Category: রাজনীতি

  • নির্বাচনী প্রচারে হামলার অভিযোগ! নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপে ক্ষুব্ধ জামায়াত

    নির্বাচনী প্রচারে হামলার অভিযোগ! নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপে ক্ষুব্ধ জামায়াত

    এবিএনএ: ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর নির্বাচনী প্রচারণাকালে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের হামলা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমর্থিত প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় একটি বড় রাজনৈতিক দলের চিহ্নিত কর্মীরা তার ওপর ডিম নিক্ষেপসহ হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আরপিও অনুযায়ী নির্বাচনী কার্যক্রমে বাধা দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমন কর্মকাণ্ড নির্বাচনের সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে বড় বাধা সৃষ্টি করে। শান্তিপূর্ণ প্রচারণা চালানো প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার, যা বাধাগ্রস্ত করা গণতন্ত্রের জন্য অশুভ সংকেত।

    জামায়াতের নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, রাজনৈতিক মতভেদের কারণে সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা রাজনৈতিক সহনশীলতার পরিপন্থি এবং অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতিফলন।

    তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।

  • জোটের দ্বন্দ্বে উত্তাল চট্টগ্রাম-৮, উন্মুক্ত নির্বাচন চান শহীদ ওমরের মা

    জোটের দ্বন্দ্বে উত্তাল চট্টগ্রাম-৮, উন্মুক্ত নির্বাচন চান শহীদ ওমরের মা

    এবিএনএ: চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনের নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এবার উন্মুক্ত নির্বাচনের দাবি তুলেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ওমর ফারুকের মা রুবি আক্তার। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন ক্যাম্পেইনের প্রথম দিনে তিনি এ দাবি জানান।

    চট্টগ্রামে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নির্বাচনী সফরকালে বোয়ালখালীর ফুলতলায় আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত হয়ে রুবি আক্তার বলেন, এই আসনে দলীয় হিসাবের চেয়ে স্থানীয় জনগণের মতামতই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষায়, এলাকার মানুষ যাকে চেনে ও বিশ্বাস করে, তাকেই ভোট দিতে চায়।

    এই দাবি উঠে আসে এমন এক সময়ে, যখন ১০ দলীয় জোটের আসন বণ্টনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির মধ্যে প্রকাশ্য মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি জোটের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম-৮ আসনে এনসিপির জুবাইরুল হাসান আরিফকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই জোটের ভেতরে ও মাঠপর্যায়ে নানা জটিলতা শুরু হয়।

    মনোনয়ন যাচাইয়ে জামায়াত, এনসিপি ও খেলাফত মজলিস—এই তিন দলের প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হলে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়। পরে খেলাফত মজলিস প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও জামায়াতের প্রার্থী ডা. আবু নাছের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় এনসিপি অসন্তোষ প্রকাশ করে।

    যদিও পরে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়, তবু মাঠপর্যায়ে আবু নাছেরের সমর্থকদের একটি অংশ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যেতে থাকে। এতে ভোটের সমীকরণ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

    স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালখালী-চান্দগাঁও এলাকায় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় ডা. আবু নাছের একজন পরিচিত মুখ। অন্যদিকে, শেষ মুহূর্তে প্রার্থী ঘোষণায় এনসিপির প্রার্থী এলাকায় তেমন পরিচিত নন বলেই আলোচনা চলছে।

    এই প্রেক্ষাপটে রুবি আক্তার বলেন, জুলাইয়ের চেতনা কখনো বিক্রি হয়নি এবং স্থানীয় মানুষের অবদান উপেক্ষা করা উচিত নয়। তিনি স্পষ্ট করে জানান, জোটের ভোটের হিসাব সীমিত হলেও স্থানীয় ভোটই এই আসনের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।

    এদিকে এনসিপির প্রার্থী জুবাইরুল হাসান আরিফ দাবি করেন, জোট ঐক্যবদ্ধ থাকলে আসন ধরে রাখা সম্ভব। তবে রুবি আক্তারের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—চট্টগ্রাম-৮ আসনে এখন মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে দলীয় সিদ্ধান্ত না কি স্থানীয় জনগণের রায়।

  • দুই দশক পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান: উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও পরিবর্তনের স্পষ্ট রূপরেখা

    দুই দশক পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান: উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও পরিবর্তনের স্পষ্ট রূপরেখা

    এবিএনএ: দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর চট্টগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে দেশের রাজনীতি ও উন্নয়ন ভাবনার বিস্তৃত রূপরেখা তুলে ধরলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঐতিহাসিক এই নগরীকে ঘিরে আবেগঘন স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তিনি অর্থনীতি, কৃষি, শিল্পায়ন ও পরিবেশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে তার দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

    রোববার নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত মহাসমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সকাল থেকেই মাঠ ও আশপাশের এলাকা নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে। দুপুরের দিকে সমাবেশে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান।

    বক্তৃতায় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা এসেছিল এবং এই শহরের সঙ্গেই তার পরিবার ও বিএনপির গভীর আবেগ জড়িয়ে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণ আবারও পরিবর্তন চায়—যে পরিবর্তনে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

    দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়ানো ছাড়া বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব নয়। কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সহায়তা সহজ করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিত খাল খননের ওপর জোর দেন।

    শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিএনপির আমলেই চট্টগ্রামে ইপিজেড গড়ে উঠেছিল, যা লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে আরও নতুন ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে।

    আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিরাপত্তা ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না। বিএনপি সরকারে এলে অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। অতীতে যেমন দলের পরিচয় দেখে কাউকে ছাড় দেওয়া হয়নি, ভবিষ্যতেও তা হবে না।

    এর আগে সকালে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ, স্টুডেন্ট লোন চালু এবং পরিবেশ রক্ষায় পাঁচ বছরে ৫০ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানান।

    উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সফর করেছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর এই সফর ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • স্বাধীনতার প্রশ্নে জামায়াতের ভূমিকা তুলে ধরলেন মির্জা ফখরুল, ঠাকুরগাঁওয়ে তীব্র রাজনৈতিক বার্তা

    স্বাধীনতার প্রশ্নে জামায়াতের ভূমিকা তুলে ধরলেন মির্জা ফখরুল, ঠাকুরগাঁওয়ে তীব্র রাজনৈতিক বার্তা

    এবিএনএ: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ছিল স্বাধীনতার বিপক্ষে। সে সময় তাদের ভূমিকার কারণে বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল এবং লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কান্দরপাড়া এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, বিএনপি স্বাধীনতার পক্ষে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। আমরা দেশ ছেড়ে পালাইনি, বরং সংগ্রামের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করেছি।

    তিনি আরও বলেন, এবার নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থন চাওয়ার জন্যই মাঠে নেমেছেন তারা। বিএনপি কাজের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে তিনি জানান, ক্ষমতায় এলে সাধারণ মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনেরা চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাবেন, পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

    কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কৃষিকার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে সার ও কীটনাশক সরবরাহ করা হবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং নারীদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।

    এ সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, সবাই একই দেশের নাগরিক। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সবার নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা হবে।

    নির্বাচনী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে রাজনীতিতে নৌকা ও ধানের শীষ ছিল প্রধান প্রতীক। বর্তমানে রাজনৈতিক বাস্তবতায় নৌকা নেই, নতুন প্রতীক দাঁড়িপাল্লা এসেছে। এখন মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

    গণসংযোগে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদসহ দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • রক্তচক্ষুকে ভয় নয়, আল্লাহভীতিতেই রাজনীতি: গাইবান্ধায় ডা. শফিকুর রহমানের দৃপ্ত ঘোষণা

    রক্তচক্ষুকে ভয় নয়, আল্লাহভীতিতেই রাজনীতি: গাইবান্ধায় ডা. শফিকুর রহমানের দৃপ্ত ঘোষণা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় যেতে পারলে নর্থ বেঙ্গলের মৃতপ্রায় নদীগুলোর পুনরুদ্ধারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নদী বাঁচলে এ অঞ্চলের জীবন-জীবিকাও নতুন গতি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দশ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত নির্বাচনী প্রচারণা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের লক্ষ্য নর্থ বেঙ্গলকে একটি শক্তিশালী কৃষিভিত্তিক অঞ্চলে রূপান্তর করা। এখানকার মানুষ অযৌক্তিক কিছু চায় না—তারা শ্রমনির্ভর জীবনযাপন করে এবং ন্যায্য সুযোগ পেলেই ঘুরে দাঁড়াতে পারে। সেই পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের দায়িত্ব।

    তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় করি না, ভয় করি একমাত্র মহান আল্লাহকে। দেশে কোনো আধিপত্যবাদী প্রভাব দেখতে চাই না। তবে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক চাই—কোনো খবরদারি নয়, আবার নিজেদের ভূখণ্ডে অন্যের খবরদারিও মেনে নেওয়া হবে না।

    ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনসমর্থনের জোয়ার তুলতে হবে। সেই জোয়ারে পুরোনো ও ব্যর্থ রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেসে যাক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    সমাবেশের শেষাংশে দশ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত মাঠে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানানো হয়।

  • ২১ বছর পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান, পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ ঘিরে কঠোর বিধিনিষেধ সিএমপির

    ২১ বছর পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান, পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ ঘিরে কঠোর বিধিনিষেধ সিএমপির

    এবিএনএ: দীর্ঘ বিরতির পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। জনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আগামী ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সময়ে নগর এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথর বহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একইসঙ্গে কোনো ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী প্রতীক, ব্যানার বা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনও করা যাবে না।

    পুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮-এর ২৯ ধারার আওতায় এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকায় ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা-২০২০ অনুসারে অননুমোদিত ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    উল্লেখ্য, আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি একদিন আগেই চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন।

    সবশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সফরে এসে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর তার এই আগমনকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

  • ভারতবিরোধিতা আছে, কিন্তু মার্কিন প্রশ্নে নীরবতা কেন? রাজনৈতিক দলগুলোকে ঘিরে ফরহাদ মাজহার

    ভারতবিরোধিতা আছে, কিন্তু মার্কিন প্রশ্নে নীরবতা কেন? রাজনৈতিক দলগুলোকে ঘিরে ফরহাদ মাজহার

    এবিএনএ: দেশের সব রাজনৈতিক দলই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে—এমন মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক ফরহাদ মাজহার। তার মতে, অনেক রাজনৈতিক শক্তি ভারতবিরোধী বক্তব্যে সরব হলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রশ্নে তারা নীরব ভূমিকা পালন করে।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা মঞ্চ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। সভার বিষয় ছিল—দেশজুড়ে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং এ ক্ষেত্রে নাগরিক সমাজের করণীয়।

    আলোচনায় ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মাজহার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, গাজায় তথাকথিত ‘স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ পাঠানোর বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি দেখা যায়নি।

    ফরহাদ মাজহার বলেন, “জামায়াত যদি গাজায় এই বাহিনী পাঠানোর বিরোধিতা না করে, তাহলে বোঝা যায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের একটি নীতিগত সম্পর্ক রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই যে অবস্থান নিয়েছে, সেটি বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে—এটাকে আমি অত্যন্ত অশুভ সংকেত হিসেবে দেখি।”

    যুক্তরাষ্ট্রকে একটি শক্তিশালী ভূরাজনৈতিক ক্ষমতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক আইন কার্যত অকার্যকর। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণই সেই বাস্তবতার স্পষ্ট উদাহরণ।

    তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলই কোনো না কোনোভাবে সংযুক্ত। ভারতবিরোধী বক্তব্য শোনা গেলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিবাদ খুব কমই দেখা যায়।”

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর (অব.) আহমেদ ফেরদৌস এবং কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ রোমেল।

  • চাঁদাবাজির রাজনীতি আর নয়, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের

    চাঁদাবাজির রাজনীতি আর নয়, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের

    এবিএনএ: সারাদেশে বেসরকারি ট্যাক্সের নামে চলমান চাঁদাবাজির সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করে তা সম্পূর্ণ নির্মূলের অঙ্গীকার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্য ইনসাফ নিশ্চিত না হলে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা-১৫ আসনের উদ্যোগে মিরপুর-১০ এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রীয় করের বাইরে এক ধরনের অবৈধ ট্যাক্স দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছোট দোকানদার, হকার, পথচারী এমনকি ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী চাঁদা নেবে না, চাঁদা দেবে না এবং দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস করবে না।

    বিএনপির দুই হাজার টাকার ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এ ধরনের সাময়িক সহায়তা স্থায়ী সমাধান নয়। বরং এসব উদ্যোগে মধ্যস্বত্বভোগীদের সুবিধা নেওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়, যা অতীতে বহুবার দেখা গেছে।

    ইনসাফের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সমাজে বৈষম্য, লুটপাট ও দুঃশাসনের মূল কারণ ন্যায়বিচারের অভাব। ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে দুর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারীরা কখনোই নিরাপদে দেশ ছাড়তে পারত না।

    গত দেড় দশকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের শাসনে বহু মানুষ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এখনো অনেক পরিবার তাদের স্বজনদের ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

    জনসভায় উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত জনগণ আর কোনো ভোট ডাকাতকে ক্ষমা করবে না। যারা নিজেদের দলের ভেতরে দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমন করতে পারবে, তারাই দেশকে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিতে সক্ষম হবে।

    মিরপুর এলাকার অবকাঠামোগত দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, খালগুলো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

    শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানসম্মত হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে মিরপুরকে একটি আদর্শ এলাকায় পরিণত করা হবে। তরুণ সমাজকে কেবল সার্টিফিকেটধারী নয়, নৈতিকতা ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

  • ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি হবে: সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার

    ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি হবে: সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার

    এবিএনএ:  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনে কারচুপির যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করার দুঃসাহস যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়। এবার জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করতে দেওয়া হবে না।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজের নিরাপত্তা ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ জানিয়ে লিখিত আবেদন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, মাঠে থাকার কথা থাকলেও বাধ্য হয়ে ঢাকায় আসতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।

    তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর নির্বাচনী কর্মীদের ওপর একের পর এক হামলা চালানো হচ্ছে। কর্মীদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, মারধর, এমনকি অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিতে হয়েছে, অথচ এসব ঘটনায় এখনো মামলা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, বড় রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে লড়াই করলেও তিনি ভয় পান না। প্রশাসন নিরপেক্ষ না থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ২০১৮ সালের মতো আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট সবার ওপরই পড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও জানান, দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অবহিত করবেন। এ প্রসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের কথাও উল্লেখ করেন রুমিন ফারহানা।

    ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে দেশের মানুষ বছরের পর বছর সংগ্রাম করেছে। প্রতিকূলতা যতই থাকুক, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

  • ভোটের অধিকার রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান: সিলেটের জনসভায় তারেক রহমানের কঠোর বার্তা

    ভোটের অধিকার রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান: সিলেটের জনসভায় তারেক রহমানের কঠোর বার্তা

    এবিএনএ: ভোটের অধিকার ক্ষুণ্ন করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিদেশে পলাতক একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর পাশাপাশি দেশের ভেতরেও একটি চক্র আবারও ভোট ডাকাতির ষড়যন্ত্রে সক্রিয় হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সিলেট নগরীর আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান অভিযোগ করেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশে ব্যালট ছিনতাই, ডামি প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন এবং রাতের আঁধারে ভোট গ্রহণের মতো ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গত ১৬ বছরে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। এই সময়কালে দেশের সার্বভৌমত্বকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তারেক রহমান আরও বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—দিল্লি হোক কিংবা অন্য কোনো রাজধানী, কারও কাছে নয়; সবার আগে বাংলাদেশ।” তিনি দাবি করেন, যারা অতীতে ভোট ও বাক-স্বাধীনতা হরণ করেছে, তারাই বহু রাজনৈতিক নেতাকর্মীর নিখোঁজ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত।

    জনসভায় তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ভবিষ্যতের নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।