Category: খেলাধুলা

  • ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইসিসির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিসিবি

    ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইসিসির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিসিবি

    এবিএনএ: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের ভেন্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ভারতের মাটিতে খেলা সংক্রান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগ তুলে ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

    সম্প্রতি ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আইসিসির কাছ থেকে পাওয়া কয়েকটি পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এর পরপরই বিভ্রান্তি দূর করতে একটি ব্যাখ্যামূলক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিসিবি।

    বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড জানায়, আলোচিত যোগাযোগটি ছিল বিসিবি ও আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগের মধ্যকার একটি অভ্যন্তরীণ ই-মেইল বিনিময়। এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করা। এটি ভারতের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের বিষয়ে বিসিবির আনুষ্ঠানিক আবেদনের কোনো চূড়ান্ত জবাব নয়।

    বিসিবি আরও জানায়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তারা বিশ্বকাপের ভেন্যু নিয়ে তাদের উদ্বেগ আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেছে। সেই সঙ্গে প্রয়োজন হলে ভারতের বাইরে বাংলাদেশ দলের ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধও জানানো হয়েছে।

    বোর্ডের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়, বিষয়টি নিয়ে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, তা জানতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

  • মেসির সঙ্গে বৈঠক ও বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে মুখ খুললেন স্কালোনি

    মেসির সঙ্গে বৈঠক ও বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে মুখ খুললেন স্কালোনি

    এবিএনএ: ২০২৬ সালের জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ, যেখানে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে নামছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এ উপলক্ষে দলীয় স্কোয়াড, মেসির অবস্থা ও তার অধিনায়কত্ব নিয়ে বিশদ মন্তব্য করেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।

    সম্প্রতি স্কালোনি মেসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মেসির সঙ্গে কফি সেসন করেছি। যিনি তাঁকে চেনেন, জানেন— সে কখনও আরাম করে বসে না। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তার ধারাবাহিক মনোভাব সবসময় চোখে পড়ে। আমি চাই আমাদের দলও সেই মানসিকতা বজায় রাখুক। একজন অধিনায়কের ভূমিকা এমন যে, সে সবসময় সেরা পারফর্ম করে এবং পরে উত্তরসূরীরা তার লিগ্যাসি ধরে রাখতে পারে।”

    তবে স্কালোনি নিশ্চিত করেছেন, বৈঠকে বিশ্বকাপ খেলার বিষয়ে মেসির সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো চূড়ান্ত আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বকাপ নিয়ে সরাসরি আলোচনা করি নি। মেসি নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারবেন।”

    তাদের ৫০ জনের সম্ভাব্য তালিকা ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। স্কালোনি বলেন, “পূর্ববর্তী বিশ্বকাপে আমরা অনেক খেলোয়াড়কে ইনজুরির কারণে হারিয়েছি। তাই এবার বড় স্কোয়াড রাখা হয়েছে যাতে প্রয়োজনের সময় সবাই প্রস্তুত থাকে।”

    এছাড়া তিনি তরুণ ফরোয়ার্ড থিয়াগো আলমাদার ক্লাব পরিবর্তন প্রসঙ্গে বলেছেন, “আমরা খেলোয়াড়দের ক্লাব নির্বাচন নিয়ে হস্তক্ষেপ করি না। পারফরম্যান্সই গুরুত্বপূর্ণ। যে দলেই খেলুক, তার খেলোয়াড় হিসেবে মান বজায় রাখাই আমাদের কাছে মাপকাঠি।”

    ভ্যালেন্টিন কার্বোনি নিয়েও কোচ একই মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “খেলোয়াড়দের স্বাধীনতা দেওয়া জরুরি। পারফরম্যান্স দেখলেই আমাদের কাছে মান রয়েছে। তারা যদি আর্জেন্টিনায় থাকে, তা সুবিধা, তবে মূল বিষয় হলো মাঠে সেরা খেলা।”

    স্কালোনি গ্রুপপর্ব প্রতিপক্ষ দলগুলোর শক্তি-দুর্বলতাও বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি বলেন, “আলজেরিয়া একটি শক্তিশালী দল, তাদের কোচ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলান। জর্ডান এশিয়া কাপের শক্তিশালী দল এবং অস্ট্রিয়া বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন করেছে।”

    শেষে তিনি আর্জেন্টিনা দলের বর্তমান কাঠামো নিয়েও বলেন, “আমাদের দল পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। খেলোয়াড়রা যা অর্জন করেছে, ম্যাচে সেটাই দেখানো গুরুত্বপূর্ণ। মার্চ থেকে আসল প্রস্তুতি শুরু হবে। সামান্য সৌভাগ্যও প্রয়োজন সেরা অবস্থায় পৌঁছাতে।”

  • তামিম ইস্যুতে সরব মিরাজ: নেতিবাচক মন্তব্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের ক্রিকেট

    তামিম ইস্যুতে সরব মিরাজ: নেতিবাচক মন্তব্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের ক্রিকেট

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেটে চলমান বিতর্কের মধ্যে এবার সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যে জাতীয় দলের এই অলরাউন্ডার জানান, তামিমকে নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্য দেশের ক্রিকেটের জন্য মোটেও সহায়ক নয়।

    মিরাজের মতে, এ ধরনের মন্তব্য কেবল একজন ক্রিকেটারকে আঘাত করে না, বরং দেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক পরিবেশ ও ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে। তিনি মনে করেন, ক্রিকেটের মতো সংবেদনশীল একটি জায়গায় দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য সুস্থ ও সম্মানজনক পরিবেশ নষ্ট করে দেয়।

    ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে মিরাজ লেখেন, দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সবাইকে আরও সংযত ও সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

    তার ভাষায়, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ককে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো নেতিবাচক মন্তব্য দেশের ক্রিকেটের স্বার্থের সঙ্গে যায় না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ক্রিকেটের বৃহত্তর কল্যাণে ভবিষ্যতে সবাই আরও দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল অবস্থান নেবে।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এক পরিচালকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয় এই আলোচনা। ওই ঘটনার পর জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক একাধিক ক্রিকেটার প্রকাশ্যে ওই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। মিরাজের মন্তব্য সেই প্রতিবাদের ধারাকেই আরও জোরালো করেছে।

  • আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান সময়কে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, এই সময়ে নেওয়া যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব আগামী ১০ বছর পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটে ভোগাতে পারে। তাই আবেগের বশে নয়, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা মাথায় রেখেই বিসিবিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম বলেন, হঠাৎ মন্তব্য বা তড়িঘড়ি পদক্ষেপ সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বরং পারস্পরিক আলোচনা ও কার্যকর সংলাপের মাধ্যমেই সংকট থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। তাঁর বিশ্বাস, সঠিক সময়ে সঠিক ডায়ালগ বড় বড় সমস্যারও পথ খুলে দেয়।

    বিসিবির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যৎ ভাবনার ওপর জোর দিয়ে তামিম বলেন, আজ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার প্রভাব শুধু বর্তমান নয়, পরবর্তী এক দশকের ক্রিকেট কাঠামোতেও পড়বে। তাই স্বল্পমেয়াদি চাপে না পড়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    তিনি আরও মনে করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে একটি স্বাধীন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে হবে। সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় জরুরি হলেও, বোর্ডের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা থাকা দরকার। দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে প্রয়োজনীয় হলে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াও বোর্ডের দায়িত্ব।

    জনমতের বিষয়টি তুলে ধরে তামিম বলেন, দর্শকদের আবেগ মাঠের খেলায় স্বাভাবিকভাবেই প্রতিফলিত হয়। তবে সেই আবেগের ভিত্তিতে কোনো বড় ক্রীড়া সংস্থার নীতি নির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত নয়। জনমত সময়ের সঙ্গে বদলায়, কিন্তু পরিকল্পনা হওয়া উচিত স্থির ও লক্ষ্যভিত্তিক।

    নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তামিম জানান, বর্তমানে তিনি বোর্ডের কোনো দায়িত্বে নেই। তাই নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য করাও তাঁর উদ্দেশ্য নয়। তবে বোর্ডের অংশ হলে তিনি সর্বাগ্রে দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের স্বার্থকেই গুরুত্ব দিতেন—এমনটাই জানান এই অভিজ্ঞ ওপেনার।

  • হতাশা থেকে বিশ্বজয়—জীবনের কঠিন সময় পেরিয়ে যে বার্তা দিলেন মেসি: ‘কখনও হাল ছাড়তে নেই’

    হতাশা থেকে বিশ্বজয়—জীবনের কঠিন সময় পেরিয়ে যে বার্তা দিলেন মেসি: ‘কখনও হাল ছাড়তে নেই’

    এবিএনএ: ফুটবল দুনিয়ায় তিনি ইতিহাস, রেকর্ড আর সাফল্যের নাম—তবে ঘরের ভেতরে লিওনেল মেসি আর দশজন সাধারণ বাবা ও স্বামীর মতোই। সম্প্রতি আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম লুজু টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জীবনের নানা অজানা অধ্যায় তুলে ধরেছেন বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক।

    সাক্ষাৎকারে মেসি অকপটে স্বীকার করেছেন, জীবনের এক সময় এমন হতাশা তাঁকে গ্রাস করেছিল, যখন বেঁচে থাকার অর্থই হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। সেই অন্ধকার সময় থেকে বেরিয়ে আসার মূলমন্ত্র হিসেবেই তিনি বললেন—কখনও হাল ছেড়ে দেওয়া যায় না। চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়, বারবার পড়ে গিয়েও উঠে দাঁড়ানোর মানসিকতা রাখতে হয়।

    প্রায় এক দশক আগে বার্সেলোনার হয়ে ক্লাব ফুটবলে শীর্ষে থাকলেও জাতীয় দলের ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারার পর আর্জেন্টিনা দল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ের হতাশা ছিল ভয়ংকর, তবে সমালোচনার তোয়াক্কা না করে দলে ফেরার সিদ্ধান্তটাই বদলে দেয় তাঁর জীবন।

    এরপরই আসে সাফল্যের জোয়ার—দুটি কোপা আমেরিকা ও বহুল কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ জয়। জাতীয় দলের জার্সিতে খেলাটাই এখনও তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় গর্ব।

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে খেলার সুবাদে পরিবারকে আগের চেয়ে বেশি সময় দিতে পারছেন মেসি। তিন সন্তানের কোলাহলে ভরা সংসারে তিনি নিজেকে দেখেন একেবারে সাধারণ মানুষ হিসেবে। ব্যস্ত দিনের ফাঁকে একাকিত্ব উপভোগ করাটাও তাঁর কাছে এখন স্বস্তির।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে মেসি জানান, কোচ হওয়ার কথা ভাবেন না তিনি। বরং নিজের একটি ক্লাব গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন—যেখানে শিশুরা সুযোগ পাবে ফুটবলার হিসেবে গড়ে ওঠার। ইতোমধ্যে বন্ধু লুইস সুয়ারেজের একটি ক্লাবের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেই পথচলা শুরু করেছেন তিনি।

    প্রযুক্তি নিয়েও মেসির রয়েছে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তাঁর পছন্দ নয়, যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মজা করে সময় কাটাতে ভালোবাসেন। পুরো সাক্ষাৎকার জুড়ে তিনি নিজেকে তুলে ধরেছেন একজন সাধারণ আর্জেন্টাইন মানুষ হিসেবেই—যার জীবনের মূল শিক্ষা একটাই, কখনও হাল ছাড়তে নেই।

  • বুটজোড়া তুলে রাখার পর কী করবেন মেসি? কোচিং নয়, ফুটবল ক্লাবের মালিক হওয়ার স্বপ্ন এল এম টেনের

    বুটজোড়া তুলে রাখার পর কী করবেন মেসি? কোচিং নয়, ফুটবল ক্লাবের মালিক হওয়ার স্বপ্ন এল এম টেনের

    এবিএনএ: ফুটবল ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে দাঁড়িয়ে লিওনেল মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। মাঠ ছাড়ার পর তাকে কোচের ভূমিকায় দেখার আশা করলেও আর্জেন্টাইন মহাতারকা জানিয়ে দিলেন ভিন্ন এক পরিকল্পনার কথা।

    সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা বলেন, কোচিং পেশায় নিজেকে কখনোই কল্পনা করতে পারেন না। বরং অবসরের পর ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান একেবারে অন্য ভূমিকায়—একজন ক্লাব মালিক হিসেবে।

    মেসির ভাষায়, ম্যানেজার হওয়ার চিন্তাটি আকর্ষণীয় হলেও ক্লাবের মালিকানা তার কাছে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের। তিনি জানান, ভবিষ্যতে নিজের একটি ফুটবল ক্লাব কিনে সেটিকে একেবারে নিচের সারি থেকে ধাপে ধাপে শীর্ষে তুলে আনাই তার স্বপ্ন।

    নিজের কল্পনার ক্লাব সম্পর্কে এল এম টেন বলেন, সেখানে তরুণ ও প্রতিভাবান ফুটবলারদের বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে চান তিনি। অবসরের পর ফুটবলের সঙ্গে তার সম্পর্ক এমনভাবেই বজায় রাখতে চান বিশ্বজয়ী এই তারকা।

    তবে এখনই যে বিদায়ের ঘণ্টা বাজছে না, সেটিও স্পষ্ট করেছেন মেসি। কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছেন তিনি। নতুন চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ সাল পর্যন্ত গোল আর নৈপুণ্যে ভক্তদের মাতিয়ে যাবেন লিওনেল মেসি।

  • ৯ কোটির চুক্তি বাতিল, তবু এক টাকাও নয়! মুস্তাফিজ ইস্যুতে আইপিএলের ব্যাখ্যা কী?

    ৯ কোটির চুক্তি বাতিল, তবু এক টাকাও নয়! মুস্তাফিজ ইস্যুতে আইপিএলের ব্যাখ্যা কী?

    এবিএনএ: আইপিএল নিলামে বড় অঙ্কে দল পাওয়ার পরও এক ম্যাচ না খেলেই কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে চুক্তি বাতিল হলেও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে—এত বড় অঙ্কের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন কোনো ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না।

    নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিষয়টি আরও বিস্ময়কর কারণ, তার বিরুদ্ধে কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গ, ইনজুরি কিংবা পারফরম্যান্স-সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল না।

    আইপিএল সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই ঘটনার মূল কারণ আইপিএলের বিমা কাঠামো। প্রতিটি খেলোয়াড়ের চুক্তি বিমাকৃত হলেও বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা প্রযোজ্য হয় নির্দিষ্ট শর্তে। সাধারণত টুর্নামেন্ট চলাকালে বা ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরিতে পড়লে বিমা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ পাওয়া যায়।

    কিন্তু মুস্তাফিজের চুক্তি বাতিল হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই এবং সেটিও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে। ফলে এটি কোনো ইনজুরি বা ক্রিকেট-সংক্রান্ত কারণে নয়। এ কারণেই বিমা কোম্পানি কিংবা ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে অর্থ পরিশোধের কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়নি।

    আইনগতভাবে কেকেআর বা বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেটি সহজ নয়। আইপিএল ভারতীয় আইনের অধীনে পরিচালিত হওয়ায় এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনায় রেখে অধিকাংশ বিদেশি ক্রিকেটারই কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।

    সব মিলিয়ে, আইপিএলের বিমা নীতির জটিল কাঠামোর কারণেই বড় অঙ্কের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ক্ষতিপূরণবঞ্চিত হচ্ছেন মুস্তাফিজুর রহমান—এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

  • মারক্রামের কাঁধে নেতৃত্ব, রাবাদার প্রত্যাবর্তনে চমক—বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা প্রোটিয়াদের

    মারক্রামের কাঁধে নেতৃত্ব, রাবাদার প্রত্যাবর্তনে চমক—বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা প্রোটিয়াদের

    এবিএনএ: আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শক্তিশালী ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)। ভারত ও শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এইডেন মারক্রামের হাতে অধিনায়কত্ব তুলে দিয়েছে প্রোটিয়ারা। ঘোষিত স্কোয়াডে রয়েছেন আগের বিশ্বকাপে খেলা সাতজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

    চোট কাটিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর দলে ফিরেছেন পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা কাগিসো রাবাদা। তার সঙ্গে নতুন বলে আক্রমণ সামলাবেন লুঙ্গি এনগিডি ও আনরিখ নরকিয়া। পেস বিভাগে ভবিষ্যৎ ভাবনায় প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ দলে ডাক পেয়েছেন তরুণ কোয়েনা মাফাকা ও করবিন বশ।

    ব্যাটিং লাইনে অভিজ্ঞ কুইন্টন ডি কক ও ডেভিড মিলারের পাশে থাকছেন ‘বেবি এবি’ খ্যাত ডেওয়াল্ড ব্রেভিস এবং জেসন স্মিথ। তবে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে দেখা যাচ্ছে টনি ডি জর্জির নাম। ইনজুরির কারণে সম্প্রতি মাঠের বাইরে থাকলেও তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নির্বাচকদের আস্থা কুড়িয়েছে।

    স্পিন বিভাগে কেশভ মহারাজের সঙ্গে থাকছেন জর্জ লিন্ডে। অলরাউন্ডার হিসেবে স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ডোনোভান ফেরেইরা ও মার্কো জানসেন, যারা ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

    দল ঘোষণার পর নির্বাচক কমিটির প্রধান প্যাট্রিক মোরেনি জানান, ভারত ও শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে সফল হওয়ার জন্য অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার ভারসাম্যই ছিল মূল বিবেচ্য। প্রধান কোচ শুকরি কনরাডও আশা প্রকাশ করেন, ভারতের মাটিতে খেলার সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপে দলকে বাড়তি সুবিধা দেবে।

    বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেই সিরিজের দল পরে ঘোষণা করা হবে।

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
    এইডেন মারক্রাম (অধিনায়ক), ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, করবিন বশ, কুইন্টন ডি কক, টনি ডি জর্জি, ডোনোভান ফেরেইরা, মার্কো জানসেন, জর্জ লিন্ডে, কেশভ মহারাজ, কোয়েনা মাফাকা, ডেভিড মিলার, লুঙ্গি এনগিডি, আনরিখ নরকিয়া, কাগিসো রাবাদা ও জেসন স্মিথ।

  • উইকেটের পাহাড় গড়ে বিশ্বরেকর্ড দীপ্তির, নারী টি-টোয়েন্টির শীর্ষে ভারতীয় অলরাউন্ডার

    উইকেটের পাহাড় গড়ে বিশ্বরেকর্ড দীপ্তির, নারী টি-টোয়েন্টির শীর্ষে ভারতীয় অলরাউন্ডার

    এবিএনএ: নারী টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস রচিত হলো ভারতীয় অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মার হাত ধরে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিরুবনন্তপুরমে অনুষ্ঠিত পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিলাক্ষিকা সিলভাকে আউট করে তিনি নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বোলারে পরিণত হন।

    এই গুরুত্বপূর্ণ উইকেটের মাধ্যমে দীপ্তি ভেঙে দেন অস্ট্রেলিয়ার মেগান শাটের দীর্ঘদিনের ১৫১ উইকেটের রেকর্ড। ১৩৩টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ শেষে তার উইকেট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫২-এ। এই ফরম্যাটে তার বোলিং গড় ১৯.০০ এবং ইকোনমি রেট মাত্র ৬.১২, যা তার ধারাবাহিকতা ও দক্ষতার প্রমাণ।

    এই অর্জনের ফলে দীপ্তি শর্মা প্রথম ভারতীয় বোলার হিসেবে (নারী ও পুরুষ উভয় বিভাগেই) টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির শীর্ষস্থান দখল করলেন।

    এর আগে একই সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও অনন্য এক কীর্তি গড়েন দীপ্তি। তিনি ইতিহাসের প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—উভয় ফরম্যাটেই ১৫০-এর বেশি উইকেট নেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করেন। বর্তমানে ওয়ানডে ক্রিকেটে তার উইকেট সংখ্যা ১৬২।

    এই রেকর্ডের দৌড়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন মেগান শাট এবং ইংল্যান্ডের স্পিনার সোফি একলেস্টোন, যিনি দুই ফরম্যাটেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিয়মিত আলোচনায় রয়েছেন।

  • শক্তির জানান দিয়ে বিপিএল শুরু রংপুর রাইডার্সের: চট্টগ্রামকে উড়িয়ে দিল ৭ উইকেটে

    শক্তির জানান দিয়ে বিপিএল শুরু রংপুর রাইডার্সের: চট্টগ্রামকে উড়িয়ে দিল ৭ উইকেটে

    এবিএনএ: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) এবারের আসর শুরু করেই নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিল রংপুর রাইডার্স। প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে সহজেই ৭ উইকেটে হারিয়ে দারুণ সূচনা করল নুরুল হাসান সোহানের দল।

    সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস। তবে রংপুরের বোলিং আক্রমণের সামনে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে তারা। ওপেনার নাইম শেখ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ২০ বলে ৩৯ রান করলেও, অন্য ব্যাটাররা টিকতে পারেননি। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১০২ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম।

    চট্টগ্রামকে স্বল্প রানে আটকে দেওয়ার নায়ক ছিলেন পাকিস্তানি পেসার ফাহিম আশরাফ। নিখুঁত লাইন-লেংথে বোলিং করে ১৭ রান খরচায় ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

    সহজ লক্ষ্য তাড়ায় রংপুরের দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। উদ্বোধনী জুটিতে তারা দ্রুত রান তুলে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান। লিটন দাস ৩১ বলে ৪৭ রান করে ফিরলেও ডেভিড মালান করেন ৫১ রান।

    শেষ পর্যন্ত রংপুর রাইডার্স ১৫ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। বড় ব্যবধানে এই জয় বিপিএলের শুরুতেই রংপুরকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।