Tag: এনসিপি

  • সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন নিয়ে ভিন্ন পথে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি

    সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন নিয়ে ভিন্ন পথে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি

    এবিএনএ: বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়নের পথ নিয়ে একমত হতে পারছে না। বিএনপি জানিয়েছে, নতুন সংসদ গঠনের পরই সংস্কার কার্যকর করতে হবে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চায় নির্বাচনের আগে গণপরিষদ গঠন করে তা বাস্তবায়ন করা হোক। আর জামায়াতে ইসলামী জোর দিচ্ছে গণভোট অথবা রাষ্ট্রপতির ঘোষণার ওপর।

    শনিবার জামায়াত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায় যে, জনগণের ভোট বা রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত ছাড়া এই সংস্কার পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। এর আগে, গত বুধবার বিএনপি জানায় জুলাই সনদকে তারা রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল মনে করে, তবে সংসদকেই সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখতে চায়।

    এনসিপি এর বিপরীতে বলছে, জুলাই সনদকে গাইডিং প্রিন্সিপাল হিসেবে ধরে গণপরিষদের মাধ্যমে সংবিধান পুনর্লিখন করতে হবে। অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলনসহ কয়েকটি দল এখনও মতামত দেয়নি, তবে তারা নির্বাচনের আগে সনদ কার্যকর করার দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    ঐকমত্য কমিশনের ছয়টি পৃথক কমিশনের ১৬৬টি সুপারিশ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একাধিক দফায় সংলাপ হয়েছে। এর মধ্যে ৬২টি সুপারিশে সব দলের ঐকমত্য হলেও বাকিগুলোতে তীব্র মতভেদ রয়েছে। বিশেষ করে সংসদে উচ্চকক্ষ গঠন, পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি, দুদক ও অন্যান্য নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির অবস্থানে বড় ধরনের ফারাক তৈরি হয়েছে।

    জুলাই সনদের খসড়ায় বলা হয়েছে, এর প্রাধান্য থাকবে সংবিধানের ওপরে এবং আদালতে এর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না। তবে বিএনপি এতে আপত্তি জানিয়েছে, কারণ তাদের মতে সংবিধানই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বিপরীতে জামায়াত বলছে, জনগণের অভিপ্রায়কে ভিত্তি করে সনদ ইতোমধ্যেই সর্বোচ্চ আইনি মর্যাদা পেয়েছে।

    রাজনৈতিক দলগুলোর এই ভিন্নমতের কারণে সনদ বাস্তবায়নের পথ আরও দীর্ঘ হচ্ছে। কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুতই আবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শুরু হতে পারে।

  • রুমিন ফারহানার গ্রেপ্তার দাবি করল এনসিপি, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের হুমকি

    রুমিন ফারহানার গ্রেপ্তার দাবি করল এনসিপি, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের হুমকি

    এবিএনএ: বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির অভিযোগ, আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে রুমিন ফারহানার নেতৃত্বেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

    আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা এ দাবি জানান। এ সময় দলটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ বলেন, “রুমিন ফারহানার নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে, নইলে আমরা সিইসি ও কমিশনারদের পদত্যাগ দাবি করব।”

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ রুমিন ফারহানাকে কড়া সমালোচনা করে বলেন, “তিনি আওয়ামী লীগের মতো সুবিধা ভোগ করেছেন, অথচ এখন গণতন্ত্রের কথা বলেন। আমরা বলছি, সন্ত্রাসী রাজনীতি করলে আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিকেও ভারতে পাঠানো হবে, রুমিন ফারহানারও একই পরিণতি হবে।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, “নির্বাচন কমিশন কিছু দলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীদের প্রবেশে পুলিশ বাধা দিলেও বিএনপিকে মুক্তভাবে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে। কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।”

    এনসিপি স্পষ্ট করে জানায়, তারা কোনো দলমুখী কমিশন নয়, বরং “বাংলাদেশপন্থি নির্বাচন কমিশন” চায়। তাই এই কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে বলে দাবি জানায় দলটি।

  • নির্বাচন করলে তফসিলের আগেই পদ ছাড়বেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    নির্বাচন করলে তফসিলের আগেই পদ ছাড়বেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    এবিএনএ:  স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তিনি যদি জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তবে তফসিল ঘোষণার আগেই উপদেষ্টার পদ ছাড়বেন।

    বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। তবে সিদ্ধান্ত নিলে তফসিল ঘোষণার আগেই পদত্যাগ করব। এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়েও এখনো নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।”

    সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে সাবেক এক নারী সংসদ সদস্যের বাসায় চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেপ্তার গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত নেতা জানে আলম অপুর মামলায় নিজের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি। আসিফ মাহমুদ বলেন, “চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অপুর দেওয়া কথিত স্বীকারোক্তি জোর করে নেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তার সঙ্গে আমার আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।”

    তিনি আরও জানান, অপুর স্ত্রী দাবি করেছেন, তাকে গুম করে সেই স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার কিছু সূত্র থেকেও এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে তিনি শুনেছেন।

    রাজনৈতিক ভূমিকা প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, “যাদের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে—আগে করেছেন বা ভবিষ্যতে করবেন বলে ভাবছেন—তাদের সরকারের বাইরে থাকা উচিত।”

    অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরের কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত যা হয়নি, তার পাল্লাটাই ভারী। জনগণ অভ্যুত্থানের কিছু সুফল পেয়েছে, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কতটা সুফল পেয়েছে, সেটা জনগণই ভালো বলতে পারবে।”

  • ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রক্তের ঋণ ফেরত দিতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রক্তের ঋণ ফেরত দিতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    এবিএনএ:  আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণাকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার বক্তব্যে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—যদি সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হয়, তাহলে শহীদদের আত্মত্যাগের হিসাব সরকারকে কবর থেকে ফিরিয়ে দিতে হবে।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত জাতীয় যুব সম্মেলন ২০২৫–এ তিনি এ মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে এ আয়োজন করে এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তি

    নাসীরুদ্দীন বলেন, “আমার ভাইদের যারা প্রাণ দিয়েছেন রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য, যারা হাত-পা হারিয়েছেন, তাদের ত্যাগ যদি বৃথা যায়, তাহলে সেই জীবন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সরকারকে ফেরত দিতে হবে। যে মায়ের বুক খালি হয়েছিল, তার সন্তান ফিরিয়ে দিতে হবে।”

    রাষ্ট্র সংস্কার ও অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করে নির্বাচনে যাওয়ার সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন করেন, “একই ফ্যাসিবাদী সংবিধান ও পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে নির্বাচনের কী প্রয়োজন? এত শহীদ ও আহত হওয়ার প্রয়োজনই বা কেন?”

    গণমাধ্যমকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, আগে ছিল ‘হাসিনামাধ্যম’, এখন কী মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছে বলা যায় না, কারণ সত্য বললে চাকরি হারাতে হবে। অভ্যুত্থানের পর মিডিয়া সম্পাদকদের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, “আপনারা যা করেছেন, তা লজ্জাজনক। লজ্জা থাকলে ঘরের বাইরে বের হবেন না।”

    ডিজিএফআই ও আয়নাঘর কার্যক্রমের বিরোধিতা করে তিনি হুঁশিয়ার করেন, “ডিজিএফআই জনগণের টাকায় চলে, কিন্তু নেই কোনো জবাবদিহিতা। মানুষকে ভয় দেখানোই যেন তাদের মূল কাজ। আমরা আয়নাঘর ভেঙে দিয়েছি, প্রয়োজনে ডিজিএফআইয়ের সদর দফতরও ভেঙে দেব। বাংলাদেশে ডিজিএফআই থাকতে হলে অবশ্যই সংস্কার প্রয়োজন।”

    সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ বিভিন্ন দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

  • বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

    বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

    এবিএনএ:  গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে এই মামলা করেন বাসন থানা বিএনপির সভাপতি তানভীর সিরাজ।

    অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি সাংবাদিক তুহিন হত্যার ঘটনায় প্রকৃত তথ্য যাচাই না করেই সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপিকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালান, যা দলের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে। তানভীর সিরাজের দাবি, তদন্তে ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। জিএমপি কমিশনারও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তানভীর সিরাজ জানান, সাংবাদিক তুহিনকে একটি অপরাধী চক্র ভিডিও ধারণ করার জেরে হত্যা করে। অথচ এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দিতে সারজিস আলমের বক্তব্য দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি মামলা দায়ের করেছেন এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

    গাজীপুর কোর্ট ইন্সপেক্টর আহসান উল্লাহ চৌধুরী জানান, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক আলমগীর আল মামুনের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

  • এনসিপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিডিয়া ট্রায়ালের অভিযোগ

    এনসিপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিডিয়া ট্রায়ালের অভিযোগ

    এবিএনএ:  জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যম ব্যবহার করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর মুখে ফেলা হচ্ছে। এর মাধ্যমে তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্নের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তিনি।

    রবিবার রাজধানীর বাংলামোটরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি, এনসিপি সম্পর্কিত কোনো ঘটনা ঘটলেই তা দিনের পর দিন গণমাধ্যমে প্রচার হয়। অথচ অন্যান্য দলের গুরুতর ঘটনাগুলোও খুব দ্রুত আড়ালে চলে যায়। এটি একটি পক্ষপাতমূলক প্রবণতা।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, কক্সবাজারের একটি ঘটনার সঙ্গে মিথ্যাভাবে এনসিপি নেতাদের জড়িয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। “এমনও প্রচার হয়েছে যে, একজন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের নেতাদের বৈঠক হয়েছে। অনেকেই এই ভ্রান্ত তথ্য বিশ্বাসও করেছেন, যা অবিশ্বাস ও বিভ্রান্তি তৈরি করে,” বলেন তারিকুল।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে আগামী ১২ আগস্ট রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘জাতীয় যুব সম্মেলন’ আয়োজন করবে যুবশক্তি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবশক্তির সদস্যসচিব জাহেদুল ইসলাম, মুখ্য সংগঠক ফরহাদ সোহেল, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।

    Ask ChatGPT
  • হাসনাত-সারজিস-জারাসহ ৫ নেতাকে শোকজ এনসিপির

    হাসনাত-সারজিস-জারাসহ ৫ নেতাকে শোকজ এনসিপির

    এবিএনএ: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের’ প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালীন তারা ব্যক্তিগত সফরে কক্সবাজার গিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    নোটিশে বলা হয়, সফর সম্পর্কে ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’কে পূর্বে কোনো তথ্য বা ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি। এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নেতাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে।

    শোকজ হওয়া ৫ শীর্ষ নেতা হলেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।

    এ প্রসঙ্গে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নেতাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে।

    কারণ দর্শানোর চিঠিতে বলা হয়, “গতকাল ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে আপনি এবং দলের আরো চারজন কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যক্তিগত সফরে কক্সবাজার গিয়েছেন। এই সফরসংক্রান্ত কোনো তথ্য কিংবা ব্যাখ্যা ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’-এর কাছে পূর্বে অবগত করা হয়নি।

    এতে আরো বলা হয়েছে, ‘এ অবস্থায় আপনার এই সিদ্ধান্তের কারণ ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য আপনাকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা যাচ্ছে।’

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে সংগঠনের নীতি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

    https://www.facebook.com/1NationalCitizenParty/posts/122156732168796300?ref=embed_post

  • টিআইবি প্রধানের মন্তব্য: “সবাই জানে এনসিপি হচ্ছে কিংস পার্টি”

    টিআইবি প্রধানের মন্তব্য: “সবাই জানে এনসিপি হচ্ছে কিংস পার্টি”

    এবিএনএ:   সরকারের ছত্রছায়ায় একটি রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠেছে—এমন অভিযোগ তুলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তাদের সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে যে দলটির প্রতি ইঙ্গিত করেছে, সেটি ‘সবাই জানে’—এনসিপি, এমন মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

    সোমবার (৪ আগস্ট) ঢাকার ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে “কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এ সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ইফতেখারুজ্জামান বলেন,
    “এটা আর গোপন কিছু নয়—সবাই জানে এনসিপি হচ্ছে সেই ‘কিংস পার্টি’। দলটির সঙ্গে সরকারের উপদেষ্টাদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, একজন উপদেষ্টা পদ ছেড়ে সরাসরি দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, আর বাকি দুইজন রয়েছেন সরকারের বর্তমান উপদেষ্টা পদে—এ থেকেই প্রমাণ হয় কারা কাদের সহযোগিতায় রাজনীতির নতুন মোড় তৈরি করেছে।

    প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আরও নানা বিষয়

    টিআইবির গবেষণায় বলা হয়েছে,
    দলটি গঠিত হয়েছে একটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছায়া থেকে।
    – জনগণের কাছে জবাবদিহি, সুশাসন ও স্বচ্ছতার যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি।
    – অর্থের উৎস অস্বচ্ছ, দখলদারিত্ব, দলবাজি, এবং চাঁদাবাজির মতো অপরাধমূলক সংস্কৃতি ধারণ করছে।
    – এর মাধ্যমে আত্মঘাতী পথে হাঁটছে নতুন রাজনৈতিক শক্তি।

    এছাড়া, প্রতিবেদনে দাবি করা হয়,
    “নির্বাচনের কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না থাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। এখন একটি রোডম্যাপ থাকলেও পরিস্থিতি যে পুরোপুরি স্থিতিশীল, তা বলা যায় না।”

    সতর্কতা টিআইবির

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে বলেও প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে।
    বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ও প্রশাসনে যেসব সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নে অনেক ঘাটতি দেখা গেছে বলে মন্তব্য করা হয়।

    ইফতেখারুজ্জামান বলেন,
    “একটি দায়িত্বশীল, জবাবদিহিমূলক এবং দুর্নীতিমুক্ত সরকার গঠনের যে প্রত্যাশা ছিল, তা এখনো বাস্তবতার মুখ দেখেনি।”

  • রাজধানীতে যানজটের ভয়াবহ চিত্র, পরীক্ষার্থী ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

    রাজধানীতে যানজটের ভয়াবহ চিত্র, পরীক্ষার্থী ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

    এবিএনএ:  রাজধানী ঢাকায় রবিবার (৩ আগস্ট) সকালে দেখা যায় অসহনীয় যানজট। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি, অন্যদিকে এইচএসসি ও বিসিএস পরীক্ষা—সব মিলিয়ে রাজধানীর সড়কগুলো হয়ে পড়ে প্রায় অচল।

    সকালে ছাত্রদলের উদ্যোগে শাহবাগে ‘ছাত্র সমাবেশ’ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এসব এলাকায় জনস্রোত ও গাড়ির চাপ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার কারণে রাস্তায় তৈরি হয় তীব্র যানজট।

    শাহবাগ, টেকনিক্যাল মোড়, ফার্মগেট, শ্যামলী, কাকরাইল, সোনারগাঁও রোডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ছিল দীর্ঘ লাইনে স্থবির যানবাহন। অনেক যাত্রী বাসে উঠতে পারেননি, সিএনজিচালকরাও ভাড়া নিতে রাজি হননি।

    টেকনিক্যাল মোড়ের এক যাত্রী রাহাত চৌধুরী বলেন, “বাসে ওঠার জায়গা নেই, আবার উঠলেও কখন গন্তব্যে পৌঁছাব—তার কোনো ঠিক নেই।” অপরদিকে সিএনজিচালক আলামিন জানান, “শুধু টেকনিক্যাল থেকে শ্যামলী পর্যন্ত যেতে লাগছে প্রায় ৩৫ মিনিট, যেখানে সাধারণত ১০ মিনিটও লাগে না।”

    ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীতে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির কারণে শাহবাগ, শহীদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় যান চলাচলে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ডিএমপির বিকল্প রুট পরিকল্পনা নিম্নরূপ:

    ১. হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়: শাহবাগে না গিয়ে হেয়ার রোড/মিন্টু রোড
    ২. কাটাবন থেকে: নীলক্ষেত/পলাশী বা বাংলামোটর লিংক রোড
    ৩. মৎস্য ভবন ও হাইকোর্ট থেকে: হেয়ার রোড হয়ে ঢাবি বা কাকরাইল
    ৪. টিএসসি, দোয়েল চত্বর, নীলক্ষেত: শাহবাগ এড়িয়ে চলাচল
    ৫. শহীদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন রাস্তাগুলো: এড়িয়ে চলার অনুরোধ

    ডিএমপি আরও জানায়, এইচএসসি ও বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে রওনা হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

    ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, “নিয়মিত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ডাইভারশনও দেওয়া হয়েছে।”


    রাজধানীর যানজট পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসনের সতর্কতা থাকলেও পরীক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা দিনের শুরুতেই দুর্ভোগের শিকার হন। রাজনৈতিক কর্মসূচি ও পরীক্ষার সময় একযোগে পড়লে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আরও সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

  • নাগরিক অধিকার ও নতুন সংবিধানের প্রতিশ্রুতি—২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করলো এনসিপি

    নাগরিক অধিকার ও নতুন সংবিধানের প্রতিশ্রুতি—২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করলো এনসিপি

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে ২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করলো জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই ইশতেহার পাঠ করেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    তিনি বলেন, “এক বছর আগে এই শহীদ মিনার থেকেই আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী এক দফা দিয়েছিলাম। সেটা ছিল কোনো একক দলের নয়, ছিল জনগণের পক্ষ থেকে—a call for democratic uprising।”

    নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা যে রাজনীতি করি, তা দায়বদ্ধতা ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক। আমরা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই যেখানে স্বৈরতন্ত্রের আর কোনো জায়গা থাকবে না।”

    তিনি আরও বলেন, “যদিও সরকারের পতন ঘটেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদী কাঠামোর সম্পূর্ণ বিলোপ ঘটেনি। তাই নতুন সংবিধান ও দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র গঠনের মধ্য দিয়েই আমরা সেই লক্ষ্য পূরণ করব।”

    এনসিপির ঘোষিত ২৪ দফা মূলনীতির কিছু দিক:

    ১. নতুন সংবিধান ও দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
    ২. জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি ও বিচার
    ৩. গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠন
    ৪. বিচারব্যবস্থায় সংস্কার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত
    ৫. দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জনসেবামুখী শাসন
    ৬. জবাবদিহিমূলক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
    ৭. গ্রাম পার্লামেন্ট ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকার
    ৮. স্বাধীন গণমাধ্যম এবং সক্রিয় নাগরিক সমাজ
    ৯. সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা
    ১০. যুগোপযোগী শিক্ষানীতি
    ১১. তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবন-ভিত্তিক গবেষণা
    ১২. ধর্ম ও জাতিসত্তার সম্মান
    ১৩. নারীর নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন
    ১৪. মানবমুখী অর্থনীতি ও কল্যাণ রাষ্ট্র
    ১৫. যুবকদের কর্মসংস্থান
    ১৬. বহুমুখী বাণিজ্য ও শিল্পায়ন
    ১৭. খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষিতে স্বাবলম্বিতা
    ১৮. শ্রমিক ও কৃষকের অধিকার
    ১৯. রাষ্ট্রীয় সম্পদ সঠিক ব্যবস্থাপনা
    ২০. পরিবহন, নগরায়ন ও আবাসন পরিকল্পনা
    ২১. পরিবেশ, নদী ও সমুদ্র রক্ষা
    ২২. প্রবাসী বাংলাদেশিদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা
    ২৩. বাংলাদেশকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি
    ২৪. আধুনিক প্রতিরক্ষা কৌশল

    ঘোষণার শেষে নাহিদ ইসলাম বলেন, “এক বছর আগে এই শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ নিয়েছিলাম—দেশকে স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্ত করব। আজ আবারও সেই স্থানে দাঁড়িয়ে বলছি—আসুন, সবাই মিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ি যেখানে সবার জন্য সাম্য, মর্যাদা ও সুবিচার থাকবে।”