Category: লিড নিউজ

  • রিজার্ভ চুরি আরো ৪৩ লাখ ডলার ফেরত দিলেন কিম অং

    রিজার্ভ চুরি আরো ৪৩ লাখ ডলার ফেরত দিলেন কিম অং

    এবিএনএ : বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের আরো ৪৩ লাখ ডলার (২০০ মিলিয়ন পেসো) ফিলিপাইনের মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ কাউন্সিল-এএমএলসিকে ফেরত দিয়েছেন দেশটির ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কাম সিন অং ওরফে কিম অং।

    মঙ্গলবার ফিলিপিন্সের সিনেট কমিটির শুনানিতে এএমএলসির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া বাকে আবাদ জানান, সোমবার তার কোম্পানি ইস্টার্ন হাওয়াই লেইজার কোম্পানি লিমিটেড এই অর্থ ফেরত দিয়েছে।

    জুলিয়া বাকে আবাদ বলেছেন, এটা বাংলাদেশের জনগণের কাছে পাঠানো হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের সিনেটে ষষ্ঠবারের মতো শুনানি চলছে।

    কিম অংয়ের পক্ষ থেকে এর আগে গত ৩১ মার্চ ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং ৪ এপ্রিল আট লাখ ৩০ হাজার ৫৯৫ ডলার এএমএলসিকে ফেরত দেয়া হয়।

    এনিয়ে এই ক্যাসিনো জাঙ্কেট এজেন্টের কাছ থেকে মোট ৯৮ লাখ ডলার ফেরত এসেছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে সঞ্চিত বাংলাদেশের অর্থ থেকে হাতিয়ে নেওয়া অর্থের মধ্যে প্রায় দুই কোটি ১৫ লাখ ডলার অংয়ের কোম্পানিতে গিয়েছিল।

    এর মধ্যে ৪৫০ মিলিয়ন পেসো শুহুয়া গাও নামে এক চীনা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ধার পরিশোধ হিসেবে পেয়েছিলেন বলে দাবি কিম অংয়ের। এই অর্থ ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অং।

    অংয়ের ভাষ্যমতে, বেইজিংয়ের শুহুয়া গাও এবং ম্যাকাওয়ের ডিং জিজের নামে দুজন জালিয়াতির মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐ অর্থ ফিলিপাইনে নিয়েছিলেন।

    কিম অং বলেন, তার হাতে আসা অর্থের বাকি ৫৫০ মিলিয়ন পেসো জুয়ার টেবিলে গিয়েছিল। তার মধ্যে ৫১০ মিলিয়ন পেসো মিডাস হোটেল ও ক্যাসিনোয় হার হয়েছিল।

    মিডাস হোটেল অ্যান্ড ক্যাসিনো এবং সোলাইরি রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোর অপারেটরদের প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি যাওয়া অর্থের অংশ ফেরত দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিপাইনের সিনেটররা।

    এএমএলসি কিছু অর্থ উদ্ধার করতে পারলেও তা বাংলাদেশের হাতে আসতে ‘কিছুটা সময় লাগবে’ বলে জানিয়েছেন ম্যানিলায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ।

    কিম অংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৮১ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৬৩ মিলিয়ন ডলারই এই দুই ক্যাসিনোয় ঢুকেছিল। বাকি ১৭ মিলিয়ন ডলার মুদ্রা বিনিময়কারী সংস্থা ফিলরেমের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে সংস্থাটি এই দাবি অস্বীকার করেছে।

  • খালেদা জিয়ার দুই আবেদন হাইকোর্টে

    খালেদা জিয়ার দুই আবেদন হাইকোর্টে

    এবিএনএ : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুই আবেদন জমা নিয়েছেন আদালত।

    আগামীকাল বুধবার আবেদন দুটির শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আবেদন দুটি হলো : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা স্থগিত ও এই মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা হারুন-অর-রশীদের পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের বিষয়ে নিম্ন আদালত যে আদেশ দিয়েছেন তা বিরুদ্ধে রিভিশন।

    খালেদার আবেদন দুটি আজ মঙ্গলবার আদালতে জমা দিতে যান তার উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার জাকির হোসেন। এ সময় দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান রুবেল। পরে দুদকের আইনজীবী বলেন, খালেদা জিয়ার আবেদন দুটি আদালত জমা নিয়েছে। আগামীকাল শুনানির জন্য কার্যতালিতায় আসবে। একই কথা বলেছেন খালেদার আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই মামলার অপর আসামিরা হলেন : খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

  • ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১৩

    ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১৩

    এবিএনএ : ইকুয়েডরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১৩ জন হয়েছে। রবিবার দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে রিখটার স্কেলে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পের পরে এখনো উদ্ধার কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।

    ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরিয়া জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে বিলিয়ন ডলারের বেশি লাগবে। গত সাত দশকে ইকুয়েডরের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই দুর্যোগটি এমন সময় দেশটিতে আঘাত হানলো যখন জ্বালানি তেল উৎপাদক দেশটি তেলের দাম কমে যাওয়ায় অর্থনৈতিক ভাবে ধুকছে।

    এদিকে সোমবার উপকূলীয় শহর মানতা থেকে দুটি মেয়ে, একটি তিন বছর ও একটি নয় মাসের শিশু সহ ছয়জনকে বিধ্বস্ত হোটেলের ধ্বংস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

  • কাওরান বাজারের অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধার, গ্রেফতার ৫

    কাওরান বাজারের অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধার, গ্রেফতার ৫

    এবিএনএ : রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা থেকে অপহৃত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এই ঘটনায় র‌্যাব পাঁচ অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে।

    র‌্যাব সদর দফতরের মিডিয়া শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান জানান, কয়েকদিন আগে কাওরান বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীরকে তারই পরিচিতজনরা অপহরণ করে তেজগাঁ শিল্পাঞ্চল এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রাখে। পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার বিকালে অভিযান চালিয়ে আলমগীরকে উদ্ধার করা হয়।

  • ‘তিন বছরেই পাল্টে যাবে রাজধানীর চেহারা’

    ‘তিন বছরেই পাল্টে যাবে রাজধানীর চেহারা’

    এবিএনএ : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, ‘আগামী তিন বছরের মধ্যে রাজধানীকে বদলে দেওয়া হবে।’

    সোমবার রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তাসংলগ্ন নবনির্মিত একটি আধুনিক গণশৌচাগারের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

    আনিসুল হক বলেন, ‘আমি নির্বাচনে দাঁড়ানোর সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম ঢাকাকে বদলে দেবার। তারই ধারাবাহিকতায় কাজ শুরু হয়েছে। আশা করি আগামী ৩ বছরের মধ্যে ঢাকাকে নতুন রূপে দেখতে পারবে নগরবাসী।’

    গণশৌচাগারের উদ্বোধন করে মেয়র বলেন, ‘এই গণশৌচাগার চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে আর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। এই রকম আধুনিক গণশৌচাগার জায়গা পেলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় স্থাপন করা হবে।’

    এ সময় তিনি নগরবাসীদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই গণশৌচাগার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব আপনাদের। আমি আশা করবো এর যথাযথ ব্যবহার করা হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে মহানগরীতে এরকম চারটি টয়লেট হয়েছে এবং ১৪ টির নির্মাণ কাজ চলছে। সব মিলিয়ে মোট ১০০টি টয়লেট করা হবে।’

    নগরজুড়ে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘জনগণের স্বার্থে নগরে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এখন মানুষের একটু কষ্ট হচ্ছে। তবে কাজ শেষে কষ্ট কমে আসবে। তবে বর্ষার আগে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর বৃষ্টি মৌসুমে নগরীতে জলাবদ্ধতার ভোগান্তি কমবে।’

  • এ সপ্তাহের মধ্যেই সব পর্নো সাইট বন্ধ

    এ সপ্তাহের মধ্যেই সব পর্নো সাইট বন্ধ

    এবিএনএ : এ সপ্তাহের মধ্যেই বাংলাদেশে সব পর্নো সাইট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম।

    আজ সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফাইড করা ফেসবুক পেজে এক ব্যক্তির কমেন্টের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

    এম এ আমিন খান নামে ওই ব্যক্তি তারানা হালিমের করা একটি পোস্টে কমেন্ট করেন। কমেন্টে তিনি লেখেন, ‘আপা, পর্নোগ্রাফির সাইটগুলো বন্ধ করে দেন। এ বিষয়ে আপনারা আইন করেছেন। এখন এসব সাইটগুলো বন্ধ করাটাও খুব জরুরি। যুব সমাজকে পর্নোগ্রাফির ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে তাদের কাছে তথ্য-প্রযুক্তির সুফল পৌঁছাবে না।’

    এই কমেন্টের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘আমরা এই সপ্তাহের মধ্যেই সকল পর্নোগ্রাফিক সাইট বন্ধ করে দেব।’

    প্রতিমন্ত্রীর এ ঘোষণার পর আমিন খান ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেন, আপনার জন্যে দোয়া করতে ১০ রাকাত নামাজ মানত করলাম। আল্লাহ আরো বেশি করে আপনাকে কাজ করার সামর্থ্য দিক। জয় বাংলা।’

  • সাংবাদিক পরিচয় দেয়া ডিবির কৌশলের অংশ : আইজিপি

    সাংবাদিক পরিচয় দেয়া ডিবির কৌশলের অংশ : আইজিপি

    এবিএনএ : গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কৌশলের অংশ হিসেবে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও উপস্থাপক শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের সময় গণমাধ্যমের পরিচয় দেয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।

    সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ক্রিমিনোলজি বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত বর্ষবরণ ১৪২৩ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

    শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের সময় ডিবি পুলিশ সাংবাদিক পরিচয়ে প্রবেশ করেছিল এমন অভিযোগ উঠেছে। ডিবি পুলিশের এমন অভিনব পরিচয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে এক সাংবাদিক আইজিপির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডিবি পুলিশ গোয়েন্দা কৌশলের অংশ হিসেবে স্থানভেদে হকার, ফকিরসহ নানা ছদ্মবেশ ধারণ করেন। শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে এমন কৌশলই নিয়েছিল ডিবি পুলিশ।’

    সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেন আইজিপি।

    উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল বেসরকারি টেলিভিশন বৈশাখী টিভির পরিচয়ে ডিবি পুলিশ শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করে। সেসময় তাৎক্ষনিকভাবে জানতে চাইলে ডিএমপির মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ডিবি পুলিশ গণমাধ্যমের পরিচয় দেয় নি। ডিবি পুলিশ সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করেছে।

    এর আগে তিনি ক্রিমিনোলজি বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত বর্ষবরণ ১৪২৩ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিক (শফিক রেহমান) গ্রেফতারে মিডিয়ায় কথা বলাই উচিত নয়। বিষয়টি নিয়ে মামলা হয়েছে। মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়েছেন। বিষয়টি এখন তদন্তাধীন। অথচ সাংবাদিকতার নৈতিকতা ভুলে তদন্তাধীন বিষয় নিয়ে টকশোতে ঝড় উঠছে। সব কিছু তারাই বলে দিচ্ছেন। গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, গণমাধ্যমে যা ইচ্ছে তাই লেখা হচ্ছে। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও লেখা হচ্ছে। ওয়েবসাইট বানিয়ে খেয়ালখুশি মতো লিখছেন সাংবাদিকরা। এসবের নিয়ন্ত্রণ দরকার।

  • ‘প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি বিচার পাবে না?’

    ‘প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি বিচার পাবে না?’

    এবিএনএ : গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, এ দেশে প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি কেউ বিচার পাবে না? তনুর বাবা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বলে কি তাঁর বিচার পাওয়ার অধিকার নেই? আজ সোমবার বেলা দুইটার দিকে ইমরান তাঁর ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে একথা বলেন।

    গতকাল রবিবার ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা এবং তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের ইস্যুতে ইমরান এইচ সরকারকে ‘সুবিধাবাদী ও মিথ্যাবাদী’ বলে মন্তব্য করেন। ইমরানকে সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতেও বলেন তিনি। জয়ের ওই স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে আজ এই স্ট্যাটাস দেন ইমরান।

    ইমরান তার স্ট্যাটাসে বলেছেন, ‘এ বছরের প্রথম তিন মাসেই দেশে প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি মানুষ খুন হয়েছে। কেউ কি বলতে পারবেন যে এর একটি ঘটনারও বিচার হয়েছে? কেন, এ দেশে প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি কেউ বিচার পাবে না?

    ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা আর ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধার কথা বলতে গিয়ে সম্ভবত আমার নিজের মত প্রকাশের স্বাধীনতাই আজ হুমকির মুখে। কী ভয়াবহ ব্যাপার! আমি আমার স্ট্যাটাসে পরিষ্কার লিখেছি—আমি শফিক রেহমানের রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে একমত নই। এমনকি আমি স্ট্যাটাসের কোথাও তাঁর মুক্তির কথাও বলিনি। তাতেই যেভাবে আক্রমণ হচ্ছে, খুব সহজেই অনুমান করা যায় ভিন্নমতের প্রতি সমাজে কতটুকু শ্রদ্ধা বিদ্যমান।এ দেশে খুব গৎবাঁধা কিছু কথা বলা হয়।

    একটা খুনের বিচার চাইতে গেলেই কেউ কেউ বলে “অমুক এটা করত” আপনি খুনের বিচার চেয়ে তার সেই কাজকে সমর্থন করলেন! কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বললেও একই প্রশ্ন। কারও সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করেও যে তার অধিকারের জন্য লড়াই করা যায়, সরল এই বিষয়টি সমাজ থেকে একদম হারিয়ে যাচ্ছে। কোনো খুনের বিরুদ্ধে কিংবা কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়ানো মানে যে তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া নয়, এই বোধটুকুও আমরা হারিয়ে ফেলছি।’

    ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘আমাদের এ দেশের সাধারণ নাগরিকদের সম্ভবত আরেকটু সজাগ হওয়ার দরকার আছে। আমি দেখতে পাচ্ছি, প্রতিপক্ষের প্রতি যেকোনো অবিচার হলে আমরা প্রত্যেকে হাততালি দিই। আর এটাই কিন্তু আমার, আপনার সবার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। দেখানো হচ্ছে দেখো, একে গ্রেপ্তার, হত্যা, গুম করলে কিংবা শক্তি প্রয়োগ করে মুখ বন্ধ করিয়ে দিলে কত মানুষ খুশি হয়, তাই আমরা যা করেছি ঠিক করেছি। একবার ভেবে দেখুন, আমার/আপনার হাততালি আমার/আপনার বিরুদ্ধেই ব্যবহার হলো! আমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে ঘটা অন্যায়গুলো এভাবেই প্রতিপক্ষের হাততালির আড়ালে স্বীকৃত করে নেওয়া হচ্ছে। ফলস্বরূপ আমরা সকলেই অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছি। যখন দেখতে পাচ্ছি, নানাভাবে একের পর এক মানুষের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে এবং সেগুলো বিভিন্ন উপায়ে জাস্টিফাই করা হচ্ছে, তখন জেনে গেছি এই দানব আসলে আমার দিকেই আসছে; আমাদের সবার দিকেই আসছে! তাই আমরা যদি পক্ষ-বিপক্ষ ভুলে এই দানবীয় শক্তির বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়াই, আমাদের বাকরুদ্ধ রেখে রিজার্ভ লুটের মতো সবকিছু লুট হতে থাকবে, আমাদের কিছুই করার থাকবে না।’

    ইমরান বলেন, আর আমার ফেসবুক? এটা তো জনতার গণমাধ্যম! আমার ফেসবুক সমাজের নির্যাতিত, বঞ্চিত, অসহায় মানুষের পক্ষে কথা বলে। সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। ভলতেয়ারের লেখা আমার প্রিয় কয়েকটি লাইন দিয়ে শেষ করছি…‘আপনার সঙ্গে আমি একমত হতে পারব না কিন্তু আমার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করার যে অধিকার আপনার আছে, সে অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রয়োজন হলে আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত।’

  • বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের নাম ঘোষণা

    বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের নাম ঘোষণা

    এবিএনএ : কাউন্সিলের ২৯ দিন পর বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ২০ জন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে ঘোষণা হয়েছে কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের নামও।

    নতুন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অধিকাংশই নতুন। এদের মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ছেলেও রয়েছেন।

    পুরনোদের মধ্যে আবদুস সালাম আজাদ ও আবদুল মোমেন তালুকদার খোকাই শুধু নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন।

    সোমবার বিকালে নয়া পল্টনে দলের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া অনুমোদিত নামগুলো ঘোষণা করেন নতুন কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    এনিয়ে মহাসচিব, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, কোষাধ্যক্ষ, সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোট ৪২ জনের নাম ঘোষণা হল।

    নতুন সৃষ্ট বিভাগ কুমিল্লার সাংগঠনিক সম্পাদক পদে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন পেয়েছেন লাকসামের সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আনোয়ারুল আজীম। অন্য বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের নাম আগেই ঘোষণা হয়।

    নতুন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন- ঢাকা বিভাগে আবদুস সালাম আজাদ ও শহীদুল ইসলাম বাবুল, চট্টগ্রাম বিভাগে মাহাবুবুর রহমান শামীম ও আবুল হাশেম বক্কর, রাজশাহী বিভাগে আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা ও শাহীন শওকত।

    খুলনা বিভাগে অনিন্দ্র ইসলাম অমিত ও জয়ন্ত কুণ্ডু, বরিশাল বিভাগে আখন কুদ্দুস ও মাহবুবুল হক নান্নু, সিলেট বিভাগে দিলদার হোসেন সেলিম ও কলিম উদ্দিন মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন।

    রংপুর বিভাগে শামসুজ্জামান ও সৈয়দ জাহাঙ্গীর হোসেন, কুমিল্লা বিভাগে মোশতাক মিয়া ও আবদুল আউয়াল খান, ময়মনসিংহ বিভাগে শরীফুল আলম ও ওয়ারেস আলী মামুন, ফরিদপুর বিভাগে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম ও সেলিমুজ্জামান সেলিম সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।

    শহীদুল ইসলাম বাবুল ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, মাহাবুবুর রহমান শামীম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ-চাকসুর সাবেক এজিএস।

    গত কমিটিতে জয়ন্ত কুণ্ডু সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। কলিম উদ্দিন মিলন ও মাহবুবুল আলম নান্নু, আখন্দ কুদ্দুস, শাহীন শওকত নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।

    অনিন্দ্র দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ছোট ছেলে। তিনি খুলনা বিভাগের দায়িত্ব পেলেন।

    বিএনপির কাউন্সিল উদ্বোধনে খালেদা জিয়া; এর ২৯ দিন পর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের নাম ঘোষণা হল বিএনপির কাউন্সিল উদ্বোধনে খালেদা জিয়া; এর ২৯ দিন পর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের নাম ঘোষণা হল কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শরীফুল আলম এবং জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুনকে এবার ময়মনসিংহ বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে এলেন।
    কুমিল্লা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক মোশতাক মিয়া এবং মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল খান সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন।

    রংপুরের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে জাহাঙ্গীর দিনাজপুরের পৌর মেয়র এবং শামসুজ্জামান নীলফামারী জেলা সাধারণ সম্পাদক।

    গত ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের ১০ দিন পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মহাসচিব, রুহুল কবির রিজভীকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মিজানুর রহমান সিনহাকে কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ দেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

    এর কয়েক দিন পর যুগ্ম মহাসচিব ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের নাম ঘোষণা করা হয় একইভাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে।

    দলের গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী কমিটি এবং সম্পাদকমণ্ডলীর অন্য সদস্যদের নাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

  • রিজার্ভ চুরি: ২০ বিদেশী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন শনাক্ত

    রিজার্ভ চুরি: ২০ বিদেশী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন শনাক্ত

    এবিএনএ : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় জড়িত ২০ বিদেশীকে শনাক্ত করেছে সিআইডি। এদের অধিকাংশই শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনের নাগরিক। এর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তাও জড়িত রয়েছেন।

    সোমবার মালিবাগে সিআইডির কার্যালয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. শাহ আলম এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে এই চুরি সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিআইজি জানান, এই চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের বড় একটি অংশের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের এই দায়িত্ব অবহেলা ফোজদারি অপরাধ কিনা, সেটা খুঁজে বের করতে আরও কিছু সময় লাগবে। মো. শাহ আলম জানান, ১০ দিনের তদন্ত শেষে সিআইডির দু’টি দল শ্রীলংকা ও ফিলিপাইন থেকে ফেরত এসেছে। সোমবার মোবাইলে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রামীণ ফোনের এক কর্মকর্তাসহ ছয়জনকে গ্রেফতারের পর সিআইডি এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে। উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের মোট ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে ফিলিপাইনে যায় ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ফিলিপাইন থেকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আর বাকি দুই কোটি ডলার যায় শ্রীলংকায়। শ্রীলংকায় যাওয়া অর্থ বাংলাদেশকে ফেরত দেয়া হয়েছে।