Tag: জাতীয় পার্টি

  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: জাতীয় পার্টির ১৯৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, জানালেন জিএম কাদের

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: জাতীয় পার্টির ১৯৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, জানালেন জিএম কাদের

    এবিএনএ:  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৯৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। জিএম কাদের জানান, বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে ছয়জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আরও দুই থেকে তিনজন প্রার্থী তালিকায় যুক্ত হতে পারেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, দলটি এখনো সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) পাচ্ছে না। বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করে জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, মনোনয়নপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থী বর্তমানে কারাগারে থেকেও নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। মামলার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন জিএম কাদের।

    মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যত্রতত্র মামলা দিয়ে ভয়ভীতি তৈরি করা হচ্ছে। এতে পুলিশসহ বিভিন্ন পক্ষ জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি। কারো বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কারণে, কারো বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক স্বার্থে, আবার কারো বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেও মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জাপা চেয়ারম্যান।

    সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবিলম্বে এসব অনিয়ম বন্ধ করে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

  • সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বন্যা: ৫১ দলে ২,৫৬৯ জন, কে কত আসনে লড়ছে?

    সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বন্যা: ৫১ দলে ২,৫৬৯ জন, কে কত আসনে লড়ছে?

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে বিপুল সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৫৬৯ জন প্রার্থী এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মাঠে নেমেছেন।

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যমতে, দলীয় প্রার্থী রয়েছেন ২ হাজার ৯০ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৮৭ জন। এ ছাড়া একজন প্রার্থী রয়েছেন অনিবন্ধিত দলের পক্ষ থেকে।

    দলভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, বিএনপি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৩৩১ জন, জামায়াতে ইসলামী ২৭৬ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮ জন, জাতীয় পার্টি ২২৪ জন, গণঅধিকার পরিষদ ১০৪ জন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ৪৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। পাশাপাশি খেলাফত মজলিসের ৬৮ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ৬৫ জন, এবি পার্টি ৫৩ জন এবং জনতার দল থেকে ২৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।

    গতকাল নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এসব তথ্য জানান। তবে মনোনয়ন জমার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও কোন দল থেকে ঠিক কতজন দলীয় ও কতজন স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন—তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তখনও প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

    বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৯টি। তবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। এ ছাড়া পিডিপি, ফ্রিডম পার্টি ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে।

    নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাছাইয়ে বাদ পড়া প্রার্থীরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনি প্রচারণা, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

    এদিকে, পোস্টাল ভোটের জন্য ভোটার নিবন্ধনের সময়সীমা আরও বাড়িয়ে আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ৫২ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

    প্রবাসী ভোটার, নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানরত সরকারি কর্মচারী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে পোস্টাল ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

  • ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ: কী জানালেন সচিব

    ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ: কী জানালেন সচিব

    এবিএনএ:  নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই সংলাপ শুরু হবে।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা ১৩ নভেম্বর থেকে সংলাপ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোন দলকে আগে আমন্ত্রণ জানানো হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনা করে ধাপে ধাপে জানানো হবে।’

    ইসি সচিব আরও জানান, কমিশন চায় নভেম্বর মাসের মধ্যেই সব দলের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পন্ন করতে, যাতে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া যায়।

    জাতীয় পার্টিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হয়নি। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

    একই সঙ্গে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের দাবিদার দুই পক্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’

  • কাকরাইলে জাপার সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেডে উত্তেজনা

    কাকরাইলে জাপার সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেডে উত্তেজনা

    এবিএনএ: রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কর্মী সমাবেশে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে, এতে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এরপর জাপা নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। শনিবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, বিকেল ৩টার দিকে জাপার নেতাকর্মীরা ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে কর্মী সমাবেশ শুরু করেন। এতে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা যোগ দেন।

    তবে সমাবেশের জন্য কোনো অনুমতি না থাকায় পুলিশ তাদের রাস্তা থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু জাপা নেতাকর্মীরা এতে আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, “জাপা অনুমতি ছাড়াই সড়ক দখল করে সমাবেশ করছিল। আমরা তাদের শান্তভাবে সরে যেতে বললে তারা পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করে। বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।”

    এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রাখে।

  • পিআর নির্বাচনের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে যোগ দিল চরমোনাই পীরের দল

    পিআর নির্বাচনের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে যোগ দিল চরমোনাই পীরের দল

    এবিএনএ: প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) নির্বাচনের দাবিকে সামনে রেখে যুগপৎ আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

    তিনি জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায়, ১৯ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় শহরে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আন্দোলনের মূল দাবি—জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল–প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, গণহত্যার বিচার এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার।

    এর আগে জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং অন্য একটি খেলাফতপন্থী অংশও একই তারিখে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ফলে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যুগপৎ আন্দোলনের প্রক্রিয়া আরও জোরালো হয়েছে। তবে এনসিপি, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও নেজামে ইসলাম পার্টি ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে একই প্ল্যাটফর্মে না গিয়ে আলাদা অবস্থান বজায় রেখেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করীম বলেন, “ইসলামী দলগুলো এখন একত্র হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। জনগণের ভোটকে এক বাক্সে আনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করলেও কোনো ইতিবাচক ফল মেলেনি।

    চরমোনাই পীর জাতীয় পার্টিকে ‘ভারতীয় আধিপত্যের প্রকাশ্য এজেন্ট’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “তারা প্রতিটি ভুয়া নির্বাচনে অংশ নিয়ে অবৈধ সরকারকে বৈধতা দিয়েছে। এবারও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।”

    তিনি স্পষ্ট করে জানান, নির্বাচনের আগে সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই সনদের বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আর নির্বাচনের পর সংস্কার করার প্রতিশ্রুতি জনগণ আর বিশ্বাস করে না। তাই এই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে চাপে রাখতে চায় ইসলামী আন্দোলন।

  • বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে উত্তেজনা

    বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মুহূর্তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। তিনি বলেন, “এটি সহিংসতার কারণে সৃষ্ট আগুন, তাই ঘটনাস্থলে যেতে অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। আমাদের টিম প্রস্তুত আছে।”

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সাতটার পর বিক্ষোভকারীরা প্রথমে অফিসের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পরে কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সাড়ে ৭টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

    পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এসময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩১ আগস্ট কাকরাইলে জাতীয় পার্টির আরেকটি কার্যালয়ে বিক্ষোভকারীরা একইভাবে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছিল।

  • দুর্নীতির অভিযোগে জিএম কাদের ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা

    দুর্নীতির অভিযোগে জিএম কাদের ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা

    এবিএনএ: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের ও তার স্ত্রী শেরিফা কাদেরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহিম মিয়া এই আদেশ দেন।

    দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, ১ সেপ্টেম্বর দুর্নীতির অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুদকের উপপরিচালক রেজাউল করিম আদালতে বিদেশযাত্রা নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন।

    আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, জিএম কাদেরসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। এই অবস্থায় তারা দেশ ত্যাগ করলে তদন্ত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে তাদের বিদেশযাত্রা নিষিদ্ধ করা হলো।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে স্পেশাল ব্রাঞ্চের ইমিগ্রেশন-প্রশাসন বিভাগকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের একজন হিসেবে জিএম কাদের দীর্ঘদিন ধরে দলের দায়িত্ব পালন করছেন। দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়া এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়াকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • বিজয়নগরে উত্তেজনা: জাপা কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সংঘর্ষ

    বিজয়নগরে উত্তেজনা: জাপা কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সংঘর্ষ

    এবিএনএ:  রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎই একদল লোক কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভেতরে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তেই পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ শুরু করে। এরপর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কাকরাইলের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন তারা। মিছিলটি জাপা কার্যালয়ের সামনে এলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। মুহূর্তেই সংঘর্ষ শুরু হয় উভয়পক্ষের মধ্যে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা জাপা কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

    এর আগে শনিবার বিকেলে জাপা একাংশের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, শুক্রবারও মশাল মিছিলের আড়ালে জাতীয় পার্টির কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তখন সেনা ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সেনাবাহিনীর আরও সক্রিয় থাকা জরুরি।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সন্ধ্যায় গণঅধিকার পরিষদ জাপা নিষিদ্ধের দাবিতে মিছিল করলে জাপা কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আহত হন। এরপরই তারা মশাল মিছিল বের করে জাপা অফিসের সামনে এসে পুলিশের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার সময় এক পুলিশ সদস্য ইটের আঘাতে আহত হন। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এদিকে শনিবার রাতেও গণঅধিকার পরিষদ জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নেতাদের ধাওয়া দিলে নুরুল হক নুরসহ শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

  • বিজয়নগরে গণঅধিকারকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ: নুর-রাশেদসহ আহত ৫০, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল রাজধানীতে

    বিজয়নগরে গণঅধিকারকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ: নুর-রাশেদসহ আহত ৫০, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল রাজধানীতে

    এবিএনএ:  রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গণঅধিকার কর্মীদের সরাতে লাঠিচার্জ করেছে। এতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টার দিকে বিজয়নগরের গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে সন্ধ্যায় দুই দলের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও সেনা সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিলেন, কিন্তু গণঅধিকার পরিষদ সংবাদ সম্মেলনের জন্য কার্যালয়ে আসার পর আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নেতা-কর্মীদের সরানোর জন্য সময় বেঁধে দেয় এবং পরে লাঠিচার্জ শুরু হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় নুরকে রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    গণঅধিকার পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ অভিযোগ করেন, ‘জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলার প্রতিবাদে আমরা সংবাদ সম্মেলন করতে গিয়েছিলাম, তখন পুলিশ আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে’।

    বর্তমানে নুরুল হক নুর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাশেদ খানসহ আটজন আহত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহতদের মধ্যে আছেন হাসান তারেক (২৮), ফারজানা কিবরিয়া (৩০), মইনুল ইসলাম (৩৫), মেহবুবা ইসলাম (৩০), পুলিশের পরিদর্শক আনিছুর রহমান (৪২), আবু বক্কর (৩০) ও তারেক আজাদ (২৫)।

    রাশেদ খান অভিযোগ করেন, “আমরা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে যাইনি। কিন্তু তারা এবং আওয়ামী লীগের কিছু সন্ত্রাসী হঠাৎ আমাদের মিছিলে হামলা চালায়। আমাদের কার্যালয়ের সামনে লাঠিপেটা করা হয়।”

    পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কাকরাইল থেকে মোট আটজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    এর আগে সন্ধ্যায় জাপা কার্যালয়ের সামনে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের মিছিলের সময় জাপার নেতা-কর্মীরা উসকানি সৃষ্টি করেছে। জাপা দাবি করছে, মিছিলের সময়ে তাদের ওপর হামলা হয়েছে।

    গণঅধিকার পরিষদসহ কিছু রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদী শাসনকে বৈধতা দেয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করেছে। তারা দাবি করছেন, আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জাপার কার্যক্রমও স্থগিত করা উচিত।

  • কাকরাইলে জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল

    কাকরাইলে জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল

    এবিএনএ:  রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গণঅধিকার পরিষদ ও জাপা কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    জাপার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, গণঅধিকার পরিষদের মিছিল আসার পর তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের দাবি, জাপা কার্যালয়ের সামনে থাকা নেতাকর্মীরাই প্রথমে ইটপাটকেল ছুড়ে উসকানি দেয়।

    ঘটনায় কয়েকজন আহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। আহতদের মধ্যে অন্তত ১০-১৫ জন গণঅধিকার পরিষদের কর্মীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংগঠনের গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

    তিনি অভিযোগ করেন, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল পল্টন জিরো পয়েন্ট থেকে নাইটেঙ্গেল মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় জাতীয় পার্টির অফিস থেকে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। সেখানে শুধু জাপা নয়, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কর্মীরাও উপস্থিত ছিল।”

    সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য। রমনা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আতিকুল আলম খন্দকার বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলে আছি। বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে।”

    এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই সংবাদ সম্মেলন ও মশাল মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।

    রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার সহযোগী শক্তি হিসেবে কাজ করছে। অনেক সমালোচক বলছেন, ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে জাপার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল এবং এখনো আছে।