Tag: সরকারি চাকরি

  • সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: শূন্যপদ পূরণে ৫ লাখ সরকারি চাকরি, শিক্ষা ও খেলাধুলায় বড় পরিকল্পনা

    সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: শূন্যপদ পূরণে ৫ লাখ সরকারি চাকরি, শিক্ষা ও খেলাধুলায় বড় পরিকল্পনা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের শূন্যপদ পূরণে বড় আকারের নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ কার্যক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ১৮০ দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী পরিকল্পনা তৈরি করেছে।

    এই কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শূন্যপদ পূরণে পাঁচ লাখ জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তরগুলোতে ২ হাজার ৮৭৯ জন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই

    শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসায় বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা চালু করা হবে।

    এর ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী সহজে ব্যবহার করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ইউনিয়ন ও উপজেলায় খেলার মাঠ

    তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ৮ বিঘা এবং প্রতিটি উপজেলায় ১০ বিঘা আয়তনের উন্মুক্ত খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। শহর ও গ্রামে মাঠ নির্ধারণে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি কাজ করছে বলে সংসদে জানান সরকার প্রধান।

    বিদেশে পড়তে শিক্ষাঋণের সীমা বাড়ল

    বিদেশে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। ল্যাঙ্গুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে জামানতবিহীন ঋণের সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে ভিসা পাওয়ার আগেই যোগ্যতার প্রমাণপত্রের ভিত্তিতে এই ঋণ পাওয়া সহজ হবে। এতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আর্থিক সহায়তা পাবে।

    বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়োগ কার্যক্রমসহ শিক্ষা ও ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সরকারি চাকরিতে বিশাল শূন্যপদ—পৌনে ৫ লাখ পদ খালি, প্রত্যাহার ২৪ হাজার রাজনৈতিক মামলা!

    সরকারি চাকরিতে বিশাল শূন্যপদ—পৌনে ৫ লাখ পদ খালি, প্রত্যাহার ২৪ হাজার রাজনৈতিক মামলা!

    এবিএনএ: দেশে সরকারি চাকরিতে বিপুল সংখ্যক পদ এখনো খালি রয়েছে—এমন তথ্য উঠে এসেছে জাতীয় সংসদে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হাজারো মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টিও জানানো হয়েছে।

    সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী Abdul Bari জানান, বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী (৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত), দেশে মোট কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন।

    পদভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণিতে ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৭৩ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫ জন এবং চতুর্থ শ্রেণিতে ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৫৭ জন কর্মরত আছেন। এছাড়া অন্যান্য শ্রেণিতে রয়েছেন প্রায় ৭ হাজার ৯৮০ জন।

    অন্যদিকে শূন্যপদের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ৬৮ হাজার ৮৮৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি, তৃতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি এবং চতুর্থ শ্রেণিতে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি পদ খালি রয়েছে। অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও রয়েছে কয়েক হাজার শূন্যপদ।

    এদিকে, আইনমন্ত্রী Asaduzzaman সংসদে জানান, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ও হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা ইতোমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব মামলা মূলত জনগণকে হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছিল।

    আইনমন্ত্রী আরও জানান, অতীত সরকারের আমলে দায়ের করা এমন আরও অনেক মামলা রয়েছে, যেগুলো যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ব্যক্তি আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হলে তার সম্মান ও অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একই সঙ্গে অতীতে অস্বাভাবিক কিছু মামলার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, বহু বছর আগে মারা যাওয়া ব্যক্তি কিংবা প্রতিবন্ধীদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছিল।

    এ ধরনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার এখন এসব মামলা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

    আইনমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে আবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, কারণ এ বিষয়টি শুধু আইন মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হয় না।

    সব মিলিয়ে, একদিকে বিপুল শূন্যপদ পূরণের চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ—দুই দিকেই সরকারের বড় ধরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • দেশজুড়ে চাকরির লড়াই: ৬১ জেলায় একসঙ্গে শুরু প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

    দেশজুড়ে চাকরির লড়াই: ৬১ জেলায় একসঙ্গে শুরু প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

    এবিএনএ: সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা। শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে দেশের ৬১টি জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নিচ্ছেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি আবেদনকারী, যা প্রার্থী ও পদের অনুপাতে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সরকারি নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর একটি।

    পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি একত্রে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। প্রশ্নফাঁস বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ ঠেকাতে মাঠে রয়েছে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

    কড়া নজরদারির মধ্যেও কয়েকটি এলাকায় প্রশ্নফাঁস চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। রংপুরসহ কিছু জেলা থেকে কয়েকজনকে আটক করা হলেও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা মূলত অবৈধ ডিভাইস ব্যবহারের চেষ্টা করছিলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    এর আগে অন্য একটি সরকারি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুজব ছড়ায়। এতে অনেক প্রার্থী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এসব গুজবকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষায়, শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে।

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশের বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট রয়েছে। প্রায় ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের পদোন্নতি হলে নতুন করে বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য হবে। সে কারণেই দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা জরুরি।

    এবার ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। অর্থাৎ প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।

  • হঠাৎ স্থগিত ইউজিসির নিয়োগ পরীক্ষা, প্রার্থীদের জন্য নতুন অপেক্ষা

    হঠাৎ স্থগিত ইউজিসির নিয়োগ পরীক্ষা, প্রার্থীদের জন্য নতুন অপেক্ষা

    এবিএনএ:  অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সহকারী পরিচালক ও সহকারী সচিব পদে অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

    ইউজিসির জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এতে জানানো হয়, পূর্বনির্ধারিত তারিখে অর্থাৎ শুক্রবার অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ও তারিখ পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। ফলে পরীক্ষার্থীদের নতুন ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    উল্লেখ্য, একই দিনে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয় (বিএসসিএস) আয়োজিত সিনিয়র অফিসার পদের লিখিত পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

  • প্রাথমিকের দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এবার নিয়োগ ৪ হাজারের বেশি

    প্রাথমিকের দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এবার নিয়োগ ৪ হাজারের বেশি

    এবিএনএ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন এই ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ৪ হাজার ১৬৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    বুধবার বিকেলে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়। এর আগে প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল ৫ নভেম্বর, যেখানে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে।

    মোট ১০ হাজার ২১৯টি শূন্যপদ পূরণে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় চলতি বছরের ২৮ আগস্ট প্রকাশিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ভিত্তিতেই এ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

    এরপর ৩১ আগস্ট গঠন করা হয় আট সদস্যবিশিষ্ট ‘কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি’। এই কমিটির চেয়ারম্যান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন পলিসি ও অপারেশন পরিচালক। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতিনিধিরাও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত।

    প্রথম পর্যায়ের বিধিমালায় কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব ঘটে। পরে সংশোধিত নীতিমালা ২ নভেম্বর পুনরায় প্রকাশ করা হয়। নতুন বিধিমালায় ‘অন্যান্য বিষয়ে’ শব্দের পরিবর্তে ‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্তত’ শব্দটি যোগ করা হয়, যার ফলে বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারী প্রার্থীরাও এখন সরাসরি নিয়োগে অগ্রাধিকার পাবেন।

    নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৮০ শতাংশ নিয়োগ হবে পদোন্নতির মাধ্যমে এবং বাকি ২০ শতাংশ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

    এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন উদ্যম সৃষ্টি হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

  • জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশে ৪ হাজার এএসআই নিয়োগের ঘোষণা

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশে ৪ হাজার এএসআই নিয়োগের ঘোষণা

    এবিএনএ:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশের কাঠামো শক্তিশালী করতে সরকার নতুন করে ৪ হাজার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই–নিরস্ত্র) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-৩ শাখার উপসচিব আবু সাঈদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, “বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত বিভিন্ন ইউনিটের বিপরীতে ৪ হাজার এএসআই (নিরস্ত্র) গ্রেড–১৪ পদ রাজস্ব খাতে অস্থায়ীভাবে সৃজনের সরকারি অনুমোদন প্রদান করা হলো।”

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়, অনুমোদিত পদগুলো সাংগঠনিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি পদ সংরক্ষণ ও স্থায়ীকরণ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

    অর্থ বিভাগের জিও (GO) পৃষ্ঠাঙ্কনের তারিখ থেকে এই পদগুলো কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া ১৯৪৩ সালের Police Resolution of Bengal অনুযায়ী পদ পূরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এ সংক্রান্ত সকল প্রশাসনিক ও আর্থিক আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং জনপ্রশাসন ও অর্থ বিভাগের আরোপিত শর্তসমূহ সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের প্রস্তুতি আরও জোরদার করবে।

  • ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ, নয় সচিবকে একসঙ্গে অবসরে পাঠালো সরকার

    ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ, নয় সচিবকে একসঙ্গে অবসরে পাঠালো সরকার

    এবিএনএ: সরকারি চাকরির নির্ধারিত মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় নয় জন সচিবকে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন সিনিয়র সচিব এবং সাতজন সচিব। সোমবার (২০ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই বিষয়ে পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন—সিনিয়র সচিব মো. মনজুর হোসেন ও মো. মশিউর রহমান, এবং সচিব মো. সামসুল আরেফিন, মো. মিজানুর রহমান, মো. আজিজুর রহমান, মো. নূরুল আলম, ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, ড. এ কে এ মতিউর রহমান ও শফিউল আজিম।

    উল্লেখ্য, এই নয় কর্মকর্তা বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তারা ওএসডি হিসেবে নিয়োজিত হন।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন ২০১৮–এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী সরকার জনস্বার্থে তাদের চাকরি থেকে অবসর প্রদানকে প্রয়োজনীয় মনে করেছে। ফলে তাদের চাকরির মেয়াদ শেষ করে অবসর প্রদান করা হয়েছে।

    বিধি অনুযায়ী, তারা অবসরকালীন সব ধরনের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা পাবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • ডিসি-ইউএনও আর থাকছে না: প্রশাসনে আসছে বড় পরিবর্তন

    ডিসি-ইউএনও আর থাকছে না: প্রশাসনে আসছে বড় পরিবর্তন

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের জনপ্রশাসনে আসছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদের নাম পরিবর্তনসহ ১০টি বড় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে গত জুলাইয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়, এবং এরই মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে।

    জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কাঠামো ‘সুপিরিয়র এক্সিকিউটিভ সার্ভিস’ (এসইএস) গঠন করা হচ্ছে। এতে উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত সব পদ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারের দক্ষ কর্মকর্তারা এসইএসে যোগ দিতে পারবেন।

    সূত্রে জানা গেছে, সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নতুন পদবি হবে ‘জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা কমিশনার’, আর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পদবি পরিবর্তন হয়ে হবে ‘উপজেলা কমিশনার’। এসব পদবি পরিবর্তনের কাজ বাস্তবায়ন করছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)।

    নতুন কাঠামো অনুযায়ী, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এসইএসে উপসচিব, যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে পরের বছরে পুনরায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে, তবে পরপর দুইবার ব্যর্থ হলে আর পরীক্ষা দেওয়া যাবে না। সফল প্রার্থীদের মেধা অনুযায়ী পদায়ন করা হবে, এবং একবার এসইএসে প্রবেশ করলে আগের সার্ভিসে ফেরত যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।

    এসইএস গঠন হলে উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত বর্তমান কর্মকর্তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর সদস্য হবেন। এছাড়া সচিব ও মুখ্য সচিব নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি বিশেষ কমিটি।

    সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ‘অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)’ পদের নামও বদলে হবে ‘অতিরিক্ত জেলা কমিশনার (ভূমি ব্যবস্থাপনা)’। এ ছাড়া প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বাড়াতে দুই শতাধিক সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের কাজও শুরু হয়েছে।

    এতে আশা করা হচ্ছে, নতুন কাঠামো প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করবে, কর্মকর্তাদের মধ্যে মেধাভিত্তিক পদোন্নতি নিশ্চিত করবে এবং সেবামুখী সরকার গঠনে ভূমিকা রাখবে।

  • ২০২৬ সালের শুরু থেকেই নতুন বেতন কাঠামোতে সরকারি চাকরিজীবীরা বেতন পাবেন

    ২০২৬ সালের শুরু থেকেই নতুন বেতন কাঠামোতে সরকারি চাকরিজীবীরা বেতন পাবেন

    এবিএনএ:  ২০২৬ সালের শুরু থেকেই সরকারি কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোয় বেতন পাবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করে কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এজন্য পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের জন্য অপেক্ষা করা হবে না। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটেই এর জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হবে।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আগামী বছরের মার্চ বা এপ্রিল থেকে নতুন পে স্কেল চালু করতে হলে ডিসেম্বরে বাজেট সংশোধনের সময়ই তহবিল বরাদ্দ দিতে হবে।”

    নতুন বেতন কাঠামো ও কমিশনের সুপারিশ

    গত ২৪ জুলাই গঠিত পে কমিশন ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেবে। কমিশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ৮:১ থেকে ১০:১-এর মধ্যে থাকবে। প্রতিবেশী ভারতসহ অন্যান্য দেশেও একই ধরনের অনুপাত রয়েছে।

    চিকিৎসা ও শিক্ষা ভাতা বৃদ্ধির প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বর্তমানে একজন কর্মচারী মাসে ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। নতুন কাঠামোয় অবসরোত্তর সময়েও বাড়তি সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে কর্মচারীদের সন্তানদের শিক্ষা ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হবে।

    পদোন্নতি ও কাঠামোর পরিবর্তন

    ২০১৫ সালের ফরাসউদ্দিন কমিশনের মতো এবারও সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল বাতিল করে পদোন্নতির প্রক্রিয়া সহজ করার সুপারিশ করা হতে পারে। বর্তমানে জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় প্রায় ১৪ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন, তবে ব্যাংক, বিদ্যুৎ কোম্পানি, সশস্ত্র বাহিনী ও বিচারকদের জন্য আলাদা কাঠামো বিদ্যমান।

    বেসরকারি খাতের ওপর প্রভাব

    কমিশন মনে করছে, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়লে বেসরকারি খাতের ওপরও চাপ তৈরি হবে। এজন্য আগামী অক্টোবর মাসে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে মতামত নেওয়া হবে।

    এছাড়া গবেষণামূলক কাজে যুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী ও গবেষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ভাতার প্রস্তাব রাখবে কমিশন।

    বাজেট বরাদ্দ

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৪ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় বেশি।

  • টানা চার দিনের ছুটি: শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটিতে স্বস্তি সরকারি কর্মচারীদের

    টানা চার দিনের ছুটি: শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটিতে স্বস্তি সরকারি কর্মচারীদের

    এবিএনএ:  সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে টানা চার দিনের ছুটির সুখবর। শারদীয় দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটি একসঙ্গে মিলিয়ে ১ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ভোগ করবেন তারা।

    ২০২৫ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১ অক্টোবর (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং ২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দুর্গাপূজার সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে সরকারি কর্মচারীরা একটানা চার দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।

    সাধারণত ঈদে সরকারি চাকরিজীবীরা তিন দিনের এবং দুর্গাপূজায় এক দিনের ছুটি পেয়ে থাকেন। তবে কিছু বছরে নির্বাহী আদেশে তা বাড়ানো হয়। এবারও দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়িয়ে টানা চার দিন করার ফলে কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

    ২০২৫ সালে দুই ঈদ মিলিয়ে মোট ১১ দিনের ছুটি এবং দুর্গাপূজায় দুই দিনের ছুটি অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। গত বছরের ১৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ তালিকা চূড়ান্ত করে।

    এবারের দুর্গাপূজার ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য এটি হয়ে উঠছে বছরের অন্যতম দীর্ঘ ছুটির একটি।