Tag: চট্টগ্রাম বন্দর

  • মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মাঝেই স্বস্তি: চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি জাহাজ, আসছে আরও এলএনজি কার্গো

    মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মাঝেই স্বস্তি: চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি জাহাজ, আসছে আরও এলএনজি কার্গো

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি বোঝাই দুটি জাহাজ পৌঁছেছে। পাশাপাশি আরও কয়েকটি এলএনজি ও এলপিজিবাহী জাহাজ ধাপে ধাপে দেশে আসার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

    চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ‘ডিএল লিলি’ এবং ভারত থেকে গ্যাসবাহী আরেকটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। এতে দেশে তরল গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতিতে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে ‘কংটং’ নামের একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এর পরদিন সোমবার মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ‘পল’ নামের আরেকটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে। এছাড়া ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে ‘মারান গ্যাস হাইড্রা’ এবং ১৮ এপ্রিল ‘লবিটো’ নামের আরও দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ দেশে আসার সূচি রয়েছে।

    এলপিজি বা লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ। এটি সিলিন্ডারে ভরে গৃহস্থালি রান্না, রেস্তোরাঁ এবং কিছু যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পাইপলাইন সুবিধা নেই এমন এলাকায় এলপিজিই রান্না ও ক্ষুদ্র শিল্পের তাপ উৎপাদনের প্রধান উৎস।

    অন্যদিকে এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষিত হয় এবং প্রধানত বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বড় শিল্পকারখানায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সার, টেক্সটাইল, সিরামিকসহ ভারী শিল্পে প্রয়োজনীয় উচ্চ তাপ নিশ্চিত করতে পাইপলাইনের মাধ্যমে এই গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এছাড়া সমুদ্রগামী জাহাজ ও দূরপাল্লার ভারী যানবাহনেও এলএনজির ব্যবহার বাড়ছে।

  • মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ১৫ জাহাজ, এলএনজি ও জ্বালানি নিয়ে স্বস্তির খবর

    মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ১৫ জাহাজ, এলএনজি ও জ্বালানি নিয়ে স্বস্তির খবর

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করা ১৫টি কার্গো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এসব জাহাজে রয়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), এলপিজি, জ্বালানি তেল এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানার প্রয়োজনীয় কাঁচামাল।

    শনিবার চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দর থেকে বাংলাদেশগামী এসব জাহাজ তখনই হরমুজ প্রণালী পার হয়েছিল, যখন ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছিল। সংঘাত শুরুর আগেই তারা নিরাপদে আরব সাগরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে ধাপে ধাপে এসব জাহাজ বন্দরে পৌঁছাচ্ছে এবং পণ্য খালাসের কার্যক্রম চলছে।

    বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজগুলোর মধ্যে অন্তত চারটিতে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আনা এই গ্যাস দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে।

    চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, কাতার থেকে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি বহনকারী ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামের দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে নোঙর করেছে। এছাড়া এলপিজি বহনকারী ‘সেভান’ নামের একটি জাহাজ রোববার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

    অন্যদিকে ‘লুসাইল’ নামের একটি এলএনজি ট্যাংকার সোমবার বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাতে পারে। একইভাবে ‘আল গালায়েল’ নামের আরেকটি জাহাজ আগামী বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরে আসার কথা রয়েছে।

    হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরব—এই সাতটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহন হয়। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই রুটের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমনকি ওমান উপসাগরীয় পথেও ঝুঁকি বেড়েছে বলে জানা গেছে।

    পারস্য উপসাগর থেকে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ওমান উপসাগর, আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর হয়ে এসব জাহাজ বাংলাদেশে পৌঁছে।

    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই সংঘাত শুরু হওয়ার আগে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করা ১৫টি জাহাজ এখন চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এসব জাহাজে এলএনজি, জ্বালানি তেল এবং বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে।

    তিনি বলেন, বন্দরে জাহাজ ভিড়ানো, পণ্য খালাস এবং সরবরাহ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে।

    বন্দর সূত্র আরও জানায়, এলএনজি ট্যাংকার ছাড়াও কয়েকটি কার্গো জাহাজে প্লাস্টিক ও পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের কাঁচামাল এসেছে, যা দেশের গার্মেন্টস, প্লাস্টিক ও রাসায়নিক শিল্পে ব্যবহৃত হবে।

  • চট্টগ্রাম বন্দর অচল: আমদানি-রপ্তানি থমকে, জাতীয় অর্থনীতিতে ভয়াবহ ধাক্কার আশঙ্কা

    চট্টগ্রাম বন্দর অচল: আমদানি-রপ্তানি থমকে, জাতীয় অর্থনীতিতে ভয়াবহ ধাক্কার আশঙ্কা

    এবিএনএ: চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান লাগাতার কর্মবিরতি ও জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিকে জাতীয় অর্থনীতির জন্য নজিরবিহীন ও ভয়াবহ আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠনগুলোর নেতারা।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিটিএমএ কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ইতিহাসে এই প্রথম জাহাজ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। একদিন বন্দর অচল থাকলেই অর্থনীতিতে কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রত্যক্ষ ক্ষতি হচ্ছে, যা দেশের জন্য অপূরণীয় হয়ে উঠতে পারে।

    ব্যবসায়ী নেতারা জানান, তৈরি পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল সময়মতো কারখানায় পৌঁছাচ্ছে না। অন্যদিকে প্রস্তুত পণ্য বন্দরে আটকে থাকায় বিদেশি ক্রেতাদের দেওয়া নির্ধারিত সময়সীমা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। সংকট দীর্ঘ হলে বড় অর্ডার বাতিল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বন্দর অচল থাকায় কনটেইনার জট বেড়ে ডেমারেজ চার্জ ও স্টোরেজ খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সরাসরি উৎপাদন ব্যয় বাড়াচ্ছে। সামনে পবিত্র রমজান মাস থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হবে।

    ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, এনসিটি ইজারা নিয়ে জটিলতা থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে, কিন্তু এর জন্য বন্দর অচল রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় জাহাজ চলাচল চালু করার অনুরোধ জানান।

    নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, সরকার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলোচনায় বসে দ্রুত একটি কার্যকর সমাধানে পৌঁছাবে। অন্যথায় এই সংকট দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

  • চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ, সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে তীব্র বিক্ষোভ

    চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ, সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে তীব্র বিক্ষোভ

    এবিএনএ:  চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির কাছে লিজ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে তড়িঘড়ি করে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।

    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলন দমাতে প্রশাসনিক বদলি ও দমনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কেবল টার্মিনাল অপারেটর নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি কনসেশনিয়ার হিসেবে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরকে কার্যত বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার শামিল। এতে রাজস্ব কমে যাওয়া, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি রয়েছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    বক্তারা আরও বলেন, উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়া চুক্তি সম্পাদনের চেষ্টা অস্বচ্ছতা ও কমিশন বাণিজ্যের প্রশ্ন তুলছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পথ রুদ্ধ করতেই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় লবিস্টদের তৎপরতা চলছে বলে অভিযোগ করা হয়।

    সমাবেশে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র নেতারা দাবি করেন, বন্দর ব্যবস্থাপনায় বিকেন্দ্রীকরণ ও দেশীয় অপারেটরদের সক্ষমতা বাড়ালে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। বিদেশি সিন্ডিকেটের হাতে বন্দর তুলে দিলে জাতীয় স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

    বিক্ষোভে সংগঠনের আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহিউদ্দিন রাহাতসহ বিভিন্ন নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী-সাধারণ মানুষ অংশ নেন। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণাও দেওয়া হয়।

  • বিদেশি অপারেটর চুক্তি বাতিলের দাবিতে উত্তাল চট্টগ্রাম বন্দর, শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে যান চলাচল বন্ধ

    বিদেশি অপারেটর চুক্তি বাতিলের দাবিতে উত্তাল চট্টগ্রাম বন্দর, শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে যান চলাচল বন্ধ

    এবিএনএ:  দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের দুই টার্মিনালে বিদেশি অপারেটরের চুক্তি বাতিল এবং নিউমুরিং টার্মিনালের ইজারা প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। বুধবার সকালে টোল প্লাজা গেট ও বড়পোল এলাকায় বন্দরমুখী প্রধান সড়কে এ অবরোধ অনুষ্ঠিত হয়।

    স্কপ নেতারা জানান, দেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বন্দরকে বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে, যা দেশের অর্থনীতি ও শ্রমিকদের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি। তারা দাবি করেন, এই চুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী এবং এটি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। একই সঙ্গে আগামী ৫ ডিসেম্বর পুরনো রেল স্টেশন চত্বরে বৃহত্তর সমাবেশ ও মশাল মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

    সকাল সোয়া ১০টা থেকে সোয়া ১১টা পর্যন্ত টোল প্লাজা এলাকায় স্কপ নেতারা অবরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন, এতে বন্দরমুখী সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের অনুরোধে তারা অবরোধ তুলে নেন। একই সময়ে বড়পোল এলাকায়ও সীমিত সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

    বড়পোল এলাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংহতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রাক্তন সভাপতি কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম, সিপিবি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি কমরেড অশোক সাহা, বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সমন্বয়ক শফিউদ্দিন কবির আবিদ, বাসদ চট্টগ্রাম জেলার ইনচার্জ আল কাদেরী জয় এবং গণমুক্তি ইউনিয়নের রাজা মিয়া।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বন্দর রক্ষার এই আন্দোলন শুধু শ্রমিকদের নয়, এটি জাতীয় স্বার্থের আন্দোলন। তারা সকলকে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

  • চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তি স্থগিত: আদালতের মৌখিক নির্দেশে থমকে সব কার্যক্রম

    চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তি স্থগিত: আদালতের মৌখিক নির্দেশে থমকে সব কার্যক্রম

    এবিএনএ: চট্টগ্রাম বন্দর নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা সংক্রান্ত চুক্তির বৈধতা নিয়ে আদালতে রিট মামলা চলমান থাকা অবস্থায়, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চুক্তির আওতায় সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ মৌখিকভাবে এই নির্দেশ দেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ তাদের পক্ষ থেকে আদালতকে আশ্বস্ত করে জানায়, নির্দেশনা অনুযায়ী এনসিটি চুক্তি সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হবে না।

    রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

    গত ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এনসিটি পরিচালনার বিষয়ে স্বাক্ষরিত চুক্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রিট আবেদন করেন বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরামের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হোসাইন। রিটের শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।

    রিট আবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তাই চুক্তির বৈধতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখা জরুরি।

    আদালতের এই মৌখিক নির্দেশে এনসিটি চুক্তির ভবিষ্যৎ এখন আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।

  • চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা: শুল্ক কর্মকর্তাদের কর্মবিরতিতে আমদানি-রপ্তানি থমকে গেল

    চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা: শুল্ক কর্মকর্তাদের কর্মবিরতিতে আমদানি-রপ্তানি থমকে গেল

    চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে চলমান কর্মকর্তাদের শাটডাউন কর্মসূচির কারণে পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে বন্দর কার্যক্রম। শনিবার সকাল থেকে আমদানি ও রপ্তানির সমস্ত প্রক্রিয়া—শুল্কায়ন, বিল অব এন্ট্রি জমা দেওয়া ও পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে চট্টগ্রাম বন্দরে মারাত্মক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

    এই পরিস্থিতি যদি দ্রুত সমাধান না হয়, তবে আজকের মধ্যে পুরো বন্দর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষত রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে, কারণ তাদের পণ্য জাহাজীকরণে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়েছে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দুটি পৃথক বিভাগ—রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব নীতি—হিসেবে ভাগ করার সরকারি উদ্যোগের বিরুদ্ধে গত মাস থেকেই আন্দোলন চলছে। কলম বিরতি, কর্মবিরতি ও মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচির পর আন্দোলনরত কর্মকর্তারা এনবিআর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রহমান খানকে পদত্যাগের দাবি জানিয়ে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

    চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস, এনবিআরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ, এখন পূর্ণ শাটডাউনের মধ্যে রয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সবাই নিজ নিজ কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছেন। ফলে বন্দরে আসা কন্টেইনারগুলো আটকে যাচ্ছে, বিলম্ব হচ্ছে পণ্য খালাসে। এতে একদিকে যেমন আমদানিকারকরা ক্ষতির মুখে, অন্যদিকে রপ্তানিকারকরাও সময়মতো পণ্য পাঠাতে না পারায় চুক্তিভঙ্গের আশঙ্কায় রয়েছেন।

    এর আগে কিছুদিন আগেও কলম বিরতির কর্মসূচি চলেছিল, তখন চট্টগ্রাম বন্দরে সৃষ্টি হয়েছিল বড় ধরনের কন্টেইনারজট। তখনকার পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন করে এ শাটডাউন আন্দোলন পুরো দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

    🖋 উপসংহার:
    সরকার যদি দ্রুত এনবিআর সংশ্লিষ্ট সংকটের সমাধান না করে, তাহলে দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দর কার্যত অচল হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত রাজনৈতিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান সেনাপ্রধানের

    নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত রাজনৈতিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান সেনাপ্রধানের

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দেশের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

    ঢাকা সেনানিবাসে সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, দেশে একটি অরাজক অবস্থা তৈরি হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। এ অবস্থায় জনগণ ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করলেও রাজনৈতিক নেতৃত্বের শূন্যতা দেশের জন্য চরম ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

    সেনাপ্রধান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসন কার্যত ভেঙে পড়েছে, কেবল সেনাবাহিনী এখনো দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু এই দীর্ঘস্থায়ী মোতায়েন সেনাবাহিনীর মূল কাজ ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    তিনি বলেন, মানবিক করিডর ও চট্টগ্রাম বন্দর বিষয়ে যে ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তা বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এখতিয়ারে পড়ে না। কেবলমাত্র একটি নির্বাচিত সরকারই এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তাঁর ভাষায়, “There will be no corridor”।

    জাতিসংঘের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে সেনাবাহিনীর মতামত না থাকায় হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলেও বর্তমান সরকার তা করতে দেয়নি। ফলে অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে সেনাবাহিনীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হচ্ছে না।

    সেনাপ্রধান অভিযোগ করেন, দেশি-বিদেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী দেশের সংকটকে আরও গভীর করতে চায়, যাতে তারা নিজেদের সুবিধা আদায় করতে পারে।

    তিনি সরাসরি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে অভিভাবকহীনভাবে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর জন্য একটি নির্বাচিত সরকার এখন প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেনাবাহিনী দ্রুত ব্যারাকে ফিরে যেতে পারবে।

    সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারা যেন দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে নিজেদের কর্তব্য পালন করে। জনগণের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় থাকতে হবে এবং কোনো মহল যেন সেনাবাহিনী বা দেশের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

    শেষে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, সেনাবাহিনী কখনও এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না বা কাউকে নিতেও দেবে না, যাতে দেশের স্বার্থ বিঘ্নিত হয়। সবকিছু বিবেচনায়, এখন সময় এসেছে রাজনৈতিক সরকারকে দায়িত্ব দেওয়ার এবং জনগণের রায়ের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যতের দিকে যাত্রা করার।

  • বিদেশির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল, কিন্তু ১২% কাজেই আটকে গেল সম্ভাবনার জাহাজ

    বিদেশির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল, কিন্তু ১২% কাজেই আটকে গেল সম্ভাবনার জাহাজ

    এবিএনএ:   চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশি পরিচালনা সত্ত্বেও কার্যক্রমে গতি আসছে না। দিনে ১৩৬৯টি কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা থাকলেও, চলতি সময়ে গড়ে ১৭০-১৮০ কনটেইনার পরিচালিত হচ্ছে। যা মূল লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১২ শতাংশ।

    বন্দর কর্তৃপক্ষের আশা ছিল, এই টার্মিনাল সম্পূর্ণ চালু হলে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার রাজস্ব অর্জন সম্ভব হবে। তবে বাস্তবে এমন সাফল্য ধরা দেয়নি। প্রধান সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে প্রতিশ্রুত বিনিয়োগের ঘাটতি, দক্ষ জনবল প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরতা।

    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রায় ১৮৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে টার্মিনালটি নির্মাণ করে। ২২ বছরের জন্য সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল (আরএসজিটিআই) পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। প্রতিষ্ঠানটি ২৪০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিলেও গত ১০ মাসে তা বাস্তবায়িত হয়েছে মাত্র ১১৯ মিলিয়ন ডলার।

    পরিস্থিতি সামান্য কিছুটা বদলায় মে, যখন সিঙ্গাপুর পতাকাবাহী জাহাজ একসঙ্গে ১৭১২টি আমদানি কনটেইনার নিয়ে প্রথমবার সরাসরি পতেঙ্গা টার্মিনালে নোঙর করে। এটি আগামী জুলাইয়ে রপ্তানি নিয়ে ফিরবে। এর আগে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম একসঙ্গে পরিচালনার এমন ঘটনা ছিল না।

    টার্মিনালটিতে রয়েছে তিনটি জেটি, যেখানে তিনটি জাহাজ একসঙ্গে নোঙর করতে পারে। তেল খালাসের জন্যও আলাদা ডলফিন জেটি স্থাপন করা হয়েছে। টার্মিনালটি চালু হলে বছরে অতিরিক্ত পাঁচ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডল করতে পারবে বন্দর।

    আরএসজিটিআই-এর দাবি, তারা ইতিমধ্যে ৬০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গেটওয়ে ভেসেল পরিচালনা করেছে এবং সেবা উন্নয়নে ১৪টি আরটিজি ক্রেন ৪টি এসটিএস ক্রেন সংযুক্ত করেছে। এছাড়া আধুনিক স্ক্যানার যুক্ত করা হয়েছে, যা প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ কনটেইনার স্ক্যান করতে সক্ষম।

    তবে, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন থেকে এপ্রিলে পর্যন্ত মোট কনটেইনার হ্যান্ডল হয়েছে মাত্র ৫২ হাজার ২৯টি টিইইউএস। অথচ প্রত্যাশা ছিল প্রতিমাসে ৪১ হাজারের বেশি হ্যান্ডলিং।

    বন্দরের রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান জানান, বিদেশি পরিচালনা থেকে রাজস্ব আসছে ঠিকই, তবে গতির ঘাটতি রয়েছে। একই মত দিয়েছেন শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজনও, তবে তিনি বিদেশি অপারেটর নিয়োগকে সময়োচিত সিদ্ধান্ত বলেছেন।

    সবমিলিয়ে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশি বিনিয়োগ পরিচালনার এই মডেলটি কার্যকর হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে বর্তমানে যে ধীরগতির চিত্র সামনে আসছে, তাতে প্রশ্ন উঠেছে এই বিশাল বিনিয়োগ সম্ভাবনার ভবিষ্যৎ নিয়ে।