Tag: ইসরায়েল

  • স্থল হামলার হুঁশিয়ারি: শত্রু ঢুকলে কাউকেই ছাড় নয়—ইরান সেনাপ্রধানের কঠোর নির্দেশ

    স্থল হামলার হুঁশিয়ারি: শত্রু ঢুকলে কাউকেই ছাড় নয়—ইরান সেনাপ্রধানের কঠোর নির্দেশ

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আমির হাতামি সম্ভাব্য স্থল হামলার বিরুদ্ধে বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ যদি স্থলপথে আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তাদের কাউকেই জীবিত ফিরে যেতে দেওয়া হবে না।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এমন নির্দেশনা দেন তিনি। সেখানে তিনি সেনাদের প্রতি আহ্বান জানান, শত্রুপক্ষের প্রতিটি নড়াচড়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে।

    সেনাপ্রধান বলেন, শত্রুর কৌশল বুঝে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং প্রয়োজনে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। তার মতে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ঠেকাতে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে।

    সম্প্রতি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানও বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর খবর পাওয়া যায়।

    বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রায় এক মাস অতিক্রম করেছে। এ অবস্থায় ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য স্থল হামলার আশঙ্কা বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন হামলার ক্ষেত্রে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। কারণ, এই দ্বীপ থেকেই ইরানের অধিকাংশ তেল রপ্তানি করা হয়।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। কয়েক হাজার মেরিন সেনা পাঠানোর পাশাপাশি একটি বিমানবাহী রণতরীও ওই অঞ্চলে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

    বিশ্ব পরিস্থিতির এমন উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ইরানের এই কড়া বার্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

  • ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা চরমে: কাদিরভের অনুগত বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা

    ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা চরমে: কাদিরভের অনুগত বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে চেচেন প্রজাতন্ত্রের নেতা রমজান কাদিরভের অনুগত বাহিনীর ঘোষণা। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে স্থল অভিযান শুরু করে, তাহলে তারা ইরানের পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিতে প্রস্তুত।

    ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, কাদিরভ-সমর্থিত এই বাহিনী চলমান সংঘাতকে শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিবেচনা করছে। তাদের ভাষায়, এটি ‘ন্যায় ও অন্যায়ের লড়াই’, যেখানে তারা ইরানের প্রতিরক্ষায় অবস্থান নিতে চায়।

    বিশ্লেষকদের মতে, এমন ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বিমান হামলা কাঙ্ক্ষিত ফল না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে। এ অবস্থায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

    সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে, যখন ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এরপর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলি স্থাপনা ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি।

    এদিকে, এই সংঘাতে অন্য দেশের সম্পৃক্ততা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। জাতিসংঘে পাঠানো এক চিঠিতে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এটিকে সরাসরি আগ্রাসনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

    সার্বিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা। কূটনৈতিক সমাধানের উদ্যোগ জোরদার না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

  • মধ্যরাতে উত্তাল আকাশ—ইসরায়েলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরানের শক্তি প্রদর্শন

    মধ্যরাতে উত্তাল আকাশ—ইসরায়েলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরানের শক্তি প্রদর্শন

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়েছে IranIsrael। শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলের একাধিক অঞ্চলে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

    Israel Defense Forces (আইডিএফ) জানিয়েছে, অন্তত পাঁচ দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এসব হামলার সময় রাজধানী Jerusalemসহ মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজিয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়।

    সামরিক সূত্রের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে। সর্বশেষ হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়ে। আইডিএফ জানায়, নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত হানতে দেওয়া হয়।

    একই সময় লেবানন সীমান্ত থেকেও উত্তর ইসরায়েলের দিকে একাধিক রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও বেশ কয়েকটি খোলা জায়গায় গিয়ে পড়ে।

    আইডিএফ আরও জানায়, নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সংকেত পাওয়ার পর উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় আগাম সতর্কতা জারি করা হয়। এছাড়া শফেলা অঞ্চল এবং লোহিত সাগর সংলগ্ন এলাকাতেও সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবুও এই ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

  • মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: মার্কিন ঘাঁটির আশপাশ এড়িয়ে চলার আহ্বান ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে: মার্কিন ঘাঁটির আশপাশ এড়িয়ে চলার আহ্বান ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থানের কাছাকাছি এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)। শুক্রবার (২৭ মার্চ) প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় তারা জানায়, যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে, সেই সব স্থান ভবিষ্যৎ হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

    বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাই নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে জনগণকে ওইসব এলাকা দ্রুত ত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই অঞ্চলজুড়ে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে। প্রায় এক মাস ধরে চলমান এই সংঘর্ষ ক্রমেই জটিল ও বিস্তৃত হচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী কৌশলগতভাবে সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বেসামরিক মানুষের জীবনের ঝুঁকি এড়াতে তাদের উচিত সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নেওয়া। অন্যথায় যেকোনো সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মহলও এই সংঘাতের দিকে গভীর নজর রাখছে, কারণ এর প্রভাব বিশ্ব রাজনীতিতেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাব ঘিরে অস্বস্তিতে ইসরায়েল—গোপন চুক্তির শর্তে বাড়ছে নতুন শঙ্কা

    ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাব ঘিরে অস্বস্তিতে ইসরায়েল—গোপন চুক্তির শর্তে বাড়ছে নতুন শঙ্কা

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে যে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, তা ইসরায়েলের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। যদিও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বিশ্বাস করেন, ট্রাম্প যেকোনও চুক্তিতে ইসরায়েলের স্বার্থ বিবেচনায় রাখবেন, তবুও সম্ভাব্য সমঝোতার খুঁটিনাটি নিয়ে সংশয় কাটছে না।

    রামাল্লাহ থেকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদক নিদা ইব্রাহিম জানিয়েছেন, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় ধারণা করা হচ্ছে—ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র কতটা ছাড় দিতে পারে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

    ইসরায়েল আশঙ্কা করছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনা ভবিষ্যৎ চুক্তির ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এর আগে এক মাসের জন্য যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের কাছে থাকা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ প্রায় ৪৫০ কেজি ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ। এটি কি তৃতীয় কোনো দেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে, নাকি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার তত্ত্বাবধানে দেওয়া হবে—তা এখনো পরিষ্কার নয়। পাশাপাশি, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিও বড় একটি অমীমাংসিত ইস্যু হিসেবে রয়ে গেছে।

    ইসরায়েল জানতে চাইছে, ভবিষ্যতে ইরান কি নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করবে না—এমন নিশ্চয়তা কতটা পাওয়া সম্ভব? একই সঙ্গে, তারা আশঙ্কা করছে ইরান আবারও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম শুরু করতে পারে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব বিষয় এখন গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে তারা চায়, যেকোনও চুক্তির আগে প্রয়োজন হলে ইরানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর মতো সময় যেন হাতে থাকে।

  • ইরানি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে আহত প্রায় ৫ হাজার, উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

    ইরানি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে আহত প্রায় ৫ হাজার, উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় Israel-এ আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮২৯ জনে।

    ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে ১১১ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে ১২ জনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা যায়, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে Iran এবং United States-এর মধ্যে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে টানা ২১ দিন আলোচনা চলে। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।

    এর পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালিয়ে ইরানে হামলা শুরু করে।

    এই হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও সামরিক কর্মকর্তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei, নিরাপত্তা কর্মকর্তা Ali Larijani এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার Mohammad Pakpour। পাশাপাশি ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    সংঘাতের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানও হামলা জোরদার করেছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

    পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।

  • ইসরায়েলে ইরানের ৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা—৯২% প্রতিহত, তবুও বাড়ছে আতঙ্ক

    ইসরায়েলে ইরানের ৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা—৯২% প্রতিহত, তবুও বাড়ছে আতঙ্ক

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে Iran। দেশটির দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত Israel ভূখণ্ডে ৪০০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

    রোববার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে এসব হামলা চালানো হয়। তবে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে। দাবি করা হয়েছে, প্রায় ৯২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি বলেন, এত বড় আকারের হামলার পরও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। তবুও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেই বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

    এদিকে শনিবার দক্ষিণ ইসরায়েলের দুটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১৮০ জন আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

    অন্যদিকে, চলমান সংঘাতে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদার করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড শুধু ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, বরং ইউরোপসহ পুরো বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে।

    দক্ষিণাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সময় নেতানিয়াহু বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালিতে প্রভাব বিস্তার এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা প্রদর্শনের মাধ্যমে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তার মতে, এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় হওয়া জরুরি।

    তিনি আরও জানান, কিছু দেশ ইতোমধ্যে সমর্থন জানাতে শুরু করেছে, তবে এই সংঘাতে কার্যকর ফল পেতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।

  • ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে নিহত ২, আহত প্রায় দুই শতাধিক

    ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে নিহত ২, আহত প্রায় দুই শতাধিক

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ হামলায় দুইজন নিহত এবং অন্তত ১৯২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইয়ারোন মোশে ও ইলানা মোশে নামে এক দম্পতি, যাদের বয়স প্রায় ৭০ বছরের কাছাকাছি। তারা রাজধানীর নিকটবর্তী রামাত গান শহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ হারান।

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা মাঝারি গুরুতর, বাকিরা তুলনামূলকভাবে কম আহত হয়েছেন।

    সম্প্রতি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে টানা আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এর পরপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। এসব অভিযানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বহু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন।

    এর জবাবে ইরান ধারাবাহিকভাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

  • যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চলবে:মোজতবা খামেনি

    যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চলবে:মোজতবা খামেনি

    এবিএনএ: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের ১২তম দিনে এক চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে তাদের ভূখণ্ডে থাকা সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    যুদ্ধের শুরুতেই ইসরায়েলি হামলায় পিতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোজতবা খামেনি। বৃহস্পতিবার দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের প্রথম বিবৃতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি জাতীয় ঐক্যেরও ডাক দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, শত্রুপক্ষকে চাপে রাখতে বিশ্বের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে।

    মোজতবা খামেনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় সেগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘ইরান তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্বে বিশ্বাসী, কিন্তু অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো আমাদের লক্ষ্যবস্তু হবে।’

    এ সময় তিনি আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, ইয়েমেনের যোদ্ধারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে এবং ইরাকের গোষ্ঠীগুলোও ‘ইসলামি বিপ্লবকে’ সহায়তা করতে প্রস্তুত।

    মোজতবা খামেনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় সেগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে, সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ ও লড়াইয়ের অঙ্গীকার জানান।

    দেশ যখন চতুর্মুখী হামলার শিকার, তখন ইরানকে বিভক্তির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সামরিক বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান খামেনি। তিনি বলেন, ‘আমি সেই সাহসী যোদ্ধাদের কৃতজ্ঞতা জানাই যারা এই কঠিন সময়ে অতুলনীয় কাজ করছেন। ইরান তার লড়াই চালিয়ে যাবে।’

    ৩৭ বছর ইরান শাসন করার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন আলি খামেনি। এরপর গত রোববার ইরানের ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ সর্বসম্মতিক্রমে তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে উত্তরসূরি হিসেবে নিয়োগ দেয়।

    তেহরান থেকে আল-জাজিরার প্রতিনিধি তৌহিদ আসাদি জানান, নতুন নেতার এই বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি হরমুজ প্রণালীকে দরকষাকষির প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করবেন এবং যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেবেন।

  • ইরান যুদ্ধ কতদিন চলবে? নতুন বার্তায় সময়সীমা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    ইরান যুদ্ধ কতদিন চলবে? নতুন বার্তায় সময়সীমা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    এবিএনএ: ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক সংঘাত কতদিন স্থায়ী হতে পারে—তা নিয়ে নতুন করে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তিনি জানিয়েছেন, এই যুদ্ধের সময়কাল মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

    রোববার টেলিফোনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে।

    সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়—ইরানকে ঘিরে এই সামরিক অভিযান আর কতদিন চলতে পারে। উত্তরে ট্রাম্প বলেন, বিষয়টি অনেকটাই পারস্পরিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর সঙ্গে তার নিয়মিত আলোচনা চলছে।

    ট্রাম্প বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি। তবে শেষ সিদ্ধান্ত আমিই নেব এবং সঠিক সময়েই তা জানানো হবে। সব ধরনের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।”

    এর আগে গত ৩ মার্চ ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি আশা করছেন চার সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে। কিন্তু সেই বক্তব্যের পরদিনই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেন, সংঘাত ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে।

    ব্যর্থ কূটনীতি, শুরু সামরিক অভিযান

    ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।

    এর ঠিক পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয় Operation Epic Fury। একই সময় ইসরায়েলও নিজস্ব সামরিক অভিযান শুরু করে, যার নাম Operation Roaring Lion

    পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হচ্ছে।

    বিশেষ করে সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে গত প্রায় দশ দিন ধরে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত না হলে মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে বৈশ্বিক রাজনীতি ও জ্বালানি বাজারেও।