Category: রাজনীতি

  • ভোটের আগমুহূর্তে ঢাকা-১৫ আসনে উত্তাপ: দাঁড়িপাল্লার ১৩ নির্বাচনী বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ জামায়াত আমিরের

    ভোটের আগমুহূর্তে ঢাকা-১৫ আসনে উত্তাপ: দাঁড়িপাল্লার ১৩ নির্বাচনী বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ জামায়াত আমিরের

    এবিএনএ: ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনী উত্তেজনার মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, তার প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র ১৩টি নির্বাচনী বুথ ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ভাঙচুর হিসেবে উল্লেখ করে তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান জানান, ঢাকা-১৫ নির্বাচনী এলাকায় দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের প্রচারণা বুথগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে তিনি কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়ে বলেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনো দল বা প্রার্থীকে থামিয়ে দেওয়া যাবে না।

    তিনি আরও বলেন, যারা নীতিনির্ধারণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জনসমক্ষে আলোচনা করতে ব্যর্থ, তারাই সহিংসতার পথে হাঁটছে। তবে সাধারণ মানুষের সমর্থনই তাদের শক্তি এবং ভয়ভীতির রাজনীতি দিয়ে জনতার কণ্ঠ রোধ করা সম্ভব নয়।

    ডা. শফিকুর রহমানের দাবি, সাধারণ মানুষের মনে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক ইতোমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছে। ভোটের দিন সেই সমর্থনের প্রতিফলন ঘটবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচনের আগমুহূর্তে এ ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি উঠেছে।

  • ভোটের আগমুহূর্তে অনৈতিক লেনদেন ও সহিংসতার ছায়া: জামায়াতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিএনপির

    ভোটের আগমুহূর্তে অনৈতিক লেনদেন ও সহিংসতার ছায়া: জামায়াতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিএনপির

    এবিএনএ: নির্বাচনের ঠিক আগের দিন সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল অঙ্কের নগদ অর্থসহ জামায়াত নেতার আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের পরিবেশ নষ্টের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটির দাবি, নির্বাচনের আগে এ ধরনের অর্থ বহন ও বিতরণের চেষ্টা স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল এবং এটি ভোট কেনার ইঙ্গিত দেয়।

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান দিয়ে যারা মাঠে নেমেছে, তাদের পক্ষ থেকে অর্থের প্রলোভন দেখানো চরম ভণ্ডামির উদাহরণ।

    ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের দাবি
    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি সম্ভাব্য জাল ভোটের আশঙ্কা তুলে ধরে ভোটার পরিচয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়। মাহদী আমিন বলেন, কিছু এলাকায় ধর্মীয় পোশাক ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। নারীদের মর্যাদা ও পর্দার প্রতি সম্মান রেখেই সন্দেহজনক ভোটারের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য এনআইডি বা পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে মিল রেখে মুখমণ্ডলের প্রয়োজনীয় অংশ যাচাই করা উচিত। এ কাজ নারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বা নারী এজেন্টের উপস্থিতিতে সম্পন্ন করার দাবি জানান তিনি।

    সৈয়দপুর বিমানবন্দর প্রসঙ্গ ও অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ
    তিনি বলেন, টানা কয়েক দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির থাকার পরও বিপুল অঙ্কের অর্থ বহনের যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু সৈয়দপুর নয়, ঢাকা-১৫, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ আর্থিক লেনদেনের খবর বিএনপি পাচ্ছে বলে জানান তিনি।

    এছাড়া অভিযোগ করা হয়, কিছু এলাকায় ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে মোবাইল আর্থিক সেবার নম্বর ও ভোটার আইডির তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। বিএনপির দাবি, ধর্মীয় আবেগ বা অর্থের প্রলোভন দেখিয়েও ভোটারদের বিভ্রান্ত করা সম্ভব হয়নি।

    সহিংসতা ও জাল সিলের অভিযোগ
    বিএনপির নেতারা আরও বলেন, কয়েকটি এলাকায় ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাতে দেশীয় অস্ত্র ও অবৈধ সামগ্রী জড়ো করা হচ্ছে। বগুড়ার নন্দীগ্রামে সংঘর্ষে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার আহত হওয়ার ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবি জানান তারা। লক্ষ্মীপুরে জাল সিল উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির জবানবন্দি উল্লেখ করে দলটি দাবি করে, পরিকল্পিতভাবে ভুয়া সিল তৈরির প্রক্রিয়া চলছিল।

    ভোটার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান
    আগামীকালের নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোটারদের সকালেই কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানায় বিএনপি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়ে দলটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে।

  • কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে রয়েছে কৌতূহল ও উত্তেজনা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত সময় পার করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ তুঙ্গে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর গুলশান এলাকার ভোটার হিসেবে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রটিতে নির্বাচন দিনে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি থাকার কথা।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট দেবেন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানা গেছে। তার ভোট ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে আলাদা উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতা ভোট দেবেন। প্রবীণ নেতা মির্জা আব্বাস রাজধানীর শাহজাহানপুরে অবস্থিত মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেরানীগঞ্জে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরাকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নরসিংদীর পলাশে ড. আব্দুল মঈন খান চারনগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের ভোটও স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। চট্টগ্রামে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কক্সবাজারের পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    উত্তরাঞ্চলে সিরাজগঞ্জে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সালেহা ইশহাক সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং দক্ষিণে ভোলার লালমোহনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম আব্দুল ওয়াহাব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন মতিহারা সরকারি হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    দলীয় মিডিয়া সেল জানিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রে পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলে নেতারা নির্ধারিত সময়েই ভোট দেবেন। নেতাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি শুধু নাগরিক দায়িত্ব পালন নয়—দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল জোগাতেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • আগামী দিনে সরকার হবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ : তারেক রহমান

    আগামী দিনে সরকার হবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ : তারেক রহমান

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠিত হলে রাষ্ট্র পরিচালনা হবে জনগণের কাছে জবাবদিহির ভিত্তিতে। তিনি জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং আইনের শাসন কার্যকরভাবে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটাই তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার ও দলের প্রতিশ্রুতি।

    তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার বিকল্প নেই—কারণ জনগণই রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, প্রথম ভোট গণতন্ত্র ও জবাবদিহির পক্ষে দেওয়া হোক।

    ভোটের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এলাকার মানুষের দায়িত্ব নেবেন—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমপিরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না, তা নজরদারিতে রাখা হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায়বিচারকে মূলনীতি হিসেবে ধরে এগোনোর কথাও বলেন তিনি।

    দলীয় প্রস্তুতির প্রসঙ্গে তারেক রহমান জানান, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সমস্যা ও সম্ভাবনা বোঝার চেষ্টা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন। প্রবাসে থাকার সময়ও দেশের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার কথা তুলে ধরেন তিনি।

    অতীতের শাসনামলে বিএনপির কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটির জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে অর্জনগুলোকে ভিত্তি করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়াই লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আসন্ন নির্বাচনে জনগণের সমর্থন কামনা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

  • সরকার গঠন করলে প্রথমদিন ফজর পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করব

    সরকার গঠন করলে প্রথমদিন ফজর পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করব

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মানবিক, নিরাপদ ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে প্রথম দিন ফজরের নামাজ শেষে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করবেন। তাঁর ভাষ্যে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ভোগের বিষয় নয়—এটি আমানত ও জবাবদিহিতার বিষয়।

    ভাষণে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবার—ধর্ম ও পরিচয় নির্বিশেষে নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষাই হবে রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। নারী-পুরুষের নিরাপত্তা, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দিতে প্রশাসনিক সংস্কার জরুরি। তিনি জানান, নীতিনির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে দলীয় ইশতেহার ও নীতিকৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে; সুযোগ পেলে সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হবে সঙ্গে সঙ্গেই।

    তিনি অতীতের দমন-পীড়ন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সমালোচনা করে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী না হলে জনগণের অধিকার সুরক্ষিত হয় না। তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণকে ভবিষ্যৎ নির্মাণের চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে ঐক্যের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে সততা, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি করার কথা বলেন।

    রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, কাঠামোগত পরিবর্তন সময়ের দাবি—এ কারণেই সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের মতামতের মাধ্যমে সংস্কারকে টেকসই করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়া, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষার প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরেন।

    ভাষণের শেষে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন, আচরণবিধি মানা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, রাষ্ট্র সবার—সরকার হবে জনগণের। ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার নীতিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকারেই তাঁর বক্তব্য শেষ হয়।

  • ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রপতি কে? নাম না বলেই জামায়াত আমিরের স্পষ্ট বার্তা

    ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রপতি কে? নাম না বলেই জামায়াত আমিরের স্পষ্ট বার্তা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন—এমন প্রশ্নে নির্দিষ্ট কোনো নাম বলেননি দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, দেশের শীর্ষ পদে বসবেন এমন ব্যক্তি যিনি সৎ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল। নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নৈতিকতা ও দক্ষতাই হবে প্রধান মানদণ্ড।

    শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। গণসংযোগ শুরুর আগে কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহিমপুর এলাকায় বাইতুস সালাত জামে মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় করেন জামায়াত আমির। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় আছে। সেই প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব প্রয়োজন। তার মতে, ক্ষমতা কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়; এটি একটি দায়িত্ব ও আমানত।

    রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে এলাকাবাসীর মধ্যেও কৌতূহল দেখা যায়। অনেকেই জানতে চান, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদগুলোতে কারা দায়িত্ব নেবেন। জবাবে তিনি নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে বলেন, সততা ও নিষ্ঠা ছাড়া কেউ জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে না।

    তিনি ধৈর্য ও সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য মানুষের সহনশীলতা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা জরুরি। তার বক্তব্যে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।

    গণসংযোগে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির ও ঢাকা-১৫ আসনের আসন পরিচালক আব্দুর রহমান মুসা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লস্কর মুহাম্মদ তসলিম, ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শঙ্কা, ‘শান্তিতে থাকতে দেবে না প্রতিষ্ঠিত শক্তি’—মির্জা আব্বাস

    নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শঙ্কা, ‘শান্তিতে থাকতে দেবে না প্রতিষ্ঠিত শক্তি’—মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ: আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র এবং প্রশাসনের একাংশের পক্ষপাতমূলক ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে বা ভবিষ্যতে যে সরকারই দায়িত্ব নিক না কেন, বিশ্বের কিছু প্রতিষ্ঠিত শক্তি দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেবে না।

    শনিবার রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় হক ক্যাসেল ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন সাবেক এই মন্ত্রী।

    মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে কারও কারও মধ্যে বিশেষ কিছু প্রার্থীর প্রতি দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি প্রভাবশালী মহল আগেই নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর নাম তালিকাভুক্ত করে রেখেছে, যাদের যেকোনো মূল্যে সংসদে পাঠানো হবে—ভোট পড়ুক বা না পড়ুক। তিনি বলেন, এমন বাস্তবতা গণতন্ত্র ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি।

    গণআন্দোলনের ইতিহাস টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জেল-জুলুম সহ্য করে বিএনপিই আন্দোলনের পথ তৈরি করেছে। অথচ এখন কেউ কেউ এমন ভঙ্গিতে কথা বলছেন, যেন তারাই এককভাবে পরিবর্তনের নায়ক। তিনি মন্তব্য করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কেউ ক্ষমতার দাবি করেনি, অথচ আজ অনেকেই ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবছে।

    নির্বাচনী রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র শক্তি পরোক্ষভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান করছে এবং নির্বাচনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে। তার মতে, আওয়ামী লীগের পর বিএনপিকেও রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার একটি অপচেষ্টা দৃশ্যমান।

    নিজের এলাকা ঢাকা-৮ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধির কার্যকর উপস্থিতি পায়নি। তবে তিনি সব সময় মানুষের পাশে ছিলেন বলে দাবি করেন। অতীতের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দায়িত্বে থাকাকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রাখাই ছিল তার নীতি।

    রমনা পার্ক উন্নয়নসহ এলাকার নানা জনস্বার্থমূলক কাজে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতেও যেকোনো প্রয়োজনে এলাকার মানুষ তাকে এক ফোনেই পাশে পাবেন।

  • ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—ফ্যামিলি কার্ড থেকে পেপাল পর্যন্ত বিএনপির ইশতেহারের ৯ বড় অঙ্গীকার

    ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—ফ্যামিলি কার্ড থেকে পেপাল পর্যন্ত বিএনপির ইশতেহারের ৯ বড় অঙ্গীকার

    এবিএনএ: ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার–২০২৬ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে।

    শুক্রবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার উপস্থাপন করেন।

    ইশতেহারে বলা হয়, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর আওতায় মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়া হবে, যা ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে।

    কৃষি খাতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সুবিধা পাবেন মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

    স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক সেবা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, জেলা ও মহানগরে মানসম্মত চিকিৎসা এবং মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে।

    শিক্ষাক্ষেত্রে বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় অগ্রাধিকার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সহায়তা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড-ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

    তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ সহায়তা এবং বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরির অঙ্গীকার করা হয়েছে। সরকারি নিয়োগে মেধা ও স্বচ্ছতাকে প্রাধান্য দেওয়ার কথাও বলা হয়।

    এছাড়া ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষায় নদী-খাল খনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

    ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ও কল্যাণমূলক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম পেপাল চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব গঠন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও রয়েছে ইশতেহারে।

    ইশতেহার ঘোষণার সময় তারেক রহমান বলেন, এটি কেবল নির্বাচনী অঙ্গীকার নয়, বরং জনগণের সঙ্গে একটি নতুন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক চুক্তির প্রতিফলন। জনগণের রায়ে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।

  • ফ্যামিলি কার্ডে মাসিক সহায়তা থেকে ১০ লাখ চাকরি—বিএনপির ইশতেহারে যেসব বড় চমক থাকছে

    ফ্যামিলি কার্ডে মাসিক সহায়তা থেকে ১০ লাখ চাকরি—বিএনপির ইশতেহারে যেসব বড় চমক থাকছে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    বিএনপির এবারের ইশতেহার মূলত ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা’ ও পূর্বঘোষিত ‘২৭ দফা’র সমন্বয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও সুশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    দলীয় সূত্র জানায়, ইশতেহারের সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগ হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’। এই কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা অথবা চাল, ডাল, তেল ও লবণের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্যাকেজ দেওয়া হবে। নারীদের আর্থিক ক্ষমতায়ন ও পরিবারভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষাই এর মূল লক্ষ্য।

    কৃষি খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রবর্তন করা হবে ‘কৃষি কার্ড’। এর মাধ্যমে কৃষকরা সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষিযন্ত্র ন্যায্যমূল্যে পাবেন। পাশাপাশি কৃষি বীমা, সহজ শর্তে ঋণ, সেচ সুবিধা এবং মোবাইলে আবহাওয়া ও বাজারদরের তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    কর্মসংস্থান ইস্যুতে বিএনপি দিয়েছে বড় প্রতিশ্রুতি। দলটির লক্ষ্য আগামী ১৮ মাসে সরকারি-বেসরকারি ও পিপিপি উদ্যোগে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এজন্য মাধ্যমিক স্তর থেকেই কারিগরি শিক্ষা ও বিদেশি ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রায় এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশই নারী। শিক্ষা খাতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মিড-ডে মিল চালুর অঙ্গীকার করা হয়েছে।

    ইশতেহারে ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্য মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

    পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ, ক্রীড়া খাতে প্রতিটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ এবং দুর্নীতি দমনে শক্তিশালী দুদক ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের অঙ্গীকারও রয়েছে ইশতেহারে।

    বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, এই ইশতেহার কোনো কাগুজে স্বপ্ন নয়; বরং সাধারণ মানুষের জীবন বদলের বাস্তব পরিকল্পনা।

  • ভোটের মাঠে মিথ্যা নয়, সত্যের রাজনীতি চান মির্জা আব্বাস—ঢাকা-৮ এ কড়া বার্তা

    ভোটের মাঠে মিথ্যা নয়, সত্যের রাজনীতি চান মির্জা আব্বাস—ঢাকা-৮ এ কড়া বার্তা

    এবিএনএ: ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় ভিন্নমত বা সমালোচনা থাকতেই পারে, তবে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা কিংবা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য কোনোভাবেই স্বাভাবিক রাজনৈতিক আচরণ নয়।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় ফ্ল্যাট মালিক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    মির্জা আব্বাস বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি সততা ও নৈতিকতায়। ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ থেকেই আমরা রাজনীতি করি। তাই ভোটের মাঠে দাঁড়িয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”

    তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় নিজের কাজের হিসাব এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। অন্য দলের প্রার্থী বা নেতাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কিংবা অশোভন ভাষা ব্যবহারের পথে তারা যাবেন না।

    ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, দেশের মানুষ বহু ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে ভোটাধিকার অর্জন করেছে। তাই প্রত্যেক ভোটার যেন নির্ভয়ে ও সঠিকভাবে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন—এটাই তার প্রত্যাশা।

    ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক উপস্থিতি থাকবে। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সংঘাতে জড়ানো যাবে না। তবে প্রয়োজনে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    শেষে এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা আব্বাস ভোটে সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।