Tag: আবহাওয়া

  • চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা, তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

    চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা, তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

    এবিএনএ:  দেশের চারটি বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সক্রিয় রয়েছে এবং মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় অবস্থায় আছে। এর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন দেশজুড়ে বৃষ্টি চলতে পারে।

    রবিবার সকাল পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনার কিছু এলাকায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    তবে বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে।

  • তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, সারাদেশেই হতে পারে বৃষ্টি

    তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, সারাদেশেই হতে পারে বৃষ্টি

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী কয়েক দিনে টানা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    বুধবার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশালের দু’এক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    আগামী শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত একই ধারা অব্যাহত থাকবে। এসব দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা খুব বেশি পরিবর্তিত হবে না, কেবল শুক্রবার দিনে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    রবিবার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টিপাত বাড়বে। এ সময় বরিশাল ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকাও বৃষ্টির আওতায় আসতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচদিনের শুরুতে সারাদেশেই বৃষ্টির প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ও পরিবহন ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে।

  • অস্বাভাবিক জোয়ারে ডুবে গেছে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চল, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    অস্বাভাবিক জোয়ারে ডুবে গেছে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চল, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

    এবিএনএ:  বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোর পানি হঠাৎ করেই বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। আজ শুক্রবার দুপুরের পর বরিশাল নগরীর সদর রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পানির নিচে চলে যায়।

    নগরীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কীর্তনখোলা নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারের ফলে আশপাশের বাসাবাড়ি ও সড়কগুলো হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে ভাটিখানা, পলাশপুর ও সাগরদি ধান গবেষণা রোডের বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম জানান, বিকেল ৩টার পর দক্ষিণাঞ্চলের মেঘনা, তেতুলিয়া ও কীর্তনখোলাসহ সব নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে কীর্তনখোলার পানি ছিল বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে।

    তবে ভাটা শুরু হলে পানি সরে যাবে বলে আশ্বস্ত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

    কুয়াকাটা ও বরগুনার পাথরঘাটা থেকেও একই ধরনের প্লাবনের খবর পাওয়া গেছে। সাগরে প্রচণ্ড জোয়ার ও তীব্র বাতাসের কারণে তীরবর্তী এলাকাগুলো তলিয়ে যায়।

    নিম্নচাপের কারণে গতকাল রাত থেকেই বরিশাল ও আশপাশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়, যা আজ সারাদিন ধরে চলে। ছুটির দিন হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ ঘরে থাকলেও দুপুরের পর হঠাৎ দমকা বাতাস শুরু হয়।

    বরিশাল আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মিলন হাওলাদার জানান, আজ বিকেল ৩টায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে গেছে এবং আগের ২৪ ঘণ্টায় ২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল ও খুলনা বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    বরিশাল নদী বন্দরের কর্মকর্তা শেখ সেলিম রেজা জানান, নদীতে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়েছে। যদিও এখনো লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়নি, তবে গতকাল থেকেই স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় এলাকার মানুষজন আতঙ্কে রয়েছেন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

  • উত্তাল বঙ্গোপসাগর: চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা, উপকূলজুড়ে শঙ্কা

    উত্তাল বঙ্গোপসাগর: চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা, উপকূলজুড়ে শঙ্কা

    এবিএনএ: সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    শুক্রবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলে দক্ষিণ-পূর্ব অথবা পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

    এই অবস্থায় উল্লিখিত জেলার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য সৃষ্টি হয়েছে। ফলে উপকূলজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

    এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে সতর্কতা অবলম্বনের সময়, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো।

  • ডেঙ্গুর দাপটে হাসপাতাল ভরছে, জুলাইয়ের প্রথম তিন দিনে ভর্তি ১১৬০ জন

    ডেঙ্গুর দাপটে হাসপাতাল ভরছে, জুলাইয়ের প্রথম তিন দিনে ভর্তি ১১৬০ জন

    এবিএনএ: সারা দেশে ফের বাড়তে শুরু করেছে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত তিন দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। শুধু আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং একজন মারা গেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার একদিনেই ভর্তি হয়েছিলেন ৪১৬ জন, যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ একদিনে ভর্তি। ফলে জুলাই মাসের প্রথম তিন দিনেই রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৬০ জনে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৪৫৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।

    সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে বরিশাল বিভাগে—১৫০ জন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ভর্তি ৭৮ জন এবং অন্যান্য বিভাগে যথাক্রমে ঢাকা বিভাগে ৪৫ জন, চট্টগ্রামে ৩২ জন, রাজশাহীতে ২৯ জন, খুলনায় ১৪ জন, ময়মনসিংহে ৫ জন এবং সিলেটে ২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৯ জন।

    চীন দিল ১৯ হাজার ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট

    ডেঙ্গু শনাক্তকরণে সহায়তার অংশ হিসেবে চীন সরকার বাংলাদেশকে ১৯ হাজার ‘কম্বো কিট’ দিয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে একসঙ্গে এনএস-১, আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষা করা যাবে। বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাখালী কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কিট হস্তান্তর করা হয়।

    অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। তিনি জানান, ডেঙ্গুর হটস্পট এলাকায় দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল, অ্যাম্বুলেন্স ও ডায়াগনস্টিক কিট পাঠানো হবে।

    তার দাবি, “পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়ার কারণে অনেকে জটিলতায় পড়ছেন।”

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা সহ চারটি ভাইরাস সক্রিয়। সাধারণ জ্বর ভেবে রোগীরা দেরিতে হাসপাতালে আসছেন, যা চিকিৎসা জটিল করছে।

    অতীত রেকর্ড ভেঙে নতুন আশঙ্কা?

    ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন এবং মারা গিয়েছিলেন ৫৭৫ জন। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল ২০২৩ সাল, যেখানে আক্রান্ত হয়েছিল ৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের। ২০২২ সালেও আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজারের বেশি।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি এখনই নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে এ বছরও ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই জনসাধারণকে সচেতন থাকার পাশাপাশি বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, এ বছর ‘ভেক্টর কন্ট্রোল প্রোগ্রাম’ আরও জোরদার করা হবে এবং স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    এবিএনএ: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালীসহ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। এর ফলে আগামী এক সপ্তাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের জুলাই মাসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এছাড়া এক থেকে দুটি মৃদু তাপপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে।

    তবে এর মধ্যে আশার খবর হলো—এই মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    অন্যদিকে, জুন মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৯.৩ শতাংশ কম। সবচেয়ে কম বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকাতেও কমেছে ৩৩ শতাংশ বৃষ্টিপাত। খুলনা ও বরিশাল বিভাগ ছাড়া বাকি ছয়টি বিভাগেই বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের নিচে ছিল।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আষাঢ় মাসে এমন কম বৃষ্টিপাত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের অংশ হতে পারে। তবে জুলাই মাসে স্বাভাবিক বর্ষণ আবার ফিরে আসবে বলেই পূর্বাভাস।

    এদিকে মৎস্যজীবী ও উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রগামী নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • রাতেই ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রসহ বৃষ্টি, ৯ অঞ্চলের নৌবন্দরে সতর্ক সংকেত

    রাতেই ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রসহ বৃষ্টি, ৯ অঞ্চলের নৌবন্দরে সতর্ক সংকেত

    এবিএনএ:

    আজ রাতেই দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ৯টি অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত এই ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। এজন্য সংশ্লিষ্ট নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    পূর্বাভাসে জানানো হয়, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেটের আকাশে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এছাড়া নীলফামারী জেলায় মাঝারি মাত্রার তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীসহ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জায়গা এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগেও মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। কিছু এলাকায় তা কমতেও পারে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

    এ সময় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কয়েকটি জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণও হতে পারে।

    আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের ফলে নদীপথে যাতায়াতরতদের জন্য সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • উপকূল অতিক্রম করে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

    উপকূল অতিক্রম করে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

    এবিএনএ,ঢাকা:

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে সাতক্ষীরা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় স্থল গভীর নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তবে এর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    বিশেষ করে অমাবস্যার প্রভাবে চট্টগ্রাম, বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, বাগেরহাট, ভোলা, নোয়াখালী, ফেনীসহ ১৪টি উপকূলীয় জেলা এবং তাদের সংলগ্ন দ্বীপ ও চরসমূহ ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার বায়ু-তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। একইসাথে এসব অঞ্চলের মানুষকে সর্তক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সমুদ্র এখনো উত্তাল, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশে বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি পর্যন্ত উঠছে।

    মৎস্যজীবীদের জন্য জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা—উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

    এদিকে, অব্যাহত ভারী বর্ষণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই জনজীবন বিপর্যস্ত। চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। শুক্রবারও দেশের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, তবে শনিবার থেকে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে বরিশাল নদীবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সকল লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটেও লঞ্চ চলাচল সাময়িক বন্ধ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের ছয় অঞ্চলে (ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম) ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিমি গতির দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নৌবন্দরগুলোকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    সারাদেশের মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি, অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এবিএনএ, ঢাকা:

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে।

    এই নিম্নচাপের প্রভাবে ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন ও কক্সবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর–পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    ভারি বৃষ্টির কারণে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের চার বিভাগের নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে। বিশেষ করে ফেনী জেলার মুহুরী নদী, সিলেটের সারিগোয়াইন, সুনামগঞ্জের যাদুকাটা, হবিগঞ্জের খোয়াই ও নেত্রকোনা জেলার সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জনগণকে সতর্ক করে বলেছে, ভারি বৃষ্টির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। সুতরাং, উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে এবং সমুদ্রপথে চলাচলকারী সকলকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে। জনগণকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ করতে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • আইপিএলের প্লে-অফে বৃষ্টি হলে কী হবে? জানুন বিসিসিআইয়ের নিয়ম ও সম্ভাব্য ফলাফল

    আইপিএলের প্লে-অফে বৃষ্টি হলে কী হবে? জানুন বিসিসিআইয়ের নিয়ম ও সম্ভাব্য ফলাফল

    এবিএনএ :

    শেষ হলো আইপিএলের উত্তেজনাপূর্ণ লিগ পর্ব। আগামীকাল (২৯ মে) শুরু হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত প্লে-অফ রাউন্ড। তবে বর্ষার আগমনে বৃষ্টির আশঙ্কা আয়োজকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিসিসিআই (ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড) জানিয়েছে, ফাইনাল ম্যাচ ছাড়া প্লে-অফের অন্যান্য ম্যাচে ‘রিজার্ভ ডে’ রাখা হয়নি। ফলে বৃষ্টির কারণে যদি ম্যাচ বাতিল হয়, তবে জয়ী নির্ধারণ করা হবে লিগ পর্বের পয়েন্ট টেবিল অনুযায়ী।

    কীভাবে নির্ধারিত হবে জয়ী দল?

    • কোয়ালিফায়ার ১: যদি ম্যাচ না হয়, তবে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা দল সরাসরি ফাইনালে পৌঁছাবে।

    • এলিমিনেটর: বাতিল হলে পয়েন্টে এগিয়ে থাকা দল খেলবে কোয়ালিফায়ার ২-এ; অপর দল ছিটকে যাবে।

    • কোয়ালিফায়ার ২: একই নিয়ম প্রযোজ্য। ম্যাচ না হলে এগিয়ে থাকা দল ফাইনালে যাবে।

    • ফাইনাল ম্যাচ: একমাত্র ফাইনালের জন্য ৪ জুন একটি রিজার্ভ ডে নির্ধারিত আছে।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী কী জানা গেছে?

    • মুল্লানপুর (কোয়ালিফায়ার ১ ও এলিমিনেটর): বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার এলিমিনেটরের দিন ২৫% সম্ভাবনা থাকলেও ম্যাচের সময় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    • আহমেদাবাদ (কোয়ালিফায়ার ২ ও ফাইনাল): আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে, বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই।

    প্লে-অফ সূচি (২০২৫):

    • কোয়ালিফায়ার ১: পাঞ্জাব কিংস বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু – ২৯ মে, মুল্লানপুর

    • এলিমিনেটর: গুজরাট টাইটান্স বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স – ৩০ মে, মুল্লানপুর

    • কোয়ালিফায়ার ২: কোয়ালিফায়ার ১-এর পরাজিত দল বনাম এলিমিনেটর জয়ী – ১ জুন, আহমেদাবাদ

    • ফাইনাল: কোয়ালিফায়ার ১ ও ২-এর জয়ী দল – ৩ জুন, আহমেদাবাদ (রিজার্ভ ডে: ৪ জুন)

    এই নিয়মে, কোনো ম্যাচ ভেসে গেলে সিদ্ধান্ত হবে সম্পূর্ণ লিগ টেবিলের উপর ভিত্তি করে। ক্রিকেটপ্রেমীদের আশা, বৃষ্টি যেন ম্যাচগুলোর সৌন্দর্য নষ্ট না করে।