Tag: ঈদুল ফিতর

  • ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল: সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজে উপচে পড়া ভিড়ে প্রাণ ফিরে পেল পর্যটন কেন্দ্র

    ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল: সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজে উপচে পড়া ভিড়ে প্রাণ ফিরে পেল পর্যটন কেন্দ্র

    এবিএনএ:  ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নেমেছে দর্শনার্থীদের ঢল। বিশেষ করে সুন্দরবন এবং ষাটগম্বুজ মসজিদ এলাকাজুড়ে পর্যটকদের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি সুন্দরবনের বিভিন্ন স্পট—বিশেষ করে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র—এবারের ঈদে ছিল পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। পাশাপাশি হাড়বাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, কটকা, কচিখালী এবং দুবলার চরসহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানেও ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়।

    দর্শনার্থীদের বাড়তি চাপ সামলাতে গিয়ে বন বিভাগের কর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। সীমিত সংখ্যক বনপ্রহরী দিয়ে নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

    ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা এক পর্যটক দম্পতি জানান, সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য তাদের মুগ্ধ করেছে। তবে কিছু ফুট ট্রেইল ভাঙা এবং অপরিষ্কার থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। তাদের মতে, পর্যটকদের সুবিধার্থে অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের দিন থেকে টানা কয়েক দিনে করমজলেই প্রায় ১২ হাজার পর্যটক ভ্রমণ করেছেন, যা থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আদায় হয়েছে।

    অন্যদিকে, ঐতিহাসিক নিদর্শন ষাটগম্বুজ মসজিদ প্রাঙ্গণেও ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে এসে সময় কাটাচ্ছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা প্রাচীন স্থাপত্যের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

    মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা এক দর্শনার্থী জানান, দীর্ঘদিনের ইচ্ছা পূরণ করতে তিনি পরিবার নিয়ে এখানে এসেছেন। পরিবেশ ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য দেখে তারা দারুণ সন্তুষ্ট।

    এছাড়া শরণখোলার বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী ইকোট্যুরিজম স্পটগুলোতেও পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। নদীর পাড়ে বসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা।

    প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের চার দিনে প্রায় ২২ হাজারের বেশি দর্শনার্থী ষাটগম্বুজ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছেন। এতে কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব অর্জিত হয়েছে।

    পর্যটকদের এমন ব্যাপক আগ্রহকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার এবং সেবার মান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ভ্রমণপ্রেমীরা।

  • জাতীয় ঈদগাহে ঐতিহাসিক ঈদের জামাত—রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে লাখো মুসল্লির মিলনমেলা

    জাতীয় ঈদগাহে ঐতিহাসিক ঈদের জামাত—রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে লাখো মুসল্লির মিলনমেলা

    এবিএনএ: রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বসহ হাজারো মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেন।

    ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারা জাতীয় ঈদগাহে সাধারণ মুসল্লিদের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন, যা উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে বিশেষ আবেগের সৃষ্টি করে।

    এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিচার বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সরকারি আমলা এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও এই জামাতে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    ঈদের নামাজে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা প্রদান করা হয়, যেখানে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্যের জন্য দোয়া করা হয়।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে ঈদের জামাতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়। মুসল্লিদের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত অযুখানা, চিকিৎসা সেবা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

    বিশেষভাবে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান, প্রবেশপথ ও অযুর ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকলেও সাধারণ মুসল্লিদের সুবিধাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়, যার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার নারী মুসল্লির জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

  • বৃষ্টির মধ্যেও ঈদের আবেগ: ষাটগম্বুজ মসজিদে মুসল্লিদের ঢল, তিন দফায় জামাত অনুষ্ঠিত

    বৃষ্টির মধ্যেও ঈদের আবেগ: ষাটগম্বুজ মসজিদে মুসল্লিদের ঢল, তিন দফায় জামাত অনুষ্ঠিত

    এবিএনএ,বাগেরহাট : হালকা বৃষ্টি যেন থামাতে পারেনি ঈদের আনন্দ। ভোর থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেও বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে ভিড় জমান হাজারো মুসল্লি। আবহাওয়ার প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে ধর্মপ্রাণ মানুষদের এই উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টায় মসজিদে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তার আগেই সকাল ৬টা থেকে মুসল্লিরা মসজিদ প্রাঙ্গণে আসতে শুরু করেন। সময় যত গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে উপস্থিতি। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসেন এই ঐতিহ্যবাহী স্থানে নামাজ আদায় করতে।

    জামাত শুরু হওয়ার আগেই মসজিদের ভেতরের স্থান পূর্ণ হয়ে যায়। পরে মসজিদের আশপাশের খোলা জায়গাতেও নামাজের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানেও মুসল্লিদের ভিড় ছিল উপচে পড়া।

    প্রথম জামাতে ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা মো. খালিদ, যিনি খানজাহান (রহ.) মাজার সংলগ্ন মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ঈদের নামাজে অংশ নেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, জেলা বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক সভাপতি এম এ সালামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

    নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করা হয়। পাশাপাশি মুসল্লিরা নিজেদের পরিবার ও প্রয়াত স্বজনদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন এবং দান-খয়রাতে অংশ নেন।

    এ সময় সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, নির্বাচনের পর এটি তার প্রথম ঈদের জামাত। তিনি দেশ ও জাতির উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, ঈদের এই মিলনমেলা ঐক্যের প্রতীক এবং এই ঐক্য ধরে রেখে বাগেরহাটকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    তিনি সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপন করতে পারায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। রমজানের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে আগামীর দিনগুলোতে সংযম ও আত্মশুদ্ধির চর্চা চালিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

    এদিকে, প্রথম জামাত ছাড়াও আরও দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে, যেখানে ইমামতি করেন মসজিদের ইমাম ও খতিব নাসির উদ্দিন। তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়, এতে ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা মো. এনামুল হক।

    সব মিলিয়ে, বৃষ্টিভেজা সকালেও ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদের নামাজ এক ভিন্ন আবহ তৈরি করে—যেখানে ধর্মীয় অনুভূতি, ঐতিহ্য ও মানুষের মিলন একাকার হয়ে যায়।

  • ঈদের চাঁদ উঠতেই প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা: সবার মাঝে আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান

    ঈদের চাঁদ উঠতেই প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা: সবার মাঝে আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর জাতির উদ্দেশে ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দেশবাসীকে ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রচারিত ওই বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈদ মোবারক। প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম।” তিনি উল্লেখ করেন, এক মাসের সিয়াম সাধনার পর পবিত্র মাহে রমজান বিদায় নিয়েছে, যা মানুষকে ত্যাগ, সংযম ও তাকওয়ার শিক্ষা দেয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য নিয়ে আসে আনন্দ, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহমর্মিতার বার্তা। এই উৎসব যেন সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ে, সে আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি পরিবারে ঈদের আনন্দ পৌঁছে যাক—এই কামনা সবার। রমজানের শিক্ষা ধারণ করে সবাই যেন একে অপরের পাশে দাঁড়ায় এবং আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়, সেটিই হওয়া উচিত ঈদের মূল বার্তা।

    বার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

  • রাজধানীতে কোথায় কখন ঈদের নামাজ? জেনে নিন ঢাকার সব জামাতের সময়সূচি এক নজরে

    রাজধানীতে কোথায় কখন ঈদের নামাজ? জেনে নিন ঢাকার সব জামাতের সময়সূচি এক নজরে

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় এবার ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৭৭১টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১২১টি ঈদগাহ এবং ১ হাজার ৫৯৯টি মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করবেন। ইতোমধ্যে এসব জামাতকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

    রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, কোনো কারণে সেখানে জামাত অনুষ্ঠিত না হলে বিকল্প হিসেবে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    জাতীয় ঈদগাহে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। এখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ প্রায় ৩৩০ জন ভিআইপি এবং প্রায় এক লাখ সাধারণ মুসল্লির জন্য নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা পর্দার ব্যবস্থাও থাকবে।

    জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সময়গুলো হলো—সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং ১০টা ৪৫ মিনিট।

    এছাড়া জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সংসদ সদস্য ও সাধারণ মুসল্লিরা অংশ নেবেন। নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দুটি জামাত হবে—প্রথমটি সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয়টি সকাল ৯টায়।

    পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যেমন লক্ষ্মীবাজার মিয়া সাহেবের ময়দান, গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা মাঠ, দক্ষিণ মুগদা ও অন্যান্য এলাকায় সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    এছাড়া মহাখালী, লালবাগ, মান্ডা, গেন্ডারিয়া, জুরাইনসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাতেও ১৭টি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সকাল ৮টায় একটি বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রায় ২৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

    ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় নিশ্চিত করতে রাজধানীজুড়ে সমন্বিত নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু থাকবে।

  • ঈদের রাতে দোয়া কবুলের বিশেষ আমল: যে ইবাদতে বদলে যেতে পারে আপনার জীবন

    ঈদের রাতে দোয়া কবুলের বিশেষ আমল: যে ইবাদতে বদলে যেতে পারে আপনার জীবন

    এবিএনএ: ইসলামে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা—এই দুই ঈদ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়। তবে শুধু ঈদের দিনই নয়, এর আগের রাতও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় হিসেবে বিবেচিত।

    ইসলামি স্কলারদের মতে, ঈদের রাতকে অবহেলায় না কাটিয়ে ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করা সুন্নত। অনেকেই আনন্দ-উৎসবে ব্যস্ত থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ফজিলত থেকে বঞ্চিত হন, যা কাম্য নয়। এ রাতে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হওয়ার বিশেষ আশা করা হয়।

    হাদিসে উল্লেখ আছে, কিছু নির্দিষ্ট রাতে ইবাদতে মগ্ন থাকলে জান্নাত লাভের সুসংবাদ রয়েছে। হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—পাঁচটি রাত এমন রয়েছে, যেগুলোতে ইবাদতের মাধ্যমে জাগ্রত থাকলে জান্নাত নিশ্চিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে—জিলহজের ৮ ও ৯ তারিখের রাত, ঈদুল আজহার রাত, ঈদুল ফিতরের রাত এবং ১৫ শাবানের রাত।

    এছাড়া ঈদের রাতে করা দোয়া আল্লাহ তাআলা ফিরিয়ে দেন না—এমন বর্ণনাও পাওয়া যায়। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, জুমার রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, শবে বরাত এবং দুই ঈদের রাতে করা দোয়া বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য হয়।

    আরেকটি হাদিসে হজরত আবু উমামা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—যে ব্যক্তি ঈদের দুই রাতে সওয়াবের আশায় ইবাদতে লিপ্ত থাকে, কিয়ামতের দিন যখন বহু হৃদয় নিস্তেজ হয়ে যাবে, তখন তার হৃদয় জীবিত থাকবে।

    সুতরাং, ঈদের আনন্দের পাশাপাশি এ রাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব উপলব্ধি করে নামাজ, জিকির, কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য কল্যাণকর।

  • ঈদের আগে স্বস্তির খবর! একদিনে সোনার দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো ১৫ হাজার টাকা

    ঈদের আগে স্বস্তির খবর! একদিনে সোনার দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো ১৫ হাজার টাকা

    এবিএনএ: ঈদুল ফিতরের ঠিক আগমুহূর্তে স্বর্ণবাজারে বড় ধরনের স্বস্তি মিলেছে ক্রেতাদের। একদিনে দুই দফায় দাম কমিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সব মিলিয়ে প্রতি ভরি সোনার দাম কমেছে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা।

    বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নতুন মূল্য তালিকা বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে সকালেও এক দফা দাম কমানো হয়েছিল।

    সর্বশেষ নির্ধারিত দামে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা এখন বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়। যা সকালে ছিল প্রায় ২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা এবং আগের দিন ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা।

    প্রথম দফায় সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া ঘোষণায় প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানো হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় আরও বড় পরিমাণে দাম কমানো হয়।

    বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে খাঁটি (পিওর) সোনার দর কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। ফলে নতুন করে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দরে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    শুধু সোনাই নয়, রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে চলতি মাসের শুরুতে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে যায়। তবে পরবর্তীতে দর ওঠানামার ধারাবাহিকতায় এখন কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামও কমেছে। সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, প্রতি আউন্স সোনার দাম নেমে এসেছে ৪ হাজার ৬৮০ ডলারে, যা আগের দিন ৫ হাজার ডলারের ওপরে ছিল।

    উল্লেখ্য, গত জানুয়ারির শেষ দিকে বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে দেশের বাজারেও রেকর্ড দামে পৌঁছেছিল সোনা। তখন এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল।

  • সৌদিতে চাঁদ দেখা যায়নি—ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে শুক্রবার

    সৌদিতে চাঁদ দেখা যায়নি—ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে শুক্রবার

    এবিএনএ: সৌদি আরবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ)। এর ফলে দেশটিতে রমজান মাস পূর্ণ ৩০ দিনে সম্পন্ন হচ্ছে।

    বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় সৌদি আরবের চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে দেশের কোথাও নতুন চাঁদের দেখা না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই নতুন মাস শুরু হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশই একই নিয়ম অনুসরণ করে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও ৩০ রোজা পূর্ণ করে ঈদ উদযাপন করা হবে।

    এদিকে, দেশটির শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় আগেই ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছে। বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের কর্মীদের জন্য বুধবার রাত থেকে ছুটি কার্যকর হচ্ছে, যা পরবর্তী কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, আগাম ছুটি ঘোষণার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে পরিচালনা করতে পারছে এবং কর্মীরাও নির্বিঘ্নে ঈদের প্রস্তুতি নিতে পারছেন।

    এবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবের জনগণ ৩০টি রোজা পূর্ণ করার পর শুক্রবার ঈদুল ফিতরের আনন্দে শামিল হবেন।

  • ঈদ কবে? মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে দিন নিয়ে জোর জল্পনা

    ঈদ কবে? মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে দিন নিয়ে জোর জল্পনা

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাস শেষের পথে, আর সেই সঙ্গে এগিয়ে আসছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ইতোমধ্যে ছুটি শুরু হওয়ায় নগর ছেড়ে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। তবে সবার মুখে এখন একটাই প্রশ্ন—এবার ঈদ কবে?

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আগামী ২০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হতে পারে। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির তথ্যমতে, এবার রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

    ধারণা করা হচ্ছে, ১৮ মার্চ আরব অঞ্চলের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট ওই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে ১৯ মার্চই ঈদ হতে পারে।

    বাংলাদেশে ঈদ কবে হতে পারে?
    ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ পালিত হয়। সে হিসেবে দেশে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপনের সম্ভাব্য তারিখ ২১ মার্চ (শনিবার) ধরা হচ্ছে।

    তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার ওপর। ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন চাঁদ দেখা গেলে ২০ মার্চ ঈদ পালিত হবে, আর না দেখা গেলে ৩০ রমজান পূর্ণ করে ২১ মার্চ ঈদ উদ্‌যাপন করা হবে।

    এদিকে ঈদকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও নৌপথে যাত্রীদের ব্যাপক ভিড় দেখা যাচ্ছে। মানুষ প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে ছুটছে নিজ নিজ বাড়িতে। আবহাওয়া অনিশ্চিত থাকলেও উৎসবের আনন্দে ভাটা নেই কারও মধ্যে।

    এখন সবার দৃষ্টি আকাশের দিকে—কবে দেখা মিলবে শাওয়ালের চাঁদের, আর কবে উদ্‌যাপিত হবে খুশির ঈদ।

  • ঈদযাত্রার চাপে আব্দুল্লাহপুরে মানুষের স্রোত, বাস সংকটে বাড়তি ভাড়া ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ

    ঈদযাত্রার চাপে আব্দুল্লাহপুরে মানুষের স্রোত, বাস সংকটে বাড়তি ভাড়া ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা থেকে ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ। এতে উত্তরের প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত আব্দুল্লাহপুর এলাকায় যাত্রীদের ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। বাসের সংকট ও যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ।

    সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এয়ারপোর্ট, আজমপুর, হাউজ বিল্ডিং ও আব্দুল্লাহপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সড়কের পাশে অসংখ্য যাত্রী বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। যাত্রীদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।

    যাত্রীদের অভিযোগ, আন্তঃজেলা ও স্থানীয় রুটের অনেক বাস নির্ধারিত রুটে চলাচল না করে বেশি লাভের আশায় একাধিক ট্রিপ দিচ্ছে। ফলে নির্দিষ্ট রুটে বাসের সংখ্যা কমে গিয়ে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে।

    তারা আরও জানান, ঢাকা থেকে রংপুরগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে যেখানে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে থাকে, সেখানে বর্তমানে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। বাস না পেয়ে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ট্রাক বা অন্য বিকল্প যানবাহনে বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন। এসব ট্রাকেও জনপ্রতি প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

    রংপুরগামী যাত্রী রিয়াজুল বলেন, “সাধারণ সময়ে রংপুর যেতে ৫০০ টাকা লাগে। কিন্তু এখন বাসে উঠতেই ১৫০০ টাকা চাইছে। উপায় না থাকায় সেই ভাড়াতেই যেতে হচ্ছে।”

    অন্যদিকে ময়মনসিংহগামী গার্মেন্টসকর্মী রহিমা খাতুন জানান, বিকেল থেকে বাসের জন্য অপেক্ষা করলেও কোনো বাস পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, “যাত্রী অনেক কিন্তু বাস খুব কম। মনে হচ্ছে শেষ পর্যন্ত ট্রাকেই যেতে হবে।”

    তবে পরিবহন কাউন্টার সংশ্লিষ্টরা অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ঈদের সময়ে অনেক বাস যাত্রী ছাড়াই ঢাকায় ফিরে আসে। সেই কারণে কিছু ক্ষেত্রে ভাড়া সামান্য বাড়তে পারে।

    উত্তরার আজমপুর এলাকার একটি পরিবহন কাউন্টারের ব্যবস্থাপক বাচ্চু মিয়া বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর অংশে বিভিন্ন স্থানে যানবাহনের ধীরগতির কারণে গাড়ি সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না। এতে নির্ধারিত শিডিউল বিঘ্নিত হচ্ছে এবং যাত্রীদের কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।