Tag: মুক্তিযুদ্ধ

  • সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ ইস্যুতে তুমুল ঝড়! এক বক্তব্যেই অচল অধিবেশন

    সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ ইস্যুতে তুমুল ঝড়! এক বক্তব্যেই অচল অধিবেশন

    এবিএনএ: মুক্তিযুদ্ধ এবং জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে এক সংসদ সদস্যের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে সৃষ্টি হয় তীব্র উত্তেজনা। দিনের বড় অংশজুড়ে চলে হট্টগোল, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এবং তর্ক-বিতর্ক, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়ে।

    কীভাবে শুরু হলো বিতর্ক?

    মঙ্গলবার বিকেলে সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পর নিয়মিত কার্যসূচি শেষে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এ সময় কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বক্তব্য দিতে উঠলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    তার বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক দলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য আসতেই বিরোধী দলের সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে হট্টগোল শুরু করেন।

    স্পিকারের হস্তক্ষেপেও থামেনি উত্তেজনা

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার সদস্যদের সতর্ক করেন এবং সংসদের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানান। তবে এরপরও সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থামেনি।

    বিতর্কিত মন্তব্যে উত্তাপ বাড়ে

    বক্তব্যে ফজলুর রহমান দাবি করেন, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না। এই মন্তব্যের পর বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান এবং সংসদে হট্টগোল আরও বেড়ে যায়।

    এছাড়া তিনি মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলনার তুলনারও সমালোচনা করেন, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

    নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া ও পাল্টা বক্তব্য

    বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে এই মন্তব্যকে ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, অন্যের অবদান খাটো করার অধিকার কারও নেই।

    অন্যদিকে সরকারি দলের সদস্যরাও পাল্টা অবস্থান নেন। বিভিন্ন দল ও জোটের সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন, ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    স্পিকারের কঠোর বার্তা

    ক্রমাগত বিশৃঙ্খলার মধ্যে স্পিকার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, জাতি সরাসরি অধিবেশন দেখছে—এ ধরনের আচরণ সংসদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তিনি সংসদের কার্যপ্রণালি মেনে চলার ওপর জোর দেন এবং অসংসদীয় বক্তব্য রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়ার কথাও জানান।

    অন্যান্য ইস্যুতেও উত্তেজনা

    একই দিনে সংসদে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুর্নীতির অভিযোগ, গণভোটের বৈধতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সাংবাদিকদের অধিকার, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং জাল নোট প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়ন।

    রাজনৈতিক বিভাজন আরও স্পষ্ট

    দিনভর আলোচনায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, রাজনৈতিক অবস্থান এবং সমসাময়িক ইস্যুগুলোতে এই বিভাজন আরও প্রকট হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, একটি বক্তব্য ঘিরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পুরো দিনের সংসদ কার্যক্রমকে প্রভাবিত করেছে এবং দেশের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • সংসদে আবেগঘন বক্তব্য: ‘আমিও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান’—জামায়াত আমির

    সংসদে আবেগঘন বক্তব্য: ‘আমিও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান’—জামায়াত আমির

    এবিএনএ: জাতীয় সংসদে দেওয়া এক আবেগঘন বক্তব্যে নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে উল্লেখ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও দেশের মানুষের প্রত্যাশা এখনো পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।

    মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংসদের অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং নিজের পারিবারিক ইতিহাস তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের সঙ্গে তার পরিবারও রক্ত দিয়ে অংশীদার হয়েছে। বাংলাদেশ সবার—এই বার্তা তুলে ধরে তিনি জাতীয় ঐক্যের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

    গণতন্ত্রের প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতার পালাবদল জনগণের ভোটের মাধ্যমে হওয়াই স্বাভাবিক। তবে বাস্তবে বহু ক্ষেত্রে সেই ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও একসময় দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, যা গণতান্ত্রিক চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

    সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তার বক্তব্যে উঠে আসে নির্যাতন, গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, এসব ঘটনায় অসংখ্য পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

    জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তরুণদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া সেই আন্দোলন পরবর্তীতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে একটি বড় রূপ নেয়। কৃষক, শ্রমিক, ছাত্রসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে যুক্ত হয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সব নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আলোচনার ভিত্তিতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ একটি ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাবে।

  • একাত্তরের গণহত্যার বিচার দাবিতে বাংলাদেশের পাশে ভারত, দিল্লির স্পষ্ট বার্তা

    একাত্তরের গণহত্যার বিচার দাবিতে বাংলাদেশের পাশে ভারত, দিল্লির স্পষ্ট বার্তা

    এবিএনএ: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বিচার দাবিতে বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে ভারত। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সমর্থনের কথা জানানো হয়।

    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ১৯৭১ সালে ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে পাকিস্তানি বাহিনী যে নির্মম অভিযান চালিয়েছিল, তা ছিল ইতিহাসের এক ভয়াবহ অধ্যায়। সেই সময় অসংখ্য নিরীহ মানুষকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় এবং নারীদের ওপর সংঘটিত হয় ব্যাপক নির্যাতন।

    শরণার্থী সংকট ও মানবিক বিপর্যয়

    এই দমন-পীড়নের ফলে লাখো মানুষ জীবন বাঁচাতে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন এবং ভারতে আশ্রয় নেন। ভারতের মতে, ওই সময়ের মানবিক বিপর্যয় শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, গোটা বিশ্বের বিবেককে নাড়া দিয়েছিল।

    তবে ভারতের বক্তব্য অনুযায়ী, পাকিস্তান এখনো ওই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। তাই বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বিচার চাইছে, সে দাবিকে ভারত পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে।

    অপারেশন সার্চলাইট: ইতিহাসের কালো অধ্যায়

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। নয় মাসব্যাপী এই দমন-পীড়নের অবসান ঘটে ১৬ ডিসেম্বর, যখন বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

    এই সময়ে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারান এবং দুই লাখের বেশি নারী নির্যাতনের শিকার হন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রচেষ্টা

    বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে এই হত্যাযজ্ঞকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘গণহত্যা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরাম ও আইনসভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সমর্থনও বাড়ছে।

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই স্বীকৃতি আদায়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

    গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য

    প্রতি বছর ২৫ মার্চ বাংলাদেশে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। এ উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং ইতিহাসের এই বেদনাদায়ক অধ্যায় স্মরণ করা হয়।

    সরকারপ্রধান এক বার্তায় বলেন, ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কময় দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, যা কখনো ভোলার নয়।

    বিশ্লেষণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দাবিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ে নতুন গতি আসতে পারে।

  • স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা: গবেষণার নামে অবমূল্যায়ন নয়

    স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা: গবেষণার নামে অবমূল্যায়ন নয়

    এবিএনএ: দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে কোনো ধরনের বিকৃতি বা অবমূল্যায়ন বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গবেষণা ও মতামত অবশ্যই হওয়া উচিত, তবে তা যেন জাতির গৌরবময় ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে।

    শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসের গুরুত্ব অপরিসীম। অতীতকে সম্পূর্ণভাবে ভুলে গেলে জাতি দিকভ্রান্ত হয়, আবার অতীতে আটকে থাকলেও অগ্রগতির পথ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া লাখো বীর সন্তানকে। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা, আহত যোদ্ধা এবং যুদ্ধকালীন সাধারণ মানুষের অবদানও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেন। তাদের আত্মত্যাগেই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বক্তব্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার স্বপ্ন ধারণ করতেন এবং তার লেখালেখি ও কর্মকাণ্ডে সেই প্রস্তুতির প্রতিফলন দেখা যায়। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত তার অভিজ্ঞতা গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক দলের অর্জন নয়; এটি ছিল সমগ্র জাতির সংগ্রাম। লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব সবার।

    বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন তিনি। কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং খাল খননসহ বিভিন্ন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। বিভাজন নয়, সম্মিলিত প্রয়াসেই একটি উন্নত ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি আহ্বান জানান—সবাই মিলে ভালো থাকার প্রতিশ্রুতি নিয়ে এগিয়ে যেতে।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্বাধীনতা দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি—নীরবতায় স্মরণ বীর শহীদদের

    স্বাধীনতা দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি—নীরবতায় স্মরণ বীর শহীদদের

    এবিএনএ: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের পরপরই তারা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে পৌঁছান এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।

    পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ আয়োজন ঘিরে পুরো এলাকা ছিল নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘেরা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীসহ প্রবাসে থাকা সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। এই দিনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত নারী ও স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি জাতি চিরঋণী। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে তিনি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

  • ২৫ মার্চের কালরাত স্মরণে দেশজুড়ে ‘ব্ল্যাক আউট’—এক মিনিটের অন্ধকারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

    ২৫ মার্চের কালরাত স্মরণে দেশজুড়ে ‘ব্ল্যাক আউট’—এক মিনিটের অন্ধকারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

    এবিএনএ: ১৯৭১ সালের বিভীষিকাময় 1971 Bangladesh Genocide-এর সেই ভয়াল রাতের স্মরণে আগামী ২৫ মার্চ সারা দেশে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এদিন রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত এক মিনিটের জন্য সব আলো নিভিয়ে রাখা হবে।

    Ministry of Liberation War Affairs এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ‘গণহত্যা দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    তবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, কেপিআইভুক্ত এলাকা এবং বিদেশি মিশনগুলো এই কর্মসূচির বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দিবসটির মর্যাদা রক্ষায় ২৫ মার্চ রাতে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জা না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে ৮ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভা শেষে Salahuddin Ahmed জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিবেচনায় ২৬ মার্চ Independence Day of Bangladesh-এও সারা দেশে আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ২৫ মার্চের এই প্রতীকী অন্ধকার কর্মসূচি মূলত জাতির ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় স্মরণ এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর একটি নিদর্শন। পাশাপাশি এটি জাতির ঐক্য ও চেতনার প্রতিফলন হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

  • মুক্তিযুদ্ধকে অন্য আন্দোলনের সঙ্গে গুলিয়ে না দেখার আহ্বান: ইতিহাস বিকৃতিতে তরুণরা বঞ্চিত:মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

    মুক্তিযুদ্ধকে অন্য আন্দোলনের সঙ্গে গুলিয়ে না দেখার আহ্বান: ইতিহাস বিকৃতিতে তরুণরা বঞ্চিত:মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

    এবিএনএ: বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধকে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে এক কাতারে ফেলা সঠিক নয়। তাঁর ভাষায়, রাষ্ট্রের জন্মের মূলে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের অসীম ত্যাগ—এ সত্যকে আড়াল করলে ইতিহাস বিকৃত হয়।

    রোববার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল)–এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার রাজনৈতিক অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভুল ব্যাখ্যা ও বিকৃত উপস্থাপনার কারণে তরুণ প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানতে পারছে না। মুক্তিযোদ্ধারা কী ত্যাগ ও কষ্ট সহ্য করে দেশ স্বাধীন করেছেন—সে গল্প নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা থেকে যাচ্ছে।

    সভায় আরও বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়মিত যাচাই-বাছাই করা জরুরি। পাশাপাশি ঐতিহাসিক তথ্য সংরক্ষণ ও প্রামাণ্য নথি সংকলনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

    মতবিনিময় সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী, জামুকার সদস্যরা এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ইতিহাস পাল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে, ভবিষ্যতে আরও ভয়ংকর হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ইতিহাস পাল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে, ভবিষ্যতে আরও ভয়ংকর হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    এবিএনএ: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন করে বিকৃত করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে—দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী সাংগঠনিক এলাকার কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই এখন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে।

    স্বাধীনতার ঘোষণাকে ঘিরে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি—এমন দাবি ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ ধরনের বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইতিহাস বিকৃত করার অংশ।

    তিনি আরও বলেন, একাত্তরে যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদের কাছ থেকে ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা আসাই স্বাভাবিক। তবে দেশের মানুষ সত্য জানে। জনগণ বুঝে গেছে, আজ যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে, তা আসলে প্রতারণা ও ভণ্ডামি ছাড়া কিছু নয়।

    জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধাকে সামনে এনে সাইনবোর্ড দেখানোর মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান প্রমাণের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও দেশপ্রেমিক জনগণ এ ধরনের নাটক মেনে নেবে না।

    মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্বাধীনতার পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। শালীন ভাষায় হলেও দৃঢ় অবস্থান নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তির মোকাবিলা করা জরুরি।

    এ সময় তিনি নারীবিষয়ক কিছু সাম্প্রতিক বক্তব্যেরও কড়া সমালোচনা করেন। তার দাবি, কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য ও কর্মঘণ্টা কমানোর প্রস্তাব নারীদের কল্যাণের জন্য নয়, বরং নারীর কর্মসংস্থান সংকুচিত করার অপচেষ্টা।

    পথসভায় কক্সবাজার জেলা বিএনপিসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • একাত্তরের চেতনা ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনাই করা যায় না: তারেক রহমান

    একাত্তরের চেতনা ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনাই করা যায় না: তারেক রহমান

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক অস্তিত্বের মূল ভিত্তি। একাত্তরের ইতিহাস ও চেতনাকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাম দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশে যে নতুন বাস্তবতা ও সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে সরকার ও বিরোধী দলসহ সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা। একই সঙ্গে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    এ সময় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    বৈঠক শেষে বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের মূল ভিত্তি—এই চেতনাকে ধারণ করেই নব্বই ও সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথে এগোতে হবে।

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা, সূর্যাস্তের আগেই নিবেদন

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা, সূর্যাস্তের আগেই নিবেদন

    এবিএনএ: মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে যাত্রা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে তিনি সাভারের পথে রওনা হন।

    তবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগেই বেদিতে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক। সময়স্বল্পতার কারণে তারেক রহমান স্বশরীরে সেখানে পৌঁছাতে না পারায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে তার পক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্বে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় ও ড. আব্দুল মঈন খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।