Tag: ভ্লাদিমির পুতিন

  • ইরানকে সমর্থন দিলেন রাশিয়া

    ইরানকে সমর্থন দিলেন রাশিয়া

    এবিএনএ: ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশটির জনগণ চলমান সংকট অতিক্রম করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সেন্ট পিটার্সবার্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    বৈঠকে পুতিন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাশিয়া এমন সব উদ্যোগ নেবে যাতে ইরান ও গোটা অঞ্চলের মানুষের স্বার্থ রক্ষা হয় এবং দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনা যায়। রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে রাশিয়া মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। মস্কো ইতোমধ্যে ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং উত্তেজনা কমাতে বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেছে।

    এছাড়া বিরোধ কমানোর অংশ হিসেবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাবও পুনরায় উল্লেখ করেছে ক্রেমলিন। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো এ বিষয়ে কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বলে জানা গেছে।

    বৈঠকে পুতিন জানান, তিনি সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কাছ থেকে একটি বার্তা পেয়েছেন এবং এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে রাশিয়ার আগ্রহের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

    উল্লেখ্য, গত বছর রাশিয়া ও ইরান ২০ বছর মেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে সই করে। এর অংশ হিসেবে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নতুন দুটি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়া। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়াকে শাহেদ ড্রোন সরবরাহ করেছে ইরান।

    বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে তেহরানের প্রতি মস্কোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে পুতিনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

  • গাজা সংকট মেটাতে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: ‘বোর্ড অব পিস’-এ পুতিনকে আমন্ত্রণ ঘিরে জল্পনা

    গাজা সংকট মেটাতে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: ‘বোর্ড অব পিস’-এ পুতিনকে আমন্ত্রণ ঘিরে জল্পনা

    এবিএনএ: গাজাসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাত নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘বোর্ড অব পিস’-এ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ হিসেবেই পুতিনকে বোর্ডের সদস্য হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক শীতল হয়ে পড়ে। এমন প্রেক্ষাপটে পুতিনকে এই বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

    জানা গেছে, বোর্ড অব পিসের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। এতে সদস্য হিসেবে বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে এই বোর্ড গাজার চলমান সংকট সমাধানে কাজ করবে। পরবর্তী ধাপে বিশ্বের অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলেও ভূমিকা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বোর্ড অব পিসে সদস্য দেশগুলোর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। তবে কোনো দেশ যদি এক বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়, তাহলে তারা স্থায়ী সদস্যপদ পাবে—এমন প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই উদ্যোগ জাতিসংঘের প্রচলিত শান্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করছে জাতিসংঘ, ফলে নতুন এই প্ল্যাটফর্ম ভবিষ্যতে কতটা কার্যকর হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

  • পুতিনকে আটক করা হবে? সরাসরি প্রশ্নে ট্রাম্পের জবাব ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনার ঝড়

    পুতিনকে আটক করা হবে? সরাসরি প্রশ্নে ট্রাম্পের জবাব ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনার ঝড়

    এবিএনএ: ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নেওয়ার ঘটনার পর এবার আলোচনায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই ধরনের কোনো পদক্ষেপ পুতিনের ক্ষেত্রেও নেওয়া হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এই বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে আটক করার মতো কোনো পরিস্থিতি তিনি দেখছেন না। তার ভাষায়, “এটার প্রয়োজন হবে বলে আমার মনে হয় না।”

    এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মন্তব্য করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিতে পারে, তাহলে তারা জানে পরবর্তী লক্ষ্য কী হতে পারে। মাদুরোকে তুলে নেওয়ার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে দেওয়া সেই মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই ট্রাম্পকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

    শুক্রবার হোয়াইট হাউসে জ্বালানি খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন ট্রাম্প। ফক্স নিউজের সাংবাদিক পিটার ডুকি তাকে প্রশ্ন করেন—পুতিনকে ধরতে কখনো কোনো অভিযানের নির্দেশ দেবেন কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বরাবরই কার্যকর ছিল এবং তিনি আশা করছেন ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।

    ট্রাম্প আরও জানান, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত বন্ধে তার মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ না হওয়ায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে হতাশ।

    এদিকে মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, এটি ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া এই ঘটনাকে ‘দস্যুতার শামিল’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্বব্যবস্থাকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

  • ভারত সফরের আগে মোদির নেতৃত্বে মুগ্ধ পুতিন, দিল্লিতে প্রস্তুতি সর্বোচ্চ সতর্কতায়

    ভারত সফরের আগে মোদির নেতৃত্বে মুগ্ধ পুতিন, দিল্লিতে প্রস্তুতি সর্বোচ্চ সতর্কতায়

    এবিএনএ: দু’দিনের সরকারি সফরে এবার ভারতে পা রাখতে যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সফর শুরুর আগেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, মোদি কখনোই চাপের কাছে মাথানত করেন না; বরং নিজের দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন।

    মার্কিন শুল্কনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে পুতিন স্পষ্টভাবে জানান, “মোদি এমন নেতা নন, যিনি চাপের মুখে নতি স্বীকার করবেন।” ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এবারের সফর নিয়ে তিনি বিশেষভাবে আশাবাদী। রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা ও সহযোগিতা এই সফরে নতুন গতি পাবে বলেও মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

    তিনি জানান, মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে পরমাণু শক্তি, জাহাজ নির্মাণ, বিমান প্রযুক্তি—এসব খাতে দু’দেশই ভবিষ্যতের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে যৌথভাবে কাজ করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার ও সম্ভাবনাও এই বৈঠকের আলোচ্যসূচির মধ্যে থাকছে।

    মোদির নেতৃত্বে ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, “ভারত এখন দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি। ৭.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি তার বড় উদাহরণ। কিছু সমালোচনা থাকলেও সাফল্যই কথার প্রমাণ।”

    গত বছর চীনে অনুষ্ঠিত এসসিও সম্মেলনে মোদিকে নিজের গাড়িতে বসানোর ঘটনাটি স্মরণ করে পুতিন জানান, সেটি তাদের বন্ধুত্বেরই প্রতীক। পরিকল্পিত কিছু নয়, বরং দুই নেতার অনানুষ্ঠানিক আলাপের অংশ হিসেবেই তারা গাড়িতে উঠে পড়েছিলেন।

    মোদির আমন্ত্রণেই এবার ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে দিল্লি আসছেন পুতিন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার বিমান নামার কথা রাজধানীতে। তাকে ঘিরে দিল্লিতে নেওয়া হয়েছে পাঁচ-স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাশিয়ার প্রায় ৫০ জন নিরাপত্তাকর্মী আগেই দিল্লিতে পৌঁছে পুতিনের কনভয়ের সম্ভাব্য রুট পরিদর্শনও সম্পন্ন করেছেন। দিল্লি পুলিশ ও এনএসজির সঙ্গে যৌথভাবে চলছে টহল ও প্রস্তুতি।

    রুশ প্রেসিডেন্টের আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো দিল্লিতে এখন টানটান নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ব্যস্ততা।

  • ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পুতিন–দূত বৈঠকে ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি, বাড়ছে কূটনৈতিক তৎপরতা

    ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পুতিন–দূত বৈঠকে ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি, বাড়ছে কূটনৈতিক তৎপরতা

    এবিএনএ: ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগ নতুন গতি পাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আলোচনার টেবিলে থাকবে যুদ্ধ থামাতে হোয়াইট হাউস প্রস্তুত করা শান্তি পরিকল্পনা।

    ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ নিশ্চিত করেছেন যে বৈঠকটি স্থানীয় সময় দুপুরের পর অনুষ্ঠিত হতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আলোচনায় ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ্যারেড কুশনারও যোগ দিতে পারেন। ইউক্রেন সংশ্লিষ্ট শান্তি পরিকল্পনার খসড়া তৈরিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই দিনের এক সম্মেলনে ইউক্রেন ও মার্কিন কর্মকর্তারা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু বিষয়ে মতবিরোধ থাকলেও ট্রাম্প প্রশাসন পরিকল্পনাটিকে কার্যকর বলে মনে করছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিটও বলেছেন, “আমরা বেশ আশাবাদী।”

    তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউরোপীয় মিত্রদের আস্থা ধরে রাখতে ব্যস্ত। ইউরোপীয় দেশগুলো শঙ্কা প্রকাশ করেছে—মার্কিন খসড়া পরিকল্পনা ইউক্রেন ও ইউরোপের মতামত উপেক্ষা করে হয়ে উঠতে পারে মস্কোর দাবির প্রতিফলন।

    ইউক্রেনের আলোচক রুস্তেম উমেরভ জানিয়েছেন, ফ্লোরিডার বৈঠকে ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে, যদিও বেশ কিছু জটিল বিষয় রয়ে গেছে যেগুলোর ওপর আরও কাজ করা প্রয়োজন। ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট মাখোঁর সঙ্গে বৈঠকের পর জেলেনস্কি বর্তমানে আয়ারল্যান্ডে অবস্থান করছেন, সেখানেই উমেরভের কাছ থেকে সর্বশেষ পরিস্থিতির ব্রিফিং নেবেন তিনি।

    এদিকে আইএসডব্লিউ-এর সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় পর ২০২৪ সালের নভেম্বরের পর গত মাসেই রুশ বাহিনী ইউক্রেন যুদ্ধে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠায় বৈঠকটিকে আন্তর্জাতিক মহল অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।

  • পশ্চিমা শক্তিকে চাপে রাখতে চীন-রাশিয়ার নতুন জোট: ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে গভীর হচ্ছে কৌশলগত বন্ধুত্ব

    পশ্চিমা শক্তিকে চাপে রাখতে চীন-রাশিয়ার নতুন জোট: ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে গভীর হচ্ছে কৌশলগত বন্ধুত্ব

    এবিএনএ: ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব রাজনীতির ভারসাম্য নতুন মোড় নিয়েছে। পশ্চিমা জোটকে চাপে রাখতে এবার আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে চীন ও রাশিয়া। সামরিক, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় দুই দেশের বন্ধুত্ব এখন অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, চীন রাশিয়ার পরাজয় চায় না; বরং এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করে পশ্চিমা শক্তিকে দুর্বল করতেই দুই পরাশক্তি একাট্টা হচ্ছে।

    চীন নানাভাবে রাশিয়াকে সহায়তা দিচ্ছে—স্যাটেলাইট ডেটা সরবরাহ থেকে শুরু করে যুদ্ধাস্ত্রের প্রযুক্তিগত সহায়তা পর্যন্ত। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, বেইজিং মস্কোর সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ চেইনকে সচল রেখেছে এবং ইউক্রেনের প্রতি সামরিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে।

    ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে, রাশিয়া ইউক্রেনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সময় চীনের ইয়াওগান-৩৩ সিরিজের অন্তত তিনটি গোয়েন্দা স্যাটেলাইট পশ্চিম ইউক্রেনের আকাশে ঘুরতে দেখা গেছে। এটি দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতার সুস্পষ্ট প্রমাণ বলে দাবি করা হচ্ছে।

    রাশিয়ার অস্ত্র কারখানায় চীনা প্রযুক্তি

    রাশিয়ার প্রায় ২০টি সামরিক কারখানায় চীনের তৈরি মেশিন টুলস, বিশেষ রাসায়নিক, বারুদ ও যান্ত্রিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে। যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার ব্যবহৃত ড্রোন ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের প্রায় ৮০ শতাংশই এসেছে চীনা কারখানা থেকে। চীনের সহযোগিতায় রাশিয়া এখন নতুন প্রজন্মের কামিকাজে ড্রোন তৈরি করছে, যা ইউক্রেনীয় শহরগুলোতে হামলার কার্যকারিতা বাড়িয়েছে।

    অর্থনৈতিক নির্ভরতা বাড়ছে

    চীন-রাশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্কও নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪৫ বিলিয়ন ডলারে—যা ২০২০ সালের তুলনায় দ্বিগুণ। রাশিয়ার তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে চীনের অংশীদারিত্ব ক্রমেই বাড়ছে। এখন রাশিয়ার মোট বাণিজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ লেনদেন হচ্ছে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে, যা ২০২২ সালে ছিল মাত্র ২ শতাংশ।

    রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা

    ২০১২ সাল থেকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অন্তত ৪০ বারের বেশি বৈঠক করেছেন। নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনায় দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে। সম্প্রতি মস্কো সফরে পুতিন-শি বৈঠক দুই দেশের সীমাহীন অংশীদারত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা

    বিশ্লেষক বিল কোল বলেন, “চীন-রাশিয়া কেবল প্রযুক্তি ভাগাভাগি করছে না, বরং আধুনিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতাও একে অপরের সঙ্গে বিনিময় করছে।” তাঁর মতে, পশ্চিমা দেশগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে এই কৌশলগত জোটের মোকাবিলা না করলে, ভবিষ্যতে কর্তৃত্ববাদী শক্তিগুলো আরও প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

  • পুতিন-শি-কিম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন: অভিযোগ ট্রাম্পের

    পুতিন-শি-কিম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন: অভিযোগ ট্রাম্পের

    এবিএনএ:  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

    চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক তিয়ানআনমেন স্কোয়ারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে এই তিন নেতা একসাথে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানে চীন তাদের আধুনিক সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে—যার মধ্যে ছিল লেজার প্রযুক্তি, যা প্রতিপক্ষের বিদ্যুৎ লাইন বিকল করতে সক্ষম। এছাড়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, উন্নত সাবমেরিন ও মানববিহীন যুদ্ধ ব্যবস্থা প্রদর্শন করা হয়।

    কুচকাওয়াজের উদ্বোধন করে শি জিনপিং বলেন, বিশ্ব এখনো শান্তি নাকি যুদ্ধের বিকল্পের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি আরও যোগ করেন, “চীন অপ্রতিরোধ্য।” এই আয়োজনে অতিথি হিসেবে শি-র পাশে ছিলেন পুতিন ও কিম।

    ট্রাম্প পরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি শি জিনপিংকে উদ্দেশ করে লেখেন, “আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, দয়া করে পুতিন ও কিমকে আমার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবেন।” যদিও বার্তার শেষে তিনি চীনের জনগণের জন্য শুভকামনা জানান।

    অন্যদিকে, ট্রাম্পের অভিযোগকে গুরুত্বহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের শীর্ষ কূটনৈতিক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ জানান, “এখানে কোনো ষড়যন্ত্র নেই। শি, পুতিন ও কিম—কোনও নেতার মধ্যেই এমন ভাবনা ছিল না।”

  • এসসিও সম্মেলনে করমর্দন ও হাসিতে শি–পুতিন–মোদির শক্ত বার্তা

    এসসিও সম্মেলনে করমর্দন ও হাসিতে শি–পুতিন–মোদির শক্ত বার্তা

    এবিএনএ:  বিশ্ব রাজনীতির টানাপোড়েনের সময়েই এক ভিন্ন দৃশ্য উপহার দিল সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলন। চীনের তিয়ানজিনে আয়োজিত এই শীর্ষ সম্মেলনে ক্যামেরাবন্দি হলো তিন প্রভাবশালী নেতার করমর্দন ও হাসিমুখ—চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করেন পুতিন ও মোদি। দু’জন একসঙ্গে হাত ধরে ঢুকেই এগিয়ে যান শি জিনপিংয়ের দিকে। মুহূর্তেই তৈরি হয় এক আন্তরিক পরিবেশ। তিন নেতা করমর্দন করেন, হাসিমুখে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন। অনুবাদকসহ ঘিরে থাকা কর্মকর্তাদের মাঝেও তাদের উষ্ণ সম্পর্ক চোখে পড়ে। আলোচনার এক পর্যায়ে পুতিন হেসে ওঠেন, আর মোদিও অট্টহাসিতে সাড়া দেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি একটি ভিডিও প্রচার করেছে যেখানে দেখা যায়, পুতিন ও মোদি যখন শি জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন ঠিক পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। টিভি সম্প্রচারে তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করেও দেখানো হয়।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই দৃশ্য নিছক সৌজন্য নয়, বরং তা বহন করছে বড় রাজনৈতিক বার্তা। শি-পুতিনের ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ করছে যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক বিশ্ব রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ জানানো এক নতুন জোটের। আর মোদির উপস্থিতি দেখিয়েছে, ভারতও এই ভূরাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে চায়।

    ভারতের তক্ষশিলা ইনস্টিটিউশনের ইন্দো-প্যাসিফিক স্টাডিজের প্রধান মনোজ কেওয়ালরামানি বলেন, “কোনো সম্মেলনের ভেতরের ছোট ছোট দৃশ্য কখনো কখনো বড় বার্তা দেয়। এবারও তাই হয়েছে। হোয়াইট হাউসকে বুঝতে হবে তাদের নীতিই অন্য দেশগুলোকে বিকল্প মঞ্চে ঠেলে দিচ্ছে।”

    এ সম্মেলনে ২০টির বেশি দেশ অংশ নিয়েছে, যাদের বেশিরভাগই দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা বাণিজ্য যুদ্ধই আজ একাধিক দেশকে এক প্ল্যাটফর্মে এনেছে এবং চীন-রাশিয়ার নেতৃত্বকে আরও দৃঢ় করেছে।

  • সাত বছর পর চীন সফরে নরেন্দ্র মোদি, আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

    সাত বছর পর চীন সফরে নরেন্দ্র মোদি, আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ

    এবিএনএ:  দীর্ঘ সাত বছর পর চীন সফরে পা রাখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জাপান সফর শেষ করে শনিবার তিনি বেইজিং পৌঁছালে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আগামী ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য শাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।

    এটি মোদির ২০১৮ সালের পর প্রথম চীন সফর। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সম্মেলন উপলক্ষে মোদির সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনায় ভারত-চীন সীমান্ত পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এর আগে জাপান সফরে মোদি টোকিওতে বিভিন্ন ইস্যুতে বৈঠক করেন। বাণিজ্য, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো খাতে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, টোকিও থেকে সরাসরি বেইজিং সফর আঞ্চলিক কূটনীতিতে ভারতের ভূমিকাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

    চীন দীর্ঘদিন ধরেই এসসিওকে পশ্চিমা প্রভাবের বিকল্প একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। ভারত সেখানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজস্ব অবস্থানকে আরও দৃঢ় করতে চাইছে। ফলে মোদির এই সফর দক্ষিণ এশিয়া ও বৈশ্বিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় আনতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের মত।

  • শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন সফরে কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা, অনুপস্থিত পশ্চিমা দেশগুলো

    শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন সফরে কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা, অনুপস্থিত পশ্চিমা দেশগুলো

    এবিএনএ: চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে আগামী সপ্তাহে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। দীর্ঘ ছয় বছর পর তিনি চীন সফরে যাচ্ছেন এবং এটি হবে ২০১৯ সালের পর তার প্রথম চীন সফর। সফরের অংশ হিসেবে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন।

    চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ কুচকাওয়াজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ মোট ২৬ জন বিদেশি নেতা উপস্থিত থাকবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের কোনো শীর্ষ নেতা এতে অংশ নিচ্ছেন না।

    কিম জং উন ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর এটি হবে বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে তার প্রথম অংশগ্রহণ। যদিও কতদিন তিনি চীনে থাকবেন বা শি জিনপিং ও পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন কি না—তা নিয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

    চীন-জাপান যুদ্ধের ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় এ কুচকাওয়াজে ইরান, সার্বিয়া, বেলারুশ, কিউবা, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার নেতারাও যোগ দেবেন। সেখানে চীনের আধুনিক সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করা হবে এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভাষণ দেবেন।

    আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার অবস্থানের কারণে পশ্চিমা দেশগুলো এ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকছে। তবে উত্তর কোরিয়ার জন্য চীনের সহায়তা এখনো অপরিহার্য, যদিও সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়িয়েছে।

    কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, কিমের এ সফরের মাধ্যমে শুধু চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করাই নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনাও ইঙ্গিত দিচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে অতীতে কিমের কয়েক দফা বৈঠক হলেও নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে সমঝোতা ব্যর্থ হয়েছিল। এখন নতুন উদ্যোগে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে বলে মনে করছেন তারা।