এবিএনএ : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী ৩৯৯ কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্পর্শকাতর ওই এলাকাজুড়ে বিজিবির নজরদারি নিশ্চিত করতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে থার্মাল ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা, রাডার, সেন্সরযুক্ত বিভিন্ন যন্ত্র ও সমন্বিত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। বর্ডার সার্ভেইল্যান্সের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুর্গম সীমান্তে ‘রেসপন্স টিম’ পৌঁছানোর লক্ষ্যে যেকোন ধরনের স্থল সীমান্তে চলাচল উপযোগী ‘অল টেরেইন ভেহিকেল’ এবং দুর্গম নৌ-সীমান্তে জন্য হাইস্পিড বোট সরবরাহ করা হবে। সোমবার সকাল ৯টায় দিকে বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তে ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ পরিদর্শন শেষে তিনি এ সব কথা বলেন। তিনি জানান, ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কভুক্ত সীমান্তে সংশ্লিষ্ট ‘কমান্ড’ পর্যায় থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট ইউনিট ছাড়াও কেন্দ্রীয়ভাবে সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে সীমান্তের নজরদারির লক্ষ্যে বিজিবি সদর দফতর, পিলখানায় সর্বাধুনিক ‘কমান্ড সেন্টার’ স্থাপন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় মাদক, অস্ত্র, সবধরনের চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ সহায়ক হবে।

বিজিবি মহাপরিচালক জানান, বর্তমানে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ সীমান্তের ১০ কিলোমিটার এলাকায় এই সিস্টেম স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। আগামী বছর নাগাদ কক্সবাজারের অধিকাংশ সীমান্ত এলাকা, নওগাঁর হাপানিয়া সীমান্ত, দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম’ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া সীমান্তের চেকপোস্টগুলোতে নিরাপত্তা ও নজরদারি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বেনাপোল ও হিলি চেকপোস্ট বিজিবির সিসিটিভি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সীমান্তের সকল চেকপোস্ট একইভাবে সিসিটিভি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকায় ‘সার্ভেইল্যান্স এন্ড রেসপন্স সিস্টেম’ স্থাপন সম্পন্ন হলে সীমান্ত অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে বলে জানান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালিদ আল মামুন, খুলনা সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল তৌহিদুল ইসলাম, যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল হক, খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল তারিকুল ইসলাম, আরআইবির কমান্ডিং অফিসার লে.কর্নেল খবির উদ্দিনসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




.jpg)





জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এ সভায় মন্ত্রী আরো বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ দেশ ধেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে এখন সময়ের ব্যপার। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আলাদিনের চেরাগ নেই। যে ঘসা দেবেন আর রাতারাতি উন্নত হয়ে যাবে। তবে তিনি ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টা কাজ করেন। তিনি পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। তাহাজ্জুতের নামাজ পড়েন। সকালে কোরআন তেলওয়াত করে কাজ শুরু করেন। দুর্নীতি তার কেশাগ্র স্পর্শ করেনি। তিনি শুধু নয়, তার পরিবার পরিজন কেউ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, জয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন প্রযুক্তিতে ঈর্ষনীয় উন্নতি করছে। আগামী মাসে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উক্ষেপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রযুক্তির এক স্বর্ণযুগে প্রবেশ করছে। মন্ত্রী সরকারের সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নের বিবরন তুলে ধরেন। রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মানবিক কারনে তাদের জায়গা দিয়েছেন। কিন্তু তাদের কারনে আজ আমাদের ওই অঞ্চলের বনসম্পদ এবং পর্যটন মারাত্মক হুমকির মুখে। তিনি বলেন, আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ওপর সন্ত্রাসীদের নজর পড়েছে। আমরা মিয়ানমারের সরকারকে বলেছি তারা যদি ভবিষ্যতে তোমাদের বিরুদ্ধে কিছু করে তাহলে আমাদের কিছু করার থাকবে না। মন্ত্রী আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে আবারো ক্ষমতায় আনার জন্য প্রবাসীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে এখন আইন আছে সাংবাদিক পেটানো হলে তার বিচার হবে। বাংলাদেশে সাংবাদিকদের যে স্বাধীনতা আছে তা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তিনি বলেন, যখন ওয়ার্ল্ড ব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগ এনে যখন পদ্মা সেতু প্রকল্পে টাকা দিতে অস্বীকার করেছিলো তখন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের হাজার হাজার নেতা সেদিন ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ঘেরাও করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলো। আমাদের নেতা-কর্মীরা বিএনপির জ্বালাও পোড়াও এর বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে প্রতিবাদ করেছে। সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সফল উল্লেখ করে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করা ছাড়া কোন উপায় নেই। সরকারের উন্নয়ন ঘরে ঘরে পৌচ্ছে দিতে হবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা বঙ্গবন্ধুর হত্যার রক্তের প্রতিশোধ নেবো। জনগনকে সাথে নিয়ে আমরা ২০৪১ সাল পর্যন্ত আমরা ক্ষমতায় থাকবো। তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বর্ণচোরা আখ্যায়িত করে তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলেন।