Tag: অর্থনীতি

  • ২০ হাজার কোটি টাকা না পেলে অন্ধকারে দেশ! গ্রীষ্মেই ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা

    ২০ হাজার কোটি টাকা না পেলে অন্ধকারে দেশ! গ্রীষ্মেই ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা

    এবিএনএ:  আসন্ন গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুম সামনে রেখে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ২০ হাজার ১৩৬ কোটি টাকার ভর্তুকি চেয়েছে। তবে এই অর্থ সময়মতো না পেলে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেখানে গড়ে ব্যয় হচ্ছে ১২ টাকার বেশি, সেখানে তা বিক্রি করা হচ্ছে প্রায় ৭ টাকায়। ফলে প্রতিটি ইউনিটে উল্লেখযোগ্য লোকসান গুনতে হচ্ছে, যা ভর্তুকির মাধ্যমে পূরণ করছে সরকার।

    বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের নীতিগত দুর্বলতা ও পরিকল্পনার অসামঞ্জস্য এই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। বিশেষ করে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে দেওয়া ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা কেন্দ্র ভাড়ার চাপ বড় একটি কারণ। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র বছরের বেশিরভাগ সময় অলস থাকলেও চুক্তি অনুযায়ী তাদের অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

    তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় দশকে শুধুমাত্র এই খাতেই বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়েছে। এর পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিও উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য এই ভর্তুকি প্রয়োজন। বিশেষ করে নতুন যুক্ত হওয়া তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে বড় অঙ্কের অর্থ দরকার। এছাড়া বিদেশ থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ আমদানি এবং সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাতেও বিপুল ব্যয় হচ্ছে।

    এদিকে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থার পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর চাপও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভর্তুকির ঘাটতি মেটাতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

    বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে, যা সরাসরি ভোক্তাদের ওপর চাপ তৈরি করবে। অন্যদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বাস্তবতায় দাম সমন্বয় ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

    সব মিলিয়ে, প্রয়োজনীয় ভর্তুকি দ্রুত নিশ্চিত না হলে গ্রীষ্মকালেই দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট ভয়াবহ আকার নিতে পারে—এমন আশঙ্কাই এখন সবচেয়ে বেশি জোরালো হয়ে উঠেছে।

  • খরচ কমাতে কঠোর সিদ্ধান্ত: সরকারি অফিসে জ্বালানি-বিদ্যুৎ ব্যবহারে ৩০% কাটছাঁট

    খরচ কমাতে কঠোর সিদ্ধান্ত: সরকারি অফিসে জ্বালানি-বিদ্যুৎ ব্যবহারে ৩০% কাটছাঁট

    এবিএনএ: সরকারি ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে সরকারি অফিসগুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহারে ৩০ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি যানবাহনের জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণও সমপরিমাণ কমাতে বলা হয়েছে।

    শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি খাতে গাড়ি, জলযান, উড়োজাহাজ এবং কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি যানবাহনে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া জ্বালানির ব্যবহারও ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

    সরকারি কার্যালয়গুলোতে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আবাসিক ভবনের সৌন্দর্যবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া আপাতত নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে, যা ব্যয় কমানোর কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের এই ধরনের ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

  • শেয়ারবাজারে ধসের ছোঁয়া! ১৬ খাতে দরপতন, তবুও বেড়েছে লেনদেন

    শেয়ারবাজারে ধসের ছোঁয়া! ১৬ খাতে দরপতন, তবুও বেড়েছে লেনদেন

    এবিএনএ: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) লেনদেনের শুরুতে কিছুটা ইতিবাচক ধারা থাকলেও দিন শেষে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের মধ্যেই লেনদেন শেষ হয়।

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ খাতেই মূল্যহ্রাস দেখা গেছে। মোট ২১টি খাতের মধ্যে ১৬টিতে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে, যা বাজারে চাপের ইঙ্গিত দেয়।

    দিনের শুরুতে সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় শেয়ারগুলোর দাম কমতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত বাজারজুড়ে দরপতনের প্রবণতা স্থায়ী হয়।

    ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১১টির দাম বেড়েছে, ২৩১টির কমেছে এবং ৫১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা, টেলিযোগাযোগ, ওষুধ ও রসায়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, বস্ত্র, খাদ্য, সিমেন্টসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে দরপতন হয়েছে। অন্যদিকে, সীমিত কয়েকটি খাত—যেমন তথ্যপ্রযুক্তি, সেবা ও আবাসন, করপোরেট বন্ড, কাগজ ও মুদ্রণ এবং চামড়া খাতে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

    এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৩১ পয়েন্টে। এছাড়া শরিয়াহ সূচক কমেছে ৫ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক কমেছে ১৯ পয়েন্ট।

    তবে দরপতনের মধ্যেও লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। দিনশেষে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৭ কোটি টাকা বেশি।

    অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। সিএসসিএক্স সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ২০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২১ পয়েন্ট এবং সিএসই ৩০ সূচক কমেছে ২৬ পয়েন্ট। তবে শরিয়াহ সূচক সামান্য বেড়েছে।

    সিএসইতে মোট ২০৬টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯টির দাম বেড়েছে, ৯৯টির কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    লেনদেনের পরিমাণেও বড় উল্লম্ফন দেখা গেছে। দিনশেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় অনেক বেশি।

    সব মিলিয়ে, শেয়ারবাজারে সূচক ও দরের পতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতার বার্তা দিচ্ছে, যদিও লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি বাজারে কিছুটা সক্রিয়তার ইঙ্গিত বহন করছে।

  • তেলের দামে স্বস্তি দিতে বড় সিদ্ধান্ত: পেট্রল-ডিজেলে শুল্ক কমাল ভারত সরকার

    তেলের দামে স্বস্তি দিতে বড় সিদ্ধান্ত: পেট্রল-ডিজেলে শুল্ক কমাল ভারত সরকার

    এবিএনএ: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেট্রল ও ডিজেলের ওপর আরোপিত শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে।

    সরকারি ঘোষণায় জানানো হয়, প্রতি লিটার পেট্রল ও ডিজেলের ওপর ১০ টাকা করে অন্তঃশুল্ক হ্রাস করা হয়েছে। এর ফলে পেট্রলের শুল্ক ১৩ টাকা থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ৩ টাকায় এবং ডিজেলের ক্ষেত্রে শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    ভোক্তা নাকি কোম্পানি—কে বেশি উপকৃত?

    এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ গ্রাহক সরাসরি কতটা সুবিধা পাবেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই পদক্ষেপ মূলত তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলোর আর্থিক চাপ কমানোর জন্য নেওয়া হয়েছে, কারণ দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে দেশে জ্বালানির দাম স্থির রাখা হয়েছিল।

    এর ফলে এসব কোম্পানি বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ে। শুল্ক কমানোর মাধ্যমে সেই ক্ষতি আংশিক পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    পটভূমি: কেন এই সিদ্ধান্ত

    গত বছর সরকার জ্বালানির ওপর শুল্ক বাড়িয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে চাপ তৈরি হয়। তবুও সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি বোঝা চাপানো থেকে বিরত থাকতে সরকার দাম বাড়ায়নি।

    ভারতের কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, সরকারের সামনে দুটি পথ ছিল—একটি হলো জ্বালানির দাম বাড়ানো, অন্যটি হলো আর্থিক ক্ষতি মেনে নিয়ে জনগণকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে রক্ষা করা। সরকার দ্বিতীয় পথটি বেছে নিয়েছে।

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও সরবরাহ পরিস্থিতি

    মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

    তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি মজুত নিয়ে আশ্বাস

    ভারত সরকার জানিয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। বর্তমান মজুত দিয়ে প্রায় ৬০ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগও জোরদার করা হয়েছে।

    সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ গ্যাস আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে, যা দিয়ে অন্তত এক মাস কোনো সংকট ছাড়াই সরবরাহ বজায় রাখা যাবে।

    বিশ্লেষণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার আপাতত বাজার স্থিতিশীল রাখতে পারবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে জ্বালানির দাম।

  • ঈদের আগে স্বস্তির খবর! একদিনে সোনার দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো ১৫ হাজার টাকা

    ঈদের আগে স্বস্তির খবর! একদিনে সোনার দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো ১৫ হাজার টাকা

    এবিএনএ: ঈদুল ফিতরের ঠিক আগমুহূর্তে স্বর্ণবাজারে বড় ধরনের স্বস্তি মিলেছে ক্রেতাদের। একদিনে দুই দফায় দাম কমিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সব মিলিয়ে প্রতি ভরি সোনার দাম কমেছে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা।

    বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নতুন মূল্য তালিকা বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে সকালেও এক দফা দাম কমানো হয়েছিল।

    সর্বশেষ নির্ধারিত দামে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা এখন বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়। যা সকালে ছিল প্রায় ২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা এবং আগের দিন ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা।

    প্রথম দফায় সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া ঘোষণায় প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানো হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় আরও বড় পরিমাণে দাম কমানো হয়।

    বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে খাঁটি (পিওর) সোনার দর কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। ফলে নতুন করে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দরে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    শুধু সোনাই নয়, রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে চলতি মাসের শুরুতে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে যায়। তবে পরবর্তীতে দর ওঠানামার ধারাবাহিকতায় এখন কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামও কমেছে। সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, প্রতি আউন্স সোনার দাম নেমে এসেছে ৪ হাজার ৬৮০ ডলারে, যা আগের দিন ৫ হাজার ডলারের ওপরে ছিল।

    উল্লেখ্য, গত জানুয়ারির শেষ দিকে বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে দেশের বাজারেও রেকর্ড দামে পৌঁছেছিল সোনা। তখন এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল।

  • প্রত্যর্পণ নিয়ে বার্তা দিলেন তারেক: শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আইনি পথে

    প্রত্যর্পণ নিয়ে বার্তা দিলেন তারেক: শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আইনি পথে

    এবিএনএ: সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে; কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না।

    শনিবার বিকেলে ঢাকার শাহবাগ এলাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান নতুন সরকারের সামনে থাকা বড় চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন। তার ভাষ্য, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও পুঁজি সংকট কাটানোই সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। ব্যাংকিং খাতে তারল্য জোরদার, ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে দ্রুত সংস্কার শুরু হবে। পাশাপাশি নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব ও সুশাসন ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    তরুণদের পাশাপাশি প্রবীণ, নারী ও প্রতিবন্ধীদের চাহিদা নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব পাবে জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন থাকবে। আঞ্চলিক কূটনীতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক-কে আবার কার্যকর করতে বাংলাদেশ উদ্যোগী ভূমিকা নেবে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে সংলাপ জোরদার করা হবে।

    বিদেশি বিনিয়োগ ও চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ-এর মতো যেকোনো আন্তর্জাতিক উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আগে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। উদ্যোগটি দেশের অর্থনীতিতে বাস্তব সুফল আনলে তবেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ের পেছনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছিল জনগণের আস্থা অর্জন—মানুষকে বিশ্বাসে আনা। সেই জায়গাতেই দল সফল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং নতুন সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বার্তা দেন।

  • ক্ষমতায় ফেরার পর সামনে কঠিন বাস্তবতা: অর্থনীতি সচল ও আইনশৃঙ্খলা ফেরানোই বড় চ্যালেঞ্জ—মির্জা ফখরুল

    ক্ষমতায় ফেরার পর সামনে কঠিন বাস্তবতা: অর্থনীতি সচল ও আইনশৃঙ্খলা ফেরানোই বড় চ্যালেঞ্জ—মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: আগামী সরকার দায়িত্ব নিলে অর্থনীতি সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির লাগাম টানাই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা—এমন মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিএনপি মহাসচিবের ভাষ্য, দেশের অর্থনৈতিক গতি ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্রিয় ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতে না পারলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নিলে রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি উৎসবমুখর ও তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার মতে, বহু ত্যাগ ও রক্তক্ষয়ের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যোগ করেছে।

    তবে এই সাফল্যের মাঝেও বেদনার কথা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এই ঐতিহাসিক বিজয় দেখে যেতে পারেননি—এটি দলের জন্য গভীর বেদনার বিষয়।

    গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলেই দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে। ভোটের সংস্কৃতি নিয়মিত ও গ্রহণযোগ্যভাবে চালু থাকলে জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হওয়া এবং দলটির ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির আলোকে পরবর্তী সময়ে দলটির ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত হবে, তা নির্ধারিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

  • রমজানে বাজারে স্বস্তির বার্তা: পণ্যের টান নেই, চাঁদাবাজি ঠেকাতে পারলেই দাম থাকবে নিয়ন্ত্রণে

    রমজানে বাজারে স্বস্তির বার্তা: পণ্যের টান নেই, চাঁদাবাজি ঠেকাতে পারলেই দাম থাকবে নিয়ন্ত্রণে

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিয়ে স্বস্তির খবর দিলেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের ভাষ্য, ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল ও পেঁয়াজসহ রোজাকেন্দ্রিক পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত দেশে রয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে রমজানে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নেই। তবে পরিবহন ও সরবরাহের বিভিন্ন ধাপে চাঁদাবাজি ও অবৈধ আদায় বন্ধ করা না গেলে বাজার স্থিতিশীল রাখা কঠিন হতে পারে।

    এফবিসিসিআইয়ের মতিঝিল কার্যালয়ে নিত্যপণ্যের আমদানি, মজুত, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় খুচরা ও পাইকারি বাজারের প্রতিনিধিরা এসব কথা জানান। তাঁদের মতে, প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা বাজার অস্থির করেন না; বরং বড় আমদানিকারক ও করপোরেট পর্যায়ে নজরদারি জোরদার হলে সরবরাহে শৃঙ্খলা ফিরবে। একই সঙ্গে বাজার তদারকির নামে খুচরা ব্যবসায়ীদের হয়রানি না করার অনুরোধও জানান তারা।

    চিনি ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা বলেন, মিল পর্যায়ে সরবরাহ নির্বিঘ্ন থাকলে চিনির সংকট হবে না। সরকারি উদ্যোগে আমদানি বাড়লে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক দামে চিনি বিক্রি সম্ভব হবে। ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বড় শিল্পগোষ্ঠী ও আমদানিকারকদের কার্যক্রমে নিবিড় নজরদারির দাবি ওঠে।

    শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা জানান, রমজানের অতিরিক্ত চাহিদা সামাল দিতে ভোজ্যতেল ও চিনির মজুত প্রস্তুত রয়েছে। তবে নির্বাচনঘেঁষা ছুটির কারণে বন্দরে খালাস ও পরিবহনে সাময়িক চাপ তৈরি হতে পারে—এটি সামাল দিতে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। কাঁচাবাজার বণিকদের মতে, লেবু ছাড়া অধিকাংশ শাকসবজির দাম বর্তমানে স্বাভাবিক পর্যায়ে আছে।

    এফবিসিসিআই প্রশাসক বলেন, রোজা শুরুর সময়টি নির্বাচনের পরপর হওয়ায় বাজার ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। ভোক্তার স্বার্থে সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখা ও তদারকিতে ভারসাম্য বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা দরকার।

    অন্যদিকে বাজার বিশ্লেষকদের আশঙ্কা—জ্বালানি সরবরাহে চাপ ও প্রশাসনিক রূপান্তরের সময়ে তদারকিতে শৈথিল্য তৈরি হলে সুযোগ নিতে পারে অসাধু চক্র। তাই রমজানজুড়ে সমন্বিত নজরদারি, সরবরাহে বাধা দূর করা এবং অবৈধ আদায় বন্ধ করাই বাজার স্থিতিশীল রাখার প্রধান চাবিকাঠি।

  • রমজানে ভোজ্যতেলের বাজারে স্বস্তি: কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আসছে পৌনে ৩ কোটি লিটার সয়াবিন

    রমজানে ভোজ্যতেলের বাজারে স্বস্তি: কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আসছে পৌনে ৩ কোটি লিটার সয়াবিন

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট রোধ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিকভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কানাডার একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় পৌনে ৩ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি করা হবে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫৭ কোটি ৬২ হাজার ১০০ টাকা। টিসিবির গুদাম পর্যন্ত সব খরচ যোগ করে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম দাঁড়াবে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা।

    সূত্র জানায়, কানাডার এনএসআরআইসি গ্রিন সাপ্লাইস ইনকরপোরেটেড (উৎস দেশ ব্রাজিল) থেকে এই তেল সংগ্রহ করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত দুই লিটার পেট বোতলে প্রতি লিটার তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা।

    সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সয়াবিন তেল খোলাবাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় কম দামে বিক্রি করা হবে। ফলে এ খাতে সরকারের কোনো ভর্তুকির প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

    এর আগে চলতি মাসের ৬ জানুয়ারি থাইল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আরও ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, যার লিটারপ্রতি মূল্য ছিল ১৬২ টাকা ৬৩ পয়সা।

  • শীর্ষ ব্যবসায়ী-শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

    শীর্ষ ব্যবসায়ী-শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

    এবিএনএ: দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু ।

    বৈঠকের শুরুতে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতাদের পরিচয় তুলে ধরেন। আলোচনায় দেশের শিল্প, বিনিয়োগ পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিএসআরএমের চেয়ারম্যান আলী হোসেন আকবর আলী, স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফা কামাল, প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরীসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

    এছাড়া বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, এমসিসিআই, বিসিআই, ডিসিসিআইসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতারাও বৈঠকে অংশ নেন। ব্যাংকিং, স্টিল, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ওষুধ শিল্প এবং অটোমোবাইল খাতের প্রতিনিধিত্বও ছিল চোখে পড়ার মতো।

    বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরেন এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও গতিশীল করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং ভবিষ্যতে অর্থনীতি-বান্ধব নীতির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    রাজনৈতিক অঙ্গনে এই বৈঠককে আসন্ন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।