Category: তথ্য প্রযুক্তি

  • ৯৭ হাজার টাকার হুয়াওয়ে ফোন মাত্র ১১ হাজার টাকায়!

    ৯৭ হাজার টাকার হুয়াওয়ে ফোন মাত্র ১১ হাজার টাকায়!

    এবিএনএ : যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার আরোপ ও গুগলের নেয়া এক সিদ্ধান্তে মুখ থুবড়ে পড়েছে চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হুয়াওয়ের পি৩০ প্রোর জনপ্রিয়তা। অথচ বছরের সেরা হ্যান্ডসেটের তালিকায় ছিল এই ফোন। জানা গেছে, ১১৫০ ডলার (৯৭১৬৬.৯৫ টাকা) এর এই ফোন এখন ১৩০ ডলারে (১০,৯৮৪ টাকা) পাওয়া যাচ্ছে।

    ফোর্বস ম্যাগাজিন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং গুগলের কিছু সেবা হুয়াওয়েতে বন্ধের ঘোষণা আসার পর যুক্তরাজ্যে স্মার্টফোন কেনাবেচার একটি সাইটে এমন দাম চাওয়া হচ্ছে। সে হিসেবে হুয়াওয়ের এই ফ্ল্যাগশিপ ফোনের দাম প্রায় ৯০ শতাংশ পড়ে গেল। ফোনটিতে ২৫৬ জিবি স্টোরেজ এবং ৮জিবি র‌্যাম রয়েছে। স্যামসাং এর গ্যালাক্সি এস ১০+ এর সমান দামা ধরা হয়েছিলো ফোনটির। দুটো ফোন প্রায় একই গুনগত মানের।

    বছরের শুরুতে টেক প্রিয়দের বেশ নজর কেড়েছিল হুয়াওয়ের এই স্মার্টফোনটি। এর দারুণ ডিজাইন ভালো রিভিউ পায়। এ ছাড়া এর দীর্ঘমেয়াদি ব্যাটারি ও লেইকা কোয়াড ক্যামেরার শক্তির বিশেষত্বের জন্য সবাই লুফে নিতে চাইছিল সেটটি। আর এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার আরোপ হয় কোম্পানিটির ওপর। এর পর গুগলের নেয়া এক সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমে বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়তে হয় হুয়াওয়েকে। এদিকে হুয়াওয়ের সঙ্গে সব চুক্তি, সেবা এবং অবশিষ্ট কার্যক্রম স্থগিত করতে কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এআরএম।

    জানা গেছে, এমন পরিস্থিতিতে অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টায় ইতিমধ্যে নিজস্ব অ্যাপ স্টোর তৈরির বিষয়ে কাজ করছে হুয়াওয়ে। এ ছাড়া হুয়াওয়ের আগামীর অপারেটিং সিসটেম, এআরএম চিপ, এসডি-কার্ড এবং ওয়াইফাই লাইসেন্স নিয়েও কথা চলছে। এসব কার্যক্রম নিয়ে আবার বিশ্ববাজারে ফিরে আসার চেষ্টা করছে হুয়াওয়ে এমনটিই জানিয়েছেন টেক গবেষকরা।

  • জাকারবার্গের নিরাপত্তায় খরচ ২ কোটি ২৬ লাখ ডলার

    জাকারবার্গের নিরাপত্তায় খরচ ২ কোটি ২৬ লাখ ডলার

    এবিএনএ: ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ও তার পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে ২০১৮ সালে খরচ হয়েছে দুই কোটি ২৬ লাখ ডলার। আগের বছরের তুলনায় এই অংক দ্বিগুনেরও বেশি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে উদ্ধৃত করে খবরে এ কথা বলেছে লন্ডনের অনলাইন গার্ডিয়ান। এতে বলা হয়, গত তিন বছর ধরে জাকারবার্গ বেতন হিসেবে নিচ্ছেন এক ডলার। তার অন্যান্য খরচের খাতে রয়েছে দুই কোটি ২৬ লাখ ডলার। এর বেশির ভাগই তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় খরচ হয়। তার ও পরিবারের শুধু নিরাপত্তা খাতে খরচ হয়েছে প্রায় দুই কোটি ডলার। আগের বছর এই অংক ছিল ৯০ লাখ ডলার। ব্যক্তিগত বিমান ব্যবহারের জন্য তিনি পেয়ে থাকেন ২৬ লাখ ডলার। অন্যদিকে ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গ ২০১৮ সালে ঘরে তুলেছেন দুই কোটি ৩৭ লাখ ডলার। আগের বছর তার এই অংক ছিল দুই কোটি ৫২ লাখ ডলার।

  • ডব্লিউএসআইএসে একটি উইনারসহ ৯ পুরস্কার বাংলাদেশের

    ডব্লিউএসআইএসে একটি উইনারসহ ৯ পুরস্কার বাংলাদেশের

    এবিএনএ: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক ‘ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার-২০১৯’ এর একটি উইনার এবং আটটি চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবদান রাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এটি আইসিটি ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি  বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এর ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার এবং ই- গভর্ন্যান্স  ইন্টারঅপারেবিলিটি ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রকল্প এই উইনার পুরস্কার পায়। ডব্লিউএসআইস অ্যাকশন লাইন ক্যাটাগরি- ৬ এর এনাব্লিং এনভায়রনমেন্ট ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ডব্লিউএসআইএস এর অ্যাওয়ার্ অনুষ্ঠানে ডব্লিউএসআইএস এর কো-চেয়ারম্যান,  আইটিইউ এর মহাসচিব হাউলিন ঝাউ এর কাছ থেকে উইনার পুরস্কার গ্রহণ করেন এবারের ডব্লিউএসআইএস ফোরামের চেয়ারম্যান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলমসহ ডব্লিউএসআইএস-এ যোগদানকারী বাংলাদেশের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের বহুমাত্রিক অংশিদারদের প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে  দ্যা ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্যা ইনফরমেশন সোসাইটি বা ডব্লিউএসআইএস।এবার ডব্লিউএসআইএস পুরস্কারের জন্য সারা বিশ্ব হতে ১১৪০ টি আবেদন পড়ে। এতে প্রথম ধাপেই বাদ হয়ে যায় অনেক দেশ। বাছাইয়ে টেকে ১০৬২টি আবেদন। এরপর দ্বিতীয় বাছাই-মূল্যায়নে থাকে ৪৯২টি প্রকল্প। এবার সারা বিশ্বের ভোটাভুটির জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া হয় প্রকল্পগুলো। সেখানে ২০ লাখ ভোটে তালিকায় আসে ৯০ টি প্রকল্প। এরমধ্যে ৭২ টি প্রকল্প চ্যাম্পিয়ন হয়। যেখানে বাংলাদেশ পায় ৮টি। আর ১৮ টি প্রকল্প হয় উইনার, এর মধ্যে বাংলাদেশ পায় একটি। চ্যাম্পিয়ন পুরস্কারগুলোর মধ্যে রয়েছে, ক্যাটাগরি ২- ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচারে রয়েছে সরকারের  ডেভেলপমেন্ট অব আইসিটি ইনফ্রা-নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট বা ইনফো সরকার প্রকল্প।

    ক্যাটাগরি ৯- ই-লার্নিংয়ে রয়েছে সরকারের শিক্ষক বাতায়ন প্রকল্প। ক্যাটাগরি ১২- ই-এনভায়রনমেন্টে রয়েছে ই-ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড রিসাইলেন্স থ্রো কমিউনিটি রেডিও অ্যাট কোস্টাল এরিয়া অব দ্যা বে অফ বেঙ্গল বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) এর প্রকল্প ক্যাটাগরিতে ১৩-ই-  এগ্রিকালচারে রযেছে ডিও ডেটা টু কন্ট্রোল লেট ব্লাইট ফাংজাই ডিজিস ইন পটেটো ইন বাংলাদেশ। এটি এমপাওয়ার সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি উদ্যোগ। কাটাগরি ১৫-এ রয়েছে আইটি ফর দ্যা ডিফারেন্টলি অ্যাবল প্রজেক্ট। এটি ব্রিজ ফাউন্ডেশনের।  ক্যাটাগরি-১৬ মিডিয়া বিভাগে পেয়েছে অ্যাওয়ারনেস অন ই রাইট টু ইনফরমেশন (ই-আরটিআই) থ্রো কমিউনিটি রেডিও। এটি বাংলাদেশ এনজিও নেটওয়ার্ ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) এর প্রকল্প।

    ক্যাটাগরি-১৭ তে পেয়েছে এটুআই এর মোবাইল বেইজড এজ ভেরিফিকেশন বিফোর ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন টু স্টপ চাইল্ড ম্যারিজ।আর উইনার পুরস্কার পাওয়া ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার এবং ই- গভর্ন্যান্স  ইন্টারঅপারেবিলিটি ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রকল্পও চ্যাম্পিয়ন পুরস্কারের তালিকায়ও রয়েছে। ডব্লিউএসআইএস ফোরাম যৌথভাবে আয়োজন করে থাকে আইটিইউ, ইউনেস্কো, ইউএনডিপি এবং ইউএনসিটিএডি। এই ফোরাম বিশ্বের সবচেয়ে বড় তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উন্নয়নকেন্দ্রিক কমিউনিটির সম্মিলন। এর মধ্যে দশম বর্ষপূর্তি উদযাপনের মধ্য দিয়ে এবারে এই ফোরাম হচ্ছে। তাই একে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলা হচ্ছে। ফোরামের এবারের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’।

  • পৃথিবীতে জ্ঞানের সবচেয়ে বড় উৎস ইন্টারনেট: মোস্তাফা জব্বার

    পৃথিবীতে জ্ঞানের সবচেয়ে বড় উৎস ইন্টারনেট: মোস্তাফা জব্বার

    এবিএনএ: দুই সপ্তাহে ইন্টারনেট থেকে ২০ হাজার খারাপ সাইট সরানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেছেন, এমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে আগামী ৬ মাস পর ইচ্ছে করলেও আর ‘খারাপ সাইটে’ ঢোকা যাবে না। সোমবার নগরের নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ই-লার্নিং মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রযুক্তিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পাঠ্যপুস্তকে তোমরা যে শিক্ষা পাও, তা পরীক্ষায় পাসের জন্য কাজে লাগে। কিন্তু পৃথিবী এখন শুধু পাঠ্যপুস্তক নির্ভর নয়। পাঠ্যপুস্তকের বাইরের জ্ঞান অর্জন না করলে, আজকের দুনিয়ায় চলা যাবে না। তোমাদের যদি আমরা জ্ঞান দিতে চাই, তাহলে তোমাদের হাতে জ্ঞানের উৎস দিতে হবে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় জ্ঞানের উৎসের নাম হচ্ছে ইন্টারনেট।

    তিনি বলেন, ‘অভিভাবকদের বলছি, আপনারা ছেলে-মেয়েদের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দিন। জ্ঞানের উৎসে তালা মেরে জ্ঞানী হওয়া যায় না। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না দিলে জ্ঞানের বড় উৎস থেকেই বঞ্চিত হবে আমাদের সন্তানরা। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের। ইন্টারনেটকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব আমার।’ মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিনামূল্যের বই বিতরণ করার সময় বলেছিলেন, ”আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন আমার দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী ল্যাপটপ হাতে নিয়ে স্কুলে যাবে।” প্রধানমন্ত্রীর কথা আমি বিশ্বাস করি। আমার দেশে যে ৪ কোটি শিক্ষার্থী আছে, তাদের হাতে যেভাবেই হোক একটা করে ডিজিটাল ডিভাইস আমরা দেবোই।

    তিনি বলেন, দেশের ৭১০টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। ৫ হাজার ল্যাব তৈরির কাজ চলছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে আরও ২৫ হাজার ল্যাব স্থাপন করা হবে। আমাদের দেশে এমন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকবে না, যেখানে কম্পিউটার ল্যাব হবে না। এমন কোনো ক্লাসরুম থাকবে না, যেখানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম হবে না। এমন কোনো শিক্ষার্থী থাকবে না, যে ল্যাবে পড়াশোনা করবে না।

    প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের ৬৪০টি স্কুলে ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত জ্ঞান পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেটের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যাতে পড়াশুনা শেষ করে বেকার না থাকে। কিছু একটা করতে পারে। তিনি বলেন, প্রযুক্তি এখন দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। কদিন পর এমন অবস্থা হবে, আমরা গাড়ি দেখবো, কিন্তু সেখানে চালক থাকবে না। হাঁটতে গিয়ে নিজের সঙ্গে লাগা ব্যক্তিটিকে যখন সরি বলতে যাবো, দেখা যাবে সেটি রোবট। এ জন্য শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনে যাতে কোনো সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করবো।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক প্রফেসর প্রদীপ চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সোমবার শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন ও জেলা পর্যায়ে আইটি-হাইটেক পার্ক স্থাপন (১২ জেলা) প্রকল্পে জমি প্রদানকারী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সঙ্গে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম দু-এক বছরে প্রযুক্তিনগরে পরিণত হবে।’

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১০ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। ১০ বছর আগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৫৬ লাখ, এখন ১০ কোটি। শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব হয়েছে ৯ হাজার। আরও হবে ২৫ হাজার ৫০০টি। চসিকের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাকি থাকবে না। তিনি বলেন, ১০ বছরে আইসিটি শিল্পের দ্রুত বিকাশ হয়েছে। এখন আইসিটি খাতে রফতানি আয় ১ বিলিয়ন ডলার। এটি ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে। আইসিটি খাতে ১০ হাজার ৫০০ নারী উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।

  • প্রাইভেসি নিয়ে জাকারবার্গের নতুন পরিকল্পনা

    প্রাইভেসি নিয়ে জাকারবার্গের নতুন পরিকল্পনা

    এবিএনএ: ফেসবুকের মাধ্যমে নিজের তথ্য সারা দুনিয়ার সঙ্গে শেয়ার করার বিষয়টিকে আজকাল আর মোটেও ফ্যাশন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। বরং অচেনা দুনিয়ার সামনে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য উদোম করে দেয়াটিকে আজকাল সেকেলেই ভাবা হচ্ছে। তাই, সেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জায়গা থেকেই ফেসবুকের ‘ফেস রিগকনিশান’ বা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই চেহারা চিনে ফেলার প্রযুক্তির সমালোচনা চলছে।

    স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিটিকে ব্যক্তির মুখ চিনে ফেলার বিষয়টিকে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করছেন ক্যাম্পেইনার বা প্রচারণাকারীরা। তাই সব মিলিয়ে পরিস্থিতির চাপে ফেসবুকের গোপনীয়তার নীতিতে সামনেই বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।সম্প্রতি নিজের একটি ব্লগ পোস্টে এই বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন মার্ক জাকারবার্গ।

    জাকারবার্গের পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি ফেসবুকের আলাপচারিতাকে আরো বেশি ইনক্রিপশান বা গোপনীয়তার নীতিতে আনতে চাচ্ছেন। দুইজন ব্যক্তি যখন ফেসবুকে চ্যাট করবেন বা বার্তা আদান-প্রদান করবেন তখন সেগুলো, ভবিষ্যতে এনক্রিপটেড থাকবে বলে জানিয়েছেন মি. জাকারবার্গ। এই বিষয়টি নিয়ে লন্ডনের কিংস কলেজের মিডিয়া, কমিউনিকেশন এন্ড পাওয়ার বিভাগের ড. মার্টিন মুর বলেছেন, মি. জাকারবার্গ হয়তো চীনের কাছ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। ড. মুর বলছিলেন যে, চীনে উইচ্যাট বলে যোগাযোগের যে অ্যাপটি রয়েছে সেটির ব্যবহার করতে হলে এখন একটি নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হয়। উই চ্যাটের এখন গ্রাহক ৯০০ মিলিয়ন বা ৯০ কোটি।

    বিজ্ঞাপন না নিয়েও যে এই পদ্ধতিতে অর্থ উপার্জন করা যায় সেই বিষয়টিই এখন হয়তো ফেসবুককে আকর্ষণ করছে বলে মনে করছেন ড. মার্টিন মুর। তবে, ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি নিয়ে বিতর্ক চলছে। চেহারায় বা চুলে খুব সামান্য একটুখানি হেরফের আনলেই ফেসবুক রিকগনিশন প্রযুক্তিকে খুব সহজেই ফাঁকি দেয়া যায় বলেও মত তুলে ধরেছেন অনেকে। এই বিষয়ে প্রাইভেসি ইন্টারন্যাশনাল এর ফ্রেডরিক কালটিওনার বলছেন, নিরাপত্তার প্রসঙ্গটি দুই ধরণের প্রশ্নের জন্ম দেয়। এরমধ্যে এই ধরণের প্রযুক্তি ব্যাবহার কতখানি বিশ্বাসযোগ্য সেটি হচ্ছে একটি প্রশ্ন। আর আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে, এই প্রযুক্তির ব্যবহার আদৌ যথার্থ কিনা? এসব প্রশ্নের কারণেই ফেসবুক রিকগনিশন প্রযুক্তি নিয়ে এখন সাধারণের মাঝেও বিতর্ক চলছে।

  • ১২৭৯ পর্নো সাইট বন্ধের নির্দেশ বিটিআরসির

    ১২৭৯ পর্নো সাইট বন্ধের নির্দেশ বিটিআরসির

    এবিএনএ: বন্ধ হচ্ছে আরও ১ হাজার ২৭৯টি পর্নো সাইট।এসব সাইট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে টেলি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।বৃহস্পতিবার সকালে দেশের সবগুলো ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আইআইজি-কে (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) এই নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি। ইতিমধ্যে বিটিআরসির নির্দেশনা মোতাবেক পর্নো সাইট বন্ধ করতে কাজ শুরু করেছে আইআইজিগুলো।

    এর আগে চার দফায় বিটিআরসি প্রায় তিন হাজার পর্নো সাইট (ডোমেইন ও লিংক) বন্ধের নির্দেশ দেয়।আইআইজির সহায়তায় সেগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ হচ্ছে।

  • প্রযুক্তি বিশ্বের ১১ ধনী নারী

    প্রযুক্তি বিশ্বের ১১ ধনী নারী

    বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : বিশ্বের প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর একটি ক্ষুদ্র শতাংশ নারী নেতৃত্বাধীন এবং প্রযুক্তি খাতে নারী নির্বাহীর সংখ্যা তো আরো কম। প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ধনী নারী লরেন পাওয়েল জবস। অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্টিভ জবসের স্ত্রী তিনি। ফোর্বস ম্যাগাজিনের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তিনি বিশ্বের ৫৭তম শীর্ষ ধনী। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৮.৮ বিলিয়ন ডলার। প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ১১ ধনী নারীর তালিকা তৈরি করেছে বিজনেস ইনসাইডার। তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখে ফোর্বসের রিয়েল টাইম র‌্যাংকিং অনুসারে।

    ১১. শেরিল স্যান্ডবার্গ, যুক্তরাষ্ট্র : মোট সম্পদ ১.৬ বিলিয়ন ডলার
    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গ। ফেসবুকের আগে তিনি গুগলের গ্লোবাল অনলাইন সেলস অ্যান্ড অপারেন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শেরিলের অবস্থান ১৩৮০তম। বর্তমান বয়স ৪৯ বছর।

    ১০. জেং ফাংকিন, চীন : মোট সম্পদ ১.৬ বিলিয়ন ডলার
    লিঙ্গি টেকনোলজির চেয়াম্যান জেং ফাংকিন। তাঁর কোম্পানি হুয়াওয়ে এবং অ্যাপলের মতো বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং ল্যাপটপের কম্পোনেন্ট প্রস্তুতকারক। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ফাংকিনের অবস্থান ১৩৮৭তম। বর্তমান বয়স ৫৩ বছর।

    ৯. ওয়াং লাইচুন, চীন : মোট সম্পদ ২ বিলিয়ন ডলার
    লাক্সশায়ার প্রিসিসন কোম্পানির চেয়ারম্যান ওয়াং লাইচুন। তাঁর কোম্পানি অ্যাপল সহ বিভিন্ন শীর্ষ ব্র্যান্ডের পণ্যের ইলেকট্রনিক কানেক্টর প্রস্তুতকারক। ওয়াং এর আগে ফক্সকনে কর্মরত ছিলেন। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ওয়াংয়েল অবস্থান ১১৭২তম। বর্তমান বয়স ৫১ বছর।

    ৮. থাই লি, যুক্তরাষ্ট্র : মোট সম্পদ ২.৩ বিলিয়ন ডলার
    নিউ জার্সি ভিত্তিক প্রযুক্তিপণ্য ও সেবাদাতা কোম্পানি এসএইচআই ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী থাই লি। কোম্পানিটির গ্রাহক সংখ্যা ১৭০০০ হাজারের বেশি, যার মধ্যে এটিঅ্যান্ডটি এবং বোয়িং রয়েছে। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় লির অবস্থান ১০৩০তম। বর্তমান বয়স ৬০ বছর।

    ৭. ল্যাম ওয়াই ইং, হংকং : মোট সম্পদ ২.৩ বিলিয়ন ডলার
    বেইল ক্রিস্টাল কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং অন্যতম স্বত্ত্বাধিকারী ল্যাম ওয়াই ইং। তাঁর কোম্পানি আইফোনের টাচস্ক্রিনসহ অন্যান্য প্রযুক্তি পণ্য যেমন ট্যাবলেট পিসি ও স্মার্টওয়াচের টাচস্ক্রিন প্রস্তুতকারক। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ইংয়ের অবস্থান ১০২০তম।

    ৬. মা ডংমিন (মেলিসা মা), চীন : মোট সম্পদ ২.৭ বিলিয়ন ডলার
    চীনের সার্চ ইঞ্জিন বাইদু’র প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী রবিন লি’র স্ত্রী মা ডংমিন। ২০০৭ সালে তিনি কোম্পানিটি ছেড়ে চলে যান। ২০১৭ সালে চেয়ারম্যানের (স্বামী) স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কোম্পানিতে ফিরে আসেন। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় অবস্থান ৮৪৯তম। বর্তমান বয়স ৪৯ বছর।

    ৫. ঝোউ কুনফি, হংকং : মোট সম্পদ ৩ বিলিয়ন ডলার
    লেন্স টেকনোলজির প্রধান নির্বাহী এবং প্রতিষ্ঠাতা ঝোউ কুনফি। তাঁর কোম্পানি স্যামসাং, এলজি, মাইক্রোসফটের মতো বিখ্যাত ব্র্যান্ডের ডিভাইসের টাচস্ক্রিন প্রটেক্টর প্রস্তুতকারক। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় কুনফির অবস্থান ৭৪১তম। বর্তমান বয়স ৪৯ বছর।

    ৪. মেগ হুইটম্যান, যুক্তরাষ্ট্র : মোট সম্পদ ৩.৪ বিলিয়ন ডলার
    মেগ হুইটম্যান ২০০৮ সাল পর্যন্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইবে’র প্রধান নির্বাহী ছিলেন। তার ১০ বছরের পরিচালনায় ই-কমার্স সাইটটির বার্ষিক আয় কয়েক মিলিয়ন ডলার থেকে ৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। পরবর্তীতে তিনি হিউলেট প্যাকার্ড (এইচপি) এন্টারপ্রাইজের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে শর্ট-ভিডিও স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান কুইবি’র প্রধান নির্বাহী হিসেবে মনোনীত হোন। এছাড়াও হুইটম্যান ইস্পোর্টস ইমমোরটালসের পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় অবস্থান ৬৪৪তম। বর্তমান বয়স ৬২ বছর।

    ৩. জুডি ফকনার, যুক্তরাষ্ট্র : মোট সম্পদ ৩.৬ বিলিয়ন ডলার
    সফটওয়্যার কোম্পানি এপিক সিস্টেমের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী জুডি ফকনার। তাঁর কোম্পানির সফটওয়্যার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটির সফটওয়্যারে লাখ লাখ মার্কিন নাগরিকদের চিকিৎসা তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ফকনারের অবস্থান ৫৯৪তম। বর্তমান বয়স ৭৫ বছর।

    ২. ডাগমার ডলবি, যুক্তরাষ্ট্র : মোট সম্পদ ৪.২ বিলিয়ন ডলার
    সারাউন্ড-সাউন্ড সিস্টেম এবং নয়েজ রেডিউশন কোম্পানি ডলবি ল্যাবরেটরিজের সর্বোচ্চ শেয়ারের মালিক ডাগরমার ডলবি। তার প্রয়াত স্বামীর ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানিটির প্রায় ৩৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক তিনি। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ডলবির অবস্থান ৪৮০তম। বর্তমান বয়স ৭৭ বছর।

    ১. লরেন পাওয়েল জবস, যুক্তরাষ্ট্র : মোট সম্পদ ১৮.৮ বিলিয়ন ডলার
    প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা অ্যাপল এবং অ্যানিমেশন নির্মাতা দ্য ওয়াল্ট ডিজনি’র অংশীদার লরেন পাওয়েল জবস। প্রয়াত স্বামী স্টিভ জবসের উত্তরাধিকারী সূত্রে এই দুটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের অংশীদার তিনি। এছাড়াও ২০০০ সালে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান এমারসন কালেক্টিভ গড়ে তোলেন লরেন। নিজের প্রতিষ্ঠান ছাড়াও যুক্ত আছেন একাধিক ব্যবসায়। ফোর্বসের বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁর অবস্থান ৫৭তম। বর্তমান বয়স ৫৫ বছর।

  • কেন ফেসবুকের চাকরি ছেড়েছিলেন জাকারবার্গের বোন!

    কেন ফেসবুকের চাকরি ছেড়েছিলেন জাকারবার্গের বোন!

    এবিএনএ: ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের কোটি কোটি ভক্ত বিশ্বজুড়ে। এসব মানুষকে নতুন সংযুক্তির আওতায় এনেছেন তিনি। চেনা, অচেনা মানুষে মানুষে সেতুবন্ধন গড়ে দিয়েছে তার ফেসবুক। তার ওই প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তার বোন র‌্যান্ডি জাকারবার্গ। কিন্তু তিনি তা ছেড়ে দিয়েছেন। কেন তিনি ভাইয়ের প্রতিষ্ঠান ফেসবুক ছেড়েছেন! এমন প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। এসব নিয়েই তিনি কথা বলেছেন। র‌্যান্ডি ২০০৪ সালে ফেসবুকে প্রথম যোগ দেন ভাই মার্ক জাকারবার্গের অনুরোধে।  লাইভ স্ট্রিমিং বিভাগে তাকে কাজ দেয়া হয়। র‌্যান্ডি বলেন, এক পর্যায়ে তিনি দেখতে পান সেই কর্মক্ষেত্রে তিনি একা মেয়ে মানুষ। এমনটা দেখে তিনি বিরক্ত হন। ফলে ওই কাজ থেকে বেরিয়ে যান। র‌্যান্ডি বলেছেন, তার বিলিয়নিয়ার ভাই মার্ক জাকারবার্গের সেই ফেসবুক ইনকরপোরেশনের অবস্থা ১০ বছর পরেও কোনো পরিবর্তন হয় নি। যেমন ছিল কর্মপরিবেশ তেমনই আছে। যখন তিনি ফেসবুকের অফিসে নিজেকে একা দেখতে পান তখন তার মধ্যে এক রকম ঘৃণা বাড়তে থাকে। ফলে তিনি কাজ বাদ দিয়ে নিজেই একটি কোম্পানি খুলে বসেন। এটিও সামাজিক যোগাযোগ বিষয়ক। এর নাম র‌্যান্ডি জাকারবার্গ ()। র‌্যান্ডি আরো বলেছেন, তার পিতা চেয়েছিলেন সন্তানরা কলেজে যাওয়া বাদ দিয়ে ম্যাগডোনাল্ডের একটি ব্যবসা পরিচালনা করুক। কিন্তু মার্ক জাকারবার্গ বা র‌্যান্ডি দু’জনেই বেছে নিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তার মধ্যে বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ। র‌্যান্ডি জাকারবার্গের বয়স এখন ৩৬ বছর। তিনি ২০১১ সালে ফেসবুক ছেড়ে প্রতিষ্ঠা করেন নিজের সামাজিক যোগাযোগ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে ক্ষোভ- পুরুষের আধিপত্য রয়েছে দুনিয়ায়। টেক বা প্রযুক্তি দুনিয়ায়ও একই অবস্থা। এখানে নারীদের একপেশে করে রাখা হয়েছে। তার ভাষায়, সিলিকন ভ্যানিতে লিঙ্গ বিষয়ক বা নারীতে-পুরুষে যে জটিলতা তা আমার কাছে সব সময়ই জটিল মনে হয়েছে। ফেসবুকে আমি যা করেছি, সেই কাজকে আমি ভালবেসেছিলাম। কিন্তু সব রুমের ভিতর আমি ছিলাম একমাত্র নারী। এটা আমার কাছে মোটেও ভাল লাগে নি। সেখানে আমি অনেকদিন এভাবে কাজ করেছি। আমার মনে হতো আমি একটি সমস্যা সমাধানের অংশ হতে চাই। একটি সমস্যার অংশ হতে চাই না। তাই আমি সিলিকন ভ্যালির বাইরে পা রাখার সিদ্ধান্ত নিই। বুঝতে শিখি আমরা কোথায় হারিয়ে ফেলছি নারীদের। আমরা কিভাবে যুবতীদের কর্মশক্তিকে হারিয়ে ফেলছি।

    র‌্যান্ডি তার ভাই মার্ক জাকারবার্গ সম্পর্কে বলেন, ফেসবুক হলো তার দর্শন। এটা তার কোম্পানি। এক পর্যায়ে আমিও নিজে একটা কিছু সৃষ্টি করতে চেয়েছি।
    র‌্যান্ডি স্মরণ করতে পারেন ২০০৪ সালে কিভাবে তাকে ফেসবুকে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্ক জাকারবার্গ। ওই সময় ফেসবুক ইনকরপোরেশনে স্টাফ ছিলেন প্রায় ৫০ জন। ওই সময় থেকেই প্রযুক্তি দুনিয়ায় কর্মক্ষেত্রে নারীদের একীভূত করা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। র‌্যান্ডি বলেন, আমি এমন একটি দুনিয়া দেখতে তৎপর ছিলাম যেখানে নারীদের অধিক হারে প্রতিনিধিত্ব থাকবে। আমি বুঝতে পারি না কেন ১৫ বছর পরেও এক্ষেত্রে খুবই সামান্য পরিবর্তন এসেছে।
    র‌্যান্ডি বলেন, আমার পিতা চেয়েছিলেন আমরা কেউই যাতে কলেজে পড়তে না যাই। আমরা যেন ব্যবসা করি। বিনিয়োগ করি। কিন্তু আমরা সবাই তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। এখন মনে হচ্ছে আমরা সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি।
    মার্ক জাকারবার্গ গেলেন হার্ভাড ইউনিভাসিটিতে। কিন্তু এক পর্যায়ে পড়াশোনা বাদ দিলেন। স্কুলে পড়াশোনার সময়েই তিনি একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করেন। পরে তা বিকশিত হয়ে ফেসবুক নাম ধারণ করে। এখন এই ফেসবুকের আর্থিক মূল্য ৪৮৮০০ কোটি ডলার। সম্প্রতি ফেসবুক ব্যাপক সমালোচিত হয়েছে। আইনি লড়াইয়ে পড়তে হয়েছে। এসব কারণে হয়তো তার আয়ের খাতে বড় একটি ধাক্কা লেগেছে। তা না হলে আরো বড় অংকের অর্থের মালিক হয়ে যেতো ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। মার্ক জাকারবার্গরা চার ভাইবোন। তারা হলেন র‌্যান্ডি (৩৬), মার্ক (৩৪) ডোনা জাকারবার্গ (লেখিকা, বয়স ৩২) ও আরিয়েলে (২৯)।
    সবার বড় হলেও র‌্যান্ডি জাকারবার্গ নিজের প্রচার করেন না। তিনি নীরবে নিভৃতে তাকেন। তার বিখ্যাত ভাই মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি যেসব বিতর্কিত বিষয়ে আটকে যান তখন তার পাশে এসে দাঁড়ান তিনি।

  • উবারে যুক্ত হয়েছে বাস সার্ভিস

    উবারে যুক্ত হয়েছে বাস সার্ভিস

    এবিএনএ: প্রথমবারের মতো উবারে যুক্ত হয়েছে বাস সার্ভিস। তবে অ্যাপের মাধ্যমে পুরো বাস ভাড়া করতে পারবেন না ব্যবহারকারীরা বরং বাসের অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড গতিবিধি ও রিয়েল-টাইমে গণ-পরিবহনের তথ্য পাওয়া যাবে অ্যাপটিতে। যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভারে সার্ভিসটি শুরু করেছে উবার। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশসহ উবারের কার্যক্রম থাকা সর্বত্র এই সুবিধা চালু হবে বলে জানিয়েছেন, রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট ডিসট্রিক্ট (আরটিডি)-এর মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান নির্বাহী ডেভিড জেনোভা। আরটিডি’র মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান নির্বাহী বলেছেন, গ্রাহকরা চায় তাদের যাত্রাকে খুবই সহজ করতে। আর এই সার্ভিসে গ্রাহকরা তাদের যাত্রাকে পরিকল্পনায় নিয়ে আসতে পারবে আরও সুন্দর করে।

    অবশ্য এর আগেও এমন উদ্যোগ নিয়েছিল উবার। গত বছরের সেপ্টেম্বরেই উবার তাদের অ্যাপে এজন্য মোড সুইচ ফিচার যুক্ত করেছিল। গ্রাহকের অবস্থানে গাড়ি, বাইক এবং স্কুটারসহ উবারের কোন কোন সেবা পাওয়া যায় তা দেখানো হয় এই টুলের মাধ্যমে। এর থেকে গ্রাহক তার পছন্দ মতো যানবাহন বাছাই করতে পারেন।

    সবকিছু মিলিয়ে অ্যাপটি যাতায়াত ব্যবস্থার অ্যামাজন হতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাহী দারা খোসরোশাহি। উবারে নতুন বাস সেবা যোগ হওয়ায় গ্রাহক অ্যাপে তার গন্তব্য স্থান দেয়ার পর উবারএক্স, উবার পুল এবং অন্যান্য সেবার পাশাপাশি নতুন ট্রানজিট অপশন দেখানো হবে। অপশনটি বাছাই করলে চলমান ট্রানজিটি রুট এবং রিয়েল-টাইমে বাস ছাড়া ও গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় দেখানো হবে। বাস স্টেশনগুলোতে হেঁটে যাওয়ার পথও দেখানো হবে অ্যাপে। শিগগিরই এতে আরটিডি টিকেট কেনার অপশন চালু হবে বলে জানিয়েছে উবার।

  • ক্যানসার সম্পূর্ণ নিরাময় করা যাবে!

    ক্যানসার সম্পূর্ণ নিরাময় করা যাবে!

    এবিএনএ: বিষয়টি অসম্ভব বলে মনে হতে পারে। কিন্তু ইসরায়েলের একদল বিজ্ঞানী বিষয়টিকে সত্য বলেছেন। ক্যানসার সম্পূর্ণভাবে নিরাময়ের চিকিৎসা আগামী এক বছরের মধ্যেই তৈরি করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তারা। ইসরায়েলের অ্যাক্সেলারেটেড ইভ্যুলেশন বায়োটেকনোলজিস কোম্পানির বিজ্ঞানী দলটির এমন দাবি পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়েছে।
    দ্য জেরুজালেম পোস্টকে কোম্পানিটির চেয়্যারম্যান ড্যান অরিদর জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই বিশ্বে প্রথমবারের মতো ক্যানসারের ‘সম্পূর্ণ নিরাময়’ তারা নিয়ে আসতে যাচ্ছেন। এমনকি এই চিকিৎসা স্বল্পমেয়াদী, ব্যয়সাশ্রয়ী ও কার্যকরী হবে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও থাকবে না।
    তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্যানসার নিরাময় চিকিৎসা প্রথম দিন থেকেই কার্যকরী হবে এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকতে হবে। বর্তমানে প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসাগুলোর তুলনায় খুব সাশ্রয়ী হবে এবং সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও থাকবে না। জেনেটিক এবং পারসোনাল উভয় ভাবে চিকিৎসা হবে।’
    মুতাটো (মাল্টি-টার্গেট টক্সিন) নামক এই চিকিৎসা মূলত ক্যানসার অ্যান্টিবায়োটিক স্কেলের, যা ক্যানসার নিরাময়ের সর্বোচ্চ প্রযুক্তি।
    এটি ক্যানসার আক্রান্ত কোষকে অ্যামাইনো অ্যাসিডের বিভিন্ন উপাদানগুলো নিয়ে একত্রে আক্রমণ করে। ক্যানসার আক্রান্ত কোষে এই সমন্বিত আক্রমণই এই চিকিৎসার মূল হাতিয়ার। ক্যানসারের কোষগুলো এমনভাবে পরিবর্তিত হবে, যা বাদ দেওয়া যাবে। এ পদ্ধতিতে রিসেপটরকে একবার আক্রমণের পরিবর্তে, একই সময়ে তিনবার আক্রমণ করা হবে। এমনকি ক্যানসারও একই সময়ে তিনটি রিসেপটরকে পরিবর্তন করতে পারে না।
    প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যে মানুষের ক্যানসার কোষ নিয়ে ইঁদুরের ওপর এই চিকিৎসায় সফলতা পেয়েছে। এছাড়াও ইন-ভিট্রো ট্রায়ালগুলোও শেষ করেছে এবং খুব শিগগির ক্লিনিক্ল্যাল ট্রায়াল শুরু করবে।
    এই দাবির বাস্তবতা প্রসঙ্গে অনেকে অবশ্য সন্দেহও প্রকাশ করেছেন। যেমন এনওয়াইইউ ল্যানগোন হেলথের পার্লমুটার ক্যানসার সেন্টারের পরিচালক ডা. বেন নিল ফক্স নিউজকে বলেন, ‘অবশ্যই, ক্যানসার নিরাময় করা প্রত্যেকের লক্ষ্য যারা প্রতিদিন ক্যানসার সেন্টারে কাজ করতে আসে। যদি সত্যিই প্রতিষ্ঠানটি ক্যানসারের সম্পূর্ণ নিরাময় করতে পারে তাহলে তারা আমার অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ পাবে। কিন্তু ক্যানসার হচ্ছে মাল্টিপল রোগ। তাই ওই প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভাবে ক্যানসার নিরাময়ের উপায় খুঁজে পেয়েছে মনে করাটা অত্যন্ত অসম্ভাব্য। সংক্রমণ নিরাময়ের একক কোনো প্রতিকার নেই।’
    যা হোক, ইসরায়েলের ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি অ্যাক্সেলারেটেড ইভ্যুলেশন বায়োটেকনোলজিস যদি সত্যিই ক্যানসার সম্পূর্ণ ভাবে নিরাময়ের উপায় বিশ্বে নিয়ে আসতে পারে, তাহলে তা অসাধারণ কিছু হবে। কারণ ক্যানসার বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ হিসেবে পরিচিত।