Category: তথ্য প্রযুক্তি

  • ঝড়-বৃষ্টি থেকে ভূমিকম্প সতর্কতা—এই অ্যাপগুলো এখন সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আবহাওয়া বার্তায়

    ঝড়-বৃষ্টি থেকে ভূমিকম্প সতর্কতা—এই অ্যাপগুলো এখন সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আবহাওয়া বার্তায়

    এবিএনএ: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আচমকা ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত, দমকা হাওয়া এবং ভূমিকম্প আতঙ্ক এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। পরিবেশ ও আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য আগেভাগে জানা গেলে যেমন জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা সম্ভব, তেমনি সঠিক পরিকল্পনাও গ্রহণ করা যায়। প্রযুক্তির এই যুগে আবহাওয়ার সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত তথ্য হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে বিভিন্ন আধুনিক ওয়েদার অ্যাপ।

    আগে তাপমাত্রা দেখেই আবহাওয়া বোঝার চেষ্টা হতো, কিন্তু এখন তা যথেষ্ট নয়। একিউআই, অ্যালার্জির উপাদান, বাতাসের গতি, বৃষ্টি, ঝড়, তুষারপাত কিংবা বজ্রপাতের সম্ভাবনা—এসব তথ্য জানা এখন জরুরি একটি প্রয়োজন। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় প্ল্যাটফর্মেই এমন অনেক অ্যাপ রয়েছে যা রিয়েল টাইমে অঞ্চলভিত্তিক আবহাওয়ার পরিস্থিতি জানায়।

    দ্য ওয়েদার চ্যানেল ও অ্যাকুওয়েদার অ্যাপ তাপমাত্রার পাশাপাশি বাস্তবে কেমন অনুভূত হতে পারে, সেই ‘ফিলস লাইকের’ পরিসংখ্যান দেখায়। প্রতি ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস, ঝড়ের গতি, দমকা বাতাসের শক্তি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা আলাদা করে দেখার সুবিধাও রয়েছে। বিদেশ ভ্রমণের আগাম পরিকল্পনার জন্য কিছু অ্যাপে ১৫ দিন পর্যন্ত পূর্বাভাস দেখা যায়।

    ঝড়ের দ্রুত ও সঠিক পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে সবার আগে যে অ্যাপটি সতর্কবার্তা পাঠায়, সেটি হলো Weather Bug। আর লাইভ রাডার ম্যাপের মাধ্যমে ঝড়, বৃষ্টি ও মেঘমালা ট্র্যাক করে One Weather। মেটোম্যাটিক্স ওয়েদার অ্যাপ সরাসরি লাইভ আবহাওয়ার তথ্য জানায় বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের। কিছু নতুন অ্যাপ রয়েছে যেগুলো সূক্ষ্মভাবে বায়ুর মান (AQI), UV Index ও অ্যালার্জি অ্যালার্ট জানায়।

    আরও একটি বিশেষ ফিচার হলো নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টম অ্যালার্ট সেট করা। যেমন—শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ, অতিরিক্ত গরম, বজ্রপাত বা ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। এখন অনেক অ্যাপে রয়েছে রিয়েল টাইম নোটিফিকেশন, স্যাটেলাইট ভিউ, লাইভ স্টর্ম ট্র্যাকিং, এমনকি ভূমিকম্প সতর্কতাও।

    এই অ্যাপগুলো শুধু দৈনন্দিন পরিকল্পনা নয়, ভ্রমণ, কৃষি, মাছ ধরা, বা জরুরি সেবার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আবহাওয়ার সঠিক তথ্য আমাদের নিরাপদ জীবনযাপন ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করছে নতুন মাত্রায়।

  • ক্ষুদ্র ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলা: বাজার দখলে বড় সিন্ডিকেটের চক্রান্ত

    ক্ষুদ্র ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলা: বাজার দখলে বড় সিন্ডিকেটের চক্রান্ত

    এবিএনএ:  দেশের ক্ষুদ্র ও আঞ্চলিক ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন বড় সংকটে। অভিযোগ উঠেছে—বড় কিছু কোম্পানি পরিকল্পিতভাবে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর নেটওয়ার্কে সাইবার হামলা চালিয়ে বাজার দখলের চেষ্টা করছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এক সরকারি বিবৃতিতে জানান, “বড় কিছু ইন্টারনেট সরবরাহকারী বা তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ছোট অপারেটরদের নেটওয়ার্কে ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণ চালাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে হামলার মাত্রা এতটাই ভয়াবহ যে, ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেটওয়ার্ক সচল রাখতে পারছে না।”

    তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার মাত্রা কিছু ক্ষেত্রে ৫০০ থেকে ৭০০ গিগাবাইট পর্যন্ত পৌঁছায়—যা ছোট ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর পক্ষে প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব। এর ফলে তারা গ্রাহক হারাচ্ছে, অন্যদিকে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যায্যভাবে বাজারে নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছে।

    সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কিছু জাতীয় পর্যায়ের ইন্টারনেট কোম্পানি ‘দূরসংযোগ নেটওয়ার্ক ও অনুমোদন নীতিমালা ২০২৫’-এর ভুল ব্যাখ্যা করে ছোট অপারেটরদের ভয় দেখিয়ে ব্যবসা দখলের চেষ্টা করছে, যা আইনত অপরাধ।

    ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, “ছোট ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে তাদের সেবা জেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে পারে, সেই সুযোগ রাখা হয়েছে নতুন নীতিমালায়। তাদের স্বার্থরক্ষা সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।”

    এদিকে, মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তদন্ত শুরু করেছে। সরকার জানায়, সাইবার হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “ডিজিটাল বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি নাগরিক অধিকার। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা মানেই দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হওয়া।”

    বর্তমানে দেশে প্রায় দুই হাজার আঞ্চলিক ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান সক্রিয় রয়েছে, যাদের অধিকাংশ ৫০০ থেকে ৫ হাজার গ্রাহককে স্থানীয়ভাবে সেবা দেয়। গত কয়েক মাসে অন্তত ৩৪টি প্রতিষ্ঠান বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে, যার ফলে অনেকের নেটওয়ার্ক ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হয়েছে এবং গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

  • জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে টেলিগ্রাম ও বোটিম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পনা

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে টেলিগ্রাম ও বোটিম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পনা

    এবিএনএ: সরকার জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ কার্যক্রমে জড়িত অনেক নেতা-কর্মী টেলিগ্রাম ও বোটিম ব্যবহার করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং অনলাইন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।

    জানা গেছে, আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে রাতে এই দুটি অ্যাপের গতি সীমিত করা হতে পারে। তবে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর বাংলাদেশে অ্যাপ দুটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি সিম ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমানে একজনের নামে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধন করা সম্ভব হলেও নতুন সিদ্ধান্তে তা অর্ধেক করা হচ্ছে।

    এছাড়া, আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিন পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, জেলা পর্যায়ের আইনজীবী সমিতি ও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে জামিন প্রক্রিয়া সহজ হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জামিন কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মাসে এ ধরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে প্রায় ৩২ হাজারেরও বেশি আসামি জামিন পেয়েছেন।

    এ বৈঠকে মিয়ানমারের আরাকান আর্মি ও আরসা নিয়ে সাম্প্রতিক অভিযোগও আলোচনা হয়। দুই পক্ষই একে অপরকে বাংলাদেশের সহায়তা করার অভিযোগ তুলেছে। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশকে দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে, না হলে এসব অভিযোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এছাড়া পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম, ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী, র‌্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভার পর সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, জাতীয় নির্বাচন, দুর্গাপূজা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়েই মূলত আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • চুপচাপ থেকে বিভ্রান্তির ঝড়: বিশ্বজুড়ে কামড়ালো চ্যাটজিপিটি হঠাৎ ডাউন!

    চুপচাপ থেকে বিভ্রান্তির ঝড়: বিশ্বজুড়ে কামড়ালো চ্যাটজিপিটি হঠাৎ ডাউন!

    এবিএনএ: সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির হঠাৎ সেবা বিঘ্ন অনেক ব্যবহারকারীর মনে উদ্ব্যোগ সৃষ্টি করেছে। Downdetector-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হাজার হাজার ব্যবহারকারী সেবা ব্যবহার করতে ব্যর্থ হন ।

    চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ছিল—সাইটে প্রবেশ করা গেল, তবে কোনো উত্তর পাওয়া গেল না। কেউ কেউ সতর্কবার্তা পাননি, অনেকসময় অপেক্ষার পরোয়া না gefragtেও কোনও সাড়া পাননি বলে হতাশা প্রকাশ করেন। অনেকেই লিখেছেন, “মন খুব খারাপ”, বা “কষ্ট লাগছে, আমার কাজের সঙ্গী হঠাৎ ডাউন!” ।

    OpenAI কী কারণে সেবা বিঘ্রত হয়েছে তা স্পষ্টভাবে জানায়নি। তবে Downdetector প্রমাণ করেছে—বিশ্বের একাধিক দেশে সেবা বন্ধ ছিল কয়েক ঘণ্টা । বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন—যদি ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি এ ধরনের অবস্থা দেখা দেয়, তা ব্যবহারকারীদের মধ্যে আস্থাহানি তৈরি করতে পারে।

  • দোকান থেকে শুরু অনলাইন—বেহাত হচ্ছে মোবাইল নম্বর, বিপন্ন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা

    দোকান থেকে শুরু অনলাইন—বেহাত হচ্ছে মোবাইল নম্বর, বিপন্ন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা

    এবিএনএ: ব্যক্তিগত কিংবা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত থাকার সময় হঠাৎ ফোনে অচেনা নম্বর থেকে বার্তা আসা এখন সাধারণ ঘটনা। কখনো ঘরে বসে আয় করার লোভনীয় প্রলোভন, আবার কখনো অচেনা লিঙ্কে প্রবেশের আহ্বান। রাজধানীর আজিমপুরের বাসিন্দা মাহফুজ সালেকীনও বারবার এমন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তিনি জানান, কেনাকাটা কিংবা বিভিন্ন সেবার সময় মোবাইল নম্বর দিতে বাধ্য হওয়ার পরই অচেনা এসএমএস আসতে শুরু করে।

    বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মোবাইল নম্বরও ব্যক্তিগত তথ্যের মধ্যে পড়ে। কিন্তু দেশে এ সংক্রান্ত কোনো কার্যকর আইন নেই। ফলে দোকান থেকে শুরু করে অনলাইন হ্যাকিং—সব জায়গা থেকে মানুষের তথ্য ফাঁস হচ্ছে। এর ফলে অনেকে প্রতারণা বা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হচ্ছেন। সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হন। প্রশ্ন হলো—তাঁর ব্যক্তিগত নম্বর অপরিচিতদের হাতে গেল কীভাবে?

    ভারতে ইতোমধ্যেই ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন আইন অনুসারে, দোকানগুলো আর মৌখিকভাবে মোবাইল নম্বর চাইতে পারবে না। ক্রেতাকে জানাতে হবে কেন তথ্য নেওয়া হচ্ছে এবং কতদিন তা সংরক্ষণ করা হবে।

    বাংলাদেশে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ ও বিক্রয়কে অপরাধ হিসেবে ধরা হলেও আইনটি এখন রহিত। তাই ‘ডেটা প্রাইভেসি অ্যাক্ট’ করার দাবি উঠেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ইতোমধ্যেই এই দাবি জানানো হয়েছে। খসড়া প্রণয়নের কাজও চলছে।

    সরকারি ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হলে নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করতে হবে। এছাড়া সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন ফেসবুক পেজ, ইমেইল (cyberhelp@dmp.gov.bd) বা হটলাইন ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগের সুযোগও রয়েছে।

  • গুগল পিক্সেল-১০ বাজারে আসছে, চমকপ্রদ ফিচার ও দাম নিয়ে হৈচৈ

    গুগল পিক্সেল-১০ বাজারে আসছে, চমকপ্রদ ফিচার ও দাম নিয়ে হৈচৈ

    এবিএনএ: প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল অবশেষে উন্মোচন করতে যাচ্ছে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত স্মার্টফোন সিরিজ পিক্সেল-১০। বুধবার নিউ ইয়র্কে ‘মেড বাই গুগল’ ইভেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে ফোনটি গ্রাহকদের সামনে হাজির করবে প্রতিষ্ঠানটি। ভারতের বাজারে ফোনটি পাওয়া যাবে বৃহস্পতিবার থেকে।

    গুগলের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এরই মধ্যে প্রযুক্তি ভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পিক্সেল-১০ ছাড়াও এ বছর বাজারে আসতে পারে আরও তিনটি ভ্যারিয়েন্ট—পিক্সেল-১০ প্রো, পিক্সেল-১০ প্রো এক্সএল এবং পিক্সেল-১০ প্রো ফোল্ড

    সব মডেলেই থাকছে গুগলের নতুন টেনসর জি-৫ চিপসেট, সঙ্গে উন্নত ইমেজ সিগন্যাল প্রসেসর (আইএসপি)। এতে ছবি ও ভিডিওর মান আগের চেয়ে আরও নিখুঁত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ক্যামেরা প্রযুক্তিতেই মূল আকর্ষণ। জানা গেছে, পিক্সেল-১০ ও প্রো ফোল্ড মডেলে ব্যবহার করা হবে আল্ট্রা ওয়াইড সেন্সর এবং উন্নত টেলিফটো পেরিস্কোপ লেন্স। চারটি মডেলই সমর্থন করবে সর্বশেষ কিউআই-২ ম্যাগনেটিক ওয়্যারলেস চার্জিং

    রঙের ভিন্নতা নিয়েও এসেছে নতুনত্ব। পিক্সেল-১০ পাওয়া যাবে রয়াল ব্লু, হলুদ, হালকা বেগুনি ও গাঢ় ধূসর রঙে।

    দামের ক্ষেত্রে ভারতীয় বাজারে অনুমান করা হচ্ছে ৭৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার রুপির মধ্যে। আর যুক্তরাষ্ট্রে ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম হতে পারে ৭৯৯ ডলার এবং ২৫৬ জিবির দাম ৮৯৯ ডলার

    👉 নতুন ডিজাইন, শক্তিশালী প্রসেসর এবং উন্নত ক্যামেরা ফিচার নিয়ে পিক্সেল-১০ নিঃসন্দেহে স্মার্টফোন বাজারে বড়সড় প্রতিযোগিতা তৈরি করবে।

  • মেটার বড় পদক্ষেপ: প্রতারণায় জড়িত ৬৮ লাখ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট বন্ধ

    মেটার বড় পদক্ষেপ: প্রতারণায় জড়িত ৬৮ লাখ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট বন্ধ

    এবিএনএ:  অনলাইন প্রতারণা রোধে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে মেটা। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে প্রতিষ্ঠানটি ৬৮ লাখেরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব অ্যাকাউন্টের একটি বড় অংশ সক্রিয় ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সঙ্গে, যারা জোরপূর্বক শ্রমিক দিয়ে বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনা করত।

    হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতারণা ঠেকাতে নতুন নিরাপত্তা ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো ব্যবহারকারী যদি এমন কোনো গ্রুপে যুক্ত হন, যার অ্যাডমিন তার পরিচিত নয়, তবে সাথে সাথেই একটি সতর্কবার্তা পাবেন।

    প্রতারকরা সাধারণত অ্যাকাউন্ট হাইজ্যাক করে, ভুয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনা দেখিয়ে বা নকল অফার দিয়ে গ্রুপ চ্যাট তৈরি করে ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলছে। এজন্যই মেটা জালিয়াতি ও স্ক্যাম প্রতিরোধে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

  • ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাড়তি সিম না কাটালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সংযোগ

    ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাড়তি সিম না কাটালে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সংযোগ

    এবিএনএ:   একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০টি মোবাইল সিম ব্যবহার করতে পারবেন—এমন নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

    বুধবার (৩০ জুলাই) এক ঘোষণায় বিটিআরসি জানায়, যেসব গ্রাহকের নামে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত আছে, তাদেরকে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে অতিরিক্ত সিমগুলো সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে ডি-রেজিস্ট্রার করতে হবে।

    বিটিআরসি জানায়, *১৬০০১# ডায়াল করে খুব সহজেই নিজের নামে কতটি সিম রয়েছে তা জেনে নেওয়া যাবে।

    পূর্বে একজন ব্যক্তি একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারতেন। তবে আন্তর্জাতিক অনুশীলন ও জাতীয় নিরাপত্তা বিবেচনায় মে মাসে নেওয়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেই সীমা কমিয়ে ১০টি নির্ধারণ করা হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ইতোমধ্যে বিটিআরসির এ সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছে।

    সীমা নির্ধারণের ফলে প্রায় ২৬ লাখ গ্রাহকের নামে থাকা অতিরিক্ত ৬৭ লাখ সিম ডি-রেজিস্ট্রার করতে হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

    এখনই জেনে নিন:
    যদি আপনার নামে ১০টির বেশি সিম থাকে, তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই অতিরিক্ত সিম বাতিল করুন। অন্যথায়, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    বিটিআরসি বলছে, এই পদক্ষেপ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়ক হবে এবং সিম ব্যবহারে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।

  • ২৯০ কোটি টাকা রক্ষায় বিটিসিএল নিয়ে দুদকের দারস্থ প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী

    ২৯০ কোটি টাকা রক্ষায় বিটিসিএল নিয়ে দুদকের দারস্থ প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী

    এবিএনএ:  বিটিসিএলের ফাইবার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে অনিয়ম ও ২৯০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অপচয় ঠেকাতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হস্তক্ষেপ চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক ও টেলিযোগাযোগবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

    সোমবার (৭ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বিটিসিএলের ফাইভজি প্রস্তুতি প্রকল্পে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি দুদক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিতভাবে সহযোগিতা চেয়েছেন।

    ফয়েজ বলেন, “বিটিসিএল বর্তমানে যেই ফাইবার প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে, সেটি পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নেওয়া হয় এবং সেই সময়েই টেন্ডার ও অফেরতযোগ্য এলসি প্রদান করা হয়। এতে ২৯০ কোটি টাকা পরিশোধ হয়েছে, অথচ প্রকল্পের অগ্রগতি হয়নি।”

    তিনি জানান, বিটিসিএলের প্রতিযোগীরা ইতিমধ্যেই তাদের নেটওয়ার্ক আপগ্রেড করে ফেলেছে, অথচ সরকারি প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্পে দুর্নীতির কারণে পিছিয়ে আছে। এর ফলে বিটিসিএল দ্রুত বাজার থেকে ছিটকে পড়তে পারে।

    বিশেষ সহকারী বলেন, “বর্তমানে দেশের ইন্টারনেট চাহিদা প্রতি বছর গড়ে ৪৫% হারে বাড়ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ২০০ টেরাবাইট ছাড়াবে। অথচ বিটিসিএলের বর্তমান সক্ষমতা জেলা পর্যায়ে মাত্র ১ জিবিপিএস। এমন গতিতে দেশের ডিজিটাল কাঠামো টিকবে না।”

    তিনি অভিযোগ করেন, “বুয়েটের গবেষণা অনুযায়ী প্রকল্পে ভুল তথ্য ও প্রযুক্তিগত ঘাটতি ছিল। কিন্তু আমরা ক্ষমতায় আসার আগেই এর এলসি পরিশোধ হয়ে গেছে। সঠিক ইকুইপমেন্ট না এলে টাকা ও সময় উভয়ই নষ্ট হবে।”

    তৈয়্যব আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে দুদক চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেছি এবং একটি চিঠিতে বিস্তারিত যুক্তি উপস্থাপন করেছি। প্রস্তাব দিয়েছি, একটি নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে প্রকল্পের ইকুইপমেন্ট যাচাই করা হোক। যাতে টাকাও রক্ষা পায়, বিটিসিএলও টিকে থাকে।”

    তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে তাকে ও তার দপ্তরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

    ফয়েজ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমাদের মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পের কোনো দুর্নীতিতে জড়িত নয়। সব কার্যক্রমই হয়েছে আগের সরকারের সময়। আমরা শুধু প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি এবং সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর সমাধানের আহ্বান জানিয়েছি।”

    তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি প্রকল্পটি স্থগিত থাকে, তাহলে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ অনর্থক হয়ে যাবে এবং বিটিসিএলের বাজার হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

  • সারাদেশে এক দামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট: নতুন নির্দেশনায় বড় পরিবর্তন

    সারাদেশে এক দামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট: নতুন নির্দেশনায় বড় পরিবর্তন

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাহক এখন থেকে দেশের যেকোনো স্থানেই একই দামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পাবেন। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি একটি নির্দেশনার মাধ্যমে সকল সরকারি ও বেসরকারি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারকে (আইএসপি) দেশের সব স্তরে সমান ট্যারিফে সেবা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে।

    নতুন এই নির্ধারিত ট্যারিফ অনুযায়ী, ১:৮ কনটেনশন রেশিওর ভিত্তিতে ৫ এমবিপিএস ইন্টারনেটের মাসিক সর্বোচ্চ মূল্য ৪০০ টাকা, ১০ এমবিপিএস ৭০০ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস ১,১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মহানগর থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এই দাম একইভাবে কার্যকর হবে।

    বিটিআরসি জানায়, ইন্টারনেট সেবার মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত ট্যারিফটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে সরকার অনুমোদন করেছে এবং এটি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর হবে।

    📌 ট্যারিফের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত:

    • সকল আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে এই নির্ধারিত ট্যারিফ মেনে চলতে হবে।

    • গ্রাহকের যদি ৫ দিন টানা ইন্টারনেট না থাকে, তাহলে মাসিক বিলের ৫০%, ১০ দিন না থাকলে ২৫% ফেরত দিতে হবে এবং ১৫ দিনের বেশি না থাকলে সেই মাসে কোনো বিল নেয়া যাবে না।

    • সব সেবা “এ”, “বি”, “সি” গ্রেডে ভাগ করা হবে এবং সেবার মান বজায় রাখতে হবে।

    • অনুমোদিত ট্যারিফ ছাড়া অন্য কোনো সেবা বা প্যাকেজ চালু করা যাবে না; করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    • গ্রাহকের অভিযোগ (টিকিট নাম্বারসহ) দ্রুত সমাধান করতে হবে এবং অভিযোগ সংক্রান্ত রেকর্ড অন্তত ছয় মাস সংরক্ষণ করতে হবে।

    • প্রতিটি আইএসপিকে তাদের ওয়েবসাইটে ট্যারিফ তালিকা প্রকাশ করতে হবে।

    এ নির্দেশনার ফলে দেশের সব জায়গায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সেবায় সমতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গ্রাহকের স্বার্থ ও ন্যায্যতার দিক বিবেচনা করেই বিটিআরসি এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।