Category: আন্তর্জাতিক

  • ব্রিটেনে অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হচ্ছে মুসলিম নারীরা

    ব্রিটেনে অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হচ্ছে মুসলিম নারীরা

    এ বি এন এ : ব্রিটেনে মুসলিম নারীরাই অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বঞ্চিত জনগোষ্ঠী, এমনকি অন্য নারীদের তুলনায় তাদের বেকারত্বের হার তিনগুণ বেশি। ব্রিটেনের এমপিদের তৈরি করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এমপিদের দ্য উইমেন অ্যান্ড ইকুয়ালাইটিস কমিটি তাদের এই প্রতিবেদনে বলছে, মূলত তিনটি কারণেই তাদের এই হাল।

    কারণগুলো হলো- তারা নারী, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠী ও মুসলিম। কমিটি মনে করছে এ বৈষম্য দূর করতে মন্ত্রীদের পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত বছর শেষ হওয়ার আগেই। সরকার বলছে, সবার জন্য কাজের ব্যবস্থা করতে তারা অঙ্গীকারাবদ্ধ। তারা বলছে, ২০১১ সালের চেয়ে ৪৫ শতাংশ বেশি মুসলিম নারী এখন কাজ করছেন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্মের কারণেই মুসলিম নারীরা বেশি বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। মুসলিম নারীদের ওপর ইসলামোফোবিয়ার প্রভাবকে অবহেলা করা উচিত নয়। একই ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ভাষাগত দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও খ্রিস্টান নারীদের চেয়ে প্রায় ৭১ শতাংশ বেশি মুসলিম নারীই বেকার রয়েছে। এমনকি বৈষম্যের শিকার হওয়ার ভয় ও কাজের পরিবেশের কারনেও অনেক মুসলিম নারী চাকুরীর আবেদন করেননা।

    ম্যানচেস্টারের একজন ২১ বছর বয়সী মুসলিম নারী বলছেন তিনি দুটি ফোন ইন্টারভিউতে অংশ নিয়েছিলেন। ফোনে তারা বলেছিলো আমিই যোগ্য পদটির জন্য। কিন্তু পরে যখন সামনা সামনি সাক্ষাতকার হলো যেখানে আমার মাথায় স্কার্ফ ছিলো তখনি তাদের সুর পাল্টে গেলো।

  • তুরস্কে জোড়া বোমা হামলা ও গুলি; নিহত ১৩

    তুরস্কে জোড়া বোমা হামলা ও গুলি; নিহত ১৩

    এ বি এন এ : তুরস্কে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেরর কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় জোড়া বোমা হামলায় ও ইরাক সীমান্ত থেকে চালানো রকেট ও কামানের গোলাবর্ষণে মোট ১৩ জন নিহত হয়েছেন । কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) বিদ্রোহীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে রাষ্ট্রটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। বুধবারের এসব হামলার ঘটনায় আরো অন্ততপক্ষে ৬১ জন আহত হয়েছেন।
    বুধবার সকালে সীমান্তের ওপারে ইরাকি এলাকা থেকে বিদ্রোহীদের ছোঁড়া রকেট ও কামানের গোলায় চার সেনা নিহত ও নয় সেনা আহত হন। সিরনাক প্রদেশে চালানো এই হামলার জন্য পিকেকে-কে দায়ী করেছে তুর্কি নিরাপত্তা বাহিনী। মারদিন প্রদেশে সিরীয় সীমান্তবর্তী কিজিলতেপি শহরে একটি হাসপাতালের কাছে চালানো দূর-নিয়ন্ত্রিত বোমার বিস্ফোরণে চার বেসামরিক নিহত হন। একটি পুলিশ বাসকে লক্ষ্য করে রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। এতে আরো ৩০ বেসামরিক ও ১০ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন।
    দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বৃহত্তম শহর দিয়ারবাকিরে চালানো একটি গাড়িবোমা হামলায় আরো পাঁচ বেসামরিক নিহত হন। সূত্রগুলো জানিয়েছে, সম্ভবত পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়েছিল। টাইগ্রিস নদীর একটি সেতুতে পুলিশের তল্লাশি চৌকির কাছে চালানো এ হামলায় পাঁচ পুলিশ ও সাত বেসামরিক আহত হন।
    তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কুর্দি অধ্যুষিত এলাকাগুলোর স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আঙ্কারা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে পিকেকে-র গেরিলারা। মাঝে দুপক্ষের মধ্যে একটি অস্ত্রবিরতি চললেও গেল বছর তা ভেঙে পড়ে। তারপর থেকে দুপক্ষের মধ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষ চলছে।
    গেল মাসের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের ধকল কাটিয়ে উঠার চেষ্টারত তুরস্ক ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সন্ত্রাসী হামলারও মোকাবিলা করছে।
    ১৫ জুলাইয়ের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে ২৪০ জন নিহত ও দুই হাজার ২০০ জন আহত হন। এর জেরে এ পর্যন্ত প্রায় ৬৩ হাজার লোককে আটক, বরখাস্ত বা তদন্তের অধীনে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই সামরিক বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্য। এ ছাড়াও বিচারক, শিক্ষা বিভাগ ও সরকারি চাকরিজীবীদেরও বরখাস্ত করা হয়েছে।
  • গো-রক্ষার নামে দলিত নির্যাতনের বিচার চাইলেন মায়াবতী

    গো-রক্ষার নামে দলিত নির্যাতনের বিচার চাইলেন মায়াবতী

    এ বি এন এ : ভারতে বহুজন সমাজবাদী পার্টির (বিএসপি) প্রধান মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে গো-রক্ষার নামে দলিতদের ওপর হামলার বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোন সহানুভূতি দেখানোর সুযোগ নেই।
    পার্লামেন্টের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের মায়াবতী বলেন, সাম্প্রতিক হামলায় আহত দুই দলিতের অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। এক্ষেত্রে আমি কেন্দ্রকে উদ্দেশ করে বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলতে চাই,দলিতদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারকে শুধু মুখে মুখে দলিতদের জন্য সহানুভূতির কথা বললেই চলবে না। আমরা এর দৃশ্যমান অগ্রগতি চাই।
    গত মঙ্গলবার অন্ধ প্রদেশের আমালপুরামে একটি মৃত গরুর চামড়া ছাড়াতে গেলে দলিত সম্প্রদায়ের দুই ভাই বেদম প্রহারের শিকার হয়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, গরুর মালিকই তাদের এ নির্দেশ দেন। কিন্তু তারপরেও তারা গোরক্ষাকারীদের রোষারলে পড়েন। এর আগে গুজরাটেও একই ধরনের ঘটনায় চার দলিতকে জনসম্মুখে পেটানো হয়। এ নিয়ে তখন বেশ প্রতিবাদের ঝড় উঠে।
    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত শনিবার গুজরাটের ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, এটা আসলে সমাজবিরোধী কাজ। গো রক্ষার নামে এ ধরনের কোন কর্মকাণ্ড বরদাশত করবেনা তার সরকার।
  • ‘যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলেন তুর্কি সামরিক কর্মকর্তা’

    ‘যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলেন তুর্কি সামরিক কর্মকর্তা’

    এ বি এন এ : নটেো জোটরে হয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ভত্তিকি একটি অ্যাসাইনমন্টেে র্কমরত এক র্তুকি সামরকি র্কমর্কতা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনতৈকি আশ্রয় চয়েছেনে।

    গলে মাসরে র্ব্যথ সামরকি অভ্যুত্থানরে পরপ্রিক্ষেতিে র্তুকি সরকার তাকে দশেে ফরোর আদশে দওেয়ার পর তনিি এ আবদেন জানান বলে যুক্তরাষ্ট্ররে র্কমর্কতারা জানয়িছেনে।

    র্ব্যথ অভ্যুত্থানরে পর বদ্রিোহী সামরকি র্কমর্কতাদরে বরিুদ্ধে ব্যাপক দমনপীড়ন শুরু করছেে তুরস্করে প্রসেডিন্টে রজিপে তায়পি এরদোয়ানরে সরকার। উল্লখেযোগ্য সংখ্যক সামরকি র্কমর্কতাকে ছাঁটাই ও বরখাস্ত করা হয়ছে।ে এদরে অনকেকে গ্রপ্তোর করা হয়ছে।

    তবে উদ্ভূত পরস্থিতিতিে জানামতে এই প্রথম কোনো র্তুকি সামরকি র্কমর্কতা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনতৈকি আশ্রয় চাইল।

    অভ্যুত্থান প্রচষ্টোর জন্য র্তুকি সরকার যুক্তরাষ্ট্রে স্বচ্ছো নর্বিাসনে থাকা তুরস্করে র্ধমীয় নতো ফতেুল্লাহ গুলনেকে দায়ী করছে।ে গুলনেকে ফরেত পাঠানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্ররে কাছে বারবার দাবি জানয়িে আসছ।ে এই নয়িে যুক্তরাষ্ট্ররে সঙ্গে তুরস্করে সর্ম্পক শীতল হয়ে পড়ছে।

    এরপর আরকে র্তুকি সামরকি র্কমর্কতা যুক্তরাষ্ট্ররে রাজনতৈকি আশ্রয় চাওয়ায় দুদশেরে সর্ম্পক আরো নাজুক হয়ে পড়ার শঙ্কা তরৈি হয়ছে।

    নাম প্রকাশ না করার র্শতে রয়র্টাসকে যুক্তরাষ্ট্ররে দুজন র্কমর্কতা জানয়িছেনে, ওই র্তুকি সামরকি র্কমর্কতা যুক্তরাষ্ট্ররে র্ভাজনিয়িা অঙ্গরাজ্যরে নরফোকে নটেোর অ্যালাইড কমান্ড ট্রান্সর্ফমশেনে র্কমরত আছনে।

    তার নাম ও পদবি প্রকাশ করনেনি যুক্তরাষ্ট্ররে ওই র্কমর্কতারা।

    তবে ওয়াশংিটনরে র্তুকি দূতাবাসরে এক র্কমর্কতা জানান, গলে মাসে র্তুকি নৌবাহনিীর রয়িার অ্যাডমরিাল মুস্তাফা উগুরলুর বরিুদ্ধে তুরস্কে আটকাদশে জারি হওয়ার পর থকেে তনিি র্কতৃপক্ষরে সঙ্গে যোগাযোগ করনেন।ি

    “২২ জুলাই তনিি তার ব্যাজ ও পরচিয়পত্র ঘাঁটতিে ফলেে রখেে যান এবং তারপর থকেে তার কোনো খবর পাওয়া যায়ন,ি” বলে নাম প্রকাশ না করার র্শতে বলনে র্তুকি দূতাবাসরে এই র্কমর্কতা।

    র্তুকি কোনো র্কমর্কতা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনতৈকি আশ্রয় চয়েছেনে কনিা তা তার জানা নইে বলে জানয়িছেনে এই র্কমর্কতা।

    এপ্রলিে নটেোর ওয়বেসাইটে প্রকাশতি একটি সংবাদে উগুরলুকে নরফোক ঘাঁটরি একটি কমান্ডরে সহকারী প্রধান বলা হয়ছে।ে

    র্তুকি দূতাবাসরে ওই র্কমর্কতা জানান, নম্নি-পদস্থ আরো দুজন র্তুকি র্কমর্কতাকে দশেে ফরিে যতেে বলার পর তাদরে একজন ফরিে গছেনে এবং অপরজন যাওয়ার প্রস্তুতি নচ্ছিনে।

    “তবে তাদরে বরিুদ্ধে কোনো আটকাদশে দওেয়া হয়ন,ি” বলনে এই র্তুকি র্কমর্কতা।

  • অপসারিত রুসেফের বিরুদ্ধে বিচারের পক্ষে ভোট

    অপসারিত রুসেফের বিরুদ্ধে বিচারের পক্ষে ভোট

    এ বি এন এ : ব্রাজিলের অপসারিত প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফের বিরুদ্ধে বিচার শুরু করার পক্ষে ভোট দিয়েছে দেশটির সিনেট। বুধবার সিনেটের ৮০ সদস্যের ৫৯ জন বিচারের পক্ষে এবং ২১ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

    মে মাসে সিনেটের ভোটে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারিত হন ব্রাজিলের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট রুসেফ। রাষ্ট্রীয় অর্থ দলীয় প্রচারকাজে ব্যয় এবং ভোটের আগে জনগণকে প্রভাবিত করতে বাজেট আইন অমান্য করে বেশি বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে সিনেটে অভিশংসিত হন তিনি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের পাল্টা অভিযোগ করেন রুসেফ।

    অভিশংসনে অপসারিত রুসেফের বিরুদ্ধে বিচার হবে কি হবে না, তা নিয়ে সিনেটে বিতর্ক শুরু হয়। তার বিরুদ্ধে বিচার শুরু করতে সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন দরকার ছিল, যা সহজেই মীমাংসা হয়েছে।

    চারটি অভিযোগে রুসেফের বিরুদ্ধে বিচার হবে। একে বলা হচ্ছে ‘অভিশংসন বিচার’। অভিশংসনের পরও সিনেট যদি তার বিরুদ্ধে বিচার শুরুর অনুমোদন না দিত, তাহলে তিনি আবার ক্ষমতা ফিরে পেতেন। এখন রুসেফের বিরুদ্ধে শেষ সুযোগ বিচারের মুখোমুখি হয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করা। যদি তা সম্ভব হয়, তবেই তিনি আবার প্রেসিডেন্ট পদ ফিরে পাবেন।

    ব্রাসিলিয়ায় মঙ্গলবার সিনেটে বিতর্ক শুরু হয়ে শেষ হয় বুধবার সকালে। বিতর্ক শুরুর আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্ট রিকার্ডো লেওয়ানডস্কি সিনেটরদের উদ্দেশে বলেন, ‘সংবিধানের অধীনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে বসতে যাচ্ছেন আপনারা।’

    ২৫ আগস্ট থেকে রুসেফের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে, চলবে পাঁচদিন। শেষ দিনে সিনেটের ভোটে চূড়ান্ত হবে রায়। এ ভোট বলা হচ্ছে, ‘জাজমেন্ট ভোট’।

    জাজমেন্ট ভোটে রুসেফ হেরে গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্টের পদ হারাবেন তিনি। ১২ মে অভিশংসিত হয়ে ক্ষমতা হরানোর পর প্রেসিডেন্ট পদে বসা তার প্রাক্তন রানিংমেট মাইকেল তেমের আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদে বসবেন। ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

    মাইকেল তেমের ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। অভিশংসনের প্রক্রিয়া শুরু হলে তিনি রুসেফের বিরুদ্ধে চলে যান। এখন দ্রুত বিচার শেষ করার জন্য তিনি সিনেটের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন। তিনি বলেছেন, ‘জনগণ জানতে চায়, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট আসলে কে?’

    এদিকে ২০১৪ সালে ফুটবল বিশ্বকাপ আসরের উদ্বোধন করলেও রিও অলিম্পিকের উদ্বোধনী মঞ্চে রাখা হয়নি রুসেফকে। তাকে দর্শকসারিতে স্থান দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এ নিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন মাইকেল তেমের।

  • বৈদ্যুতিক গোলযোগে হাজারো বিমানযাত্রীর ভোগান্তি

    বৈদ্যুতিক গোলযোগে হাজারো বিমানযাত্রীর ভোগান্তি

    এ বি এন এ : বৈদ্যুতিক গোলযোগের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ডেলটা এয়ারলাইন্সের ৭৪০ টি ফ্লাইট বাতিল হয়ে যাওয়ায় সারা বিশ্বের হাজার হাজার যাত্রী সময়মত তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে এয়ারলাইন্সটির কম্পিউটার ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে বিশ্বব্যাপী তাদের ফ্লাইট শিডিউল বিপর্যস্ত হয়।
    যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাজ্যের যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয় সবচেয়ে বেশি। এয়ারলাইন্সটির কম্পিউটার ব্যবস্থার বিপর্যয়ের কারণে এয়ারপোর্টে চেক ইন ব্যবস্থা, যাত্রী উপদেশ পর্দা, ওয়েবসাইট এবং স্মার্টফোন অ্যাপ অকার্যকর হয়ে যায়। ছয় ঘণ্টা বিরতির পর আবার বিমানের ফ্লাইট শুরু হয়।
    সোমবার বিকাল পর্যন্ত ৭৪০টি ফ্লাইট সাসপেন্ড করার ঘোষণা দেয় ডেলটা। বিমানের টিকিটের টাকা ফেরতের পাশাপাশি প্রত্যেক যাত্রীকে ২শ ডলারের ভাউচার দেওয়ার ঘোষণা দেয় এয়ারলাইন্সের সিইও। এ ঘটনার জন্য ভিডিও বার্তায় ক্ষমাও চান তিনি।
  • অশান্ত কাশ্মিরে দুই সপ্তাহে সহস্রাধিক গ্রেফতার

    অশান্ত কাশ্মিরে দুই সপ্তাহে সহস্রাধিক গ্রেফতার

    এ বি এন এ : ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে গত দুই সপ্তাহে এক হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হিমালয় অঞ্চলে ভারতবিরোধী বিক্ষোভ দমন করতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শীর্ষ এক পুলিশ কর্মকর্তা সোমবার এ খবর জানিয়েছেন।
    পুলিশের আইজি সৈয়দ জাভিদ মুজতবা গিলানি বলেন, মাসব্যাপী বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এ অভিযান চালানো হয়েছে। গত কয়েকদিনে তাদের বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৫৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও সহস্রাধিক লোক আহত হয়েছে।
    কাশ্মিরে গত ৮ জুলাই তাদের বিদ্রোহী কমান্ডার বুরহান মুজাফ্ফর ওয়ানি নিহত হন। এরপর থেকেই সেখানে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে কারফিউ দেয়া হয়। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে শত শত লোক এই কারফিউ ভেঙ্গে বিক্ষোভে নামে। এ সময় সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ ও বিভিন্ন সময়ে প্যালেট গান ব্যবহার করে। এই প্যালেট গান ব্যবহারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টার ন্যাশনাল।
    কাশ্মির নিয়ে ভারত-পাকিস্তান বিবাদ সেই ১৯৪৭ সাল থেকে । ভারত বলে আসছে পাকিস্তান কাশ্মিরি বিদ্রোহীদের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করছে। তারা ভারত থেকে স্বাধীনতা চাইছে কিংবা পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে চাইছে।
    পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, তারা কেবল কাশ্মিরিদের নৈতিক এবং রাজনৈতিক সমর্থন দিচ্ছে। ১৯৮৯ সাল থেকে বিদ্রোহীদের ভারতের বিরুদ্ধে আন্দোলনের পর থেকে এ পর্যন্ত ৬৮ হাজার লোক নিহত হয়েছে। -আল জাজিরা
  • ফিলিপাইনে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় হামলার হুমকি আইএসের

    ফিলিপাইনে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় হামলার হুমকি আইএসের

    এ বি এন এ : ইসলামিক স্টেট ফিলিপাইনে অনুষ্ঠেয় মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় হামলার পরিকল্পনা করছে। এ উদ্দেশে জঙ্গি সংগঠনটি ইন্টারনেটে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছে। ভিডিওটিতে “যার পক্ষে সম্ভব তাকেই” মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানে হামলা চালানোর আহবান জানানো হয়। এতে কীভাবে বোমা বানাতে হবে তার দিক নির্দেশনাও দেওয়া হয়। অনলাইনে আইএস ফিলিপাইন সাপোর্টার্স নামের একটি টেলিগ্রাম ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে পোস্ট করা টিউটোরিয়াল ভিডিওতে এই হুমকি দেয় আইএস। আগামী জানুয়ারি মাসে দেশটির রাজধানী ম্যানিলায় মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভিডিওটিতে যেসব দেশ আইএস বিরোধী যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে সেসব দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর আহবান জানানো হয়। ভিডিওটিতে আত্মঘাতি বেল্ট তৈরির দিক নির্দেশনা সম্বলিত আরেকটি ভিডিও ক্লিপ এবং বিস্ফোরক তৈরির দিক-নির্দেশনা সম্বলিত ৪৯ পৃষ্ঠার ইংরেজি ভাষার একটি ডকুমেন্ট ডাউনলোডের জন্য সংযুক্ত করা হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে সম্প্রতি আইএসের কুখ্যাত কালো পতাকা উঁচিয়ে জঙ্গি সংগঠনটির প্রতি স্থানীয়দের সমর্থন জ্ঞাপনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার থেকেই জঙ্গি হামলার আতঙ্ক বিরাজ করছে। ফিলিপাইনের প্রধান ধর্ম খ্রিস্টান ক্যাথলিকবাদ। তবে ইসলাম দেশটির দ্বিতীয় প্রধান ধর্ম। দেশটির সর্বদক্ষিণের দ্বীপ মিন্দানাওয়ের বেশিরভাগ মানুষ মুসলিম। সেখানে ইসলামি চরমপন্থীরা ক্ষমতাসীন সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বছর ডিসেম্বরে মিস ইউনিভার্সের মুকুটটি জয় করেছিলেন ফিলিপিনো সুন্দরী পিয়া উর্টজবাখ। কিন্তু ভুলক্রমে তার মুকুটটি মিস কলাম্বিয়া আরিয়ান্দা গুতিয়েরেজের মাথায় পরিয়ে দেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক স্টিভ হার্ভি। এর দুই মিনিট পরেই জানানো হয় যে মুকুটটি পরবেন ফিলিপিনো পিয়া উর্টজবাখ। মুকুটটি পিয়াকে হস্তান্তরের জন্যই ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আগামী জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার কর্মসূচিটির আয়োজন করা হয়েছে।

  • কাবুলে অস্ত্রের মুখে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক অপহরণ

    কাবুলে অস্ত্রের মুখে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক অপহরণ

    এ বি এন এ : আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের কেন্দ্রস্থল থেকে অস্ত্রের মুখে এক মার্কিন ও এক অস্ট্রেলিয়ার নাগরিককে অপহরণ করা হয়েছে। সংঘাতপূর্ণ দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের ধারাবাহিকভাবে অপহরণের ক্ষেত্রে এটি সর্বশেষ ঘটনা। সোমবার কর্মকর্তারা একথা জানান। আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব আফগানিস্তানের দুই অধ্যাপককে রবিবার সন্ধ্যায় অপহরণ করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোন গ্রুপ তাদেরকে অপহরণের দায় স্বীকার করেনি। নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘কাবুলের কেন্দ্রস্থলের দার-উল-আমান সড়ক থেকে অস্ত্রের মুখে এ দুই বিদেশি নাগরিককে অপহরণ করা হয়। এদের একজন যুক্তরাষ্ট্র ও একজন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।’ আফগানিস্তানে কাজ করা ভারতের দাতব্য প্রতিষ্ঠানের এক কর্মীকে উদ্ধারের মাত্র দুই সপ্তাহ পর এ অপহরণের ঘটনা ঘটলো। কাবুলের কেন্দ্রস্থলের বাসার কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে ভারতীয় এ নাগরিককে অপহরণ করা হয়েছিল। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, আমেরিকার এক নাগরিককে অপহরণ করার খবর তাদেরকে অবহিত করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে আর কোন মন্তব্য করতে তারা অস্বীকৃতি জানায়। এদিকে অস্ট্রেলিয়া সরকার কাবুলে তাদের দূতাবাসের বরাত দিয়ে দেশের এক নাগরিক অপহৃত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। তবে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এ ব্যাপারে তারা বিস্তারিত কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানায়। সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপহরণের মারাত্মক হুমকিসহ অনেক ঝুঁকিপূর্ণ নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আমরা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের আফগানিস্তান সফর না করার পরামর্শ দিচ্ছি।’

  • অভ্যুত্থান-বিরোধী মহাসমাবেশে এরদোয়ানের পাশে বিরোধী দল

    অভ্যুত্থান-বিরোধী মহাসমাবেশে এরদোয়ানের পাশে বিরোধী দল

    এ বি এন এ : তুরস্কে গত মাসের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানাতে ইস্তাম্বুল শহরে গণতন্ত্রের পক্ষে এক যৌথ সমাবেশে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দুই বিরোধী দলের নেতারা। গত কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো যৌথ সমাবেশে অংশ নিলেন তারা।

    অভ্যুত্থান-বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে রাতের বেলায় সমাবেশকে উৎসাহ দিয়ে আসছিল আঙ্কারা। এরই চূড়ান্ত প্রচারণা হিসেবে রোববার এই মহাসমাবেশে মিলিত হলেন দেশটির ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলীয় নেতারা। ইস্তাম্বুলের ইয়েনিকাপি স্কয়ারে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। তাদের সবার হাতেই ছিল তুরস্কের পতাকা। শেষ বিকেলে সমাবেশে যোগ দেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম। এই সমাবেশের নাম দেয়া হয়েছে ‘গণতন্ত্র ও শহিদ সমাবেশ’। দলীয় কোনো ব্যানার না এনে শুধু তুরস্কের পতাকা নিয়ে সমাবেশে আসার জন্য কর্মীদের আগে থেকেই নির্দেশ দিয়েছিলেন এরদোয়ান।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের সম্মিলনে এই সমাবেশ দেশটির জাতীয় ঐক্যকে প্রতিফলিত করেছে। সমাবেশের আগে দলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে এরদোয়ান বলেন, ‘সেখানে আমরা একটি জাতি হিসেবে, একটি পতাকা নিয়ে, একটি মাতৃভূমির জন্য, একটি রাষ্ট্রের জন্য, একটি একক চেতনার জন্য একসঙ্গে দাঁড়াবো।’

    এই খবর লেখা পর্যন্ত সমাবেশ চলছে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনাদুলু জানিয়েছে, ‘দলমত নির্বিশেষ দেশের সব স্তরের জনগণ সমাবেশে অংশ নিচ্ছে। লোকজনের সংখ্যা কয়েক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।’ পুলিশ বাদেও সমাবেশের শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে আছে ১৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য থাকবে ৭০০ চিকিৎসাকর্মী। আছে হেলিকপ্টার ও অ্যাম্বুলেন্স।

    এরদোয়ানের জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একে পার্টি) সূত্র জানিয়েছে, সারাদেশেই এই ধরনের সমাবেশ অনুষ্ঠান করা হবে। তুরস্কের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম, প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকার পিপলস পার্টির (সিএইচটি) প্রধান কেমাল কিলিসদারোগ্লু এবং আরেক বিরোধী দল ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টির (এমএইচপি) প্রধান দেভলেত বাহসেলি সমাবেশে অংশ নিয়েছেন।

    তবে এতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি পিপলস ডেমোক্রেসি পার্টির (এইচডিপি) কোনো নেতাকে। তুরস্কের নিষিদ্ধ ঘোষিত দল কুর্দিস্তান ওয়ার্কাস পার্টিকে (পিকেকে) সমর্থন করার কারণে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৯৮৪ সাল থেকে পিকেকে’কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। এইচডিপিকে পিকেকে’র রাজনৈতিক শাখা মনে করে তুরস্ক সরকার।