Blog

  • চিতলমারীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর  অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক

    চিতলমারীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক

    এবিএনএ: বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকে ঘিরে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝেও বাড়ছে ক্ষোভ।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিজের প্রভাব বিস্তার করে তিনি এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছেন। তার কর্মকাণ্ডে অনেকেই আতঙ্কে থাকেন এবং প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না বলেও দাবি উঠেছে।

    এলাকায় এমন গুঞ্জনও রয়েছে যে, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পরাজয়ের পেছনেও তার ভূমিকা ছিল বলে অনেকে মনে করেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে উপজেলা বিএনপির নেতা মো. আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠতে থাকে। সময়ের সঙ্গে এসব অভিযোগ আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করে।

    তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অবৈধ জুয়ার আসর পরিচালনা, প্রতারণা এবং অন্যের সম্পত্তি দখলের মতো অভিযোগ করা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে তার বিরুদ্ধে। জানা গেছে, চিতলমারী শেরেবাংলা ডিগ্রি কলেজে একটি পদে থাকতে তিনি স্নাতক পাসের একটি ভুয়া সনদ জমা দেন। পরে যাচাইয়ে সেটি জাল বলে প্রমাণিত হয়।

    এছাড়া জমি সংক্রান্ত অভিযোগে বলা হয়, অল্প পরিমাণ জমির মালিক হওয়া সত্ত্বেও তিনি বিপুল পরিমাণ জমির ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে নিজের নামে নথিভুক্ত করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি পরবর্তীতে ধরা পড়ে।

    এসব ঘটনার জেরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ে এলাকায় অস্থিরতা ও আতঙ্ক বাড়ছে বলে জানা গেছে।

    তবে অভিযোগগুলো সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত নেতা মো. আহসান হাবিব। তিনি বলেন, “অ্যাডভোকেট লাভলু নামে এক ব্যক্তি ভুয়া আইডি ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আমি রাজনীতি করি বলেই প্রতিপক্ষরা আমাকে হেয় করতে এসব মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন।”

  • সুন্দরবনে দস্যু দমনে ‘রিস্টোর পিস’ ও ‘ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ অভিযান জোরদার, জিরো টলারেন্স ঘোষণা কোস্ট গার্ডের

    সুন্দরবনে দস্যু দমনে ‘রিস্টোর পিস’ ও ‘ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ অভিযান জোরদার, জিরো টলারেন্স ঘোষণা কোস্ট গার্ডের

    এবিএনএ,মোংলা :সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় সুন্দরবনে একযোগে দুটি বিশেষ অভিযান—‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালনা করা হচ্ছে।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম জানিয়েছেন, সুন্দরবনের গভীর অরণ্যে সক্রিয় দস্যু চক্র দমনে পরিকল্পিতভাবে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের নিরাপদে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।

    তিনি আরও জানান, বনাঞ্চলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা দস্যুদের আস্তানা শনাক্ত করে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও দ্রুতগতির নৌযান ব্যবহার করে নদীপথে টহলও জোরদার করা হয়েছে।

    কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ মাসে সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮১টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর ৬১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে অপহৃত ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

    এছাড়া ৫৯৯ রাউন্ড গুলি, ৯৪৪ কেজি হরিণের মাংস, ৯০০টি শিকারের ফাঁদসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ২৯ জন শিকারিকেও আটক করেছে বাহিনীটি।

    ক্যাপ্টেন মেসবাউল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই অঞ্চলকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।

    তিনি আরও বলেন, “আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল। অপারেশন রিস্টোর পিস ও ম্যানগ্রোভ শিল্ডের মাধ্যমে বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

    কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দস্যুতা দমন এবং সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের বিস্তার: ৬ জেলায় মাঝারি গরম, রাতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের বিস্তার: ৬ জেলায় মাঝারি গরম, রাতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আবারও বাড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ছয়টি জেলা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক এ তথ্য জানান।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জসহ খুলনা বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। কিছু এলাকায় এটি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে। ফলে গরমের অনুভূতি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    অন্যদিকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।

    সোমবার ও মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, তবে বেশিরভাগ এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করলেও রাতের তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকবে বা কিছুটা বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ১৬ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে, যা দেশের আবহাওয়ায় প্রভাব ফেলছে।

  • গুলশানে অভিযান: ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ৩, জব্দ প্রাইভেটকার

    গুলশানে অভিযান: ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ৩, জব্দ প্রাইভেটকার

    এবিএনএ: রাজধানীর গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল নোটসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার জাল নোট এবং একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. আবু হানিফ পালোয়ান (৫০), রেজাউল শেখ (৪০) এবং আব্দুল্লাহ মজুমদার আশিক (২৪)। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে গুলশান থানার একটি দল ৩৬ নম্বর সড়কে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে।

    অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে ৫০ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক যাচাইয়ে উদ্ধার হওয়া নোটগুলো জাল বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকার লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন।

    এ ঘটনায় আটক তিনজনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • ১৭ এপ্রিল রাতেই শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ এপ্রিল রাতেই শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ: চলতি বছরের হজ ফ্লাইট আগামী ১৭ এপ্রিল রাত থেকে শুরু হচ্ছে। উদ্বোধনী ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) সচিবালয়ে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান।

    রোববার অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, আল্লাহর মেহমানদের সঙ্গে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। হজযাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী খুব শিগগিরই হজ ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে যাত্রীরা যেভাবে অবস্থান করবেন এবং প্রস্তুতি কার্যক্রম কেমন চলছে, তা সরেজমিনে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হজ ফ্লাইট পরিচালনায় কোনো প্রভাব ফেলবে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান। তাদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং কোনো জটিলতা তৈরি হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

    এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ ট্রাম্পের, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপের জোরালো ইঙ্গিত

    হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ ট্রাম্পের, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপের জোরালো ইঙ্গিত

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, হরমুজে কোনো জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারবে না।

    এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হতে পারে।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ বন্ধের সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরি হামলার নির্দেশ নয়। বরং প্রথমে কৌশলগত অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হতে পারে। যদি তেহরান অবস্থান পরিবর্তন না করে, তাহলে পরবর্তী ধাপে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ট্রাম্প তার বক্তব্যে দাবি করেন, হরমুজ অবরোধে অন্যান্য দেশও যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেবে। তবে কোন দেশগুলো এতে অংশ নেবে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

    তিনি আরও বলেন, ইরানে এখনো যেসব লক্ষ্যবস্তু অবশিষ্ট রয়েছে, সেগুলো ধ্বংস করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত। এ বক্তব্যকে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা হামলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

    ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরান যে টোল আরোপের কথা বলছে তা চাঁদাবাজির শামিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, যেসব জাহাজ ইরানকে অর্থ প্রদান করবে সেগুলোকে আটক করা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের সাম্প্রতিক বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। সেই ব্যর্থ আলোচনার পরপরই হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছেন ট্রাম্প।

  • ইসলামাবাদ বৈঠক ভেস্তে গেল: হরমুজ ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অচলাবস্থা

    ইসলামাবাদ বৈঠক ভেস্তে গেল: হরমুজ ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অচলাবস্থা

    এবিএনএ: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পরও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান কাছাকাছি না আসায় চুক্তিহীনভাবে বৈঠক শেষ হয়।

    মার্কিন এক কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানান, শনিবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া বৈঠক রাতভর চলার পর রোববার সকাল পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু মূল ইস্যুগুলোতে মতপার্থক্য কাটেনি। ফলে আলোচনা অচলাবস্থায় পড়ে যায়।

    যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার দাবি তোলে। পাশাপাশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ত্যাগ করার বিষয়েও কঠোর অবস্থান নেয় ওয়াশিংটন। এই দুই বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে ইরানকে জানানো হয়।

    তবে ইরানি প্রতিনিধিরা এসব শর্ত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তারা পাল্টা দাবি জানান, ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। একই সঙ্গে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করার বিষয়েও জোর দেন তারা।

    দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, আলোচনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। কিন্তু ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছাড়া তারা এই পদক্ষেপ নেবে না।

    বৈঠকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা। পারমাণবিক ইস্যু দীর্ঘদিনের হলেও, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক থেকে কোনো সমাধান না আসায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

  • মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মাঝেই স্বস্তি: চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি জাহাজ, আসছে আরও এলএনজি কার্গো

    মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মাঝেই স্বস্তি: চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি জাহাজ, আসছে আরও এলএনজি কার্গো

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি বোঝাই দুটি জাহাজ পৌঁছেছে। পাশাপাশি আরও কয়েকটি এলএনজি ও এলপিজিবাহী জাহাজ ধাপে ধাপে দেশে আসার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

    চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ‘ডিএল লিলি’ এবং ভারত থেকে গ্যাসবাহী আরেকটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। এতে দেশে তরল গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতিতে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে ‘কংটং’ নামের একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এর পরদিন সোমবার মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ‘পল’ নামের আরেকটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে। এছাড়া ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে ‘মারান গ্যাস হাইড্রা’ এবং ১৮ এপ্রিল ‘লবিটো’ নামের আরও দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ দেশে আসার সূচি রয়েছে।

    এলপিজি বা লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ। এটি সিলিন্ডারে ভরে গৃহস্থালি রান্না, রেস্তোরাঁ এবং কিছু যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পাইপলাইন সুবিধা নেই এমন এলাকায় এলপিজিই রান্না ও ক্ষুদ্র শিল্পের তাপ উৎপাদনের প্রধান উৎস।

    অন্যদিকে এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষিত হয় এবং প্রধানত বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বড় শিল্পকারখানায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সার, টেক্সটাইল, সিরামিকসহ ভারী শিল্পে প্রয়োজনীয় উচ্চ তাপ নিশ্চিত করতে পাইপলাইনের মাধ্যমে এই গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এছাড়া সমুদ্রগামী জাহাজ ও দূরপাল্লার ভারী যানবাহনেও এলএনজির ব্যবহার বাড়ছে।

  • খুলনায় মানহীন ক্লিনিকের দৌরাত্ম্য: ভুল রিপোর্টে বিপদে রোগী, হাসপাতাল ঘিরে দালাল চক্র সক্রিয়

    খুলনায় মানহীন ক্লিনিকের দৌরাত্ম্য: ভুল রিপোর্টে বিপদে রোগী, হাসপাতাল ঘিরে দালাল চক্র সক্রিয়

    বিপুল পাইক,খুলনা ব্যুরো: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখো মানুষের ভরসা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। কিন্তু ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিনই তিন গুণের বেশি রোগী ভর্তি থাকায় তীব্র চাপ তৈরি হচ্ছে। শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকে ওয়ার্ডের মেঝে, বারান্দা এমনকি চলাচলের পথেও থাকতে হচ্ছে। বহির্বিভাগেও দীর্ঘ লাইনের কারণে চিকিৎসক দেখাতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগীদের।

    এই অতিরিক্ত চাপকে কেন্দ্র করে হাসপাতালটির আশপাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। সরকারি হাসপাতালের সামনে এবং প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সক্রিয় হয়ে রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা করাতে প্রলুব্ধ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, ডাক্তার দেখানোর পরই কিছু ব্যক্তি তাদের প্রেসক্রিপশন দেখতে চান এবং কম খরচে দ্রুত পরীক্ষা করিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। অনেক সময় নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে সেখানে যাওয়ার জন্য চাপও দেওয়া হয়।

    ডুমুরিয়ার এক রোগী জানান, চিকিৎসক কয়েকটি পরীক্ষা করতে বলার পরই বাইরে থাকা একজন তাকে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কম খরচে পরীক্ষা করিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। তিনি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে অন্য একজনের মাধ্যমে আবারও একই প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘটনা প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে বলে অভিযোগ।

    স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোর লাইসেন্স নেই, আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত চিকিৎসক বা দক্ষ টেকনিশিয়ানও থাকেন না। ফলে ভুল বা অসঙ্গতিপূর্ণ রিপোর্ট দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এতে রোগীরা বিভ্রান্ত হয়ে ভুল চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    বুকে ব্যথা নিয়ে এক রোগী একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করান। সেখানে হার্টের সমস্যা রয়েছে বলে রিপোর্ট দেওয়া হয়। পরে অন্য প্রতিষ্ঠানে পুনরায় পরীক্ষা করলে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ফল পাওয়া যায়। এতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং অপ্রয়োজনীয় ওষুধও সেবন করতে হয় বলে অভিযোগ করেন।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা জানান, জনবল সংকট ও অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়। এই সুযোগে দালাল চক্র ও মানহীন ক্লিনিকের প্রতিনিধিরা রোগীদের প্রভাবিত করে বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।

    স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা জেলা ও মহানগরীতে ৫০০-এর বেশি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল রয়েছে। এর মধ্যে কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেই এবং অনেক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়নও করা হয়নি।

    স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে রোগীদের সতর্ক হয়ে যাচাই-বাছাই করে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • শিশুর হঠাৎ জ্বর? আতঙ্ক নয়—ঘরে বসেই কী করবেন, কখন ডাক্তার দেখাবেন জানুন জরুরি নির্দেশনা

    শিশুর হঠাৎ জ্বর? আতঙ্ক নয়—ঘরে বসেই কী করবেন, কখন ডাক্তার দেখাবেন জানুন জরুরি নির্দেশনা

    এবিএনএ: শিশুর শরীর গরম হয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বাবা-মা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর নিজে কোনো রোগ নয়; বরং এটি শরীরের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। তাই আতঙ্কিত না হয়ে শিশুকে আরাম দেওয়া এবং সঠিকভাবে যত্ন নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিছু সহজ করণীয় অনুসরণ করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুর জ্বর দ্রুত কমে আসে।

    জ্বরের সাধারণ লক্ষণ

    শিশুর জ্বর হলে সাধারণত কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে—

    • খিটখিটে মেজাজ বা অস্বাভাবিক কান্না
    • অস্বস্তি ও দুর্বলতা
    • শরীর স্পর্শ করলে বেশি গরম লাগা
    • মুখ লাল হয়ে যাওয়া
    • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া

    শিশুর জ্বর হলে কী করবেন

    শিশুর বয়স যদি ৩ মাসের কম হয় এবং তাপমাত্রা ১০০.৪°F (৩৮°C) বা তার বেশি হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি। চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব না হলে কাছের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যেতে হবে।

    জ্বর থাকা অবস্থায় শিশুকে স্কুল বা ডে-কেয়ারে না পাঠিয়ে বাড়িতে বিশ্রামে রাখা ভালো। অন্তত ২৪ ঘণ্টা তাপমাত্রা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাকে বাইরে না নেওয়াই নিরাপদ।

    জ্বর কমাতে যা করবেন

    • শিশুকে পর্যাপ্ত পানি বা তরল খাবার দিন, যাতে পানিশূন্যতা না হয়
    • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যাসিটামিনোফেন বা আইবুপ্রোফেন দেওয়া যেতে পারে
    • শিশু বা কিশোরদের কখনও অ্যাসপিরিন দেওয়া উচিত নয়
    • ঠান্ডা পানি বা রাবিং অ্যালকোহল দিয়ে শরীর মুছবেন না
    • হালকা পোশাক পরান এবং পাতলা চাদর ব্যবহার করুন
    • খেতে না চাইলে জোর করবেন না, তবে হালকা খাবার দিতে পারেন
    • বমি বা ডায়রিয়া থাকলে ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন দেওয়া যেতে পারে (চিকিৎসকের পরামর্শে)
    • শিশুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করুন

    কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন

    নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন—

    • ৩ মাসের কম বয়সী শিশুর জ্বর ৩৮°C বা তার বেশি হলে
    • শিশুকে অস্বাভাবিক অসুস্থ দেখালে
    • শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিলে
    • দীর্ঘ সময় ডায়রিয়া বা বারবার বমি হলে
    • পানিশূন্যতার লক্ষণ (কম প্রস্রাব, কান্নায় চোখে পানি না আসা, দুর্বলতা)
    • টানা পাঁচ দিন জ্বর থাকলে
    • শিশুর দীর্ঘস্থায়ী রোগ (যেমন: সিকেল সেল ডিজিজ বা ক্যান্সার) থাকলে

    জ্বর কি প্রতিরোধ করা সম্ভব?

    শিশুদের মাঝে মাঝে জ্বর হওয়া স্বাভাবিক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কয়েক দিনের মধ্যেই তা সেরে যায়। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জ্বর চলাকালীন শিশুকে স্বস্তিতে রাখা, পর্যাপ্ত তরল দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।