Category: তথ্য প্রযুক্তি

  • বাংলাদেশে স্টারলিংকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা, শুরুতেই চমক স্পিড ও সেবায়!

    বাংলাদেশে স্টারলিংকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা, শুরুতেই চমক স্পিড ও সেবায়!

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবায় যুক্ত হলো নতুন মাত্রা। ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠিত স্যাটেলাইট-নির্ভর ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী স্টারলিংক এবার দেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।

    বিশ্বজুড়ে দ্রুতগামী ইন্টারনেট প্রযুক্তির জন্য পরিচিত স্টারলিংক, এবার বাংলাদেশের জন্য উন্মুক্ত করেছে দুটি নতুন প্যাকেজ—‘স্টারলিংক রেসিডেন্স’ ও ‘রেসিডেন্স লাইট’।

    মাসিক খরচ শুরু হচ্ছে ৪২০০ টাকা থেকে, আর উচ্চতর প্যাকেজের জন্য মাসে গুনতে হবে ৬০০০ টাকা। তবে উভয় প্যাকেজেই প্রাথমিকভাবে ৪৭ হাজার টাকার ডিভাইস সেটআপ এককালীন ক্রয় করতে হবে।


    📡 কী থাকছে স্টারলিংকের সেবায়?

    • ডেটা লিমিট নেই: ব্যবহারকারীরা আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

    • সর্বোচ্চ স্পিড: সর্বোচ্চ গতি ৩০০ Mbps পর্যন্ত পেতে পারেন ব্যবহারকারীরা।

    • সারাদেশে সেবা: শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম—স্টারলিংকের টার্গেট হচ্ছে দেশের সব অঞ্চল।


    স্টারলিংকের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। একইসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব নিজ ফেসবুক পোস্টে জানান,

    “গতকাল বিকেলে ফোনে স্টারলিংক কর্তৃপক্ষ আমাকে তাদের সেবার আনুষ্ঠানিক সূচনার বিষয়টি জানায় এবং আজ সকালে তারা এক্সে পোস্ট দিয়ে তা নিশ্চিত করেছে।”


    🌍 কেন গুরুত্বপূর্ণ স্টারলিংকের আগমন?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও এটি প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও উচ্চগতির বিকল্প। সবচেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশের যেসব দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো ফাইবার বা ব্রডব্যান্ড পৌঁছায়নি, সেখানে স্টারলিংকের মাধ্যমে:

    • এনজিও

    • ফ্রিল্যান্সার

    • উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী
      পাবে কার্যকর এবং টেকসই ইন্টারনেট সংযোগ।


    📦 কবে থেকে অর্ডার করা যাবে?

    বাংলাদেশের গ্রাহকরা ২০ মে থেকেই স্টারলিংক প্যাকেজ অর্ডার করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য অনুযায়ী মাত্র ৯০ দিনের মধ্যেই কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছে।

    বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব এ সাফল্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

  • ওয়ালেট ফিচার অ্যাপে

    ওয়ালেট ফিচার অ্যাপে

    এবিএনএ: প্রবাসীর অর্থ প্রেরণে ট্যাপট্যাপ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ওয়ালেট ফিচার। অর্থ প্রেরণের প্রয়োজনে ওয়ালেটে অগ্রিম অর্থ জমা করা যাবে। আবার সেই অর্থ অন্য দেশে পাঠানোর আগে ভালো এক্সচেঞ্জ রেটে কনভার্ট সুবিধা পাওয়া যাবে।

    ফলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন না হলে খুব ভালো এক্সচেঞ্জ রেটে অর্থ জমানো সম্ভব। জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক অর্থ বিনিময় করা যাবে। কিন্তু নিয়মিত অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে অর্থ প্রেরণকারীরা ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থ প্রেরণ করে। তাই পরে অর্থ পাঠানোর জন্য ওয়ালেট সুবিধা কাজ করবে। বিশেষ সেরা এক্সচেঞ্জ রেট নির্ধারণ করার সুযোগ থাকবে।

    অন্যদিকে, বড় অঙ্কের অর্থ প্রেরণে তার পরিমাণ আলাদা করে রাখা যায়। অ্যাপ নির্মাতারা বলেন, ওয়ালেটে আর্থিক লেনদেনের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ আনা যায় আর লেনদেন হয় সাশ্রয়ী। এক্সচেঞ্জ রেটের সঙ্গে অর্থ প্রেরণের সময় নির্ধারণ করার সুবিধা থাকায় এতে আর্থিক পরিকল্পনা ও বাজেট করা সহজ হবে। ট্যাপট্যাপ সেন্ড ওয়ালেটের ব্যবহার পদ্ধতি সহজ। প্রথমে ওয়ালেটে অর্থ বা ফান্ড জমা করতে হবে।

    ওয়ালেটে ফান্ড জমা হয়ে গেলে গ্রাহক সুবিধা অনুযায়ী অর্থ পাঠাতে পারবেন। সুনির্দিষ্ট কয়েকটি দেশে ও মুদ্রায় ফিচারটি সক্রিয়।

    জানা গেছে, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের কিছু দেশের প্রবাসীরা এ অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ওয়ালেট সুবিধা নিতে পারবেন। দ্রুতই ফিচারটি আরও কয়েকটি দেশে চালু করা হবে।

  • আজ রাতে বাসাবাড়িতে ইন্টারনেট চালুর আশা

    আজ রাতে বাসাবাড়িতে ইন্টারনেট চালুর আশা

    এবিএনএ: দেশে সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করার পর ১২ ঘণ্টায় ৪০ শতাংশ সংযোগে ইন্টারনেট পরিষেবা সচল হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

    ইন্টারনেট সেবাদাতা কোম্পানিগুলোর এ সংগঠনের সভাপতি ইমদাদুল হক বলেছেন, আজ রাতের মধ্যে বাসাবাড়িসহ ৭০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড সংযোগ সচল হতে পারে বলে তারা আশা করছেন।

    তিনি বলেন, আমরা কাজ করছি। ইতোমধ্যে অনেক এলাকায় বাসাবাড়িতে আপ হয়েছে। বাকি এলাকায়ও দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। তারপরও কিছু জায়গায় বাকি থাকবে; কারণ আমাদের ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কে অনেক জায়গায় সমস্যা। তা ঠিক করা হচ্ছে। এক-দুদিনের মধ্যে সব জায়গায় পুরোপুরি সচল হবে।

    মঙ্গলবার রাতে পরীক্ষামূলকভাবে সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড সেবা চালুর আগে ইন্টারনেট সেবাদাতা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    আইএসপিএবি সভাপতি বলেন, ওই বৈঠকে নেটওয়ার্ক ইফ্রাস্টাকচারের কী অবস্থা, কাটা পড়া লাইন মেরামতের অগ্রগতির তথ্য জেনেছেন প্রতিমন্ত্রী। এবারের তাণ্ডবে আইসিটি খাতের ক্ষতি ইতোমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে শত কোটি টাকা।

    কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচ দিন পর মঙ্গলবার রাতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা ফেরে। তবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়।

    সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার সেদিন মহাখালির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন দেওয়া হলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সড়কের ওপর থাকা ইন্টারনেট সেবাদাতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তার। ক্ষতিগ্রস্ত হয় কয়েকটি ডেটা সেন্টারও। সে কারণেই সারাদেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে যায় বলে প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য।

    পাঁচ দিন পর অচলাবস্থার অবসানের আগাম খবর দিয়ে মঙ্গলবার বিকালে এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরীক্ষামূলক ব্রডব্যান্ড কানেক্টিভিটি ফিরে আনছি। কেউ যেন মিথ্যা গুজবে বিভ্রান্ত না হন। মূল ধারার গণমাধ্যম যেভাবে লড়াই করছে। তাদের সংবাদগুলোকে যেন জনগণ প্রাধান্য দেয়, গ্রহণ করে।

    ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালুর ক্ষেত্রে কোন কোন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে পলক বলেন, ব্যাংকিং সেক্টর, বাণিজ্যিক অঞ্চল, গণমাধ্যম, কূটনৈতিক অঞ্চল, পোশাক শিল্প, আইটি ফ্রিল্যান্সার, আউটসোর্সিং বিজনেস, সফটওয়্যার ডেভেলপার, রপ্তানিকারক তাদেরকে প্রাধান্য দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যত দ্রুত সম্ভব ইন্টারনেট চালু হচ্ছে। এরপর মঙ্গলবার রাত ৯টার পর থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ফিরতে শুরু করলেও অধিকাংশ বাসাবাড়িতে এখনও সেবা চালু হয়নি।

  • ইউটিউবে আসছে গেইমিং

    ইউটিউবে আসছে গেইমিং

  • হট ৩০ আই বাজারে আনল ইনফিনিক্স

    হট ৩০ আই বাজারে আনল ইনফিনিক্স

    এবিএনএঃ ৮ জুন ২০২৩, ঢাকা: আধুনিক সব ফিচারসহ বাজেটের মধ্যে নতুন স্মার্টফোন বাজারে এনেছে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। হট ৩০ আই নামের ফোনটির মূল্য ধরা হয়েছে মাত্র ১২ হাজার টাকা। হট ৩০ সিরিজের নতুন এই ফোনে স্মুদ ডিসপ্লে, উচ্চগতির প্রসেসর আর স্বচ্ছ ক্যামেরাসহ প্রায় সবই রাখা হয়েছে।

    হট ৩০ আই ফোনটিতে আছে ৬.৬ ইঞ্চির বিশাল এইচডি+ স্ক্রিন। এতে ৯০ হার্জ রিফ্রেশ রেট থাকার ফলে ডিসপে¬ ব্যবহারে স্মুদ ও ফ্লুইড অভিজ্ঞতার নিশ্চয়তা দিচ্ছে ইনফিনিক্স। একইসাথে, ফোনটিতে টাচ সেম্পি¬ং রেট দেওয়া হয়েছে ১২০ হার্জ। ফলে ডিসপে¬তে টাচ করে দ্রুত রেপন্স পাবেন ব্যবহারকারীরা।

    দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আর কার্যকরিতা দিতে মিডিয়াটেকের উন্নত ১২ ন্যানোমিটার হেলিও জি ৩৭ প্রসেসরে চলবে হট ৩০ আই। সাথে থাকছে ৪জিবি+৬৪জিবি স্টোরেজ সক্ষমতা। চিপ নির্মাতা কোম্পানি মিডিয়াটেকের মতে, জি ৩৭ হলো কম বাজেটের ফোনের জন্য গেমিং প্রসেসর। এই প্রসেসর সবচেয়ে ভালো কাজ করে ৯০ হার্জ ডিসপে¬ ব্যবহার করা ফোনে।

    নিখুঁত ও প্রাণবন্ত ছবি তোলার জন্য হট ৩০ আই-তে আছে ৫০ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা এবং সুন্দর সেলফির জন্য আছে পাঁচ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। প্রিয় মুহূর্তগুলোকে ধরে রাখতে এই ক্যামেরার মাধ্যমে হাই-রেজ্যুলেশনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

    দীর্ঘ সময় ধরে প্রয়োজনীয় ও পছন্দের কাজগুলো স্মার্টফোনে করতে পারার জন্য হট ৩০ আই-তে আছে ৫০০০এমএএইচ এর ব্যাটারি। সেইসাথে, চার্জ নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার জন্য আছে ১০ ওয়াটের টাইপ-সি চার্জিং সুবিধা।

    ফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এতে আছে সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি। সাথে আছে ফোনটির আকর্ষণীয় কালার অপশন এবং ডায়মন্ড প্যাটার্নের অনন্য প¬াস্টিক ডিজাইন। ফলে ফোন হাতে রাখার সময় স্বস্তি পাওয়ার সাথে স্টাইলও বজায় থাকবে। গে¬সিয়ার ব¬ু, মিরর ব¬্যাক ও ডায়মন্ড হোয়াইট, এই তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে হট ৩০ আই।

    ফোনটির আরও দুটি ভার্সন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ৪জিবি+১২৮জিবি এবং ৮জিবি+১২৮জিবি ভার্সন দুটোর দাম ধরা হয়েছে যথাক্রমে ১৩,৪৯৯ এবং ১৪,৯৯৯ টাকা।

  • নাসার নতুন উদ্ভাবন

    নাসার নতুন উদ্ভাবন

    এবিএনএঃ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এমন এক এআই মডেল বানিয়েছে, যা পৃথিবীতে আসন্ন কোনো সৌরঝড়ের সম্ভাব্য আঘাত হানার জায়গা সম্পর্কে অগ্রিম ভবিষ্যদ্বাণী দেবে। নতুন এ ব্যবস্থা সম্ভাব্য সৌরঝড় সম্পর্কে ‘৩০ মিনিটের আগাম সতর্কবার্তা’ দিতে পারে।

    নাসার ‘গদার স্পেস সেন্টারের’ গবেষকরা বলছেন, মহাকাশের বিপজ্জনক আবহাওয়া সম্পর্কে সতর্কতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এআই মডেলটি নাসার বিভিন্ন স্যাটেলাইট ডেটা বিশ্লেষণ করে থাকে। এ সতর্কবার্তার ফলে বিভিন্ন দেশ নিজস্ব পাওয়ার গ্রিড ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে ঝড়ের মারাত্মক প্রভাব থেকে বাঁচাতে দরকারি সময় পাবে। নাসার তৈরি করা এ কম্পিউটার মডেলের নাম ‘ড্যাগার’। গবেষকরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ভূচৌম্বকীয় ব্যাঘাত ঘটার ‘৩০ মিনিট আগে’ সেগুলোর দ্রুত ও সঠিক পূর্বাভাস দিতে পারে এটি।

  • নেটদুনিয়ায় হইচই ফেলেছে চীনের ‘কিসিং ডিভাইস’

    নেটদুনিয়ায় হইচই ফেলেছে চীনের ‘কিসিং ডিভাইস’

    এবিএনএ: ভিডিওকলে সঙ্গীকে চুমু দেওয়া যাবে, আর সেই চুমুতে বাস্তব চুমুর স্বাদও মেলবে, এমন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছে চীন। খবর সিএনএনের।

    চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উইবোতে ডিভাইসটির বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে, যেখানে দূরে থাকা দম্পতি বা প্রেমিক-প্রেমিকারা বাস্তব চুমুর স্বাদ পাবেন।

    ডিভাইসটিতে প্রেসার সেন্সর ও সিলিকন ঠোঁট নাড়াতে পারে এমন যন্ত্র রয়েছে। ফলে সেটি ব্যবহারকারী ঠোঁটের চাপ, নড়াচড়া ও তাপমাত্রা অনুযায়ী ‘বাস্তবিক চুম্বনের’ অনুভূতি তৈরি করতে পারে। চুম্বনের সঙ্গে এটি ব্যবহারকারীর শব্দও অনুকরণ করতে পারে।

    চীনের নতুন এই ডিভাইস নেটদুনিয়ায় হইচই ফেলে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ ডিভাইসটি নিয়ে রসিকতা করলেও, অনেকে একে ‘অশ্লীল’ বলেছেন। অপ্রাপ্তবয়স্করাও এটি কিনতে ও ব্যবহার করতে উৎসাহ পেতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেকে।

    সিএনএন জানিয়েছে, কারো সঙ্গে চুম্বনে প্রথমে ব্যবহারকারীকে একটি মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে এবং ডিভাইসটিকে মোবাইলের চার্জিং পোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। এর পর অপরপ্রান্তের সঙ্গীর সঙ্গে অ্যাপে যুক্ত হলে উভয়ে ভিডিও কল করতে পারবে এবং চুম্বন আদান-প্রদান করতে পারবে।

  • পৃথিবী জন্মের আগের মহাবিশ্বের রঙিন ছবি দিল নাসা

    পৃথিবী জন্মের আগের মহাবিশ্বের রঙিন ছবি দিল নাসা

    এবিএনএ: পৃথিবীর জন্মেরও আগের গহীন মহাশূন্যের হাজারো ছায়াপথের ছবি তুলে পাঠিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তোলা গ্যালাক্সিগুলোর এমন ছবি এই প্রথম প্রকাশ করা হলো।

    নাসা জানিয়েছে, ওয়েব টেলিস্কোপ ‘এসএমএসিএস -৭২৩’-এর যে ছবিটি তুলেছে, ছায়াপথ গুচ্ছটি সেই অবস্থায় ছিল ৪৬০ কোটি বছর আগে। মজার বিষয় হচ্ছে, বিজ্ঞানীদের হিসেবে পৃথিবীর বয়স আনুমানিক ৪৫৪ কোটি বছর (কম-বেশি পাঁচ কোটি বছর)।

    গহীন মহাশূন্যের ছায়পথগুচ্ছ ‘এসএমএসিএস -৭২৩’ পৃথিবীর জন্মের আগে যেমন ছিল, সেটিই উঠে এসেছে জেডব্লিউএসটি-এর তোলা প্রথম ‘ডিপ ফিল্ড’ ছবিতে।

    নাসা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস স্যাটেলাইটের তোলা ‘গহীন মহাশূন্যের’ ছবির অ্যালবাম প্রকাশ করার একদিন আগেই অ্যালবামের একটি ছবি হোয়াইট হাউজে দেখিয়ে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    ছবিটি উদ্বোধনের পর জো বাইডেন বলেন, এসব ছবি সারা বিশ্বকে স্মরণ করিয়ে দিতে চায় যে যুক্তরাষ্ট্র বড় বড় কাজ করতে পারে। আর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, বিশেষ করে শিশুদের মনে করিয়ে দিতে চায়, কোনো কিছুই আমাদের জন্য দুরূহ নয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিন যুগ ধরে নির্মিত জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি নতুন নতুন ছবিটি দিয়ে মহাবিশ্বে সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে পাল্টে দিতে পারে।

    নাসা জানিয়েছে, ছবিটি তুলেছে ওয়েব টেলিস্কোপের ‘নিয়ার-ইনফ্রারেড ক্যামেরা (এনআইআরক্যাম)’। সাড়ে ১২ ঘণ্টায় বিভিন্ন তরঙ্গের ইনফ্রারেড আলো নিয়ে ‘কম্পেজিট’; ছবিটি ধারণ করেছে এনআইআরক্যাম।

    মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, পৃথিবীতে মাটিতে দাঁড়িয়ে কেউ যদি এক হাত দূরের একটি ধূলি কণার দিকে তাকান, পৃথিবীর আকাশে ঠিক ওই ধূলিকণার মতোই ক্ষুদ্র জায়গা দখল করে রেখেছে ছবিতে দেখানো ছায়াপথ গুচ্ছ।

    প্রেসিডেন্ট বাইডেন ১১ জুলাই ওয়েবের একটি ছবি হোয়াইট হাউজে দেখালেও, নাসা ছবির পুরো অ্যালবাম প্রকাশ করবে ১২ জুলাই মার্কিন পূর্বাঞ্চলীয় স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায়, বাংলাদেশের সময়ে যা ১২ জুলাই রাত সাড়ে আটটা।

  • গণপরিবহণে ভোগান্তি কমাবে জবি শিক্ষার্থীদের তৈরি অ্যাপ

    গণপরিবহণে ভোগান্তি কমাবে জবি শিক্ষার্থীদের তৈরি অ্যাপ

    এবিএনএ : দেশের পরিবহন খাতকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে ‘গো বাংলাদেশ’ নামে একটি অ্যাপের উদ্বোধন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক একটি আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি যেটি বর্তমান সিস্টেমের বিকল্প, নির্ভুল, নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী।

    কিউআর কোড, ডিজিটাল ওয়ালেট, মোবাইল ব্যাংকিং এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে মোবাইল এপ্লিকেশন ভিত্তিক একটি আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থা প্রকল্পের উদ্ভাবন করেছেন। এতে যাত্রীরা কিউআর কোড স্ক্যান করেই দিতে পারবেন ভাড়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অ্যাপটির সঠিক ব্যবহার করা গেলে গণপরিবহণের নিত্যদিনের সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী। আসবে গণপরিবহণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলাও।

    ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত পদ্ধতিটি বাস্তবায়নের জন্য উদ্ভাবন ডিজাইন ও উদ্যোক্তা একাডেমি ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্ট্রেপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিইএ) থেকে ১০ লাখ টাকার ফান্ড পেয়েছে প্রকল্পটি। ‘গো বাংলাদেশ’ নামের অ্যাপ্লিকেশনের সদস্যরা হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান সৌরভ, ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রেজাউল করিম এবং ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর হোসাইন ও নিশাত মাহমুদ। এ অ্যাপ উদ্ভাবনে শিক্ষার্থী টিমকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ, সাবেক শিক্ষক এবং ন্যাশনাল কনসালটেন্ট জাহিদুর রহমান।

    এ বিষয়ে তারা বলেন, অনিবন্ধিত বাস ও ড্রাইভার এ সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবে না। বাসের প্রতিটি সিটের পেছনে একটি করে কিউআর কোড লাগানো থাকবে। যাত্রী যে সিটে বসে আছে, তার সামনের সিটের পেছনে সে সিটের কোডটি থাকবে। যাত্রীরা তার সামনের কোডটি স্ক্যান করার মাধ্যমে শুধু গন্তব্য সিলেক্ট করে ভাড়া দিয়ে দিতে পারবেন। ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে টাকা কেটে নিবে। তাছাড়া ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য অগ্রিম টিকিটও বুক করে রাখা যাবে। জার্নির বিপরীতে কোনো মন্তব্য বা অভিযোগ থাকলে যাত্রীরা তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দিতে পারবেন ও সেবার মান নির্ধারণ করতে পারবেন। আর এসব কার্যক্রম সরাসরি পরিবহন মালিক দেখতে পারবেন।

    এছাড়াও কোনো যাত্রী ডিজিটালি ভাড়া দিতে না পারলে ক্যাশ টাকার মাধ্যমেও ভাড়া নিতে পারবেন। ডিজিটালি দেওয়া ভাড়া সরাসরি মালিকের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে যোগ হবে। এছাড়া টাকার মাধ্যমে নেওয়া ভাড়া ড্রাইভার মালিককে দেবেন। বাসমালিক বাসের অবস্থান, ড্রাইভারের বিস্তারিত, যাত্রীর তথ্য এবং যাত্রীর অভিযোগগুলোও দেখতে পারবেন।

    জানা যায়, উদ্ভাবিত প্রজেক্টটি মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুজিব ১০০ আইডিয়া’ প্রতিযোগিতায় ৩০তম স্থান অর্জন করেছে। এছাড়া সিটি ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ‘সিএসই ফেস্টিভ্যাল ২০২১’ এ আইডিয়া ইনোভেশন অ্যান্ড ইনভেনশন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

    প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ধারণা, তাদের এ প্রকল্পটি বাংলাদেশের পরিবহন খাতকে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল এ কাজের জন্য অভিবাদন জানাই। শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও সৃষ্টিশীল কাজের সঙ্গে আমরা সব সময় আছি। তরুণদের এমন উদ্ভাবনী কাজের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় আছে।

  • খোঁজ মিলেছে এলিয়েনদের বাসস্থানের

    খোঁজ মিলেছে এলিয়েনদের বাসস্থানের

    এবিএনএ : মহাজাগতিক বয়াপার-স্যাপার নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই, জানার চেষ্টারও শেষ নেই মানুষের।প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ জানতে চায় এ মহাবিশ্বে বুদ্ধিমান প্রাণী আছে কি নেই? এবার সেই গবেষণায় নতুন তথ্য মিলল। নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট (টিইএসএস) ব্যবহার করে বৈজ্ঞানিকরা মহাকাশে রহস্যময় অবজেক্ট খুঁজে পেয়েছেন।

    এলিয়েনের পৃথিবী বা গ্রহের যে খোঁজ মিলেছে, তা রয়েছে আমাদের সৌরমণ্ডল অথবা আকাশগঙ্গার বাইরে। ৫ হাজার এলিয়েনের পৃথিবীকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বলে বলা হচ্ছে, তবে আপাতত তাদের নাম দেওয়া হয়েছে টিওআই (TOI) বা ‘টেস্ট অবজেক্টস অফ ইনটারেস্ট’। এগুলো থেকে কোনো না কোনোভাবে সিগন্যাল পাওয়া যাচ্ছে। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির পোস্ট ডক্টরাল ফেলো মিশেল কুনিমোটো একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘গত বছর এ সময় ২৪০০টি টিওআই খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। আজ সেই সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি পৌঁছেছে।’

    এমআইটি বিজ্ঞানীরা টিইএসএস মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং কুনিমোটো ফেইন্ট স্টার সার্চ নামে একটি প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা সম্প্রতি যোগ করা অনেক টিওআইতে অবদান রেখেছে। ২০১৮ সালের এপ্রিলে টিইএসএস চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭৬টি টিওআই গ্রহ হিসাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। যেহেতু প্রাথমিকভাবে একটি টিওআই শনাক্ত করার পর এক্সোপ্ল্যানেট প্রার্থীদের নিশ্চিত করতে আরও বেশি পর্যবেক্ষণ সময় লাগে। তাই বিজ্ঞানীরা আশা করছেন গ্রহ নিশ্চিতকরণ থেকে পিছিয়ে থাকবে। টিইএসএস-এর পূর্বসূরি, কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ ২ হাজারটিরও বেশি এলিয়েন প্রার্থীকে চিহ্নিত করেছে। যেগুলো ২০১৩ সালে তার পর্যবেক্ষণগুলো সম্পূর্ণ করা সত্ত্বেও এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।