দেশ বদলাতে হলে আগে গণতন্ত্র ফেরাতে হবে: তরুণদের সামনে তারেক রহমানের স্পষ্ট বার্তা
সিলেটে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বিএনপি চেয়ারম্যান, জনসংখ্যা বাড়লেও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়েনি বলে মন্তব্য


এবিএনএ: রাষ্ট্র পরিচালনায় গুণগত পরিবর্তন আনতে গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, গত দুই দশকে দেশের জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়েনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা কিংবা কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক নাগরিক সুবিধা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিলেট নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। ‘দ্য প্ল্যান–ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে তরুণদের নানা প্রশ্ন ও মতামতের উত্তর দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থান করলেও তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে রাষ্ট্রব্যবস্থায় ইতিবাচক ও টেকসই পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “দেশকে পরিচ্ছন্ন ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে হলে আগে গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে হবে। গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়ন কখনো স্থায়ী হতে পারে না।” বর্তমান সংকটের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী তরুণ সমাজ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান তার ভবিষ্যৎ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের চার কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানকে এই কার্ড দেওয়া হবে।
এই কার্ডের আওতায় মাসিক দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা সহায়তার পাশাপাশি খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। একই সঙ্গে কৃষকদের জন্য আলাদা সহায়তা কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া তরুণরা স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সিলেট থেকে ঢাকায় যাতায়াতে দীর্ঘ সময় লাগার বিষয়টি নিয়েও তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দেশ নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশার কথা সরাসরি জানান।




