Category: ধর্ম

  • বিজয়া দশমী আজ, বাজছে বিদায়ের সুর

    বিজয়া দশমী আজ, বাজছে বিদায়ের সুর

    এবিএনএ : প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ শনিবার শেষ হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। দুর্গোৎসবের চতুর্থ দিন গতকাল শুক্রবার মহানবমীর সন্ধ্যায় আরতি শেষে দেবীর বন্দনায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে বিষাদের সুর বাজতে শুরু করে।

    আজ মা দুর্গার বিদায়
    মহানবমীতে গতকাল পূজা শুরু হয় সকাল সাড়ে ৬টায়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় আরতি প্রতিযোগিতা। দিনভর চলেছে চণ্ডীপাঠ আর ভক্তদের কীর্তনবন্দনা। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মহানবমীতে বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপে ছিল ভক্ত ও দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভিড়। নবমী পূজা শেষে অশ্রুসজল নয়নে ভক্তরা দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার পায়ে অঞ্জলি দিয়েছে।

    হিন্দু শাস্ত্র মতে, নবমী তিথিতে রাবণ বধের পর শ্রী রামচন্দ্র এই পূজা করেছিলেন। নীলকণ্ঠ ফুল, যজ্ঞের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় নবমী বিহিত পূজা। নবমী পূজার মাধ্যমে মানবকুলে সম্পদলাভ হয়।

    শাস্ত্র অনুযায়ী গতকাল শাপলা, শালুক ও বলিদানের মাধ্যমে দশভুজা দেবীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    পূজা শুরুর পর ভক্তরা প্রার্থনা করতে থাকে দেবীর উদ্দেশে। নীল অপরাজিতা ফুল নবমী পূজার বিশেষ অনুষঙ্গ। নবমী পূজায় যজ্ঞের মাধ্যমে দেবী দুর্গার কাছে আহুতি দেওয়া হয়। ১০৮টি বেল পাতা, আম কাঠ, ঘি দিয়ে এই যজ্ঞ করা হয়। পূজা শেষে যথারীতি অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ মা দুর্গার বিদায়। তাই গতকাল শেষবারের মতো দেবীর আশীর্বাদ কামনায় নারী, পুরুষ, শিশু-কিশোর সব বয়সের ভক্ত নিবিষ্ট মনে প্রার্থনা করে। প্রতিটি মণ্ডপেই কয়েক দফা করে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া হয়। বিদায়বেলায়ও চলেছে ঢাক আর শঙ্খধ্বনি, টানা মন্ত্র পাঠ, উলুধ্বনি, অঞ্জলি, ঢাকের বাজনার সঙ্গে ছিল ধুনচি নৃত্য। সন্ধ্যায় আরতির পাশাপাশি মণ্ডপে মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    অষ্টমীর রাত থেকে শুরু হয়ে নবমীর সারা দিনই কম-বেশি বৃষ্টি ছিল। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মণ্ডপে মণ্ডপে ছিল ভক্ত ও দশনার্থীর ভিড়। শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় ঢাকেশ্বরী ও রামকৃষ্ণ মন্দিরের পাশাপাশি রাজধানীর রমনা কালীমন্দির, বনানী পূজামণ্ডপ, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, স্বামীবাগ লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম, ধানমণ্ডি কলাবাগান মাঠ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, বাংলাবাজার পূজা কমিটি, নর্থব্রুক হল রোড, প্রতিদ্বন্দ্বী, তাঁতীবাজার পূজা কমিটি, শঙ্ঘমিত্র শাঁখারীবাজার, পানিটোলা, বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান কমিটি, হাজারীবাগ সুইপার কলোনি, গৌতম মন্দির, ভোলাগিরি আশ্রম, রাধাবল্লভ জিউ বিগ্রহ মন্দির, বৃহত্তর মিরপুর সর্বজনীন পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ, বাসাবো বালুর মাঠের আয়োজনে ভিড় ছিল বেশি। এই ভিড় সামলাতে পুলিশ-র‌্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ করা গেছে।

    বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল সাড়ে ৭টায় রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনে দশমী পূজা শুরু হবে। সকাল ৯টা ৫১ মিনিটের মধ্যে পূজা সমাপন ও দর্পণ বিসর্জন করা হবে। সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জন ও শান্তিজল গ্রহণ। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বিকেল ৩টায় বিজয়া শোভাযাত্রা বের হবে, যা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করবে। এরপর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

    সনাতন বিশ্বাস ও বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার মর্তলোকে (পৃথিবী) আসেন নৌকায় চড়ে; যার ফল হচ্ছে অতি বৃষ্টি ও শস্য বৃদ্ধি। আর মা দুর্গা স্বর্গলোকে বিদায় নেবেন ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে, যার ফল হচ্ছে রোগ-ব্যধি বাড়বে ও ফসল নষ্ট হবে। তবে এ প্রসঙ্গে ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দ বলেন, ফলাফল যাই হোক মা মঙ্গলময়ী, আনন্দময়ী। তিনি জগতের কল্যাণ করেন। তিনি সন্তানের কল্যাণই করবেন।

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাশাপাশি বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। তা ছাড়া জাতীয় দৈনিকগুলোতেও থাকবে বিশেষ নিবন্ধ।

    সারা দেশে এবার পূজামণ্ডপের সংখ্যা ৩০ হাজার ৭৭। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২৯ হাজার ৩৯৫। গতবারের চেয়ে এবার ৬৮২টি বেশি মণ্ডপ হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় এবার পূজা হচ্ছে ২৩১টি মণ্ডপে, গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২২৯। এবার সবচেয়ে বেশি পূজামণ্ডপ হয়েছে চট্টগ্রামে। সেখানে এক হাজার ৭৬৭টি মণ্ডপে পূজা হচ্ছে। এর পরে দিনাজপুরে এক হাজার ২৪২টি এবং গোপালগঞ্জে এক হাজার ১৭৫টি মণ্ডপে পূজা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিশ্চিত করেছেন।

  • তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার

    তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার

    এবিএনএ : শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে (ছুরি, কাঁচি) বের হওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি)  আছাদুজ্জামান মিয়া। এছাড়া শোভায়াত্রায় ঢাল, শরকি, দা, বল্লভ ব্যবহার করা যাবে না বলে জানান তিনি।আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুরান ঢাকার হোসেনী দালানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শকালে ডিএমপি কমিশনার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আগামী রোববার ১০ মহররম তাজিয়া মিছিলের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।ডিএমপি কমিশনার জানান, প্রত্যেকটি ইমামবাড়া সিসিটিভির আওতায় থাকবে। প্রতিটি গেটে থাকবে আর্চওয়ের ব্যবস্থায়। ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে হলে আর্চওয়ের মধ্য দিয়ে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে।  আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ইতোমধ্যে কোনো কোনো ইমামবাড়া থেকে শোভাযাত্রা হচ্ছে। ১০ মহররমকে ঘিরে বড় তাজিয়া মিছিল হবে। সেদিকে নিরাপত্তার জন্য আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।নিরাপত্তা জোরদারের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ইমামবাড়া সুইপিং করা হবে। আমাদের স্পেশাল ব্যাঞ্চ, ডিএমপির  ডগ স্কোয়াড এবং র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। আমরা তাজিয়া মিছিলকে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার বলয়ের মধ্যে নিয়ে আসব।ডিএমপি কমিশনার বলেন, বিভিন্ন রুটে আমাদের রুটটপ, ব্যারিকেড ব্যবস্থাপনা, পিকেট ব্যবস্থাপনা থাকবে। এ ব্যাপারে কাজ করছে আমাদের সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ। যেকোনো অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা কাজ করছে। মিছিলের আগে-পিছে পুলিশ থাকবে। মিছিলের চিত্র ধারণ করার জন্য ক্যামেরা থাকবে। কারবালায় থাকবে ডুবুরি, ফায়ার সার্ভিস।আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, মিছিলটা যেন সময় মত শুরু হয় সেজন্য আমরা আয়োজকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করেছি। আশা করি নির্দিষ্ট সময়ে মধ্যে মিছিলটি শুরু এবং শেষ করতে পারব। এবার শারদীয় দুর্গাপূজার সঙ্গে আশুরা এক সঙ্গে হচ্ছে। সেজন্য আমাদের সমন্বয় করতে হয়েছে। শোভাযাত্রা এবং আশুরা মিছিল যাওয়ার সময়ে উভয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য আমরা আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলেছি।ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আপনারা জানেন পাইক নামে একটি শ্রেণি রয়েছে যারা মাতম করে। কোনো কোনো পাইক দা, কাঁচি, ছুরি তলোয়ার, বাজি, পটকা নিয়ে মাতম করে। সেইসব কর্মকাণ্ড আমরা এবার নিষিদ্ধ করেছি। কোনো পাইক দা, কাঁচি, তলোয়ার নিয়ে মিছিলে যেতে পারবে না।তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে আমরা বলতে চাই এদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের, প্রত্যেকটি ধর্মের অনুসারীদের তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করার অধিকার রয়েছে। সেক্ষেত্রে নিরাপদ করার জন্য আনন্দমুখর করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে, ডিএমপির পক্ষ থেকে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রস্তুত থাকবে আমাদের সোয়াট এবং গোয়েন্দা সদস্যরা।  যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তারা সাড়া দেবে।এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, মো. শাহাব উদ্দিন কোরেশী এবং মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • পূজামণ্ডপগুলো সিসিটিভির আওতায় থাকবে : ডিএমপি কমিশনার

    পূজামণ্ডপগুলো সিসিটিভির আওতায় থাকবে : ডিএমপি কমিশনার

    এবিএনএ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, রাজধানীর পূজামণ্ডপগুলো সিসিটিভির আওতায় থাকবে। এজন্য পুলিশের মনিটরিং সেল খোলা হবে। সোমবার ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নিরাপত্তা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
    ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এবার রাজধানীতে ২৩১টি পূজামণ্ডপ থাকছে। ঢাকেশ্বরী, গুলশান-বনানী, রামকৃঞ্চ মিশন ও ধানমন্ডির চার বড় মন্দিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেওয়া হবে। পাঁচটি বড় ও চারটি মাঝারি পূজামণ্ডপসহ ২৩১টি মণ্ডপেই থাকবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ‘ক’ ও ‘খ’ ক্যাটাগরির নয়টি পূজামণ্ডপে দেওয়া হবে বিশেষ নিরাপত্তা। ‘ক’ক্যাটাগরিতে ধানমন্ডি, ঢাকেশ্বরী, রামকৃষ্ণ মিশন ও গুলশান-বনানীর চারটি পূজামণ্ডপ এবং ‘খ’ ক্যাটাগরিতে থাকছে সিদ্ধেশ্বরী, রমনা কালি মন্দির, উত্তরা, খামারবাড়ী, বসুন্ধরার পাঁচটি পূজামণ্ডপ।’
    তিনি আরো বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের আর্চওয়ে গেট হয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতিটি গেটেই দর্শনার্থীদের তল্লাশির আওতায় আনা হবে।’
    আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন উৎসব পালন করবেন। এর নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। পূজা উৎসবকে ঘিরে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই।’

  • পবিত্র আশুরায় ডিএমপির নির্দেশনা

    পবিত্র আশুরায় ডিএমপির নির্দেশনা

    এবিএনএ : শিয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া শোক মিছিলে ডিএমপি’র পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে আজ (বুধবার) ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদু্জ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় ডিএমপি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, সরকারের বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ শিয়া সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সভায় জানা যায়, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ৮ মহরম সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় হোসাইনী দালান ইমামবাড়া থেকে শোকমিছিলের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র আশুরা উদযাপন শুরু হবে। একই দিনে রাজধানীর বড় কাটারা ইমামবাড়া, খোজা শিয়া ইসনুসারী ইমামবাড়া থেকে যথাক্রমে রাত ৮ টা ও দুপুর ০১.৩০ টায় শোকমিছিল শুরু হবে।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, ডিএমপি’র সকল ডিভিশনের সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি উৎসবমূখর ও নিরাপদ অনুষ্ঠান সফলভাবে করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যথাযথ শ্রদ্ধা, সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে যার যা দায়িত্ব তা সঠিকভাবে পালন করার জন্য আহবান জানান তিনি।উক্ত সমন্বয় সভায় আশুরার শোকমিছিল আয়োজক কর্তৃপক্ষের প্রতি নিন্মোক্ত সুপারিশমালা প্রদান করা হয়:১। মির্ধারিত রুট ও সময়সীমা মেনে চলা (নির্ধারিত সময়ে শুরু ও শেষ করা)।
    ২।মিছিলে কোন পাইক অংশগ্রহণ করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।
    ৩। নিশান এর উচ্চতা ১২ ফুট এর বেশী হবে না।
    ৪। সমবেত স্থানে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও মনিটরিং করা।
    ৫। পর্যাপ্ত সংখ্যক সেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং ছবিসহ তালিকা সংশ্লিষ্ট উপ-পুলিশ কমিশনার এর অফিসে প্রেরণ করা।
    ৬। কোন প্রকার ধারালো অস্ত্র, ধাতব পদার্থ, দাহ্য পদার্থ, ব্যাগ, পোটলাসহ মিছিলে অংশগ্রহণ করা যাবে না। পোশাকের সাথেও ব্যবহার করা যাবে না।
    ৭। রাস্তার মাঝে বিভিন্ন অলি গলি থেকে মিছিলে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না।
    ৮। শোক মিছিলে লাঠি, ছোঁড়া, চাকু, তরবারি/তলোয়ার, বর্শা ও আগুনের এবং আতশবাজির ব্যবহার নিষিদ্ধ।
    ৯। মিছিল শুরুর স্থানে প্রবেশের আগে সকলকে আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর ও হাত দিয়ে দেহ তল্লাশী করে শোকমিছিলে ঢুকতে দেয়া হবে। তল্লাশী ব্যতিত কোন অবস্থায় কাউকে মিছিলে ঢুকতে দেয়া হবে না।
    ১০। পূজা মন্ডপের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কোন প্রকার উস্কানিমূলক শব্দ উচ্চারণ না করে সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে। সকল ধর্মের প্রতি পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ ও অসাম্প্রদায়িক মনোভাব রাখতে হবে।
    ১১। রাত্রিকালীন শোকমিছিলে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে।
    ১২ উচ্চমাত্রার শব্দ তৈরি করার যন্ত্র/বাদ্য যন্ত্র, পিএ সেট ব্যবহার করা যাবে না। একসাথে অনেকগুলো ড্রাম বাজিয়ে বিরক্তিকর পরিবেশ ও শব্দদূষন সৃষ্টি করা যাবে না।
    ১৩। নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু আচার অনুষ্ঠান/রীতি/সংস্কৃতি/প্রথা পরিবর্তন করা আবশ্যক বলে আলোচনা করা হয়। প্রথাগুলো হচ্ছে- পাইক প্রথা, সারাদিন বিকট শব্দে ঢাক, ঢোল ও ড্রামসেট বাজানো, আতশবাজি ব্যবহার, মিছিল করে দৌঁড়ে হোসাইনী দালানসহ অন্যান্য সমাবেত স্থলে মূল শোকমিছিলে অংশগ্রহনের জন্য প্রবেশ রোধ করা।
    ১৪। পোশাকে ধাতব পদার্থ, ছুরি, চাকু, ব্লেড, তলোয়ার প্রভুতি ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।আশুরা ও তাজিয়া শোকমিছিল উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় থাকছে-১। সাদা পোশাকে ও ইউনিফর্মে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
    ২। শোকমিছিলের পাশেপাশে প্রস্তুত রাখা হবে ফায়ার টেন্ডার ও এ্যা্ম্বুলেন্স ।
    ৩। ডগ স্কোয়ার্ড দিয়ে অনুষ্ঠানস্থল সুইপিং করা হবে।
    ৪। স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় অপরিচিত ব্যক্তিকে অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকতে দেয়া হবে না।
    ৫। অনুষ্ঠানস্থলে আগতদের ব্যাগ, সুটকেস, ছাতা, টিফিন কেরিয়ার, প্রেসার কুকার জাতীয় সন্দেহজনক প্যাকেট বা বক্সসহ প্রবেশ নিষিদ্ধ।
    ৬। মহরম উপলক্ষে সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
    ৭। আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া শোকমিছিল চলাকালীন পুরো দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করা হবে।সূত্র: ডিএমপি নিউজ

  • নির্যাতন বন্ধ না হলে আরাকান রাজ্য দখলের ঘোষণা

    নির্যাতন বন্ধ না হলে আরাকান রাজ্য দখলের ঘোষণা

    এবিএনএ : মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ না করলে আরাকান (রাখাইন) রাজ্য দখলের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশের কয়েকটি ইসলামি দল। শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে জুমার নামাজ-পরবর্তী এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে  দলের নেতারা এ ঘোষণা দেন। রোহিঙ্গাদের ওপর অব্যাহত খুন-নির্যাতন বন্ধের দাবিতে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। এতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিশসহ কয়েকটি ইসলামি দল অংশ নেয়।
    সমাবেশে বক্তারা আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির বিচারও দাবি করেন। সমাবেশ থেকে তারা কয়েক দফা কর্মসূচি পেশ করেন। এর মধ্যে রয়েছে- ১১ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ, ১২ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ। এই সময়ের মধ্যে নির্যাতন বন্ধ না হলে ১৩ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও করা হবে। এজন্য বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে সকাল ১০টায় যাত্রা শুরু হবে। কর্মসূচিতে বলা হয়, এতে যদি রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ না করা হয়, তাহলে নাফ নদী পার হয়ে মিয়ানমারের আরাকান (রাখাইন) ঘেরাও দিয়ে তা দখল করা হবে। সমাবেশে বক্তব্য দেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. আহমেদ আব্দুল কাদের, সাংগাঠনিক সম্পাদক মাওলানা আহমেদ কাশেমী প্রমুখ।

  • বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ফিরতি হজ ফ্লাইট

    বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ফিরতি হজ ফ্লাইট

    এবিএনএ : পবিত্র হজ শেষ হয়েছে। এবার হাজিদের দেশে ফেরার পালা। বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ফিরতি হজ ফ্লাইট। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফিরতি হজ ফ্লাইট বুধবার থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী এক মাস। শেষ হবে ৫ অক্টোবর।
    চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে গিয়েছেন মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ২২৯ জন। ভিসা পেয়েও শেষ পর্যন্ত যেতে পারেননি ৩৬৭ জন। বাংলাদেশ বিমানের ১৬৯টি ফ্লাইটে ৬৪ হাজার ৮৭৩ জন হাজি ফিরবেন দেশে। বাকিরা ফিরবেন সাউদিয়া এয়ারে। ইতিমধ্যে প্রত্যেক হাজির জন্য ৫ লিটার করে জমজমের পবিত্র পানি ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। হাজিরা দেশে ফিরলে বিমানবন্দর থেকে তাদের হাতে তুলে দেয়া হবে।
    হজযাত্রীদের সুবিধার্থে বিমান ঢাকা থেকে যাত্রার পূর্বে হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইটের বোর্ডিং কার্ড দিয়ে দিয়েছে।
    প্রত্যেক হজযাত্রী বিনামূল্যে সর্বাধিক ২টি ব্যাগে ৪৬ কেজি মালামাল আনতে পারবেন। বিজনেস ক্লাসের জন্য সর্বাধিক ২টি ব্যাগে ৫৬ কেজি মালামাল বহন করতে পারবেন। কেবিন ব্যাগেজে ৭ কেজি মালামাল সঙ্গে রাখতে পারবেন হজযাত্রীরা। তবে কোনোভাবেই প্রতি পিস ব্যাগের ওজন ২৩ কেজি এবং বিজনেস ক্লাসে ২৮ কেজির  বেশি হতে পারবে না।
    বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এএম মোসাদ্দিক আহমেদ জানান, চলতি মৌসুমে বিমানের পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ৬৩ হাজার ৫৯৯ জন কিন্তু বিমান অতিরিক্ত ১ হাজার ২৭৪ জন হজযাত্রী নিয়েছে। হজযাত্রী পরিবহনে বিমান নিজস্ব সুপরিসর বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের পাশাপাশি ৪০৬ আসনের লিজের বোয়িং ৭৭৭-২০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে।
  • ১২৫ মিমি বৃষ্টি হলেও জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত

    ১২৫ মিমি বৃষ্টি হলেও জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত

    এবিএনএ : ঈদুল আজহার দিন রাজধানীতে যদি ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিও হয়, এরপরও হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    যদি এরচেয়েও ভারী বর্ষণ হয় তাহলে সকাল সাড়ে ৮টায় বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। প্রসঙ্গত, ২ সেপ্টেম্বর উদযাপিত হবে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। ইতোমধ্যে আবহাওয়া অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থেকে বৃষ্টি হতে পারে।

    সাঈদ খোকন বলেন, এবার যে আয়োজন করা হয়েছে তাতে পাঁচ হাজার মহিলাসহ ৯০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের জামাত আদায় করতে পারবেন। মহিলাদের জামাতের জন্য এবারও পৃথক ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া মুসল্লিদের ওজু ও টয়লেটের জন্যও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

    জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যরা, সংসদ সদস্য, বিচারপতি ও কূটনীতিকসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে এক কাতারে নামাজ আদায় করবেন।

    ঈদে জামাতের জন্য সুসজ্জিত করে প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে। প্রায় দুই লাখ ৫৯ হাজার বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট জাতীয় ঈদগাহ বাঁশ দিয়ে প্যান্ডেল তৈরি ও ত্রিপল টানানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃষ্টিতে যাতে সমস্যা না হয়, সেই জন্য ওপরে দেয়া হয়েছে মোটা ত্রিপলের ছাউনি। পানি নিষ্কাশনের জন্য রাখা হয়েছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা।

    ওজু করার জন্য পানির ট্যাপগুলোকে ঠিকঠাক করে লাগানো হয়েছে। ১৪০ জন মুসল্লি একসঙ্গে ওজু করতে পারবেন এখানে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার থাকবে ঈদগাহ মাঠে। মাজারের শৌচাগার ব্যবহার করবেন ভিআইপিরা।

    ঈদগাহ মাঠে ফটক রাখা হয়েছে তিনটি। মূল ফটক ছাড়াও দক্ষিণ পাশে ও মাজারের দিকে একটি ফটক করা হয়েছে।

    জাতীয় ঈদগার দক্ষিণ পাশে নারীদের ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য পর্দা দিয়ে আলাদা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কূটনৈতিক মিশনের সদস্য ও তাদের স্ত্রীদের নামাজের জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    এদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশ ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে কাঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু সঙ্গে না আনতে অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

  • কাল পবিত্র হজ

    কাল পবিত্র হজ

    এবিএনএ : মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম সমাবেশ পবিত্র হজ পালিত হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসলমানদের ‘লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক’ ধ্বনিতে কাল মুখরিত হবে মক্কার আরাফা ময়দান।পবিত্র এই কর্তব্য পালনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মক্কা নগরীতে জড়ো হয়েছেন লক্ষ লক্ষ মুসল্লি।

    বুধবার ফজর নামাজের পর মুসল্লিরা মক্কা নগরী থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা দেবেন। বুধবার মিনায় অবস্থান করে বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের পর আরাফার উদ্দেশে রওনা হবেন। আরাফার ময়দানে সারা দিন অবস্থানকালীন সেখানে জোহর ও আসর নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন। সূর্য অস্তমিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরাফা থেকে মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেবেন। মুজদালিফায় মাগরিব ও এশার নামাজ আদায়ের পর সেখানে রাতে অবস্থান করবেন। রাত শেষে ফজরের নামাজের পর সকালে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের জন্য মিনায় যাবেন।

    মিনায় শয়তানকে পাথক নিক্ষেপের পর মক্কায় ফিরে গিয়ে কোরবানী করবেন। কোরবানী শেষে মাথা মুণ্ডন করে এহরাম খুলবেন। এভাবেই ধাপে ধাপে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

  • আশকোনায় হজযাত্রীদের বিক্ষোভ

    আশকোনায় হজযাত্রীদের বিক্ষোভ

    এবিএনএ : হজ এজেন্সিগুলোর দায়িত্বহীনতার কারণে বহু লোক প্রস্তুতি নেওয়ার পরেও হজে যেতে পারছেন না। এছাড়া অনেকেই টাকাপয়সা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন। এসব অভিযোগে রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিক্ষোভ করছে আটকে পড়া হজযাত্রীরা। আজ শনিবার বেলা দুইটার দিকে বিক্ষোভ শুরু করে তারা। বিক্ষোভ মিছিলে এজেন্সির মালিকদের বিচার ও হজে যাওয়ার নিশ্চয়তার দাবি করেন হজযাত্রীরা।

    এ বিষয়ে আজ সকালে হজ পরিচালকের কার্যালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুন বলেন, যেসব এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তারা যদি দুই দুনের মধ্যে হজযাত্রী পাঠানোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে জিডি থেকে মামলা করা হবে। এ বছর হজ পালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করেছিলেন। তবে ৯৫১ জনের পাসপোর্ট শেষ দিনেও জমা হয়নি। এ হিসেবে এবার বাংলাদেশ থেকে হজে যাচ্ছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ২৪৭ জন। আর এর মধ্যে গতকাল পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৩০ হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এদিকে আজ শনিবার শেষ হচ্ছে বিমানের হজ ফ্লাইট। আর সোমবার শেষ হবে সৌদি এয়ারলাইনসের হজ ফ্লাইট।

  • জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা বুধবার

    জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা বুধবার

    এবিএনএ : আগামী বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় (বাদ মাগরিব) বায়তুল মুকাররম মসজিদ সংলগ্ন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা কক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    ১৪৩৮ হিজরি সনের পবিত্র ঈদুল আযহার তারিখ নির্ধারণ ও জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা ও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

    বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১।