Category: আমেরিকা

  • নাইন-ইলেভেন বিল যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বিক্রির হুমকি সৌদি আরবের

    নাইন-ইলেভেন বিল যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বিক্রির হুমকি সৌদি আরবের

    এবিএনএ : ওবামা প্রশাসন ও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্যদের হুঁশিয়ারি করে সৌদি সরকার বলেছে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ার হামলায় সৌদি আরবকে দায়ী করে ‘নাইন-ইলেভেন বিল’ পাস হলে তার কাছে থাকা ৭৫ হাজার কোটি ডলারের মার্কিন সম্পদ বিক্রি করে দেয়া হবে।

    সৌদি আরবের এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন কংগ্রেসে ওই বিলটি আটকাতে দেন-দরবার শুরু করেছে হোয়াইট হাউস।

    প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সৌদি সফরের আগে শনিবার এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে এবিএনএ । বারাক ওবামা আগামী বুধবার সৌদি আরব সফরে যাবেন।

    ২০০১ সালের টুইন টাওয়ার হামলায় অভিযুক্ত বিদেশি দেশ ও সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের মামলা করার অনুমোদন-সংক্রান্ত নাইন-ইলেভেন বিল মার্কিন কংগ্রেসে পাসের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বিলটি পাস না করতে দাবি জানিয়ে আসছে সৌদি আরব। বিলটি পাস হলে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগকৃত ৭৫০ বিলিয়ন ডলারের ট্রেজারি সিকিউরিটিস বিক্রি করে দেয়ার হুঁশিয়ারি করেছে।

    গত মাসে ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেল আল-জুবায়ের ব্যক্তিগতভাবে তার দেশের মনোভাবের কথা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেছেন, যদি ওই বিল পাস করা হয় তাহলে সৌদি আরবের কাছে থাকা ৭৫ হাজার কোটি ডলার মূল্যের মার্কিন ট্রেজারি বিল এবং অন্যান্য সম্পদ বিক্রি করে দেবে তারা।

    চলতি বছরের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র সিনেটের জুডিসিয়ারি কমিটিতে বিলটি পাস হয়। এতে ‘সন্ত্রাসী হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নিহত’ হওয়ার মতো ঘটনায় বিদেশি সরকারের ওপর থেকে আইনি সুরক্ষা তুলে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এখন সেটি কংগ্রেসে অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

    জানা যায়, সৌদি আরবের হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে ওবামা প্রশাসন এরই মধ্যে কংগ্রেসকে নাইন-ইলেভেন বিল থেকে সৌদির আপত্তি-সংক্রান্ত অংশ বাদ দিতে অনুরোধ জানিয়েছে। চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে আইন প্রণেতা ও পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠকও হয়েছে।

    অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, সৌদি আরব যদি তার হুমকি বাস্তবায়ন করে তাহলে দেশটির অর্থনীতি সংকুচিত হয়ে পড়বে। তবে একই সঙ্গে বিপাকে পড়বে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিও।

    ওবামা প্রশাসন আইন প্রণেতাদের সতর্ক করেছে, এই বিল পাস হলে আন্তর্জাতিকভাবে আইনি ঝুঁকিতে পড়বে মার্কিনরা।

    এদিকে নাইন-ইলেভেন হামলায় আহত ও নিহতের স্বজনেরা চাইছে এই আইন পাস করা হোক এবং এ জন্য তারা আইন প্রণেতাদের চাপও দিচ্ছে। বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে হামলায় এক নিহতের স্ত্রী মেন্ডি কিনবার্গ বলেন, “আমাদের সরকার যেন মার্কিনদের নয়, সৌদির কথাই বেশি ভাবছে।”

    আগামী বুধবার সৌদি বাদশা সালমান ও তার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষৎ করতে রিয়াদ সফরে যাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তবে ওই বৈঠকের এজেন্ডায় নাইন-ইলেভেনের বিষয়টি থাকবে কি না সেটা এখনো পরিষ্কার নয়।

    টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই দেশে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করেনি।

    সৌদির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলায় সৌদি আরবের কোনো যোগসূত্র ছিল

  • মার্কিন বিমানের গতিরোধ করল রুশ যুদ্ধবিমান

    মার্কিন বিমানের গতিরোধ করল রুশ যুদ্ধবিমান

    এবিএনএ : এবার বাল্টিক সাগরের ওপর আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরিদর্শন বিমানের গতিরোধ করেছে রাশিয়ার এসইউ-২৭ যুদ্ধবিমান। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন বলেছে, ‘এ ধরনের আচরণ ঝুঁকিপূর্ণ এবং অপেশাদার।’ পেন্টাগনের মুখপাত্র লরা সিল বলেন, ‘মার্কিন বিমানটি আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় ছিল এবং এটি কখনও রাশিয়ার ভূখণ্ডে প্রবেশ করেনি।’

    গত সপ্তাহে রুশ যুদ্ধবিমান মার্কিন রণতরী ইউএসএস ডোনান্ড কুক ঘিরে একাধিকবার চক্কর দিলে এ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবারের ঘটনায় ওই রণতরীর মাত্র ৩০ ফুট দূরে একটি রুশ এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমান চক্কর দেয়। বিবৃতিতে লরা সিল বলেন, ‘এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ এবং অপেশাদার বিমান গতিরোধ সংশ্লিষ্ট ক্রুদের জন্য সম্ভাব্য ক্ষতি এবং আহতের কারণ হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা- একজন পাইলটের এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ও অপেশাদার কর্মকাণ্ডে দুদেশের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।’ তবে রাশিয়া এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে বেপরোয়া এবং উস্কানিমূলক হিসেবে দেখতে চাইছে না যা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুটি দেশের মধ্যে অব্যাহত উত্তেজনা আরও বাড়াচ্ছে।

  • ট্রাম্পের সমালোচনায় জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

    ট্রাম্পের সমালোচনায় জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

    এবিএনএ : যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিতর্কিত মন্তব্য আর কর্মকাণ্ডের জন্য ইতোমধ্যেই বেশ সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন রিপাবলিকান দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার জেইদ রদ আল-হুসেইন।

    তবে আল হুসেইন ট্রাম্পের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে নির্যাতনের প্রতি ব্যবসায়ীর সমর্থন এবং মুসলমানদের প্রতি বিতর্কিত নীতির সমালোচনা করেছেন। এ থেকেই বোঝা যায় তিনি আসলে পরোক্ষভাবে ট্রাম্পেরই সমালোচনা করেছেন। হুসেইন বলেন, গোঁড়ামি শক্তিশালী নেতৃত্বের কোনো প্রমাণ বহন করে না।

    তবে একই সঙ্গে রিপাবলিকান দলের অপর মনোনয়প্রত্যাশী টেড ক্রুজেরও সমালোচনা করেন আল হুসেইন। যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম এলাকায় নজরদারির পরিকল্পনার ব্যাপারে নিন্দা করেন তিনি। তার মতে, কাউকে ছোট প্রমাণ করতে অশ্লীল বা উত্তেজক কথা বলা কোনো ভালো মাধ্যম নয়। এ থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করাও কোনো সম্মানজনক পন্থা নয়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দৌঁড়ে এগিয়ে থাকা এক প্রার্থী মাস থানেক আগে নির্যাতনের পক্ষে মত দিয়েছেন। এটা একেবারেই আশা করা যায় না।

  • আমি আপনাদেরই লোক: স্যান্ডার্স

    আমি আপনাদেরই লোক: স্যান্ডার্স

    এবিএনএ : ১৯ এপ্রিল নিউইয়র্কে প্রাইমারি নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এক জনসভায় অংশ নিলেন ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। ওয়াশিংটন স্কয়ার পার্কে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিপুলসংখ্যক উৎসাহী স্যান্ডার্স সমর্থক অংশ নেন, যাদের অধিকাংশই ছিল ছাত্র ও তরুণ।

    সভায় প্রায় এক ঘণ্টার ভাষণে স্যান্ডার্স তাঁর পরিচিত বিষয়গুলো নতুন করে তুলে ধরেন। তিনি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলেন, এই শহরে তাঁর জন্ম, সে কারণে এই শহর ও রাজ্যের ডেমোক্রেটিক ভোটারদের তাঁকেই ভোট দেওয়া উচিত। আমার মনে হয় ডেমোক্রেটিক এস্টাবলিশমেন্ট মঙ্গলবারের প্রাইমারি নির্বাচনে ভালো রকম ধাক্কা খাবে। যদি বিপুল সংখ্যায় আপনারা ভোট দিতে আসেন, তাহলে আমরা অবশ্যই জিতব।’

    অধিকাংশ জনমত গণনায় অবশ্য হিলারি ক্লিনটনের তুলনায় এখনো বেশ পিছিয়ে আছেন স্যান্ডার্স। নিউইয়র্ক ওয়ান ও বারুখ কলেজের নেওয়া সর্বশেষ জরিপ অনুসারে হিলারি ১৩ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। গত আটটি প্রাইমারিতে স্যান্ডার্স মূলত শ্বেতকায় ও অনূর্ধ্ব-তিরিশ এমন ভোটারদের সমর্থনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। তারপরেও হিলারি মোট ভোট ও ডেলিগেট সংখ্যার হিসাবে অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন মুখ্যত আফ্রিকান-আমেরিকান ও হিস্পানিক অভিবাসীদের সমর্থনে। নিউইয়র্কের ডেমোক্রেটিক ভোটারদের উল্লেখযোগ্য অংশ আফ্রিকান-আমেরিকান, যাদের দুই-তৃতীয়াংশই হিলারির পক্ষে।

    এই কৃষ্ণকায়দের মধ্যে তাঁর সমর্থনের অভাবের কথা মাথায় রেখে স্যান্ডার্স ভাষণে তাঁদের সমস্যার ওপর বিশেষ নজর দেন। ‘আমরা আফ্রিকান-আমেরিকান ভোটার ভাই-বোনদের কথা মন দিয়ে শুনেছি। তারা প্রশ্ন করছে, কোটি কোটি ডলার খরচ হচ্ছে ইরাক যুদ্ধ সামলাতে, অথচ এই শহরের ভেঙে পড়া অবকাঠামো ঠিক করার জন্য অর্থ জোগাতে পারছি না’, স্যান্ডার্স বলেন। তিনি কম দামে আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
    এই সভার পরিবেশটি ছিল উৎসব মুখর। স্যান্ডার্স প্রধান আকর্ষণ হলেও তাঁকে সমর্থন জানাতে বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র ও সংগীত জগতের তারকারা মঞ্চে অবস্থান নেন।

    একই দিন আফ্রিকান-আমেরিকান অধ্যুষিত ব্রঙ্কসে একটি জনসভায় অংশ নেন হিলারি ক্লিনটনও।

  • যুক্তরাষ্ট্রে ‘ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্র’ চালু

    যুক্তরাষ্ট্রে ‘ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্র’ চালু

    এবিএনএ : যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো চালু করা হলো ‘ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্র’। ম্যাসাচুসেটেস অঙ্গরাজ্যের ওরচেস্টার শহরে ঐতিহ্যবাহী বেকার কলেজে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে ‘ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন বেকার কলেজের প্রেসিডেন্ট ড. রবার্ট ই. জনসন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এটাই প্রথম ‘ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্র’ বলে দাবি করা হয়। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এবিএনএ।

    ম্যাসাচুসেটস স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উৎকর্ষের অন্যতম কেন্দ্র। কেন্দ্রিয় ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত ২৩০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী এ বেকার কলেজের ঐতিহাসিক মেকানিক্স হলে ঐদিন প্রফেসর ইউনূস কীনোট স্পিকার হিসেবে প্রেসিডেনসিয়াল বক্তৃতাও প্রদান করেন। ‘ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্র’ স্বাস্থ্যসেবা সহ সমাজের বিভিন্ন সমস্যার টেকসই সমাধান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করবে বলে উল্লেখ করা হয়।

    প্রায় দেড় হাজার দর্শক-শ্রোতার অংশগ্রহণে এই জনাকীর্ণ বক্তৃতায় প্রফেসর ইউনূস তরুণ সমাজকে ভিন্নভাবে চিন্তা করতে, তাদের সৃষ্টিশীলতা দিয়ে তারা যে রকম পৃথিবী চায় বর্তমান পৃথিবীকে সেভাবে গড়ে নিতে এবং সমাজে প্রচলিত চাকরী খোঁজার মত সংকীর্ণ ভূমিকা থেকে বেরিয়ে আসতে চ্যালেঞ্জ জানান। তিনি বেকার কলেজকে ‘ইউনূস সামাজিক ব্যবসা কেন্দ্র’ চালুর জন্য অভিনন্দন জানান যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রূপান্তরমূলক পরিবর্তন সৃষ্টি সহ নানাবিধ ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে। উপস্থিত নেতৃস্থানীয় ব্যবসায়ীগণ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ তাঁর বক্তৃতার পর দাঁড়িয়ে তুমুল করতালির মাধ্যমে প্রফেসর ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।

    ম্যাসাচুসেটসের দীর্ঘদিনের কংগ্রেসম্যান জিম ম্যাকগভার্ন এই বক্তৃতা অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং প্রফেসর ইউনূসের বক্তৃতার পর তাঁর সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন। এই অনুষ্ঠানে বেকার কলেজের প্রেসিডেন্ট ড. রবার্ট ই. জনসন প্রফেসর ইউনূসকে কলেজের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘প্রেসিডেনসিয়াল মেডেল’ প্রদান করেন। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের মধ্যে রায়ান কাস্ট্রো, রেবেকা গ্যাগনন, রাকিবুল হৃদয়, কেলী হোয়েকস্ট্রা,অ্যারোন জোন্স, সাম কানু, অ্যামেলিয়া কারাইয়ান্স, র‍্যাকুয়েল নাইটস, অ্যামিলি ম্যাকেঞ্জি,থামিরেস নুনেস ও কেরী সাল্টভিক প্রফেসর ইউনূস সাক্ষাৎ করেন। এর আগে শিক্ষার্থীদের মাঝে নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে লেখা রচনা প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়।

  • নিউইয়র্কের অভিবাসীদের ভোট চাইলেন হিলারি

    নিউইয়র্কের অভিবাসীদের ভোট চাইলেন হিলারি

    এবিএনএ : এবার দেশের সবচেয়ে জনবহুল নগর নিউইয়র্ক সিটিতে ভোট চাইলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট মনোনয়নপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটন। গত সোমবার বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত জ্যাকসন হাইটসে এসেছিলেন হিলারি।

    ১৯ এপ্রিল নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইপর্বের পরবর্তী নির্বাচন। তার আগে বিশ্বের সবচেয়ে বহুজাতিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত কুইন্স বরোর বাসিন্দাদের কাছে ভোট চাইলেন হিলারি।

    ডেমোক্রেটিক পার্টির ও অভিবাসী নাগরিকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের উপস্থিতিতে হিলারি কুইন্সের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা, রিপাবলিকান পার্টির শীর্ষস্থানীয় মনোনয়নপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করেন। সাবেক ফার্স্ট লেডি বলেন, এই অঞ্চলে তাঁর (ট্রাম্পের) জন্ম হলে কী হবে, তিনি মোটেই বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্য সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করেন না।

    ‘জ্যাকসন ডাইনারস’ নামে এক রেস্তোরাঁয় হিলারি অল্প সময়ের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বেরিয়ে যাওয়ার মুখে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। এ সময় হিলারির সঙ্গে ছিলেন মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশ ককাসের সহ-প্রধান কংগ্রেসম্যান জোসেফ ক্রাউলি। তিনি উপস্থিত দর্শকদের সঙ্গে হিলারিকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় জানান, এখানে বসবাসকারী অভিবাসীরা প্রতিনিয়ত বৈষম্যের মুখোমুখি হয়ে থাকেন। জবাবে হিলারি বলেন, ট্রাম্প যে রাজনীতির সমর্থক, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    এদিকে সোমবার বার্তা সংস্থা এবিএনএর নেওয়া এক জনমত জরিপের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এই জরিপ অনুসারে অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক অভিবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও সুপ্রিম কোর্টে সঠিক বিচারক মনোনয়ন প্রশ্নে ট্রাম্পের চেয়ে হিলারির নেতৃত্বের প্রতি বেশি আস্থা পোষণ করেন। তবে অর্থনীতির প্রশ্নে হিলারি ও ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন প্রায় সমান।

  • নিউ ইয়র্কের প্রাইমারির ফলাফল বদলে দেবে হিলারি-ট্রাম্পের ভাগ্য

    নিউ ইয়র্কের প্রাইমারির ফলাফল বদলে দেবে হিলারি-ট্রাম্পের ভাগ্য

    এবিএনএ : যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লড়াইয়ে হিলারি-ট্রাম্পের ভাগ্যের বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেবে আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি। এ প্রাইমারিতে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ডেমোক্রেট ফ্রন্ট-রানার হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প বড় ধরনের জয়ের আশাও করছেন। তবে সর্বশেষ প্রাইমারি বা ককাস নির্বাচনে দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কাছে হেরেছেন এ দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। ফলে ওই প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে বড় জয় পাওয়াই হচ্ছে এখন তাদের মূল লক্ষ্য। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এবিএনএ।

    যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চল হিলারি ও ট্রাম্পের জন্য বন্ধুভাবাপন্ন হিসেবে দেখা হয়। গতকাল রোববার তারা দু’জনেই নিউ ইয়র্কে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। এ রাজ্যে প্রাইমারি নির্বাচন আগামী ১৯শে এপ্রিল। এখানে রয়েছে ডেমোক্রেট দলের ২৯১টি ডেলিগেট। তার ভিতর থেকে হিলারি ক্লিনটন বেশির ভাগই অর্জন করার আশা করছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের রয়েছে এ রাজ্যে ৯৫টি ডেলিগেট। আগামী জুলাইয়ে দু’দলেরই জাতীয় সম্মেলন। তার আগেই ফ্রন্টরানার এ দু’প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডেলিগেট সংগ্রহের চ্যালেঞ্জে নেমেছেন। গত মঙ্গলবার উইসকনসিনে দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী টেড ক্রুজের কাছে হেরেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এ পরাজয়কে বড় একটি আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে তার জন্য। তাই নিজের রাজ্যে এবার বড় জয় চাইছেন তিনি। বিলিয়নিয়ার রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান দলের মনোনয়ন পেতে তাকে কমপক্ষে ১২৩৭টি ডেলিগেট পেতে হবে। তা থেকে তিনি এখনও অনেকটা পিছনে পড়ে আছেন। তাই তার প্রচারণা এখন কেন্দ্রীভূত হয়েছে ওই সব রাজ্যে যেখানে ডেলিগেট সংখ্যা বেশি।

    ওদিকে শনিবার ওয়েমিং রাজ্যে দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী বার্নি স্যান্ডার্সের কাছে অল্প ব্যবধানে হেরেছেন হিলারি ক্লিনটন। তাই এখন তিনি মনোনয়ন লড়াইয়ে তার কমান্ডিং ভূমিকা ফিরে পেতে চাইছেন। এখন বার্নি স্যান্ডার্স কতগুলো রাজ্যে জিতলেন সেটা নিয়ে হিলারির মাথাব্যাথা নেই। তিনি চাইছেন তার টার্গেট পূরণ করতে। তার দলীয় মনোনয়ন পেতে অর্জন করতে হবে কমপক্ষে ২৩৮৩টি ডেলিগেট।

    এখন পর্যন্ত তিনি অর্জন করেছেন ১৭৭৪টি ডেলিগেট। তার আর দরকার ৬০৯ টি ডেলিগেট। তা সংগ্রহের জন্য তিনিও বড় বড় রাজ্যের দিকে চোখ রেখেছেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ ইয়র্ক, মেরিল্যান্ড, পেনসিলভ্যানিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ জার্সির মতো রাজ্যগুলো। এর মধ্যে নিউ ইয়র্কে আগামী ১৯শে এপ্রিল তিনি চমক দেখাতে পারবেন বলে আশা করছেন। কারণ, এ রাজ্য থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সিনেটে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
    অন্যদিকে বার্নি স্যান্ডার্সের জন্ম ব্রুকলিনে। তাই নিউ ইয়র্ক তার নিজের রাজ্য। তিনিও এখানে বড় জয় আশা করছেন। নিউ ইয়র্ক সিটি চার্চগুলোতে যোগ দেয়ার পর ক্লিনটন ছুটে গিয়েছেন বাল্টিমোরে। মেরিল্যান্ডে তার প্রথম নির্বাচনী সমাবেশকে কেন্দ্র করে এই ছুটে চলা। এ রাজ্যে তিনি বেশ জনপ্রিয়। এখানে প্রাইমারি নির্বাচন ২৬শে এপ্রিল। একই দিন পেনসিলভ্যানিয়া, রোড আইল্যান্ড, দেলাওয়ার ও কানেকটিকাটে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে এসব রাজ্যে ক্লিনটন বড় জয় পাবেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • আর ‘ওয়াটার বোর্ডিং’ নয়: সিআইএ–প্রধান

    আর ‘ওয়াটার বোর্ডিং’ নয়: সিআইএ–প্রধান

    এবিএনএ : মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন ব্রেনান বলেছেন, নতুন প্রেসিডেন্ট নির্দেশ দিলেও সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের ‘ওয়াটার বোর্ডিং’সহ তথাকথিত ‘প্রবলতর জিজ্ঞাসাবাদ কৌশল’ আর ব্যবহার করা হবে না।

    সিআইএ-প্রধানের এ মন্তব্য দেশটির আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে একটি প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেন, জয়ী হলে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বাতিল করা ওয়াটার বোর্ডিং ও আরও অনেক খারাপ জেরার পদ্ধতি আবারও চালু করবেন তিনি। এমনকি ট্রাম্পের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ সিনেটর টেড ক্রুজও জিজ্ঞাসাবাদে ওয়াটার বোর্ডিংকে নির্যাতন মনে করেন না। ক্রুজ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হলে দেশকে নিরাপদ রাখার জন্য যেকোনো কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ কৌশল ব্যবহার করবেন তিনি।

    ওয়াটার বোর্ডিং বিষয়ে এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিআইএ পরিচালক বলেন, ‘এ ধরনের পদ্ধতি ও কৌশল চালু করতে আমি রাজি হব না, কারণ এই সংস্থার টিকে থাকার দরকার আছে।’ একই সঙ্গে জেনে রাখা ভালো, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট চাইলে সিনেটের অনুমোদন নিয়ে সিআইএর নতুন পরিচালক নিয়োগ করতে পারবেন।

    উল্লেখ্য, নির্যাতনমূলক জেরার কৌশল ওয়াটার বোর্ডিং ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তুলে নিয়েছিলেন। ওয়াটার বোর্ডিং পদ্ধতিতে বন্দীর মুখ তোয়ালে দিয়ে ঢেকে নাক-মুখের ওপর পানি ঢালা হয়। এর মাধ্যমে বন্দীর মনে পানিতে ডুবে মরার আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

  • ওবামার ‘সবচেয়ে বড় ভুল’

    ওবামার ‘সবচেয়ে বড় ভুল’

    এবিএনএ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে উৎখাতের পর সেখানে প্রস্তুতি নিতে ব্যর্থ হওয়া তাঁর প্রেসিডেন্সির ‘সবচেয়ে বড় ভুল’। নিজ মেয়াদের ভালো ও খারাপ সময় সম্পর্কে ফক্স নিউজের করা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ মন্তব্য করেন। যদিও তিনি এও বলেন, লিবিয়ায় হস্তক্ষেপ ‘সঠিক’ ছিল।

    ২০১১ সালে লিবিয়ায় অভ্যুত্থান চলার সময় দেশটির বেসামরিক লোকদের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ সেখানে অভিযান চালায়। কিন্তু লিবিয়ার একনায়ক গাদ্দাফিকে হত্যার পর জঙ্গি দখল কায়েম ও তথাকথিত জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের উত্থানে দেশটি বিশৃঙ্খলায় নিমজ্জিত হয়।

  • নিউইয়র্কে ‘বাংলা সিনে অ্যাওয়ার্ড’

    নিউইয়র্কে ‘বাংলা সিনে অ্যাওয়ার্ড’

    এবিএনএ : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসছে ‘বাংলা সিনে অ্যাওয়ার্ড’-এর আসর। ১৭ এপ্রিল নিউইয়র্কের কুইন্স কলেজের কোলডেন মিলনায়তনে ‘বাংলা সিনে অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

    এ অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেবেন অনন্ত জলিল, বর্ষা, ফেরদৌস, অমিত হাসান, ওমর সানী, মৌসুমী, নিপুণ, ইমন, কাজী মারুফ, মাহি, বিদ্যা সিনহা মিম। গান করবেন এস আই টুটুল, বালাম, লিজা, পারভেজ, তপু।

    ‘বাংলা সিনে অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে গ্লোবাল বিজনেস কমিউনিকেশন।