Author: ABNA NEWS

  • ঢাকায় ফের করোনার হানা, ৪ জনের পরীক্ষায় ৩ জন আক্রান্ত

    ঢাকায় ফের করোনার হানা, ৪ জনের পরীক্ষায় ৩ জন আক্রান্ত

    এবিএনএ:

    দেশে আবারও করোনা সংক্রমণের আভাস মিলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের শরীরেই করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যদিও এই সময়ের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করেননি।

    রবিবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত নিয়মিত করোনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। আক্রান্তরা সবাই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে করোনায় আক্রান্তদের শনাক্তের হার ছিল ৭৫ শতাংশ, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম উচ্চ হার। তবে আশার কথা, একই সময়ে ৬ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    এর আগেও দীর্ঘ বিরতির পর গত ৫ জুন দেশে একজন করোনা রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল, যা ছিল সাম্প্রতিক কালের মধ্যে প্রথম প্রাণহানি। তবে রবিবারের হিসাব অনুযায়ী, মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে বাংলাদেশ।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, জনসচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই করোনা সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব। যদিও দৈনিক নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, তবুও সংক্রমণের হার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহেতু সংক্রমণের হার হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • কোরবানির পশু সামলাতে গিয়ে বিপত্তি, দুই দিনে নিটোরে আহত ৬৪১ জন, অস্ত্রোপচার ১৮১ জনের

    কোরবানির পশু সামলাতে গিয়ে বিপত্তি, দুই দিনে নিটোরে আহত ৬৪১ জন, অস্ত্রোপচার ১৮১ জনের

    এবিএনএ:

    ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি দিতে গিয়ে বা পশু কিনতে গিয়ে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর)-এ গত দুই দিনে ৬৪১ জন আহত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। দুর্ঘটনাগুলোর বেশিরভাগই হয়েছে গরু-ছাগলের ধাক্কা, লাথি কিংবা অসতর্কভাবে জবাইয়ের সময় ধারালো ছুরির আঘাতে।

    হাসপাতাল সূত্র জানায়, আহতদের মধ্যে ১৮১ জনকে জরুরি অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেরই পা কাটা, রগ ছিঁড়ে যাওয়া কিংবা হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো জটিল আঘাত ছিল। চিকিৎসা শেষে ৪৩৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও এখনো ২০৭ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

    নিটোর কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের আগের দিন শুক্রবার এবং ঈদের দিন শনিবার—এই দুই দিনে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে এসেছেন। কেবল ঈদের দিনেই ৩২৫ জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন, যাদের মধ্যে ১০২ জনকে অপারেশন থিয়েটারে নিতে হয়।

    শুক্রবারও কম চাপ ছিল না। সেই দিন হাসপাতালে আসা ৩১৬ জনের মধ্যে ৭৯ জনের জরুরি অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। ৮৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    নিটোরের জরুরি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রিপন ঘোষ বলেন, “অনভিজ্ঞতা ও সতর্কতার অভাবে এসব দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেকে হাত কেটে ফেলছেন, কারো পা কাটা পড়ছে, কেউবা পশুর ধাক্কায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হচ্ছেন।”

    রবিবার ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল থেকেই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আবারও রোগীর ভিড় বাড়তে থাকে। নিটোরে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য হাবিব জানান, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও রোগী আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কোরবানির সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষণের অভাব থেকেই এই ধরণের দুর্ঘটনা ঘটছে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পশু জবাইয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়োগের ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

  • লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি, ট্রাম্পের নির্দেশে ২ হাজার সেনা মোতায়েন

    লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি, ট্রাম্পের নির্দেশে ২ হাজার সেনা মোতায়েন

    এবিএনএ:

    লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসনবিরোধী উত্তেজনা রুখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ হাজার ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড়ের জেরে উদ্ভূত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে।

    এই ঘটনায় পুরো ক্যালিফোর্নিয়া জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দ্বিতীয় দিনের মতো শনিবার প্যারামাউন্ট জেলার একটি ল্যাটিনো অধ্যুষিত এলাকায় অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা (ICE)-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জের আশ্রয় নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানে লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ১১৮ জন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে একদিনেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৪ জনকে।

    বর্ডার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা টম হোম্যান ফক্স নিউজকে জানান, “লস অ্যাঞ্জেলেসকে নিরাপদ রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সব কিছু করব। অতিরিক্ত সেনা ও সরঞ্জাম আনা হচ্ছে এবং আজ রাতেই ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হবে।” তিনি বলেন, সহিংসতা বা সম্পত্তি ধ্বংসের ক্ষেত্রে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

    এদিকে, এফবিআইর ডেপুটি ডিরেক্টর ড্যান বঙ্গিনো এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক বার্তায় বলেন, “আপনারা বিশৃঙ্খলা আনলে, আমরা হাতকড়া আনব।” তিনি বিক্ষোভ দমনে আরও গ্রেপ্তারের ইঙ্গিত দেন।

    মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, তার দপ্তর লস অ্যাঞ্জেলেসে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জরুরি ভিত্তিতে ন্যাশনাল গার্ড পাঠিয়েছে। সহিংসতা চলতে থাকলে, ক্যাম্প পেন্ডলটনের সক্রিয় ডিউটির মেরিনদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজুম এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, ফেডারেল সরকারের এই সেনা মোতায়েন “উত্তেজনাপূর্ণ” এবং এটি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করবে। তিনি জানান, লস অ্যাঞ্জেলেসের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিজেরাই আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাস অভিযোগ করেছেন, ICE-এর আচরণ জনমনে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। এর জবাবে, ফেডারেল সংস্থাগুলি দাবি করেছে যে মেয়রের মন্তব্য তাদের কর্মীদের ঝুঁকিতে ফেলছে।

    বর্তমানে প্যারামাউন্ট এলাকায় তুলনামূলক শান্তি ফিরলেও, কিছু স্থানে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে এখনও উত্তেজনা রয়েছে। টিয়ার গ্যাস ও ফ্ল্যাশ ব্যাং ব্যবহারে এলাকাটি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, অনেক অভিবাসী তাদের বাড়িতে আটকা পড়ে আছেন এবং বাইরে আসতে ভয় পাচ্ছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই এলাকার ৮০ শতাংশেরও বেশি জনগণ হিস্পানিক বংশোদ্ভূত।

  • ঈদ শুভেচ্ছায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা ও নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ঈদ শুভেচ্ছায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা ও নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    এবিএনএ:

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
    শনিবার (৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’-তে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    দুই বাহিনীর প্রধানই তাদের সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, এই সৌজন্য সাক্ষাতে পারস্পরিক শুভকামনা ও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন তাঁরা।
    এ সময় দেশের সামগ্রিক কল্যাণ, শান্তি ও শৃঙ্খলার বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, “ঈদ মানেই সৌহার্দ্য, সম্মান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বন্ধন আরও দৃঢ় করার সময়। এই সাক্ষাৎ সে বার্তাই বহন করে।”

  • ঈদের দিন গাজায় রক্তাক্ত সকাল, ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৪২ ফিলিস্তিনি

    ঈদের দিন গাজায় রক্তাক্ত সকাল, ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৪২ ফিলিস্তিনি

    এবিএনএ:

    ঈদের পবিত্র দিনেও শান্তি পায়নি গাজার মানুষ। ইসরায়েলি বাহিনীর একের পর এক আকাশ ও স্থল হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪২ জন ফিলিস্তিনি।
    খান ইউনুস থেকে দেইর আল-বালাহ—সব জায়গায়ই ঈদের সকাল কেটেছে গোলাবর্ষণ, ধ্বংসস্তূপ ও আর্তনাদে।

    আল জাজিরার বরাতে জানা যায়, শুক্রবার ঈদের দিন ভোরে ইসরায়েলের টার্গেটেড হামলায় খান ইউনুসের নাসের হাসপাতালে ১৬টি, গাজার আল-শিফা হাসপাতালে আরও ১৬টি, আল-আহলি ব্যাপটিস্ট হাসপাতালে ৫টি এবং দেইর আল-বালাহর শহীদ আল-আকসা হাসপাতালে ৫টি মরদেহ আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষায়, “এই ঈদ যেন এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন।”

    সাংবাদিক তারেক আবু আজউম বলেন, “গাজায় ঈদের দিন মানেই এখন শুধুই বেঁচে থাকার লড়াই—কোনো উৎসব নেই, নেই শান্তি, নেই নিরাপত্তা।”

    এদিকে গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (GHF) জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা তাদের সব ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। নতুন নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে জানায় সংস্থাটি।

    সাম্প্রতিক হামলায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৬ জনে। বৃহস্পতিবার আল-আহলি হাসপাতালে আহত এক সাংবাদিক শুক্রবার মারা যান। গাজার সরকারি মিডিয়া সেন্টার এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত অপরাধ’ বলে আখ্যা দিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়কে মানবিকভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানায়।

  • ঢাকায় কোরবানির সময় গরুর আঘাতে আহত ১২০ জন, হাসপাতালে ভিড়

    ঢাকায় কোরবানির সময় গরুর আঘাতে আহত ১২০ জন, হাসপাতালে ভিড়

    এবিএনএ:

    ঈদুল আজহার কোরবানির দিন রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় পশু জবাই করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন নারী-শিশুসহ অন্তত ১২০ জন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
    আহতদের অনেকে গরুর লাথি ও শিংয়ের আঘাতে আহত হন, আবার কেউ কেউ ধারালো ছুরি বা কসাইয়ের অস্ত্র ব্যবহারের সময় কেটে যান।

    ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৭ জুন) সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্রমাগতভাবে আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে আনা হচ্ছিল। এদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    চিকিৎসকরা বলছেন, অভিজ্ঞতা ও সাবধানতার অভাবে প্রতি বছর কোরবানির দিনে এমন দুর্ঘটনা ঘটে। অনেকেই পশু নিয়ন্ত্রণে না রেখেই জবাইয়ের চেষ্টা করেন, আবার কেউ ধারালো অস্ত্র ব্যবহারে অসতর্ক থাকেন। এর ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, “যারা পশু জবাইয়ের কাজ করেন, তাদের প্রশিক্ষিত হওয়া জরুরি। অনভিজ্ঞতা থেকেই বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটে।”


  • রোজা, গরম ও ঝড়—এপ্রিল নয়, নির্বাচন হোক ডিসেম্বরেই: মির্জা ফখরুল

    রোজা, গরম ও ঝড়—এপ্রিল নয়, নির্বাচন হোক ডিসেম্বরেই: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ:

    ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পর দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ আরও অনেক নেতা।

    মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি জানান, এপ্রিল মাসকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সঠিক সময় হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। তার মতে, “এ সময় প্রচণ্ড গরম, ঝড়-বৃষ্টি এবং রোজার সময়কাল একত্রে হওয়ায় নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূল থাকবে না। তাছাড়া ওই সময় পাবলিক পরীক্ষাও চলবে। এমন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারণা ও অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়বে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা আগে থেকেই বলে আসছি, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন দেওয়া উচিত। এটা শুধু আমাদের দাবি নয়, জনগণেরও প্রত্যাশা ছিল। ডিসেম্বরের আবহাওয়া, সময়সূচি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।”

    মির্জা ফখরুল মনে করেন, নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত বাস্তবতার আলোকে হওয়া উচিত, আর সেটিই জাতীয় স্বার্থে গ্রহণযোগ্য হবে।

  • ঈদে বড় পর্দায় ছয় ছবি, কত হলে কোনটি চলবে জানুন এক ক্লিকে!

    ঈদে বড় পর্দায় ছয় ছবি, কত হলে কোনটি চলবে জানুন এক ক্লিকে!

    এবিএনএ:

    ঈদ মানেই সিনেমা প্রেমীদের জন্য উৎসব। এবারের ঈদুল আজহায় দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে মোট ছয়টি চলচ্চিত্র।
    এই তালিকায় শীর্ষে আছে শাকিব খানের ‘তাণ্ডব’, যা সর্বোচ্চ ১৩২টি হলে মুক্তি পেয়েছে। বাকিগুলোও ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক হলে প্রদর্শিত হচ্ছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক, কোন সিনেমাটি কয়টি হলে চলবে।


    🎬 তাণ্ডব

    শাকিব খানের সিনেমা মানেই দর্শকদের ভরসা। রায়হান রাফীর পরিচালনায় নির্মিত ‘তাণ্ডব’ এবার ঈদে ঝড় তুলেছে। দেশের ১৩২টি হলে মুক্তি পাওয়া এই ছবি দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের।
    চমক হিসেবে ক্যামিও চরিত্রে থাকছেন আফরান নিশো ও সিয়াম আহমেদ। এছাড়াও অভিনয়ে আছেন আফজাল হোসেন, জয়া আহসান ও এফএস নাঈম। প্রযোজনায় রয়েছে আলফা আই।

     


    🎬 ইনসাফ

    দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬টি হলে মুক্তি পেয়েছে সঞ্জয় সমাদ্দার পরিচালিত অ্যাকশনধর্মী ‘ইনসাফ’। মোশাররফ করিম, শরিফুল রাজ ও তাসনিয়া ফারিণের অভিনয়ে সমৃদ্ধ এ সিনেমার গল্প এবং পোস্টার আগেই আগ্রহ তৈরি করেছিল দর্শকদের মধ্যে।
    প্রযোজনায় টিওটি ফিল্মস ও তিতাস কথাচিত্র।


    🎬 নীলচক্র: ব্লু গ্যাং

    সাসপেন্স-থ্রিলার ঘরানার ‘নীলচক্র: ব্লু গ্যাং’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ৬টি হলে। বহুদিন পর ঈদে আরিফিন শুভ ফিরলেন এই সিনেমার মাধ্যমে। তার সঙ্গে রয়েছেন মন্দিরা চক্রবর্তী এবং ফজলুর রহমান বাবু।
    পরিচালনায় আছেন মিঠু খান। গল্প আবর্তিত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং তার প্রভাব ঘিরে।

     


    🎬 উৎসব

    তানিম নূর পরিচালিত পারিবারিক গল্পভিত্তিক সিনেমা ‘উৎসব’ মুক্তি পেয়েছে ৭টি প্রেক্ষাগৃহে।
    একসঙ্গে পর্দায় ফিরেছেন জাহিদ হাসান, আফসানা মিমি, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম ও ইন্তেখাব দিনার। সিনেমার ট্যাগলাইন: “পরিবার ছাড়া দেখা নিষেধ”।


    🎬 এশা মার্ডার: কর্মফল

    বছর খানেক দেরিতে মুক্তি পেল ‘এশা মার্ডার: কর্মফল’। পরিচালনায় সানী সানোয়ার। অভিনয়ে আজমেরী হক বাঁধন, পূজা ক্রুজ ও মিশা সওদাগর।
    একটি সাসপেন্স ও মনস্তাত্ত্বিক ক্রাইম ঘরানার সিনেমা এটি, যা এবার ঈদে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে।


    🎬 টগর

    আলোক হাসান পরিচালিত ও আদর আজাদ-পূজা চেরি অভিনীত ‘টগর’ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে ৭টি হলে।
    প্রচারণায় বেশ সক্রিয় ছিল ছবির টিম, গান ও টিজার আগেই দর্শকদের দৃষ্টি কেড়েছে।

  • ২০২৬ সালের এপ্রিলেই জাতীয় নির্বাচন! জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার বড় ঘোষণা

    ২০২৬ সালের এপ্রিলেই জাতীয় নির্বাচন! জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার বড় ঘোষণা

    এবিএনএ:

    জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় জানালেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    শুক্রবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন তিনি। ভাষণের শুরুতেই তিনি দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং সকল বয়সের নাগরিকের প্রতি শুভকামনা প্রকাশ করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “জনগণের জানার অধিকার রয়েছে যে নির্বাচন কবে হবে। আমরা ইতোমধ্যেই বলেছিলাম ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬–এর মধ্যে নির্বাচন হবে। আজ জানাতে চাই, নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমভাগে অনুষ্ঠিত হবে।”

    তিনি বলেন, বিগত ইতিহাস প্রমাণ করে, দেশে প্রতিটি বড় রাজনৈতিক সংকটের মূল ছিল ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন। এই ধরনের প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা দখলের ফলেই দেশে ফ্যাসিবাদ ও রাজনৈতিক নিপীড়ন মাথাচাড়া দেয়। তাই একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    ভবিষ্যতের নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “যেসব প্রতিষ্ঠান নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোর মধ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে জনগণের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে।”

    তিনি আরও জানান, বিচার, সংস্কার ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ম্যান্ডেট নিয়েই তারা অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    সবশেষে তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে সর্বোচ্চ ভোটার ও প্রার্থীর অংশগ্রহণ থাকবে এবং যা জাতির জন্য একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। নির্বাচন কমিশন শিগগিরই রোডম্যাপ প্রকাশ করবে।”

  • করোনার নতুন ঊর্ধ্বগতি, ভিড়পূর্ণ জায়গায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হতে পারে

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে আবারও বেড়েছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার। এমন পরিস্থিতিতে জনাকীর্ণ এলাকায় মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    শুক্রবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংক্রমণের বর্তমান ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় নিয়ে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিড়পূর্ণ জায়গায় মাস্ক পরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বয়স্ক এবং যাদের পূর্বে থেকে শারীরিক জটিলতা রয়েছে তাদের। জনসমাগমপূর্ণ পরিবেশ এড়িয়ে চলা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সরকারি সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে, যিনি ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এই মৃত্যুর খবর সামনে আসার পরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত নতুন নির্দেশনা দেয়।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামনে বর্ষার সময় হওয়ায় অন্যান্য ভাইরাল জ্বরের সঙ্গে মিশে করোনার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই সচেতনতা ও সতর্কতা ছাড়া সামনে থাকা কঠিন হতে পারে।