Category: আমেরিকা

  • মাঝ-আকাশেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি: যুক্তরাষ্ট্রে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই উড়োজাহাজ, নিহত পাইলট

    মাঝ-আকাশেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি: যুক্তরাষ্ট্রে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই উড়োজাহাজ, নিহত পাইলট

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যে মাঝ আকাশে ভয়াবহ উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। হ্যামন্টন মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরের ওপর আকাশে দুটি ছোট উড়োজাহাজের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন পাইলট প্রাণ হারিয়েছেন এবং অপরজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, রোববার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সংঘর্ষের পর একটি উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত পাক খেতে খেতে নিচে পড়ে যায় এবং আগুন ধরে যায়। পরে উদ্ধারকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত উড়োজাহাজ দুটি ছিল এনস্ট্রম এফ-২৮এ এবং এনস্ট্রম ২৮০সি মডেলের। প্রতিটি উড়োজাহাজে কেবল একজন করে পাইলট ছিলেন। দুর্ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং অপর পাইলটকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    দুর্ঘটনাস্থলের কাছের একটি ক্যাফের মালিক সাল সিলিপিনো জানান, নিহত ও আহত দুই পাইলটই নিয়মিত তার ক্যাফেতে আসতেন। তিনি বলেন, “আমি নিজেই তাদের উড্ডয়ন করতে দেখেছি। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একটি উড়োজাহাজ ঘুরতে শুরু করে, তারপর আরেকটিও নিয়ন্ত্রণ হারায়। মুহূর্তের মধ্যেই সব শেষ।”

    হ্যামন্টনের বাসিন্দা ড্যান ডেমশেক স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তিনি জিম থেকে বের হওয়ার সময় বিকট শব্দ শুনে আকাশের দিকে তাকান এবং উড়োজাহাজ দুটিকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘুরতে দেখেন।

    প্রায় ১৫ হাজার জনসংখ্যার শহর হ্যামন্টন নিউ জার্সির আটলান্টিক কাউন্টিতে অবস্থিত, যা ফিলাডেলফিয়া থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।

    এই দুর্ঘটনার কারণ জানতে এফএএ ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাইলটদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হয়েছিল কি না এবং তারা একে অপরকে সময়মতো দেখতে পেয়েছিলেন কি না—এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব পাবে।

  • গ্রিনল্যান্ড ‘আমাদেরই চাই’—বিশেষ দূত নিয়োগের পর ট্রাম্পের বক্তব্যে উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতি

    গ্রিনল্যান্ড ‘আমাদেরই চাই’—বিশেষ দূত নিয়োগের পর ট্রাম্পের বক্তব্যে উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতি

    এবিএনএ: গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আবারও কঠোর ও বিতর্কিত অবস্থান নিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বীপটির জন্য বিশেষ দূত হিসেবে লুইজিয়ানার গভর্নর জেফ ল্যান্ড্রিকে নিয়োগ দেওয়ার পর তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন—যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি তাদের “অবশ্যই প্রয়োজন”।

    বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আর্কটিক অঞ্চলে কৌশলগত আধিপত্য বজায় রাখতে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিকল্পনার অপরিহার্য অংশ। তাঁর এমন মন্তব্যে ইউরোপজুড়ে শুরু হয়েছে কূটনৈতিক আলোড়ন।

    ডেনমার্কের অংশ হলেও আধা-স্বায়ত্তশাসিত গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে কোপেনহেগেন। ডেনিশ সরকার জানিয়েছে, বিষয়টির ব্যাখ্যা জানতে তারা ওয়াশিংটনে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে তলব করবে।

    গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স–ফ্রেডেরিক নিলসেন স্পষ্ট করে বলেছেন, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র গ্রিনল্যান্ডবাসীর। তিনি ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জনগণের মতামতকে সম্মান করার আহ্বান জানান।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত করার প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখাই তাঁর দায়িত্ব। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের অধিকাংশ নাগরিকই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার বিপক্ষে।

    ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে বলেন, ইউরোপ আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটল থাকবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, আর্কটিক অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার, নতুন নৌপথের নিয়ন্ত্রণ এবং খনিজ সম্পদের দখল নিশ্চিত করাই ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। বরফ গলে যাওয়ায় এই অঞ্চলটি এখন বৈশ্বিক শক্তিগুলোর জন্য নতুন প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ড ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনায় দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যা এখনও কৌশলগতভাবে সক্রিয়।

    এর আগে চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস–প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ওই সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন করে গ্রিনল্যান্ডবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    উল্লেখ্য, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০২০ সালে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক–এ যুক্তরাষ্ট্র তাদের কনস্যুলেট পুনরায় চালু করে। বর্তমানে ইউরোপের একাধিক দেশ ও কানাডারও সেখানে সম্মানসূচক কনস্যুলেট রয়েছে।

  • সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ শূন্য: ট্রাম্প

    সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ শূন্য: ট্রাম্প

    এবিএনএ: গত সাত মাসে একজন বিদেশিও অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেননি—এমনই জোরালো দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক নীতির নানা দিক তুলে ধরেন।

    ট্রাম্প বলেন, ভিসা ও সীমান্ত নীতিতে কঠোর অবস্থানের ফলেই অবৈধ অনুপ্রবেশ কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে। তার ভাষায়, অনেকেই বলেছিল এটি অসম্ভব, কিন্তু আমরা করে দেখিয়েছি। কংগ্রেসের নতুন আইন ছাড়াই শক্ত সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের মাধ্যমেই সীমান্ত পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে।

    তিনি আরও দাবি করেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল সীমান্ত পরিস্থিতির মুখে ছিল। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যেই সেটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সীমান্তে রূপ দেওয়া হয়েছে।

    ভাষণে ট্রাম্প শুল্কনীতির কথাও উল্লেখ করেন। তার দাবি, আমদানি শুল্কের কড়াকড়ির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বহু প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে ফিরে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমোবাইল খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    এ ছাড়া শুল্ক প্রয়োগের কৌশল ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক সংঘাত থামানো সম্ভব হয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তার মতে, এভাবে অন্তত আটটি যুদ্ধ বন্ধ করা গেছে, যা বৈশ্বিক রাজনীতিতে বড় সাফল্য।

  • ফিলিস্তিনসহ ৭ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দরজা বন্ধ, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিষেধাজ্ঞা

    ফিলিস্তিনসহ ৭ দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দরজা বন্ধ, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিষেধাজ্ঞা

    এবিএনএ:  ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারী নাগরিকসহ আরও সাতটি দেশের মানুষের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন এই সিদ্ধান্ত আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

    নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো—বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান, সিয়েরা লিওন, লাওস ও সিরিয়া। এর পাশাপাশি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিক যাচাই, নিরাপত্তা স্ক্রিনিং এবং তথ্য বিনিময়ে দীর্ঘদিনের ঘাটতি রয়েছে। জাতীয় ও জননিরাপত্তা সুরক্ষার স্বার্থেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এর আগেও গত নভেম্বরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম স্থগিত করেছিল। ওই তালিকায় আফগানিস্তান, মিয়ানমার, কিউবা, ইরান, হাইতি, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ভেনেজুয়েলা ও ইয়েমেনের মতো দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    পরে ৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোম এক সাক্ষাৎকারে জানান, নিষেধাজ্ঞার তালিকা আরও সম্প্রসারণ করে অন্তত ৩২টি দেশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও নতুন করে যুক্ত দেশগুলোর নাম তখন প্রকাশ করা হয়নি।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন মাসে ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা এবং সাতটি দেশের ওপর আংশিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়, যা এখনো বহাল আছে। পাশাপাশি নতুন করে আরও ১৫টি দেশের ক্ষেত্রে আংশিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে, যার মধ্যে নাইজেরিয়াও রয়েছে।

    ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি আরোপ করে আসছে। সাম্প্রতিক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর পর এসব সিদ্ধান্ত আরও কঠোর হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

  • বিবিসির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা ট্রাম্পের, ভিডিও সম্পাদনা ঘিরে তীব্র বিতর্ক

    বিবিসির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা ট্রাম্পের, ভিডিও সম্পাদনা ঘিরে তীব্র বিতর্ক

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার একটি ভাষণের সম্পাদিত ভিডিও প্রচার করে বিবিসি এমন ধারণা তৈরি করেছে, যেন তিনি সমর্থকদের যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলে সহিংস হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    মামলায় ট্রাম্প দুটি অভিযোগ এনেছেন এবং প্রতিটির জন্য ৫ বিলিয়ন ডলার করে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তার দাবি, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ভাষণের বিভিন্ন অংশ কৌশলগতভাবে জোড়া লাগিয়ে বিবিসি তার বক্তব্যকে বিকৃত করেছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, এক অংশে ট্রাম্প সমর্থকদের ক্যাপিটলের দিকে এগিয়ে যেতে বলেছিলেন এবং অন্য অংশে ‘ফাইট লাইক হেল’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেছিলেন। তবে যে অংশে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন, সেটি ভিডিও থেকে বাদ দেওয়া হয়।

    বিবিসি এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং স্বীকার করেছে যে, সম্পাদনার সিদ্ধান্তের কারণে দর্শকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তবে সংস্থাটির দাবি, এই মামলার কোনো শক্ত আইনি ভিত্তি নেই।

    রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত বিবিসি যুক্তরাজ্যে টিভি লাইসেন্স ফি থেকে অর্থ পায়। ব্রিটিশ আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ কারণে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলে বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর হয়ে উঠতে পারে।

    নিজেদের ১০৩ বছরের ইতিহাসে অন্যতম বড় সংকটের মুখে পড়ে বিবিসি জানিয়েছে, বিতর্কিত ওই তথ্যচিত্র আর কোনো প্ল্যাটফর্মে পুনঃপ্রচার করা হবে না। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে ‘প্যানোরামা’ অনুষ্ঠানে ক্লিপটি প্রচারিত হয়, যার জেরে সংস্থাটির দুই শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন।

    ট্রাম্পের আইনজীবীদের দাবি, এই সম্প্রচারের ফলে তার সুনাম ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি একটি অভ্যন্তরীণ মাননিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত মেমো ফাঁস হওয়ার পর তথ্যচিত্রটির সম্পাদনা নিয়ে সমালোচনা আরও জোরদার হয়।

    এই মামলা যুক্তরাষ্ট্রে দায়ের করা হয়েছে, কারণ ব্রিটেনে মানহানি মামলার সময়সীমা ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে। তবে মার্কিন আইনে মামলায় সফল হতে হলে ট্রাম্পকে প্রমাণ করতে হবে যে, বিবিসি ইচ্ছাকৃতভাবে বা বেপরোয়াভাবে দর্শকদের বিভ্রান্ত করেছে।

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিবিসি যুক্তি দিতে পারে যে, তথ্যচিত্রটির সামগ্রিক উপস্থাপনা সত্যনিষ্ঠ ছিল এবং এতে ট্রাম্পের সুনামের ক্ষতি হয়নি।

    এর আগে সিবিএস ও এবিসিসহ একাধিক মার্কিন গণমাধ্যমের সঙ্গে ট্রাম্প সমঝোতায় পৌঁছান। তিনি নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং আইওয়ার একটি পত্রিকার বিরুদ্ধেও পৃথক মামলা করেছেন, যদিও সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

  • বিশ্ব রাজনীতিতে বড় চমক? রাশিয়া–চীন–ভারতকে নিয়ে ‘কোর-৫’ জোটের ভাবনায় ট্রাম্প

    বিশ্ব রাজনীতিতে বড় চমক? রাশিয়া–চীন–ভারতকে নিয়ে ‘কোর-৫’ জোটের ভাবনায় ট্রাম্প

    এবিএনএ: বিশ্ব রাজনীতির প্রচলিত সমীকরণ পাল্টে দিতে পারে—এমন এক নতুন জোট গঠনের চিন্তাভাবনা ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি রাশিয়া, চীন, ভারত ও জাপানকে সঙ্গে নিয়ে ‘কোর-৫’ নামে একটি নতুন শক্তিকেন্দ্র গঠনের পরিকল্পনা করছেন—এমন জল্পনা ছড়িয়েছে কূটনৈতিক মহলে।

    মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্রকাশিত হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি নথিতে এই ধারণার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। প্রস্তাবিত এই জোট কার্যত ইউরোপপ্রধান জি৭ এবং আদর্শভিত্তিক প্রচলিত পশ্চিমা জোটগুলোকে পাশ কাটিয়ে চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, কোর-৫ ফোরামে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি থাকবে চীন, রাশিয়া, ভারত ও জাপান। জি৭-এর আদলে নির্দিষ্ট বৈশ্বিক ইস্যুতে শীর্ষ বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনাও থাকতে পারে। প্রাথমিক আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, বিশেষ করে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

    যদিও হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো বিকল্প বা গোপন নথির অস্তিত্ব অস্বীকার করেছে, তবু যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছে—এই ধারণা ট্রাম্পের রাজনৈতিক ও কৌশলগত চিন্তার প্রতিফলন হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপকে এই জোটের বাইরে রাখার ভাবনা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছে, এতে রাশিয়ার প্রভাব ইউরোপে আরও জোরদার হতে পারে। অন্যদিকে, সাবেক মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, কোর-৫ বাস্তবায়িত হলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত চীন নীতিতেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেবে।

    সব মিলিয়ে, কোর-৫ জোট আপাতত আলোচনার স্তরেই থাকলেও, এই ধারণা বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে আন্তর্জাতিক মহলকে।

  • ট্রাম্পের নতুন ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা আলোচনায়: কোটি টাকার বিনিময়ে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ

    ট্রাম্পের নতুন ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা আলোচনায়: কোটি টাকার বিনিময়ে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন, যা অভিবাসনের একটি নতুন পথ হিসেবে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই ভিসা পেতে আবেদনকারীদের গুনতে হবে বড় অঙ্কের অর্থ—১০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১২ কোটি টাকার বেশি। এই অর্থ পরিশোধ করলেই দ্রুততম সময়ে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এছাড়া কোনো দেশি বা বিদেশি কোম্পানি যদি যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী নিতে চায়, তবে তা স্পনসর করতে হবে ২০ লাখ ডলারের বিনিময়ে। হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেছেন, “ট্রাম্প গোল্ড কার্ড চালু হওয়া নিঃসন্দেহে একটি উত্তেজনাপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    গোল্ড কার্ড ভিসা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য চালু করা হয়েছে একটি সরকারি ওয়েবসাইট—যেখানে জানানো হয়েছে, ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) প্রক্রিয়ার জন্য ১৫ হাজার ডলার ফি এবং ব্যাকগ্রাউন্ড চেক অনুমোদনের পর ১০ লাখ ডলার অনুদান দিলেই দ্রুততম সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ মিলবে।

    আবেদনের সব নথি জমা দেওয়ার পর কিছু সপ্তাহের মধ্যে সাক্ষাৎকারসহ পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনকারীর ধরন অনুযায়ী স্টেট ডিপার্টমেন্ট অতিরিক্ত ফিও নিতে পারে।

    ওয়েবসাইট জানায়, সফল আবেদনকারীকে ইবি-১ বা ইবি-২ ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ও স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা দেওয়া হবে। সাধারণত অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের এই ভিসা প্রদান করা হয়।

    এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ‘প্লাটিনাম কার্ড’ নামের আরও একটি উচ্চমূল্যের ভিসা চালুর আগাম ঘোষণা দিয়েছে। ৫০ লাখ ডলার প্রদান করলে আবেদনকারীরা বছরে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অর্জিত আয়ের ওপর কোনো কর আরোপ করা হবে না।

  • এক বছরে রেকর্ড ৮৫ হাজার মার্কিন ভিসা বাতিল: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ বেড়েছে

    এক বছরে রেকর্ড ৮৫ হাজার মার্কিন ভিসা বাতিল: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ বেড়েছে

    এবিএনএ: চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা নীতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় কঠোর হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৮৫ হাজারেরও বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ স্টুডেন্ট ভিসা, যা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

    গত সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, গত বছরের তুলনায় ভিসা বাতিলের সংখ্যা এবার দ্বিগুণ হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে অন্তত আট হাজার শিক্ষার্থীকে দেওয়া ভিসা বাতিল করা হয়েছে, যা উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রমুখী তরুণদের জন্য অস্বস্তিকর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাতে আরও জানানো হয়, গত এক বছরে যেসব ভিসা বাতিল করা হয়েছে তার প্রায় অর্ধেকের পেছনে রয়েছে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা বা চুরির মতো অপরাধের অভিযোগ। তবে অবশিষ্ট ভিসা বাতিলের কারণ বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

    অতিরিক্তভাবে, মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা থাকা, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি অথবা ‘সন্ত্রাসে সমর্থন’–সংক্রান্ত অভিযোগও কিছু ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে মার্কিন প্রশাসন।

    নতুন এই কঠোর নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, বিশেষ করে যারা যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করছেন।

  • ভারতকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের—নতুন নিরাপত্তা কৌশলে সম্পর্ক আরও জোরদারের বার্তা

    ভারতকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের—নতুন নিরাপত্তা কৌশলে সম্পর্ক আরও জোরদারের বার্তা

    এবিএনএ: পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সর্বশেষ কৌশলগত নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে (ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি) ভারতকে সরাসরি ‘গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের সঙ্গে আরও দৃঢ় ও দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

    গত শুক্রবার প্রকাশিত নথিতে পশ্চিম গোলার্ধসহ পুরো আমেরিকা মহাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রাধান্য’ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে বৈরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা এড়িয়ে তাইওয়ানের নিরাপত্তা রক্ষা এবং ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে ভারতের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বাইডেন প্রশাসনের সময় ২০২২ সালে প্রকাশিত কৌশলগত নথির তুলনায় এবার চীনের প্রতিযোগী ভূমিকা বা চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনোযোগ তেমন দেওয়া হয়নি। বরং যুক্তরাষ্ট্র-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

    নথিতে উল্লেখ করা হয়, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানো এবং কোয়াড জোট—যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করে—মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা স্থিতি বজায় রাখায় নয়াদিল্লির আরও সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে ওয়াশিংটন। এছাড়া ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় অর্ধেকের উৎস এবং ভবিষ্যতের অন্যতম ভূ-রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

    এদিকে পেন্টাগনের সাবেক কর্মকর্তা মাইকেল রুবিন মন্তব্য করেছেন যে ট্রাম্পের ‘অযোগ্যতা’ ওয়াশিংটন–নয়াদিল্লি সম্পর্ককে দুর্বল করেছে, যার ফলে ভারত ও রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়েছে। তাঁর দাবি, এই সুযোগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারতকে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন। রুবিন আরও প্রশ্ন তুলেছেন—ট্রাম্প কি পাকিস্তানের প্রভাব বা অনুকূলে নেওয়া কোনো ঘুষে প্রভাবিত হয়েছেন?

  • বাইডেনকে ‘স্লিপি জো’ খেতাব দেওয়ার পর বৈঠকেই ট্রাম্পের চোখজুড়ানো ঘুমন্ত অবস্থা

    বাইডেনকে ‘স্লিপি জো’ খেতাব দেওয়ার পর বৈঠকেই ট্রাম্পের চোখজুড়ানো ঘুমন্ত অবস্থা

    এবিএনএ: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ঠাট্টা করে ‘স্লিপি জো’ বলার পরপরই নিজেই বৈঠকে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত দীর্ঘ সময়ের মন্ত্রিসভার সভায় একাধিকবার তার চোখ ঝাপসা হয়ে আসতে দেখা যায়, এমনটাই জানিয়েছে সিএনএন।

    ২ ঘণ্টা ১৭ মিনিটের বৈঠকে ট্রাম্প কয়েক দফা মনোযোগ হারান বলে ধারণা করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সদস্য যখন তার প্রশংসা করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন ট্রাম্পকে বারবার চোখ বন্ধ করে থাকতে দেখা যায়। ক্যামেরায় ধরা পড়ে—চেয়ারে হেলান দিয়ে আধবোজা চোখে বসে আছেন তিনি, কখনও চোখ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

    সভায় উপস্থিত টেলিভিশন ক্যামেরা পুরো সময়ই ট্রাম্পকে ফোকাস করে রেখেছিল। ফলে তার প্রতিটি ভঙ্গিই স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ক্যাবিনেট সদস্যদের দীর্ঘ বক্তব্য চলাকালীন ট্রাম্পের বারবার তন্দ্রায় ঢলে পড়ার বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় ওঠে আসে।

    বৈঠকের শুরুতেই বাইডেনকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, “স্লিপি জো সত্যিই ঘুমকাতুরে।” এরপরই নিজের চাঙাভাব নিয়ে মন্তব্য করে তিনি দাবি করেন, “আজ আমি ২৫ বছর আগের চেয়েও বেশি উদ্যমী।” তবে বৈঠকে তার আচরণ সেই দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেই প্রতীয়মান হয়।