Author: ABNA NEWS

  • ইরান-ইসরায়েল শান্তি চুক্তি সময়ের ব্যাপার মাত্র—ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ময়কর দাবি

    ইরান-ইসরায়েল শান্তি চুক্তি সময়ের ব্যাপার মাত্র—ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ময়কর দাবি

    এবিএনএ:

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশাবাদী যে, দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনায় থাকা ইরান ও ইসরায়েল এখন শান্তির পথে হাঁটতে যাচ্ছে। তার মতে, এই দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা খুবই নিকটবর্তী।

    নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পোস্ট করে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খুব দ্রুতই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তির সূচনা দেখতে পাব। বহু ফোনকল এবং বৈঠক ইতোমধ্যে চলছে।” তবে এই আলোচনার ধরন বা অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।

    ❖ আগে যুদ্ধের প্রশংসা, এখন শান্তির বার্তা

    যখন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু করেছিল, ট্রাম্প সেই আক্রমণকে “দারুণ” এবং “সফল” বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। অথচ বর্তমানে তিনি শান্তি স্থাপনের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন—যা তার অবস্থানে এক ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

    ❖ বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে মার্কিন ভূমিকা ধোঁয়াশাপূর্ণ

    ওয়াশিংটন ভিত্তিক রিপোর্টার রোসিল্যান্ড জর্ডান জানিয়েছেন, ট্রাম্পের “অনেক কল ও বৈঠক” নিয়ে কথা বলা এই প্রথম—যেখানে বর্তমান বাইডেন প্রশাসন এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন কূটনৈতিক কার্যক্রমে এখন দ্বৈত বার্তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের কূটনৈতিক ও সামরিক উপস্থিতি আংশিকভাবে সীমিত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার পূর্বাভাস ওয়াশিংটন আগেই পেয়েছিল, এবং সেই অনুযায়ী কিছু প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    ❖ মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান

    বর্তমান মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ইরান-ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতকে কোনোভাবেই বাড়তে দিতে চায় না। পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওমানে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে স্থগিত হলেও, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ওয়াশিংটনের আগ্রহ অটুট রয়েছে।

    বিশ্ব কূটনীতিতে এই মুহূর্তে ইরান-ইসরায়েল ইস্যু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্পের দাবি বাস্তব হয়ে উঠলে, তা হবে মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।


    📌 মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বিশ্লেষণ পেতে চোখ রাখুন আমাদের পোর্টালে।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি ৬ নির্দেশনা, করোনার নতুন ধরন ও ডেঙ্গু রোধে কঠোর সতর্কতা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি ৬ নির্দেশনা, করোনার নতুন ধরন ও ডেঙ্গু রোধে কঠোর সতর্কতা

    এবিএনএ:

    দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট এবং ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এই নির্দেশনার আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একযোগে সচেতনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হয়েছে।

    রবিবার (১৫ জুন) মাউশির সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ছয়টি জরুরি স্বাস্থ্যবিধিমূলক নির্দেশনার কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, “সারা দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন রূপ এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগের প্রকোপ মোকাবেলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক যৌথভাবে গৃহীত নির্দেশনার ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।”

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:

    • শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা।

    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখা।

    করোনা প্রতিরোধে ৬ দফা নির্দেশনা:

    ১. সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।
    ২. জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
    ৩. সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা।
    ৪. চোখ, নাক বা মুখে হাত না লাগানো।
    ৫. হাঁচি বা কাশির সময় বাহু, টিস্যু বা রুমাল দিয়ে মুখ-নাক ঢেকে রাখা।
    ৬. ক্লাসরুম ও ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সচেতন করা।

    অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নির্দেশনাগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি সময়মতো স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর হয়, তবে এই সংক্রমণ প্রতিরোধ অনেকটাই সহজ হবে।


    📌 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের পোর্টালে চোখ রাখুন।

  • মালদ্বীপে বাজিমাত! অনূর্ধ্ব-১৬ বাস্কেটবলে ব্রোঞ্জ জিতল বাংলাদেশের বালক দল

    মালদ্বীপে বাজিমাত! অনূর্ধ্ব-১৬ বাস্কেটবলে ব্রোঞ্জ জিতল বাংলাদেশের বালক দল

    এবিএনএ:

    দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে আরেকটি গর্বের মুহূর্ত যুক্ত হলো বাংলাদেশের নামে। মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৬ দক্ষিণ এশিয়ান বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশিপ (এসএবিএ)-এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ব্রোঞ্জ পদক ঘরে তুলেছে বাংলাদেশ বালক দল।

    রবিবার মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশ ৭৫-৪৩ পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানে স্বাগতিক মালদ্বীপকে পরাজিত করে। খেলাটি শুরু থেকেই একপেশে ছিল, যেখানে সান মুরং একাই দলের জন্য সংগ্রহ করেন ২৪ পয়েন্ট। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন আফ্রিদি, যিনি ১৬ পয়েন্ট যোগ করেন।

    প্রসঙ্গত, গ্রুপ পর্বে রাউন্ড রবিন লিগেও মালদ্বীপকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের জোরে এগিয়েছিল বাংলাদেশ। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, ভারত এবং শ্রীলঙ্কা অংশ নেয়।

    নারী বিভাগেও বাংলাদেশ অংশ নেয়, যদিও প্রথম আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণে বালিকা দল মালদ্বীপের কাছে ৮৬-২২ পয়েন্টে হেরে গেছে। তবুও অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে নারী দলের এই উপস্থিতিই ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।

    দক্ষিণ এশিয়ান বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এসএবিএ) আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের এই অর্জন ক্রীড়াপ্রেমীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের প্রত্যাশা করছেন খেলোয়াড়, কোচ ও ভক্তরা।

  • করোনায় ফের একজনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৬

    করোনায় ফের একজনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৬

    এবিএনএ:

    দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আবারও একজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ২৬ জন।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই সময়ে ২৯১টি নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে এসব তথ্য উঠে এসেছে। নতুন আক্রান্তসহ দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জনে। আর মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫০৩ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০৫ জনে।

    উল্লেখ্য, এর আগের দিন শনিবার দেশে করোনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি, তবে শুক্রবার দুইজনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও এর বিস্তার রোধে সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। বিশেষ করে যাদের বয়স বেশি বা আগে থেকে রোগ আছে, তাদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

  • প্রয়াত গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, রাজনীতির এক অধ্যায়ের অবসান

    প্রয়াত গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, রাজনীতির এক অধ্যায়ের অবসান

    এবিএনএ:

    রাজনৈতিক অঙ্গনের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু আর নেই। রবিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

    দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। জীবনের শেষ পর্যায়ে শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তবে সেখানেই থেমে যায় তাঁর জীবনের পথচলা।

    মোস্তফা মহসিন মন্টুর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক শোকবার্তায় তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মোস্তফা মহসিন মন্টু দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন এক নিবেদিত প্রাণ রাজনীতিক।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, মোস্তফা মহসিন মন্টুর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের ইতি ঘটল। গণফোরাম ও জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর অভাব দীর্ঘদিন অনুভূত হবে।

  • ইশরাক হোসেনের হুঁশিয়ারি: আন্দোলন থামবে না, জরুরি সেবা চলবে আগের মতো

    ইশরাক হোসেনের হুঁশিয়ারি: আন্দোলন থামবে না, জরুরি সেবা চলবে আগের মতো

    এবিএনএ:

    বিএনপি নেতা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রার্থী ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, তাকে মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার সুযোগ না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, এ আন্দোলনের কারণে নগরবাসীর জরুরি নাগরিক সেবা ব্যাহত হবে না।

    রবিবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় রাজধানীর নগর ভবনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে ইশরাক এই ঘোষণা দেন। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন করছি। জনগণের সেবা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে আমাদের সর্বোচ্চ নজর থাকবে।”

    তিনি আরও বলেন, “ডিএসসিসির দায়িত্ব নেওয়ার বৈধ অধিকার থেকে আমাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি, তাই আমার শপথ গ্রহণের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

    এদিকে, সকাল থেকেই বিএনপির অসংখ্য নেতা-কর্মী নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ইশরাকের পক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন এবং তাকে দ্রুত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

    আন্দোলনের ফলে জনজীবন কিছুটা প্রভাবিত হলেও ইশরাক নিশ্চিত করেন যে, চিকিৎসা, পানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জরুরি নাগরিক সেবা চালু থাকবে।

    ডিএসসিসির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লেও, সাধারণ নাগরিকদের জন্য স্বস্তির বার্তা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন—আন্দোলন চললেও সেবামূলক কার্যক্রম থেমে থাকবে না।


  • নির্বাচনে রেফারির ভূমিকা পালন করবে ইসি, প্রত্যয় জানালেন সিইসি

    নির্বাচনে রেফারির ভূমিকা পালন করবে ইসি, প্রত্যয় জানালেন সিইসি

    এবিএনএ:

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিরপেক্ষ রেফারির ভূমিকা পালন করবে বলে জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

    রবিবার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ঈদ পরবর্তী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন সিইসি। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া সভায় কমিশনের চার সদস্য, ইসি সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সিইসি বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত অনেক কাজ এগিয়ে নিয়েছি। বাকিগুলো সমন্বিতভাবে শেষ করতে হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জাতিকে একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দেওয়া।”

    তিনি আরও জানান, “সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বারবার বলে আসছে—আমরা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। এই ঘোষণার পেছনে আমাদের ওপর আস্থাই বড় প্রমাণ।”

    কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “রমজানেও আপনারা অঙ্গীকার করেছিলেন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন। আজ আবার সেই শপথের পুনরাবৃত্তি করুন—কোনো দলের অনুসারী না হয়ে, কেবল আইন মেনে ও ন্যায়ের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করুন।”

    পূর্ববর্তী ইসি কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনার কথা স্বীকার করে সিইসি বলেন, “আমরা অতীতের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজ করছি। এবার নির্বাচন কমিশন আরও সঠিক পথে এগোবে।”

    সবশেষে তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, “আমরা একটি রেফারির মতো নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করব। রাজনৈতিক দলগুলো যার যার মতো মাঠে খেলবে। আমরা শুধু নিশ্চিত করব, মাঠটা সবার জন্য সমান ও ন্যায্য থাকে। এই লক্ষ্যে আমরা বদ্ধপরিকর।”

  • ‘মহাভারত’ দিয়ে বিদায়ের ইঙ্গিত আমির খানের! শেষ সিনেমা হতে পারে স্বপ্নের এই প্রকল্প

    ‘মহাভারত’ দিয়ে বিদায়ের ইঙ্গিত আমির খানের! শেষ সিনেমা হতে পারে স্বপ্নের এই প্রকল্প

    এবিএনএ:

    বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট খ্যাত আমির খান এবার যেন অভিনয় জীবনের এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছেন। ইঙ্গিত মিলেছে, বহু প্রতীক্ষিত ও ব্যক্তিগতভাবে তাঁর স্বপ্নের প্রজেক্ট ‘মহাভারত’ হতে পারে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ সিনেমা।

    সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে আমির খান বলেন, “মহাভারত আমার কাছে শুধুই একটি সিনেমা নয়, এটি আমার আত্মার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি প্রয়াস। এর সঙ্গে যুক্ত হলে জীবনের সবকিছু যেন পরিপূর্ণ মনে হবে।”

    ৫৯ বছর বয়সী এই জনপ্রিয় অভিনেতা জানান, “এটা এমন একটি কাহিনি, যেখানে জীবনের সমস্ত রূপ প্রতিফলিত হয়—ভালোবাসা, ঘৃণা, যুদ্ধ, আত্মত্যাগ, ন্যায়ের সংগ্রাম। এত গভীর ও জটিল প্রজেক্ট শেষ করার পর হয়তো আমার আর নতুন কিছু বলার থাকবে না।”

    তবে একথা বলার পরও অভিনয় থেকে একেবারে সরে আসার ইচ্ছা নেই তাঁর। বরং নিজের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন আমির খান। মজা করে তিনি বলেন, “আমি চাই আমার মৃত্যু হোক পায়ে জুতো পরে,” অর্থাৎ কাজ করতে করতেই যেন চলে যেতে পারি।

    বর্তমানে আমির ব্যস্ত আছেন তাঁর নতুন ছবি ‘সিতারে জামিন পার’-এর প্রচারণা নিয়ে। এটি ২০০৭ সালের কালজয়ী সিনেমা ‘তারে জামিন পার’-এর সিকুয়েল। এবারও আমির শুধু অভিনয়ই করছেন না, ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন তিনি।

    এই সিনেমায় তাঁর বিপরীতে রয়েছেন জেনেলিয়া ডি সুজা। এছাড়াও ছবিতে রয়েছে একদম নতুন চমক—একসঙ্গে ১০ জন নতুন মুখকে বড় পর্দায় নিয়ে আসছেন আমির খান। এই তরুণ শিল্পীরা হলেন: আরৌশ দত্ত, গোপী কৃষ্ণ ভার্মা, সাম্বিত দেশাই, বেদান্ত শর্মা, আয়ুষ বানসালি, আশীষ পেন্ডসে, ঋষি সাহানি, ঋষভ জৈন, নমন মিশ্র এবং সিমরান মঙ্গেশকর।

    অভিজ্ঞদের তালিকায় রয়েছেন দারশিল সাফারি, সোনালি কুলকার্নি, ব্রিজেন্দ্র কালা ও সুরেশ মেননের মতো অভিনয়শিল্পীরা।

    ‘সিতারে জামিন পার’ মুক্তি পাচ্ছে ২০ জুন। আমির খানের এই কামব্যাক সিনেমা দর্শকের হৃদয় জয় করতে কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। আর সেই সাফল্যের পরই হয়তো শুরু হবে ‘মহাভারত’-এর মহাযাত্রা।

  • দেশে ফের বাড়ছে করোনা শনাক্ত, ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৭ রোগী

    দেশে ফের বাড়ছে করোনা শনাক্ত, ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৭ রোগী

    এবিএনএ:

    দেশে আবারও করোনা সংক্রমণ ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দিচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ে কেউ করোনায় মারা যাননি।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সর্বশেষ ১৩৯টি নমুনা পরীক্ষায় এই ৭ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ জনে।

    এর আগের দিন অর্থাৎ ১৩ জুন, ১৭৪টি নমুনা বিশ্লেষণ করে আরও ১৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। ওইদিন দুইজনের মৃত্যু হয়েছিল করোনায়। ফলে দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর মোট সংখ্যা বর্তমানে ২৯ হাজার ৪০২ জন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০১ জনে পৌঁছেছে।

    উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের মৃত্যু ঘটে করোনায়। সবচেয়ে ভয়াবহ দিন ছিল ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট, যেদিন দু’দিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন করে প্রাণ হারান।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা করোনা সংক্রমণ বাড়ার এই ধীর প্রবণতাকে অবহেলা না করার পরামর্শ দিয়েছেন। সংক্রমণ ঠেকাতে এখনই সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • তেল আবিবে ইরানের পাল্টা হামলা, ব্যর্থ আয়রন ডোমে ধসে পড়ে সামরিক সদর দপ্তর

    তেল আবিবে ইরানের পাল্টা হামলা, ব্যর্থ আয়রন ডোমে ধসে পড়ে সামরিক সদর দপ্তর

    এবিএনএ:

    ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার নতুন অধ্যায়ে শনিবার ভোরে তেল আবিবে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলের অতি প্রশংসিত আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি তেল আবিবের কিরিয়া এলাকায় অবস্থিত সামরিক সদর দপ্তরে আঘাত হানে।

    এই ঘটনায় ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইরানের পক্ষ থেকে এই হামলার দায় স্বীকার করা হয়েছে, যা তারা “প্রতিশোধমূলক অভিযান” হিসেবে অভিহিত করেছে।

    ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আকাশে উড়ে যাওয়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রকে আয়রন ডোম বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটি ব্যর্থ হয়। মুহূর্তেই বিশাল বিস্ফোরণে আলোকচ্ছটা এবং আগুনে ছেয়ে যায় সামরিক সদর দপ্তরের একটি অংশ। ঘটনাস্থলের কাছেই ছিল মার্গানিট টাওয়ার, যেখানে আইডিএফের (ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স) বেশ কয়েকটি অফিস রয়েছে।

    শুক্রবার সকালে ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একযোগে হামলা চালায়। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানী নিহত হন। এর জবাবেই শনিবার ইরান এই পাল্টা হামলা চালায় বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

    ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ হামলার সত্যতা স্বীকার করলেও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে দেশটির গোয়েন্দা সূত্র বলছে, হতাহতের সংখ্যা বেশ উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

    এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানালেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার শঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে।