Tag: ইসরায়েল

  • ইরানকে সমর্থন দিলেন রাশিয়া

    ইরানকে সমর্থন দিলেন রাশিয়া

    এবিএনএ: ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশটির জনগণ চলমান সংকট অতিক্রম করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সেন্ট পিটার্সবার্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    বৈঠকে পুতিন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাশিয়া এমন সব উদ্যোগ নেবে যাতে ইরান ও গোটা অঞ্চলের মানুষের স্বার্থ রক্ষা হয় এবং দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনা যায়। রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে রাশিয়া মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। মস্কো ইতোমধ্যে ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং উত্তেজনা কমাতে বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেছে।

    এছাড়া বিরোধ কমানোর অংশ হিসেবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাবও পুনরায় উল্লেখ করেছে ক্রেমলিন। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো এ বিষয়ে কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বলে জানা গেছে।

    বৈঠকে পুতিন জানান, তিনি সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কাছ থেকে একটি বার্তা পেয়েছেন এবং এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে রাশিয়ার আগ্রহের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

    উল্লেখ্য, গত বছর রাশিয়া ও ইরান ২০ বছর মেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে সই করে। এর অংশ হিসেবে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নতুন দুটি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়া। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়াকে শাহেদ ড্রোন সরবরাহ করেছে ইরান।

    বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে তেহরানের প্রতি মস্কোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে পুতিনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

  • উত্তেজনার পর হরমুজ খুলল ইরান, তেলের দামে বড় পতন; বিশ্ববাণিজ্যে স্বস্তির ইঙ্গিত

    উত্তেজনার পর হরমুজ খুলল ইরান, তেলের দামে বড় পতন; বিশ্ববাণিজ্যে স্বস্তির ইঙ্গিত

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেছে ইরান। লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির প্রতি সংহতি জানিয়ে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে। খবর প্রকাশের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১ শতাংশেরও বেশি কমেছে।

    শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।

    তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাহাজগুলোকে ইরানের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সমন্বিত রুট অনুসরণ করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এর মাধ্যমে প্রণালিতে শৃঙ্খলাবদ্ধ চলাচল বজায় রাখার চেষ্টা করছে তেহরান।

    ইরানের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এবং আন্তর্জাতিক যাতায়াতের জন্য প্রস্তুত। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে ধন্যবাদও জানান।

    তবে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, তেহরানের সঙ্গে স্থায়ী সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে।

    এর আগে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত বন্ধ হওয়াকে ওয়াশিংটন-তেহরান আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছিল।

    গত ৭ এপ্রিল ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি দিলেও লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকায় তখন প্রণালিটি কার্যত সীমিত রাখা হয়েছিল। সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির পরই প্রণালিটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বড় অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরে আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • লেবানন–ইসরায়েল সংঘাতে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের, শান্তির পথে নতুন উদ্যোগ

    লেবানন–ইসরায়েল সংঘাতে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের, শান্তির পথে নতুন উদ্যোগ

    এবিএনএ: লেবানন ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। ঘোষণাটি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে শান্তির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেছেন। আলোচনার পর দুই দেশ নির্দিষ্ট সময় থেকে ১০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে ঘোষণায় লেবাননের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি, যদিও ইসরায়েলের সঙ্গে মূল সংঘাত এই গোষ্ঠীকে ঘিরেই চলছে।

    ট্রাম্প তার পোস্টে বলেন, দুই নেতার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। নির্ধারিত সময় থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ সময় পর দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার ধারাবাহিকতায় স্থায়ী সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সামরিক নেতৃত্বকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যাতে তারা লেবানন ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করেন।

    এছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, এর আগে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত থামাতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন। লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি সফল হলে এটি তার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

  • ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ ছাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব—ইরান প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বার্তা

    ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ ছাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সম্ভব—ইরান প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বার্তা

    এবিএনএ: ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক বৈঠক ফলপ্রসূ না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন যদি তার ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ থেকে সরে এসে ইরানের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে, তাহলে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তির পথ তৈরি হতে পারে।

    রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পেজেশকিয়ান এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবসম্মত অবস্থান নিলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি ইরানের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের প্রশংসা করেন এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া নেতাদের ধন্যবাদ জানান।

    পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর এই প্রতিক্রিয়া দেন তিনি। দীর্ঘ সময় আলোচনা চললেও উভয় পক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একমত হতে পারেনি।

    গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের টানাপোড়েন চলছে। এ বিষয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় তিন সপ্তাহ আলোচনা চলে দুই দেশের মধ্যে। তবে সেই সংলাপও কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।

    পরবর্তী সময়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময় ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক পদক্ষেপ নেয়। এতে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় এবং সংঘাত দ্রুত বিস্তৃত হয়।

    সংঘাতের প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হন বলে জানানো হয়। পাশাপাশি ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যুদ্ধ শুরুর ৩৯তম দিনে, ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। সেই প্রেক্ষাপটে ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে নতুন করে আলোচনায় বসে দুই দেশের প্রতিনিধিদল। তবে প্রায় ২১ ঘণ্টার বৈঠকের পরও কোনো চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই আলোচনা শেষ হয়।

    তবুও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে—এমন বার্তা দিয়ে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।

  • ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা, ধ্বংস হাজারো অবকাঠামো ও ঘরবাড়ি

    ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা, ধ্বংস হাজারো অবকাঠামো ও ঘরবাড়ি

    এবিএনএ: মাত্র ৪০ দিনের সংঘাতে ইরানের বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, শিল্পকারখানা ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ফলে দেশটির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৪০ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ কোটি টাকার সমান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে বহু বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প এলাকা, সেতু এবং বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। এর ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন।

    ইরানের রেডক্রস সোসাইটির প্রধান পিরহোসেন কোলিভান্ড জানান, সংঘাতে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩০টি বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ আবাসিক বাড়ি রয়েছে, যেগুলোর কিছু আংশিক এবং কিছু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

    এছাড়া প্রায় ২৩ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে— ৩৩৯টি হাসপাতাল, ফার্মেসি, ল্যাবরেটরি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জরুরি ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    শিক্ষা খাতেও ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাব পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় ও ৮৫৭টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি রেডক্রসের ২০টি অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।

    এছাড়া ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বিমানবন্দর ও বেসামরিক বিমান অন্তর্ভুক্ত। বেসামরিক অবকাঠামোর পাশাপাশি সামরিক স্থাপনাগুলোরও বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় ইরানের চারটি বড় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র— খোজির, পারচিন, হাকিমিয়েহ ও শারাউদ— গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি ২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রেও আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

  • যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে, তবুও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র—ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতি

    যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে, তবুও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র—ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতি

    এবিএনএ: লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে কি না তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও ইরানের সঙ্গে নির্ধারিত আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

    কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পরিস্থিতি জটিল হলেও এই আলোচনা বাতিল করার সম্ভাবনা খুব কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান সমঝোতাকে আরও কার্যকর করতে আগ্রহী। সে কারণে উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও আলোচনা প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ওয়াশিংটনের অবস্থান স্পষ্ট।

    পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের। তিনি ইউরোপ সফর শেষে ওয়াশিংটনে ফিরে এখন পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    এদিকে লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকায় ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে জেডি ভান্স জানিয়েছেন, লেবানন ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। তার মতে, এই কারণে আলোচনা বন্ধ হওয়া উচিত নয়।

    তিনি আরও বলেন, যদি ইরান আলোচনায় অংশ না নেয়, তাহলে সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত হবে। যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার দরজা খোলা রাখতে চায়।

    মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা নিয়ে মিসর ও পাকিস্তানও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের সঙ্গে আলাপে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে সতর্কবার্তা দেন এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক সফল হলে উত্তেজনা কমতে পারে, তবে মাঠের পরিস্থিতি দ্রুত না বদলালে আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিতই থেকে যাবে।

  • যুদ্ধবিরতি ভাঙলে কঠোর শাস্তি, চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারে ইরান—বাড়ছে উত্তেজনা

    যুদ্ধবিরতি ভাঙলে কঠোর শাস্তি, চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারে ইরান—বাড়ছে উত্তেজনা

    এবিএনএ: যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, ইসরায়েল একাধিকবার চুক্তি ভেঙে হামলা চালাচ্ছে—এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনে যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

    তেহরানের একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, বারবার হামলার ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপের পরিকল্পনা তৈরি করছে ইরান। ওই সূত্রের মতে, উত্তেজনা কমাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নতুন করে সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

    এদিকে ফার্স প্রদেশে একটি ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছে।

    আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগবিষয়ক মন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী সব পক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংঘাত বাড়লে শান্তি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।

    তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ কখনোই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করবে।

  • ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির জবাব তেহরানের: ‘ভীত নয় ইরান, প্রতিরোধে প্রস্তুত’

    ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির জবাব তেহরানের: ‘ভীত নয় ইরান, প্রতিরোধে প্রস্তুত’

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুমকির পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানি সভ্যতা ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুঁশিয়ারি দেওয়ার জবাবে দেশটির প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ বলেছেন, এমন হুমকিতে ইরান ভয় পায় না এবং তাদের অবস্থান অটল থাকবে।

    মঙ্গলবার দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, হাজার বছরের ইতিহাসে ইরানি সভ্যতা নানা সংকট ও শত্রুতার মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই তারা টিকে থেকেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও দেশের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও জাতীয় ঐক্যের ওপরই আস্থা রাখছে তেহরান।

    এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র জবাব দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, একটি সভ্য জাতির সাংস্কৃতিক শক্তি ও ন্যায্য লক্ষ্যের প্রতি বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত বর্বর শক্তির যুক্তিকে পরাজিত করবে। নিজেদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা ব্যবহারের কথাও জানান তিনি।

    পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্থানীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে না নিয়ে বরং নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য হামলার মুখে এসব স্থাপনায় ‘মানবঢাল’ তৈরির অভিযোগও উঠেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আক্রমণের জবাবে সমপরিমাণ পাল্টা হামলার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।

    তেহরান জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে কোনো যোগাযোগে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। উভয় পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকায় সমঝোতার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সামনে এখন কার্যত দুটি পথ—সমঝোতায় যাওয়া অথবা সংঘাতে জড়ানো। এমন অবস্থায় দেশটির সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রতিরোধের অবস্থানেই রয়েছে এবং সম্ভাব্য হামলার ক্ষেত্রে ‘সমানুপাতিক জবাব’ দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হাইফায় ভবন ধ্বংস, ধ্বংসস্তূপ থেকে ৪ মরদেহ উদ্ধার

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হাইফায় ভবন ধ্বংস, ধ্বংসস্তূপ থেকে ৪ মরদেহ উদ্ধার

    এবিএনএ: ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের হাইফা শহরে একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের উদ্ধার অভিযানের পর ভবনের নিচ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

    ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। প্রথম ধাপে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া দুইজনকে বের করে আনলেও তাদের শরীরে প্রাণের কোনো স্পন্দন পাওয়া যায়নি। নিহতদের মধ্যে ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ও এক বৃদ্ধা রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    এর কয়েক ঘণ্টা পর উদ্ধারকারীরা আরও একজনের মরদেহ শনাক্ত করেন, যিনি প্রায় ৪০ বছর বয়সী একজন পুরুষ। পরবর্তীতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। হামলার প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর শেষ মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে জানানো হয়েছে।

    হামলার পর প্রথমদিকে চারজন নিখোঁজ থাকার কথা জানানো হয়েছিল এবং ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকায় উদ্ধারকাজে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। এখন পর্যন্ত নিহতদের আনুষ্ঠানিক পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

    এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। চিকিৎসা কর্মকর্তাদের মতে, ৮২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া ৭৮ ও ৩৮ বছর বয়সী দুই নারী এবং ১০ মাস বয়সী এক শিশুও আহত হয়েছে। শিশুটি মাথায় আঘাত পেয়েছে বলে জানা গেছে।

    হাইফার একটি হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, গুরুতর আহত ওই বৃদ্ধের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তাকে ভেন্টিলেশনে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার স্ত্রীও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।

  • বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন হামলা—ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় চ্যালেঞ্জ!

    বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন হামলা—ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় চ্যালেঞ্জ!

    এবিএনএ:  মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে নতুন করে হামলার দাবি তুলেছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, Ben Gurion Airport-এ ড্রোনের মাধ্যমে সমন্বিত আক্রমণ চালানো হয়েছে।

    ইরানের সামরিক সূত্র মতে, এই হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েলের সামরিক বিমান চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করা। বিশেষ করে বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার, নেভিগেশন সিস্টেম, রাডার ও যোগাযোগ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    এক বিবৃতিতে তেহরান জানায়, ইসরায়েল ও তার মিত্রদের সামরিক কার্যক্রমে এই বিমানবন্দর ব্যবহারের প্রতিবাদ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এতে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং আকাশপথে সমন্বয় ব্যবস্থাকে দুর্বল করার কৌশল গ্রহণ করা হয়।

    ইরানি সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের ফলে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান পরিচালনা, নজরদারি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব পড়েছে বলে দাবি করা হয়।

    তারা আরও জানায়, এই ধরনের হামলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে এবং আঞ্চলিক সংঘাতে ইরান তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না। নিহতদের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ‘প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ’ চালিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনো পর্যন্ত Israel সরকার বা United States-এর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার দাবি যদি সত্য হয়, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ নিরাপত্তা এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।