Tag: নির্বাচন

  • ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় ধাক্কা! পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

    ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় ধাক্কা! পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিয়ার স্টারমার। ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছে তিনি ইতোমধ্যে নিজের পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।

    রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব ছাড়তে পারেন স্টারমার। তবে তিনি নিজের সুবিধাজনক সময় ও শর্ত অনুযায়ীই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে চান।

    প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন স্টারমার। তাই মর্যাদা বজায় রেখেই সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছেন তিনি। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

    এদিকে লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর সাধারণ মানুষের অসন্তোষ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক সমালোচনার কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা কমে গেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

    পিটার মেন্ডেলসনকে ঘিরে বিতর্ক এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার অতীত যোগাযোগের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় আসে। একই সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবিও স্টারমারের নেতৃত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় অভ্যন্তরীণ চাপ ও জনসমর্থন কমে যাওয়ায় স্টারমারের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে তার পদত্যাগ এখন ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

  • নিপুণ রায়ের ঘরে ৬০০ ভরি স্বর্ণ, শিক্ষায়-সম্পদে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থীরা

    নিপুণ রায়ের ঘরে ৬০০ ভরি স্বর্ণ, শিক্ষায়-সম্পদে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থীরা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামায় উঠে এসেছে সম্পদ, আয় ও পেশাগত অবস্থানের ভিন্নধর্মী চিত্র। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সম্পদ ও আয়—দুই ক্ষেত্রেই বিএনপি জোটের প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছেন।

    সবচেয়ে আলোচনায় এসেছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী নিপুণ রায় চৌধুরী। তার হলফনামা অনুযায়ী ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে রয়েছে ৫০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান ধাতুর গহনা। এছাড়া তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে রয়েছে আরও ১০০ ভরি সোনা। ফলে এই দম্পতির মোট স্বর্ণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০২ ভরি। এগুলো উপহার হিসেবে প্রাপ্ত বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    ৩৯ বছর বয়সী নিপুণ রায়ের বার্ষিক আয় পেশাগত কাজ ও বিনিয়োগ মিলিয়ে প্রায় ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার নামে ব্যাংকে স্থায়ী আমানত রয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। পাশাপাশি দুই কোটি টাকার বেশি মূল্যের দুটি গাড়িও রয়েছে। সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছর তার বিরুদ্ধে থাকা ২৩টি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন বলেও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ টাকার বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩৭ টাকা। গত বছর নির্বাহী আদেশে তার বিরুদ্ধে থাকা আটটি মামলা প্রত্যাহার করা হয়।

    দলের আরেক প্রার্থী রেহেনা আক্তার রানু প্রায় তিন কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দিয়েছেন। সানজিদা ইসলাম তুলি বার্ষিক ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আয় এবং প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। শামীম আরা বেগম স্বপ্না জমি বিক্রিসহ মোট প্রায় ৪ কোটি টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন।

    অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলক কম দেখা গেছে। নূরুন্নিসা সিদ্দীকার বার্ষিক আয় ১ লাখ ৬১ হাজার টাকা এবং মোট সম্পদ প্রায় ৩০ লাখ টাকা। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মাহমুদা আলম মিতুর কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। তবে তার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ৩১ লাখ ২৮ হাজার টাকা এবং ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। পেশায় চিকিৎসক এই প্রার্থীর বার্ষিক আয় প্রায় ৩ লাখ টাকা।

    স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী সুলতানা জেসমিনের বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার বিরুদ্ধে থাকা পাঁচটি মামলা গত বছর প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়া এখনও চলমান। নির্বাচন কমিশন ৫০টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামীর ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোটের একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে। একজনের মনোনয়ন বাতিল হলেও আপিলের সুযোগ রয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হলে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা হতে পারেন।

  • জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: অপচয় কমাতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ভর্তুকিতে চাপ সামাল দিচ্ছে সরকার

    জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: অপচয় কমাতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ভর্তুকিতে চাপ সামাল দিচ্ছে সরকার

    এবিএনএ:  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের সব স্তরে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে চাপ বাড়লেও সরকার জনগণের স্বার্থে দাম বাড়ায়নি; বরং প্রতিদিন বিপুল ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশে জনদুর্ভোগ এড়াতে সরকার এখনো মূল্য সমন্বয় করেনি। এতে প্রতিদিন শত কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে কাজ করছে। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে পারিবারিক পর্যায়েও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। জ্বালানি খাতে অপচয় কমাতে সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ কমবে।

    স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান

    অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় জীবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) সহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

    সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি, দুর্বল প্রশাসন ও অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জনজীবনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থাকেও আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাকে বাস্তবমুখী করতে হবে। এ লক্ষ্যে শিক্ষা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাকে উন্নয়নের অন্যতম শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

    ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে। দলীয় ইশতেহার ও ঘোষিত জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার মতে, কেবল নীতিগত পরিবর্তন নয়, মানসিকতার পরিবর্তনও জরুরি।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলামসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে কয়েকজন অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিক্রি শুরু শুক্রবার, ১২ মে ভোট

    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিক্রি শুরু শুক্রবার, ১২ মে ভোট

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হবে শুক্রবার থেকে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১০ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হবে। একই সঙ্গে ওই দিন থেকেই ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। এই প্রক্রিয়া চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

    বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আগ্রহী প্রার্থীদের ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে। ১২ এপ্রিলই মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার শেষ দিন।

    এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। এরপর ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, আপিল দাখিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি ও তাদের জোটের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬টি আসন। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট পাবে ১৩টি আসন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে একটি আসন। সব মিলিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের মোট সংখ্যা ৫০টি।

  • নতুন সরকারের শপথের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নাটকীয় অভিযান: নেপালে গ্রেপ্তার সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি

    নতুন সরকারের শপথের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নাটকীয় অভিযান: নেপালে গ্রেপ্তার সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি

    এবিএনএ: নেপালের রাজনীতিতে বড় ধরনের নাটকীয় মোড় এসেছে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই। শপথ নেওয়ার মাত্র একদিনের মাথায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    শনিবার ভোরে রাজধানী কাঠমান্ডুর ভক্তপুর এলাকায় তাদের নিজ নিজ বাসভবন থেকে আটক করা হয়। অভিযান পরিচালনা করে কাঠমান্ডু ভ্যালি পুলিশের বিশেষ ইউনিট।

    পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী গণমাধ্যমকে জানান, একটি তদন্ত কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সাবেক বিশেষ বিচারক গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বাধীন কমিশনটি এই সুপারিশ দেয়।

    পটভূমি: সহিংস বিক্ষোভ ও অভিযোগ

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কে পি শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে ‘জেন-জি’ আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।

    বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নেয় সরকার। সে সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন রমেশ লেখক। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ চরমে পৌঁছে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর। ওই দুই দিনে অন্তত ৭০ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ১৯ জন ছিলেন বিক্ষোভকারী।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী অলি। এর আগেই পদ ছাড়েন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখক।

    অন্তর্বর্তী সরকার ও তদন্ত

    পদত্যাগের পর সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। একই সঙ্গে সহিংসতা ও জনঅভ্যুত্থানের কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়।

    নতুন নেতৃত্ব ও পরিবর্তনের বার্তা

    গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে নতুন সরকার গঠন করেন বালেন্দ্র শাহ (বালেন শাহ)। ৩৫ বছর বয়সী এই নেতা নেপালের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

    নতুন সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—আইনের প্রয়োগে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি ও রমেশ লেখকের গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরং বলেন,
    “এটি প্রতিশোধ নয়, এটি ন্যায়বিচারের পথে এগোনোর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। আইনের চোখে সবাই সমান।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    বিশ্লেষকদের মতে, এই গ্রেপ্তার নেপালের রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এটি একদিকে যেমন আইনের শাসনের বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক উত্তেজনাও বাড়াতে পারে।

  • বাগেরহাট-১ আসনের ভোট নিয়ে নতুন মোড়: পুনর্গণনার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    বাগেরহাট-১ আসনের ভোট নিয়ে নতুন মোড়: পুনর্গণনার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই আসনের বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদালতে আজ কপিল কৃষ্ণের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গাজী মোস্তাক ও অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম।

    আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম আরো জানান, গত ১২ ফেব্রæয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ ( ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ১৪৭টি। ভোটের ফল প্রকাশের পর ওই আসনের ১৫, ১৭, ২১, ২২, ২৫, ২৬, ২৭, ১১৬, ১১৭, ১২৮ ও ১৩৫ নম্বর কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরে যান বিএনপির প্রার্থী। প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত (আজ) ভোট পুনর্গণনার আদেশ দেন।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পায় জামায়াতের প্রার্থীরা। এরমধ্যে বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন।

     

  • নির্বাচন পিছিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার ছক? তিন উপদেষ্টার গোপন কৌশল নিয়ে ফাঁস হওয়া নানা তথ্য

    নির্বাচন পিছিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার ছক? তিন উপদেষ্টার গোপন কৌশল নিয়ে ফাঁস হওয়া নানা তথ্য

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে অন্তত তিনজন উপদেষ্টা নির্বাচন পেছানোর নানা কৌশলে সক্রিয় ছিলেন—এমন অভিযোগ রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আরেকজন উপদেষ্টার ভূমিকা ছিল পরিস্থিতিনির্ভর; তিনি দুই পক্ষের সঙ্গে সমঝোতা রেখে সময় পার করেছেন বলে জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, এই গোষ্ঠীর কৌশলের অংশ হিসেবে মব সন্ত্রাসকে উসকে দিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে চাপ তৈরির চেষ্টা চলেছিল।

    শুরুর দিকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ইতিবাচক ছিলেন। পরে সংস্কারের বিস্তৃত প্রস্তাব সামনে এলে দ্রুত ভোটের পথ থেকে তিনি সরে আসেন। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে—এই সংস্কার-আলোচনার আড়ালে ক্ষমতার সময় বাড়ানোর হিসাব-নিকাশ ছিল, যেখানে তিন উপদেষ্টার চাপ বড় ভূমিকা রাখে।

    উপদেষ্টাদের যুক্তি ছিল, দ্রুত ভোট হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে এবং অপ্রত্যাশিত শক্তি সুবিধা নিতে পারে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই যুক্তির পেছনে ছিল নিজেদের প্রভাব দীর্ঘায়িত করা এবং নির্দিষ্ট শক্তির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের কৌশল। জনচাপ ও ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা ধাক্কা খায়। আঞ্চলিক শক্তিগুলোর দ্রুত নির্বাচন চাওয়ার চাপও সিদ্ধান্ত বদলে প্রভাব ফেলে।

    পর্দার আড়ালে নিয়মিত বৈঠক, প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার এবং বিদেশি কূটনৈতিক মহলে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা—সব মিলিয়ে উপদেষ্টাদের প্রভাব একসময় এতটাই বেড়ে যায় যে প্রধান উপদেষ্টা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকেন। লন্ডনে হওয়া বৈঠককে কেন্দ্র করে নির্বাচনমুখী হওয়ার প্রক্রিয়া এগোলেও তা ভেস্তে দিতে নানা মহলের তৎপরতা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ে।

    দেশের ভেতর থেকেও নির্বাচন ছাড়া বিকল্প নেই—এমন চাপ আসতে থাকে। তবু নির্বাচনবিরোধী তৎপরতা থামে না। প্রশাসনিক শৈথিল্য ও সহিংসতার ঘটনায় সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিশেষ কয়েকটি ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেরিতে পৌঁছানো নিয়ে রহস্যের কথাও উঠে আসে।

    রাজনৈতিক মহলের দাবি, প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো শুরু থেকেই নির্বাচনমুখী অবস্থান নেয় এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সেনাবাহিনী সতর্ক ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায়ও নানা আলামত দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে—উপদেষ্টাদের কেউ কেউ বিদেশ সফরে গিয়ে কূটকৌশলে যুক্ত ছিলেন, জনমত জরিপ প্রভাবিত করার চেষ্টাও হয়েছে।

    নির্বাচনের দিনেও নির্দিষ্ট আসনের দিকে নজর ছিল একটি গোষ্ঠীর। তবে ফলাফল আসতে শুরু করলে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বুঝে বিকল্প পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সরে আসে তারা। এসব ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে—নির্বাচন বিলম্বের পেছনে কেবল প্রশাসনিক অজুহাত নয়, ছিল ক্ষমতার হিসাব-নিকাশ ও পর্দার আড়ালের রাজনীতি।

  • ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩টি রেজাল্ট শিট জব্দ

    ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩টি রেজাল্ট শিট জব্দ

    এবিএনএ: ঝিনাইদহের ঝিনাইদহ-৪ আসনের কালীগঞ্জ ও সদরের অংশে অবস্থিত সলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩টি রেজাল্ট শিট উদ্ধার করা হয়েছে।

    বুধবার রাত ৮টার দিকে এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জেসমিন আরার তত্ত্বাবধানে ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম রেজা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রিজওয়ানা নাহিদ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

    এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম রেজা জানান, ২৩টি রেজাল্ট শিট জব্দ করা হয়েছে এবং সেগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে নতুন রেজাল্ট শিট তৈরি করার জন্য।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের একজন এজেন্ট ২৩টি রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর করেছিলেন, যা নিয়মবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে জব্দ করা হয়েছে। নতুন শিট প্রস্তুত করে ভোটের ফলাফল নিরাপদে গ্রহণযোগ্য করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • কুমিল্লায় জামায়াত নেতার মৎস্য খামার থেকে বিপুল দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

    কুমিল্লায় জামায়াত নেতার মৎস্য খামার থেকে বিপুল দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

    এবিএনএ: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় জামায়াত নেতার মৎস্য খামার থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র এবং ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার মাগুয়া গ্রামে অবস্থিত ‘আল-বাশারাত’ মৎস্য খামারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। নাঙ্গলকোট সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সার্জেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসিন মিয়ার নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।

    মৎস্য খামারের মালিক জামায়াতের যুব বিভাগের পেরিয়া ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল ইসলাম মামুন। অভিযানকালে খামার এলাকা থেকে ৫৯টি এসএস পাইপ, ৪৬টি জর্দার খালি কৌটা, ২০০ গ্রাম পটাশিয়াম, ১০০ গ্রাম গন্ধক, ১২টি কস্টেপ এবং একটি ফুয়েল পেপার উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলেছে, এসব উপকরণ ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

    বাহিনী অনুমান করছে, আসন্ন নির্বাচনের সময় নাশকতা ও সহিংসতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব সরঞ্জাম মজুত করা হয়েছিল। অভিযানের খবর পেয়ে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নাঙ্গলকোট থানার ওসি আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, সরঞ্জামগুলো ককটেল তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে কি না তা বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার পর বলা যাবে। এ ঘটনায় কোনো কাউকে আটক করা হয়নি।

  • রাজধানীতে ভোট কেনার সময় জামায়াত নেতা আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই দিনের কারাদণ্ড

    রাজধানীতে ভোট কেনার সময় জামায়াত নেতা আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই দিনের কারাদণ্ড

    এবিএনএ: রাজধানীর সূত্রাপুরে ভোটারদের টাকা দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার অভিযোগে স্থানীয় জনতার হাতে জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হাবিবকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    ঘটনা বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-৬ আসনের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন একটি চালের দোকানে ঘটে। স্থানীয়রা দেখেন, ভোটারদেরকে টাকা দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন মো. হাবিব। তারা সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দেন।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রমাণ যাচাই করার পর অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে তাৎক্ষণিকভাবে দুই দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    স্থানীয়রা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের প্রতি আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

    রাজধানীর এই ঘটনায় নির্বাচনী পরিবেশ সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।