রশীদ। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোয়ার হোসেন সাগর, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র আইরিন নাহার ও শাহজাহান মিয়া, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আলী আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম তালুকদার ও মো. আব্দুল হালিম মিঞা।

  • সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বন্যা: ৫১ দলে ২,৫৬৯ জন, কে কত আসনে লড়ছে?

    সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বন্যা: ৫১ দলে ২,৫৬৯ জন, কে কত আসনে লড়ছে?

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে বিপুল সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৫৬৯ জন প্রার্থী এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মাঠে নেমেছেন।

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যমতে, দলীয় প্রার্থী রয়েছেন ২ হাজার ৯০ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৮৭ জন। এ ছাড়া একজন প্রার্থী রয়েছেন অনিবন্ধিত দলের পক্ষ থেকে।

    দলভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, বিএনপি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৩৩১ জন, জামায়াতে ইসলামী ২৭৬ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮ জন, জাতীয় পার্টি ২২৪ জন, গণঅধিকার পরিষদ ১০৪ জন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ৪৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। পাশাপাশি খেলাফত মজলিসের ৬৮ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ৬৫ জন, এবি পার্টি ৫৩ জন এবং জনতার দল থেকে ২৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।

    গতকাল নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এসব তথ্য জানান। তবে মনোনয়ন জমার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও কোন দল থেকে ঠিক কতজন দলীয় ও কতজন স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন—তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তখনও প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

    বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৯টি। তবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। এ ছাড়া পিডিপি, ফ্রিডম পার্টি ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে।

    নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাছাইয়ে বাদ পড়া প্রার্থীরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনি প্রচারণা, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

    এদিকে, পোস্টাল ভোটের জন্য ভোটার নিবন্ধনের সময়সীমা আরও বাড়িয়ে আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ৫২ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

    প্রবাসী ভোটার, নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি কর্মচারী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে পোস্টাল ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

  • শেষ মুহূর্তে বড় রদবদল: একাধিক আসনে বিএনপির প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন

    শেষ মুহূর্তে বড় রদবদল: একাধিক আসনে বিএনপির প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত মনোনয়ন তালিকায় একাধিক পরিবর্তন এনেছে বিএনপি। সর্বশেষ রোববার বিভিন্ন আসনে নতুন প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

    বিএনপির তথ্যমতে, জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে ঢাকা-১২ আসনে নিজেদের প্রার্থী প্রত্যাহার করেছে দলটি। এ আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের জন্য। এর আগে এখানে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব।

    চট্টগ্রাম-৪ আসনে পূর্বঘোষিত প্রার্থী কাজী সালাউদ্দিনের পরিবর্তে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নির্বাচনী আসন পরিবর্তন করে তাকে চট্টগ্রাম-১১ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম-১০ আসনে জাতীয়তাবাদী পাটশ্রমিক দলের সভাপতি সাইদ আল নোমানকে মনোনয়ন দিয়েছে দলটি।

    যশোর জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতে প্রার্থী পরিবর্তন করেছে বিএনপি। যশোর-১ আসনে কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তির পরিবর্তে শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। যশোর-৪ আসনে ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ূবের স্থলে অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান ফারাজীকে প্রার্থী করা হয়েছে।

    এ ছাড়া যশোর-৫ আসনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেনের বদলে জোট শরিক জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের (একাংশ) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মুফতি রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। যশোর-৬ আসনে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের পরিবর্তে কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদকে প্রার্থী করেছে দলটি।

    পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দারের পরিবর্তে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এসব মনোনয়নপত্রে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষর করেন।

  • নির্বাচনী দৌড়ে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা: কাল শেষ হচ্ছে মনোনয়ন দাখিল, ফরম নিয়েছেন ২৭৮০ প্রার্থী

    নির্বাচনী দৌড়ে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা: কাল শেষ হচ্ছে মনোনয়ন দাখিল, ফরম নিয়েছেন ২৭৮০ প্রার্থী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ঘনিয়ে এসেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২ হাজার ৭৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ৩১ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে রোববার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এরপর ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

    মনোনয়ন যাচাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।

    উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ১৮ ডিসেম্বর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে আপিল সংক্রান্ত সময়সূচিতে কিছু পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ভোটার তালিকায় নাম লেখালেন তারেক রহমান

    ভোটার তালিকায় নাম লেখালেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ সম্পন্ন করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দুপুরে তিনি ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন।

    দুপুর ১টার দিকে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে উপস্থিত হয়ে তারেক রহমান আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করেন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা তার তথ্য গ্রহণ করেন।

    এনআইডি উইং সূত্রে জানা গেছে, সব তথ্য সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পর তারেক রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত হতে সর্বোচ্চ একদিন সময় লাগতে পারে। তথ্য প্রদানের কাজ শেষ করে দুপুর ১টা ১৭ মিনিটে তিনি ধানমন্ডিতে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।

    নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক। দেশের যেকোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার হলেই এই শর্ত পূরণ হয়।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ইতোমধ্যে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানের ভোটার হওয়া ও নির্বাচনী প্রস্তুতি ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে বাগেরহাটে প্রার্থী ছড়াছড়ি, মনোনয়ন ফরম নিলেন ২৫ জন

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে বাগেরহাটে প্রার্থী ছড়াছড়ি, মনোনয়ন ফরম নিলেন ২৫ জন

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী তৎপরতা বেড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২৫ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়।

    বাগেরহাট-১ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির কপিল মণ্ডল, বিএনপি-স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম এ এইচ সেলিম, এস এম মুজিবর রহমান ও মাসুদ রানা। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর মশিউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজিবর রহমান শামীম এবং এবি পার্টির মো. আমিনুল ইসলাম মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।

    বাগেরহাট-২ আসনে মনোনয়ন নিয়েছেন বিএনপির শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর শেখ মনজুরুল হক রাহাত, ইসলামী আন্দোলনের শেখ আতিয়ার রহমান এবং খেলাফত মজলিসের বালী নাছের ইকবাল ফরম সংগ্রহ করেছেন।

    বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম ও মো. জুলফিকার আলী, জামায়াতের মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ শেখ, ইসলামী আন্দোলনের শেখ জিল্লুর রহমান, জাসদ-রবের হাবিবুর রহমান মাস্টার এবং এনসিপির মো. রহমাতুল্লাহ মনোনয়ন নিয়েছেন।

    বাগেরহাট-৪ (ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী) আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীরা হলেন বিএনপির সোমনাথ দে, স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম ও কাজী খাইরুজ্জামান শিপন, জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল আলীম এবং ইসলামী আন্দোলনের মো. ওমর ফারুক।

    জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। পরে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।