Category: তথ্য প্রযুক্তি

  • ‘এক মিনিটেই নগদ অ্যাকাউন্ট’, উদ্বোধন করলেন জয়

    ‘এক মিনিটেই নগদ অ্যাকাউন্ট’, উদ্বোধন করলেন জয়

    এবিএনএ: ‘এক মিনিটেই নগদ অ্যাকাউন্ট’ খোলার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বাংলাদেশের জনগণের জন্য আর্থিক সেবাখাতকে আরও সহজ ও নিরাপদ করতে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন সেবা ‘নগদ’-কে ‘পরিচয়’ অ্যাপ্লিকেশনের সাথে সংযুক্ত করে ‘১ মিনিটে নগদ অ্যাকাউন্ট’ সেবা তিনি উদ্বোধন করেন। খবর বাসসের

    মঙ্গলবার সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানে এ সেবা উদ্বোধন করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। আগে যে কোনো মোবাইল একাউন্টের জাতীয় পরিচয়পত্র শনাক্ত করতে ৫ দিন সময় লাগতো। ‘পরিচয়’ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এখন তথ্য যাচাই বাছাই করতে সময় লাগে মাত্র ১ মিনিট। এছাড়াও সজীব ওয়াজেদ জয় অনুষ্ঠানে বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকেট, টেলিটকের উদ্যোগে আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ‘আইএসবিএন ও বারকোড’ সেবা ও ওয়েবভিত্তিক অনলাইনকরণ, টেলিটকের টেলি পে সেবা এবং টেসিস এর নতুন পণ্য ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্বোধন করেছেন।

    অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, নগদের এমডি তানভীর মিশুকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • গ্রামীণ-রবির সঙ্গে বিটিআরসির বিরোধ নিষ্পত্তি আলোচনার মাধ্যমে

    গ্রামীণ-রবির সঙ্গে বিটিআরসির বিরোধ নিষ্পত্তি আলোচনার মাধ্যমে

    এবিএনএ: দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি এবং বিটিআরসি সব ধরনের বিরোধ থেকে সরে আসবে। সরকারের পাওনা টাকা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দাবি অনুযায়ী, গ্রামীণফোন ও রবির কাছে প্রতিষ্ঠানটির পাওনা ১৩ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি এবং রবির কাছে ৮৬৭ কোটি টাকা। এ টাকা আদায়ে ব্যান্ডউইডথ সীমিত করা এবং প্যাকেজ ও সরঞ্জামের ছাড়পত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল বিটিআরসি। তাতে কোনো কাজ না হওয়ায় এরপর ৫ সেপ্টেম্বর দুই অপারেটরকে লাইসেন্স (টু-জি ও থ্রি-জি) বাতিল কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়। জবাবের সময় ৩০ দিন।

    মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্তটি হচ্ছে, আমরা সকল প্রকার এভিনিউজ (পন্থা) পরিহার করে অ্যাক্রোস দ্য টেবিল, বসব এবং আমরা সেটেল করব। এটা হচ্ছে আমাদের সিদ্ধান্ত।’

    পাশে বসা ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে দেখিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, মাননীয় মন্ত্রী আমার পাশে আছেন। তার যেটুকু পাওনা একই প্রক্রিয়ায় আমরা যাব। একই প্রক্রিয়ায় সমাধান আমরা খুঁজে বের করব। মনে হয় এটাই বেস্ট পসিবল এভিনিউজ হবে ফর অ্যা পিসফুল সলিউশন। তারা ব্যবসা করবে, আমাদেরকে আমাদের পাওনা বুঝিয়ে দেবে। আমরা তাদের সাহায্য করব। যেটুকু সাহায্য করা দরকার সেই পরিমাণ সাহায্য পূর্ণাঙ্গভাবে আমরা করব। এটা হচ্ছে আমাদের উদ্দেশ্য।

  • এবার বাংলাদেশ থেকে যাত্রা শুরু ফেসবুকের বিকল্প হার্টসবুকের

    এবার বাংলাদেশ থেকে যাত্রা শুরু ফেসবুকের বিকল্প হার্টসবুকের

    এবিএনএ: বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ফেসবুকের পাশাপাশি যুক্ত হল ‘হার্টসবুক’ (heartsbook.com) বা এইচবি। ফেসবুকের মতই হার্টসবুক বা এইচবিতে আছে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারিং সিস্টেম। হার্টসবুকে টিভি দেখার পাশাপাশি আরও থাকছে মেসেঞ্জার, ছবি, অডিও এবং ভিডিও পোস্ট করার সুযোগ। রবিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমটির উদ্বোধন করেন এর চেয়ারম্যান এবং সিইও মেজবাহ উদ্দিন সরকার রুবেল।

    হার্টসবুকের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যান্ড ডিরেক্টর মাহাবুবা মোহাম্মদ বাবন সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যান্ড ডিরেক্টর শামিমা সরকারসহ হার্টসবুকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক, রাশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, হংকং, ইউক্রেন, তাইওয়ান, উজবেকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া ও ফিলিপাইনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্বোধনের সময় হার্টসবুকের চেয়ারম্যান অ্যান্ড সিইও মেজবাহ্ উদ্দিন সরকার রুবেল বলেন, বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে হার্টসবুক (heartsbook.com) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একজন ফেসবুক ইউজারের বন্ধু সংখ্যা ৫ হাজার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। অথচ হার্টসবুকে একসঙ্গে ১০ হাজার বন্ধু বানানো যাবে। এছাড়াও লাইভ ভিডিও এবং ওয়েব সিস্টেম রয়েছে হার্টসবুকে। যেকোনও স্মার্ট ফোনের গুগল প্লে স্টোর থেকে heartsbook.com লিখে সার্চ দিয়ে অ্যাপটি ডাউনলোডের পর সাইনআপ করে সহজেই হার্টসবুক ব্যবহার করা যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে হার্টসবুকের সিইও বলেন, এটা শতভাগ নিরাপদ। কোনও রকমের তথ্য চুরির সম্ভাবনা নেই। সেভাবেই এটা তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশে আজকে চালু হল। ধীরে ধীরে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে।

  • মোবাইল থেকে যে ২৪ অ্যাপ এখনই সরিয়ে ফেলা উচিত

    মোবাইল থেকে যে ২৪ অ্যাপ এখনই সরিয়ে ফেলা উচিত

    এবিএনএ: সম্প্রতি একটি ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম গুগল প্লে স্টোরে থাকা কয়েকটি অ্যাপে ছড়িয়েছে। এসব অ্যাপ আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ইনস্টল করা থাকলে তা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ছাড়াও অজান্তে মোবাইলের টাকা শেষ করে করে ফেলতে পারে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সিএসআইএসের গবেষকেরা এ ধরনের ২৪টি অ্যাপের কথা বলেছেন। তাঁরা পরীক্ষা করে গুগল প্লে স্টোরে থাকা এসব অ্যাপে ‘জোকার’ নামের একটি ক্ষতিকর ম্যালওয়্যারের সন্ধান পেয়েছেন। ইতিমধ্যে এ ম্যালওয়্যারটি প্রায় পাঁচ লাখ ডিভাইসে ছড়িয়েছে।

    গবেষকেরা বলেন, জোকার নীরবে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনভর্তি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং মোবাইল থেকে এসএমএস, কনটাক্ট লিস্ট ও ডিভাইসের নানা তথ্য হাতিয়ে নেয়।

    গত জুন মাসে প্রথম খোঁজ পাওয়া যায় জোকার নামের এ ম্যালওয়্যারটির। যখন এটি কারও স্মার্টফোন বা অন্য ডিভাইসে আক্রমণ করে, তখন এটি এসএমএসের অ্যাকসেস নিতে পারে। এ ম্যালওয়্যার ছড়ানো দুর্বৃত্তরা জোকার ব্যবহার করে স্মার্টফোনের কন্টাক্ট লিস্ট ও ডিভাইসের সব তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। এতে ব্যবহারকারীর প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপন বিষয়গুলো হুমকির মুখে পড়ে যায়। প্রাইভেসি নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ানোর পাশাপাশি জোকার অনেকটাই গোপনে কোনো অ্যাপের সাবসক্রিপশন চালু করে দেয় বা কোনো ওয়েবসাইটের প্রিমিয়াম সেবা বা অ্যাপ কেনাকাটা করতে পারে।

    সফটওয়্যার ডেভেলপার অ্যালেক্সেজ কুপারনিস মিডিয়ামে লেখা এক ব্লগ পোস্টে জোকার ম্যালওয়্যারটি বিশ্লেষণ করেছেন। জোকার ম্যালওয়্যারটি বিশ্বের ৩৭টি দেশে আক্রান্ত অ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়েছে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশে জোকার ম্যালওয়্যার আক্রান্ত ডিভাইস রয়েছে।

    অ্যাপ্লিকেশনগুলোর নাম জেনে নিন
    ১. বিচ ক্যামেরা ৪.২
    ২. মিনি ক্যামেরা ১.০.২
    ৩. সার্টেন ওয়ালপেপার ১.০২
    ৪. রেডওয়ার্ড ক্লিন ১.১.৬
    ৫. এজ ফেস ১.১.২
    ৬. অল্টার মেসেজ ১.৫
    ৭. সবি ক্যামেরা ১.০.১
    ৮. ডিক্লেয়ার মেসেজ ১০.০২
    ৯. ডিসপ্লে ক্যামেরা ১.০২
    ১০. র‍্যাপিড ফেস স্ক্যানার ১০.০২
    ১১. লিফ ফেস স্ক্যানার ১.০.৩
    ১২. ব্রড পিকচার এডিটিং ১.১.২
    ১৩. কিউট ক্যামেরা ১.০৪
    ১৪. ড্যাজল ওয়ালপেপার ১.০. ১১
    ১৫. স্পার্ক ওয়ালপেপার ১.১. ১১
    ১৬. ক্লাইমেট এসএমএস ৩.৫
    ১৭. গ্রেট ভিপিএন ২.০১
    ১৮. হিউমার ক্যামেরা ১.১.৫
    ১৯. প্রিন্ট প্ল্যান স্ক্যান ১.০৩
    ২০. অ্যাডভোকেট ওয়ালপেপার ১.১.৯
    ২১. রুডি এসএমএস মড ১.১
    ২২. ইগনাইট ক্লিন ৭.৩
    ২৩. অ্যান্টিভাইরাস সিকিউরিটি-সিকিউরিটি স্ক্যান, অ্যাপ লক ১.১.২
    ২৪. কোলাট ফেস স্ক্যানার ১.১.২

  • বঙ্গবন্ধু বিশ্বের একজন অবিসংবাদিত নেতা: পলক

    বঙ্গবন্ধু বিশ্বের একজন অবিসংবাদিত নেতা: পলক

    এবিএনএ: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা দেশের নন; তিনি বিশ্বের একজন অবিসংবাদিত নেতা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রোববার সকালে আইসিটি টাওয়ারের অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের পক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরেই একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনে যখন বঙ্গবন্ধু হাত দিয়েছিলেন, তখন থেকেই তার বিরুদ্ধে শুরু হয় ষড়যন্ত্র। এসব ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করেই তিনি দেশকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। পলক বলেন, ১৯৭৪ সালেই তার দূরদর্শী সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ যোগ দেয় আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নে (আইটিইউ)। তারই সিদ্ধান্তে বেতবুনিয়ায় স্থাপন করা হয় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর কন্যা তার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    আইসিটি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে শহীদ কর্নেল জামিলের মেয়ে আফরোজা জামিল কঙ্কা প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ. কে. এম. রহমতুল্লাহ, এমপি এবং সাবেক সচিব ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি।

  • অ্যাপলে চাকরি করেন ২৪ লাখ মানুষ

    অ্যাপলে চাকরি করেন ২৪ লাখ মানুষ

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যে ২৪ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করেছে অ্যাপল। গত আট বছরের তুলনায় সংখ্যাটি চার গুণ বেশি। ২৪ লাখের মধ্যে ৯০ হাজার মানুষ সরাসরি অ্যাপলে চাকরি করেন। ১৯ লাখ মানুষ কাজ করেন থার্ড পার্টি কোম্পানিতে। এর বেশিরভাগই কাজ করেন সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে। যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য নয় হাজার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি আছে অ্যাপলের। এ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মসংস্থান হয়েছে চার লাখ মানুষের। বাকিরা কাজ করেন পণ্য সরবরাহকারী ও ঠিকাদার হিসেবে। গত বছর শুধু সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পেছনে অ্যাপল খরচ করেছে ৬০ বিলিয়ন ডলার (ছয় হাজার কোটি ডলার)।

    কিউপারটিনোভিত্তিক কোম্পানিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ২০২৩ সাল নাগাদ ৩৫ হাজার কোটি ডলার যোগ করবে। সে বছর আরও ২০ হাজার চাকরিও সৃষ্টি করবে তারা। এছাড়াও নির্মাণাধীন আরেকটি হেডকোয়ার্টারে ১২শ’ গবেষক নিয়োগ দেবে অ্যাপল। সিয়াটেলেও নতুন করে ২ হাজার দক্ষ প্রকৌশলী নেবে তারা। অনেকদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পণ্য তৈরির জন্য অ্যাপলকে চাপ দিয়ে আসছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    চীনে কম খরচে পণ্য উৎপাদনকে নিরুৎসাহিত করতে সম্প্রতি বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ওপর আমদানি শুল্কও বসিয়েছে ট্রাম্প সরকার। এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে তাদের অবদান কতটুকু সে তথ্যই সামনে আনল অ্যাপল।

  • মোবাইল ফোনের আইএমইআই যাচাইয়ের নির্দেশনা

    মোবাইল ফোনের আইএমইআই যাচাইয়ের নির্দেশনা

    এবিএনএ : মোবাইল ফোন কেনার আগে এর ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি (আইএমইআই) যাচাই করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

    মঙ্গলবার বিটিআরসি জানিয়েছে, KYD১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে ১৬০০২ তে এসএমএস করে সঠিকতা যাচাই করা যাবে। প্রতিটি মোবাইল ফোনেই ১৫ ডিজিটের একটি ইউনিক নম্বর থাকে। বিশ্বের যেকোনো মোবাইল ফোনকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয় এ নম্বর।

    হারিয়ে যাওয়া বা চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন ব্লক করতে নেটওয়ার্ক প্রোভাইডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে আইএমইআই নম্বর জানিয়ে অনুরোধ করলে তারা মোবাইল ফোনটি ব্লক করতে পারবে। এতে মোবাইল ফোনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট সুরক্ষিত থাকে। এছাড়া, আইএমইআই নম্বর দিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারের চেষ্টা করতে পারে।

  • বাংলাদেশি পণ্য বিদেশে বিক্রি করতে চায় অ্যামাজন

    বাংলাদেশি পণ্য বিদেশে বিক্রি করতে চায় অ্যামাজন

    এবিএনএ : বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বাজারে বিক্রি করতে চায় অ্যামাজন। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ সরকারের নীতিগত সহায়তা চেয়েছে। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সাথে অ্যামাজনের প্রতিনিধি দলের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অ্যামাজন এই আগ্রহের কথা জানায়।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অ্যামাজনের ক্যাটাগরি ম্যানেজার গগন দ্বীপ সাগর, মার্চেন্ট সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান টেক রাজশাহীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমানসহ তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    বৈঠক শেষে টেক রাজশাহীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করা পণ্য ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিক্রির জন্য আগ্রহী অ্যামাজন। গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম থেকে এসব পণ্য বিক্রি হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে পণ্য নিতে হলে বিদেশি ক্রেতাকে কিছু জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। সে সমস্যা সমাধানে সরকারের কাছে নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।

    অ্যামাজন বাংলাদেশে এখনই কোন অফিস খুলছে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তারা এখানেই কোন রিটেইল ব্যবসায়িক কার্যক্রম করতে ইচ্ছুক কি না সে বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। আপাতত তারা আমাদের এখান থেকে পণ্য সোর্সিং করে তাদের ওয়ারহাউজে নিতে আগ্রহী। আমরা তাদের বলেছি যে, আমাদের সরকার উদার নীতির সরকার। আমরা আশা করি যে, আমাদের স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সরাসরি অ্যামাজনে পণ্য দিতে পারলে তারা লাভবান হবে।

  • ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে চাকরির ইন্টারভিউ দেবে প্রতিবন্ধীরা

    ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে চাকরির ইন্টারভিউ দেবে প্রতিবন্ধীরা

    এবিএনএ : তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রতিবন্ধীদের দেশের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, প্রতিবন্ধী ভাইবোনেরা অক্ষম নন বিশেষভাবে সক্ষম। প্রতিবন্ধীরা দেশের বোঝা নয় সম্পদ। তিনি বলেন, যারা বিশেষভাবে সক্ষম তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আইসিটিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ করে তুলতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি সক্ষমদেরকে বিশেষভাবে অক্ষমদের প্রতি আরো সচেতন ও যত্নবান হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

    এসময় পলক বলেন, আগে সমাজে প্রতিবন্ধীদের যে দৃষ্টিতে দেখা হতো সেই সুযোগ এখন আর নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নেতৃত্বে বিগত ১০ বছরে এদেশের মানুষ সচেতন হয়েছে। প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে ২০১৩ সালে ‘প্রতিবন্ধী সুরক্ষা আইন’ প্রণয়ন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সমাজে তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তারাও ঘরে বসে নেই। নিজ নিজ মেধা ও সামর্থ্য দিয়ে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অবদান রেখে চলেছেন।

    তিনি আরো বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অনলাইন জব পোর্টাল করা হবে। তারা যেন অনলাইনে তথ্য আদান-প্রদান বিশেষ করে যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারেন এবং ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে এবং নিতে পারেন। যেখান থেকে যে কোনো স্থানের চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে চাকরিদাতার যোগাযোগ হবে।

    প্রতিবন্ধীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান পলক। তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এর ৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রায় ৩ হাজার প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে আইসিটি খাতে ১০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে যার অন্তত ১ শতাংশ হবে প্রতিবন্ধীর।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ চৌধুরী, বিসিসি-এর নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেবসহ আইসিটি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বক্তৃতা করেন। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলার আইটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১০০ প্রতিযোগী থেকে চারটি ক্যাটাগরিতে তিন জন করে ১২ জন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।

  • দেশে এক লাখের বেশি গ্যালাক্সি এম সিরিজ বিক্রি করেছে স্যামসাং

    দেশে এক লাখের বেশি গ্যালাক্সি এম সিরিজ বিক্রি করেছে স্যামসাং

    এবিএনএ : চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের বাজারে নিয়ে এসে মাত্র ৩ মাসেই ১০০,০০০-এরও বেশি গ্যালাক্সি এম সিরিজের স্মার্টফোন বিক্রি করেছে স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ। শক্তিশালী ও দৃষ্টিনন্দন গ্যালাক্সি এম সিরিজের ফোনগুলো তৈরিই করা হয়েছে প্রযুক্তিপ্রেমী সহস্রাব্দের প্রজন্মের কথা বিবেচনা করে।

    এ প্রসঙ্গে স্যামসাং বাংলাদেশের হেড অব মোবাইল মো. মূয়ীদুর রহমান বলেন, বর্তমানে বাজারে গ্যালাক্সি এম সিরিজের দুটি মডেল রয়েছে আর দেশব্যাপি এ দুটি ডিভাইস থেকে ক্রেতাদের কাছ থেকে অভাবনীয় সাড়া পাচ্ছি।

    তিনি বলেন, দ্রুতগতি সম্পন্ন, দীর্ঘমেয়াদী, অভিনব ফিচারে ভরপুর এবং সাশ্রয়ী দামের বিষয়গুলো চিন্তা করে সহস্রাব্দের প্রজন্মের। ক্রেতাদের জীবনমানের উন্নয়নে অভিনব পণ্য তৈরিতে স্যামসাং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    উল্লেখ্য গ্যালাক্সি এম সিরিজের ডিভাইসগুলোতে আছে ইনফিনিটি-ভি ডিসপ্লে, বিশাল ব্যাটারি এবং ফাস্ট-চার্জিং প্রযুক্তি। শক্তিশালী ডুয়েল ক্যামেরা হচ্ছে গ্যালাক্সি এম সিরিজের আকর্ষণীয় সব ফিচারের মধ্যে অন্যতম, কারণ সহস্রাব্দের প্রজন্ম পছন্দ করে চলার পথে ছবি ও ভিডিও ক্যাপচার করতে। গ্যালাক্সি এম২০ ও এম১০- দুটি ডিভাইসেই রয়েছে আল্ট্রা-ওয়াইড ফিচারসমৃদ্ধ ডুয়েল ক্যামরা। পাঁচ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিসমৃদ্ধ গ্যালাক্সি এম২০-এর দাম ১৫,৯৯০ টাকা এবং ৩,৪০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিসমৃদ্ধ গ্যালাক্সি এম১০-এর দাম ১১,৯৯৯ টাকা।