Tag: সরকারি চাকরি

  • ফেসবুক পোস্টে সমালোচনার জেরে বরখাস্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মি

    ফেসবুক পোস্টে সমালোচনার জেরে বরখাস্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মি

    এবিএনএ:  ফেসবুকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করায় লালমনিরহাটের সাবেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মিকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

    বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর অধীনে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর তাবাসসুম ঊর্মি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাসে সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য নিয়ে বিতর্কিত প্রতিক্রিয়া জানান, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে ওএসডি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বরখাস্তের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা এবং কারণ দর্শানোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। জবাব দেওয়ার সময় তিনি ব্যক্তিগত শুনানিতে নিরাপত্তা জনিত কারণে উপস্থিত হতে অপারগতা জানান। তবে তাঁর দেওয়া লিখিত ব্যাখ্যাকে অগ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

    তদন্ত শেষে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলেও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় তাঁকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

    এই ঘটনাটি সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনপ্রশাসনের শৃঙ্খলা রক্ষায় সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশেও নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দেওয়া আবশ্যক।

  • সংস্কারবিরোধী অবস্থানের জের? এনবিআরের তিন সদস্য ও এক কমিশনারকে অবসরে পাঠাল সরকার

    সংস্কারবিরোধী অবস্থানের জের? এনবিআরের তিন সদস্য ও এক কমিশনারকে অবসরে পাঠাল সরকার

    এবিএনএ:  জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তিন সদস্য ও একজন কর কমিশনারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। বুধবার বিকেলে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন—এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন, হোসেন আহমদ, আবদুর রউফ এবং বরিশাল কর অঞ্চলের কমিশনারের দায়িত্বে থাকা মো. শব্বির আহমেদ।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার আওতায় “জনস্বার্থে” তারা অবসরপ্রাপ্ত হচ্ছেন। তাদের সবার চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং তারা বিধি অনুযায়ী সমস্ত অবসর সুবিধা পাবেন।

    যদিও প্রজ্ঞাপনগুলোতে অবসরের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা—এনবিআর-এর দীর্ঘদিনের সংস্কারবিরোধী মনোভাবই হয়তো সরকারের এ সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ।

    এছাড়া গতকাল (মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. জাকির হোসেনকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    এনবিআরের অভ্যন্তরে চলমান অস্থিরতা ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের এ ধারাকে ভবিষ্যৎ সংস্কারের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কর কাঠামো সংস্কারে সরকারের সক্রিয় উদ্যোগের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

  • ‘কালো আইন’ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    ‘কালো আইন’ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ:  সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশকে ‘কালো আইন’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ের কর্মচারীরা আন্দোলনে আরও সক্রিয় হয়েছেন। এই দাবিতে তারা ফের বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছেন এবং ২২ জুন থেকে সারাদেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন।

    বুধবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের বিভিন্ন ফ্লোর প্রদক্ষিণ করে একদল আন্দোলনরত কর্মচারী মিছিল করেন। পরে ভবনের নিচে এসে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, “যদি আজকের মধ্যেই আমাদের দাবি মেনে সংশোধিত অধ্যাদেশ বাতিল করা না হয়, তাহলে আগামী রবিবার (২২ জুন) থেকে লাগাতার কর্মসূচি শুরু হবে।” তারা আরও জানান, এই কর্মসূচিতে দেশের সব সরকারি দপ্তরের কর্মচারীদের সম্পৃক্ত করে একযোগে আন্দোলনে নামা হবে।

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সমাবেশে আগামী দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের সামনে পুনরায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    নুরুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমাদের দাবি আজই মানতে হবে। অন্যথায় ২২ জুন থেকে আমরা এমন কর্মসূচি নেব, যা পুরো প্রশাসনিক কার্যক্রমকে অচল করে দিতে পারে।”

    এই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিকে কেন্দ্র করে সচিবালয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, সরকার এ ব্যাপারে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

  • বুধবার সচিবালয় কাঁপাবে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক মিছিল: আন্দোলন আরও বেগবান

    বুধবার সচিবালয় কাঁপাবে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক মিছিল: আন্দোলন আরও বেগবান

    এবিএনএ: সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে কর্মচারীদের আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী বুধবার প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা আলাদা মিছিল বের হয়ে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

    মঙ্গলবার বেলা ১১টার পর রাজধানীর সচিবালয়ের বাদামতলা এলাকায় জড়ো হন বিপুল সংখ্যক সরকারি কর্মচারী। সেখানে বাংলাদেশ সচিবালয় ঐক্য ফোরামের নেতারা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবির, মো. নুরুল ইসলাম এবং কো-মহাসচিব নজরুল ইসলামসহ অনেকে।

    নেতারা জানান, একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আলোচনায় বলেছেন যে, কর্মচারীদের আন্দোলন নাকি ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। এ প্রসঙ্গে ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, “আসলে কি আন্দোলন কমে আসছে? বরং আজকের জমায়েত গতকালের চেয়েও দ্বিগুণ। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বুধবার প্রত্যেক মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা মিছিল আসবে সচিবালয়ের দিকে।”

    তিনি আরও বলেন, “আন্দোলন আরও সুসংগঠিতভাবে চালিয়ে যেতে হবে। আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, এই দাবি আমাদের সবার এবং পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।”

    ফোরামের আরেক কো-চেয়ারম্যান বাদিউল কবির বলেন, “এই আন্দোলন এখন শুধু রাজধানীতে সীমাবদ্ধ নয়। সারা দেশে আমাদের সরকারি কর্মচারীরা রাস্তায় নেমেছেন। আমরা অধ্যাদেশ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

    বুধবার সকাল ১১টায় আবারও সবাইকে সচিবালয়ের সামনে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। এরপর দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বিক্ষোভকারীরা আবারও বাদামতলায় জড়ো হয়ে কর্মসূচি শেষ করবেন বলে জানানো হয়েছে।

  • মঙ্গলবার বন্ধ থাকছে সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশ, আন্দোলনের ঘোষণা উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    মঙ্গলবার বন্ধ থাকছে সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশ, আন্দোলনের ঘোষণা উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    এবিএনএ,ঢাকা:


    অনিবার্য কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার (২৭ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার রাতে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

    রাত সাড়ে ৯টার দিকে প্রেরিত এই চিঠি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ সব মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে মঙ্গলবার সারাদিন দর্শনার্থীরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

    এদিকে, ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ের ভেতরে সরকারি কর্মচারীদের লাগাতার বিক্ষোভ সোমবার তৃতীয় দিনে গড়ায়। দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বিক্ষুব্ধ কর্মচারীরা সচিবালয়ের সব প্রবেশদ্বার বন্ধ করে প্রতিবাদ জানান।

    বিক্ষোভে নেতৃত্বদানকারী ‘বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম’ এক বিবৃতিতে জানায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে মিছিল নিয়ে সচিবালয় এলাকার বাদামতলায় সমবেত হবেন তারা।

    ফোরামের কো-চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর বলেন, “আমাদের দাবি একটাই—এই কালো অধ্যাদেশ সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করতে হবে। যতদিন না তা হয়, ততদিন আন্দোলন চলবে।”

    একই সঙ্গে ফোরাম দেশের অন্যান্য সরকারি অফিসেও কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে দেশের সব প্রান্ত থেকে এই দাবি জোরালো হয়।

  • পররাষ্ট্রসচিব জসীম উদ্দিন সরে যাচ্ছেন, নতুন মুখ আসছে শিগগিরই

    পররাষ্ট্রসচিব জসীম উদ্দিন সরে যাচ্ছেন, নতুন মুখ আসছে শিগগিরই

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসছে নেতৃত্বের পরিবর্তন। চলতি সপ্তাহেই দায়িত্ব ছাড়তে যাচ্ছেন বর্তমান পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন। সরকারের পক্ষ থেকে খুব শিগগিরই ঘোষণা করা হবে তার স্থলাভিষিক্ত নতুন পররাষ্ট্রসচিবের নাম।

    বুধবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন

    তিনি বলেন,

    “পররাষ্ট্রসচিব নিজেই কিছু কারণে এ দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চেয়েছেন। আমরা সম্মত হয়েছি। আশা করছি তিনি দু’এক দিনের মধ্যেই দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।”


    📌 দায়িত্ব পরিবর্তন, কিন্তু চাকরি নয়:

    তৌহিদ হোসেন আরও জানান, সচিব মো. জসীম উদ্দিন চাকরি ছাড়ছেন না, বরং কেবল দায়িত্ব পরিবর্তন হচ্ছে।

    “তিনি অবসর নিচ্ছেন না, কেবল দায়িত্বে রদবদল হবে,” — বলেন উপদেষ্টা।


    📌 হঠাৎ এই পরিবর্তনের পেছনে কী?

    উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন,

    “মানুষ বিভিন্ন কারণে দায়িত্ব পালনে অসুবিধা বোধ করতে পারে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত কখনো কখনো যৌথ আলোচনায় আসে। সব সিদ্ধান্তের পেছনে ভিন্ন মতামত ও স্বার্থ জড়িত থাকে।”


    📌 বাইরের প্রভাব?

    পররাষ্ট্রসচিবের এই পদে পরিবর্তনের সঙ্গে কোনও ধরনের বাইরের চাপে বিষয়টি সম্পৃক্ত কিনা—এই প্রশ্নে উপদেষ্টা সরাসরি কিছু বলেননি।
    তিনি বলেন,

    “একজন সিদ্ধান্ত নেন না কখনও, অনেক সময় বিভিন্ন পক্ষের মতামত ও প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়। দেখে নেওয়া যাক কী হয়।”


    📌 কে হচ্ছেন নতুন পররাষ্ট্রসচিব?

    নতুন পররাষ্ট্রসচিব কে হচ্ছেন, এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে উপদেষ্টা জানান,

    “এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। দু’এক দিনের মধ্যেই সরকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।”