Category: ধর্ম

  • শিশুকে রোজার মানে কীভাবে বোঝাবেন? সহজ ভাষায় বললেই খুলে যাবে রমজানের রহস্য

    শিশুকে রোজার মানে কীভাবে বোঝাবেন? সহজ ভাষায় বললেই খুলে যাবে রমজানের রহস্য

    এবিএনএ: রমজান এলেই শিশুদের কৌতূহল বাড়ে। বিশেষ করে যে বয়সে তারা প্রথম রোজা রাখা শুরু করে, তখন সবচেয়ে বেশি শোনা যায়—আমরা কেন রোজা রাখি? অভিভাবকদের উচিত এই প্রশ্নের জবাব ভয় বা কঠোরতা দিয়ে নয়, বরং সহজ ভাষা ও ভালোবাসা দিয়ে দেওয়া।

    শিশুকে শুরুতেই বোঝানো যেতে পারে, আল্লাহকে খুশি করাই আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য। রমজানের রোজা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি সুন্দর পথ। কয়েক ঘণ্টা না খেয়ে থাকা কষ্টকর মনে হলেও এটি আসলে আল্লাহর জন্য ছোট্ট ত্যাগ—আর এই ত্যাগেই রয়েছে বড় পুরস্কার।

    আল্লাহর নির্দেশ মানাই রোজার প্রথম শিক্ষা

    রোজার মূল ও সহজ ব্যাখ্যা হলো—আল্লাহ আমাদের রোজা রাখতে বলেছেন। পবিত্র কোরআনে কোরআন স্পষ্টভাবে রোজার কথা এসেছে। সূরা আল-বাকারা-এর ১৮৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, রোজা ফরজ করা হয়েছে যাতে মানুষ তাকওয়া অর্জন করতে পারে। আবার ১৮৫ নম্বর আয়াতে রমজানের মাহাত্ম্য তুলে ধরা হয়েছে। শিশুদের এভাবে বোঝালে তারা বুঝতে পারে—রোজা কোনো চাপ নয়, বরং আল্লাহর নির্দেশ পালনের আনন্দ।

    দরিদ্রদের কষ্ট বোঝা—মূল উদ্দেশ্য নয়

    অনেকে বলেন, রোজা রাখলে দরিদ্র মানুষের কষ্ট বোঝা যায়। শিশুদের কাছে এটি বোঝানো সহজ হলেও এটিই রোজার প্রধান উদ্দেশ্য নয়। কয়েক ঘণ্টা না খেয়ে থাকা দিয়ে ক্ষুধার্ত মানুষের বাস্তব কষ্ট পুরোপুরি বোঝা যায় না। বরং রমজানে দান-খয়রাতে উৎসাহ দেওয়া হয়, সহমর্মিতা শেখানো হয়—এগুলো রোজার শিক্ষার অংশ।

    তাকওয়া অর্জনই রোজার আসল লক্ষ্য

    সহিহ বুখারি-তে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, ঈমান ও আল্লাহর প্রতিদানের আশায় যে ব্যক্তি রোজা রাখে, তার আগের গুনাহ মাফ হয়ে যায়। রমজানে শয়তানের প্রভাব কমে যায় বলে ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়। তাই শিশুদের বোঝাতে হবে—রোজার লক্ষ্য কেবল না খাওয়া নয়; নিজের মন-চিন্তা ঠিক করা, ভালো কাজ বাড়ানো এবং আল্লাহর কাছে আরও কাছাকাছি যাওয়া।

    শেষ কথা—শিশুর প্রশ্ন যতই কঠিন হোক, উত্তর দেওয়া জরুরি। ধৈর্য ধরে বোঝাতে পারলে রোজা তাদের কাছে শুধু নিয়ম নয়, বরং ভালোবাসা, বিশ্বাস আর আল্লাহকে খুশি করার আনন্দের অংশ হয়ে উঠবে।

  • রমজানে খুলনায় কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের পূর্ণ সময়সূচি

    রমজানে খুলনায় কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের পূর্ণ সময়সূচি

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসে সঠিক সময়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণ রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন।

    ভোররাতে সাহরি খাওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিনের রোজা শুরু হয় এবং সন্ধ্যায় ইফতারের মাধ্যমে তা সম্পন্ন হয়। সারাদিন রোজাদাররা আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে খাদ্য ও অন্যান্য ভোগ্য বিষয় থেকে বিরত থাকেন। হাদিসে রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয়েছে—রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধির চেয়েও উত্তম (বুখারি, মুসলিম ও তিরমিজি)।

    রমজান ২০২৬ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা বিভাগের জন্য পৃথক সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। এতে খুলনাসহ বিভাগের সব জেলার জন্য নির্ধারিত সময় উল্লেখ রয়েছে, যা অনুসরণ করে রোজাদাররা নির্ভুলভাবে ইবাদত পালন করতে পারবেন।

    📍 খুলনা বিভাগের জেলার সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি (২০২৬):

    • খুলনা জেলা: Khulna Sehri Iftar Time 2026

    • সাতক্ষীরা: Satkhira Sehri Iftar Time 2026

    • যশোর: Jashore Sehri Iftar Time 2026

    • মেহেরপুর: Meherpur Sehri Iftar Time 2026

    • মাগুরা: Magura Sehri Iftar Time 2026

    • বাগেরহাট: Bagerhat Sehri Iftar Time 2026

    • নড়াইল: Narail Sehri Iftar Time 2026

    • ঝিনাইদহ: Jhenaidah Sehri Iftar Time 2026

    • চুয়াডাঙ্গা: Chuadanga Sehri Iftar Time 2026

    • কুষ্টিয়া: Kushtia Sehri Iftar Time 2026

    সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • রমজানে চট্টগ্রামে কখন সাহরি ও ইফতার? ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ২০২৬ সালের চূড়ান্ত সময়সূচি

    রমজানে চট্টগ্রামে কখন সাহরি ও ইফতার? ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ২০২৬ সালের চূড়ান্ত সময়সূচি

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য ২০২৬ সালের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজান শুরু হতে পারে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি।

    এ বছর সাহরি ও ফজরের সময় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। আগের মতো সতর্কতামূলক তিন মিনিট যোগ বা বিয়োগ না রেখে, সাহরির শেষ সময়কেই সরাসরি ফজরের ওয়াক্ত শুরুর সময় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। হাদিসে সতর্কতামূলক সময়ের উল্লেখ না থাকায় বায়তুল মোকাররমের খতিব ও দেশের শীর্ষস্থানীয় মুফতিদের পরামর্শে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ২০২৬ সালে ঢাকাসহ দেশের সব ৬৪ জেলার জন্য পৃথক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে এবার আর কোনো জেলার রোজাদারকে ঢাকার সময়ের সঙ্গে সময় যোগ বা বিয়োগ করে হিসাব করতে হবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত নিজ নিজ জেলার সময়সূচি অনুসরণ করলেই যথাযথভাবে সাহরি ও ইফতার করা যাবে।

    প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, চট্টগ্রামে প্রথম রমজানে সাহরির শেষ সময় ভোর ৫টা ১০ মিনিট এবং ইফতার হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে। সাহরির শেষ সময় মূলত ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরুর সময় হিসেবেই ধরা হয়েছে।

    জেলার ভৌগোলিক বিস্তৃতি বিবেচনায় রেখে সময় নির্ধারণে ভারসাম্য আনা হয়েছে। সাহরির সময় জেলার পূর্ব প্রান্ত এবং ইফতারের সময় জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময়কে ভিত্তি ধরা হয়েছে, যাতে পুরো জেলার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য সময়সূচি কার্যকর থাকে।

    📍 চট্টগ্রাম বিভাগের জেলার সময়সূচি (২০২৬):

    • চট্টগ্রাম জেলা: Chattogram Sehri Iftar Time 2026

    • লক্ষ্মীপুর: Lakshmipur Sehri Iftar Time 2026

    • রাঙামাটি: Rangamati Sehri Iftar Time 2026

    • ব্রাহ্মণবাড়িয়া: Brahmanbaria Sehri Iftar Time 2026

    • বান্দরবান: Bandarban Sehri Iftar Time 2026

    • ফেনী: Feni Sehri Iftar Time 2026

    • নোয়াখালী: Noakhali Sehri Iftar Time 2026

    • চাঁদপুর: Chandpur Sehri Iftar Time 2026

    • খাগড়াছড়ি: Khagrachari Sehri Iftar Time 2026

    • কুমিল্লা: Comilla Sehri Iftar Time 2026

    • কক্সবাজার: Cox’s Bazar Sehri Iftar Time 2026

    সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • রমজানে বরিশালে কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ সময়সূচি

    রমজানে বরিশালে কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ সময়সূচি

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসে সঠিক সময়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণ রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই সময়সূচি মেনে চলার মাধ্যমেই একজন মুসলমান সুশৃঙ্খলভাবে রোজা পালন করতে পারেন। সে লক্ষ্যেই বরিশাল বিভাগের জন্য ২০২৬ সালের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

    রমজান এলেই বরিশাল বিভাগে ধর্মীয় আবহ নতুন রূপ ধারণ করে। মসজিদে মসজিদে ইবাদতের ব্যস্ততা বাড়ে, আর ইফতারের আগমুহূর্তে বাজারগুলো হয়ে ওঠে প্রাণচঞ্চল। ঐতিহ্যবাহী ইফতার সামগ্রী নিয়ে মানুষের মধ্যে এক বিশেষ আনন্দ ও সামাজিক বন্ধন লক্ষ্য করা যায়।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগের প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা সাহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী প্রযোজ্য।

    📍 জেলার সময়সূচি (২০২৬):

    • বরিশাল জেলা: Barishal Sehri Iftar Time 2026

    • ভোলা জেলা: Bhola Sehri Iftar Time 2026

    • বরগুনা জেলা: Barguna Sehri Iftar Time 2026

    • পিরোজপুর জেলা: Pirojpur Sehri Iftar Time 2026

    • পটুয়াখালী জেলা: Patuakhali Sehri Iftar Time 2026

    • ঝালকাঠি জেলা: Jhalokathi Sehri Iftar Time 2026

    রোজাদারদের সুবিধার্থে প্রতিদিনের সাহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময় অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

    সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • রমজান ২০২৬: ময়মনসিংহ বিভাগে সাহরি ও ইফতারের নির্ভুল সময়সূচি প্রকাশ

    রমজান ২০২৬: ময়মনসিংহ বিভাগে সাহরি ও ইফতারের নির্ভুল সময়সূচি প্রকাশ

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ইবাদতের অনন্য সময়। দেশের অন্যান্য বিভাগের মতো ময়মনসিংহ বিভাগের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরাও এই মাসে নিয়মিত রোজা পালনের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করেন।

    রমজান মাসে রোজা শুদ্ধভাবে পালনের জন্য নির্ধারিত সময়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ২০২৬ সালের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের ভিন্নতার কারণে প্রতিদিন সাহরি ও ইফতারের সময় ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হবে। তাই রোজাদারদের নিজ নিজ জেলার নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা ভিত্তিক সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি

    ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে—

    • ময়মনসিংহ জেলা

    • শেরপুর জেলা

    • নেত্রকোনা জেলা

    • জামালপুর জেলা

    প্রতিটি জেলার ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সাহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সময়ের যথার্থতা বজায় থাকে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, তাদের প্রকাশিত সময়সূচিই রোজাদারদের জন্য চূড়ান্ত ও অনুসরণযোগ্য।

    সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

  • রমজান ২০২৬: রাজশাহী বিভাগে সাহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ

    রমজান ২০২৬: রাজশাহী বিভাগে সাহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। এ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অশ্লীলতা ও অন্যায় কাজ থেকেও নিজেকে সংযত রাখার নির্দেশ রয়েছে ইসলামে।

    ভোররাতে সাহরি খাওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিনের রোজা শুরু হয় এবং সূর্যাস্তের পর ইফতারের মাধ্যমে তা সম্পন্ন হয়। সারাদিন আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আত্মসংযমের যে আমল, তার প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন—এমনটিই ইসলামের শিক্ষা।

    রমজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধির চেয়েও অধিক প্রিয়।
    (বুখারি: ১৯০৪, মুসলিম: ১১৫১, তিরমিজি: ৭৬৪)

    রাজশাহী বিভাগের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

    রমজান ২০২৬ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ রাজশাহী বিভাগের জন্য সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের ভিন্নতার কারণে প্রতিদিন সাহরি ও ইফতারের সময় সামান্য পরিবর্তিত হবে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, রোজা পালনের ক্ষেত্রে সঠিক সময় অনুসরণের জন্য নিজ জেলার নির্ধারিত সময়সূচিই অনুসরণ করা উচিত। এ বছর প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

    রাজশাহী বিভাগের জেলা ভিত্তিক সময়সূচি

    রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাগুলোর জন্য আলাদা সাহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে—

    • রাজশাহী জেলা

    • সিরাজগঞ্জ জেলা

     

    • বগুড়া জেলা

    • পাবনা জেলা

    • নাটোর জেলা

    • নওগাঁ জেলা

    • জয়পুরহাট জেলা

    • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা

    প্রতিটি জেলার ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সময় নির্ধারণ করা হওয়ায় সময়ের ভারসাম্য বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

    সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

  • রমজান ২০২৬: রংপুর বিভাগে সাহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময়সূচি জেনে নিন

    রমজান ২০২৬: রংপুর বিভাগে সাহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময়সূচি জেনে নিন

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ২০২৬ সালের জন্য রংপুর বিভাগের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, রংপুর বিভাগে প্রথম রোজার দিন সাহরির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৫টা ১৬ মিনিটে এবং ইফতার করা যাবে সন্ধ্যা ৬টা ০০ মিনিটে। পরবর্তী দিনগুলোতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের পার্থক্যের কারণে সাহরি ও ইফতারের সময় ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হবে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, সঠিক সময়ে সাহরি ও ইফতার পালনের জন্য রোজাদারদের অবশ্যই নিজ নিজ জেলার নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা উচিত। এ বছর প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা সূচি প্রকাশ করায় সময় যোগ বা বিয়োগ করার প্রয়োজন নেই।

    রংপুর বিভাগের জেলা ভিত্তিক সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রংপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাগুলোর জন্য আলাদা আলাদা সময়সূচি কার্যকর হবে—

    • রংপুর জেলা

    • লালমনিরহাট জেলা

    • পঞ্চগড় জেলা

    • নীলফামারী জেলা

    • দিনাজপুর জেলা

    • ঠাকুরগাঁও জেলা

    • গাইবান্ধা জেলা

    • কুড়িগ্রাম জেলা

    প্রতিটি জেলার সাহরি ও ইফতারের সময় স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সময়ের ভারসাম্য বজায় থাকে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানিয়েছে, তাদের প্রকাশিত সময়সূচিই রোজাদারদের জন্য চূড়ান্ত ও অনুসরণযোগ্য। তাই রমজান মাসজুড়ে সাহরি ও ইফতারের সময় জানতে নির্ভরযোগ্য এই সূচি অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • রমজান ২০২৬: সিলেট বিভাগে সাহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ

    রমজান ২০২৬: সিলেট বিভাগে সাহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে ২০২৬ সালের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজান শুরু হতে পারে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে।

    এবার সাহরি ও ফজরের সময় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্ববর্তী বছরগুলোতে সুবহে সাদিকের আগে ও পরে সতর্কতামূলক সময় যোগ করা হলেও, এবার সেই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাহরির শেষ সময়ই ফজরের ওয়াক্ত শুরুর সময় হিসেবে ধরা হয়েছে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব ও দেশের শীর্ষস্থানীয় মুফতিদের পরামর্শক্রমে এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

    এ বছর প্রথমবারের মতো ঢাকা ছাড়াও দেশের সব ৬৪ জেলার জন্য আলাদা আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে ঢাকার সময়ের সঙ্গে তুলনা করে সময় যোগ-বিয়োগ করার প্রয়োজন হবে না। প্রত্যেক জেলার রোজাদাররা নিজ জেলার নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করেই সাহরি ও ইফতার করতে পারবেন।

    সিলেট বিভাগে প্রথম রোজার সময়সূচি

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, সিলেটে প্রথম রোজা (১৯ ফেব্রুয়ারি) সাহরির শেষ সময় হবে ভোর ৫টা ৪ মিনিট, আর ইফতার করা যাবে সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটে

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন আরও জানিয়েছে, সাহরির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে জেলার পূর্ব প্রান্তের সময় অনুযায়ী এবং ফজরের আজান ও ইফতারের সময় ধরা হয়েছে জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময় অনুসারে—যাতে পুরো জেলার সময়ের ভারসাম্য বজায় থাকে।

    সিলেট বিভাগের অন্যান্য জেলার সময়সূচি

    • মৌলভীবাজার জেলা: আলাদা সময়সূচি প্রকাশিত

    • হবিগঞ্জ জেলা: পৃথক সাহরি ও ইফতার সময় নির্ধারিত

    • সুনামগঞ্জ জেলা: নিজস্ব সময়সূচি কার্যকর

     

    প্রতিটি জেলার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত ক্যালেন্ডার অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    রোজার নিয়ত

    আরবি:
    نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

    বাংলা উচ্চারণ:
    নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

    অর্থ:
    হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করলাম। তুমি তা কবুল করো, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

  • রমজানের প্রস্তুতি শুরু: জেনে নিন ঢাকায় প্রথম দিনের সেহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময়

    রমজানের প্রস্তুতি শুরু: জেনে নিন ঢাকায় প্রথম দিনের সেহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময়

    এবিএনএ: চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে আগামী ১৯ অথবা ২০ ফেব্রুয়ারি। সম্ভাব্য শুরু তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ধরে রাজধানী ঢাকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রকাশিত এই সময়সূচি অনুযায়ী, ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজানের জন্য ঢাকার প্রথম দিনের সেহরির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৫টা ১২ মিনিট। একই দিনে ইফতার করা হবে বিকেল ৫টা ৫৮ মিনিটে

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিবের তত্ত্বাবধানে দেশের শীর্ষস্থানীয় মুফতিদের সমন্বয়ে এই সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    ভৌগোলিক অবস্থানের পার্থক্যের কারণে রাজধানীর সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহরি ও ইফতার করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

    এ ছাড়া দেশের অন্যান্য বিভাগ ও জেলার জন্য আলাদা সেহরি-ইফতারের সময়সূচি পর্যায়ক্রমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় থেকে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির দ্বীনি দাওয়াত বিভাগের কর্মকর্তারা।

    রমজানকে সামনে রেখে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই সময়সূচিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • শাবানের চাঁদ দেখা গেল না সৌদিতে, মধ্যপ্রাচ্যে কবে থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাস?

    শাবানের চাঁদ দেখা গেল না সৌদিতে, মধ্যপ্রাচ্যে কবে থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাস?

    এবিএনএ: সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদের দেখা মেলেনি। ফলে রজব মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হচ্ছে এবং আগামী মঙ্গলবার থেকে শাবান মাস শুরু হবে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থাপিত চাঁদ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে নতুন চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হলেও কোথাও তা নিশ্চিত করা যায়নি। নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য না পাওয়ায় সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট ও সংশ্লিষ্ট চাঁদ দেখা কমিটি এই সিদ্ধান্ত নেয়।

    সৌদি প্রেস এজেন্সিসহ দেশটির সরকারি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঘোষণায় জানানো হয়, সোমবার রজব মাসের শেষ দিন হিসেবে গণ্য হবে এবং পরদিন মঙ্গলবার থেকে শাবান মাসের সূচনা হবে।

    ইসলামি বর্ষপঞ্জির অষ্টম মাস শাবান রমজানুল মুবারকের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত। এ মাসে মুসলমানরা বেশি বেশি নফল রোজা, ইবাদত-বন্দেগি ও আত্মশুদ্ধিতে মনোযোগ দেন। হাদিস শরিফে এসেছে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) অন্যান্য মাসের তুলনায় শাবান মাসে অধিক নফল রোজা পালন করতেন।

    সৌদি আরবের চাঁদ দেখার ঘোষণাকে ভিত্তি করে কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ দেশ তাদের হিজরি মাস নির্ধারণ করে থাকে। ফলে এসব দেশেও একই দিনে শাবান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে মাসের সূচনা নির্ধারণ করা হয়। সে কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে একদিনের পার্থক্য দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি নিজস্ব পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে শাবান মাস শুরুর তারিখ ঘোষণা করবে।

    শাবান মাস মুসলমানদের জন্য তওবা, আত্মসমালোচনা এবং পবিত্র রমজানের জন্য মানসিক ও আত্মিক প্রস্তুতির এক বিশেষ সময়।