Tag: মুক্তিযুদ্ধ

  • মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি সেনানীর প্রস্থান: এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক

    মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি সেনানীর প্রস্থান: এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক

    এবিএনএ: মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    শনিবার রাষ্ট্রপতি কার্যালয় থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    শনিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে রাজধানীতে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন এ কে খন্দকার বীর উত্তম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণকারী আবদুল করিম খন্দকার, যিনি এ কে খন্দকার নামেই অধিক পরিচিত, ছিলেন এক বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় জীবনের অধিকারী। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি উপ-প্রধান সেনাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখেন।

    স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০০৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে পাবনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    কূটনৈতিক অঙ্গনেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি ভারত ও অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশ ও জাতির প্রতি তার এই বহুমুখী অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • শরণখোলায় আজ হানাদার মুক্ত দিবস: মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথায় গর্বের দিন

    শরণখোলায় আজ হানাদার মুক্ত দিবস: মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথায় গর্বের দিন

    মোঃ শাহাদাত হোসাইন, (শরণখোলা) বাগেরহাট: ১৮ ডিসেম্বর বাগেরহাটের শরণখোলা হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে দেশ স্বাধীন হলেও ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব সেক্টরের এই শরণখোলা ছিল হানাদার বাহিনীর দখলে। তৎকালিন থানা সদর রায়েন্দা বাজারে মুক্তিবাহিনী এবং রাজাকারদের মধ্যে সম্মুখযুদ্ধ তখনও চলে। ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিন সম্মুখযুদ্ধে রাজাকারের বুলেটে শহীদ হন – টিপু সুলতান, আসাদুজ্জামান, আলাউদ্দিন,গুরুপদ ও আলতাফ হোসেনসহ পাঁচ বীর যোদ্ধা।
    ১৮ ডিসেম্বর পুরোপৃুরি ভাবে হানাদার মুক্ত হয় মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টরের শরণখোলার রণাঙ্গন। সকাল ১০টার দিকে থানা ভবনে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করে শরণখোলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে হানাদারমুক্ত ঘোষনা করেন সুন্দরবন সাব সেক্টরের কমান্ডার মেজর (অব.) জিয়া উদ্দিন আহমেদ।
    এদিন বিকেল চারটার দিকে রায়েন্দা পাইলট হাই স্কুল মাঠে চার শহীদের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে রায়েন্দার আরকেডিএস বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সমাহিত করা হয় চার শহীদকে। প্রথম শহীদ গুরুপদকে সমাহিত করা হয় সুন্দরবন সংগ্ন সাউথখালী ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের পানিরঘাট এলাকায়।
    সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারীদের তথ্যমতে, শেষ মুহুর্তে হানাদার বাহিনী নাছির উদ্দিন আকনের রায়েন্দা বাজারস্থ বাসভবন দখল করে। এটিই ছিল রাজাকারদের প্রধান ক্যাম্প। এছাড়া থানা ভবন ও রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন দখল করে আরো দুটি ক্যাম্প স্থাপন করে শত্রু বাহিনী।
    শরণখোলাকে হানাদার মুক্ত করতে দীর্ঘ ৯ মাসের সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের নেতৃত্বে ছিলেন সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল আলম তালুকদার।
    রায়েন্দা বাজারের শেষ যুদ্ধে পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চল নামে দুটি দল গঠন করা হয়। পূর্বাঞ্চল দলের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন যুদ্ধকালীন ইয়াং অফিসার ও স্টুডেন্ট ক্যাম্প কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিন বদশা এবং পশ্চিমাঞ্চল দলের কমান্ডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন মোরেলগঞ্জের আব্দুল গফ্ফার সুবেদার।
    এই দুটি দলের আট শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা রায়েন্দা বাজারের রাজাকারদের তিনটি ক্যাম্পে আক্রমণ করেন।
    পূর্বাঞ্চল দলের কমান্ডিং অফিসার বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত উদ্দিন বাদশা বলেন, আমরা ১৪ ডিসেম্বর দুপুর ১টা ৪৫মিনিটের সময় ফায়ার শুরু করি। রামপালের সহযোদ্ধা শ্যামল ছিলেন এলএমজির কভারিং ফায়ারের দায়িত্বে। শ্যামল ওপর থেকে রাজাকার ক্যাম্প লক্ষ্যকরে ফায়ার করতে থাকেন। আর অগ্রবর্তি দলের ২০-২৫ জন যোদ্ধা নাছির উদ্দিন আকনের বাসভবনের রাজাকার ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হন। প্রথম দিন (১৪ ডিসেম্বর) যুদ্ধ শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিটের মাথায় রাজাকারের বুলেটে শহীদ হন গুরুপদ। গুলিতে তার মাথার খুলি উড়ে যায়। এদিন বিকেল চারটা থেকে সাড়ে চারটার মধ্যে শহীদ হন টিপু সুলতান ও আসাদুজ্জামান। রাতে শহীদ হন আলাউদ্দিন। ১৫ ডিসেম্বর সকালে শহীদ হন আলতাফ হোসেন। ওইদিন থানা ভবন ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের রাজাকার ক্যাম্প দখলে নেই আমরা।
    হেমায়েত উদ্দিন বাদশা আরো বলেন, ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর আক্রমণ চালাই নাছির উদ্দিনের বাসভবনের প্রধান ক্যম্পে। এসময় দিন-রাত সমানতালে ওই ক্যাম্পে মটার শেল ও গুলি বর্ষণ করি। পাল্টা গুলি চালায় রাজাকাররাও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুক্তিবাহিনীর গুলির মুখে নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে ১৭ ডিসেম্বর রাতেই বেশিরভাগ রাজাকার ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়। ক্যাম্পসংলগ্ন রায়েন্দা খালের সঙ্গে সংযুক্ত প্রায় ১০০ ফুট দীর্ঘ গোপন সুড়ঙ্গ পথে পালিয়ে যায় তারা। এর পর ১৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টা পর্যন্ত কোনো পাল্টা আক্রমণ না আসায় ক্যাম্পে ঢুকে যায় মুক্তিবাহিনী। সেখানে ১৭-১৮ জন রাজাকারকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া য়ায়।
  • বিজয়ের দিনে জাতির ঋণস্বীকার, গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের

    বিজয়ের দিনে জাতির ঋণস্বীকার, গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হলো মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: বিজয় দিবসে দেশমাতৃকার টানে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শুরুতে স্মৃতিস্তম্ভে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

    এরপর বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খান একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পরে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে সর্বস্তরের মানুষ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ফুল দিতে আসা মানুষের কারও হাতে ব্যানার, কারও হাতে প্ল্যাকার্ড, আবার কেউ নিয়েছেন স্বাধীন বাংলার লাল সবুজ পতাকা, সবাই যেন মিলেছেন এক মোহনায়। এ সময় স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিতে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন।

  • মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নবিদ্ধ হলে জাতির অস্তিত্বই বিপন্ন হবে: ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সতর্ক বিশিষ্টজনরা

    মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নবিদ্ধ হলে জাতির অস্তিত্বই বিপন্ন হবে: ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে সতর্ক বিশিষ্টজনরা

    এবিএনএ: সাম্প্রতিক সময়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু বিতর্কিত মন্তব্য ও ইতিহাস বিকৃতির প্রচেষ্টা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন মহলের মতে, মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অর্থ স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তিকেই অস্বীকার করা। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিতর্ক নয়—মুক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ও সত্য ইতিহাস চর্চাই জাতিকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে পারে।

    তাঁদের মতে, স্বাধীনতা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্জন। এর চেয়ে বড় কোনো প্রাপ্তি জাতির ইতিহাসে নেই। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি সর্বস্তরের জনযুদ্ধ, যার নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং যার সশস্ত্র সূচনা ঘটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমে। এই যুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের যথাযথ সম্মান জানানো রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব।

    বিশেষজ্ঞরা আরও মনে করেন, মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০-এর গণ অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনও ইতিহাসে নিজ নিজ গুরুত্ব নিয়ে স্থান পাবে। কোনো ব্যক্তি বা দলকে অস্বীকার করতে গিয়ে স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধকে বিকৃত করার সুযোগ নেই।

    সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি। এ নিয়ে প্রশ্ন তোলার মানে রাষ্ট্রের ভিত্তিকে নড়িয়ে দেওয়া। মুক্তিযুদ্ধ ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনাই করা যায় না। এটি বাদ দিলে জাতির পরিচয়ও মুছে যাবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল আমিন বেপারী বলেন, ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানের পর যে প্রশ্নগুলো উঠছে, তা মূলত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার ফল। মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া। কিন্তু দীর্ঘদিনের গণতন্ত্রহীনতা সেই স্বপ্নকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

    ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানের চেতনা একই সূত্রে গাঁথা। উভয় আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানবিক মর্যাদা, সাম্য, ন্যায়বিচার এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। একাত্তরের বিজয় ছিল পরাধীনতার বিরুদ্ধে, আর চব্বিশের বিজয় কর্তৃত্ববাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে—এই লড়াই এখনও চলমান।

    বিশিষ্টজনদের মতে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণের সূচনাবিন্দু হতে হবে মুক্তিযুদ্ধ। ইতিহাস বিকৃতি নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাস্তবায়নই জাতিকে সামনে এগিয়ে নিতে পারে।

  • বিজয়ের ৫৪ বছরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা, নীরবতায় স্মরণ বীর শহীদদের

    বিজয়ের ৫৪ বছরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা, নীরবতায় স্মরণ বীর শহীদদের

    এবিএনএ:  মহান বিজয় দিবসের সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় এই কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর সম্মান জানান।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হয়ে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধান উপদেষ্টা।

    এই সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। বিউগলের করুণ সুর পরিবেশকে আরও আবেগঘন করে তোলে।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান উপদেষ্টা উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

    মহান বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়। ঢাকার পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি আর্টিলারি রেজিমেন্টের ছয়টি গান থেকে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গান স্যালুট প্রদান করা হয়।

    প্রতি বছরের মতো এবারও সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হচ্ছে, যা স্বাধীনতার চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করছে।

  • বিজয়ের ৫৪ বছরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা, নীরবতায় স্মরণ শহীদদের আত্মত্যাগ

    বিজয়ের ৫৪ বছরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা, নীরবতায় স্মরণ শহীদদের আত্মত্যাগ

    এবিএনএ: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ৫৪তম বিজয় দিবসের সকালে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করেন।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হয়ে বীর শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

    এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন প্রদান করে। পরে রাষ্ট্রপতি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

    মহান বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়। ঢাকার পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি আর্টিলারি রেজিমেন্টের ছয়টি গান থেকে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সালাম জানানো হয়।

    প্রতি বছরের মতো এবারও সারাদেশে যথাযথ মর্যাদা, গাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হচ্ছে, যা জাতির ইতিহাস ও আত্মত্যাগের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে।

  • বিজয় দিবস হোক দেশের নতুন ঐক্যের প্রতীক: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    বিজয় দিবস হোক দেশের নতুন ঐক্যের প্রতীক: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    এবিএনএ: প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস মহান বিজয় দিবসকে দেশের নতুন ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন। ১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বিজয় দিবস উপলক্ষে তিনি বলেন, এই দিন হোক জাতীয় জীবনে নতুনভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার দিন।

    ড. ইউনূস বলেন, “১৯৭১ সালের ৯ মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের পর অর্জিত স্বাধীনতা এবং লাখো শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা ও স্বাধীন জাতিসত্তা। এ বিজয় আমাদের দায়িত্ব দেয় দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং জনগণের প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিগত বছরগুলোতে স্বাধীনতার আলো স্বৈরাচার ও অপশাসনের কারণে ম্লান হলেও, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন করে গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন উৎখাত হবে, ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

    তিনি বলেন, “চলুন, স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দিই। ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাই মিলে হাতে হাত রেখে শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপদ বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাই।”

  • ১৬ ডিসেম্বর: গৌরবের বিজয়, আত্মত্যাগের ইতিহাস ও জাতির আবেগের মহাকাব্য: তারেক রহমান

    ১৬ ডিসেম্বর: গৌরবের বিজয়, আত্মত্যাগের ইতিহাস ও জাতির আবেগের মহাকাব্য: তারেক রহমান

    এবিএনএ: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে অহংকার, আনন্দ ও বেদনার এক অনন্য অধ্যায়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের মাধ্যমে জাতি বিজয় অর্জন করে। এ উপলক্ষে তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশিকে শুভেচ্ছা জানান এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

    তারেক রহমান বলেন, একটি শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন নিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই প্রত্যাশা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বহুদলীয় গণতন্ত্র সংকুচিত করা হয়েছে এবং নাগরিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

    গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার ফলে সমাজে ভয়, অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে বারবার নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চর্চাকে দুর্বল করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজয় দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গড়ে ওঠে, যার ফলশ্রুতিতে স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। এর মধ্য দিয়ে দেশে আবার গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা তৈরি হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এখন সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে বিজয় দিবসে সবাইকে বিভাজন ও সহিংসতা পরিহার করে মানবিক রাষ্ট্র নির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

  • স্বাধীনতা অস্বীকারকারীরা এখন ‘নতুন দেশ’ গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে—বিশ্বাসযোগ্য নয়: মির্জা ফখরুল

    স্বাধীনতা অস্বীকারকারীরা এখন ‘নতুন দেশ’ গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে—বিশ্বাসযোগ্য নয়: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: যারা একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করেছিল, তাদের ওপর আস্থা রাখার কোনো কারণ নেই—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আজ নতুন রূপে হাজির হয়ে এমন ভাব দেখাচ্ছে যেন তারাই একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। কিন্তু দেশের মানুষ ইতিহাস জানে, তারা বিভ্রান্ত হবে না।

    রোববার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন হবে মূলত দুটি বিপরীত শক্তির মধ্যে। একদিকে থাকবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি। অন্যদিকে থাকবে সেই গোষ্ঠী, যারা বারবার ধর্মকে সামনে এনে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

    তিনি আরও বলেন, একাত্তরের ইতিহাস কোনোভাবেই ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। যারা এই দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন, রক্ত দিয়েছেন, তারা কখনো স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়াতে পারেন না। প্রশ্ন হলো—জাতি কোন পথে যাবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পথে নাকি স্বাধীনতা অস্বীকারকারীদের পথে?

    বিএনপি মহাসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীককে বেছে নেবে। এ কারণেই এবারের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, আজ আবার সেই পুরোনো শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যারা ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। অথচ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান আন্দোলন ও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাও করেছিল এই একই গোষ্ঠী।

    সভায় তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনের পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন—এটি দলের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে স্মরণকালের সংবর্ধনা দেওয়ার আহ্বান জানান।

    মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল জয়নুল আবেদিনসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

  • বুদ্ধিজীবী দিবসে ইতিহাসের ঋণ স্মরণ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে গভীর ভাবনার আলোচনা সভা

    বুদ্ধিজীবী দিবসে ইতিহাসের ঋণ স্মরণ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে গভীর ভাবনার আলোচনা সভা

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি জাহিদুল করিম কচি।

    চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আরিফের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, গ্রন্থগার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ ও সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা কামাল পাশা।

    এসময় বক্তারা বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন ঘটে। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে জাতি নতুন এক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করে। জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সকল পেশার, সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে এই ঐক্যের আলোকে আগামী দিনের বাংলাদেশ নির্মাণের আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

    সভা শেষে মুনাজাত পরিচালনা করেন শাহ আনিস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জামাল উদ্দিন।