Category: লিড নিউজ

  • নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ৩ ট্যানারি মালিককে মুক্তি দিল হাইকোর্ট

    নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, ৩ ট্যানারি মালিককে মুক্তি দিল হাইকোর্ট

    এবিএনএ : আদালদ অবমাননার মামলায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করায় আদালতের হেফাজতে থাকা ৩ ট্যানারি মালিককে মুক্তি দিয়েছে হাইকোর্ট। বিকেলে ঐ ৩ ট্যানারি মালিকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ আজ বিকেলে এ আদেশ দেন।

    এর আগে আদালত অবমাননার মামলায় জবাব দাখিল না করায় তাদেরকে বেলা ১১ টা থেকে বিকাল ৪:৩০ পর্যন্ত আদালতের হেফাজতে বন্দি রাখা হয়। ওই তিন ট্যানারি মালিক হলেন- পূবালী ট্যানারিজের মাহবুবুর রহমান, রুমি লেদার ইন্ডাস্ট্রিজের গিয়াস উদ্দিন আহমেদ পাঠান ও মেসার্স প্যারামাউন্ট ট্যানারিজের মো. আকবর হোসেন।

    বিকেলে তাদের আইনজীবী ব্যারেস্টার ফিদা এন কামাল আদালতে নিশর্তে ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন দাখিল করেন। আদালত শুনানি নিয়ে সোমবার তাদেরকে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে হাজারিবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের রায় কার্যকরের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    এর আগে সকালে ট্যানারি স্থানান্তরে আদালতের নির্দেশনা সঠিকভাবে অনুসরণ না করায় তিন মালিককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে হাইকোর্ট। রবিবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ কোর্ট তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে তাদের পুলিশে সোপর্দ করেন।

  • মায়ার রিভিউ খারিজ : পুনঃশুনানির আদেশ বহাল

    মায়ার রিভিউ খারিজ : পুনঃশুনানির আদেশ বহাল

    এবিএনএ : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার একটি দুর্নীতি মামলায় আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) জন্য আনা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে মায়াকে ওই মামলায় হাইকোর্টের দেয়া খালাসের রায় বাতিল করে নতুন করে আপিল শুনানির আদেশ বহাল থাকলো।

    প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ ‘উত্থাপিত হয়নি’ মর্মে রিভিউ আবেদনটি খারিজ করে আদেশ দেয়। আদালতে মায়ার পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

    এর আগে ২০১৫ সালের ১৪ জুন মন্ত্রী মায়াকে খালাস দিয়ে দেয়া হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনর্বিচারের আদেশ দেয় আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন মায়া।

    ২০০৭ সালের ১৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নূরুল আলম সূত্রাপুর থানায় মায়ার বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় মায়ার বিরযদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালত মায়াকে ১৩ বছরের কারাদন্ডসহ অর্থদণ্ড দেয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন মায়া। তার আপিলের ওপর শুনানি করে ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট তাকে খালাস দিয়ে রায় দেয়।

  • ‘ব্যানার-পোস্টারে আমারও ছবি ব্যবহার করবেন না’

    ‘ব্যানার-পোস্টারে আমারও ছবি ব্যবহার করবেন না’

    এবিএনএ : দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য যেসব ব্যানার-পোস্টার তৈরি করা হয় সেখানে নিজের ছবি না দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। রবিবার সকালে প্রতিমন্ত্রী তার ফেসবুক পেজে এ অনুরোধ করে একটি স্ট্যাটাস দেন।

    ওই স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, আমরা বিভিন্ন সময় দলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যাই। যেখানে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা ব্যানার-পোস্টারে আমার আর নিজেদের বিশাল বিশাল ছবি দেন। দয়া করে এটা আর করবেন না।

    ওই ব্যানার-পোস্টারে কাদের ছবি থাকবে, সে সম্পর্কে একটি নির্দেশনাও দেন তিনি। লেখেন, ব্যানারে থাকবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি আর থাকবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ছবি। সেখানে আমার ছবিও থাকবে না এবং আপনাদের কারও ছবিও না।

    দুঃখ প্রকাশ করে তারানা বলেন, আমাকে দেওয়া অনেক সংবর্ধনা সভায় আমি আমার ছবিযুক্ত এরকম অনেক ব্যানার নামিয়ে তারপরে সভায় উপস্থিত হয়েছি। তারপরেও এই ধরনের ছবিযুক্ত আত্মপ্রচারণামূলক ব্যানার-পোস্টারের রীতি থামছেই না।

    এরপর তিনি বলেন, আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনারা নিজে থেকে এই ধরনের ব্যানার-পোস্টার করবেন না, আমাদের বিব্রত করবেন না দয়াকরে।

  • জুটমিল শ্রমিকদের হাতে থালা, পরনে ছেঁড়া গেঞ্জি

    জুটমিল শ্রমিকদের হাতে থালা, পরনে ছেঁড়া গেঞ্জি

    এবিএনএ : বকেয়া মজুরি পরিশোধ, পাটখাতে প্রয়োজনীয় অর্থবরাদ্দসহ পাঁচ দফা দাবিতে খুলনা অঞ্চলের সরকারি সাত জুট মিলের শ্রমিকদের ৬ষ্ঠ দিনের ধর্মঘট চলছে।

    রোববার সকাল ১০টায় খুলনা মহানগরীর খালিশপুর ও আটরা শিল্পাঞ্চলে খোড়া মিছিল করেছে জুটমিল শ্রমিকরা। মিছিলে শ্রমিকদের হাতে থালা-বাসন ও পরনে ছেঁড়া গেঞ্জি, শার্ট, পাঞ্জাবি ছিল।

    বাংলাদেশ রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল সিবিএ-ননসিবিএ ঐক্য পরিষদের ডাকে গত ৪ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করছে শ্রমিকরা। শুক্রবার একদিন সাপ্তাহিক ছুটির পর শনিবার থেকে ফের ধর্মঘটে নামে শ্রমিকরা।

    পাঁচ দফার মধ্যে রয়েছে- পাটখাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ, শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি প্রদান, মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন, মহার্ঘ ভাতা প্রদান, আলীম জুট মিল ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া বাতিল।

    চলমান আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে- খুলনার খালিশপুরের প্লাটিনাম ও ক্রিসেন্ট জুট মিল, দিঘলিয়ার স্টার জুট মিল, আটরা শিল্প এলাকার ইস্টার্ন ও আলিম জুট মিল এবং যশোর নওয়াপাড়া রাজঘাট এলাকার যশোর জুট মিল লিমিটেড (জেজে আই) ও কার্পেটিং জুট মিল।

    বাংলাদেশ রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল সিবিএ-ননসিবিএ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মো. সোহরাব হোসেন বাংলামেইলকে জানান, শ্রমিকদের বিষয়ে কেউ চিন্তা করে না। শ্রমিকরা আজ অবহেলিত। দীর্ঘদিন ধরে মজুরি না পেয়ে শ্রমিকদের পেটে ভাত নেই। ছেলে মেয়েদের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। সামনে নতুন বছর। পহেলা বৈশাখে সরকারি চাকরিজীবীদের বৈশাখী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। তারা ইলিশ মাছ কিনে খাবে। অথচ শ্রমিকরা সরকারি জুট মিলে কাজ করে আজ দাবি আদায়ে খালি পেটে আন্দোলন করছে। তারই অংশ হিসেবে থানা-বাসন নিয়ে খোড়া মিছিল করা হয়।

    ওই পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘৪ এপ্রিল থেকে লাগাতার ধর্মঘট পালন করে আসছি। সেই সাথে তিনদিন রাজপথ ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছি। জেলা প্রশাসকের অনুরোধে তিন দিনের জন্য অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত শ্রমিকদের বিষয়ে কোনো সঠিক সমাধান আসেনি।’

    তবে আজ রোববারের মধ্যে শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে সুষ্ঠু কোনো সমাধান না আসলে সোমবার থেকে প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টা করে কঠোরভাবে রাজপথ ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    এদিকে ধর্মঘটের কারণে মিলগুলো অচল হয়ে পড়েছে। মিলের উৎপাদন বন্ধ থাকায় বড় ধরনের লোকসানে পড়ার শঙ্কা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

  • নতুন নেতৃত্বে প্রতিকূল পরিস্থিতি কেটে যাবে : ফখরুল

    নতুন নেতৃত্বে প্রতিকূল পরিস্থিতি কেটে যাবে : ফখরুল

    এবিএনএ : বিএনপি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজনীতি করছে দাবি করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নতুনদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হচ্ছে। আর তাদের নেতৃত্বের মাধ্যমে আন্দোলনে সফলতা পাবে। নতুনদের দিয়ে কমিটি গঠন করার মাধ্যমে প্রতিকূল পরিস্থিতি কেটে যাবে।

    রোববার বেলা ১১টায় রাজধানীর ঝিগাতলার বাসায় সাবেক ফুটবলার অাইনুল হককে দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, সরকার অগণতান্ত্রিক হয়ে গেছে। গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। দাম বৃদ্ধি করা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করা হবে।

    সাবেক ফুটবলার আইনুল হক দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত অবস্থায় বাসায় অবস্থান করছেন। তার সুস্থতা কামনা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান মির্জা ফখরুল।

    এ সময় বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম, সাবেক ফুটবলার আমিনুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • মন্ত্রীর দিকে তেড়ে গেলেন সাংসদ

    মন্ত্রীর দিকে তেড়ে গেলেন সাংসদ

    এবিএনএ : চট্টগ্রামে এক আলোচনা সভায় ফ্লাইওভার নিয়ে মতবিরোধে বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন ও চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আফসারুল আমীন।

    ফ্লাইওভার নির্মাণের বিপক্ষে মত দিয়ে সাংসদের রোষে পড়েন এই মন্ত্রী; তার দিকে তেড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

    শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট সেমিনার কক্ষে ‘টেকসই জনবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এ চিত্র দেখা যায়।

    বিতণ্ডার জের ধরে অবশ্য শেষ পর্যন্ত ওই আলোচনা সভা আর এগোয়নি।

    ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম কেন্দ্রের আয়োজনে ওই আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন। শুরুতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া ও নগর পরিকল্পনাবিদ আলী আশরাফ।

    এরপর বক্তব্য দেন স্থপতি তসলিম উদ্দিন ও জেরিনা হোসেন। তাদের প্রায় সবাই ফ্লাইওভার নির্মাণের বিরুদ্ধে নিজেদের অভিমত তুলে ধরেন।

    মন্ত্রী মোশাররফও তাদের বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেন, “যখন বহদ্দারহাট, কদমতলী ও মুরাদপুর ফ্লাইওভার হচ্ছে তখন আমি মন্ত্রী থাকলে হয়তো অনুৎসাহিত করতাম। করলেও আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করতাম।

    “কিছু ফি দিলেই চুয়েট-বুয়েট সমীক্ষা প্রতিবেদন দেয়। বহদ্দারহাট ও কদমতলী ফ্লাইওভারে তেমন গাড়ি ওঠে না। গাড়ি না উঠলে তো এক পর্যায়ে বিশ্বের অন্য দেশের মত ফ্লাইওভার ভেঙে ফেলতে হবে।”

    প্রতিক্রিয়ায় সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আফসারুল আমীন বলেন, “মন্ত্রী না থাকলেও তখন আপনি এমপি ছিলেন। এর দায় দায়িত্ব আপনাকে নিতে হয়।”

    এসময় মন্ত্রী জবাব দেওয়ার চেষ্টা করলেও বক্তব্য চালিয়ে যান সাংসদ।
    এরপর আফসারুল আমীন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেছেন। পাবলিকলি এসব কথা (ফ্লাইওভারের বিরুদ্ধে) বলা উচিত না। ”

    ‘পূর্তমন্ত্রীর আগ্রহে গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আপনার (মন্ত্রী) আগ্রহে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সুভাষ বড়ুয়াকে দিয়ে আপনি এ পেপার (প্রবন্ধ) উপস্থাপন করেছেন।”

    পাশে বসে থাকা মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন সাংসদকে উদ্দেশ করে বলতে থাকেন: “আপনাকেও তো ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়েছে।”

    সঙ্গে সঙ্গে সাংসদ উত্তেজিত হয়ে চেয়ার থেকে উঠে মন্ত্রীর দিকে তেড়ে যান। এ অবস্থায় সাংসদকে শান্ত করতে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির ও চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমকে তার হাত চেপে ধরতে দেখা যায়।

    মন্ত্রী-সাংসদের বিতণ্ডায় পুরো মিলনায়তনে হৈ চৈ শুরু হলে এক পর্যায়ে তা দুই পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে হাতাহাতিতে রূপান্তরিত হয়।

    পরে মোশাররফ হোসেন ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে মিলনায়তন ছেড়ে চলে যেতে চাইলেও আফসারুলের অনুসারীদের বাধার ‍মুখে তিনি বের হতে পারেননি।

    এসময় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আফসারুল আমীনের অনুসারীদের স্লোগান দিতেও দেখা যায়।

  • ঢাকা মহানগর আ’লীগকে দুই ভাগ করে কমিটি ঘোষণা

    ঢাকা মহানগর আ’লীগকে দুই ভাগ করে কমিটি ঘোষণা

    এবিএনএ : নতুন কমিটি পেল ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। ঢাকাকে দুই ভাগ করে রোববার নগরের উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এছাড়াও নগরীর প্রতিটি থানা এবং ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।

    দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল ১১টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

    ঘোষিত নগর কমিটির নেতারা হলেন- ঢাকা উত্তরে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহকে সভাপতি, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাদেক খানকে সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা দক্ষিণে বর্তমান লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতকে সভাপতি ও নগরের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়েছে।

    এর মাধ্যমে প্রায় ১৩ বছর পর শাসক দল আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ এ শাখাটির দুই ভাগে নতুন নেতা পেল।
    এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, প্রায় সাড়ে নয় বছর পর ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এর পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছাড়াই পার হয়েছে এক মেয়াদেরও বেশি সময়।

    এর আগে ২০০৩ সালের ১৮ জুনের সম্মেলনে ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত মোহাম্মদ হানিফকে সভাপতি ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

    মোহাম্মদ হানিফের মৃত্যুর পর ওমর আলী ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেলেও ১/১১’র প্রেক্ষাপটে এমএ আজিজ ভারপাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব পান। গত ২৩ জানুয়ারি এমএ আজিজের মৃত্যুর পরে সভাপতি পদটি শূন্য হয়ে যায়।

    ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরপরই সংগঠনকে গতিশীল করতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগকে দুই ভাগে বিভক্ত করার উদ্যোগ নেয়।

    ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরে উত্তরে কর্নেল (অব.) ফারুক খান এবং দক্ষিণে ড. আব্দুর রাজ্জাককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল নগরের কমিটি সমন্বয় করতে।

    দলের কেন্দ্রীয় কমিটির এই দুই সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দল সমর্থিত দুই প্রাথীর নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছিলেন। দায়িত্ব নিয়ে তারা দুই ভাগে নগরের উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি এবং নগরের থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটির খসড়া তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেন গত সেপ্টেম্বরে।

  • ‘অপরাধীদের সংশোধনের চেষ্টা করা হবে’

    ‘অপরাধীদের সংশোধনের চেষ্টা করা হবে’

    এবিএনএ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা জানি যাদের বন্দি করা হয়, তারা অপরাধী। তবে তাদের অপরাধ থেকে সরিয়ে আনতে হবে। অপরাধ প্রবণতা থেকে কিভাবে সরিয়ে আনা যায় তা চিন্তা করতে হবে। প্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে তার সঙ্গে অপরাধেরও ভিন্নতা পাচ্ছে। কোনো লোক অপরাধ করলে তাকে শাস্তি দিলেই অপরাধ শেষ হয়ে গেল তা নয়। তবে অপরাধীদের কিভাবে সংশোধন করা যায় তা দেখা হবে। তাদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়ার চেষ্টা করা হবে।

    তিনি বলেন, বন্দিদের কাজের বিনিময়ে মজুরি থাকবে। প্রয়োজনে একজন বন্দি যেন তার উপার্জিত মজুরি তার পরিবারকে দিতে পারে সে সুযোগ করে দিতে হবে। তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য তারা তৈরি করে নিতে পারবে।

    রবিবার কেরানীগঞ্জে নবনির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার উদ্বোধন করার পর এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের দিনে জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাই। চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, যাদের কারাগারে হত্যা করা হয়েছিল। ত্রিশ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়েছিলাম তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জীবনের অনেকটা সময় কাটিয়েছিলেন এই কারাগারে। তিনি কেন ছিলেন, মানুষের জন্য, অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। মানুষের কল্যাণে কথা বলেই তিনি কারাগারে ছিলেন। সেই ছয় দফা দেয়ার জন্যই তাকে বন্দি করা হয়েছিল।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মান উন্নত হবে।সেই লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তার ফলে দেশ উন্নত হচ্ছে।

  • কেরানীগঞ্জে নতুন কারাগারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    কেরানীগঞ্জে নতুন কারাগারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ : দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় নবনির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার সকালে ১০টার দিকে নতুন কারাগারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    কারাগারের উদ্বোধন উপলক্ষে কারাগারের ভেতর ও বাইরে করা হয়েছে সাজসজ্জা। কারাগারের সামনের সড়ক নানান রঙের ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে, ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জ’।

    পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে ১৭৮৮ সালে তৈরি হওয়া এই কারাগার শিগগির চলে যাবে ইতিহাসের পাতায়।
    কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজি-প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের সময় বন্দী নারীদের গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কারাগারে নেওয়া হবে। পরে তাঁদের কেরানীগঞ্জে নতুন কারা ভবনে আনা হবে।
    অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে ১৯৪ একরের বেশি জমিতে তৈরি হয়েছে নতুন কারাগার। এর মধ্যে ৩০ একর জমিতে বন্দীদের জন্য ভবনের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এসব ভবনে চার হাজার পুরুষ ও আলাদা ভবনে ২০০ নারী বন্দীর ধারণক্ষমতা রয়েছে। তবে আট হাজারের মতো বন্দী থাকতে পারবেন। বর্তমান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৮২৬ জন, আছেন ৭ হাজার ৩০০ জন। এই কারাগারে ১৬০ জন নারী বন্দী আছেন।

    বুড়িগঙ্গা প্রথম সেতু থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-মাওয়া সড়কের বাঁ পাশে রাজেন্দ্রপুরে নতুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অবস্থান। প্রায় ২৫ ফুট উচ্চতায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের চারদিকে সীমানাপ্রাচীর গড়ে তোলা হয়েছে। ভেতরে আটটি ছয়তলা ভবনের কাজ শেষ হয়েছে। প্রতিটি ভবন অন্তত ছয় ফুট উচ্চতার পৃথক সীমানাদেয়ালে ঘেরা। সেগুলোতে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। পাশে আরও দুই ও চারতলা ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। প্রতিটি ভবনের মেঝেতে ছয়টি করে বড় বড় কক্ষ রয়েছে।

    সীমানাপ্রাচীরের বিভিন্ন স্থানে ৪০ ফুট উঁচু চারটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার রয়েছে। কারা কর্মকর্তারা বলছেন, ওই টাওয়ার থেকে পুরো কারাগারের চিত্র দেখা যাবে। কারাগারের প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, আটটি ছয়তলা ভবনের মাঝে বিশাল মাঠ। এই মাঠের মাঝে বন্দীদের জিজ্ঞাসাবাদের ছোট্ট একটি ঘর।

    নির্মাণ সরদার ও কারাগারের নিরাপত্তাকর্মী বিশাল হোসেন বলেন, দুর্ধর্ষ জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের রাখার জন্য চারটি চারতলা কারা ভবন (ডেঞ্জার সেল) নির্মাণের কাজ চলছে। ডেঞ্জার সেলের তিন নম্বর ভবনের সীমানাপ্রাচীরের ভেতরে টিনশেডের একতলা ফাঁসির মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এর দক্ষিণে ওয়ার্কশপ, লন্ড্রি, সেলুন, গুদাম ও গম থেকে আটা তৈরির কারখানা তৈরি করা হয়েছে।

  • নিজামী ও কাসেমের মৃত্যুদণ্ড বন্ধে জাতিসংঘের আহ্বান

    নিজামী ও কাসেমের মৃত্যুদণ্ড বন্ধে জাতিসংঘের আহ্বান

    এবিএনএ : মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী ও দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকারসংক্রান্ত জাতিসংঘ হাইকমিশন। শুক্রবার জেনেভা থেকে দ্ওয়া এক বিবৃতিতে হাইকমিশনের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিবৃতির বিষয়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের ছবি দিয়ে সংস্থাটির ফেসবুক পেইজ থেকেও পোস্ট দেওয়া হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশিরা তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন সংস্থাটির বিরুদ্ধে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, বিচারের মান যতই কঠোর হোক না কেন, জাতিসংঘ যেকোনো পরিস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে। কিন্তু দুঃখজনক বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সুষ্ঠু বিচারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও নাগরিক এবং রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক সনদের (আইসিসিপিআর) শর্ত পূরণ করেনি। বিবৃতিতে, আইসিসিপিআরের আওতায় বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারকে শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। উল্লেখ্য, রবিবার মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডবিষয়ক রিভিউ পিটিশনের শুনানি হওয়ার কথা।

    উল্লেখ্য,এই বিষয়ে সংস্থাটির ফেসবুক পেইজ থেকেও পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন বাংলাদেশিরা। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ওয়াসীমুল হক সেই পোস্টে ইংরেজিতে দেওয়া মন্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে আক্ষরিক অর্থে শত শত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে ফাঁসির অপেক্ষায় আছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে আমি জানতে আগ্রহী যে জাতিসংঘ শুধু এই দুজনের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে কেন উদ্বিগ্ন? কেন অন্য ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তারা কথা বলছে না? তাহলে কী আমরা ধরে নেব ওই ব্যক্তিরা জাতিসংঘের চোখে মানুষ নয় (অথবা ধনী)? ব্লগার আরিফ জেবতিক বেশ কয়েকটি কমেন্ট করেছেন পোস্টটিতে। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেইজকে কৌতুকের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, জাতিসংঘ কী ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য ক্ষমা চাইবে যাদেরকে এমনকি আপিল করার সুযোগও দেওয়া হয়নি? জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থন করাটা দুঃখজনক।

    বাংলাদেশ পুলিশের সিনিয়র এএসপি মাসরুফ হোসেন তার মন্তব্যে লিখেন, কিভাবে বুঝবেন যে আপনি সঠিক যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছেন? যখন জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের মতো পেইড এজেন্টরা তাদের হয়ে চিৎকার করে। অথচ তারা সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র যখন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে তখন কিছুই বলে না।