Tag: আবহাওয়া

  • শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: দেশজুড়ে শীত ও কুয়াশার প্রভাব আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এবং রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা দিতে পারে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারাদেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন হবে না।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে তৃতীয় দিনে দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা দেখা দিতে পারে। এই সময়ে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে চতুর্থ দিনে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পঞ্চম দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে এবং রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের পরেও দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা আপাতত নেই।

  • বরফ আর বৃষ্টির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত আফগানিস্তান, তিন দিনে প্রাণ গেল অন্তত ৬১ জনের

    বরফ আর বৃষ্টির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত আফগানিস্তান, তিন দিনে প্রাণ গেল অন্তত ৬১ জনের

    এবিএনএ: চরম আবহাওয়ার কবলে পড়ে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে আফগানিস্তান। টানা তুষারপাত ও ভারী বৃষ্টিতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত তিন দিনে ঘটে যাওয়া এই দুর্যোগে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আফগানিস্তান ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএনডিএমএ) জানায়, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১১০ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি দেশজুড়ে অন্তত ৪৫৮টি বাড়িঘর আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছে, উদ্ধার ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব সম্পূর্ণ না হওয়ায় হতাহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল থাকায় সঠিক তথ্য পেতে সময় লাগছে।

    এএনডিএমএর প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী, বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে আফগানিস্তানের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের একাধিক প্রদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভারী তুষারপাতের কারণে রাজধানী কাবুলসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে।

    দুর্বল অবকাঠামো ও প্রতিকূল ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আফগানিস্তানে প্রায়ই বন্যা, ভূমিধস, তুষারঝড় ও প্রবল বর্ষণে বড় ধরনের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। এসব চরম আবহাওয়া দেশটির স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও অসহায় অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

  • শেষরাত থেকে কুয়াশায় ঢাকবে দেশ: সকালের আগে দৃশ্যমানতা কমার সতর্কতা আবহাওয়া অফিসের

    শেষরাত থেকে কুয়াশায় ঢাকবে দেশ: সকালের আগে দৃশ্যমানতা কমার সতর্কতা আবহাওয়া অফিসের

    এবিএনএ: শেষরাত থেকে ভোর ও সকালবেলা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশার প্রভাব বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সকালের দৃশ্যমানতা কমাতে পারে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি আরও কিছু সময় স্থায়ী হতে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাতের তথ্য পাওয়া যায়নি। এ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ২৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে, যার বিস্তার উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে।

  • হাড় কাঁপানো শীতের সতর্কতা: আগামীকাল দেশের কিছু এলাকায় নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা

    হাড় কাঁপানো শীতের সতর্কতা: আগামীকাল দেশের কিছু এলাকায় নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে কনকনে ঠাণ্ডার দাপট আরও বাড়তে যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে ভোরের দিকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, বুধবার ভোরে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু জেলায় ভোর ৬টার দিকে তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কুয়াশার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ফেনী, সিলেট ও সুনামগঞ্জ ছাড়া দেশের প্রায় ৬১টি জেলার ওপর কুয়াশার চাদর বিস্তৃত রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকলেও অন্যান্য বিভাগে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দুপুর ১২টার আগ পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলবে না। অন্য বিভাগগুলোতে সকাল ১০টা থেকে দুপুরের মধ্যে ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে রোদ উঠতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সোমবার রাত থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে এবং মাসের মধ্যে এক থেকে দুইটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শীতের তীব্রতা বাড়ায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক ও আবহাওয়াবিদরা।

  • হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এবিএনএ: দেশজুড়ে চলমান হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন করে দুশ্চিন্তার খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

    ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপথ এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময় সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে কুয়াশার প্রভাবে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।

    বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কুয়াশার প্রকোপ অব্যাহত থাকবে। এ সময় দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়লেও শীতের অনুভূতি পুরোপুরি কমবে না।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পরবর্তী দুই দিন তাপমাত্রা প্রায় স্থির থাকতে পারে। এরপর আবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপট: রাতে ঢাকায় আরও বাড়তে পারে শীত

    কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপট: রাতে ঢাকায় আরও বাড়তে পারে শীত

    এবিএনএ: গত কয়েক দিন ধরে সারা দেশের মতো রাজধানী ঢাকাতেও শীতের দাপট স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকেই কুয়াশার আস্তরণে ঢেকে যায় আকাশ, সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়ে স্বাভাবিক জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

    সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময় আকাশ প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করতে পারে, যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলবে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৯১ শতাংশ।

    দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে।

  • দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে শীতের প্রভাব। সন্ধ্যার পর থেকেই ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে, আর রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী কয়েক দিন সারাদেশেই শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে, তবে ভোরের দিকে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রাও সামান্য কমবে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সারাদেশে আপাতত বৃষ্টি নেই, তবে রাতের তাপমাত্রা ক্রমেই নিচের দিকে নামছে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী চার দিন শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। প্রতিদিন ভোরে উত্তরাঞ্চলে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। ১০ নভেম্বর থেকে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ১১ নভেম্বর রাতের তাপমাত্রা আবারও সামান্য নামতে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। পাঁচ দিনের শেষ দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের অনুভূতি টিকে থাকবে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় থেকেই ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের আমেজ শুরু হচ্ছে। উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত পুরোপুরি প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    শীতপ্রবণ অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের এখন থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

  • আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, সামান্য কমবে তাপমাত্রা

    আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, সামান্য কমবে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের আটটি বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, আগামীকাল (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বহু স্থানে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

    তিনি বলেন, “কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। পাশাপাশি সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পাবে।”

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু স্থানে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায়ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে তাপমাত্রা আরও ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    পরবর্তী দিনগুলোতেও একই প্রবণতা থাকবে। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে শনিবার (১ নভেম্বর) পর্যন্ত দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার (২ নভেম্বর) পর্যন্ত ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বহু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিও দেখা যেতে পারে।

    তবে রবিবারের পর আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাতের ধারা বজায় থাকবে। এ সময় কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়লেও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

  • অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আবহাওয়া ও পূজার ছুটির কারণে এডিস মশার বংশবিস্তার বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ বলে তারা মনে করছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছেছে এবং মৃত্যু ২১২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা গেছেন আরও ৯ জন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৪২ জন রোগী।

    সেপ্টেম্বর মাসে এককভাবে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৭৬ জন। আক্রান্তের হার অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসই ছিল বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ সময়। তবে অক্টোবরের শুরুতেই রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ছে।

    আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “এখন রোদ-বৃষ্টি মিলিয়ে যে আবহাওয়া চলছে, তাতে এডিস মশার বিস্তার রোধ করা কঠিন। বৃষ্টি থেমে গেলেও আগামী দুই মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি রয়ে যাবে।”

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, “অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিক থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়বে। পূজার ছুটিতে ফাঁকা বাসাবাড়ি ও জমে থাকা পানি থেকে মশা জন্ম নিচ্ছে। ফলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে।”

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল ধোঁয়া দিয়ে নয়—জনসচেতনতা ও স্থানীয়ভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

    এবিএনএ: উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থানরত লঘুচাপটি ধীরে ধীরে ঘনীভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী পাঁচ দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও রাজশাহীর কয়েকটি স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাত আরও বিস্তৃত হতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বহু স্থানে এবং রংপুর, ঢাকা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে দেশের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।

    শনিবার ও রবিবারও দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে রংপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের মাত্রা তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কৃষি কার্যক্রমে প্রভাব ফেলবে।