Category: এবিএনএ স্পেশাল

  • নিউইয়র্ক জ্যাকসন হাইটসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

    নিউইয়র্ক জ্যাকসন হাইটসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

    এ বি এন এ : কমিটি নিয়ে বিরোধের জের ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে গতকাল রোববার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

    বিএনপির নেতা আবদুল লতিফ ও জিল্লুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজাসংলগ্ন ইত্যাদি গার্ডেনে পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন করেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল লতিফ। পরে অঙ্গরাজ্যের কমিটি নিয়ে বিরোধের জের ধরে বিএনপির কয়েকজন নেতা নিচে নেমে প্রতিবাদ সভার প্রস্তুতি নেন। এ সময় সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপির সমর্থকেরা আবদুল লতিফের পক্ষের লোকদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। নেতা-কর্মীরা এহসানুল হকের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। তারা ‘চাঁদাবাজ, চাঁদাবাজ’ বলে স্লোগান দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে লাঠি নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনাস্থল থেকে সরে যান এহসানুল হক মিলন।
    পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পরও কিছুক্ষণ সংঘর্ষ চলে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ। ছবি: প্রথম আলোডাইভারসিটি প্লাজায় উপস্থিত সাংবাদিকদের আবদুল লতিফ বলেন, ‘উদার গণতান্ত্রিক দেশে আমরা কর্মসূচি দিয়েছি। এই দেশে সবার কথা বলার অধিকার আছে। কিন্তু জিল্লুর রহমান গ্রুপের লোকজন তাতে বাধা দিয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।’ আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।

    জিল্লুর রহমান এবিএনএকে বলেন, কেন্দ্রীয় নেতা অর্থের বিনিময়ে কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছেন। যাঁদের আন্দোলন কিংবা দলীয় কোনো কর্মসূচিতে কখনো পাওয়া যায় না, তাঁদের দলের নেতৃত্বে আনার অপতৎপরতা চালাচ্ছেন।

    সংঘর্ষের পর উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। ছবি: প্রথম আলোতবে সংঘর্ষের জন্য পরস্পরকে দায়ী করেছেন আবদুল লতিফ ও জিল্লুর রহমান।

    সংঘর্ষের সময় জ্যাকসন হাইটসে বাজার করতে আসা প্রবাসী দিদারুল ইসলাম বলেন, ‘এসব দলবাজ বাজে লোকজনের কাণ্ডকারখানায় বিদেশের মাটিতে আমাদের মাথা বারবার হেঁট হচ্ছে।’

    আরেক প্রবাসী সাইদা বেগম বলেন, ‘এদের কারণেই আগামী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন। বিদেশিরা আমাদের অভিবাসীদের এমন সহিংসতায় কতটা বিরক্ত, তা কিছুদিন পরই টের পাওয়া যাবে।’

    সংঘর্ষের পর উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। ছবি: প্রথম আলো

  • ট্রাম্প ঠেকাতে মুসলিম আমেরিকানদের মিলিয়ন ভোটার সংগ্রহ অভিযান

    ট্রাম্প ঠেকাতে মুসলিম আমেরিকানদের মিলিয়ন ভোটার সংগ্রহ অভিযান

    এ বি এন এ : মিলিয়ন ভোটার তালিকাভুক্তির লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন মুসলিম-আমেরিকানরা। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলমানদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ এবং ইতিমধ্যেই যারা নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদেরকে নজরদারিতে রাখার যে বিধি করবেন বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তারা। এ বিষয়ে ইউএস কাউন্সিল অব মুসলিম অর্গানাইজেশন’র বোর্ড মেম্বার ওসামা অবু ইরসাঈদ বলেছেন, ‘ভার্জিনিয়া ও ফ্লোরিডার মত ফলাফল নির্ধারণী রাজ্যসমূহে মুসলমান ভোটারেরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারলে আসছে নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে ধরাশায়ী করা খুব কঠিন হবে না। ভোটের ময়দানে মুসলিম বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের জবাব ব্যালটেই প্রদানের আহ্বান জানান তিনি। উল্লেখ্য, আমেরিকান মুসলমানদের অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষায় কর্মরত জাতীয় ও আঞ্চলিক সংগঠনসমূহের সমন্বয়ে এই মোর্চা গঠিত হয়েছে এবং তারাই মিলিয়ন তথা ১০ লক্ষাধিক ভোটার তালিকাভুক্তির জন্য কাজ শুরু করেছেন। এদিকে, কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স তথা কেয়ার এর পক্ষ থেকে সর্বশেষ পরিচালিত এক জরিপে উদঘাটিত হয়েছে যে, ১১ শতাংশ মুসলমানই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দিতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা কত তা সুনির্দিষ্টভাবে এখনও জানা না গেলেও প্রায় ৯০ লাখ রয়েছেন মুসলমান। এর মধ্যে অনেকেই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেও ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হননি কিংবা ভোট প্রদানের ব্যাপারে আগ্রহী নন। এমন মিলিয়ন ভোটারের সন্ধান করছে ওই কাউন্সিল। নিউইয়র্কেও চলছে এ অভিযান। মসজিদের ইমাম এবং কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্টরা নেতৃত্ব নিয়েছেন এ অভিযানে। কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ওসামা আবু ইরসাঈদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা মুসলিম সম্প্রদায়কে সজাগ করতে চাই যে, আপনি যদি আপনার অধিকার স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিতে চান, তাহলে কেউই এগিয়ে আসবে না সে অধিকার ফিরিয়ে দিতে। এবং তেমন ধরনের কিছু হিংসাত্মক মানুষ রয়েছে এই যুক্তরাষ্ট্রে, যারা মুসলমানদের অধিকার-মর্যাদা ছিনিয়ে নিতে চায়। তাই, সংবিধান প্রদত্ত অধিকার সুরক্ষায় আমাদের সোচ্চার হওয়া দরকার’। কেয়ারের নির্বাহী পরিচালক নিহাদ আওয়াদ বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম আতঙ্ক তৈরির যে ভয়ঙ্কর একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা রুখতে মিলিয়ন ভোটার সংগ্রহের এ অভিযানের গুরুত্ব অপরিসীম।’ এ যাবৎ ৩ লক্ষাধিক মুসলমান-আমেরিকান এতে স্বাক্ষর করেছেন বলে ২৩ জুলাই প্রাপ্ত সর্বশেষ সংবাদে জানা গেছে। এদিকে, রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের জবাবে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২১ জুলাই বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘মুসলমানরা সব সময়ই আমেরিকার একটি অংশ। তাদের মধ্যে গুটিকয়েক সহিংসতার সাথে যুক্ত থাকলেও ঢালাওভাবে সবাইকে দোষী ভাবা উচিত নয়।’ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হোয়াইট হাউজে ওবামার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক ডিনার পার্টিতে তিনি ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনাও করেন। ওবামা বলেন, ‘অন্য আমেরিকানদের মত মুসলমানেরাও সন্ত্রাসবাদের হুমকিতে ভীত। আর এমনি অবস্থায় যারা সহিংস ঘটনা ঘটায় তারা পুরো মুসলিম-আমেরিকান সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে না।’ যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার যে বক্তব্য ট্রাম্প দিয়েছেন তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ওবামা বলেন, ‘ইসলামিক স্টেটের অপকর্মের জন্য মুসলমানদের ওপর দোষ চাপিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব যদি ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তাহলে সেটি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভালো কোন সিদ্ধান্ত হবে না। আইএস এবং আল কায়েদা তো পবিত্র রমজানে মুসলমানদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করেছে।’ ওবামা উল্লেখ করেন, ‘আমাদের মূল্যবোধের সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণ মানায় না। এছাড়া, এই মূল্যবোধের জন্যই তো আমেরিকা মহান জাতিতে পরিণত হয়েছে।

  • ট্রাম্পের বহিষ্কার প্রক্রিয়ায় নিউইয়র্কের ক্ষতি সবচে’ বেশি

    ট্রাম্পের বহিষ্কার প্রক্রিয়ায় নিউইয়র্কের ক্ষতি সবচে’ বেশি

    এ বি এন এ : রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছা অনুযায়ী অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢালাওভাবে বহিষ্কার করা হলে নিউইয়র্ক সিটি বার্ষিক ৭৯৩ মিলিয়ন ডলারের ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হবে। সিটি কাউন্সিলের স্পিকার মার্ক ভিবেরিটো পরিচালিত এক বিশেষ পর্যালোচনা-জরিপে এ তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। স্পিকার নিজেই তা প্রকাশ করেছেন। স্পিকার ভিবেরিটোর এই জরিপে আরো জানা যায়, সিটির ৫ বরোতে বসবাসরত অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের তাড়িয়ে দেয়ার ফলে সিটিতে উৎপাদন হ্রাস পাবে ২৫ বিলিয়ন ডলারের। আর এটি হচ্ছে সিটির মোর্ট অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ৩%। শুধু তাই নয়, কর্মসংস্থানের সুযোগ হ্রাস পাবে ৩ লাখ ৪০ হাজার। অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের দ্বারা এই বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। স্পিকার আরো উল্লেখ করেন, এক কোটি ১০ লক্ষাধিক অবৈধ ইমিগ্র্যান্ট রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সকলকেই যদি গ্রেফতার করে বহিষ্কার করা হয় তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় হবে ৪০০ থেকে ৬০০ বিলিয়ন ডলার। নিউইয়র্ক রাজ্যকে বহন করতে হবে ৪৯.২ বিলিয়ন ডলার।  নিউইয়র্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন ‘ট্রাম্প টাওয়ার’র সামনে ‘এসোসিয়েশন ফর এ বেটার নিউইয়র্ক’ নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সংবাদ সম্মেলনে গত বুধবার স্পিকার আরো উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধের পরিপন্থি কথাবার্তা বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে প্রেসিডেন্টের অযোগ্য করে তোলছেন। কারণ, ঢালাওভাবে অবৈধ ইমিগ্র্যান্ট বহিস্কারের পরিপ্রেক্ষিতে পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা বাড়বে। কম্যুনিটিতে অস্থিরতা শুরু হবে। সামাজিক নিরাপত্তা অটুট রাখা দুষ্কর হয়ে পড়বে।  ট্রাম্পের মুসলিম বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, এই সিটিতে বসবাসরত ২ লাখ ৬৩ হাজার লোক রয়েছে, যারা এসেছেন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র থেকে। এর মধ্যে এক লাখ ৫৭ হাজার জন কাজ করে সিটির অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে বছরে ১৪.২ বিলিয়ন ডলারের অবদান রাখছেন। এর পরও রয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ট্যুরিস্ট, যারা প্রতি বছর আসছেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এই ট্যুরিস্টরা ব্যয় করেন ১.২ বিলিয়ন ডলার। স্পিকার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের ট্যুরিস্টরা সবচেয়ে বেশী অর্থ ব্যয় করে থাকেন এই সিটিতে।

  • দেশের জন্য কাজ করতে চান ট্রাম্প : মেলানিয়া

    দেশের জন্য কাজ করতে চান ট্রাম্প : মেলানিয়া

    দেশের জন্য কাজ করতে চান ট্রাম্প। এমনটাই জানালেন তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প। সোমবার ক্লিভল্যান্ডে রিপাবলিকান দলের জাতীয় কনভেনশনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি দাবি করেছেন, ট্রাম্প তার দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান।

    চার দিনের ওই সম্মেলনে ট্রাম্পকে দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন দেওয়া হবে। প্রথম দিনের বক্তৃতাতেই রিপাবলিকানদের সামনে আসেন মেলানিয়া।

    তবে তার বক্তব্যের সঙ্গে মিশেল ওবামার আগের বক্তব্যের বেশ মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। ট্রাম্প সম্পর্কে মেলানিয়া বলেন, তিনি প্রয়োজনে যেমন কঠোর হতে পারেন তেমনি খুব সদয়, ন্যায়পরায়ন এবং যত্নশীলও হতে পারেন।

    তার বিভিন্ন গুণাবলীর জন্যই আমি তার প্রেমে পড়েছিলাম এবং এখনও তার সঙ্গে আছি। যদি আপনারা চান কেউ আপনাদের এবং দেশের সেবা করবে তাহলে আমি এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি ট্রাম্পই সেই মানুষ যাকে আপনারা খুঁজছেন।

  • নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের মানববন্ধন

    নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের মানববন্ধন

    এ বি এন এ : এদিকে স্থানীয় সময় রবিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটস ডাইভারসিটি প্লাজায় নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ জঙ্গীবাদ ও ধর্মের নামে নিরীহ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে এক মানববন্ধনের আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরনবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ মুখর মানববন্ধনের সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুর রহমান চৌধুরী।

    মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মো।  মোয়াজ উদ্দিন, সেলিম চৌধুরী, আবুল কাশেম, আমান আলী, নাজিম উদ্দিন, সৌরভ প্রামানিক, সুব্রত তালুকদার, শাহীন ইবনে দিলওয়ার, মোরশেদা জামান, মোঃ আলমগীর, মোঃ মাসুম, মোঃ কামাল, মোঃ মতিউর রহমান, সরাব সরকার, তৈয়বুর রহমান টনি, সাইকুল ইসলাম, শিমুল হাসান, শিবলী সাদেক শিবলু,  আইয়ুব আলী, মিনহাজ শরীফ রাসেল, হুমায়ুন কবির, মাসুদ হোসেন সিরাজী, জাকারিয়া চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল প্রমুখ।

  • নিউইয়র্কে ‘হৃদয়ে আঁকি বাংলাদেশ’ শীর্ষক জঙ্গীবাদ বিরোধী প্রতিবাদ

    নিউইয়র্কে ‘হৃদয়ে আঁকি বাংলাদেশ’ শীর্ষক জঙ্গীবাদ বিরোধী প্রতিবাদ

    এ বি এন এ : বাংলাশের সাম্প্রতিক জঙ্গী হামলাসহ সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ডে নিউইয়র্কের প্রগতিশীলরা প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। রবিবার ( ১৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় প্রগতিশীলদের নিয়ে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট উত্তর আমেরিকা আয়োজন করে  ‘রুখবোই জঙ্গীবাদ,  মানবতা হার মানে না’ র্শীষক ‘হৃদয়ে আঁকি বাংলাদেশ’ প্রতিবাদ কর্মসূচি।
    এ দিন প্রতিষ্ঠিত চিত্রশিল্পীরা ডাইভারসিটি প্লাজায় বাংলাদেশের মানচিত্রের একটি বাউন্ডারি তৈরি করেন। ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ সভায় যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে এসেছিলেন অশীতিপর বৃদ্ধ। প্রতিবাদী গান আর কবিতার মধ্য দিয়ে তারা মানচিত্রে রঙ ছড়িয়ে দিয়ে প্রতিবাদ করেছে। এ সময় জঙ্গীবাদকে ঘৃণার বাক্য ছুড়ে দিয়েছেন তারা।
    এতে শোকবার্তা পাঠ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্য ব্যক্তিত্ব জামাল উদ্দিন হোসেন। বক্তব্য দেন বেলাল বেগ, নাট্যকার কাজী আরিফ, প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মুহাম্মদ উল্লাহ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস, শীতাংশু গুহ, অধ্যাপক নবেন্দু বিকাশ দত্ত, সাপ্তাহিক বর্ণমালা স¤পাদক মাহফুজুর রহমান, আবিৃতিশিল্পী কাজী আরিফ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, ফাহিম রেজা নূর, গোপাল স্যান্যাল, ঢাকা থেকে আগত নাট্য নির্দেশক আলম বকুল প্রমুখ।
    কার্যক্রম শুরুতে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক মিথুন আহমেদ। মানচিত্রে তুলিতে আঁচড় দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করেন তাজুল ইমাম, গোপন সাহা ও স্বীকৃতি বড়ুয়া  ।
    সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক বাঙালি সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, ঠিকানা সম্পাদক লাবলু আনসার, প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী মুতলব আলী, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, অভিনেত্রী নায়লা আজাদ নূপুর, সঙ্গীতশিল্পী-অভিনেতা মাহমুদুল হক দুলু, সরাফ সরকার, সুব্রত বিশ্বাস, সাপ্তাহিক বাংলা টাইমস সম্পাদক সনজীবন সরকার, মোর্শেদা জামান, নবেন্দু দত্ত, নাট্যাভিনেত্রী হোসনে আরা, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ নেতা জে এ জয়, তৈয়বুর রহমান টনি, মিনহাজ আহমেদ, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র নিউইয়র্কের মাহফুজা হাসান, মিল্টন আহমেদ, সাবিনা হাই উর্বি, কান্তা আবির, নুসরাত তন্বী, প্রতিমা সরকার, সৈয়দ আদনান, শুভ রায়, গোপন সাহা প্রমুখ।
  • তুরস্কের ন্যাটো সদস্যপদ ছিনিয়ে নেয়ার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

    তুরস্কের ন্যাটো সদস্যপদ ছিনিয়ে নেয়ার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

    এ বি এন এ : গণতন্ত্রের নীতি ধরে রাখতে ব্যর্থ হলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো থেকে তুরস্কের সদস্যপদ ছিনিয়ে নেয়ার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবারের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুরস্ক সরকার বিদ্রোহী সেনাদের মৃত্যুদণ্ডের বিধান পাসের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    ব্রিটেনের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে সোমবার বলা হয়েছে, ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত সন্দেহে তুরস্কের ৮ হাজার পুলিশ কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশটির বিচার বিভাগের সদস্য ও সেনাবাহিনীর জেনারেলসহ আরো অন্তত ৬ হাজার জনকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টার পর দেশটিতে গণতান্ত্রিক নীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোঘারিনি ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ব্রাসেলসে যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সম্মেলনে তারা বলেন, তুরস্কের নির্বাচিত সরকারের পাশে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু আমরা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ মান এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে তুরস্ক সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

    মোঘারিনি ও জন কেরি বলেন, অভ্যুত্থানে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে আমাদের সমর্থন রয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায় এ রকম পদক্ষেপের বিষয়ে আমরা উদ্বিগ্ন এবং গণতান্ত্রিক শাসন বজায় রাখতে আমরা জোর গুরুত্বারোপ করছি।

    ইইউর পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোঘারিনি বলেছেন, তুরস্ক যদি পুনরায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান চালু করে তাহলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিতে পারবে না দেশটি।

    তিনি বলেন, আমাকে বলতে দিন…একটি বিষয় পরিষ্কার করি : মৃত্যুদণ্ডের বিধান কার্যকর করলে কোনো দেশ ইইউর সদস্য হতে পারবে না।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগী দেশ হিসেবে যোগ দেওয়ার পর ২০০৪ সালে তুরস্কে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া ১৯৮৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি। ফেডেরিকা মোঘারিনি ব্রাসেলসে বলেছেন, আইনের শাসন থেকে তুরস্ককে পেছনে নিয়ে যাবে এমন পদক্ষেপ ঠেকাতে কোনো অজুহাতের তোয়াক্কা করা হবে না।

    উল্লেখ্য, তুরস্কে শুক্রবার রাতে সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। অভ্যুত্থানে বেসামরিক নাগরিকসহ এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেনা সদস্য এবং বিচার বিভাগের কর্মকর্তাসহ আটক করা হয়েছে অন্তত ১৪ হাজার জনকে।

  • বারাক ওবামার নতুন বাড়ি!

    বারাক ওবামার নতুন বাড়ি!

    এ বি এন এ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বারাক ওবামার মেয়াদ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এরপর বিশ্বের ক্ষমতাধর এই প্রেসিডেন্টকে ছেড়ে দিতে হবে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এই সাদা বাড়ি ছেড়ে যাবেন কোথায় প্রেসিডেন্ট? সঙ্গে ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা ও কন্যা সাশা-মালিয়া? এই পরিবার নিয়ে কি তাহলে বাপের বাড়ি যাবেন ওবামা! না, বাপের বাড়ি নয়। পুরো পরিবারকে নিয়ে থাকবেন ওয়াশিংটন ডিসিতেই। ছোট মেয়ের পড়ালেখার কথা ভেবে ওবামা দম্পতি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এ কারণেই কালোরামায় ৩৩ কোটি ৭৭ লাখ ৭৫ হাজার ৫৩৫ টাকা (৪৩ লাখ ডলার) ব্যয় করে ইজারা নিয়েছেন একটি বাড়ি।

    হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর এই ঘরে ঘুমাতে হবে ওবামাকে। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়া৮ হাজার ২০০ বর্গফুটের ওই বাড়িতে আছে নয়টি শোয়ার ঘর, আলাদা প্রসাধন কক্ষ, আটটি গোসলখানা, বিনোদনের জায়গা ও বাগান। ১৯২৮ সালে নির্মাণ করা এই বাড়িটির রান্নাঘরও ঝকমারি। ছয়টি বার্নার স্টোভ আছে এতে। আছে গৃহপরিচারকদের জন্য আলাদা ঘর।
    মেয়ে মালিয়া ও সাশার আনন্দময় সময় কাটানোর ঘর। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়াপ্রেসিডেন্ট ওবামা সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের প্রেস সেক্রেটারি জো লকহার্টের কাছ থেকে ওই বাড়িটি ইজারা নিয়েছেন। বাড়িটির ওপরের তলায় রয়েছে একটি অফিস ঘর। মালিয়া-সাশার কোনো বন্ধু বেড়াতে এলে এই ঘরেই তাদের থাকতে দেওয়া হবে। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়াঅবসর সময়ে যেখানে বসে আত্মজীবনী লিখবেন ওবামা। শরীরচর্চার ঘর ছাড়াও বাড়িটিতে কাঠের মেঝেসহ একটি খাবার ঘর রয়েছে, যেটি বিনোদনস্থল হিসেবে ব্যবহারও করা যেতে পারে। তবে ওবামা তা করবেন কি না, পরিবারের ব্যয় বিবেচনা করেই সে সিদ্ধান্ত নেবেন। কারণ, তখন ওবামা প্রেসিডেন্ট হিসেবে সরকারি বেতন আর পাবেন না। তবে তিনি সিক্রেট সার্ভিস প্রোটেকশন নেবেন। বাড়িটিতে একটি বার ও ওয়াইন রাখার আলাদা ঘর রয়েছে। দুটি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও আছে বাড়ির সামনে।
    এখানে বসেই সকালের নাশতা করবে ওবামা পরিবার। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়াজমকালো এই বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এর অবস্থান। এখান থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে রয়েছে ওয়াশিংটন ডিসি। ছায়াসুনিবিড় এই এলাকায় একসময় সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট থাকতেন। অভ্যর্থনা কক্ষ। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়াডোনাল্ড রামসফেল্ডও পেন্টাগনে কাজ করার সময় এই কালোরামার বাসিন্দা ছিলেন। আর ওবামার এই বাড়ির ঠিক উল্টো দিকেই রয়েছে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বাসভবন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে গেলে হিলারি ক্লিনটনও হবে বারাক ওবামার প্রতিবেশী।
    খাবার ঘর। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়াছোট মেয়ে সাশার স্কুলের পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ওবামা। ১৪ বছর বয়সী সাশা স্থানীয় সিডওয়েল ফ্রেন্ডস স্কুলে পড়ালেখা করে। সেখানে তার বার্ষিক খরচ ৩০ লাখ ৯১ হাজার ৮২৪ টাকা (৩৯ হাজার ৩৬০ ডলার)। আর হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর বড় মেয়ে মালিয়া হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাবেন।একটি প্রসাধন কক্ষ। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়া

  • হোয়াইট হাউজের নিকট বন্দুকধারীকে গুলি

    হোয়াইট হাউজের নিকট বন্দুকধারীকে গুলি

    এ বি এন এ :  হোয়াইট হাউজের নিকট মেশিনগান হাতে থাকা এক বন্দুকধারীকে গুলি করে আটক করেছে সিক্রেট সার্ভিস নামক নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দফতর ও বাসভবন হোয়াইট হাউজের পাশ থেকে আহত অবস্থায় তাকে আটক করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে এ বি এন এ।
    এ সময় প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা হোয়াইট হাউজে না থাকলেও ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেখানে ছিলেন বলে এ বি এন এ জানিয়েছে। শুক্রবার দুপুরে হোয়াইট হাউজের পশ্চিম পাশের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে এ ঘটনা ঘটে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ সময় মেরিল্যান্ডে গলফ খেলায় ছিলেন বলে এ বি এন এর প্রতিবেদনে বলা হয়।
    এ বি এন এ জানায়, সিক্রেট সার্ভিসের এক সদস্য ওই নিরাপত্তা চৌকিতে অস্ত্রধারী একজনকে দেখতে পেয়ে অস্ত্র ফেলে দেয়া নির্দেশ দেয়। কিন্তু সে নির্দেশ অমান্য করে তাকে কাছ থেকে গুলি করা হয় এবং আহত অবস্থায় আটক করা হয়। হোয়াইট হাইজের নিকটবর্তী ‘ই’ সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর রাস্তাটিতে মানুষের যাতায়াত বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলেও জানানো হয় হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে।
  • বাংলাদেশ সফরে যুক্তরাষ্ট্রের মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী

    বাংলাদেশ সফরে যুক্তরাষ্ট্রের মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী

    এ বি এন এ : এক সপ্তাহের বাংলাদেশ সফরে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী (পিডাস) উইলিয়াম ই. টড। তিনি বাংলাদেশ সফরে একটি আন্তমন্ত্রণালয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।
    ঢাকায় থাকাকালীন, পিডাস টড বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক সম্বনয় নিয়ে ও গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই এর সফরের ধারবাহিকতা নিয়ে আলোচনা করবেন।
    এছাড়া সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথেও দেখা করবেন তিনি।
    এই দায়িত্বের ঠিক আগে মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী টড কম্বোডিয়ায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন যেখানে তিনি গণতন্ত্রের অগ্রসরতা, মানবাধিকার, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বাড়াতে লক্ষ্য নির্ধারণ করেন। কম্বোডিয়াতে তার দায়িত্ব পালনের আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কাবুলের উন্নয়ন ও অর্থনীতি বিষয়ক সমন্বয় পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
    টড যুক্তরাষ্ট্র সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। পনের বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করছেন।