Tag: জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের হয়ে মাঠে কোকোর স্ত্রী

    ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের হয়ে মাঠে কোকোর স্ত্রী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশজুড়ে নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যস্ত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেও সারাদেশের প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে নিজ এলাকায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের পক্ষে সরাসরি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি।

    এবিএনএ: শনিবার বিকেলে রাজধানীর শাহজাদপুর এলাকায় সুবাস্তু নজর ভ্যালি মার্কেটের সামনে থেকে তারেক রহমানের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শুরু করেন শামিলা রহমান সিঁথি। এরপর তিনি গুলশান এলাকার ডিএনসিসি মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন।

    এ সময় তিনি সাধারণ ভোটারদের কাছে তারেক রহমানের জন্য দোয়া ও ভোট কামনা করেন। গণসংযোগকালে শামিলা রহমান সিঁথি বলেন, তিনি ভাইয়ের পক্ষ থেকে ভোটারদের কাছে এসেছেন এবং সবাইকে তারেক রহমানের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

    এই প্রচারণায় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিনের স্ত্রী ব্যারিস্টার মেহেনাজ মান্নানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    এদিকে ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে নিয়মিত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম এবং যুগ্ম সমন্বয়ক ফরহাদ হালিম ডোনার।

  • বাগেরহাট-১ আসনে ভোটের সমীকরণ বদলে দিচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, চাপে বিএনপি

    বাগেরহাট-১ আসনে ভোটের সমীকরণ বদলে দিচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, চাপে বিএনপি

    এবিএনএ: বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তুঙ্গে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রচারণায় নেমে পড়েছেন মোট ২৩ জন প্রার্থী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিটি আসনেই বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এর পাশাপাশি নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বাড়তি চাপ তৈরি করছেন বিএনপির জন্য।

    দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বাগেরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শেখ মাসুদ রানাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে বহিষ্কার হলেও মাঠে তার তৎপরতা থেমে নেই, বরং স্থানীয় পর্যায়ে তার উপস্থিতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

    অন্যদিকে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম বাগেরহাটের ১, ২ ও ৩ নম্বর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গণসংযোগ চালাচ্ছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতাকে পুঁজি করে তিনি ভাসমান ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন।

    ভাসমান ভোটারই এখন মূল ফ্যাক্টর
    স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ায় এবারের নির্বাচনে ভাসমান ভোটারের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার—সবখানেই চলছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। অনেক ভোটার দলীয় পরিচয়ের চেয়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বাগেরহাট-১ আসনের চিত্র
    চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-১ আসনে সরকার পরিবর্তনের পর বিএনপির একাধিক নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন পান কপিল কৃষ্ণ মন্ডল। তিনি চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও পরিচিত। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন।

    তবে তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম ও শেখ মাসুদ রানা। বিএনপির অনেক স্থানীয় নেতাকর্মী নীরবে কিংবা প্রকাশ্যে এই দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অধ্যক্ষ মো. মশিউর রহমান খান এই আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৫ আগস্টের পর সংগঠনের নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা এবং সুসংগঠিত প্রচারণায় তিনি আলাদা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন ভোটাররা।

    এছাড়াও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী আবু সবুর শেখ, এবি পার্টির মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি (জেপি)-এর এস এম গোলাম সারোয়ার এবং মুসলিম লীগের এমডি শামসুল হক নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

    বিএনপি প্রার্থীর আশাবাদ
    বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, “দল আমার ওপর আস্থা রেখেছে। তৃণমূল থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের নেতাকর্মী আমার সঙ্গে আছে। আমরা এই আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে পারব।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন ভোটারদের মতে, বাগেরহাট-১ আসনে এবার দ্বিমুখী নয়, বরং ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনাই বেশি।

    ভোটার সংখ্যা
    এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯০ হাজার ৮৩৮ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭২০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ২ জন।

  • নির্বাচনের মাঠে সেনাবাহিনীর জন্য কড়া বার্তা: নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ

    নির্বাচনের মাঠে সেনাবাহিনীর জন্য কড়া বার্তা: নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ

    এবিএনএ:  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে দায়িত্বশীল ও নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে মোতায়েন করা সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণকালে এসব দিকনির্দেশনা দেন সেনাপ্রধান। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    আইএসপিআরের তথ্যমতে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়নের পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের প্রস্তুতি ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন সেনাবাহিনী প্রধান। পরিদর্শনকালে তিনি মাঠপর্যায়ের সেনা সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    সফরের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি এবং অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। পরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষেও অনুরূপ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মতবিনিময় সভাগুলোতে নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেনাপ্রধান বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই সেনাবাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং সেটিই জনগণের আস্থার মূল ভিত্তি।

  • বাগেরহাটে ২৩ প্রার্থীর প্রতিক বরাদ্দ, তিন আসনে নির্বাচন করা সেলিমের প্রতিক ঘোড়া

    বাগেরহাটে ২৩ প্রার্থীর প্রতিক বরাদ্দ, তিন আসনে নির্বাচন করা সেলিমের প্রতিক ঘোড়া

    এবিএনএ, ‎বাগেরহাট: ‎বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে ২৩ জন প্রার্থীর আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিক বরাদ্দ করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। জেলার বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৩ তিনটি আসন থেকে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি এম,এ,এইচ সেলিম নিয়েছেন ঘোড়া প্রতিক। বাগেরহাট-১ আসনে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মো. শেখ মাসুদ রানা ফুটবল প্রতিক ও বাগেরহাট-৪ আসনে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী খায়রুজ্জামান শিপন পেয়েছেন হরিণ প্রতিক। বুধবার দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিক বরাদ্দ করা হয়।

    বাগেরহাট-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়াও বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মন্ডল, জামায়াতের মাওলানা মশিউর রহমান খান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবু সবুর শেখ, এবি পার্টির মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি-জেপি‘র স, ম, গোলাম সরোয়ার, মুসলিম লীগের এমডি শামসুল হকের মাঝে তাদের দলীয় প্রতিক বরাদ্দ করা হয়েছে।

    বাগেরহাট-২ আসনে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি এম,এ,এইচ সেলিম নিয়েছেন ঘোড়া প্রতিক। এ আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, জামায়াতের শেখ মনজুরুল হক রাহাদ ও ইসলামী আন্দোলনের এ্যাড. আতিয়ার রহমানের মাঝে তাদের দলীয় প্রতিক বরাদ্দ করা হয়েছে।

    বাগেরহাট-৩ আসনে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি এম,এ,এইচ সেলিম নিয়েছেন ঘোড়া প্রতিক। এ আসনে বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জামায়াতের এ্য্যড. আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামী আন্দোলনের জিল্লুর রহমান, জাসাদের মো. হাবিবুর রহমান মাস্টারের মাঝে তাদের দলীয় প্রতিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    বাগেরহাট-৪ আসনে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী খায়রুজ্জামান শিপন পেয়েছেন হরিণ প্রতিক। এছাড়া এই আসনে বিএনপির সোমনাথ দে, জামায়াতের অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলনে ওমর ফারুক, জাতীয় জাসদেও মো. আ. লতিফ খান, জাতীয় পার্টি-জেপি‘র সাজন কুমার মিস্ত্রির মাঝে তাদের দলীয় প্রতিক বরাদ্দ করা হয়েছে।

  • নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত: বিএনপি ও জামায়াতের ৮ শীর্ষ নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত: বিএনপি ও জামায়াতের ৮ শীর্ষ নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আটজন নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের সুরক্ষা নিশ্চিতের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা-০২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

    ইসির এক চিঠিতে জানানো হয়, গাজীপুর-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত তার জন্য উপযুক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    অন্য একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের দলের সাতজন শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য প্রার্থীর নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

    নিরাপত্তার আওতায় আসা জামায়াত নেতারা হলেন—
    আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, এটিএম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ড. হামিদুর রহমান আযাদ এবং মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থীদের নিরাপদ প্রচার-প্রচারণা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অন্যতম শর্ত। সে লক্ষ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

  • ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির শক্তিশালী মিডিয়া টিম, তবে শুরুতেই আস্থার ফাটল ঘিরে আলোচনা

    ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির শক্তিশালী মিডিয়া টিম, তবে শুরুতেই আস্থার ফাটল ঘিরে আলোচনা

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বগুড়া-১ ও বগুড়া-৬ আসনের পাশাপাশি রাজধানীর কূটনৈতিক ও অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত গুলশান-বনানী অধ্যুষিত ঢাকা-১৭ আসনে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    এই আসনে নির্বাচনী কার্যক্রম জোরদার করতে একাধিক সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো মিডিয়া কমিটি, যেখানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ৫৯ জন সাংবাদিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রবীণ সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদারকে আহ্বায়ক এবং জাহিদুল ইসলাম রনীকে সদস্য সচিব করে এই কমিটি গঠন করা হয়।

    কমিটির দায়িত্ব হিসেবে নির্বাচনী কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্য প্রচার, গণমাধ্যম সমন্বয় এবং কৌশলগত পরামর্শ প্রদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুস সালাম। দলীয় সূত্র জানায়, ডান, বাম ও মধ্যপন্থি মতাদর্শের সাংবাদিকদের সমন্বয়ে ভারসাম্যপূর্ণভাবেই এই মিডিয়া কমিটি গড়া হয়েছে।

    তবে কমিটির যাত্রা শুরুর দিকেই আস্থার সংকটের ইঙ্গিত মিলেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রথম সভায় কয়েকজন সদস্য পারস্পরিক বিশ্বাসের ঘাটতি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এমনকি বিএনপির নির্বাচনী কাজে গঠিত কিছু কমিটিতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের সংশ্লিষ্টদের অনুপ্রবেশের সম্ভাবনার কথাও আলোচনায় উঠে আসে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

    গত ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত মিডিয়া কমিটির প্রথম সভায় এসব বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে চাপা কানাঘোষা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    সব মিলিয়ে পাঁচ ডজন সাংবাদিক নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপির মিডিয়া কমিটি নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে এগোলেও, আস্থার প্রশ্নে শুরুতেই যে জটিলতার আভাস মিলেছে—তা কত দ্রুত সামাল দেওয়া যায়, সেটিই এখন দলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত টিমে অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন- মাহমুদুল হাসান (এনটিভি অনলাইন), ইমরুল হাসান জনি (এনটিভি), উমর ফারুক (যায়যায়দিন), হাসান মোল্লা (বাংলাদেশ বুলেটিন), হাসান শিপলু (৭১ টিভি), মঈন উদ্দিন খান (নয়া দিগন্ত), আব্দুর রহমান জাহাঙ্গীর (ইউএনবি), খোন্দকার কাওসার (সাবেক ভোরের কাগজ), রাশেদুল হক (বাংলাবাজার পত্রিকা), মোস্তাফিজ বিপ্লব (বাংলাবাজার পত্রিকা), শফিকুল ইসলাম শফিক শাফি (দেশ রূপান্তর), আতিকুর রহমান রুমন (দিনকাল), এরফানুল হক নাহিদ (নবযুগ), রফিকুল ইসলাম আজাদ (সাবেক ডেইলি ইন্ডিপেনডেন্ট), শরিফুল ইসলাম (জনকণ্ঠ), মোশাররফ বাবলু (টাইমস অব বাংলাদেশ), বাছির জামাল (আমার দেশ), মঈনুল আহসান (এটিএন বাংলা), ইউসুফ আলী (মাইটিভি),রাজ কুমার নন্দি-(কালবেলা), শফিউল আলম দোলন (বাংলাদেশ প্রতিদিন), জাহানারা পারভীন (ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি), কামরুল হাসান দর্পন (ইনকিলাব), গাউসুল আজম বিপু (জিটিভি), কামরুল হাসান (সমকাল), তরিকুল ইসলাম (যুগান্তর), আহমেদ সালেহীন (সময় টিভি), আল-আমিন- (ডেইলি সান), কাজী সুমন (মানবজমিন),নজরুল ইসলাম (আমাদের সময়), শাহনেওয়াজ বাবুল (চ্যানেল-২৪), মাহমুদুল হাসান (গ্রীনটিভি), মোরসালিন নোমানী (বাসস), রোমানা (বাসস), মারুফা রহমান (নিউজ২৪) মেহেদী আজাদ মাসুম (বৈশাখী টিভি), আক্তারুজ্জামান রকি (চ্যানেল-৯), বিশাল (আরটিভি), সজিব (দিনকাল), লাবনী সিদ্দিক (দিনকাল), ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার (জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন), মাহফুজ কবির মুক্তা, আব্দুল আহাদ (এসএটিভি), এনামুল হক বাবুল, জয়ন খান, কালাম ফয়েজী, আবুল কাশেম প্রমুখ।

  • নির্বাচনী ঐক্য ভেঙে একক পথে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন, ২৬৮ আসনে প্রার্থী ঘোষণা

    নির্বাচনী ঐক্য ভেঙে একক পথে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন, ২৬৮ আসনে প্রার্থী ঘোষণা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোট রাজনীতি থেকে সরে এসে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা ও আসন সমঝোতার টানাপোড়েনের পর শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ঐক্য ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

    শুক্রবার রাজধানীতে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান জানান, দলটি ইতোমধ্যে ২৬৮টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। বাকি ৩২টি আসনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি সমর্থন জানানো হবে।

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবেই অংশ নেবে।”

    এর আগে আসন বণ্টন নিয়ে মতবিরোধের জেরে ইসলামী আন্দোলনকে বাদ দিয়েই জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১০টি রাজনৈতিক দল ২৫৩টি আসনে নির্বাচনী সমঝোতার ঘোষণা দেয়। বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের জন্য আলাদা চেয়ার রাখা হলেও দলটির কোনো প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

    একই দিনে দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক এবং রাতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনও বর্জন করে ইসলামী আন্দোলন। যদিও ওই সমঝোতায় দলটির জন্য পাঁচটি উন্মুক্ত আসনসহ মোট ৪৭টি আসন প্রস্তাব করা হয়েছিল।

    রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলন শেষ পর্যন্ত জোটে না থাকায় উন্মুক্ত রাখা আসনগুলোতে জামায়াত তাদের নিজস্ব প্রার্থী দেবে। এ অবস্থায় একক নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন দলটি।

  • ১৩তম সংসদ নির্বাচনে বড় চমক: ২৫৩ আসনে ঐকমত্য, জামায়াত পাচ্ছে ১৭৯, এনসিপি ৩০

    ১৩তম সংসদ নির্বাচনে বড় চমক: ২৫৩ আসনে ঐকমত্য, জামায়াত পাচ্ছে ১৭৯, এনসিপি ৩০

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আসন সমঝোতার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ২৫৩টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৮টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

    ঘোষিত সমঝোতা অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বাধিক ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দেবে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩০টি আসন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে দেওয়া হয়েছে ২০টি, খেলাফত মজলিসকে ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি এবং বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি ২টি আসন।

    তবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের জন্য এখনো আসন চূড়ান্ত হয়নি। একই সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গেও আসন সমঝোতার আলোচনা চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে প্রাথমিক বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

    এ সময় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতারা জানান, আলোচনার মাধ্যমে বাকি দলগুলোর আসন সমঝোতাও শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে।

  • পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ বিতর্ক: প্রতীকের অবস্থান নিয়ে যা জানাল নির্বাচন কমিশন

    পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ বিতর্ক: প্রতীকের অবস্থান নিয়ে যা জানাল নির্বাচন কমিশন

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটে বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষ’-এর অবস্থান নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যালট পেপার ছাপানোর ক্ষেত্রে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ক্রমধারাই অনুসরণ করা হয়েছে।

    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, কমিশনের কাছে যে সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, তার ধারাবাহিকতা অনুযায়ীই পোস্টাল ব্যালটে দল ও প্রতীকগুলো সাজানো হয়েছে।

    এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ধানের শীষ প্রতীকটি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালটের মাঝামাঝি স্থানে রাখা হয়েছে। দলটির নেতাদের দাবি, ব্যালট ভাঁজ করলে এই প্রতীক অনেক সময় ভোটারের চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। এ কারণে বিদেশে পাঠানো হয়নি—এমন পোস্টাল ব্যালট সংশোধনের দাবিও তোলে বিএনপি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, পোস্টাল ব্যালট পুনর্মুদ্রণ বা সংশোধনের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। কমিশনের সভায় আলোচনা করেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এই বিতর্ককে ঘিরে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে দুই ব্যাংকের আপিল

    চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে দুই ব্যাংকের আপিল

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছে দুটি ব্যাংক। একইসঙ্গে ওই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরীও পৃথকভাবে আপিল করেছেন।

    রোববার নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক এশিয়া ও ট্রাস্ট ব্যাংক আলাদাভাবে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিলের আবেদন জমা দিয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এসব আপিলের শুনানি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    এর আগে গত ৩ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় যাচাই-বাছাই শেষে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। তবে পরে ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত অভিযোগ ওঠে।

    জামায়াত প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী দাবি করেন, আদালতের দেওয়া এক আদেশে আসলাম চৌধুরীকে ঋণখেলাপি ঘোষণা থেকে বিরত রাখা হলেও শর্ত হিসেবে ১৩টি ব্যাংকে ৫০ কোটি টাকা ৩১ জানুয়ারির মধ্যে জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তার অভিযোগ, ওই শর্ত থাকা সত্ত্বেও মনোনয়ন বহাল রাখা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ব্যাংক এশিয়ার ঢাকা করপোরেট অফিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। একই অভিযোগে ট্রাস্ট ব্যাংকও পৃথক আবেদন জমা দিয়েছে।