Category: আমেরিকা

  • যে শহরে একটাই বাড়ি!

    যে শহরে একটাই বাড়ি!

    এ বি এন এ : শহরের বাসিন্দারা সবাই একই ছাদের নীচে থাকেন। তাদের অফিস, বাজার, স্কুল-কলেজ সব কিছুই ওই একটি বাড়ির ভিতরেই। কারণ ওই শহরে বাড়ির সংখ্যা একটাই।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার হুইটিয়ার শহরের বাসিন্দার সংখ্যা ২২০। তারা সকলেই একটিমাত্র বাড়িতে থাকেন। ১৪ তলা এই বিশাল বাড়িটির নাম বেগিক টাওয়ার। কেবল ২২০ জনের বাসগৃহ নয়, এই বাড়িটির ভিতরে আফিস, থানা, বাজার— সবই রয়েছে। তেমন দরকার না পড়লে বাসিন্দারা কেউ বাড়ি থেকেই বের হন না।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে বেগিক টাওয়ার নির্মিত হয়েছিল মিলিটারি ব্যারাক হিসেবে। ১৯৬৯ পর্যন্ত বাড়িটি সরকারের অধিকারেই ছিল। ওই বছর সেটি শহরের বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আজ ওই শহর তথা বাড়িটিতে যারা বাস করেন, তারা প্রত্যেকেই সামরিক অফিসিয়ালদের বংশধর।

    তবে এই শহরে একজন ব্যাতিক্রম রয়েছেন। তার নাম পল। তিনি বেগিক টাওয়ারে না থেকে আস্তানা গেড়েছেন একটি মোবাইল-বাড়িতে। কিন্তু বাজার করতে তাকে প্রবেশ করতেই হয় ঐ টাওয়ারে। তাই তার গাড়ি-বাড়িকে তিনি পার্ক করে রাখেন বেগিক টাওয়ার ঘেঁষেই।

  • ‘ক্ষমা চাইবেন না ওবামা’

    ‘ক্ষমা চাইবেন না ওবামা’

    এ বি এন এ : পারমানবিক বোমায় হিরোশিমাতে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়, কিন্তু তার জন্য ক্ষমা চাইবেন না বারাক ওবামা।

    এ মাসের ২৭ তারিখে জাপানের হিরোশিমা সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ১৯৪৫ সালের ৬ই অগাস্টে হিরোশিমাতে পারমানবিক বোমা হামলার পর এই প্রথম দায়িত্বে থাকা কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিরোশিমা সফর করছেন।

    কিন্তু হিরোশিমা সফরে গিয়ে পারমানবিক বোমা হামলার জন্য প্রেসিডেন্ট ক্ষমা চাইবেন না, বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউজ।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় ঐ হামলায় শহরটিতে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়। এর তিনদিন পর নাগাসাকিতে আরেকটি পারমাণবিক বোমা হামলায় মারা যায় ৭৪ হাজার মানুষ। যদিও যুদ্ধের ৭০ বছর পর হিরোশিমায় মি. ওবামার এ সফরকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।

    জি-সেভেন সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ওবামা ২৬শে মে জাপানে যাবেন। পরদিন তিনি হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সঙ্গে দেখা করবেন।

  • ট্রাম্প সম্পর্কে ওবামা  প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কোনো রিয়েলিটি শো নয়

    ট্রাম্প সম্পর্কে ওবামা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কোনো রিয়েলিটি শো নয়

    এ বি এন এ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের সম্ভাব্য প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একহাত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিভিন্ন সময় টেলিভিশনে ট্রাম্পের উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, ‘ওভাল অফিস জয় কোনো রিয়েলিটি শো নয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রতিযোগিতা।’
    গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের ওবামা এসব কথা বলেন।
    নির্বাচন-প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে আসছেন। ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ধারালো মন্তব্য করলে দলে সমর্থন বাড়ে। বিষয়টি সম্পর্কে ওবামার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কোনো বিনোদন অনুষ্ঠান নয়।’
    এদিকে ট্রাম্পের মনোনয়নপ্রাপ্তি অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় তিনি নিজে নির্ভার হলেও তাঁর দল নির্ভার হতে পারছে না। বর্তমান ও সাবেক অনেক নেতাই ট্রাম্পের পক্ষে কাজ করার চেয়ে নীরব থাকা শ্রেয় বলে মনে করছেন। এর মধ্যে অন্যতম সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ, তাঁর দুই ছেলে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ও রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট মনোনয়নপ্রত্যাশী জেব বুশ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মিট রমনি। মার্কিন হাউস স্পিকার পল রায়ানও দেখেশুনে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে ঠিক করেছেন।

  • হ্যাকিং ঝুঁকির কথা জানতো ফেডারেল রিজার্ভ

    হ্যাকিং ঝুঁকির কথা জানতো ফেডারেল রিজার্ভ

    এ বি এন এ : সুইফট ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির হওয়ার ঝুঁকির শঙ্কা আগেই প্রকাশ করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
    কিন্তু ফেডারেল ব্যাংক অফ নিউ ইয়র্ক ওই ঝুঁকির বিষয়টি জানার পরও বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোতে সুইফটের নিরাপত্তাকে সেভাবে গুরুত্ব দেয়নি।
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফেডারেল রিজার্ভের এক কর্মকর্তা এবিএনএ বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যংকগুলোর দুর্বল সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে অবগত থাকলেও এমন চুরির সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেয়নি ফেড কর্তৃপক্ষ।
    সুইফট ব্যবহার করে গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কায় সরানোর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। সুইফটের সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থ পরিশোধের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যংক থেকে ফেডারেল রিজার্ভের কাছে অনুরোধ পাঠানো যায়।
  • ট্রাম্পকে নিয়ে রিপাবলিকানদের বিতর্ক চরমে

    ট্রাম্পকে নিয়ে রিপাবলিকানদের বিতর্ক চরমে

    এ বি এন এ : যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ভিতরই বড় ধরণের বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে। প্রাইমারি ও ককাস নির্বাচনে দলীয় ৭ প্রার্থীকে পিছনে ফেলে দৌড়ে এখন একমাত্র প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার নানা রকম বিতর্কিত মন্তব্য ব্যাপকভাবে যুক্তরাষ্ট্রেতো বটেই, সারাবিশ্বের দৃষ্টি কেড়েছে।

    তাই তার পক্ষ নিয়েছেন যেমন দলের প্রভাবশালী অনেক নেতা। একইভাবে তার বিরুদ্ধে রয়েছেন তার চেয়েও প্রভাবশালী নেতারা। এর মধ্যে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক দু’জন প্রেসিডেন্ট, যারা সম্পর্কে পিতা-পুত্র। তারা হলেন জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও তার ছেলে জর্জ ডব্লিুউ বুশ। জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের আরেক ছেলে ফ্লোরিডার সাবেক গভর্নর জেব বুশও অবস্থান নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

    জেব বুশ পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন, আগামী ৮ই নভেম্বর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোটই দেবেন না। এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের বিরোধিতাকারীর সংখ্যা দীর্ঘ হলো।

    বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার পল রিয়ান বলেছেন, তিনি ট্রাম্পকে সমর্থন দিতে প্রস্তুত নন। তবে এ সপ্তাহে তার সঙ্গে সাক্ষাত করবেন ট্রাম্প। এবারই প্রথম রীতি ভাঙলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক দুই প্রেসিডেন্ট ও পিতাপুত্র। জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও জর্জ ডব্লিউ বুশ সেই রীতি ভেঙে তাদের দলের প্রার্থীকে সমর্থন দেন নি।

    অতীতে এমনটা শোনা যায় নি যে, দল থেকে নির্বাচিত সাবেক প্রেসিডেন্ট তার দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রত্যাশীকে সমর্থন দেন নি। শুধু তা-ই নয়। এবার অনেক রিপাবলিকান বলেছেন, তারা সমর্থন দেবেন ডেমোক্রেট দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে। তবে জেব বুশ তা করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাহলে তিনি কি করবেন? তিনি কি ভোট দিতেই যাবেন না? এমন প্রশ্নের কোন উত্তর আপাতত মিলছে না।

  • বাংলাদেশে উগ্রবাদ মোকাবেলায় ভারতের সঙ্গে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশে উগ্রবাদ মোকাবেলায় ভারতের সঙ্গে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র

    এ বি এন এ : বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে বলে দাবি করেছেন দেশটির একজন শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিক। সম্প্রতি দেশে সেক্যুলার ব্লগার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন এ কথা জানান।
    অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন কংগ্রেসের শুনানিতে বলেন, ‘সমস্যা সমাধানে আমরা উভয়েই সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। সেই সঙ্গে জঙ্গিবাদ যেন বাংলাদেশে শিকড় গেড়ে বসতে না পারে তাই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।’ গত মাসের শেষ দিকে এশিয়া সংক্রান্ত পররাষ্ট্র কমিটির শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন ব্লিঙ্কেন।
    সম্প্রতি দেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘গত কয়েক মাসে আমরা বাংলাদেশে ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসবাদী হামলা হতে দেখছি। ইসলামিক স্টেট (আইএস) অথবা আল কায়েদা এসব হামলার দায় স্বীকার করেছে।’ এসব হামলায় দেশের বিরোধী দলগুলো যুক্ত থাকতে পারে সরকারের এমন দাবির সঙ্গেও দ্বিমত পোষণ করেন ব্লিঙ্কেন।
    ‘অনেক সময়ই সরকার দাবি করেছে কোন না কোনভাবে বিরোধী দলগুলো এসব হামলার পেছনে রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া প্রমাণে আমরা দেখতে পেয়েছি স্থানীয় বা আইএসের সঙ্গে যুক্ত জঙ্গি গ্রুপগুলোই এই হামলাগুলো চালিয়েছে।’ বলেন তিনি।
    ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘এই ঘটনাগুলো থেকে আমাদের শঙ্কা বাংলাদেশে আইএস শিকড় গাড়তে পারে।’ আধুনিক চেতনাসম্পন্ন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশ বৈশ্বিক জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
    বাংলাদেশকে ‘মডারেট মুসলিম’ দেশ হিসেবে মনে করা হয় উল্লেখ করে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কংগ্রেস কমিটিকে বলেন, অতীতে বাংলাদেশ কার্যকরভাবে ইসলামী চরমপন্থার উত্থান ঠেকিয়েছে। কংগ্রেসম্যান স্টিভ চ্যাবটের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
  • আসাদকে ক্ষমতা ছাড়ার হুমকি -যুক্তরাষ্ট

    আসাদকে ক্ষমতা ছাড়ার হুমকি -যুক্তরাষ্ট

    এবিএনএ : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, আগামীকয়েক মাসের মধ্যে রাজনৈতিক উপায়ে ক্ষমতা ছাড়তে হবে অন্যথায় ভিন্ন পরিণতি বরণ করতে হবে।
    গতকাল (মঙ্গলবার) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে সাংবাদিকদের কেরি জানান, আগামী পহেলার আগস্টের মধ্যে আসাদকে ক্ষমতাছাড়তে হবে।
    তিনি দাবি করেন, “আলোচনার টেবিলের সবাই বলেন, আসাদ যতক্ষণ ক্ষমতায় আছেন ততক্ষণ পর্যন্ত সিরিয়াকে ঐক্যবদ্ধ করা যাবে না; তিনি তা করতে পারবেন না।”

    সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় আলেপ্পো শহরে যখন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও আসাদ অনুগত সেনাদের মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষ চলছে তখন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইঁ হুশিয়ারি দিলেন। আলেপ্পো শহরে সংঘর্ষের কারণে সিরিয়ায় চলমান যুদ্ধবিরতি অনেকটা হুমকির মুখে পড়েছে। রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে সমঝোতার পর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

    জন কেরি আরো বলেছেন, তিনি এখনো আশা করেন যে, আলোচনার মাধ্যমে আলেপ্পোসহ পুরো দেশে যুদ্ধবিরতি পুনর্বহাল হতে পারে। কিন্তু সিরিয়ার সরকার যদি তা ভঙ্গ করে তাহলে মারাত্মক পরিণতি বরণ করতে হবে।
    কেরি জোর দিয়ে বলেন, “প্রেসিডেন্ট আসাদ যদি যুদ্ধবিরতি না মানেন তাহলে অবশ্যই পাল্টা ব্যবস্থার মুখে পড়তে হবে। যে পক্ষ যুদ্ধবিরতি ভাঙবে তাদেরকে যুদ্ধে ফিরে যেতে হবে। কিন্তু আমি মনে করি না- রাশিয়া তা চায়। আসাদও এ থেকে লাভবান হবেন তাও মনে করি না। সেক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হতে পারে এবং সেটা হবে ভবিষ্যতে।”

    এর একদিন আগে জেনেভায় সিরিয়া বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত স্টাফান ডি মিসতুরার সঙ্গে বৈঠক করেন কেরি।
    মিসতুরার সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠক করেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।

  • ট্রাম্পের কাছে হেরে রণভঙ্গ ক্রুজের

    ট্রাম্পের কাছে হেরে রণভঙ্গ ক্রুজের

    এবিএনএ : ইন্ডিয়ানা প্রিমিয়ারে ট্রাম্পের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলের ট্রেড ক্রুজ।

    নিউ ইয়র্কের ব্যবসায়ী ট্রাম্প বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট হবার যোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছিলেন ক্রুজ। তিনি তার শেষ বক্তব্যে ট্রাম্পকে ‘প্যাথলজিকাল লায়ার’ বলে সম্বোধন করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের কাছে হেরে বিদায় নিলেন তিনি।

    ইন্ডিয়ানা প্রিমিয়ারে নির্বাচনের ফলাফল জানার পর ক্রুজ তার সমর্থকদের বলেন, আমাদের পক্ষে যতটুকু করার ছিল তার সবটুকু চেষ্টাই আমরা করেছি। কিন্তু ভোটাররা অন্য পথ পছন্দ করেছে। তাই আমি ক্যাম্পেইন বন্ধের ঘোষণা দিচ্ছি। কিন্তু দেশের সংবিধান রক্ষার জন্য আমার লড়াই চলবে।’

    এদিকে ইন্ডিয়ানা প্রিমিয়ারে ডেমোক্রেট প্রার্থী বার্নি সেন্ডার্সের কাছে হেরে গেছেন হিলারি ক্লিনটন। এই জয়ের পর বার্নি সেন্ডার্স জানান, ক্লিনটনের ক্যাম্পেইন কারীরা মনে করছেন ক্যাম্পেইন শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের এই ভাবনা ভুল।’

  • বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর ‘নজর’ রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর ‘নজর’ রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

    এবিএনএ : সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর পর বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর ‘নিবিড়ভাবে নজর’ রাখছে যুক্তরাষ্ট্র।

    যুক্তরাষ্ট্রের পরররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, ‘সব নাগরিককে আরও নিরাপদ পরিবেশ দিতে’ বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন তারা।

    এছাড়া বাংলাদেশে সহনশীলতা, শান্তি ও বৈচিত্র্য রক্ষায় এদেশের মানুষের যে ঐতিহ্য রয়েছে তা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

    সোমবার পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ‘সংকটে’ তারা উদ্বেগ জানিয়েছেন।

    “আমরা তা অব্যাহত রাখছি। আপনাদের বলার মতো আরও সুনির্দিষ্ট কোনো তৎপরতার তথ্য আমার কাছে নেই। তবে আমি আপনাদের বলতে পারি, আমরা খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং আমরা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখছি।”

    বাংলাদেশে সাম্প্রতিক মুক্তমনা লেখক, প্রকাশক, ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং আল-কায়েদার ভারতীয় শাখা একিউআইএসের নামে ‘দায় স্বীকার’র বার্তা এসেছে।

    গত মাসে ইউএসএআইডির কর্মকর্তা ও সমকামী অধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান এবং তার বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব রাব্বী তনয় হত্যাকাণ্ডের পরও এ ধরনের বার্তা এসেছে।

    তবে বাংলাদেশে আইএস বা একিউআইএসের উপস্থিতির খবর নাকচ করে সরকার বলছে, ‘দেশের মধ্যে বেড়ে ওঠা ইসলামী উগ্রপন্থিরা’ এসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে এসব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। লেখালেখি ও মত প্রকাশের জন্য যারা উগ্রপন্থিদের হামলার ঝুঁকিতে আছেন তাদের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে তৎপরতা বাড়ানোর কথাও বলেছেন তিনি।

  • নিজের চরিত্রে অভিনয় ওবামার

    নিজের চরিত্রে অভিনয় ওবামার

    এবিএনএ :
    -আপনার নাম কী?
    -বারাক হোসেন ওবামা।
    শুনেও কোনো ভাবান্তর হলো না কাউন্টারে দায়িত্বে থাকা মেয়েটার।
    -দেখি, জন্মসনদ দেখান।
    বারাক ওবামা অসহায় একটা ভঙ্গি করলেন। কিন্তু তাতে চিড়ে ভিজল না। অগত্যা বের করলেন তাঁর জন্মসনদ। চশমার ফাঁক দিয়ে সরু চোখে সেটা দেখল মেয়েটা।
    ওবামা বলার চেষ্টা করলেন, ‘এটা কিন্তু আসল।’ কিন্তু মেয়েটার সন্দেহ গেল বলে মনে হলো না। ওবামা রীতিমতো হতভম্ব। এত দিন ছিলেন প্রেসিডেন্ট। তাই আর যা-ই হোক, গাড়ি চালনা নিয়ে চিন্তা করতে হয়নি। এখন দায়িত্বের শেষে এসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েই কিনা এই বিপত্তি!
    খানিক পরের দৃশ্য।
    বিরস মুখে বসে আছেন ওবামা। অবসরজীবনে কী করবেন, এই নিয়ে দারুণ চিন্তিত। হাতে পপকর্নের প্যাকেট। সামনে পর্দায় চলছে টয় স্টোরি।

    ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে বারাক ওবামার দায়িত্ব পালনের সময়। এর মধ্যেই ওবামাকে নিয়ে এমন রসিকতা! ওবামাকে নিয়ে মজার এই ভিডিওটা অবশ্য অন্য কারও তৈরি নয়। প্রচার করেছে খোদ হোয়াইট হাউস। ৩০ এপ্রিল ‘হোয়াইট করেসপনডেন্টস ডিনার’ অনুষ্ঠানে ঘটা করে সেটা সুধীজনদের দেখিয়েছেন ওবামা নিজেই। কারণ আর কিছু নয়; শুধুই মজা! অভিনয় অবশ্য একদম খারাপ করেননি ওবামা। আসছে অবসরজীবনটা চাইলে হয়তো নাটক-সিনেমা করেও কাটাতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট।