Category: অর্থ বাণিজ্য

  • স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি: এক ভরিতে কমলো ১,৬৬৮ টাকা!

    স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি: এক ভরিতে কমলো ১,৬৬৮ টাকা!

    এবিএনএ: দেশের বাজারে স্বর্ণপ্রেমীদের জন্য এলো সুখবর। বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, স্থানীয় বাজারে পরিশোধিত (তেজাবী) স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, আগামীকাল (বুধবার) থেকে সারা দেশে স্বর্ণের নতুন দর কার্যকর হবে। নতুন দরের আওতায় ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য ১ হাজার ৬৬৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৬০ টাকা।

    এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি প্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪২৬ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ২ টাকা।

    তবে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২২ ক্যারেট রুপার বর্তমান মূল্য ভরি প্রতি ২ হাজার ৫৭৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি মূল্য ১ হাজার ৫৮৬ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।

    বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে সাময়িক মন্দা ও স্থানীয় বাজারে চাহিদা কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এতে করে স্বর্ণক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা সাময়িক স্বস্তি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • আবারও কলমবিরতির ডাক এনবিআর সংস্কার পরিষদের, সোমবার দেশজুড়ে কর্মসূচি

    আবারও কলমবিরতির ডাক এনবিআর সংস্কার পরিষদের, সোমবার দেশজুড়ে কর্মসূচি

    এবিএনএ: আবারও কলমবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’। আগামী সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে পালিত হবে এ কর্মসূচি। এতে অংশ নেবেন এনবিআরের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

    শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সভাপতি অতিরিক্ত কর কমিশনার হাসান মোহাম্মদ তারেক রিকাবদার এবং মহাসচিব সেহেলা সিদ্দিকা। এসময় তারা জানান, এনবিআরকে বিভক্ত করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও নীতি নামে পৃথক দুটি বিভাগ গঠনের প্রক্রিয়ায় সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব রাখার দাবিতে কর্মসূচির আয়োজন।

    তবে বাজেট পাস সংক্রান্ত সংসদীয় কার্যক্রম থাকায় রোববার কর্মসূচি না হয়ে তা সোমবারে স্থগিত রাখা হয়েছে। ঢাকার দপ্তরগুলোতে অফিস প্রাঙ্গণে কর্মসূচি চললেও দেশের অন্যান্য এলাকায় নিজ নিজ দপ্তরে একই সময়সীমায় পালন করা হবে কর্মসূচি।

    এছাড়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজস্ব ভবনের নিচতলার ফ্লোরে ট্যাক্স, ভ্যাট ও কাস্টমস বিভাগের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সভায় ৩০১ সদস্যের একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে তারেক রিকাবদার সভাপতি ও সেহেলা সিদ্দিকা মহাসচিব মনোনীত হন।

    বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, গত ১৯ জুন ‘কেমন এনবিআর চাই’ শীর্ষক সেমিনারের জন্য কক্ষ বরাদ্দ চাওয়া হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে আবারও নিচতলায় সভা করতে হয়েছে। এনবিআর কর্তৃপক্ষ একইভাবে গত ২ জুনেও কর্মীদের সভায় বাধা দিয়েছিল।

    এছাড়া বৃহস্পতিবার এনবিআরের জারি করা এক অফিস আদেশে ছয়জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয় ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ-২০২৫’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। ঐক্য পরিষদের দাবি, এই কমিটিতে তাদের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি এবং পূর্বে কোনো আলোচনাও হয়নি, যা প্রমাণ করে কর্তৃপক্ষ সংস্কার নিয়ে আন্তরিক নয়।

    এনবিআরের বিতর্কিত দুই ভাগে বিভক্তির প্রস্তাব এবং চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে পূর্বেও কর্মসূচি পালন করেছে ঐক্য পরিষদ। যদিও অর্থ মন্ত্রণালয় আলোচনার আশ্বাস দিয়েছিল, আন্দোলনকারীরা এখনো এনবিআর চেয়ারম্যানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

    সংগঠনের দাবি, আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বদলি ও হয়রানিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং রাজস্ব ভবনের আশপাশে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে উত্তেজনা বাড়ানো হয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

  • সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নামে রেকর্ড অর্থ জমা, এক বছরে বৃদ্ধি ২৩ গুণ!

    সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নামে রেকর্ড অর্থ জমা, এক বছরে বৃদ্ধি ২৩ গুণ!

    এবিএনএ:  সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (SNB)’ সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষে বাংলাদেশের নামে সুইস ব্যাংকে জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৯ কোটি ৮২ লাখ সুইস ফ্রাঁ—বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮,৯৭২ কোটি টাকা। যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ২৩ গুণ বেশি।

    পূর্ববর্তী বছর শেষে এই পরিমাণ ছিল মাত্র ২ কোটি ৬৪ লাখ ফ্রাঁ (প্রায় ৩৯৬ কোটি টাকা)। এ ধরনের উল্লম্ফন সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের অর্থ জমা বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অর্থের ৯৫ শতাংশের বেশি বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর নামে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক পূর্বেও জানিয়েছে, এই টাকা মূলত আমদানি-রপ্তানিভিত্তিক বাণিজ্য কার্যক্রমের অর্থ।

    ২০২৪ সালে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর পাওনা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ কোটি ৬৬ লাখ ফ্রাঁ, যা প্রায় ৮,৬৪৯ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে এই অঙ্ক ছিল মাত্র ৩৫ লাখ ফ্রাঁ বা ৫২ কোটি টাকা। ফলে এক বছরে ব্যাংকগুলোর নামে অর্থের পরিমাণ বেড়েছে ১৬৫ গুণের বেশি।

    ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে গ্রাহক আমানতের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ২০২৩ সালে যা ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ফ্রাঁ, ২০২৪ সালে তা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৬ লাখ ফ্রাঁ। অন্যদিকে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ ৮৬ লাখ ফ্রাঁতে কিছুটা কমেছে।

    এই হঠাৎ প্রবৃদ্ধির কারণ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাখ্যা জানার চেষ্টা চলছে, তবে এখনো অফিসিয়াল কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিপুল অর্থের উত্স নিয়ে তদন্ত প্রয়োজন। বিশ্বব্যাংকের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, “এমন রেকর্ড বৃদ্ধি শুধু বৈধ বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ফল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।”

    তাঁর মতে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমেও অর্থ পাচার হতে পারে। বিশেষ করে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিদেশে অর্থ সরিয়ে ফেলার প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলো আলাদাভাবে কোনো গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করে না। গোপনীয়তার নীতির কারণে তথ্য দেওয়া হয় সম্মিলিতভাবে। এ কারণে কার নামে কত অর্থ আছে তা স্পষ্ট নয়।

    এর আগে ২০২২ সালে বাংলাদেশের নামে জমা অর্থ নেমে এসেছিল ৫ কোটি ৮৪ লাখ ফ্রাঁতে। তবে ২০২৪ সালের এই প্রবল উল্লম্ফন আবারো আলোচনায় এনেছে সুইস ব্যাংকে অর্থ পাচারের সম্ভাবনা।

    ওয়াশিংটনভিত্তিক গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই)-এর মতে, বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয় বাণিজ্যের আড়ালে। আইসিআইজে প্রকাশিত পানামা ও প্যারাডাইস পেপারসেও একাধিক বাংলাদেশির নাম উঠে এসেছিল, যারা বিদেশে কোম্পানি খুলেছেন এবং অর্থ স্থানান্তর করেছেন।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের নামেও সুইস ব্যাংকে জমা অর্থ বেড়েছে ২০২৪ সালে, যা ৩৫০ কোটি ফ্রাঁতে পৌঁছেছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের অর্থের পরিমাণ কমেছে। শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারের ক্ষেত্রেও বেড়েছে সুইস ব্যাংকে দায়।

    এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব আরও বাড়ে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুধুমাত্র পরিসংখ্যান নয়, এর অন্তর্নিহিত কারণ উদ্ঘাটন করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

  • ঈদুল আজহার ছুটিতেও যেসব এলাকায় বুধবার-বৃহস্পতিবার ব্যাংক খুলবে, জানুন সময় ও শর্তাবলী

    ঈদুল আজহার ছুটিতেও যেসব এলাকায় বুধবার-বৃহস্পতিবার ব্যাংক খুলবে, জানুন সময় ও শর্তাবলী

    এবিএনএ:

    পবিত্র ঈদুল আজহার সরকারি ছুটির মধ্যেও আগামী ১১ ও ১২ জুন দুই দিনে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন (ডিওএস) এর নির্দেশনায় এই ব্যতিক্রম ঘোষণা করা হয়েছে।

    বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, আমদানি ও রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক লেনদেনের জন্য ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের প্রধান বাণিজ্যিক অঞ্চলের অথরাইজড ডিলার শাখাগুলো এই দুই দিনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিষেবা চালু রাখবে।

    ব্যাংকিং লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। এছাড়া, ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী ভাতাদি পাবেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    এই নির্দেশনা ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার অধীনে জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যেই দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এটি প্রেরণ করেছে।

    ঈদের ছুটির মাঝেও ব্যবসা-বাণিজ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক লেনদেনে কোনো ঝামেলা না হয়, সেজন্য এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য এই সময়সূচি অবশ্যই উপকারী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • নতুন বাজেটে কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে বা কমবে? জেনে নিন বিস্তারিত তালিকা

    নতুন বাজেটে কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে বা কমবে? জেনে নিন বিস্তারিত তালিকা

    এবিএনএ, ঢাকা:

    আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। সোমবার বিকেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে উক্ত বাজেট পেশ করা হয়। এই বাজেটে বহু পণ্যের ওপর কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের কারণে দাম বাড়তে বা কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নতুন প্রস্তাবনায় এমন কিছু পণ্য রয়েছে, যেগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বা ভ্যাট বসানো হয়েছে। আবার কিছু পণ্যের কর হ্রাসের ফলে সেগুলোর দাম কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    🔺 যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে:
    সিগারেট, সাবান ও শ্যাম্পু, অনলাইন কেনাকাটা, রড, গৃহস্থালি প্লাস্টিক পণ্য, দেশীয় মোবাইল ফোন, বলপয়েন্ট কলম, হেলিকপ্টার সার্ভিস, দেশীয় ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন, ইলেকট্রিক ওভেন, ব্লেন্ডার ও রাইস কুকার, ব্লেড, লিফট, ফোর-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার, ওটিটি কনটেন্ট, কমার্শিয়াল ভবনের স্পেস, বিভিন্ন ধরণের পেপার ও বোর্ড, সুতা ও স্ক্রু-বল্ট, সার্জিক্যাল কিটস, শিপ স্ক্র্যাপ, সিমেন্ট শিট, ব্যাটারি, সেট-আপ বক্স ইত্যাদি।

    🔻 যেসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা:
    চিনি, স্যানিটারি ন্যাপকিন, আইসক্রিম, ভূমি নিবন্ধন ফি, ইনসুলিন ও ক্যানসারের ওষুধ, দেশীয় ই-বাইক, কম্পিউটার মনিটরের বড় ভার্সন, উড়োজাহাজ ভাড়া, লিথিয়াম ব্যাটারি, মাটির পাত্র ও কাগজের প্লেট প্রভৃতি।

    সরকার বলছে, এই বাজেটের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করা এবং আমদানি নির্ভরতা কমানো হবে। একইসঙ্গে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    এই পরিবর্তনগুলো বাজারে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর কার্যকর হওয়া নীতির ওপর।

  • “অবাস্তব বাজেট নিয়ে কঠোর সমালোচনা আমীর খসরুর: রাজস্ব ঘাটতির শঙ্কা”

    “অবাস্তব বাজেট নিয়ে কঠোর সমালোচনা আমীর খসরুর: রাজস্ব ঘাটতির শঙ্কা”

    এবিএনএ, ঢাকা:

    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটটি মূলত আগের সরকারের নীতিরই প্রতিফলন এবং এতে মৌলিক অর্থনৈতিক ভুল রয়েছে। তার মতে, রাজস্ব আয় ও বাজেটের আকারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়নি, যা একটি বাজেট তৈরির সময় মূল বিবেচ্য হওয়া উচিত ছিল।

    আজ সোমবার বাজেট ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বর্তমান আর্থিক বাস্তবতায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়ন করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে এই বাজেট বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে না।

    সরকারের উচিত ছিল বাস্তবতার আলোকে আরও সংক্ষিপ্ত বাজেট উপস্থাপন করা। এ বাজেটে যে ধরনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখানো হয়েছে, তা বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাস্তবসম্মত নয় বলেও উল্লেখ করেন আমীর খসরু।

    এদিন বিকেলে বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে আসবে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৬৫ হাজার কোটি টাকা।

  • নগদ কার্যালয়ে আবারো দুদকের অভিযান, অনুসন্ধানে উঠে আসছে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির চিত্র

    নগদ কার্যালয়ে আবারো দুদকের অভিযান, অনুসন্ধানে উঠে আসছে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির চিত্র

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেনসেবার প্ল্যাটফর্ম ‘নগদ’-এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগে আবারও অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রবিবার দুপুরে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রবিউল হকের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম নগদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করে।

    দুদকের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, এটি পূর্ববর্তী তদন্তের ধারাবাহিকতা। নগদের একাধিক নিয়োগ, আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক ব্যয়ের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে দুদকে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আজকের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

    এর আগে, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় নগদ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছিল দুদক। সেবার এনফোর্সমেন্ট টিম প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ২,৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের প্রমাণ খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছিল। সে সময়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিভিন্ন খাতে অস্বচ্ছ ব্যয়ের পাশাপাশি দুর্নীতিগ্রস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার চিত্রও উঠে আসে।

    নতুন অভিযানে, আগের তদন্তের সঙ্গে মিলিয়ে নথিপত্র, চুক্তি এবং আর্থিক তথ্য যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এক দুদক কর্মকর্তা। অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    নগদ-এর বিরুদ্ধে এভাবে বারবার তদন্ত ও অভিযানের ঘটনায় সারাদেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়টি প্রমাণ করে, দেশের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাপনাতেও দুর্নীতির জাল বিস্তৃত।

    জনগণের অর্থ ও আস্থার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ সত্য হলে এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

  • ঈদে দীর্ঘ ছুটি, এটিএমে নগদ টাকার ঘাটতি ঠেকাতে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

    ঈদে দীর্ঘ ছুটি, এটিএমে নগদ টাকার ঘাটতি ঠেকাতে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

    এবিএনএ,ঢাকা:

    আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ১০ দিনের টানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যা শুরু হবে আগামী ৫ জুন থেকে এবং চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত। এই দীর্ঘ ছুটিকালীন সময়ে জনগণের ব্যাংকিং সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তাদের নিজস্ব ও অংশীদার প্রতিষ্ঠানের সব এটিএম বুথে ঈদের ছুটির সময় যথেষ্ট পরিমাণ নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।

    বিশেষ করে ঈদের আগের দিনগুলোতে যখন মানুষ ব্যাপকভাবে নগদ টাকা তোলেন, তখন যেন কোনো বুথে টাকা ফুরিয়ে না যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এটিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে অনলাইন ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস সার্বক্ষণিক চালু থাকে।

    ব্যাংকের সার্ভার বা প্রযুক্তিগত সমস্যা মোকাবিলায় প্রতিটি ব্যাংককে আলাদা প্রযুক্তি সহায়তা টিম গঠন করে ছুটির পুরো সময় দায়িত্বে রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ব্যাংকগুলোকে এসএমএস, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে গ্রাহকদের জানাতে হবে—কোন সেবা কখন কিভাবে পাওয়া যাবে। এতে করে গ্রাহকরা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন এবং জরুরি প্রয়োজনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

    এই নির্দেশনার মাধ্যমে দীর্ঘ ছুটির সময়েও দেশের আর্থিক লেনদেন ও সেবা ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


  • ঈদে কোরবানির চামড়ার দাম বেড়েছে, গরুর চামড়ায় প্রতি বর্গফুটে ৫ টাকা বেশি

    ঈদে কোরবানির চামড়ার দাম বেড়েছে, গরুর চামড়ায় প্রতি বর্গফুটে ৫ টাকা বেশি

    এবিএনএ:

    পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ২০২৫ সালের কোরবানির পশুর চামড়ার নতুন দাম ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এবার গরুর চামড়ার মূল্য প্রতি বর্গফুটে ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। একই সঙ্গে, খাসি ও বকরির চামড়ার দামেও দেখা গেছে পরিবর্তন — দুটিরই দাম বেড়েছে ২ টাকা করে।

    রবিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঢাকার মধ্যে প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ঢাকায় কাঁচা গরুর চামড়ার সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে সেটি ১ হাজার ১৫০ টাকা।

    খাসির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ২০ থেকে ২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    চামড়া শিল্পে চাহিদার ঘাটতি দেখা দিলে সরকার কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। পূর্বের যে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটি এই বছর তুলে নেওয়া হয়েছে।

    চামড়া সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার এবছর ৩০ হাজার টন লবণ বিনামূল্যে সরবরাহ করবে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায়। এছাড়া, চামড়ার মান রক্ষা ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে ঈদের পর ১০ দিন পর্যন্ত ঢাকার বাইরে থেকে কোনো কাঁচা চামড়া রাজধানীতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

    সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগগুলো চামড়ার ন্যায্য দাম নিশ্চিত করবে এবং সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।