Blog

  • সিআইডি কার্যালয়ে তনুর মা-বাবা

    সিআইডি কার্যালয়ে তনুর মা-বাবা

    এবিএনএ : দেশজুড়ে আলোচনার তুঙ্গে থাকা কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মা-বাবা ও তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজ শনিবার বিকালে তাদের সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সিআইডির কুমিল্লা-নোয়াখালীর বিশেষ পুলিশ সুপার ড. মো. নাজমুল করিম খান।

    গত ২০ মার্চ খুন হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু। এই ঘটনার বিচার দাবিতে দেশজুড়ে চলছে তোলপাড়। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে সিআইডি। সরকারের উচ্চমহল থেকে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের জন্য নির্দেশ রয়েছে।

  • সরকার সুন্দরবন ধ্বংসে এগিয়ে যাচ্ছে : আনু মুহাম্মদ

    সরকার সুন্দরবন ধ্বংসে এগিয়ে যাচ্ছে : আনু মুহাম্মদ

    এবিএনএ : তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকার মিলে সুন্দরবন পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করতে এগিয়ে যাচ্ছে। সুন্দরবনের পাশ্বে রামপাল ও ওরিয়ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে এই বন ধ্বংসে নেমেছে তারা। তিনি সুন্দরবনবিনাশী সকল অপতৎপরতা বন্ধে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের কাছে দাবি জানান।

    আজ শনিবার সকালে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। আনু মুহাম্মদ আরো বলেন, বাংলাদেশের শেষ বন এটি। তবে এই বন শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের সম্পদ। তাই সারা বিশ্বকে এই বন রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র যদি পরিবেশবান্ধব হতো, সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি না করতো তা হলে তো সরকার দেশের স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের ভয় পেত না। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের যারা কনসালটেন্ট বিশেষজ্ঞ আছে তারাই কেবল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষে কথা বলছে, সমর্থন করছে। তিনি বলেন, দেশের মধ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশই সুন্দরবনের পাশে এই রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতো। অপরদিকে সরকার নিজেই এ ধরনের প্রকল্প নিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত। বৈজ্ঞানিক যুক্তি থাকলে তারা এই প্রকল্প নিয়ে জনগণের কাছে খোলামেলা কথা বলতে পারছে না। এই প্রকল্পের পক্ষে একজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞ নেই। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্রের সাম্প্রতিক সুন্দরবন পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি সম্পর্কে এই সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্যে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল। এতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব ডা. মো. আব্দুল মতিনসহ সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, গবেষক ও বিশেষজ্ঞগণ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

  • জান্নাতের এক তরুণী রমণীর সৌন্দর্য হবে যেমন !

    জান্নাতের এক তরুণী রমণীর সৌন্দর্য হবে যেমন !

    এবিএনএ : উসামাহ (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসুল (সাঃ) বলেন, শোন, তোমরা কেউ কি জান্নাতের জন্য প্রস্ততি নিচ্ছ? (তোমাদের সকলে জান্নাতের জন্য প্রস্তুতি নেয়া উচিত) কেননা, কেউ চিন্তা করতে পারবে না জান্নাত কেমন হবে? আমি কাবার প্রভুর শপথ নিয়ে বলছি জান্নাত হলো লাইট যা ঝিলিক দেয় ।
    জান্নাতে থাকবে সুগন্ধিময় গাছ যা মৃদু বাতাসে দোলবে। সুউচ্চ বিশাল বাড়ী, দীর্ঘ নদী, প্রচুর পাকা ফল, অপরূপ সুন্দরী যুবতী স্ত্রী এবং অনেক পোশাক । (জান্নাতীরা থাকবে) একটি চিরন্তন স্থানে যেখানে থাকবে শুধু সুখ ও আনন্দ । (যে বাস করবে) উঁচু, নিরাপদ এবং সুন্দরত্তম (রাজকীয়) ঘরে । সাহাবীরা (রা.) বলেন যে, জান্নাতে যাবার জন্য আমরা কাজ করব- ইন-শা-আল্লাহ ।”

    যখন জান্নাত সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা খুবই আনন্দের তখন আমাদের উদ্দেশ্য হবে, জান্নাতের জন্য কাজ করা । সকল পাঠক পরকালীন জীবনের সফলতাকে জীবনের উদ্দেশ্য হবে, জান্নাতের জন্য কাজ করা । সকল পাঠক পরকালীন জীবনের সফলতাকে জীবনের উদ্দেশ্য বানাবার নিয়ত করা উচিত ।

    আল্লাহ সুহানাহু আমাদের এ পৃথিবীতে তার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বাত্মক সাধনা করার ক্ষমতা দান করুন এবং ঈমানের সাথে আমাদের মৃত্যু দিক । আল্লাহ প্রত্যেক মুসলিমকে জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ পুরষ্কার তার সন্তোষ এবং তার দর্শন আমাদেরকে দান করুক । আল্লাহ মুসলিম যুবক-যুবতীদের এ পৃথিবী এবং পরকালের বাস্তবতা বুঝার ক্ষমতা দান করুক ।-আমীন ।

    মানুষ তার নিজস্ব সীমাবদ্ধ ও ক্ষুদ্র জ্ঞানের মাধ্যমে সৌন্দর্য্যকে বর্ণনা ও উপভোগ করে । আল্লাহ তাঁর অসীম জ্ঞান ও বিজ্ঞতা নিয়ে এ সকল জান্নাতী রমণীদের সৌন্দর্য বর্ণনা করেন । সুতরাং আমরা ধারণা করতে পারি কি সুন্দরই না হবে রমণীরা!

    রাসুল (সাঃ) বলেন, যদি জান্নাতের একজন তরুণী পৃথিবীর দিকে দৃষ্টি দেয় তাহলে সে আকাশে ও পৃথিবীর মাঝের শূণ্যস্থানে আলো সুগন্ধি দিয়ে ভরে ফেলবে । তার মাথার স্কার্ফ পৃথিবী ও এর মাঝে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম ।

    যদি তার মাথার স্কার্ফই পৃথিবীর সবকিছুর চেয়ে উত্তম হয় তাহলে কত মূল্যবান হবে সে সুন্দরী রমণী নিজে? আখিরাতের এ মহা পুরষ্কার লাভের জন্য কারো কামনা বাসনাকে ত্যাগ করা সহজ । এ চিরন্তন পুরষ্কারের ওয়াদা ছাড়া অন্য খুব কম বিষয়ই আছে যা মানুষের কামনা বাসনাকে দমন করতে পারে । বিশেষ করে যুবক-যুবতীদের ক্ষেত্রে তো এটা একেবারেই অসম্ভব ।

  • এসপ্তাহে কমছে সবধরণের জ্বালানি তেলের দাম

    এসপ্তাহে কমছে সবধরণের জ্বালানি তেলের দাম

    এবিএনএ : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, দেশের সাধারণ জনগণের স্বার্থে আমরা জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করব। আশা করছি এ সপ্তাহের মধ্যে সবধরণের জ্বালানি তেলের দাম কমানো সম্ভব হবে।

    শনিবার রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য দেন।
    তিনি বলেন, মুদ্রা বিনিময় হার কাঙ্খিত পর্যায়ে রাখা হবে। দেশে এখন রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মুল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। এটা যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যেতে পারে সেদিকেও নজর রাখা হবে।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। প্রতি অর্থবছরই বাজেটের আকার বাড়ছে। আগামী ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের বাজেট ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা থেকে ৩ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। তবে বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের শেষ বাজেট ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    আগামী বাজেটে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
    অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের শুল্ক আদায়ের হার অন্যান্য দেশের তুলনায় কম। এটাকে বাড়াতে হবে। শুল্ককর পরিশোধে যাতে সাধারণ মানুষ উৎসাহী হয় সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দিতে হবে। সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মধ্যে জ্বালানি খাতে ভ্যাট-ট্যাক্স পরিশোধে সবচেয়ে বেশি অনীহা দেখা যায়। আগামী অর্থবছরে এ প্রবণতা দূর করতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভ্যাট-ট্যাক্স সময়মত পরিশোধ করতে হবে।
    প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ৫৫ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে জ্বালানি তেল পাওয়া যায় । কিন্তু বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী টাকায় জ্বালানি তেলের মূল্য ২৭ টাকা থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। বিভিন্ন অজুহাতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম এত দিন কমায়নি।

  • নির্বাচনের জেরে সংঘর্ষ-গুলি, ১৪৪ ধারা

    নির্বাচনের জেরে সংঘর্ষ-গুলি, ১৪৪ ধারা

    এবিএনএ : সোনাতলায় নির্বাচনী সহিংসতায় দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি ২৫ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। সহিংসতা এড়াতে স্থানীয় প্রশাসনে পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

    শনিবার সকাল ৯টার দিকে সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের পাঠানপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানায়, পাঠানপাড়া গ্রামে ব্যাপারী পরিবারের সঙ্গে মিয়া পরিবারের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। গত ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে একই গ্রামের ব্যাপারী পরিবারের প্রার্থী সেলিম পরাজিত হন এবং মিয়া পরিবার থেকে আব্দুস সামাদ বিজয়ী হন।

    শনিবার সকাল ৯টার দিকে বিজয়ী মেম্বার আব্দুস সামাদের কর্মী সর্থকরা গ্রামের একটি সরকারি খাস পুকুর দখলে নিতে গেলে পরাজিত প্রার্থী সেলিমের লোকজন বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের লোকজন সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়ে। তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা ও বল্লম ছাড়াও দেশীয় বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের উপর হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হন।

    আহতদের মধ্যে মিজান, সাহেব আলী, মিঠু, ঠান্ডা মিয়া, রশিদ, মমিুনুল, মানিক ও জয়নাল আবেদীন সোনাতলা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে জয়নালী আবেদীনের অবস্থার অবনতি হওয়ায তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    এদিকে, সংঘর্ষ থামাতে সোনাতলা থানা পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ শুরু করলে গ্রামবাসী পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে রোববার বেলা ১২টা পর্যন্ত পাঠানপাড়া গ্রামে ১৪৪ ধারা জারি করেন। পরে মাইকে প্রচার করে ১৪৪ ধারা মেনে চলার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এদিকে সংঘর্ষের পর এলাকায় বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আতংকে গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।

    সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোতালেব জানান, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিুবর রহমান জানান, পুনরায় লোকজন সমবেত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে একারণে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

  • কাটাপ্পা কেন মেরেছিলেন বাহুবলীকে?

    কাটাপ্পা কেন মেরেছিলেন বাহুবলীকে?

    এবিএনএ : গত বছর মুক্তির পরপরই বলিউডে সাড়া ফেলে দিয়েছিল মহাকাব্যিক গল্পের ছবি ‘বাহুবলী’। প্রথম পর্বটিতে এই কাহিনি যেন শেষ হয়েও হয়নি শেষ। আর এ ছবির দর্শকদের অপেক্ষার পালাও যেন শেষ হচ্ছে না। কী হবে পরের পর্বে? বাহুবলীকে আগের জন্মে কেনইবা মেরেছিলেন কাটাপ্পা? এমন সব প্রশ্নের উত্তরে এ ছবির নির্মাতা রাজামৌলি সম্প্রতি জানিয়েছেন বেশ কিছু তথ্য।

    ‘বাহুবলী’ ছবির শেষ পর্ব ‘বাহুবলী-দ্য কনক্লুশন’ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ২০১৭ সালের ১৪ এপ্রিল। অপেক্ষার পালা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। আর অনেক কৌতূহল উদ্দীপক প্রশ্নের মতো একটি প্রশ্ন হলো, কাটাপ্পা কেনো মেরেছিল বাহুবলিকে? উত্তরটা জানার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আর বছরখানেক।

    তবে, বাহুবলীর পেছনে যিনি, সেই নির্মাতা এসএস রাজামৌলির কাছ থেকেই অবশেষে এ সব প্রশ্নের কিছু সদুত্তর পাওয়া গেছে।
    সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রাজামৌলি জানিয়েছেন, কাটাপ্পা আসলে বাহুবলীর মনের ইচ্ছাই পূরণ করেছেন। বাহুবলীই নাকি কাটাপ্পাকে বলেছিলেন তাঁকে (বাহুবলীকে) মারতে!

    যা হোক এ কাহিনিতে আসলেই কী ঘটেছিল, আর কেনই বা এমনটি বলেছিলেন বাহুবলী— তা জানতে হলে অপেক্ষায় থাকতে হবে আরও এক বছর। ‘বাহুবলী-দ্য কনক্লুশন’ ছবিটির মুক্তির পরেই মিলবে এর যথার্থ উত্তর।

  • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রবিবার

    এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রবিবার

    এবিএনএ : আগামীকাল রবিবার থেকে সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। সূচি অনুযায়ী, ৩ এপ্রিল থেকে ৯ জুন হবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা হবে। আর ১১ থেকে ২০ জুনের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় ধাপে দুপুর ২টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

    ৩ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার শুরুতেই অনুষ্ঠিত হবে বহুনির্বাচনী অংশটি। এরপর ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে হবে সৃজনশীল অংশ।

  • সিরিয়া-ইরাকের বেশিরভাগ সন্ত্রাসীই ইউরোপের

    সিরিয়া-ইরাকের বেশিরভাগ সন্ত্রাসীই ইউরোপের

    এবিএনএ : সিরিয়া এবং ইরাকে তৎপর সন্ত্রাসীদের বেশিরভাগই গেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার দেশ থেকে। হেগের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর কাউন্টার টেররিজম নামের একটি সংস্থার সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রেতে।

    শুক্রবার প্রকাশিত এ সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বেলজিয়াম, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি থেকে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী গেছে সিরিয়া এবং ইরাকে। সমীক্ষায় এ চার দেশ থেকে যাওয়া সন্ত্রাসীর সংখ্যা ২,৮৩৮ বলেও উল্লেখ করা হয়।

    এতে আরো বলা হয়, এ দুই আরব দেশে মোট ৪,২৯৪ বিদেশি সন্ত্রাসী রয়েছে। গত কয়েক বছরে এদের অর্ধেকেরও বেশি গেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো থেকে।

    এ ছাড়া, এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী গেছে বেলজিয়াম থেকে। গ্রিস এবং হাংগেরি থেকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য –উপাত্ত পাওয়া যায় নি। অবশ্য সবচেয়ে কম সন্ত্রাসী গেছে পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে।

    ২৬ দেশের সরবরাহ করা তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে স্বতন্ত্র থিং ট্যাং এ সমীক্ষা চালায়। এতে আরো বলা হয়, ইউরোপীয় সন্ত্রাসীদের ৩০ শতাংশই নিজ দেশে ফিরে গেছে। আর ১৪ শতাংশ যুদ্ধে মারা গেছে।

    যে সব সন্ত্রাসী ইরাক ও সিরিয়ায় গেছে তাদের মধ্যে ১৭ শতাংশই নারী ছিল বলেও এতে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া, এ সব সন্ত্রাসীর মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল নতুন ইসলাম গ্রহণকারী। আর, তাদের বেশিভাগই এসেছে ইউরোপীয় নগর বা নগরের উপকণ্ঠগুলো থেকে।

  • যে কাউকে অটিস্টিক বলবেন না : পুতুল

    যে কাউকে অটিস্টিক বলবেন না : পুতুল

    এবিএনএ : প্রতিবন্ধী হলেই অটিস্টিক না বলতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন গ্লোবাল অটিজম পাবলিক হেলথ ইনিশিয়েটিভ ইন বাংলাদেশের জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

    আজ শনিবার আন্তর্জাতিক অটিজম সচেতনতা দিবসে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানান। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অটিজম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই ভিডিও বার্তাটি প্রচার করা হয়।

    সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বলেছেন, অটিজম নামটা এত বেশি পরিচিত হয়ে গেছে প্রতিবন্ধী হলেই আমরা অটিস্টিক বলি। আমি অনুরোধ করব, এত সহজে সবাইকে অটিস্টিক বলবেন না। অটিজম একটা কমপ্লেক্স নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার। এটা শুধু ওই মানুষটাকে এফেক্ট করে না, পুরো পরিবারকে এফেক্ট করে। তিনি বলেন, কাউকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা পুরো দেশের উন্নয়ন করতে চাই। আমরা কাউকে ভুলে যাব না। কাউকে ফেলে রেখে এই দেশটা বড় হবে না। অটিস্টিকরা যেন আমাদের দেশের একটা অংশ মনে করে চলতে পারে, সে জন্য বাবা-মা ছাড়াও পুরো পরিবার ও পুরো সমাজকে সহায়তা দিতে হবে।

  • মুসলিম বলে বিমান থেকে নামানো হলো পুরো পরিবারকে!

    মুসলিম বলে বিমান থেকে নামানো হলো পুরো পরিবারকে!

    এবিএনএ : কথিত নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে বিমান উড়ার আগ মুহূর্তে এক মুসলিম পরিবারকে বিমান থেকে নামিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের এক পাইলট। ইয়ামান অ্যামি সাদ শিবলী নামে এক নারী সম্প্রতি এমন অভিযোগ করেছেন। অ্যামি তার ফেসবুক প্রোফাইলে ওই এয়ারলাইন্সের পাইলট এবং বিমান সেবিকার বক্তব্যসহ দুটি ভিডিও আপলোড করেছেন।

    ইয়ামান অ্যামি তার তিন সন্তান ও স্বামীসহ ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো থেকে ওয়াশিংটন যাচ্ছিলেন। বিমানটি আকাশে উড়ার ঠিক আগ মুহূর্তে পাইলট নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে তাদেরকে নেমে যেতে বলেন।

    ভিডিওটিতে দেখা যায়, বিমান সেবিকা এবং একজন পাইলট ‘নিরাপত্তা’র অজুহাত দেখিয়ে তাদেরকে বিমান থেকে নেমে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন। তখন অ্যামি পাইলটকে জিজ্ঞাসা করেন, এটি কি ‘বৈষম্যমূলক’ সিদ্ধান্ত নয়? তখন পাইলট ‘ফ্লাইট সেফটি ইস্যু’র কথা বলেন। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেনি।

    দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন(কেয়ার) মুসলিম পরিবারটির পক্ষ থেকে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স বরাবর একটি চিঠি পাঠায় এবং অভিযুক্ত স্টাফদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে দাবি জানায়।

    কেয়ার-শিকাগোর নির্বাহী পরিচালক আহমেদ রিহাব এই বিবৃতিতে বলেন, এই ধরনের ঘটনা দেখে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। মুসমানদের বেশভূষা থাকলেই ‘যুক্তিহীন’ কারণ দেখিয়ে বিমান থেকে নামিয়ে দেয়া হচ্ছে। ‘নিরাপত্তা’ নামক রহস্যজনক কারণ দেখিয়ে প্রায়ই মুসলিম যাত্রীদের বিমান থেকে নামিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটছে। নিরাপত্তার মানে হচ্ছে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাদেরকে হয়রানি বা অপমান করা না।

    ইয়ামিন অ্যামি তার ফেসবুকে লিখেছেন, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সকে ধিক্কার জানাচ্ছি। বিনা কারণে আমাকে এবং আমার পরিবারকে তারা কথিত ‘সেইফটি ফ্লাইট ইস্যু’ দেখিয়ে বিমান থেকে নামিয়ে দিয়েছে। বসন্তকালীন ছুটি শেষে আমরা ওয়াশিংটন যাচ্ছিলাম। আমার বাচ্চারা এইটুকু বয়সে বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলো।

    অবশ্যই এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জন্য একাধিকবার অ্যামির পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ বৈষম্যমূলক আচরণের ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।