Category: খেলাধুলা

  • মুখ খুললেন ‘খলনায়ক’ অশ্বিন

    মুখ খুললেন ‘খলনায়ক’ অশ্বিন

    এবিএনএ : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও হার্দিক পান্ডিয়ার দুটি ‘নো বল’ নিয়ে কম কথা হয়নি। ওই দুটি ‘নো বল’ই যে ভারতকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। ম্যাচ শেষে ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিও যেটা অকপটেই স্বীকার করেছিলেন।

    আর সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ভারতের হারের জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় অশ্বিন ও পান্ডিয়াকে। বিশেষ করে অশ্বিনকে। তার বলেই তো প্রথমবার ক্যাচ দিয়েও জীবন পেয়েছিলেন লেন্ডল সিমন্স। পরে পান্ডিয়ার বলে আরেকবার। সেই সিমন্সই শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের নায়ক।

    অন্যদিকে খলনায়কে পরিণত হন অশ্বিন আর পান্ডিয়া। ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার তো এটাও বলেছিলেন যে, স্পিনারের নো বল মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। তার মতে, পেসাররা অনেক সময় ইয়র্কার বা বাউন্সার করতে গেলে ‘ওভার স্টেপ’ হতে পারে। কিন্তু স্পিনারের কেন?

    ওয়াংখেড়ের সেই নো বলের ঘটনা এখনো ভুলতে পারেননি অশ্বিন। আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের উদ্বোধনী ম্যাচ-পূর্ববতী সংবাদ সম্মেলনেও উঠে এলো নো বল প্রসঙ্গ। এ নিয়ে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে অশ্বিনকে প্রশ্ন করা হলে পুনের অফস্পিনার বলেন, ‘এই ঘটনার পর তিন দিন আমি কোনো সংবাদপত্র পড়িনি। কে কী বলছেন, সেটাও শুনিনি। কারণ আমি মনে করি একটি নো বলের জন্য আমাকে খলনায়ক বানানো ঠিক হয়নি।’

    কেন নো বল হয়েছিল তার কারণও ব্যাখ্যা করলেন অশ্বিন। সেদিন শিশির থাকার কারণে বল গ্রিপ করতে সমস্যা হচ্ছিল ভারতীয় স্পিনারের, ‘তখন শিশির ছিল বলে আমি ঠিকমতো বল করতে পারছিলাম না। তারপরও প্রথম ১২ বলে উইকেট পাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিলাম আমি।’

    ম্যাচ শেষে ধোনির দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গও উঠল এদিনের সংবাদ সম্মেলনে। এর পরেই অবশ্য পুনের মিডিয়া ম্যানেজার রাসেল রাধাকৃষাণ সাংবাদিকদের থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘মাফ করবেন, এটা আইপিএল; তাই এটা নিয়েই কথা হোক।’ পরে আইপিএল নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন অশ্বিন।

  • অভিযোগ প্রমাণিত হলে জেলে যেতেও প্রস্তুত আছি: সালাউদ্দিন

    অভিযোগ প্রমাণিত হলে জেলে যেতেও প্রস্তুত আছি: সালাউদ্দিন

    এবিএনএ : বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে তা প্রমাণিত হলে তিনি জেলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার মতিঝিলের বাফুফে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সালাউদ্দিন এ কথা বলেন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত কমিটির বিরুদ্ধে আর্থিক খাতসহ নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ফিফা ও এএফসির অর্থ সালাউদ্দিনের নিজের ব্যাংক হিসাবে রাখার অভিযোগও তুলেছেন কেউ কেউ।

    অভিযোগকারীদের উদ্দেশ করে সালাউদ্দিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তদন্ত করে প্রমাণ করুন। প্রমাণিত হলে আমি জেলে যেতেও প্রস্তুত আছি। আর প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলে আপনাদের ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমি কোন পরিবার থেকে এসেছি সেটা সবার মনে রাখা উচিৎ। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের হয়ে খেলেছি। জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলাম। আমার চাচা এবং আমি স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছি। এটা সবার মনে রাখা উচিৎ। গালি আমিও জানি। তবে আমি ভদ্র পরিবার থেকে এসেছি। তাই আমার ভেতর ভদ্রতা রয়েছে। এসময় আগামী ৩০ এপ্রিল বাফুফের নির্বাচনে সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান তিনি।

  • অবশেষে জরিমানার কবলে ধোনি!

    অবশেষে জরিমানার কবলে ধোনি!

    এবিএনএ : একই ভুল যখন বাংলাদেশের অধিনায়ক করে তখন সে জরিমানার অংশীদার হয়। আবার সেই ভুল যখন ভারতীয় অধিনায়ক করেন তখন সে পাড় পেয়ে যান। আইসিসির এই নিয়ম অবশ্যই বাংলাদেশী ভক্তদের হৃদয়ে গাঁথা।
    বিশ্বকাপের আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজের এক ম্যাচে বেশি সময় নেয়ার জন্য জরিমানা হয়েছিল মাশরাফি বিন মর্তুজার। কিন্তু এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেই একই ভুল করেন ধোনি। ভারত-বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে শেষ ওভারে অতিরিক্ত সময় নেন ধোনি। কিন্তু আইসিসি তাকে কোন জরিমানা করে নি।
    কিন্তু এবার আইসিসি ধোনির আচরণের কারণে তাকে জরিমানা করেছেন। সেমি-ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন ভারতীয় অধিনায়ক। সেদিন একজন সাংবাদিক তাকে তার অবসরের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সেই সাংবাদিককে তার পাশের চেয়ারে নিয়ে এসে বসান।
    তারপর তিনি সেই সাংবাদিককে উল্টো প্রশ্ন করা শুরু করেন। ধোনি সাংবাদিককে জিজ্ঞেস করেন, তার কি মনে হয় না ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ধোনি খেলতে পারবেন। তিনি যেভাবে খেলছেন এতে কি তার ফিটনেস সমস্যা দেখা যাচ্ছে? তাহলে অবসরের কথা কোথা থেকে আসল?
    সাংবাদিকের সাথে তার এই বিরূপ আচরণ আইসিসির আইন অমান্য করেছে। তাই আইসিসি তাকে শাস্তি প্রদান করবেন। আইসিসির আইন অনুযায়ী এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।

  • আইপিএল খেলতে গেলেন মুস্তাফিজ

    আইপিএল খেলতে গেলেন মুস্তাফিজ

    এবিএনএ : আজ বিকেল পাঁচটায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে আইপিএল খেলতে ভারতে উড়াল দিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমানের। কদিন আগেই ভারত থেকে ফিরেছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলে। কন্ডিশন, মাঠ তাঁর অজানা নয়। তবে আইপিএল খেলবেন এবারই প্রথম, নিঃসন্দেহে নতুন এক অভিজ্ঞতাই হতে যাচ্ছে তাঁর।

    আসলে মুস্তাফিজ দেশের বাইরেই একা খেলতে যাচ্ছেন এই প্রথম। স্নায়ুচাপ থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে সেটার চেয়েও মুস্তাফিজের কাছে বড় হয়ে উঠেছে রোমাঞ্চ, ‘ভয় পাচ্ছি না। ক্যারিয়ারের প্রথমবারের মতো আইপিএল খেলতে যাচ্ছি, খুবই ভালো লাগছে। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন ভালো করতে পারি। শুধু আমার জন্য না, সাকিব ভাইয়ের জন্যও দোয়া করবেন।’

    ২০১১ সাল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলা সাকিব এখন আইপিএলে নিয়মিত মুখ। তাঁর সঙ্গে একই দলে খেলতে না পারার খানিকটা আফসোসও আছে মুস্তাফিজের, ‘সাকিব ভাইয়ের দলে খেলতে পারলে তো খুবই ভালো হতো। এক সঙ্গে থাকতে পারতাম, খেলতে পারতাম…।’
    আবদুর রাজ্জাক, মোহাম্মদ আশরাফুল, মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালের পর ষষ্ঠ বাংলাদেশি খেলোয়াড় হিসেবে মুস্তাফিজ যাচ্ছেন আইপিএল খেলতে। ১ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে তাঁকে নিয়েছে হায়দরাবাদ।

  • বিশ্বকাপের সেরা স্কোয়াডে মুস্তাফিজ

    বিশ্বকাপের সেরা স্কোয়াডে মুস্তাফিজ

    এবিএনএ : সদ্য শেষ হওয়া টি ২০ বিশ্বকাপের সেরা স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আইসিসি।

    সোমবার ঘোষিত এই দলে একমাত্র বাংলাদেশী খেলোয়াড় হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন বিস্ময় পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তবে তাকে রাখা হয়েছে দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে। ইনজুরির কারণে এই বিশ্বকাপে মুস্তাফিজ মাত্র ৩টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পান। এতেই তিনি তার জাত চিনিয়ে ৯ উইকেট তুলে নেন। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মুস্তাফিজ ২২ রানে তুলে নেন ৫ উইকেট।

    এটি এই বিশ্বকাপের সেরা বোলিং ফিগার। তিনি ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার জেমস ফকনার শুধু ৫ উইকেট পেয়েছেন, পাকিস্তানের বিপক্ষে। ভারতের টেস্ট অধিনায়ক বিরাট কোহলির নেতৃত্বে সেরা একাদশে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দু’জন এবং রানারআপ ইংল্যান্ডের তিনজন সুযোগ পেয়েছেন। ভারত থেকে কোহলি এবং পেসার আশিষ নেহেরা সুযোগ পেয়েছেন। বিস্তারিত আসছে…

  • চার বলে ৪ ছক্কা, কে এই কার্লোস ব্রাথওয়েট?

    চার বলে ৪ ছক্কা, কে এই কার্লোস ব্রাথওয়েট?

    এবিএনএ : দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত হয় আইসিসির প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপের আসর। সুপার টেন পর্বের এক ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় ভারত। ম্যাচে সবাইকে অবাক করে অবিশ্বাস্যভাবে স্টুয়ার্ট ব্রডের এক ওভারে ছয়টি ছক্কা তুলে নেন ভারতীয় অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং।

    টি-২০ বিশ্বকাপে এরকম ইনিংস আর কখনো দেখা যাবে তা হয়তো কেউ কখনো ভাবেননি। ২০০৭ সালের পর ২০১৬ সালে এসে অর্থাৎ দীর্ঘ ৮ বছর পর টি-২০ বিশ্বকাপেই সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো।

    গতরাতে আইসিসি ষষ্ঠ টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের ইনিংসের শেষ ওভারে বেন স্টোকসের চার বল থেকে চারটি ছক্কা হাঁকান ক্যাবিরীয় অলরাউন্ডার কার্লোস ব্রাথওয়েট। তাও আবার এমন এক মুহূর্তে যখন জয়ের জন্য শেষ ওভারে ক্যারিবীয়দের দরকার ছিল ১৯ রান।

    ক্যারিবীয়রা এই ম্যাচে হারছেন তা অনেকেই নিশ্চিত ধরে নিয়েছিল। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে বেন স্টোকসের করা প্রথম ডেলিভারিতে ছক্কা মেরে এ ব্যবধানে ১৩ তে কমিয়ে আনেন। ফলে ৫ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৩ রান। স্টোকস ওভারের দ্বিতীয় বল করতে এসে ফের হোঁচট খেলেন। ব্রাথওয়েট যে ফের ছ্ক্কা মেরে বসেন! ৪ বলে জয়ের জন্য যখন ৭ রান দরকার তখন বেন স্টোকসের বল থেকে ফের ছক্কা হাঁকিয়ে স্কোর লেবেল করেন এই বার্বাডিয়ান। তখন জয় ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র কারণ দরকার ছিল ৩ বলে মাত্র ১ রান। কিন্তু ব্রাথওয়েটকে কে থামায়? ১ রান নয়, ফের ছক্কা মেরে দেশের জন্য নতুন ইতিহাস রচনা করলেন তিনি। ব্রাথওয়েট’র চার ছক্কার বিনিময়ে প্রথম দল হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয়বারের মতো আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ শিরোপা জিতলো।

    কিন্তু যে এই ইতিহাস রচনা করলেন সেই ব্রাথওয়েটকেই আমরা অনেকে ততটা চিনি না। ১৯৮৮ সালে বার্বাডোজে জন্ম নেয়া ব্রাথওয়েটের ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে অভিষেক হয় ২০১১ সালে। ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ৮ ম্যাচে নেন ২৬টি উইকেট! আর এতেই কপাল খুলে যায় তার। একই বছর ক্যারিবীয়দের বাংলাদেশ সফরে টি-২০ স্কোয়াডে জায়গা হয় তার। এ সফরে ক্যারিবীয়রা টাইগারদের বিপক্ষে মাত্র ১টি টি-২০ ম্যাচ, দুটি টেস্ট ও তিনটি ওডিআই ম্যাচ খেলে। বাংলাদেশ সফরেই আন্তর্জাতিক ওডিআই ক্রিকেটে অভিষেক হয় ব্রাথওয়েটের। আর সদ্য সমাপ্ত টি-২০ বিশ্বকাপেই তার টি-২০ বিশ্বকাপে অভিষেক হয়। আর অভিষেকেই দেশের জন্য ইতিহাস রচনা করে বসলেন।

    কার্লোস ব্রাথওয়েট এখন পর্যন্ত মাত্র ৮টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন। নিয়েছেন ৫টি উইকেট। গতরাতে ইডেন গার্ডেন্সে ম্যাচজয়ী অপরাজিত ৩৪ রানের পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন মূল্যবান ৩টি উইকেট। নিজের ৪ ওভারের স্পেলে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট লাভই তার সেরা বোলিং ফিগার। আর সাতটি ওডিআই ম্যাচে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। ব্যাট হাতে গতরাতের ৩৪ রানই তার টি-২০ ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। আর দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৬৯। এছাড়া সাতটি ওডিআই ম্যাচ থেকে করেছেন ৭১ রান। সর্বোচ্চ রান ১৮।
    এদিকে, টি-২০ বিশ্বকাপ শেষ হলেও ক্রিকেটবিশ্ব শিগগিরই ব্রাথওয়েটের অ্যাকশন দেখতে পারবে। কারণ ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া নবম আইপিএল’র আসরে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলবেন তিনি। আইপিএল’র এই দলটি তাকে ৪.২ কোটি রুপিতে কিনে নেয়।

  • ম্যাচ জিতিয়ে জরিমানা

    ম্যাচ জিতিয়ে জরিমানা

    এবিএনএ : ফাইনালে ৬৬ বলে ৯টি চার এবং ২টি ছক্কায় ৮৫ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, তাতে মারলন স্যামুয়েলসের ওই ইনিংসের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান এই ব্যাটসম্যান তাই হয়েছেন ম্যাচ সেরাও। তবে একই ম্যাচে আইসিসির আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগেও অভিযুক্ত হয়েছেন স্যামুয়েলস। আর সে কারণে ম্যাচ ফির ৩০ শতাংশ জরিমানা হয়েছে তাঁর।

    ঘটনাটি ম্যাচের শেষ ওভারে, ব্যাট করছিলেন কার্লোস ব্রাফেট, বোলিং করছিলেন বেন স্টোকস। নন স্ট্রাইকিং প্রান্তে থাকা স্যামুয়েলস এ সময় নাকি ইংল্যান্ডের পেসার বেন স্টোকসের উদ্দেশ্যে আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলেন। পরে ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালের আনা অভিযোগ ও শাস্তি মেনে নেন স্যামুয়েলস, তাই আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।
    আইসিসি এলিট প্যানেল তাঁকে ম্যাচ ফির ৩০ শতাংশ জরিমানা করেছে। যে প্যানেলে ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালে ছাড়াও রয়েছেন আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ও রড টাকার, তৃতীয় আম্পায়ার মারাইস এরাসমাস ও চতুর্থ আম্পায়ার ব্রুস অক্সেনফোর্ড।

  • টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    এবিএনএ : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জমজমাট ফাইনাল। মুখোমুখি ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দু’দলই জিতেছে একটি করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা। এবার জিতলেই হবে ইতিহাস। সর্বোচ্চ দু’বার। কে গড়বে সেই ইতিহাস? তারই আগে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি।

    বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল একদিন আগেই জাগো নিউজে লেখা কলামে বলেছিলেন টসটা হতে পারে খু্বই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইডেনে রান চেজ করা হবে খুব সহজ। সে হিসেবে ম্যাচ শুরুর আগেই কী তবে অর্ধেক জিতে গেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ! ম্যাচ শেষেই মিলবে এর জবাব। আর আগে জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষা।

    গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হয়েছিল দু’দল। ওই ম্যাচে ইংল্যান্ডের করা ১৮২ রানের বিশাল স্কোর গড়েও জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। ক্রিস গেইলের ৪৭ বলে গড়া সেঞ্চুরির ওপর ভর করে জিতে যায় ক্যারিবীয়রা। সেই ম্যাচেরই যেন পুনরাবৃত্তি শুরু হলো এই ম্যাচে। ওই ম্যাচেও টস জিতেছিলেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক ড্যরেন স্যামি।

    টস জয়ের পর স্যামি কিন্তু কেন প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন সে কথা জানাননি। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমরা চাই ভক্ত-সমর্থকদের একটা বিনোদন দিতে। এ কারণেই আমরা চাই জয় নিয়ে মাঠ ত্যাগ করতে। দলে কোন পরিবর্তন নেই। টুর্নামেন্ট খেলতে যখন এসেছিলাম তখনও ছিল আমাদের অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস। কেউ আমাদের সুযোগ তৈরী করে দেয়নি। তবে আমরা জানি নিজেদের কী করতে হবে। আজ আমরা দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র এক ধাপ দুরে। আমি আগেও বলেছি, আমাদের রয়েছে ১৫জন ম্যাচ উইনার। অবশ্যই কেউ না কেউ দায়িত্বটা নিয়ে নেবে। আমরা অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটারদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছি। এবার তো আমাদের সামনে নারী ক্রিকেটাররা আরও বড় উদাহরণ তৈরী করলো।’

    ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান বলেন, ‘টস জিতলে আমিও বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতাম। যাই হোক, উইকেটটা খুবই ভালো মনে হচ্ছে। ঘাসে ঢাকা। সাধারণত এখানে ন্যাড়া উইকেট থাকে এবং অনেক টার্নও হয়। দলে কোন পরিবর্তন নেই। আমি মনে করি ম্যাচ জিততে গলে তিনটি ডিপার্টমেন্টেই ভালো করতে হবে। আমরা নিজেদের গড়ে তুলেছি আসলে আত্মবিশ্বাস দিয়ে। গেইল সম্পর্কে আমাদের প্রতিটি মিটিংয়েই আলোচনা হয়। আসলে আমরা তো একজন খেলোয়াড়কে নিয়ে পরিকল্পনা করতে পারি না। কারণ, ভারতের বিপক্ষে ক্যারিবীয়রা সেটা প্রমাণ করে দিয়েছে।’

    ইংল্যান্ড
    জ্যসন রয়, আলেক্স হেলস, জো রুট, ইয়ন মরগ্যান, জস বাটলার, বেন স্টোকস, মঈন আলি, ক্রিস জর্ডান, ডেভিড উইলি, আদিল রশিদ এবং লিয়াম প্লাঙ্কেট।

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ
    জনসন চার্লস, ক্রিস গেইল, মারলন স্যামুয়েলস, লেন্ডল সিমন্স, আন্দ্রে রাসেল, দিনেশ রামদিন, ডোয়াইন ব্র্যাভো, ড্যারেন স্যামি, কার্লোস ব্রাফেট, স্যামুয়েল বদ্রি, সুলেমান বেন।

  • নারী ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    নারী ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    এবিএনএ : হেইলি ম্যাথিউজের ঝড়ো ব্যাটিং এবং অধিনায়ক স্টেফানি টেলরের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার রাজত্ব ভেঙে দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফাইনালে অসিদের ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েই শিরোপা উল্লাসে মেতে ওঠে তারা। ফলে টানা চারবার শিরোপা জয়ের ইতিহাস গড়া হলো না অস্ট্রেলিয়ার। প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠেই বাজিমাত করলো টেইলরের দল।

    স্টেফানি টেলরদের সঙ্গে মাঠে এসে উল্লাসে মাতেন পুরুষ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামিও। আর ক্যারিবীয় নারী ক্রিকেটাররা মাঠের মধ্যেই মেতে ওঠে গেইলদের নতুন আবিষ্কৃত ড্যান্সের তালে তালে।

    অস্ট্রেলিয়া নারীদের দেওয়া ১৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে শুরুতে দারুন সাবধানি ব্যাটিং করেছিল ক্যারিবীয়রা। প্রথম দুই ওভারে রান তুলেছিল মাত্র ৩। পাওয়ার প্লে শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ৪৫ রান। তবে এরপরই ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করেন হেইলি ম্যাথিউজ। দুই ওপেনারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৩.৩ ওভারে শতরানের কোটা পার করে তারা।

    ম্যাথিউজ ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশত তুলে নিতে বল খেলেন মাত্র ৩৫টি। শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে ৬৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে ক্রিস্টেন বিমসের বলে আউট হন তিনি। এ রান করতে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। শর্ট মিডউইকেটে তার ক্যাচটি লুফে নেন ব্ল্যাকওয়েল।

    ম্যাথিউজের বিদায়ের পর দিয়েন্দ্রা ডট্টিনকে নিয়ে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক স্টেফানি টেলর। দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে রিনি ফেরেলের বলে আউট হওয়ার আগে ৫৭ বলে ৫৯ রান করেন টেলর। তার ইনিংসটি ৬টি চার দিয়ে সাজানো। এরপর বাকি কাজ ব্রিটনি কুপারকে নিয়ে শেষ করেন ডট্টিন। শেষ পর্যন্ত ৩ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় তারা। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ১টি করে উইকেট পান ফেরেল ও বিমস।

    এর আগে রোববার কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো না হলেও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় বড় সংগ্রহই পায় তারা। দলীয় ১৫ রানে অস্ট্রেলিয়ান শিবিরে ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে প্রথম আঘাত হানেন হেইলি ম্যাথিউজ। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ ধরে সাজঘরে ফেরান আলিশা হেইলিকে (৪)।

    এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এলিস ভিল্লানিকে নিয়ে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক ম্যাগ ল্যানিং। ৭৭ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন এ দুই ব্যাটসম্যান। দলীয় ৯২ রানে দিয়েন্দ্রা ডট্টিনের স্লোয়ার বলে টেইলরের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ভিল্লানি। তবে আউট হবার আগে ক্যারিয়ারের অষ্টম অর্ধশতক তুলে নেন তিনি।

    এরপর এলিশ পেরিকে নিয়ে ৪২ রানের আরও এক্তি দারুন জুটি গড়েন ল্যানিং। আনিশা মোহাম্মদের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পরার আগে ক্যারিয়ারের নবম অর্ধশতক তুলে নেন তিনি।

    ভিল্লানি এবং ল্যানিং উভয়ই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫২ রান করে করেন। তবে ল্যানিংয়ে চেয়ে বেশি বিধ্বংসী ছিলেন ভিল্লানি। মাত্র ৩৭ বলে ৯টি চারের সাহায্যে এ রান করেন ভিল্লানি। আর ৪৯ বল মোকাবেলা করে ৮টি চারের সাহায্যে এ রান করেন ল্যানিং।

    শেষ দিকে পেরির ২৮ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান করে অস্ট্রেলিয়া। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ডট্টিন ৩৩ রানে ২টি উইকেট পান। এছাড়া ১টি করে উইকেট নেন ম্যাথিউজ ও আনিশা।

  • অবশেষে পদত্যাগ করলেন আফ্রিদি

    অবশেষে পদত্যাগ করলেন আফ্রিদি

    এবিএনএ : অবশেষে অনেক জল্পনা-কল্পনা আর সমালোচনার পর অধিনায়কত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন পাকিস্তান দলের অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি।

    ভারতের মাটিতে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপে পাকিস্তান দলের বাজে পাফরম্যান্সের পর এমন সিদ্ধান্ত নেন এ অলরাউন্ডার।

    আজ রোববার বিকেলে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে একটি প্রেস রিলিজ এর মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।