Tag: আবহাওয়া অধিদপ্তর

  • দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কবার্তা

    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কবার্তা

    এবিএনএ: দেশের একাধিক অঞ্চলে রাতের মধ্যে বজ্রসহ ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে Bangladesh Meteorological Department। আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় কয়েকটি নদীবন্দরকে সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার রাতে প্রকাশিত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকায় পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এই পরিস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, রাত ১টার মধ্যে আবহাওয়ার এ পরিবর্তন ঘটতে পারে।

    এছাড়া ঢাকা, বরিশাল, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলেও অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব এলাকায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    এ কারণে ওইসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে নদীপথে চলাচল না করার এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান মৌসুমি পরিবর্তনের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করে বজ্রঝড়ের প্রবণতা বাড়ছে। তাই সবাইকে আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেট অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা

    বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা

    এবিএনএ: দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার আশপাশের এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে কয়েকটি অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শনিবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, বর্তমানে দক্ষিণপশ্চিম ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন এলাকায় আরেকটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

    বর্তমানে মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ও পাবনা জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে একই সময়ে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাস

    ১৬ মে সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ময়মনসিংহ ও সিলেটের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে।

    দ্বিতীয় দিনের পরিস্থিতি

    ১৭ মে দেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। রংপুর ও ঢাকার কিছু এলাকাতেও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

    তৃতীয় দিনের পূর্বাভাস

    ১৮ মে পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি বিভাগে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে দেশের অন্যান্য বিভাগেও বিচ্ছিন্নভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

    চতুর্থ দিনের আবহাওয়া

    ১৯ মে রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস

    ২০ মে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে কয়েকটি অঞ্চলে। এ সময় দেশের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা ও স্থানীয়ভাবে ঝোড়ো হাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

  • টানা বৃষ্টির সতর্কতা, চার বিভাগে ভারী বর্ষণ

    টানা বৃষ্টির সতর্কতা, চার বিভাগে ভারী বর্ষণ

    এবিএনএ: দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় দেশের কয়েকটি বিভাগে টানা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে আগামী কয়েকদিন ধরে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

    বুধবার (১৩ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

    কোথায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় এবং খুলনা ও বরিশালের দু-এক জায়গায়ও বৃষ্টি হতে পারে।

    এ সময় দেশের কয়েকটি অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

    পাঁচদিনজুড়ে থাকতে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    আবহাওয়া বিভাগ বলছে, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এ সময় দেশের অন্যান্য বিভাগেও বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে। তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তুলনামূলক কম বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    রোববার পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তরাঞ্চল ও সিলেট অঞ্চলে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে দেশের কিছু এলাকায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত শুষ্ক থাকতে পারে।

    তাপমাত্রায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জনজীবনে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝড়-বৃষ্টির সময় বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে কৃষি সংশ্লিষ্টদেরও আবহাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের বিস্তার: ৬ জেলায় মাঝারি গরম, রাতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের বিস্তার: ৬ জেলায় মাঝারি গরম, রাতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আবারও বাড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ছয়টি জেলা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বর্তমানে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক এ তথ্য জানান।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জসহ খুলনা বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। কিছু এলাকায় এটি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে। ফলে গরমের অনুভূতি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    অন্যদিকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।

    সোমবার ও মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, তবে বেশিরভাগ এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করলেও রাতের তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকবে বা কিছুটা বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ১৬ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে, যা দেশের আবহাওয়ায় প্রভাব ফেলছে।

  • ১৯ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ঝড়ের সতর্কতা, ৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার আশঙ্কা

    ১৯ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ঝড়ের সতর্কতা, ৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার আশঙ্কা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমকা হাওয়াসহ ঝড়ো আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে, সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি।

    বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এই সতর্কতা কার্যকর থাকবে। এতে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে এই ঝড়ো আবহাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এসব এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। একই সঙ্গে বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে, যা নৌযান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

    এ কারণে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে এবং প্রয়োজন হলে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • আজই স্বস্তির ইঙ্গিত! ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে তাপমাত্রা

    আজই স্বস্তির ইঙ্গিত! ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকায় আজকের আবহাওয়ায় কিছুটা পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দিনভর আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা সামান্য কমে গরমের তীব্রতা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।

    শনিবার সকাল থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে দেশের আবহাওয়া অফিস। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুপুর পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

    বাতাস ও তাপমাত্রার অবস্থা

    এ সময় পশ্চিম অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার গতিতে বাতাস বইতে পারে। ফলে আবহাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সকাল ৬টার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৯ শতাংশ। এর আগে শুক্রবার রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৩৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত

    আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে। আগামীকাল রোববার সূর্য উঠবে ভোর ৫টা ৫৪ মিনিটে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    সারাদেশের পূর্বাভাস

    দেশের অন্যান্য অঞ্চলও আংশিকভাবে বৃষ্টির আওতায় আসতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সন্ধ্যার মধ্যে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে।

    সার্বিকভাবে দেশের দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    স্বস্তির বার্তা

    টানা গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসীর জন্য এই বৃষ্টি স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ৩ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস—তাপমাত্রাও বাড়তে পারে, জানালো আবহাওয়া অফিস

    ৩ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস—তাপমাত্রাও বাড়তে পারে, জানালো আবহাওয়া অফিস

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে Bangladesh Meteorological Department। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কয়েকটি বিভাগে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

    রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির এ তথ্য জানান। পূর্বাভাস অনুযায়ী, Mymensingh Division, Chattogram Division এবং Sylhet Division-এর দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।

    এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

    পরবর্তী দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার (২৩ মার্চ) রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় একই ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে। অন্যদিকে দেশের বাকি অংশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে বৃষ্টির পরিধি আরও কিছুটা বাড়তে পারে। এদিন রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৬ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ৩৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এছাড়া মৌসুমি লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যা দেশের আবহাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলছে।

  • শেষরাত থেকে কুয়াশায় ঢাকবে দেশ: সকালের আগে দৃশ্যমানতা কমার সতর্কতা আবহাওয়া অফিসের

    শেষরাত থেকে কুয়াশায় ঢাকবে দেশ: সকালের আগে দৃশ্যমানতা কমার সতর্কতা আবহাওয়া অফিসের

    এবিএনএ: শেষরাত থেকে ভোর ও সকালবেলা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশার প্রভাব বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সকালের দৃশ্যমানতা কমাতে পারে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি আরও কিছু সময় স্থায়ী হতে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাতের তথ্য পাওয়া যায়নি। এ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ২৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে, যার বিস্তার উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে।

  • সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সারাদেশে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও স্বল্প সময়ের জন্য রাত ও দিনের তাপমাত্রায় সামান্য ওঠানামা হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে বিমান চলাচল, সড়ক ও নৌ যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমানে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু এলাকায় এই শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব ধীরে ধীরে কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    পরবর্তী কয়েক দিনে নদী অববাহিকা ও খোলা এলাকায় কুয়াশার প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার নাগাদ রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের শীত ও কুয়াশাজনিত ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

  • আবার কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল! ঘোড়াশালকে কেন্দ্র করে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প

    আবার কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল! ঘোড়াশালকে কেন্দ্র করে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলায় আবারও অনুভূত হয়েছে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভব করেন অনেকেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানায়, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর ঘোড়াশাল, যা আগারগাঁও আবহাওয়া অফিস থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, ভূমিকম্পের ধরণ ছিল মৃদু ও স্বল্পমাত্রার। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি নিশ্চিত করেছে যে, এই কম্পন ঢাকার উত্তর-পূর্ব দিকে আনুমানিক ২৩ কিলোমিটার দূর থেকে সূচিত হয়।

    এর আগে গত শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। যার উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদীতে এবং ভূ-পৃষ্ঠ থেকে গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। সেই ভূমিকম্পে প্রাণহানি ঘটে অন্তত ১০ জনের, আহত হন ছয় শতাধিক মানুষ। ঢাকার বিভিন্ন ভবনে ফাটল দেখা দেয়, কোথাও কোথাও ভবন হেলে পড়ার ঘটনাও ঘটে।

    সেই ঘটনার পরদিন শনিবার আবারও সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে নরসিংদীর পলাশ এলাকায় অনুভূত হয় ৩ দশমিক ৩ মাত্রার নতুন আরেকটি ভূমিকম্প। একই দিন সন্ধ্যায় খুব কাছাকাছি সময়ে অনুভূত হয় আরও দুটি ভূমিকম্প—সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে ঢাকার বাড্ডায় রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭ মাত্রা এবং তার মাত্র এক সেকেন্ড পর নরসিংদীতে উৎপন্ন ৪ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘন ঘন এমন কম্পন ভূ-তাত্ত্বিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। তবে এখনই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। সাধারণ মানুষের মধ্যে হালকা উদ্বেগ থাকলেও বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়ার যায়নি।

    রাজধানীসহ আশপাশের এলাকাবাসী এখন অপেক্ষায়—এই কম্পন কি কেবল সতর্কবার্তা, নাকি আরও বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস? সময়ই বলবে তার উত্তর।