Tag: আবহাওয়া অধিদপ্তর

  • এক সেকেন্ডের ব্যবধানে ঢাকায় ৩.৭ ও নরসিংদীতে ৪.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, শুরু আতঙ্ক

    এক সেকেন্ডের ব্যবধানে ঢাকায় ৩.৭ ও নরসিংদীতে ৪.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, শুরু আতঙ্ক

    এবিএনএ: ঢাকা ও নরসিংদী এক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয় রাজধানীর বাড্ডা এলাকায়, যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭। এর ঠিক এক সেকেন্ড পর নরসিংদীতে ঘটে আরও বড় একটি ভূমিকম্প, যার মাত্রা ৪ দশমিক ৩।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “দুটি ভূমিকম্প খুব কাছাকাছি সময়ে হয়েছে। প্রথমটি ঢাকার বাড্ডায় ৩.৭ মাত্রায় অনুভূত হয়, এর এক সেকেন্ড পর নরসিংদীতে ৪.৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।” তবে নরসিংদীর এ ভূমিকম্পটির গভীরতা বা সঠিক উৎসস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।

    এর আগে একই দিনে সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৩.৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প ঘটে নরসিংদীর পলাশ উপজেলায়।

    তবে এর আগের দিন, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে নরসিংদীর মাধবদী থেকে উৎপন্ন ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা। সেই ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়, আহত হন শতাধিক মানুষ।

    একদিনের ব্যবধানে ৫টির বেশি ছোট ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ভূগর্ভে শক্তি সঞ্চয়ের একটি চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হয়েছে, যা বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হতে পারে। ভূকম্পনের উৎপত্তিস্থলগুলো ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে বলে জানান ভূমিকম্প গবেষকরা।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ধারাবাহিকভাবে ভূমিকম্প হওয়ার অর্থ হলো ভূগর্ভস্থ ফল্ট লাইনে চাপ বেড়ে চলছে। তবে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে ভূমিকম্প প্রতিরোধী অবকাঠামো গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ঘন ঘন ভূকম্পনের এই ধারা সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও সচেতনতার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছে।

  • মাধবদী কেন ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হলো? আতঙ্কের কারণ জানালেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধবদী কেন ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হলো? আতঙ্কের কারণ জানালেন বিশেষজ্ঞরা

    এবিএনএ:বাংলাদেশের রাজধানীর খুব কাছেই অবস্থিত নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় শুক্রবার যে শক্তিশালী ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছিল, তার প্রভাব কেঁপে তুলেছিল ঢাকা ছাড়াও দেশের প্রায় সব জেলা। রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত প্রাণ গেছে অন্তত ১০ জনের, আহত হয়েছে পাঁচ শতাধিক মানুষ। দেশের ভেতরে উৎপন্ন হওয়া সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়ংকর ভূকম্পন এটি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, এই ভূমিকম্পে বাংলাদেশের প্রায় ৭ কোটি মানুষ ছোট-বড় ঝাঁকুনি অনুভব করেন। মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরের মাধবদী উপজেলার প্রায় ১০ কিলোমিটার ভূপৃষ্ঠের নিচে জমা হওয়া শক্তি হঠাৎ মুক্ত হয়ে বড় ধরনের কম্পনের সৃষ্টি করে।

    এর মাত্র একদিন পর আবারও মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে নরসিংদীর পলাশ উপজেলায়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। ধারাবাহিক এসব কম্পন বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    কেন মাধবদী ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দুতে?

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলছেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়েছে ইন্ডিয়ান প্লেট ও বার্মা প্লেটের সংঘর্ষস্থলে। এই এলাকায় প্লেটগুলো একে অপরের নিচে প্রবেশ করছে বা সরে যাচ্ছে, ফলে ভূপৃষ্ঠের নিচে শত শত বছর ধরে শক্তি জমা হচ্ছে।

    তার ভাষায়, “মাধবদীর নিচে প্লেট লকড অবস্থায় ছিল। শুক্রবার সামান্য অংশ খুলে গিয়ে শক্তি বেরিয়ে এসেছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে সামনে আরও বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে।”

    ৮০০ বছরের সঞ্চিত শক্তি এখন ‘ফেটে পড়তে’ প্রস্তুত

    তিনি জানান, বাংলাদেশে যে প্লেট সংযোগস্থল রয়েছে সেখানে ৮০০ বছরের বেশি সময় ধরে শক্তি জমা হচ্ছে। এই শক্তি ৮ দশমিক ২ থেকে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ঘটানোর মতো। আর মাধবদীতে সাম্প্রতিক ভূকম্পন ভবিষ্যতের বড় বিপর্যয়ের এক সতর্কবার্তা বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

    বাংলাদেশের ভূকম্পনের প্রধান উৎস কী কী?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ভূমিকম্পের প্রধান দুটি উৎস হলো—

    ১️. ডাউকি ফল্ট, যা ভারতের শিলং মালভূমি থেকে ময়মনসিংহ-জামালগঞ্জ হয়ে সিলেট পর্যন্ত বিস্তৃত। দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার।
    ২️. সিলেট থেকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে টেকনাফ এবং সেখান থেকে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা পর্যন্ত বিস্তৃত আরেকটি ভয়ংকর ফল্ট জোন।

    এই অঞ্চলগুলোকে পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ টেকটনিক অঞ্চলগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    ইতিহাস বলছে ভয়ংকর সব ভূমিকম্পের কথা
    🔹 ১৭৬২ সালে টেকনাফ-মিয়ানমার অঞ্চলে ৮.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে সেন্টমার্টিন দ্বীপ তিন মিটার ওপরে উঠে আসে।
    🔹 ১৭৯৭ সালে ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ পাল্টে যায়।
    🔹 ১৮৯৭ সালে জৈন্তাপুর-সুনামগঞ্জ অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৮.৭ মাত্রার ভূকম্পন হয়েছিল।
    🔹 ১৯২২ সালে মৌলভীবাজার ও কিশোরগঞ্জ এলাকায় ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    ঢাকার বিপর্যয়ের আশঙ্কা বেশি কেন?
    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল যেখানেই হোক, অপরিকল্পিত নগরায়ন, বহুতল ভবন এবং জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানী ঢাকা।

    বিশেষজ্ঞদের আহ্বান, “আর দেরি নয়, এখনই নিতে হবে কার্যকর প্রস্তুতি—নইলে বড় ভূমিকম্পে ভয়াবহ বিপর্যয় আসন্ন।”

    ভূমিকম্প সচেতনতা, নগর পরিকল্পনা ও জরুরি প্রতিরোধ ব্যবস্থা এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • রাজধানীর বাড্ডা কেন্দ্র করে ভূমিকম্প, বিশেষজ্ঞদের সতর্ক বার্তা

    রাজধানীর বাড্ডা কেন্দ্র করে ভূমিকম্প, বিশেষজ্ঞদের সতর্ক বার্তা

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকাবাসী আবারও অনুভব করল ভূমিকম্পের হালকা ঝাঁকুনি। তবে এবার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল শহরের মধ্যেই—বাড্ডায়। শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে অনুভূত এই ভূকম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৩। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    টেলিপ্রিন্টার অপারেটর মো. গোলাম মোস্তফা জানান, বাড্ডা এলাকায় উৎপন্ন এই কম্পনটি মৃদু ধরনের হলেও এর তাৎপর্য উপেক্ষা করা যাবে না। কারণ রাজধানীর ভেতরে উৎপন্ন ভূকম্পন ভবিষ্যতে ঝুঁকির সংকেত বহন করে।

    এর আগে একই দিন সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে নরসিংদীর পলাশে অনুভূত হয়েছিল ৩ দশমিক ৩ মাত্রার আরেকটি ভূকম্পন। গত বৃহস্পতিবার মাধবদীতে উৎপন্ন ৫ দশমিক ৭ মাত্রার মাঝারি ভূমিকম্প ছিল একশ বছরের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পন।

    আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানান, ছোট ও মাঝারি ধরনের কম্পনের ধারাবাহিকতা বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হিসেবে কাজ করে। তিনি বলেন, “১৯১৮ সালের পর দেশের ভেতরে মাধবদীর এ ভূকম্পন ছিল সবচেয়ে বড় এক শক। তখন শ্রীমঙ্গলে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।”

    তিনি আরও বলেন, “সাধারণত ১০০ থেকে ১৫০ বছর পরপর বড় ধরনের ভূমিকম্প ঘটে। যেহেতু শত বছর আগে ডাউকি ফল্ট এলাকায় বড় ভূমিকম্প হয়েছিল, তাই আমরা বর্তমানে বড় ভূকম্পনের দ্বারপ্রান্তে থাকতে পারি।”

    ইতিহাস বলছে, ১৮৬৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৪টি বড় ভূমিকম্প রেকর্ড হয়েছে, যার মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৬ থেকে ৮ দশমিক ৬ এর মধ্যে। ১৮৯৭ সালে ৮ দশমিক ১ এবং ১৯৫০ সালে ৮ দশমিক ৬ মাত্রার ভূকম্পনের উৎপত্তি ছিল ভারতের আসামে।

    ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল:
    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, কুমিল্লা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অংশ ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ঢাকা শহরের কিছু অংশসহ মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ রয়েছে মাঝারি ঝুঁকিতে।

    অন্যদিকে খুলনা ও বরিশাল বিভাগকে ভূমিকম্পের কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    ভূমিকম্পের পুনঃপুন সতর্ক সংকেত বিশেষজ্ঞদের আরও প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে। প্রস্তুতি, সচেতনতা ও সময়মতো পদক্ষেপই পারে এই ঝুঁকি মোকাবিলা করতে।

  • দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে শীতের প্রভাব। সন্ধ্যার পর থেকেই ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে, আর রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী কয়েক দিন সারাদেশেই শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে, তবে ভোরের দিকে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রাও সামান্য কমবে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সারাদেশে আপাতত বৃষ্টি নেই, তবে রাতের তাপমাত্রা ক্রমেই নিচের দিকে নামছে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী চার দিন শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। প্রতিদিন ভোরে উত্তরাঞ্চলে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। ১০ নভেম্বর থেকে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ১১ নভেম্বর রাতের তাপমাত্রা আবারও সামান্য নামতে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। পাঁচ দিনের শেষ দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের অনুভূতি টিকে থাকবে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় থেকেই ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের আমেজ শুরু হচ্ছে। উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত পুরোপুরি প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    শীতপ্রবণ অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের এখন থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

  • আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, সামান্য কমবে তাপমাত্রা

    আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, সামান্য কমবে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের আটটি বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, আগামীকাল (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বহু স্থানে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

    তিনি বলেন, “কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। পাশাপাশি সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পাবে।”

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু স্থানে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায়ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে তাপমাত্রা আরও ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    পরবর্তী দিনগুলোতেও একই প্রবণতা থাকবে। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে শনিবার (১ নভেম্বর) পর্যন্ত দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার (২ নভেম্বর) পর্যন্ত ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বহু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিও দেখা যেতে পারে।

    তবে রবিবারের পর আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাতের ধারা বজায় থাকবে। এ সময় কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়লেও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

  • টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টি, নদীর পানি বাড়ছে: বন্যার শঙ্কায় উপকূল ও নিম্নাঞ্চল

    টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টি, নদীর পানি বাড়ছে: বন্যার শঙ্কায় উপকূল ও নিম্নাঞ্চল

    এবিএনএ: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ স্থল নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় সারাদেশে টানা বৃষ্টি চলছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই বৃষ্টি আরও অন্তত পাঁচ দিন অব্যাহত থাকবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, রাজধানীসহ বড় শহরে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। উপকূলীয় এলাকাগুলো প্লাবিত হচ্ছে, আর সেন্টমার্টিন দ্বীপে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কয়েকশ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরে ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ফেনী, মুহুরী, সিলোনিয়া নদী ও উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট, নীলফামারী, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষ করে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে দুর্ভোগ তীব্র আকার ধারণ করেছে। পূর্বপাড়া, পশ্চিমপাড়া, মাঝেরপাড়া ও নজরুলপাড়ায় শত শত ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্বীপের স্লুইসগেট বন্ধ থাকায় পানি নামতে পারছে না।

    আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিনে দেশের আটটি বিভাগেই ভারী বর্ষণ হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের নিম্নাঞ্চল বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

  • চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস

    চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস

    এবিএনএ:  দেশের চারটি বিভাগে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া সর্বশেষ পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। বর্তমানে এটি উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে সরে গেছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরেকটি নতুন লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকার কিছু এলাকায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে। কোথাও কোথাও মাঝারি ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    এ ছাড়া বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগেই কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। তবে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    আবহাওয়া দপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

  • আগামী পাঁচ দিন টানা বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের সতর্কতা, প্রস্তুত থাকুন সবাই

    আগামী পাঁচ দিন টানা বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের সতর্কতা, প্রস্তুত থাকুন সবাই

    এবিএনএ:  আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানানো হয়, দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে এবং কিছু এলাকায় ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গাতেও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়েছে, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    ২৫ ও ২৬ আগস্ট দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর ২৭ আগস্ট থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বেড়ে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপ দুর্বল হয়ে মৌসুমি অক্ষের সাথে যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে, যা দেশের আবহাওয়ায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণ হবে।

    তবে পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাঁচ দিনের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে।

  • শরতের সকালে টানা বৃষ্টিতে অচল রাজধানী, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ

    শরতের সকালে টানা বৃষ্টিতে অচল রাজধানী, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ

    এবিএনএ:  শরতের সকালে ঢাকার রাস্তায় টানা বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয় চরম দুর্ভোগের। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই শহরের বহু সড়ক পানিতে ডুবে যায়। ফলে অফিসগামী মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীরা সবাই ভোগান্তিতে পড়েন। কর্মদিবসের প্রথম দিন হওয়ায় যানজটের তীব্রতা বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

    সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে স্থবির হয়ে পড়ে যান চলাচল। বিশেষ করে আগারগাঁও মোড় থেকে মিরপুর-১০, বিমানবন্দর সড়ক, কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ ও ফার্মগেট এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে বাস ছেড়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা দেন।

    ঢাকা ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, কর্মদিবসের কারণে সড়কে যানবাহনের চাপ আগেই ছিল। এর মধ্যে বৃষ্টিতে খানাখন্দে ভরা রাস্তা ও পানিবদ্ধতার কারণে ধীরগতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মাঠে নামেন।

    যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেন রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা। অনেকেই সুযোগ বুঝে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করেন। ফলে সাধারণ মানুষকে পড়তে হয় দ্বিগুণ বিড়ম্বনায়।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকায় গতকাল ৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে মোহাম্মদপুর, শেওড়াপাড়া, বছিলা, কারওয়ান বাজার ও মিরপুরসহ বহু এলাকায় পানি জমে যায়। ফলে অফিসগামী কর্মজীবী থেকে শুরু করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরাও মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েন।

    এক অফিসকর্মী জানান, সাধারণ দিনে আগারগাঁও থেকে ফার্মগেট পৌঁছাতে যেখানে আধাঘণ্টা লাগে, সেখানে গতকাল লেগেছে প্রায় দেড় ঘণ্টা। মোহাম্মদপুরের এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, সাধারণত এক ঘণ্টায় অফিসে পৌঁছালেও এদিন তাঁর সময় লেগেছে দ্বিগুণ।

    পানিবদ্ধ রাস্তায় হাঁটুপানি পেরিয়ে চলাচল করতে হয় অনেককেই। মিরপুরের আনসার ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা মামুন হোসেন বলেন, “বাসা থেকে বের হয়ে দেখি পুরো গলি পানিতে তলিয়ে গেছে। রিকশা নেই, শেষমেশ হাঁটুপানি মাড়িয়ে মূল সড়কে যেতে হয়েছে।”

  • সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    এবিএনএ: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালীসহ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। এর ফলে আগামী এক সপ্তাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের জুলাই মাসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এছাড়া এক থেকে দুটি মৃদু তাপপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে।

    তবে এর মধ্যে আশার খবর হলো—এই মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    অন্যদিকে, জুন মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৯.৩ শতাংশ কম। সবচেয়ে কম বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকাতেও কমেছে ৩৩ শতাংশ বৃষ্টিপাত। খুলনা ও বরিশাল বিভাগ ছাড়া বাকি ছয়টি বিভাগেই বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের নিচে ছিল।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আষাঢ় মাসে এমন কম বৃষ্টিপাত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের অংশ হতে পারে। তবে জুলাই মাসে স্বাভাবিক বর্ষণ আবার ফিরে আসবে বলেই পূর্বাভাস।

    এদিকে মৎস্যজীবী ও উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রগামী নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।