Tag: খালেদা জিয়া

  • স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা—শ্রদ্ধা, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন

    স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা—শ্রদ্ধা, দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন

    এবিএনএ: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে Bangladesh Nationalist Party। রোববার (২২ মার্চ) দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব Ruhul Kabir Rizvi স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    ঘোষণা অনুযায়ী, ২৬ মার্চ ভোর ৬টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই দিনে ভোরে সাভারে অবস্থিত National Martyrs’ Memorial-এ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপির পক্ষ থেকেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকায় ফিরে দলের প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ Ziaur Rahman এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী Khaleda Zia-এর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। সেখানে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দোয়ার আয়োজন করা হবে।

    এর আগে ২৫ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর রমনায় Institution of Engineers Bangladesh মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখবেন।

    দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ইতোমধ্যে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করেছে এবং একটি বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

    রিজভী আরও জানান, দেশের সব জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌর ইউনিট নিজ নিজ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। পাশাপাশি দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও নিজস্ব পরিকল্পনায় দিবসটি উদযাপন করবে।

    ঘোষিত কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

  • চাঁদাবাজি করলে বিএনপিতে ঠাঁই নেই : আমির খসরু

    চাঁদাবাজি করলে বিএনপিতে ঠাঁই নেই : আমির খসরু

    এবিএনএ: বিএনপি কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা সহিংস রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বিএনপির রাজনীতি শান্তি, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। যারা চাঁদাবাজি কিংবা মাস্তানির সঙ্গে জড়িত, তাদের এখনই দল ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৪০ নম্বর ওয়ার্ড (উত্তর পতেঙ্গা) বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমির খসরু।

    দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকারের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করেছেন। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও তিনি কখনো নীতিগত প্রশ্নে আপস করেননি।

    দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বেড়ে গেছে। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে অর্থনীতিতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে উন্নয়নের সুফল জনগণের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অর্থপাচার কিংবা বড় প্রকল্পের নামে দুর্নীতির রাজনীতি হবে না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের রাজনীতি করবে দলটি।

    চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, দলের ভেতরে এসব অপকর্মের কোনো জায়গা নেই। কেউ যদি এসব কাজে জড়িত থাকে, তাহলে সময় থাকতে শুধরে যেতে হবে; নচেৎ কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের লোক দল ছাড়লেও বিএনপির জনপ্রিয়তা বা নির্বাচনী সাফল্যে কোনো প্রভাব পড়বে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    সভায় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • খালেদা জিয়ার জানাজায় জনসমুদ্র, মানুষের ভালোবাসার শক্ত বার্তা দেখছে বিএনপি

    খালেদা জিয়ার জানাজায় জনসমুদ্র, মানুষের ভালোবাসার শক্ত বার্তা দেখছে বিএনপি

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতিকে দেশের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জানাজায় মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের ভবনের ছাদ পর্যন্ত মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে—খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। নীতি, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়া আজীবন সংগ্রাম করেছেন, কারাবরণ করেছেন, দীর্ঘ অসুস্থতার মধ্যেও দেশ ছেড়ে যাননি। দেশের মাটি, মানুষ ও স্বাধীনতার প্রতি তার ভালোবাসাই সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের এই সংকটময় সময়ে তার প্রয়াণ মানুষের মধ্যে গভীর শোক তৈরি করেছে। তাই তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় জানাজায় মানুষের চোখে জল দেখা গেছে। এই আবেগই প্রমাণ করে, খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি ছিলেন মানুষের আস্থার প্রতীক।

    বিএনপি মহাসচিবের মতে, খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া আদর্শ বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীর জন্য বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনকে তিনি যেভাবে ধারণ করেছিলেন, সেই পথ ধরেই তারেক রহমান নেতৃত্ব দেবেন—এমন প্রত্যাশা মানুষের।

    আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি দলকে দুর্বল করবে না; বরং মানুষের ভালোবাসা ও আবেগ বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

  • খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা ছাড়লেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা ছাড়লেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    এবিএনএ: বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা ত্যাগ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। কয়েক ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফর শেষে বুধবার সন্ধ্যার আগে তিনি রাজধানী ছাড়েন।

    ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের একটি সূত্র জানায়, ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিশেষ ফ্লাইটে বিকেল ৫টার দিকে জয়শঙ্কর ঢাকা ত্যাগ করেন। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানাতে তিনি বুধবার দুপুরে ঢাকায় আসেন।

    এই সফরে জয়শঙ্কর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ব্যক্তিগত চিঠি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন। একই সঙ্গে ভারত সরকার ও দেশটির জনগণের পক্ষ থেকেও শোকবার্তা জানান তিনি।

    সংক্ষিপ্ত সফরকালীন সময়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও তাঁদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

    এ ছাড়া ঢাকায় অবস্থানরত পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিকসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন জয়শঙ্কর।

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এস জয়শঙ্করই প্রথম ভারতীয় মন্ত্রী, যিনি সরকারি সফরে ঢাকা এলেন।

  • বুধবার সাধারণ ছুটি হলেও যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না—জেনে নিন বিস্তারিত

    বুধবার সাধারণ ছুটি হলেও যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না—জেনে নিন বিস্তারিত

    এবিএনএ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী বুধবার থেকে টানা তিন দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। পাশাপাশি তার জানাজার দিন বুধবার এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

    মঙ্গলবার দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে এবং তার জানাজার দিনে সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে।

    এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, ৩১ ডিসেম্বর বুধবার নির্বাহী আদেশে এক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

    তবে প্রজ্ঞাপনে ছুটির আওতার বাইরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোর কথাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসসহ জ্বালানি খাত, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক বিভাগ এবং এসব সেবার সঙ্গে যুক্ত যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির বাইরে থাকবেন।

    এছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে। জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত অফিসগুলোকেও ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে।

    ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। অন্যদিকে আদালতের কার্যক্রম সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্ট থেকে জানানো হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে ঢাকায় নিষিদ্ধ সব আনন্দ আয়োজন, ডিএমপির কড়া নির্দেশনা

    রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে ঢাকায় নিষিদ্ধ সব আনন্দ আয়োজন, ডিএমপির কড়া নির্দেশনা

    এবিএনএ: তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। এ সময় ঢাকা মহানগর এলাকায় জনশৃঙ্খলা ও শোকের পরিবেশ বজায় রাখতে একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শোক পালনকালীন সময়ে মহানগরজুড়ে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি কিংবা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। একই সঙ্গে আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

    এছাড়া উচ্চ শব্দে যানবাহনের হর্ন বাজানোসহ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে পারে—এমন যেকোনো কার্যক্রম থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়।

    ডিএমপি কমিশনার নগরবাসীর প্রতি এসব নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয় শোক যথাযথভাবে পালনে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

    এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৬টায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

  • জাতির শোকে স্তব্ধ দেশ, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও বুধবার সাধারণ ছুটি

    জাতির শোকে স্তব্ধ দেশ, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও বুধবার সাধারণ ছুটি

    এবিএনএ: তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) একদিনের সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে পুরো জাতি গভীর শোক ও বেদনায় নিমজ্জিত।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিভাবকতুল্য নেত্রীকে হারিয়েছে। এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং অগণিত অনুসারীর প্রতি জাতির পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে। তিনি মহান আল্লাহর কাছে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

    শোক পালনকালে সবাইকে শৃঙ্খলা ও ধৈর্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জানাজা ও অন্যান্য ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

    খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের মূল্যায়ন করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনীতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফেরার সাহস জুগিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় খালেদা জিয়ার অবিচল অবস্থান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এমন একজন দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

    শেষে জাতির এই শোকাবহ সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা নাশকতা যেন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

  • শেষ বিদায়ে প্রস্তুত দেশ, বুধবার বাদ জোহর মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা

    শেষ বিদায়ে প্রস্তুত দেশ, বুধবার বাদ জোহর মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জানাজা শেষে তাকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশেই দাফন করা হবে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামতে পারে—এমন প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে জানাজার স্থান ঘিরে।

    এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

    মৃত্যুর সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও স্বজনরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।

    দীর্ঘদিন ধরেই নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। কিডনি ও যকৃতের জটিলতা, ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসসহ বার্ধক্যজনিত একাধিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি।

    খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

  • খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় সারাদেশের মসজিদে দোয়া

    খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় সারাদেশের মসজিদে দোয়া

    এবিএনএ: রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সপরিবারে দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সারাদেশের মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

    বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে এই দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মুসল্লিরাও অংশ নেন।

    এর আগে দলের পক্ষ থেকে এই দোয়া কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নেতাকর্মীদের মসজিদভিত্তিক দোয়ায় শরিক হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান। শুক্রবার জুমার নামাজের পর তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করেই এই দোয়া কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    এদিকে, শনিবার ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান। এরপর তিনি ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়ার সূচি রয়েছে।

  • খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যে স্বস্তির বার্তা: আগের চেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যে স্বস্তির বার্তা: আগের চেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন

    এবিএনএ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আগের চেয়ে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, গত এক মাসের চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে তার অবস্থার কোনো অবনতি হয়নি।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. জাহিদ বলেন, ২৩ নভেম্বর থেকে বেগম খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

    তিনি আরও জানান, শুক্রবার তার শরীরে একটি ছোট চিকিৎসা প্রক্রিয়া (প্রসিডিউর) সম্পন্ন করা হয়েছে, যা তিনি সফলভাবে গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি ক্রিটিক্যাল কেয়ার সুবিধাসম্পন্ন একটি কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    খালেদা জিয়ার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ বলেন, তার বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং নতুন করে কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। তিনি দেশবাসীর কাছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা করেন, যেন এই স্থিতিশীল অবস্থা আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়।