Tag: বাংলাদেশ

  • একদিনেই জাতীয় সংসদে ৩১ বিল পাস, অন্তর্বর্তী অধ্যাদেশগুলোর বড় অংশ অনুমোদন

    একদিনেই জাতীয় সংসদে ৩১ বিল পাস, অন্তর্বর্তী অধ্যাদেশগুলোর বড় অংশ অনুমোদন

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে একদিনেই ৩১টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ২৮টি অধ্যাদেশ অবিকল রেখে আইনে রূপ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি অধ্যাদেশ রহিত করে নতুন আইন পাস করা হয়েছে এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলও অনুমোদন পেয়েছে।

    বৃহস্পতিবার অধিবেশনের ১২তম দিনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস হয়। পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন খাতের সংশোধনী আইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    অবিকল রেখে পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সংশোধন, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন সংশোধন, শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সংশোধন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন সংশোধন এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংশোধন বিল। এছাড়া বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী, শ্রম আইন, ইউনিয়ন পরিষদ, আইনগত সহায়তা প্রদান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের সংশোধনী বিল অনুমোদন করা হয়েছে।

    এর পাশাপাশি ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ, বাংলাদেশ গ্যাস, মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন, বৈদেশিক অনুদান নিয়ন্ত্রণ, মানব পাচার প্রতিরোধ, বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণসহ একাধিক নতুন আইনও পাস হয়েছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তর—পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ সম্পর্কিত সংশোধনী বিলও অনুমোদন পেয়েছে।

    এছাড়া ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ এবং হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন সংশোধন বিলও পাস হয়েছে।

    অন্যদিকে কিছু অধ্যাদেশ রহিত করে নতুন বিল পাস করেছে সংসদ। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল করে সংশ্লিষ্ট বিল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একইভাবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ বিষয়ক অধ্যাদেশও রহিত করা হয়েছে।

    এছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলনের লক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬ পাস হয়েছে। এর ফলে কমিশনের কার্যক্রম পূর্বের আইনি কাঠামোতে পরিচালিত হওয়ার পথ উন্মুক্ত হলো।

  • সংসদে একদিনেই ১৩ বিল পাস, সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন—অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

    সংসদে একদিনেই ১৩ বিল পাস, সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন—অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একাধিক অধ্যাদেশের ভিত্তিতে প্রস্তুত ১৩টি বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত আইনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতের বিল অনুমোদনের মাধ্যমে আইনগত কাঠামোয় নতুন পরিবর্তনের পথ খুলেছে।

    বুধবার (৮ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের একাদশ কার্যদিবসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করেন। পরে আলোচনা শেষে সেগুলো কণ্ঠভোটে পাস করা হয়।

    সকালের অধিবেশনে যেসব বিল পাস হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা আইন, ২০২৬’, ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড কনসারভেশন অব ফিস (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি জামালপুর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ এবং ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’।

    বিকেলের অধিবেশনে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়। এর মধ্যে রয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’, ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা রহিতকরণ আইন, ২০২৬’, ‘স্থানিক পরিকল্পনা আইন, ২০২৬’ এবং ‘পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলী) আইন, ২০২৬’।

    একই দিনে দ্বিতীয় দফায় আরও চারটি বিল অনুমোদন পায়। এগুলো হলো ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) আইন, ২০২৬’ এবং ‘কোড অব সিভিল প্রসিডিউর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’।

    সংসদে একদিনে এতগুলো বিল পাস হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব আইনের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামো, বিনিয়োগ পরিবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • সুন্দরবনে দস্যু দমনে অভিযান: দেড় বছরে আটক ৬১, উদ্ধার ৮১ জন

    সুন্দরবনে দস্যু দমনে অভিযান: দেড় বছরে আটক ৬১, উদ্ধার ৮১ জন

    এবিএনএ,বাগেরহাট:  বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে নিরাপত্তা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান চললেও বনদস্যুদের তৎপরতা পুরোপুরি দমন করা যাচ্ছে না। বনজীবী, বিশেষ করে জেলে ও মৌয়ালদের এখনও চাঁদাবাজি ও অপহরণের আতঙ্কে দিন কাটাতে হচ্ছে।

    গত দেড় বছরে কোস্টগার্ডের পরিচালিত একাধিক অভিযানে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন এলাকায় সক্রিয় সাতটি বনদস্যু চক্রের মোট ৬১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে তাদের কবল থেকে মুক্তিপণের জন্য অপহৃত ৭৮ জন জেলে এবং ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

    অভিযানগুলোতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩০৮টি ব্যবহৃত গুলির খোসা এবং প্রায় ১৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি। পাশাপাশি বনদস্যুদের কয়েকটি আস্তানাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল সুন্দরবনের বাইনতলা খালে পরিচালিত অভিযানে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর দুই সদস্য—মো. সোহাগ হাওলাদার ও বাবুল সানাকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি একনলা বন্দুক ও ২৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

    মোংলা কোস্টগার্ডের যুদ্ধজাহাজ ‘বিজিসিএস স্বাধীন বাংলা’র কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান জানান, সুন্দরবনে বর্তমানে করিম-শরিফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ, আসাবুর, ছোট জাহাঙ্গীর ও জোনাব বাহিনীসহ বেশ কয়েকটি দস্যু দল সক্রিয় রয়েছে। তারা নিয়মিত বনজীবীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছে।

    এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোস্টগার্ড গত দেড় বছর ধরে টানা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি নদী-খাল ও দুর্গম বনাঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে।

    কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তাদের এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • অন্তর্বর্তী সরকারের ৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত, ৩ বিল নিয়ে সংসদে আলোচনা স্থগিত

    অন্তর্বর্তী সরকারের ৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত, ৩ বিল নিয়ে সংসদে আলোচনা স্থগিত

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাতটি জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাস হয়েছে। একইসঙ্গে আপত্তি ওঠায় আরও তিনটি বিল তাৎক্ষণিকভাবে পাস না করে আলোচনার জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।

    সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এসব বিল উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে একে একে সাতটি বিল অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সংসদে এদিন মোট ১০টি বিল উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে সাতটি বিল পাস হলেও তিনটি বিল নিয়ে সদস্যদের আপত্তি থাকায় সেগুলো আরও আলোচনা ও পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ভূমি ব্যবহার সংক্রান্ত একটি সংশোধনী বিল যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

    যেসব সাতটি বিল পাস হয়েছে সেগুলো হলো— ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইন-২০২৬, রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল (সংশোধন) আইন-২০২৬, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) আইন-২০২৬, নির্বাচন কমিশন কর্মচারী (বিশেষ বিধান) সংশোধন আইন-২০২৬, জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) আইন-২০২৬, জাতীয় সংসদ সচিবালয় সম্পর্কিত অন্তর্বর্তী বিশেষ বিধান রহিতকরণ আইন-২০২৬ এবং বাংলাদেশ ল অফিসার্স (সংশোধন) আইন-২০২৬।

    এদিকে আলোচনার জন্য রাখা তিনটি বিল হলো— জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) আইন-২০২৬, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ আইন-২০২৬ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ রহিতকরণ আইন-২০২৬। এসব বিল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে পুনরায় সংসদে পাসের জন্য উত্থাপন করা হবে।

    জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি আইন হিসেবে অনুমোদনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই প্রথম ধাপে ১০টি বিল সংসদে তোলা হয়েছে। বাকি অধ্যাদেশগুলো পর্যায়ক্রমে বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অর্থনীতি পুনর্গঠনে বড় পরিকল্পনা: সংসদে অর্থমন্ত্রীর চমকপ্রদ ঘোষণা

    জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অর্থনীতি পুনর্গঠনে বড় পরিকল্পনা: সংসদে অর্থমন্ত্রীর চমকপ্রদ ঘোষণা

    এবিএনএ: বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব কাটিয়ে দেশের অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। জ্বালানি সংকট নিরসন থেকে শুরু করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহায়তা—সব ক্ষেত্রেই নেওয়া হয়েছে সমন্বিত উদ্যোগ।

    সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি—বিশেষ করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা—দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। এর সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া দুর্বল অর্থনৈতিক কাঠামো বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা গ্রহণের পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে নিজস্ব শক্তি বৃদ্ধির উদ্যোগ।

    ৫০ লাখ পরিবারকে সরাসরি সহায়তা

    নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসিক ২৫০০ টাকা করে সরাসরি ভাতা প্রদান শুরু হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করা হবে।

    ব্যাংকিং খাতে কঠোর পদক্ষেপ

    দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়ম দূর করতে ব্যাংক খাতে কঠোর সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। খেলাপি ঋণ আদায় এবং আমানতকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হবে কার্যকর ব্যবস্থা।

    জ্বালানি ও কৃষি খাতে নতুন উদ্যোগ

    জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের কৃষকদের সুরক্ষা দিতে প্রথমবারের মতো ব্যাপক পরিসরে কৃষি বিমা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি

    নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে বাজার তদারকি জোরদার করা হচ্ছে। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    রাজস্ব ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি

    কর ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কার্যকর করার পাশাপাশি রেমিট্যান্স এবং রপ্তানি আয় বাড়ানোর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অর্থমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, “দেশীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আমাদের লক্ষ্য একটি টেকসই, জবাবদিহিমূলক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা।”

    এছাড়া সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগ বাড়বে এবং ব্যবসা পরিচালনা সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

  • মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধের দাবি: পহেলা বৈশাখ ঘিরে হাইকোর্টে রিট

    মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধের দাবি: পহেলা বৈশাখ ঘিরে হাইকোর্টে রিট

    এবিএনএ: পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অন্যতম আয়োজন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই শোভাযাত্রা আয়োজন, প্রচার বা অনুমোদন থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান এ রিট দায়ের করেন। তিনি তার আবেদনে উল্লেখ করেন, এই আয়োজন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাস, ইমান এবং সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    রিটে সংস্কৃতি, ধর্ম ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঢাকা জেলা প্রশাসক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং চারুকলা অনুষদের ডিনকে বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এ ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাওয়া সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী।

    রিট আবেদনে আরও বলা হয়, মঙ্গল শোভাযাত্রা কোনো প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ নয়; বরং এটি তুলনামূলকভাবে সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া একটি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, যা পরে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

    এতে উল্লেখ করা হয়েছে, শোভাযাত্রায় ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রতীক ও প্রতিকৃতি ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। ফলে এ আয়োজন অব্যাহত থাকলে তা সামাজিক সম্প্রীতি, জননিরাপত্তা এবং সামগ্রিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

    আবেদনকারী আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে জনমতের চাপে এ আয়োজনের নাম পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছে। তাই বিষয়টির একটি স্থায়ী ও চূড়ান্ত সমাধানের জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

    রিটে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজন বা সংশ্লিষ্ট যেকোনো কার্যক্রম থেকে বিবাদীদের বিরত রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ আকারে: ২২ দিনে ১১৩ মৃত্যু, একদিনেই আক্রান্ত প্রায় হাজার!

    হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ আকারে: ২২ দিনে ১১৩ মৃত্যু, একদিনেই আক্রান্ত প্রায় হাজার!

    মনোয়ার হোসেন অপু ,এবিএনএ: দেশে আবারও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে মিজেলস বা হাম রোগের সংক্রমণ। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ দিনে সারাদেশে হাম সন্দেহে মোট ৭ হাজার ৬১০ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় ৯২৯ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ১১৩ জন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে, যদিও পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের।

    শুধু গত ২৪ ঘণ্টার চিত্রও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এই সময়ে হাম সন্দেহে মারা গেছে ১০ জন এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৪ জন। একই সময়ে ৬৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে।

    অঞ্চলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আক্রান্তের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। এখানে ৩ হাজার ২৫৯ জন শিশু হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬৮। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টাতেও শনাক্ত হওয়া ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই ঢাকা বিভাগের।

    মৃত্যুর দিক থেকেও কিছু অঞ্চলে পরিস্থিতি বেশি গুরুতর। সাম্প্রতিক সময়ে রাজশাহী বিভাগে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে, এরপরেই রয়েছে ঢাকা বিভাগ। তবে ময়মনসিংহ, রংপুর ও সিলেট বিভাগে এই সময়ে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো টিকাদান ও সচেতনতা বাড়ানো ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে। তাই অভিভাবকদের শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা—দেশজুড়ে অফিসের নতুন সময়সূচি কার্যকর, জারি প্রজ্ঞাপন

    সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা—দেশজুড়ে অফিসের নতুন সময়সূচি কার্যকর, জারি প্রজ্ঞাপন

    এবিএনএ: দেশব্যাপী সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন অফিস সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অফিস কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে Ministry of Public Administration। এতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের আলোকে এই সময়সূচি কার্যকর করা হবে।

    তবে জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে। অর্থাৎ স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা ও অন্যান্য জরুরি খাত তাদের নিজস্ব সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

    ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও গ্রাহক সেবার সময় আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহকরা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংকিং সেবা নিতে পারবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে Bangladesh Bank

    অন্যদিকে, আদালতের কার্যক্রম ও অফিস সময়সূচি নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে Supreme Court of Bangladesh-কে।

    বেসরকারি শিল্প ও কলকারখানার কর্মঘণ্টা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবে Ministry of Labour and Employment

    সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তে অফিস কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আসবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ১৯ দিনে ৯৪ শিশুর মৃত্যু: হামের উপসর্গে দেশজুড়ে আতঙ্ক, দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    ১৯ দিনে ৯৪ শিশুর মৃত্যু: হামের উপসর্গে দেশজুড়ে আতঙ্ক, দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যদিও পরীক্ষাগারে নিশ্চিতভাবে হামের কারণে এখন পর্যন্ত ৯ জন শিশুর মৃত্যুর প্রমাণ মিলেছে।

    শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ হাজার ৭৯২ শিশুকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে ৭৭১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।

    একই সময়ে ৭১১ শিশুর শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে, যা পরিস্থিতির গুরুতর দিক নির্দেশ করে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে মোট ৩১৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৪৭ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। ঢাকা বিভাগেই সবচেয়ে বেশি ১৮ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে এই সময়ে ময়মনসিংহ বিভাগে নতুন কোনো রোগী পাওয়া যায়নি।

    বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগে ৮ জন, খুলনা ও সিলেটে ৫ জন করে, চট্টগ্রামে ৪ জন এবং বরিশাল ও রংপুরে ১ জন করে নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে।

    হামের লক্ষণ ও সতর্কতা:
    চিকিৎসকদের মতে, হামের ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর সাধারণত ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ প্রকাশ পায়। শুরুতে সর্দি, কাশি, জ্বর, চোখ লাল হওয়া এবং চোখ দিয়ে পানি পড়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে গালের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (কপ্লিক স্পট) দেখা দেয়।

    পরবর্তীতে ত্বকে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা প্রথমে মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই র‍্যাশ সাধারণত কয়েকদিন স্থায়ী হয় এবং পরে মিলিয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা জানান, অধিকাংশ রোগী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে এবং শরীরে দীর্ঘমেয়াদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিলে তা প্রাণঘাতী হতে পারে, তাই দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

  • চারদিন সাগরে ভেসে ছিল ট্রলার—অবশেষে ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করল নৌবাহিনী

    চারদিন সাগরে ভেসে ছিল ট্রলার—অবশেষে ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করল নৌবাহিনী

    এবিএনএ: বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগরে বিপদে পড়া ১৫ জন জেলেকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ইঞ্জিন বিকল হয়ে চারদিন ধরে ভাসতে থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ মার্চ বিকেলে নিয়মিত টহল চলাকালে সেন্টমার্টিন লাইট হাউসের পশ্চিমে প্রায় ৬ নটিক্যাল মাইল দূরে ট্রলারটিকে অসহায় অবস্থায় ভাসতে দেখা যায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নৌবাহিনীর সদস্যরা জেলেদের উদ্ধার করে।

    জানা গেছে, ২৭ মার্চ ট্রলারটির ইঞ্জিন হঠাৎ বিকল হয়ে যায়। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জেলেরা দিকভ্রান্ত হয়ে গভীর সাগরে ভেসে থাকতে বাধ্য হন। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে আটকে থাকার ফলে তাদের খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তোলে।

    উদ্ধারের পর নৌবাহিনী তাদের সেন্টমার্টিনে অবস্থিত ফরওয়ার্ড বেইজে নিয়ে যায়। সেখানে জেলেদের খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

    বর্তমানে উদ্ধার হওয়া সবাই সুস্থ রয়েছেন এবং তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশের সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা নিয়মিত টহল পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে জেলেদের সুরক্ষা ও ব্লু ইকোনমির উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।