Category: আমেরিকা

  • যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বড় অভিবাসী আটক কেন্দ্র

    যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বড় অভিবাসী আটক কেন্দ্র

    এবিএনএ:  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার টেক্সাসে একটি সামরিক ঘাঁটিতে গড়ে তোলা হবে দেশের সবচেয়ে বড় ফেডারেল অভিবাসী আটক কেন্দ্র।

    বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফোর্ট ব্লিস নামক সামরিক ঘাঁটিতে প্রাথমিকভাবে এক হাজার অভিবাসীকে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অভিবাসন নীতিরই অংশ।

    পেন্টাগনের দেওয়া তথ্যমতে, অভিবাসীদের আটক করার জন্য সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করার বিষয়টি এই প্রথম নয়, তবে এবার এটি আরও বৃহৎ আকারে বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে।

    ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে কঠোর নীতি গ্রহণ করেছেন। সীমান্তে নজরদারি জোরদার হয়েছে, অনেকে তাদের বৈধ অভিবাসন মর্যাদা হারিয়েছেন, এবং কিছু অভিবাসীকে গুয়ান্তানামো বে-তে স্থানান্তরও করা হয়েছে।

    তবে পরিকল্পনার তুলনায় বাস্তবে পাঠানো ব্যক্তির সংখ্যা এখনো তুলনামূলকভাবে কম।

    নতুন এই পরিকল্পনার মাধ্যমে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

  • “আমি গোয়েন্দা কমিটিতে ছিলাম”—তারযুক্ত হেডফোন নিয়ে কমলা হ্যারিসের সতর্কবার্তা ঘিরে বিতর্ক

    “আমি গোয়েন্দা কমিটিতে ছিলাম”—তারযুক্ত হেডফোন নিয়ে কমলা হ্যারিসের সতর্কবার্তা ঘিরে বিতর্ক

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্রেটিক দলের নেত্রী কমলা হ্যারিস সম্প্রতি প্রযুক্তি ব্যবহারে নিরাপত্তা বিষয়ে একটি মন্তব্য করে ভাইরাল হয়ে উঠেছেন। স্টিফেন কোলবার্টের জনপ্রিয় টক শো-তে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “আমি কখনোই ওয়্যারলেস ইয়ারফোন ব্যবহার করি না, বিশেষ করে গোপন বা গুরুত্বপূর্ণ ফোনকলে।”

    কমলা ব্যাখ্যা করেন, “আমি সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সদস্য ছিলাম এবং গোপন নথি সম্পর্কিত ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমি জানি, ট্রেনে বসে AirPods দিয়ে ফোন করা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “তারযুক্ত হেডফোন তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি নিরাপদ।”

    এই মন্তব্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। কেউ বলেছেন, এমন একজন উচ্চপদস্থ রাজনীতিবিদের কাছ থেকে এই ধরনের সতর্কতা প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে। অনেকে বিষয়টিকে গ্রহণযোগ্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখলেও, কেউ কেউ ব্যঙ্গও করেছেন।

    একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, “সরকার যদি আমার AirPods দিয়ে কথা শুনতে চায়, তাহলে তারা শুধু শুনবে আমি এক সপ্তাহ ধরে এক গান বাজিয়ে চলেছি!”

    অন্যদিকে, একই সাক্ষাৎকারে কমলা হ্যারিস জানান, তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার আসন্ন গভর্নর নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না। বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে তিনি ‘ভঙ্গুর’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “এই ব্যবস্থায় আমি আপাতত আর ফিরতে চাই না।”

    তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ব্যক্তিগত ও জাতীয় নিরাপত্তা—দুটোই হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেই মনে করছেন সাবেক এই গোয়েন্দা কমিটির সদস্য। তাঁর এই সতর্কতা এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

  • ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি নিয়ে উত্তেজনা, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অনিশ্চয়তায়

    ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি নিয়ে উত্তেজনা, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অনিশ্চয়তায়

    এবিএনএ:  ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রতিনিধি মার্ক কার্নি জানান, গাজার মানবিক পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটছে এবং এটি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এজন্যই সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কানাডার।

    এই ঘোষণার মাত্র ১২ ঘণ্টা পর ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, “ওয়াও! কানাডা এখন বলছে তারা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। এতে তাদের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করাটা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। ওহ কানাডা!!!”

    ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন তার প্রশাসন ‘লিবারেশন ডে’ নামে নতুন শুল্কনীতি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

    এই নীতিতে যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এখনো আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি হয়নি, তাদের পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হবে। যদি চুক্তি আজকের মধ্যে না হয়, তাহলে আগামী শুক্রবার থেকে কানাডার পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক বসানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

    ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সম্পন্ন করেছে। তবে চীন ও মেক্সিকোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার এখনও চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি।

    এদিকে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সও ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন মাত্রার কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

    গাজায় খাদ্য ও মানবিক সংকটও দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে। বুধবার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অপুষ্টিতে আরও সাতজন মারা গেছে।

    এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প বলেন, “গাজায় বাস্তবেই মানুষ অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। আমি ইসরায়েলের সঙ্গে একত্রে কাজ করছি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে।”

    মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ বুধবার ইসরায়েলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

  • নিউ ইয়র্কে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তা

    নিউ ইয়র্কে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তা

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে বন্দুকধারীর ভয়াবহ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম (৩৬)। সোমবার সন্ধ্যায় ম্যানহাটনের একটি বহুতল ভবনে ঘটে যাওয়া এই হামলায় দিদারুলসহ মোট পাঁচজন নিহত হন।

    নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, দিদারুল ওই ভবনের নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি, তিনি নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টে (NYPD) সাড়ে তিন বছর ধরে কর্মরত ছিলেন।

    👪 পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন

    দিদারুল ইসলাম থাকতেন বঙ্কস কাউন্টিতে। তার স্ত্রী গর্ভবতী এবং তাঁদের সংসারে রয়েছে দুই সন্তান। পরিবারের তৃতীয় সন্তান এখনো পৃথিবীর আলো দেখেনি। দিদারুলের অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর শুনেই আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবেরা রাস্তায় নেমে আসেন।

    🔫 হামলার বিস্তারিত

    নিউ ইয়র্ক পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ জানিয়েছেন, বন্দুকধারী শেন ডেভন তামুরা (২৭) একটি কালো রঙের বিএমডব্লিউ গাড়িতে করে ঘটনাস্থলে আসে।

    ঘটনার সময় তার গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় একটি লোডেড রিভলবার, রাইফেলের কেস, ম্যাগজিন ও কিছু ওষুধ। তদন্তে জানা গেছে, তামুরা চারজনকে গুলি করে হত্যা করার পর নিজেও আত্মহত্যা করে।

    পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই তামুরা নেভাদা থেকে গাড়ি চালিয়ে নিউ ইয়র্কে আসে। তবে, সে কেন এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

    🕵️‍♀️ তদন্তের অগ্রগতি

    এফবিআই জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে শেন তামুরার বিরুদ্ধে কোনো পূর্ব রেকর্ড পাওয়া যায়নি। তার এই আচরণের পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পাওয়া না গেলেও তদন্ত চলছে।

    এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিউ ইয়র্কবাসী এবং বাংলাদেশি কমিউনিটি গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দিদারুল ইসলামকে স্মরণ করছে সবাই এক সাহসী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারূপে, যিনি নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন।

  • গোপালগঞ্জে সহিংসতার প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

    গোপালগঞ্জে সহিংসতার প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক গ্রেফতারের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে স্টেট ডিপার্টমেন্টের সামনে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচির আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ।

    গত ২৫ জুলাই, শুক্রবার বিকেলে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ।

    সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ছাড়াও নিউইয়র্ক স্টেট ও মহানগর আওয়ামী লীগ, ওয়াশিংটন মেট্রো আওয়ামী লীগ, ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ড স্টেট আওয়ামী লীগ, মহিলা লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    সমাবেশে নিউইয়র্ক থেকে আসার পথে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে টেলিফোনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা।

    প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন এবং অন্তত ৫০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে পুলিশ ও সংবাদকর্মীও রয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে প্রতিবাদী অবস্থান জানান।

    বক্তারা বলেন, “গণতন্ত্রবিরোধী ও ষড়যন্ত্রমূলক এই কর্মসূচির নামে দেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের শান্তিকামী নেতাকর্মীদের ওপর অপপ্রচার চালিয়ে সহিংসতার দায় চাপানো হচ্ছে।”

    তারা আরও জানান, গোপালগঞ্জে যারা সহিংসতা করেছে, তারা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে, আর সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলকে সচেতন করতেই এ কর্মসূচি।

  • ট্রাম্পের ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ অভিযোগে ওবামার জবাব: ‘হাস্যকর ও বিপজ্জনক দাবি’

    ট্রাম্পের ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ অভিযোগে ওবামার জবাব: ‘হাস্যকর ও বিপজ্জনক দাবি’

    এবিএনএ:  সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ অভিযোগের পর এবার মুখ খুললেন বারাক ওবামা। ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁর জয় নিশ্চিত হওয়ার পর ওবামা একটি পরিকল্পিত বিদ্রোহ চালিয়ে তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা করেছিলেন। ট্রাম্পের এ বক্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর, বিপজ্জনক এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ওবামার দপ্তর।

    ওবামার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সাধারণত হোয়াইট হাউস থেকে আসা অযৌক্তিক দাবি ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের প্রতি আমরা প্রতিক্রিয়া দিই না, কারণ প্রেসিডেন্টের দপ্তরের মর্যাদা বজায় রাখতে চাই। তবে ট্রাম্পের এই অভিযোগ এতটাই ভয়াবহ ও বানোয়াট যে, এটি মোকাবিলা করাই যুক্তিযুক্ত।”

    ওবামার দপ্তর জানায়, ট্রাম্প যে তথাকথিত প্রমাণের কথা বলেছেন, তা মূলত ১১ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন, যা সম্প্রতি ‘ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স’ হিসেবে পরিচিত তুলসী গ্যাবার্ড প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, ওবামার প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা রাষ্ট্রদ্রোহমূলক ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন এবং বিচার বিভাগের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

    তবে ওবামার কার্যালয় সেই প্রতিবেদনকে ‘একপেশে ও ভুল ব্যাখ্যায় পরিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দেয় এবং জানায়—এটি ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি অস্বীকার করে না। বরং ২০২০ সালে মার্কিন সিনেটের গোয়েন্দা কমিটির প্রকাশিত এক দ্বিদলীয় রিপোর্টে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের প্রমাণ আরও দৃঢ়ভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল বলে মনে করিয়ে দেয় ওবামার দপ্তর।

    ট্রাম্প এই অভিযোগ উত্থাপন করেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গে এক বৈঠকে। সেখানেই তিনি ওবামাকে বিদ্রোহের ‘নেতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, “বারাক হুসেইন ওবামা নেতৃত্বে ছিলেন। এটা ছিল এক রাষ্ট্রদ্রোহী প্রচেষ্টা। নির্বাচন চুরি করতে চেয়েছিল তারা।”

    তবে এই অভিযোগের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মত বিশ্লেষকদের। সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ফাল্টন আর্মস্ট্রং এই প্রতিবেদনকে ‘পূর্বনির্ধারিত রাজনৈতিক নাটক’ বলে বর্ণনা করে বলেন, “এটি বিভ্রান্তিকর, অপেশাদার এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি।”

    ওবামার পক্ষ থেকে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেওয়ার ঘটনা বিরল। বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর জবাব মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে দুই পক্ষের কৌশলিক লড়াই এখন আরও প্রকাশ্য হয়ে উঠছে।

  • নিউইয়র্ক-নিউজার্সিতে হঠাৎ বন্যা, জরুরি অবস্থা জারি — ঘরেই থাকতে অনুরোধ

    নিউইয়র্ক-নিউজার্সিতে হঠাৎ বন্যা, জরুরি অবস্থা জারি — ঘরেই থাকতে অনুরোধ

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ও নিউজার্সিতে টানা ভারী বৃষ্টির ফলে সৃষ্টি হয়েছে আকস্মিক বন্যা। সোমবার স্থানীয় সময় বৃষ্টির তীব্রতায় ডুবে যায় শহরের বহু নিম্নাঞ্চল। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, নিউজার্সির গভর্নর ফিল মার্ফে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য হন। একইসঙ্গে নাগরিকদের ঘরে অবস্থান করার আহ্বান জানান।

    বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে বহু রাস্তা ও সাবওয়ে স্টেশন। ম্যানহাটনের একটি সাবওয়ে স্টেশনের ভিডিওতে দেখা যায়, প্ল্যাটফর্ম পানিতে ঢেকে গেছে এবং ট্রেনের ভেতর পর্যন্ত পানি ঢুকে পড়েছে। যাত্রীরা আসনে উঠে দাঁড়িয়ে থেকেছেন শুধু পানিতে না ভিজতে।

    এদিকে, শুধু নিউইয়র্ক ও নিউজার্সিই নয়, আশপাশের পেনসিলভেনিয়া ও অন্যান্য রাজ্যেও জারি করা হয়েছে বন্যা সতর্কতা। বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব পেনসিলভেনিয়ায় মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে পড়ে গেছে ৭ ইঞ্চির বেশি বৃষ্টি, যা বহু বাড়ি ও গাড়িতে পানি ঢোকায় বিপর্যয় সৃষ্টি করে। কোথাও কোথাও ঘরের ভেতর পর্যন্ত ৫ ফুটের মতো পানি উঠেছে।

    নিউইয়র্ক সিটির সাবওয়ের অনেক লাইন বন্ধ হয়ে যায়, যেগুলো চালু ছিল সেগুলোর ট্রেন চলেছে দীর্ঘ বিলম্বে। ওয়েস্টচেস্টার কাউন্টিতে অনেক গাড়ি পানি আটকে পড়ায় উদ্ধার অভিযান চালাতে হয় জরুরি বিভাগের কর্মীদের।

    নিউজার্সির বিভিন্ন বাস ও ট্রেনও নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে পারেনি। শহরের যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়ে।

    বিকেল নাগাদ বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে এলে পানি নামতে শুরু করে। তবে অনেক জায়গায় এখনো পানি জমে রয়েছে, জনদুর্ভোগ এখনো শেষ হয়নি।

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর না মিললেও ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • বন্যায় বিপর্যস্ত টেক্সাসে ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক সফর, নিখোঁজ শতাধিক

    বন্যায় বিপর্যস্ত টেক্সাসে ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক সফর, নিখোঁজ শতাধিক

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্য ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ জনে, এবং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৬১ জন। এমন দুর্যোগের মধ্যে পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে হঠাৎ করেই টেক্সাসে হাজির হলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    শুক্রবার ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে এয়ারফোর্স ওয়ানে করে তিনি পৌঁছান সান অ্যান্টোনিওর কাছের একটি বিমানঘাঁটিতে। সেখান থেকে সড়কপথে কেরভিল শহরে যান। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন।

    গত এক সপ্তাহ ধরে টানা ভারি বৃষ্টির ফলে নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে। এতে বহু ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে, বন্যার স্রোতে ভেসে গেছে শিশুদের সামার ক্যাম্প, যানবাহন এবং অসংখ্য মানুষ। উদ্ধার তৎপরতা এখনো চলছে।

    বন্যার শুরু থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তুতি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দেয়। বিরোধীরা অভিযোগ করে, সরকারি তৎপরতা ছিল শ্লথ। এ অবস্থায় প্রেসিডেন্টের এই সফর অনেকটাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং জনগণের আস্থা ফেরাতেই উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই এটি ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার চ্যালেঞ্জ। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি দ্রুত ত্রাণ বিতরণ, আশ্রয়কেন্দ্রের উন্নয়ন এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের আশ্বাস দেন।

    বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন সহায়তার আশায় তাকিয়ে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। ট্রাম্পের এ সফর ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন।

  • ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ছয় সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট বরখাস্ত, নিরাপত্তা ব্যর্থতায় প্রশ্নচিহ্ন

    ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ছয় সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট বরখাস্ত, নিরাপত্তা ব্যর্থতায় প্রশ্নচিহ্ন

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর পেনসিলভানিয়ায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় হওয়া হামলার ঘটনায় বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায়ে সিক্রেট সার্ভিসের ছয়জন সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

    সিক্রেট সার্ভিস এক বিবৃতিতে জানায়, সংশ্লিষ্ট ছয়জন কর্মকর্তাকে ১০ থেকে ৪২ দিনের জন্য ডিউটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। যদিও এজেন্টদের নাম বা বরখাস্তের নির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি।

    ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই, বাটলার শহরের একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একটি ছাদ থেকে গুলি চালানো হয়। ঘটনায় ট্রাম্প আহত হলেও তার এক সমর্থক প্রাণ হারান। গুলিবর্ষণের পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়।

    এই হামলার জেরে সিক্রেট সার্ভিসের বিরুদ্ধে শুরু হয় ব্যাপক তদন্ত। একাধিক খামতির অভিযোগ ওঠে এবং সংস্থার তৎকালীন পরিচালক পদত্যাগ করেন।

    ট্রাম্প এ বিষয়ে ফক্স নিউজে লারা ট্রাম্পের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “যদি ঐ ছাদে একজন নিরাপত্তা কর্মী থাকত, তবে এমন ঘটনা ঘটত না। স্থানীয় পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি, এটা মারাত্মক ভুল।”

    বর্তমানে সংস্থার পরিচালক পদে থাকা শন কারান জানান, ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে একাধিক নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কংগ্রেসের দেয়া ৪৬টি সুপারিশের মধ্যে ২১টি ইতোমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানান তিনি। বাকি ১৬টি প্রক্রিয়াধীন এবং ৯টি সংস্থার আওতার বাইরে।

    উল্লেখ্য, এই ঘটনার দুই মাস পরই ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে ট্রাম্পের একটি গলফ ক্লাবে দ্বিতীয়বার হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটে। সেবার একজন অস্ত্রধারী ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে ছিলেন ট্রাম্পকে হত্যার উদ্দেশ্যে। তবে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের তৎপরতায় হামলার আগেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    এরপর থেকেই ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ও নির্বাচনী কার্যক্রমের আশেপাশে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে গলফ ক্লাবসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত স্থানে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

    এই ঘটনায় মার্কিন রাজনীতিতে আবারও নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রশ্ন নতুনভাবে উঠে এসেছে।

  • ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতে দরিদ্র দেশগুলোর কোটি টাকার লবিং যুদ্ধ!

    ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতে দরিদ্র দেশগুলোর কোটি টাকার লবিং যুদ্ধ!

    এবিএনএ: বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল কয়েকটি দেশ মার্কিন প্রভাবশালী রাজনীতিক ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ লবিস্টদের মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করছে। তাদের উদ্দেশ্য— ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা বজায় রাখা বা পুনরুদ্ধার করা।

    সোমালিয়া, হাইতি, ইয়েমেনসহ অন্তত ১১টি দেশ ইতোমধ্যে ট্রাম্প-সম্পর্কিত লবিস্টদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এসব দেশের বেশিরভাগই মার্কিন ত্রাণ সংস্থা ইউএসএইড-এর পূর্বতন সুবিধাভোগী। ট্রাম্প জানুয়ারিতে পুনরায় প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পরই ইউএসএইড বন্ধের ঘোষণা দেন, যা গত সপ্তাহে কার্যকর হয়েছে।

    গ্লোবাল উইটনেসের তদন্ত বলছে, ইউএসএইড বন্ধ হওয়ার পর কিছু দেশ তাদের প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে খনিজ সম্পদ, ব্যবহার করে রাজনৈতিক লবিংয়ে জড়িয়েছে। এর মধ্যে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো উল্লেখযোগ্য, যারা মার্কিন খনিজ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ১৭ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ লবিং ফার্ম ব্যালার্ড পার্টনার্সের সঙ্গে ১২ লাখ ডলারের চুক্তি করে কঙ্গো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিশ্চিত করতে চাইছে।

    উল্লেখ্য, ব্যালার্ড পার্টনার্স ২০১৬ সাল থেকেই ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ, এমনকি তাঁর নির্বাচনী প্রচারে অন্যতম বড় দাতা হিসেবেও পরিচিত।

    এদিকে, সোমালিয়া ও ইয়েমেন বিজিআর গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স নামক লবিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে যথাক্রমে ৫.৫ লাখ ও ৩.৭২ লাখ ডলারে। বিজিআরের সাবেক অংশীদার শন ডাফি বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

    বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই চুক্তিগুলো মানবিক সাহায্যের বদলে প্রাকৃতিক সম্পদের বিনিময়ে হতে পারে, যা দারিদ্র্যপীড়িত দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে আরও দুর্বল করে তুলবে। গ্লোবাল উইটনেসের ট্রানজিশন মিনারেল বিভাগের প্রধান এমিলি স্টুয়ার্ট বলেন, “এই দেশগুলো এখন আরও বেশি মরিয়া। ফলে তারা তাদের মূল্যবান সম্পদ শোষণের ঝুঁকিতে পড়ছে।”

    বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও প্রভাব বিস্তারের লড়াইয়ে, ধনী দেশগুলোর সঙ্গে দরিদ্র দেশগুলোর এমন সম্পর্ক নতুন করে ভাবনার জন্ম দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।