Tag: ছাত্রদল

  • ঢাবি ভিপি প্রার্থী আবিদের ঘোষণা: “আমার পথচলা এখানেই থেমে নেই”

    ঢাবি ভিপি প্রার্থী আবিদের ঘোষণা: “আমার পথচলা এখানেই থেমে নেই”

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তাঁর রাজনৈতিক পথচলা এখানেই শেষ নয়। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি দাবি আদায়ের জন্য ছাত্রনেতা হিসেবেই প্রশাসনের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাবেন।

    বুধবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আমি কখনো ভাবিনি এতদূর আসতে পারব। আন্দোলন-সংগ্রামের পথই আমাকে আজকের জায়গায় এনেছে। এই নির্বাচনে শুরু থেকেই নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। তবে এখনও আশা রাখি, সব অভিযোগের সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠু সিদ্ধান্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসবে।”

    আবিদ আরও বলেন, “মানুষ হিসেবে আমি হয়তো সবার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। তবে মাত্র ২০ দিনের প্রচারণায় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাতে। সবাইকে হয়তো ছুঁতে পারিনি, কিন্তু আমি আশ্বস্ত করছি—আমার যাত্রা এখানেই থেমে নেই, এটি আরও দীর্ঘ।”

    তিনি অঙ্গীকার করেন, ছাত্রদলের একজন নেতা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ চালিয়ে যাবেন। “আমরা রাজপথের প্রহরী হয়ে লড়াই করব এবং ইনশাআল্লাহ এর প্রতিফলন আগামী ডাকসুতে সবাই দেখতে পাবেন।”

    ফেসবুক পোস্টের শেষে আবিদ লিখেছেন— “আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।”

  • ডাকসু নির্বাচনে ফল প্রত্যাখ্যান: আবিদুল ইসলাম খানের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    ডাকসু নির্বাচনে ফল প্রত্যাখ্যান: আবিদুল ইসলাম খানের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফলকে ‘পরিকল্পিত প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।

    মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে লিখেন, “দুপুরের পরই অনুমান করেছিলাম, ফলাফল কারচুপির মাধ্যমে সাজানো হবে। সংখ্যাগুলো নিজের মতো করে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি এই পরিকল্পিত প্রহসনকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।”

    এর আগে দিনভর ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি এবং পরিকল্পিত কারচুপির অভিযোগ তোলেন। ফলাফল ঘোষণার সময় আবিদুল ইসলাম খানের এই প্রতিক্রিয়া নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • ছাত্রদল-শিবিরের বাকযুদ্ধে উত্তেজনা, পুলিশ প্রস্তুত

    ছাত্রদল-শিবিরের বাকযুদ্ধে উত্তেজনা, পুলিশ প্রস্তুত

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফলের আগে ঢাবি এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভোট গণনার সময় ছাত্রদল ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে।

    অভিযোগ রয়েছে, বিকেল থেকে ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, জামায়াত ও বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছে, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে।

    ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের কারণে ঢাবি এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আগেই প্রতিরোধ করা হচ্ছে।”

    ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেছেন, “ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের অনেক কেন্দ্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।”

    ছাত্রশিবির সমর্থিত নেতা সাদিক কায়েম বলেন, “ছাত্ররা যাকে ম্যান্ডেট দেবে, তা মেনে নিতে হবে। সকল প্রার্থীকে শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের উচিত তা বন্ধ করা।”

    নির্বাচনের ফলাফলের আগে ঢাবি এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টিএসসি থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীরা স্লোগান দেন, “নির্বাচনে কারচুপি, মানি না মানব না।”

    আবিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনে ভোট কারচুপি করেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স দেওয়া হয়নি। ভোট গণনার দুই ঘণ্টা পার হওয়ার পর ছাত্রদলের এজেন্টদের ভোট গণনা কক্ষে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া আমরা নির্বাচনী ফলাফল মেনে নেব না।”

    উল্লেখ্য, প্রায় ৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে এবং বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

  • নির্বাচন বানচালে নাটক করছে ছাত্রদল, অভিযোগ সাদিক কায়েমের

    নির্বাচন বানচালে নাটক করছে ছাত্রদল, অভিযোগ সাদিক কায়েমের

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে ভোট বানচাল করার উদ্দেশ্যে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নাটক করে এবং ক্যাম্পাসের বাইরে বহিরাগত জড়ো করার অভিযোগ করেছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী সাদিক কায়েম

    মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় মধুর ক্যান্টিনে সাদিক, ফরহাদ ও মহিউদ্দিনের ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ জানান।

    সাদিক বলেন, “ছাত্রদল বিকেল থেকে নানা ধরনের নাটক করছে ভোট প্রভাবিত করার জন্য। রোকেয়া হলে ভয়াবহ জালিয়াতি ধামাচাপা দিতে তারা নাটক করছে। ইউল্যাব কেন্দ্রে আমাদের কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তারা একজন শিক্ষককেও লাঞ্ছনা করেছে। ভিসিকে আঙ্গুল তুলেও কথা বলেছেন। তারা নয়টি পয়েন্টে বিএনপি-যুবদলের লোকজন জড়ো করেছে, যাতে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের নামে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আমরা জামায়াত-শিবিরের লোক আনেছি। কিন্তু আমরা দেখেছি, প্রকৃতপক্ষে তাদেরই লোকজন বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হয়েছে। আমরা আহ্বান জানাই, ছাত্রলীগের মতো আচরণ করবেন না এবং প্রত্যেক অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

    সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবির নেতারা বললেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা যায়।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে টিএসসিতে উত্তেজনা

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে টিএসসিতে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদলসহ কয়েকজন প্রার্থী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামসহ কয়েকটি প্যানেলের প্রার্থীরা টিএসসিতে গিয়ে ভোট গণনা প্রত্যক্ষ করার চেষ্টা করেন। তবে প্রশাসন তাদের প্রবেশে বাধা দেয়। এ সময় প্রার্থীরা ভেতরে প্রবেশের দাবি জানিয়ে অবস্থান নেন এবং স্লোগান দিতে থাকেন—“ভোট চোর ভোট চোর, শিবির ভোট চোর”, “প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না।”

    প্রার্থীদের অভিযোগ, টিএসসিতে স্থাপিত এলইডি স্ক্রিনে ব্যালট বাক্সের দৃশ্য দেখানো হচ্ছিল না। তারা দাবি করেন, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট বাক্স লুকিয়ে কারচুপি করছে। স্বতন্ত্র এজিএস প্রার্থী হাসিবুল অভিযোগ করেন, “শিবির প্রার্থীদের ভোট গণনার সময় ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হলেও আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি স্পষ্টতই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ।”

    অবস্থান কর্মসূচি আধাঘণ্টারও বেশি সময় চলার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রশাসন গেট খুলে দিলেও ছাত্রদল নেতারা ভেতরে প্রবেশ না করে টিএসসি ত্যাগ করেন এবং পরবর্তীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

    টিএসসি থেকে বের হয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, “প্রশাসন কারচুপি লুকোতে চাইছে। তাই আমরা এই প্রহসনের নির্বাচন মানি না।”

    এ ঘটনার পর টিএসসির এলইডি স্ক্রিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নেয়।

  • ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্রার্থীদের শপথ, ঐতিহাসিক বটতলায় জমকালো আয়োজন

    ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্রার্থীদের শপথ, ঐতিহাসিক বটতলায় জমকালো আয়োজন

    এবিএনএ: আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছেন। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলাভবন সংলগ্ন ঐতিহাসিক বটতলায় অনুষ্ঠিত হয় এই শপথ অনুষ্ঠান।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত আবিদ-হামিম-মায়েদ পরিষদের প্রার্থীরা এ সময় শপথবাক্য পাঠ করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন হল সংসদের ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    এ তথ্য আগেই জানানো হয়েছিল ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রার্থীরা ন্যায্যতা ও সততার সঙ্গে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অঙ্গীকার করবেন।

    শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন। তারা শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ডাকসু নির্বাচনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

  • আবদুল কাদেরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ছাত্রদল সভাপতির

    আবদুল কাদেরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ছাত্রদল সভাপতির

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী আবদুল কাদেরের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে আবদুল কাদের লেখেন— “আমার ডাকসুতে জেতা জরুরি নয়, আমি শুধু বেঁচে থাকতে চাই। অন্তত আমাকে বাঁচার সুযোগ দিন।” তার এই হৃদয়স্পর্শী বার্তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

    এরপর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কাদেরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি লিখেন, “কাদের, তোমাকে কথা দিচ্ছি— রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের বংশধরদের বিরুদ্ধে ছাত্রদল সবসময় তোমার পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাইবার বুলিংয়ের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত একটি চক্র নিয়মিতভাবে বিরোধী মতাদর্শী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করছে। শুধু নারী নেতৃত্বই নয়, মতভিন্নতার কারণে ছাত্রসমাজের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন।

    রাকিবুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, এইসব সাইবার আক্রমণকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়, তারাই নাকি তরুণ সমাজকে ইসলামের নৈতিকতা শেখাবে? ছাত্রসমাজ এর আসল চেহারা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছে।”

  • ঢাবিতে হলে রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবির পরও বহাল ছাত্রদল কমিটি, জানালেন রাকিব

    ঢাবিতে হলে রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবির পরও বহাল ছাত্রদল কমিটি, জানালেন রাকিব

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি উঠলেও ছাত্রদল ঘোষিত হল কমিটিগুলো বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

    রাকিব জানান, বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, কেন্দ্রীয় ক্যাম্পাস ও ডাকসুকে ঘিরে ছাত্র রাজনীতির রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ক্যাম্পাসে গুপ্ত ছাত্র রাজনীতি ও সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরির বিষয়টি প্রশাসন তদন্ত করবে এবং হল কমিটিগুলো বিদ্যমান থাকবে।

    এর আগে ৯ আগস্ট ছাত্রদল ঢাবির ১৮টি হলের নতুন কমিটি ঘোষণা করে। একই রাতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করে এবং উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়।

    বিক্ষোভের পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তা বহাল থাকবে। প্রতিটি হল প্রশাসন নীতিমালা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।

    রাকিব বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গুপ্ত ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আমরা সচেতন ছাত্র সংগঠন হিসেবে প্রশাসনের সঙ্গে আছি।” ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “যেভাবে ছাত্রলীগ হলে দখলদারি করেছে, শিবিরও গুপ্ত রাজনীতি করে একই কাজ করছে।”

    তিনি আরও জানান, শনিবারের মধ্যে প্রশাসন ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধ, হলে ছাত্র রাজনীতির ধরন ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের বিষয়ে আপডেট দেবে বলে আশা করছেন। তার অভিযোগ, “আমরা মিডিয়া ট্রায়াল ও মিথ্যা প্রচারণার শিকার হচ্ছি।”

    এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা ও গঠনমূলক ছাত্র রাজনীতির রূপরেখা তৈরিতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। কমিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্র সংগঠন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারিশ দেবে।

  • রাজধানীতে যানজটের ভয়াবহ চিত্র, পরীক্ষার্থী ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

    রাজধানীতে যানজটের ভয়াবহ চিত্র, পরীক্ষার্থী ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

    এবিএনএ:  রাজধানী ঢাকায় রবিবার (৩ আগস্ট) সকালে দেখা যায় অসহনীয় যানজট। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি, অন্যদিকে এইচএসসি ও বিসিএস পরীক্ষা—সব মিলিয়ে রাজধানীর সড়কগুলো হয়ে পড়ে প্রায় অচল।

    সকালে ছাত্রদলের উদ্যোগে শাহবাগে ‘ছাত্র সমাবেশ’ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এসব এলাকায় জনস্রোত ও গাড়ির চাপ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার কারণে রাস্তায় তৈরি হয় তীব্র যানজট।

    শাহবাগ, টেকনিক্যাল মোড়, ফার্মগেট, শ্যামলী, কাকরাইল, সোনারগাঁও রোডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ছিল দীর্ঘ লাইনে স্থবির যানবাহন। অনেক যাত্রী বাসে উঠতে পারেননি, সিএনজিচালকরাও ভাড়া নিতে রাজি হননি।

    টেকনিক্যাল মোড়ের এক যাত্রী রাহাত চৌধুরী বলেন, “বাসে ওঠার জায়গা নেই, আবার উঠলেও কখন গন্তব্যে পৌঁছাব—তার কোনো ঠিক নেই।” অপরদিকে সিএনজিচালক আলামিন জানান, “শুধু টেকনিক্যাল থেকে শ্যামলী পর্যন্ত যেতে লাগছে প্রায় ৩৫ মিনিট, যেখানে সাধারণত ১০ মিনিটও লাগে না।”

    ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীতে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির কারণে শাহবাগ, শহীদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় যান চলাচলে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ডিএমপির বিকল্প রুট পরিকল্পনা নিম্নরূপ:

    ১. হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়: শাহবাগে না গিয়ে হেয়ার রোড/মিন্টু রোড
    ২. কাটাবন থেকে: নীলক্ষেত/পলাশী বা বাংলামোটর লিংক রোড
    ৩. মৎস্য ভবন ও হাইকোর্ট থেকে: হেয়ার রোড হয়ে ঢাবি বা কাকরাইল
    ৪. টিএসসি, দোয়েল চত্বর, নীলক্ষেত: শাহবাগ এড়িয়ে চলাচল
    ৫. শহীদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন রাস্তাগুলো: এড়িয়ে চলার অনুরোধ

    ডিএমপি আরও জানায়, এইচএসসি ও বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে রওনা হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

    ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, “নিয়মিত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ডাইভারশনও দেওয়া হয়েছে।”


    রাজধানীর যানজট পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসনের সতর্কতা থাকলেও পরীক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা দিনের শুরুতেই দুর্ভোগের শিকার হন। রাজনৈতিক কর্মসূচি ও পরীক্ষার সময় একযোগে পড়লে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আরও সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।