Tag: এনসিপি

  • শাহবাগ মোড় অবরোধে থমকে গেল ঢাকা, এনসিপির প্রতিবাদে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ

    শাহবাগ মোড় অবরোধে থমকে গেল ঢাকা, এনসিপির প্রতিবাদে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ

    এবিএনএ:  গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। এর ফলে বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার পর থেকে শাহবাগ এলাকায় সম্পূর্ণভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, সৃষ্টি হয় চরম যানজট।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে এনসিপির নেতাকর্মীরা হঠাৎ শাহবাগ মোড়ে এসে জড়ো হন এবং স্লোগান দিতে থাকেন। তারা প্রধান সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন, এতে বন্ধ হয়ে যায় শাহবাগ-মতিঝিল, শাহবাগ-ধানমন্ডি, শাহবাগ-নিউমার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যান চলাচল।

    বিক্ষোভকারীরা জানান, গোপালগঞ্জে শান্তিপূর্ণ লং মার্চ ও সমাবেশ শেষে ফেরার পথে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এতে গাড়িগুলোর ক্ষতি হয় এবং নেতাকর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। হামলার জন্য আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে এনসিপি।

    স্থানীয় সাংবাদিকদের তথ্যমতে, গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্ক ও লঞ্চঘাট এলাকায় এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর অতিক্রম করার সময় তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোঁড়া হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অতিরিক্ত ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। শাহবাগে অবস্থানরত এনসিপি নেতারা জানিয়েছেন, হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলন চলবে।

    এই ঘটনায় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহিংসতা রোধে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

  • গোপালগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে সশস্ত্র হামলা, ছাত্রলীগ-আওয়ামী সংঘাতে শহর রণক্ষেত্র

    গোপালগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে সশস্ত্র হামলা, ছাত্রলীগ-আওয়ামী সংঘাতে শহর রণক্ষেত্র

    এবিএনএ:  গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর লং মার্চ শেষে ফেরার পথে তাদের গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীরা। এই ঘটনায় গোটা শহরে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা, সৃষ্টি হয় রণক্ষেত্রের পরিবেশ।

    বুধবার বিকাল ৩টার দিকে গোপালগঞ্জ জেলা শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এই হামলার সূত্রপাত হয়। সড়ক অবরোধ করে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু সংঘর্ষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায়। এনসিপির সমাবেশস্থলের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয় এবং সেখানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

    জুলাই মাসব্যাপী এনসিপি দেশের বিভিন্ন জেলায় লং মার্চ ও পদযাত্রার কর্মসূচি পালন করছে। এরই অংশ হিসেবে আজ তারা গোপালগঞ্জে একটি লং মার্চ ও সমাবেশ করে। তবে শান্তিপূর্ণ সেই কর্মসূচির পরেই শুরু হয় সহিংসতা, যার জেরে পুরো শহরজুড়ে চাপা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে গোপালগঞ্জ শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে, যাতে করে কোনো ধরনের জনসমাগম না ঘটে এবং সংঘর্ষ আর না বাড়ে।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

  • ‘মাহিনের ছবি এনসিপি নেতাদের সঙ্গে, বিএনপির নয়’—বিস্ফোরক দাবি মির্জা আব্বাসের

    ‘মাহিনের ছবি এনসিপি নেতাদের সঙ্গে, বিএনপির নয়’—বিস্ফোরক দাবি মির্জা আব্বাসের

    এবিএনএ: পুরান ঢাকার মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই—এমন দাবি তুলে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে অভিযুক্ত মাহিনের সম্পর্কের ছবি সামনে আনেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

    সোমবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘যে মাহিনকে এই হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, তার সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের ছবি রয়েছে।’

    এই সমাবেশটি আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যার উদ্দেশ্য ছিল তারেক রহমানকে ঘিরে অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং মিটফোর্ড হত্যার বিচার দাবি। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেসক্লাব পর্যন্ত গিয়েছিল।

    মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডটি সুপরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং ভিডিও প্রকাশ করে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে আঘাত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রে বিএনপিকে ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো এনসিপির নেতাদের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ হয়ে গেছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দেশবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। যারা ভিডিও দেখেছেন, তারা ভালোভাবে বিশ্লেষণ করলেই বুঝতে পারবেন কোন পক্ষ জড়িত।’

    চরমোনাই পীরকে উদ্দেশ্য করে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ বলছে উনার কোনো ধর্মীয় জ্ঞান নেই। যদি সাহস থাকে, প্রমাণ দিন কোথা থেকে আপনি কোরআন-হাদিস শিখেছেন।’

    জামায়াত ইসলামীর দিকেও সমালোচনার তীর ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তাদের কাজ শুধু হাদিয়া নেওয়া। বসুন্ধরা ও সিটি গ্রুপ থেকে টাকা নিয়েছেন। এর সবকিছুর হিসাব একদিন দিতে হবে।’

    শেষে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র বিএনপিই দেশের প্রকৃত রক্ষাকবচ। শহীদ জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। তখন এসব দল কোথায় ছিল? এখন তারা বড় বড় কথা বলছে।’

  • জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে সংবিধানে বিতর্ক: প্রস্তাবনা নয়, তপশিলে স্বীকৃতি চায় বিএনপি

    জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে সংবিধানে বিতর্ক: প্রস্তাবনা নয়, তপশিলে স্বীকৃতি চায় বিএনপি

    এবিএনএ: জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায় বিএনপি। তবে তারা চায় না এই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র সংবিধানের মূল প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত হোক। পরিবর্তে দলটি সংবিধানের চতুর্থ তপশিলে “জুলাই অভ্যুত্থান ২০২৪” উল্লেখ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বীকৃতিসহ একটি ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব দিচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ১১তম দিনের সংলাপ শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “ঘোষণাপত্র সংবিধানের অংশ হয় না। ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও মূল সংবিধানে ছিল না, বরং পরে তপশিলে যুক্ত হয়। একইভাবে জুলাই অভ্যুত্থানকেও চতুর্থ তপশিলে স্বীকৃতি দেওয়া যায়।”

    অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দৃঢ়ভাবে চাইছে—জুলাই ঘোষণা যেন সংবিধানের মূল প্রস্তাবনায় জায়গা পায়। তাদের মতে, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি নীতিমালা হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া উচিত।

    ঘোষণাপত্র ও সংবিধান বিতর্ক
    সালাহউদ্দিন অভিযোগ করেন, “সরকার এনসিপির ইচ্ছায় বিএনপির সঙ্গে ঘোষণাপত্র নিয়ে মধ্যস্থতা করছে। কিছুদিন আগে সরকারের এক উপদেষ্টা বিএনপিকে নতুন একটি খসড়া দিয়েছে, যাতে আগের মতামতের কিছু প্রতিফলন আছে।” তিনি বলেন, রাজনৈতিক ঐকমত্য থাকলে, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বীকৃতি ও জুলাই অভ্যুত্থান একই তপশিলে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব।

    এদিকে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, “এই ঘোষণাকে তপশিলে রেখে গুরুত্ব খাটো করা চলবে না। এটি সংবিধানের প্রস্তাবনায় থাকতে হবে।”

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে ভিন্ন মত
    সংলাপে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের নতুন দুটি প্রস্তাব উঠে আসে। একটিতে সংসদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি—তিনটি দলই জানায়, তারা বিষয়টি দলীয় ফোরামে আলোচনা করে মত দেবে।

    বিএনপি চায়, পঞ্চদশ সংশোধনীর রায় অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে একটি বিকল্প হিসেবে রাখার সুযোগ রাখা হোক। জামায়াত চায়, অতীতের মতোই সাবেক প্রধান বিচারপতিদের মধ্য থেকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের ধারা থাকুক। আর এনসিপি প্রস্তাব করেছে, সংসদের উচ্চকক্ষের ভোটের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন করা হোক।

    প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ
    কমিশনের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়, আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। জামায়াত, এনসিপি ও আরও কয়েকটি দল এই প্রস্তাবে একমত। তবে বিএনপি চায়—জ্যেষ্ঠ তিন বিচারপতির মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি একজনকে নিয়োগ দিন। পরবর্তীতে বিএনপি প্রস্তাব করে, জ্যেষ্ঠ দুই বিচারপতির মধ্যে থেকেই নিয়োগ দেওয়া হোক।

    কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলবে। সালাহউদ্দিন জানান, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত নেই, তাদের মধ্য থেকেই একজনকে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেবেন—এটাই বিএনপির আপডেট প্রস্তাব।

  • “শাপলা নিষিদ্ধ হলে ধানের শীষও অবৈধ”— নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ সারজিস আলমের!

    “শাপলা নিষিদ্ধ হলে ধানের শীষও অবৈধ”— নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ সারজিস আলমের!

    এবিএনএ: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম নির্বাচন কমিশনের প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছেন, যদি শাপলা প্রতীক হিসেবে অনুমোদন না পায়, তবে ধানের শীষ প্রতীককেও অবৈধ ঘোষণা করতে হবে।

    বুধবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম বলেন, “শাপলা জাতীয় প্রতীক নয়, বরং জাতীয় প্রতীকের অংশ। একইভাবে ধানের শীষ, পাটপাতা কিংবা তারা—এসবও জাতীয় প্রতীকের অংশ। যদি একটিকে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে বাতিল করা হয়, তাহলে অন্যগুলোকে বৈধ রাখা যায় না।”

    তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ফুল হিসেবে শাপলার প্রতীক হতে কোনো আইনগত বাধা নেই। কারণ, জাতীয় ফল কাঁঠাল ইতোমধ্যেই একটি মার্কা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যদি মার্কা দেখেই ভয় পান, তাহলে সেটা আগেই বলে দিন!”

    এনসিপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে দলের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল, যেখানে সম্ভাব্য প্রতীক হিসেবে শাপলা ছাড়াও আরও দুটি প্রতীকের নাম প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নীতিগতভাবে শাপলাকে তপশিলভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে এটি প্রতীক হিসেবে অনুমোদিত নয়।

    সারজিস আলমের বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর পোস্ট ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে যেসব দল দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় প্রতীকের অংশবিশেষকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

  • রাজশাহীতে এনসিপি নেতার বিতর্কিত হুমকি: সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বক্তব্য

    রাজশাহীতে এনসিপি নেতার বিতর্কিত হুমকি: সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বক্তব্য

    এবিএনএ,রাজশাহী :
    রাজশাহীতে এক রাজনৈতিক পদযাত্রা শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। রোববার রাতে রেলগেট থেকে শুরু হয়ে জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হওয়া এনসিপির এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি ওই বক্তব্য দেন।

    জিরো পয়েন্টে আয়োজিত সমাবেশে তিনি বলেন, “বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন মিডিয়া যেভাবে খুনি হাসিনার পক্ষ নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, তা জাতি ভুলে যাবে না। আজ আবারও তারা মাঠে নেমেছে এক-এগারোর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে। আমরা সাংবাদিক নামধারী এই ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করব। জনগণ তাদের ছাড় দেবে না।”

    তিনি আরও বলেন, “জুলাই আন্দোলন চলবে জনগণের ভোটাধিকার ও ন্যায্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। আমাদের এই লড়াই শেষ হবে তখনই, যখন গণতন্ত্র সত্যিকার অর্থেই ফিরে আসবে।”

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ ধরনের মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে এটিকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হুমকি হিসেবে দেখছেন। তবে এই বিষয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    পদযাত্রা ও সমাবেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পুরো কর্মসূচিতে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন স্লোগান, পোস্টার এবং ব্যানার ব্যবহার করা হয়।

    এই ঘটনায় সাংবাদিক সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং পেশাজীবী সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং অবিলম্বে দুঃখপ্রকাশ ও ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছে।

    এনসিপি’র এই বক্তব্য শুধু বিতর্কই নয়, রাজনৈতিক পরিবেশকেও উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিশেষ করে, মিডিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

  • নির্বাচন নয়, জাতীয় সরকার? পর্দার আড়ালে কী খেলা চলছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে?

    নির্বাচন নয়, জাতীয় সরকার? পর্দার আড়ালে কী খেলা চলছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে?

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যখন নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে, ঠিক তখনই রাজনীতির অন্তরাল থেকে ভেসে আসছে এক নতুন পরিকল্পনার গুঞ্জন—একটি জাতীয় সরকার গঠনের নীলনকশা। নির্বাচন নয়, বরং একটি অন্তর্র্বর্তী সরকারকে দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় রেখে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাষ্ট্রপতির আসনে বসিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের চেষ্টা চলছে বলে একাধিক সূত্রের দাবি।

    জাতীয় ঐকমত্য গঠনের নামে একের পর এক বৈঠক হলেও স্পষ্ট কোনো নির্বাচনী সময়সূচি এখনো সামনে আসেনি। বরং সংস্কার, বিচার ও সংলাপ—এই শব্দগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক পরিসরে। এতে করে নির্বাচন আদৌ হবে কি না, সে নিয়ে বাড়ছে সাধারণ মানুষের সন্দেহ।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন যে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক মাঠের বাস্তবতা বলছে অন্য কথা। বিএনপি জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন না হলে ভবিষ্যতে নির্বাচন হবে না বলেই তারা মনে করে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা একে রাষ্ট্রীয় সংকট হিসেবেই দেখছেন।

    তবে সরকারের দিক থেকে এখনো তেমন কোনো কার্যকর প্রস্তুতি বা উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না, যা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত। এই সুযোগেই পর্দার আড়ালে চলছে জাতীয় সরকার গঠনের নানা তৎপরতা। বিভিন্ন মহল, এমনকি কিছু বিদেশি দূতাবাসও এ প্রক্রিয়ায় আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে সূত্র জানায়।

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অংশগ্রহণে একটি নতুন কাঠামোর প্রস্তাব সামনে এসেছে, যেখানে জাতীয় সরকার গঠন করে তিন বছর পরে নির্বাচন করার চিন্তা করা হচ্ছে। তারা বলছে, আগে সংস্কার চূড়ান্ত করতে হবে, তারপর গণভোটের মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে তবেই নির্বাচন হবে।

    জাতীয় সরকারের মূল প্রস্তাবনায় রয়েছে—ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হবেন এবং বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন পক্ষকে অংশীদার করে একটি সর্বদলীয় সরকার গঠিত হবে। বিএনপি অবশ্য এ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা মনে করে, এটি অন্তর্র্বর্তী সরকারের ক্ষমতায় থাকার অপকৌশল।

    বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১০ মাসের অন্তর্র্বর্তী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তারা নির্বাচন ছাড়া কোনো সরকারে অংশ নেবে না। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “অবিলম্বে একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।”

    জাতীয় নাগরিক পার্টি বরাবরই নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা চায়, অন্তত তিন বছর পর নির্বাচন হোক। ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে তাদের মতে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সহজ হবে।

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ড. ইউনূসের সম্পর্কও এখনো শীতল। বঙ্গভবনের শিষ্টাচারিক রীতিনীতি তিনি উপেক্ষা করেছেন বারবার। এমনকি ঈদেও রাষ্ট্রপতির পাশে নামাজ পড়তে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ এখন মূলত পর্দার আড়ালে। জনগণের প্রত্যাশা ও মতামত অনেকটাই উপেক্ষিত। বিএনপি যদি শক্তিশালী জনমত গঠন করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে না নামতে পারে, তাহলে হয়তো জাতীয় সরকারের বিকল্প বাস্তবতা সামনে চলে আসবে।

    এখন মূল প্রশ্ন—নির্বাচন হবে, না কি গঠিত হবে একটি আপাত রাজনৈতিক ঐকমত্যভিত্তিক জাতীয় সরকার? এ উত্তর মিলছে না রাজপথে, বরং খোঁজ চলছে কূটনৈতিক মহল ও ড্রইং রুমে।

  • হাইকোর্ট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, সারজিস আলমকে আইনি নোটিশ জারি

    হাইকোর্ট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, সারজিস আলমকে আইনি নোটিশ জারি

    এবিএনএ: 

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমকে হাইকোর্টের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন এই নোটিশটি প্রেরণ করেন।

    সম্প্রতি বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর জন্য করা রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায়ের যৌথ বেঞ্চ। রিট খারিজ হওয়ার পরপরই এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি বিতর্কিত স্ট্যাটাস দেন।

    ওই পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, “মব তৈরি করে যদি হাইকোর্টের রায় নেওয়া যায় তাহলে এই হাইকোর্টের দরকার কি?” — যা আদালতের মর্যাদার পরিপন্থী এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

    আইনি নোটিশে সারজিস আলমকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশ করার পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত দুই ঘণ্টার মধ্যে এই পদক্ষেপ না নিলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ বিষয়ে অনেকেই মত দিয়েছেন যে, এ ধরনের মন্তব্য একজন সংগঠকের কাছ থেকে অনভিপ্রেত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন। আদালতের প্রতি সম্মান রক্ষা করা সকল নাগরিকের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

    সারজিস আলমের প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি, তবে তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আদালতের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আগ্রহ দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক ও আইনজীবী মহলে।

  • জাতীয় সংকটে ইউনূসের পাশে দাঁড়ালেন নাহিদ ইসলাম — পদত্যাগ না করার আহ্বান

    জাতীয় সংকটে ইউনূসের পাশে দাঁড়ালেন নাহিদ ইসলাম — পদত্যাগ না করার আহ্বান

    এবিএনএ: 

    জাতীয় সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্বে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দু’জনের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকে নাহিদ ইসলাম দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ এবং অভ্যুত্থানের শঙ্কার প্রেক্ষাপটে ইউনূসের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে আপনার দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া রাষ্ট্র ও জাতির জন্য নেতিবাচক বার্তা দিতে পারে।”

    সাক্ষাতের বিষয়ে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, প্রধান উপদেষ্টাকে শুধু অনুরোধ নয়, বরং একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে এই সময়ে আরও দৃঢ় থাকার প্রস্তাব দেন নাহিদ ইসলাম।

    উল্লেখ্য, এর আগে ড. ইউনূস তাঁর সঙ্গে থাকা দুই ছাত্র উপদেষ্টাকে সতর্ক করে বলেছিলেন, তাঁরা সংযত না হলে তিনি পদত্যাগ করবেন। যদিও তারা সংযত থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এমনকি বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেও ইউনূস নিজের পদত্যাগের সম্ভাবনার কথা জানান, যা শুনে উপস্থিত উপদেষ্টারা তাকে ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দেন।

    দেশ এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে এমন এক সময় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো, যখন একটানা নেতৃত্ব ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি। তাই নাহিদ ইসলামের অনুরোধ অনেকের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


  • সরকারের বিবৃতিতে চমক: আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায়

    সরকারের বিবৃতিতে চমক: আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায়

    এবিএনএ:  সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ করার দাবিতে দেশজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। জনমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকার এই দাবিকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে জাতিসংঘের যে প্রতিবেদন রয়েছে, তা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও সরকার আলোচনা করছে, যাতে এই বিষয়ে একটি দ্রুত গণমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়।

    প্রধান উপদেষ্টা তার বার্তায় সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা জনগণের মতামতকে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। সকল সংস্থার সঙ্গে পরামর্শ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

    এর আগে, জনদাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে ‘গণতান্ত্রিক চেতনার বিজয়’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

    এছাড়াও, সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইনে সংশোধনী এনে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে প্রমাণিত হচ্ছে, নতুন সরকার রাজনৈতিক সহিষ্ণুতা বজায় রেখে আইনানুগভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    এদিকে, আওয়ামী লীগ আমলের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের হঠাৎ করে বিদেশ গমনে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

    উল্লেখ্য, আবদুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনা ঘটার পর থেকেই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়। এই দাবিতে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার জুমার নামাজের পর সেখানে বড় ধরনের সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়।

    এনসিপি নেতারা জানিয়েছেন, জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ বিবৃতিতে একটি নতুন রাজনৈতিক ধারার সূচনা ঘটতে পারে।