Tag: খালেদা জিয়া

  • জার্মানি থেকে চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাচ্ছে কাতার, খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা অনিশ্চিত

    জার্মানি থেকে চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাচ্ছে কাতার, খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা অনিশ্চিত

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার উদ্দেশ্যে জার্মানি থেকে একটি ভাড়া করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাতে উদ্যোগ নিয়েছে কাতার সরকার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ঢাকায় কাতার দূতাবাস।

    দূতাবাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা আসাদুর রহমান আসাদ জানিয়েছেন, কাতার সরকার বিশেষ ব্যবস্থায় জার্মানি থেকে এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেছে এবং সেটি ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। শনিবার বিকেলে এটি ঢাকায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে—প্রক্রিয়াটি আরও পিছিয়ে যেতে পারে।

    তিনি জানান, “শনিবার আসার মতো প্রস্তুতি এখনো পুরোপুরি নেওয়া হয়নি। সবকিছু নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার মেডিকেল টিমের সিদ্ধান্তের ওপর। তবে শনিবার এটি আসছে না—এ বিষয়ে আমরা বেশ নিশ্চিত।”

    প্রথমে পরিকল্পনা ছিল কাতারের আমিরের নিজস্ব বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে পাঠানো হবে। কিন্তু ‘কারিগরি সমস্যার’ কারণে সেটি সম্ভব না হওয়ায় বিকল্প হিসেবে জার্মানি থেকে চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন কাতার কর্তৃপক্ষ।

    বিমানবন্দর সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কোনো উড়োজাহাজ নামানোর জন্য আনুষ্ঠানিক শিডিউল জমা দেওয়া হয়নি। ফলে বেবিচকসহ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও প্রস্তুতি নেয়নি।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও সকালে জানান, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ‘কারিগরি সমস্যা’ থাকায় শুক্রবার এটি আসে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শারীরিক অবস্থা উপযুক্ত থাকলে এবং মেডিকেল বোর্ড অনুমোদন দিলে রোববার (৭ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে।

    তবে ১৩ ঘণ্টার দীর্ঘ ফ্লাইটে তাকে নেওয়া কতটা সম্ভব—তা নির্ভর করবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চূড়ান্ত মতামতের ওপর।

    গত ২৩ নভেম্বর থেকে খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেডিকেল বোর্ড বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত নেয় যে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যুক্তরাজ্যে নেওয়া জরুরি।

    সূত্র জানায়, খালেদা জিয়াকে চীনে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাবও ছিল এবং চীন থেকেও এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর আগ্রহ দেখানো হয়। তবে তারেক রহমান লন্ডনে নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন, কারণ কাতারের আমিরের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সরাসরি ঢাকায় থেকে লন্ডনে পৌঁছাতে সক্ষম।

    এর আগে এই বছরের ৭ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে একই বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উন্নতি নেই, বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী

    খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উন্নতি নেই, বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় এখনও কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। তিনি আগের মতোই জটিল স্বাস্থ্য অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    রবিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড এখনও কোনো চূড়ান্ত মতামত দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।”

    তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির সব কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর প্রতি তার সুস্থতার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    হাসপাতালের সামনে বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, “অতিরিক্ত ভিড় হলে চিকিৎসায় বিঘ্ন ঘটে। তাই সবাইকে হাসপাতালের সামনে ভিড় না করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দোয়া করার অনুরোধ করছি।”

    তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। মেডিকেল বোর্ডই খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে এবং সবশেষ তথ্য জানাচ্ছে।

    গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। প্রথমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে সিসিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

    এর আগে অক্টোবরেও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। কয়েক দিনের চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে আসেন। প্রায় ৮০ বছর বয়সী বিএনপি চেয়ারপারসন দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছেন।

    গত মে মাসে লন্ডন থেকে উন্নত চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে তিনি ঢাকায় নিজ বাসায় চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। লন্ডনে অবস্থানকালে ‘লন্ডন ক্লিনিকে’ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিয়েছিলেন তিনি। তবে গুরুতর ঝুঁকি বিবেচনায় লিভার প্রতিস্থাপন করা হয়নি বলেও জানানো হয়।

    দলীয় নেতাদের মতে, খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসা জরুরি হলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে চিকিৎসক বোর্ড।

  • হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন খালেদা জিয়া: বিদেশে নেয়ার মতো অবস্থায় নন, জানালেন মির্জা ফখরুল

    হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন খালেদা জিয়া: বিদেশে নেয়ার মতো অবস্থায় নন, জানালেন মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা মত দিয়েছেন যে, এখনই বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয় তার স্বাস্থ্য অবস্থা।

    শনিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সন কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও লন্ডনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা জানিয়েছেন, রোগীর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে তাকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে, প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘নেত্রী বর্তমানে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে আমরা দেশবাসী ও নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছি, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’ তিনি জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিতভাবে আপডেট জানানো হবে।

    জানা গেছে, এভারকেয়ার হাসপাতালে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। ৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছেন।

    দলের নেতাদের মতে, বর্তমান শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে। এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছে চিকিৎসক বোর্ড ও পরিবার।

  • বেগম খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    বেগম খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

    শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ গণমাধ্যমকে জানান, ড. ইউনূস নিয়মিতভাবে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং চিকিৎসার সকল অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

    ড. ইউনূস দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, “খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় সবাই দোয়া করুন। তাঁর অসুস্থতা শুধুমাত্র একটি পরিবার বা দলের বিষয় নয়, এটি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গেও সম্পৃক্ত।”

    তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য এক অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রধান উপদেষ্টা সকল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসাপ্রদানকারী সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

    এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনেও খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

  • এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে খালেদা জিয়া, সারাদেশে দোয়া-মোনাজাতের প্রস্তুতি

    এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে খালেদা জিয়া, সারাদেশে দোয়া-মোনাজাতের প্রস্তুতি

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর সার্বিক শারীরিক অবস্থা নজরদারিতে রেখেছেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ব্যাক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয়েছে। বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রিপোর্ট মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য আগামীকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর সারাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতারা এতে অংশ নেবেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সিনিয়র নেতারাও এতে উপস্থিত থাকবেন।

    গত রোববার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে তাঁকে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবরও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনি একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং একদিন পর বাসায় ফিরে যান।

    এর আগে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চার মাস ছিলেন তিনি। সেখানে ‘লন্ডন ক্লিনিকে’ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা হয়। দেশে ফেরার পরও এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চলমান রয়েছে তাঁর চিকিৎসা।

    প্রায় ৮০ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরেই লিভার সিরোসিস, হার্ট ও কিডনি সমস্যা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ব্যবস্থায় রাখা হচ্ছে।

    দেশজুড়ে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া-মোনাজাতের প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও উদ্বেগ বাড়ছে বিএনপি নেত্রীর স্বাস্থ্যের উন্নতি নিয়ে।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২৩৭টি আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করেন।

    ঘোষণায় জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আসন্ন নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—বগুড়া-৭, ফেনী-১ এবং দিনাজপুর-৩। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে লড়বেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন বলে জানান। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতা ও তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় রাজনীতিকরা। বিভিন্ন বিভাগ অনুযায়ী তালিকা সাজানো হয়েছে—রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ আটটি বিভাগেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

    কিছু আসন এখনো স্থগিত রাখা হয়েছে, সেসব আসনে আলোচনা শেষে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব।

    ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নির্বাচনী উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, “এই তালিকা বিএনপির ঐক্য ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের দৃঢ়তার প্রতিফলন।”

    উল্লেখ্য, বিএনপি এবার নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    কে পেলেন কোন আসন-
    রংপুর বিভাগ
    পঞ্চগড়-১: ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির
    পঞ্চগড়-২: ফরহাদ হোসেন আজাদ
    ঠাকুরগাঁও-১: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    ঠাকুরগাঁও-৩: মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জাহিদ
    দিনাজপুর-৩: বেগম খালেদা জিয়া
    দিনাজপুর-৪: মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিয়া
    নীলফামারী-১: স্থগিত
    নীলফামারী-২: এএইচএম মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ রুবেল
    নীলফামারী-৩: স্থগিত
    নীলফামারী-৪: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর সরকার
    লালমনিরহাট-১: মোহাম্মদ হাসান রাজীব প্রধান
    লালমনিরহাট-২: স্থগিত
    লালমনিরহাট-৩: আসাদুল হাবিব দুলু
    রংপুর-১: মোকাররম হোসেন সুজন
    রংপুর-২: মোহাম্মদ আলী সরকার
    রংপুর-৩: শামসুজ্জামান শামু
    রংপুর-৪: মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা
    রংপুর-৫: মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী
    রংপুর-৬: মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-১: সাইফুল ইসলাম রানা
    কুড়িগ্রাম-২: মোহাম্মদ সোহেল হোসেন কায়কোবাদ
    কুড়িগ্রাম-৩: তাসভীরুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-৪: মোহাম্মদ আজিজুর রহমান
    গাইবান্ধা-২: আনিসুজ্জামান খান বাবু
    গাইবান্ধা-৪: মোহাম্মদ ফারুক আলম সরকার
    রাজশাহী বিভাগ
    জয়পুরহাট-১: মোহাম্মদ মাসুদ রানা প্রধান
    জয়পুরহাট-২: আব্দুল বারী
    বগুড়া-১: কাজী রফিকুল ইসলাম
    বগুড়া-৩: আব্দুল মুহিত তালুকদার
    বগুড়া-৪: মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
    বগুড়া-৫: মোহাম্মদ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ
    বগুড়া-৬: তারেক রহমান
    বগুড়া-৭: বেগম খালেদা জিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ
    নওগাঁ-১: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান
    নওগাঁ-২: শামসুজ্জোহা খান
    নওগাঁ-৩: ফজলে হুদা বাবুল
    নওগাঁ-৪: একরামুল বারী টিপু
    নওগাঁ-৫: স্থগিত
    নওগাঁ-৬: শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম
    রাজশাহী-১: মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন
    রাজশাহী-২: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনু
    রাজশাহী-৩: মোহাম্মদ শফিকুল হক নজরুল ইসলাম
    রাজশাহী-৬: আবু সাঈদ চাঁদ
    নাটোর-১: ফারজানা শারমিন
    নাটোর-২: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
    নাটোর-৩: স্থগিত
    নাটোর-৪: মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ
    সিরাজগঞ্জ-১: স্থগিত
    সিরাজগঞ্জ-২: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
    সিরাজগঞ্জ-৩: আইনুল হক
    সিরাজগঞ্জ-৪: এস এম আকবর আলী
    সিরাজগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম খান
    সিরাজগঞ্জ-৬: এম এম মহিত
    পাবনা-১: স্থগিত
    পাবনা-২: এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব
    পাবনা-৩: মোহাম্মদ হাসান জাফির তুহিন
    পাবনা-৪: হাবিবুর রহমান হাবিব
    পাবনা-৫: মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস
    খুলনা বিভাগ
    মেহেরপুর-১: মাসুদ অরুণ
    কুষ্টিয়া-১: রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা
    কুষ্টিয়া-২: রাগীব রউফ চৌধুরী
    কুষ্টিয়া-৩: মোহাম্মদ জাকির হোসেন সরকার
    কুষ্টিয়া-৪: মোহাম্মদ মেহেদী আহমেদ রুমি
    ঝিনাইদহ-২: মাহমুদ হাসান খান
    ঝিনাইদহ-১: স্থগিত
    ঝিনাইদহ-২: স্থগিত (পুনরাবৃত্তি)
    ঝিনাইদহ-৪: এম সাইফুল ইসলাম ফিরোজ
    যশোর-১: মোহাম্মদ মফিজুল হাসান তৃপ্তি
    যশোর-২: মোহাম্মদ সাবিরা সুলতানা
    যশোর-৩: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
    যশোর-৪: টি এস আইয়ুব
    যশোর-৫: স্থগিত
    যশোর-৬: কাজী রওনাকুল ইসলাম
    মাগুরা-১: মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন
    মাগুরা-২: নিতাই রায় চৌধুরী
    বাগেরহাট-২: স্থগিত
    বাগেরহাট-৩: স্থগিত
    খুলনা-১: স্থগিত
    খুলনা-২: নজরুল ইসলাম মঞ্জু
    খুলনা-৩: রকিবুল ইসলাম বকুল
    খুলনা-৪: শরীফ শাহ কামাল তাজ
    খুলনা-৫: মোহাম্মদ আলী আজগর
    খুলনা-৬: মনিরুল হাসান বাপ্পী
    সাতক্ষীরা-১: হাবিবুল ইসলাম হাবিব
    সাতক্ষীরা-২: আব্দুর রউফ
    সাতক্ষীরা-৩: কাজী আলাউদ্দিন
    বরিশাল বিভাগ
    পটুয়াখালী-১: এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) আলতাফ হোসেন চৌধুরী
    পটুয়াখালী-২: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৩: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৪: এ বি এম মোশাররফ হোসেন
    ভোলা-১: গোলাম নবী আলমগীর
    ভোলা-২: মোহাম্মদ হাফিজ ইব্রাহিম
    ভোলা-৩: মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম
    ভোলা-৪: মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন
    বরিশাল-১: জহিরউদ্দিন স্বপন
    বরিশাল-২: সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
    বরিশাল-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    বরিশাল-৪: মোহাম্মদ রাজিব হাসান
    বরিশাল-৫: মোহাম্মদ মজিবুর রহমান সরোয়ার
    বরিশাল-৬: আবুল হোসেন খান
    ঝালকাঠি-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঝালকাঠি-২: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো
    পিরোজপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    পিরোজপুর-২: আহমেদ সায়েম মনজুর
    পিরোজপুর-৩: মোহাম্মদ রুহুল আমিন দুলাল
    ঢাকা বিভাগ
    টাঙ্গাইল-২: আব্দুস সালাম পিন্টু
    টাঙ্গাইল-৩: এ এস এম উবায়দুল হক নাসির
    টাঙ্গাইল-৪: মোহাম্মদ লুৎফর রহমান মতিন
    টাঙ্গাইল-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    টাঙ্গাইল-৬: রবিউল আউয়াল লাভলু
    টাঙ্গাইল-৭: আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী
    জামালপুর-৩: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল
    জামালপুর-৪: মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম
    জামালপুর-৫: শাহ্ মোহাম্মদ ওয়ারেস আলী মামুন
    শেরপুর-১: সানসিলা জেবরিন
    শেরপুর-২: মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী
    শেরপুর-৩: মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল
    ময়মনসিংহ-১: সৈয়দ ইমরান সালেহ
    ময়মনসিংহ-২: মোতাহের হোসেন তালুকদার
    ময়মনসিংহ-৩: এম ইকবাল হোসেন
    ময়মনসিংহ-৪: স্থগিত
    ময়মনসিংহ-৫: মোহাম্মদ জাকির হোসেন
    ময়মনসিংহ-৬: মোহাম্মদ আক্তারুল আলম
    ময়মনসিংহ-৭: ডাক্তার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
    ময়মনসিংহ-৮: লুৎফুল্লাহেল মাজেদ
    ময়মনসিংহ-৯: ইয়াসের খান চৌধুরী
    ময়মনসিংহ-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ময়মনসিংহ-১১: ফখরুদ্দিন আহমেদ
    নেত্রকোনা-১: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
    নেত্রকোনা-২: মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক
    নেত্রকোনা-৩: রফিকুল ইসলাম হেলালী
    নেত্রকোনা-৪: মোহাম্মদ লুৎফুজ্জামান বাবর
    নেত্রকোনা-৫: আবু তাহের তালুকদার
    কিশোরগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    কিশোরগঞ্জ-৩: ডক্টর ওসমান ফারুক
    কিশোরগঞ্জ-৪: মোহাম্মদ ফজলুর রহমান
    কিশোরগঞ্জ-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-৬: মোহাম্মদ শরিফুল আলম
    মানিকগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    মানিকগঞ্জ-২: মঈনুল ইসলাম খান
    মানিকগঞ্জ-৩: আফরোজা খান রিতা
    মুন্সিগঞ্জ-১: শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
    মুন্সিগঞ্জ-২: মিজানুর রহমান সিনহা
    মুন্সিগঞ্জ-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১: খন্দকার আবু আশফাক
    ঢাকা-৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
    ঢাকা-৫: নবীউল্লাহ নবী
    ঢাকা-৬: ইশরাক হোসেন
    ঢাকা-৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস
    ঢাকা-৯: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১১: এম এ কাইয়ুম
    ঢাকা-১২: সাইফুল আলম নীরব
    ঢাকা-১৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৪: সানজিদা ইসলাম তুলি
    ঢাকা-১৫: শফিকুল ইসলাম খান
    ঢাকা-১৬: আমিনুল হক
    ঢাকা-১৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৮: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৯: ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন
    গাজীপুর-২: মনজুরুল করিম রনি
    গাজীপুর-৩: অধ্যাপক ডাক্তার এ এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু
    গাজীপুর-৪: শাহ রিয়াজুল হান্নান
    গাজীপুর-৫: ফজলুল হক মিলন
    নরসিংদী-১: খায়রুল কবির খোকন
    নরসিংদী-২: ডক্টর আব্দুল মঈন খান
    নরসিংদী-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    নরসিংদী-৪: সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন
    নরসিংদী-৫: ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন বকুল
    নারায়ণগঞ্জ-১: মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু
    নারায়ণগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম আজাদ
    নারায়ণগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম মান্নান
    নারায়ণগঞ্জ-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    নারায়ণগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান
    রাজবাড়ী-১: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম
    রাজবাড়ী-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদ ইসলাম
    ফরিদপুর-৩: নায়াব ইউসুফ আহমেদ
    ফরিদপুর-৪: শহিদুল ইসলাম বাবুল
    গোপালগঞ্জ-১: মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্লা
    মাদারীপুর-১: কামাল জামাল মোল্লা
    মাদারীপুর-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    মাদারীপুর-৩: আনিসুর রহমান
    শরীয়তপুর-১: সৈয়দ আহমেদ আসলাম
    শরীয়তপুর-২: শফিকুর রহমান কিরণ
    শরীয়তপুর-৩: মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু
    সিলেট বিভাগ
    সুনামগঞ্জ-১: আনিসুল হক
    সুনামগঞ্জ-৫: কলিমউদ্দিন মিলন
    সিলেট-১: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী
    সিলেট-২: মোসাম্মৎ তাহসিনা রুশদীর
    সিলেট-৩: মোহাম্মদ আব্দুল মালেক
    সিলেট-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৬: ইমরান আহমেদ চৌধুরী
    মৌলভীবাজার-১: নাসিরউদ্দিন আহমেদ মিঠু
    মৌলভীবাজার-২: শওকত হোসেন শকু
    হবিগঞ্জ-২: আবু মনসুর শাখাওয়াত হাসান জীবন
    চট্টগ্রাম বিভাগ
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: এ কে এম হান্নান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: খালেদ হোসেন মাহবুব
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: মুশফিকুর রহমান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান
    কুমিল্লা-১: ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন
    কুমিল্লা-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কুমিল্লা-৩: কাজী শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ
    কুমিল্লা-৪: মঞ্জুরুল ইসলাম মুন্সী
    কুমিল্লা-৫: মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
    কুমিল্লা-৮: জাকারিয়া তাহের
    কুমিল্লা-৯: মোহাম্মদ আবুল কালাম
    কুমিল্লা-১০: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর
    চাঁদপুর-১: আ ন ম এহছানুল হক মিলন
    চাঁদপুর-২: মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    চাঁদপুর-৩: শেখ ফরিদ হোসেন
    চাঁদপুর-৪: মোহাম্মদ মোমিনুল হক
    নোয়াখালী-২: জয়নাল আবেদীন ফারুক
    নোয়াখালী-৩: মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ বুলু
    নোয়াখালী-৪: মোহাম্মদ শাহজাহান
    নোয়াখালী-৫: মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
    নোয়াখালী-৬: মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান সামি
    লক্ষ্মীপুর-৩: শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
    চট্টগ্রাম-১: নুরুল আমিন চেয়ারম্যান
    চট্টগ্রাম-২: সরোয়ার আলমগীর
    চট্টগ্রাম-৫: মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন
    চট্টগ্রাম-৮: এরশাদ উল্লাহ
    চট্টগ্রাম-৯: মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (বক্তা প্রথমে এই নামটি বলেন, পরে স্থগিত ঘোষণা করেন)
    চট্টগ্রাম-১০: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
    চট্টগ্রাম-১৩: সরোয়ার জামাল নিজাম
    চট্টগ্রাম-১৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৬: মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা
    কক্সবাজার-১: সালাউদ্দিন আহমেদ
    কক্সবাজার-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কক্সবাজার-৩: লুৎফর রহমান কাজল
    কক্সবাজার-৪: শাহজাহান চৌধুরী
    খাগড়াছড়ি: আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া
    রাঙ্গামাটি: দীপেন দেওয়ান
    বান্দরবান: সাচিং প্রু
  • বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে ফল মেলেনি, সাত দল নিয়ে নতুন কৌশলে জামায়াত

    বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে ফল মেলেনি, সাত দল নিয়ে নতুন কৌশলে জামায়াত

    এবিএনএ:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি ও জামায়াতের বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দুই দলের অবস্থান ভিন্ন থাকায় আলোচনায় কোনো ইতিবাচক ফল আসেনি।

    গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপাড়ায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। অপরদিকে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ। সূত্র জানায়, বৈঠকে বিএনপি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি ও নির্বাচনের আগে সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে তারা ছাড় দিতে রাজি নয়।

    এর আগে জামায়াত ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি ও খেলাফত মজলিসসহ সাত দলের সঙ্গে বৈঠক করে। এসব দল ঘোষণা দিয়েছে—জুলাই সনদের অধীনে নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো প্রক্রিয়া গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনে আন্দোলনের ডাক দেওয়ার কথাও বলা হয়।

    রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় এসেছে, বিএনপি-জামায়াত বৈঠকে সমঝোতা না হওয়ায় জামায়াত এখন সাত দল নিয়ে সমন্বিতভাবে এগোচ্ছে। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ কার্যকর করতে হলে জুলাই সনদকে সাংবিধানিক ভিত্তি দিতে হবে এবং পিআর পদ্ধতিতে সংসদ গঠন করতে হবে।

    এদিকে বিএনপি বলছে, সংবিধানের ঊর্ধ্বে কোনো দলিল হতে পারে না। আদালতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ বন্ধ হলে তা নাগরিক অধিকারের জন্য ক্ষতিকর হবে। দলটি জানায়, যেসব সংস্কার কার্যকরে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন, তা নতুন সংসদেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

    অন্যদিকে জামায়াতের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগেই সংবিধান সংস্কার করে সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তারা উচ্চকক্ষ-নিম্নকক্ষ উভয় জায়গাতেই পিআর পদ্ধতি প্রবর্তনের দাবি জানায়।

    সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বরফ না গলাতে জামায়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের চেষ্টা করছে। এর আগে লন্ডনে তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেছিলেন। এবারও তারা মনে করছে, খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের মাধ্যমে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সমাধান খুঁজে পাওয়া যেতে পারে।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বিএনপি-জামায়াত সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে বিরোধী রাজনীতির মধ্যে নতুন দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হতে পারে, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের চিত্রকে আরও জটিল করে তুলবে।

  • গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা রুখতেই চলছে গভীর ষড়যন্ত্র: মির্জা ফখরুলের অভিযোগ

    গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা রুখতেই চলছে গভীর ষড়যন্ত্র: মির্জা ফখরুলের অভিযোগ

    এবিএনএ:   বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতেই নানা ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে জাতীয়তাবাদী যুবদল আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

    ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও আমার না বলা কথা’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় যুবদলের ৭৮ জন শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, পুরস্কার এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

    প্রধান অতিথি হিসেবে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    চক্রান্ত চলছে গণতন্ত্র রুদ্ধ করতে

    মির্জা ফখরুল বলেন,
    “আমরা গত ১৭ বছর ধরে এই স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে এসেছি। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এই আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি। এখন যখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে যাচ্ছি, ঠিক তখনই নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।”

    তিনি বলেন,
    “চেষ্টা চলছে দেশে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করে গণতন্ত্রের উত্তরণ ব্যাহত করতে। হাসিনা সরকারের নির্যাতন অতিক্রম করে আমরা এই ‘ট্রানজিশন পিরিয়ডে’ এসেছি। এখন আমাদের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ—ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি এবং রাজনীতি পুনর্গঠন।”

    বিএনপিই আগেও দেশ পুনর্গঠন করেছে

    বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, অতীতেও যখনই দেশ সংকটে পড়েছে, তখন বিএনপিই দায়িত্ব নিয়ে রাষ্ট্র ও অর্থনীতি পুনর্গঠনে ভূমিকা রেখেছে। এখন আবার সেই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত দলটি।

    রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান

    সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন,
    “আমরা কাদা ছোড়াছুড়ি না করে একসঙ্গে এগিয়ে যাই। এটাই সময় গণতন্ত্র পুনর্গঠনের, দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করার। একযোগে কাজ করলেই আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব।”

  • “গণতন্ত্র ফেরাতে ঐক্যের ডাক”—জাতীয় ঐক্য ও শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে খালেদা জিয়ার অঙ্গীকার

    “গণতন্ত্র ফেরাতে ঐক্যের ডাক”—জাতীয় ঐক্য ও শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে খালেদা জিয়ার অঙ্গীকার

    এবিএনএ:  গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও শহীদদের রক্ত বৃথা না যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

    খালেদা জিয়া বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র ও জনতার রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। এ লড়াইয়ে নিহতদের ত্যাগ আমাদের পথ দেখায়।” তিনি তাদের জন্য যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, বিচার ও পুনর্বাসনের দাবি জানান।

    তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এই দেশে একদলীয় শাসনের ভয়াবহতা চলছে। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষকে দমন করা হচ্ছে। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

    বিএনপির চেয়ারপারসন এ সময় গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য তালিকা প্রণয়ন, ন্যায়বিচার ও সম্মানজনক পুনর্বাসনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, “এই রক্তের মূল্য দিতে হবে। বীরদের আত্মত্যাগ যেন ব্যর্থ না হয়। আমাদের সবার দায়িত্ব শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়া এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।”

    অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। সভার শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও শহীদদের অবদান তুলে ধরা হয়।

    খালেদা জিয়া তার বক্তব্যের শেষে বলেন, “চলুন, আমরা সবাই মিলে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাকে রক্ষা করি, জনগণের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করি এবং আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করি।”

  • রমজানের আগেই নির্বাচন চান তারেক রহমান, ইউনূস বললেন শর্ত সাপেক্ষে সম্ভব

    রমজানের আগেই নির্বাচন চান তারেক রহমান, ইউনূস বললেন শর্ত সাপেক্ষে সম্ভব

    এবিএনএ:

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন রমজান শুরুর আগেই আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে শুক্রবার (১৩ জুন) এক বৈঠকে এই প্রস্তাব দেন তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।

    বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান জানান, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের জন্য এপ্রিলের প্রথমার্ধকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনায় রেখেছেন।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, তারেক রহমান রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দেন এবং জানান, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও এই সময়কে উপযুক্ত মনে করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস জানান, “যদি প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিচারিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়, তবে রমজানের আগের সপ্তাহেই নির্বাচন সম্ভব।” তিনি ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন।

    তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার এই মনোভাবকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করে ধন্যবাদ জানান। আলোচনার সফলতার জন্য প্রধান উপদেষ্টাও বিএনপি নেতাদের ধন্যবাদ জানান।